× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Open market bank parity in dollar prices
hear-news
player
print-icon

ডলারের দামে খোলাবাজার-ব্যাংক সমানে সমান

ডলারের-দামে-খোলাবাজার-ব্যাংক-সমানে-সমান
বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া আন্তব্যাংক দর (ব্যাংক রেট) বুধবার ছিল ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। এই দামে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ব্যাংকগুলো এই দরের চেয়ে ৮ থেকে ১৩ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করেছে।

কিছুতেই বাগে আসছে না ডলারের বাজার। এবার ব্যাংকেও প্রতি ডলারের দাম পৌঁছেছে ১০৮ টাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকেরা।

খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে বুধবার ডলারের দর খানিকটা কমেছে। তবে ব্যাংকগুলো ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করছে নগদ ডলার। এতে কার্ব মার্কেট ও ব্যাংকে ডলারের দর সমান হয়ে গেছে।

বেসরকারি ইষ্টার্ন ব্যাংক এক দিনের ব্যবধানে ৭ টাকা বাড়িয়ে বুধবার প্রতি ডলার ১০৮ টাকায় বিক্রি করেছে। মঙ্গলবার এই ব্যাংকে ডলারের দাম ছিল ১০১ টাকা। আইএফআইসি ও সিটি ব্যাংক থেকে এক ডলার কিনতে বুধবার গুনতে হয়েছে ১০৭ টাকা।

রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক ১০৩ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। অন্য তিন সরকারি ব্যাংক সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক বিক্রি করেছে ১০২ টাকায়।

খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দামে অবশ্য বেশ খানিকটা লাগাম পড়েছে। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১০৮ টাকায়। মঙ্গলবার এক লাফে দাম ৬ টাকা বেড়ে ১১২ টাকায় উঠে গিয়েছিল।

ভ্রমণ, শিক্ষা, জরুরি প্রয়োজন কিংবা চিকিৎসার জন্য কেউ বিদেশে যেতে চাইলে এখন ব্যাংক বা খোলাবাজার যেখান থেকেই ডলার কিনুন না কেন একই দাম গুনতে হচ্ছে।

অথচ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া আন্তব্যাংক দর (ব্যাংক রেট) ছিল ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। এই দামে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ব্যাংকগুলো এই দরের চেয়ে ৮ থেকে ১৩ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করেছে।

খোলাবাজারের প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, কিন্তু ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ বা তদারকির মধ্যে থেকে ডলার লেনদেন করে থাকে।

ডলারের দামে খোলাবাজার-ব্যাংক সমানে সমান

সাধারণত ব্যাংক রেটের ব্যাংকগুলোতে ডলারের দর দেড় থেকে দুই টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ব্যাংক রেটের চেয়ে ৬/৭ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১৩ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছে।

ব্যাংক রেটের চেয়ে ব্যাংকগুলোর ডলারের দামের এত ব্যবধান কেন- জানতে চাইলে অর্থনীতির বিশ্লেষক গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ও ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন আর ইন্টারব্যাংক রেট বলে কিছু নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর কাছে অল্প কিছু ডলার বিক্রি করে। সেটা দিয়ে ব্যাংকগুলোর কিছুই হয় না। সব ব্যাংক পায় না। যেসব ব্যাংক জ্বালানি তেলসহ সরকারের অন্য পণ্য আমদানির এলসি খোলে, তারাই পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার।

‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বাজারে ডলারের চরম সংকট চলছে। পণ্য আমদানির জন্য এলসি খোলার প্রয়োজনীয় ডলার নেই ব্যাংকগুলোর কাছে। বেশি দামে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেও চাহিদা মিটছে না। সে কারণে বেশি দামে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে। বাধ্য হয়ে তাকে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।‘

তিনি বলেন, ‘দাম আরও বাড়বে-এমন গুজবে সাধারণ মানুষ এখন শেয়ারবাজারে লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে ডলার কিনছে। অনেকে আবার তিন-চার মাস পর দেশের বাইরে যাবেন, তাই প্রয়োজনীয় ডলার এখনই কিনে রাখছেন। সব মিলিয়ে মুদ্রাবাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থা থাকলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপদ দেখা দিতে পারে।

‘তাই যত দ্রুত সম্ভব ডলারকে মাটিতে নামিয়ে আনতে হবে। টাকাকে শক্তিশালী করতে হবে।’

কীভাবে সেটা সম্ভব- এ প্রশ্নের উত্তরে আহসান মনসুর বলেন, ‘আমি মনে করি এ ক্ষেত্রে একটাই পথ আছে, সেটা হচ্ছে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেয়া। সেটা অল্প সময়ের জন্য ১৫ থেকে ২০ শতাংশও বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। যে কাজটি রাশিয়া করেছিল এবং সফল হয়েছে।’

ডলারের দামে খোলাবাজার-ব্যাংক সমানে সমান

তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলার পর রুবলের দাম এক ধাক্কায় অনেক পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের সুদের হার অনেক বাড়িয়ে দেয়। বেড়ে যায় রুবলের কদর। বাড়তে থাকে মান।

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা আহসান মনসুর বলেন, ‘আমাদের এই মুহূর্তে ঠিক এই কাজটিই করতে হবে। এক্ষুনি সেটা করতে হবে। বর্তমানে আমাদের সুদের হার ৯ শতাংশ। সেটা ১৫/২০ শতাংশ করা হলে বাজারে টাকার সরবরাহ কমে আসবে। পর্যাপ্ত টাকা না থাকলে কেউ আর ডলার কিনতে যাবে না। তখন এমনিতেই ডলারের দাম কমে আসবে।

‘একই সঙ্গে আমদানির লাগাম টানতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে তা অব্যাহত রাখতে হবে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়ানোর দিকে জোর দিতে হবে।’

বাজার ‘স্থিতিশীল’ করতে গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় নতুন অর্থবছরেও বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবারও ৫ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের ২৬ দিনে (১ থেকে ২৬ জুলাই) প্রায় ১০০ কোটি (এক বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে।

তারপরও বাজার স্বাভাবিক হচ্ছে না। দিন যত যাচ্ছে, মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা ততই বাড়ছে। পাগলা ঘোড়ার মতোই ছুটছে ডলার। নিয়মিত দামি হচ্ছে, সেই সঙ্গে পড়ছে টাকার মান।

এর ফলে রিজার্ভ দুই বছর পর ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসার পর আর ওপরে উঠছে না। মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৯ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

বেশ কিছুদিন ধরে চলা ডলারের অস্থির বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে বিলাসবহুল এবং অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির লাগাম টেনে ধরতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটার পর একটা পদক্ষেপ নিচ্ছে, কিন্তু বাজার স্বাভাবিক হচ্ছে না।

মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক রাখতে ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ৭৬২ কোটি (৭.৬২ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই রিজার্ভ থেকে এক অর্থবছরে এত ডলার বিক্রি করা হয়নি।

অথচ তার আগের অর্থবছরে (২০২০-২১) বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় দর ধরে রাখতে রেকর্ড প্রায় ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত বছরের আগস্টে রিজার্ভ যে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল, তাতে ডলার কেনার অবদান ছিল।

আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার কারণেই মূলত দেশে ডলারের এই সংকট দেখা দিয়েছে। রপ্তানি আয় বাড়লেও ডলারের সংকট মেটাতে পারছে না। ফলে প্রতিনিয়ত বেড়েছে ডলারের দাম। এ জন্য রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিনিয়ত দামও বাড়িয়েছে। এরপরও কিছুতেই বাগে আসছে না ডলারের তেজিভাব।

গত বছরের আগস্ট থেকে ডলারের দাম বাড়তে শুরু করে; দুর্বল হতে থাকে টাকা। তার আগে এক বছরেরও বেশি সময় ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় ‘স্থির’ ছিল ডলারের দর।

ডলারের দামে খোলাবাজার-ব্যাংক সমানে সমান

করোনা মহামারির কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরজুড়ে আমদানি বেশ কমে গিয়েছিল। কিন্তু প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে উল্লম্ফন দেখা যায়। সে কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যায়। সে পরিস্থিতিতে ডলারের দর ধরে রাখতে ওই অর্থবছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তারই ধারাবাহিকতায় বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েও ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা হয়।

আগস্ট মাস থেকে দেখা যায় উল্টো চিত্র। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে আমদানি ব্যয়। রপ্তানি বাড়লেও কমতে থাকে রেমিট্যান্স। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও কমতে থাকে। বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়; বাড়তে থাকে দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে আগস্ট থেকে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, চলে পুরো অর্থবছর।

সেই ধারাবাহিকতায় চাহিদা মেটাতে নতুন অর্থবছরেও (২০২২-২৩) ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই একই জায়গায় ‘স্থির’ ছিল ডলার। এর পর থেকেই বাড়তে থাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার দর।

হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, এক বছরে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে ডলারের দর বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
শুধু বাংলাদেশ নয়, সব দেশেই কমছে রিজার্ভ
ব্যাংকেও সেঞ্চুরি হাঁকাল ডলার
এক ডলার এখন ৯৪ টাকা ৪৫ পয়সা
রিজার্ভ থেকে ১৮ দিনেই ৬৮ কোটি ডলার বিক্রি
রিজার্ভে চাপ কমাতে আরও একটি পদক্ষেপ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank gave AC bus to Dhaka University

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসি বাস দিল এনআরবিসি ব্যাংক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসি বাস দিল এনআরবিসি ব্যাংক এনআরবিসি ব্যাংক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি এসি বাস উপহার দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রয়াসে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণাকাজে সহায়তার জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) একটি বাস উপহার দিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

বুধবার সকালে ঢাবি নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের কাছে বাসটি হস্তান্তর করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাস উপহার পেয়ে ব্যাংকটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রয়াসে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণাকাজ এগিয়ে নেয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। পৃথিবীর সব দেশে শিক্ষা-গবেষণায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ রয়েছে। এনআরবিসি ব্যাংকের এই উপহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল বলেন, ‘দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহম্মদ সামাদ, ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাদ মুজিব লালন, ব্যাংকের ডিএমডি ও সিএফও হারুনুর রশিদ, সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের প্রধান পারভেজ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এনআরবিসি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের শিক্ষা খাত থেকে এই উপহার দেয়। বাসটি ৪২ আসনের।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা
প্রবাসীরাই বাতিঘর, প্রতিদিন পাঠাচ্ছেন ৮০০ কোটি টাকা
তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু
বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা ১৬৬তম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The dollars good days are over for hoarders

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের সরবরাহ বেশ বেড়েছে। সবাই বিক্রি করতে আসে; কেউ কিনতে আসে না। এতোদিন যারা বেশি লাভের আশায় ডলার কিনে মজুত করেছিলেন, তারা সবাই এখন বিক্রি করতে আসছেন। সে কারণেই দুর্বল হচ্ছে ডলার, মান বাড়ছে টাকার।

অতি মুনাফার লোভে যারা কার্বমার্কেট বা খোলাবাজার থেকে ১২০ টাকায় ডলার কিনেছিলেন তাদের মাথায় হাত। পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটতে থাকা ডলার হোঁচট খেয়ে এখন উল্টো দিকে হাঁটছে; ১০৯ টাকায় নেমে এসেছে। শক্তিশালী হতে শুরু করেছে টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের সরবরাহ বেশ বেড়েছে। সবাই বিক্রি করতে আসে; কেউ কিনতে আসে না। এতোদিন যারা বেশি লাভের আশায় ডলার কিনে মজুত করেছিলেন, তারা সবাই এখন বিক্রি করতে আসছেন। সে কারণেই দুর্বল হচ্ছে ডলার, মান বাড়ছে টাকার। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডলারের দর ১০৫ টাকায় নেমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

বুধবার সকালে খোলাবাজারে প্রতি ডলারের জন্য ১১০ টাকা নিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা; বিকেলে তা ১০৯ টাকায় নেমে আসে। মঙ্গলাবার প্রতি ডলার ১১৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১১৩ টাকা ৩০ পয়সায় বিক্রি হয়েছিল।

সোমবার ছিল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিন। তার আগের দিন রোববার প্রতি ডলারের জন্য ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা নিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা।

আমদানি কমায় ডলারের চাহিদা কমে এসেছে। সে কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় দর কমছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যাংকগুলোও নগদ ডলারের দাম কমাতে শুরু করেছে। বেসরকারি সিটি ব্যাংক মঙ্গলবার প্রতি ডলারের জন্য নিয়েছিল ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার নিয়েছে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। তবে অন্য ব্যাংকগুলো আগের দামেই নগদ ডলার বিক্রি করছে।

খোলাবাজারে গত সপ্তাহে ডলারের দর এক লাফে ১২০ টাকায় উঠেছিল। বৃহস্পতিবার তা এক টাকা কমে বিক্রি হয় ১১৯ টাকায়। এর পর থেকে টাকার বিপরীতে প্রতিদিনই কমছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর।

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খোলাবাজারের এক ডলার ব্যবসায়ী বুধবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাজারে ডলারের সরবরাহ এখন প্রচুর। সবাই বিক্রি করতে আসে; কেউ কিনতে আসে না। দু-একজন আসে দাম শুনে; তবে কেনে না। সকালে ১১০ টাকায় সামান্য কিছু ডলার বিক্রি করেছি আমরা। বিকেলে ১০৯ টাকা দিয়েও কেনা পাওয়া যায়নি।’

‘এতোদিন যারা বেশি লাভের আশায় ডলার কিনে মজুদ করেছিলেন, দাম কমতে দেখে তারা সবাই এখন বিক্রি করতে আসছে। সে কারণেই সরবরাহ বেড়েছে। দাম কমছে।’

‘যারা পাগলের মতো ডলার কিনেছিলেন তারা সবাই ধরা। সবাই এখন বিক্রি করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। সরবরাহ বেড়েছে; তাই দাম কমছে। আরও কমবে বলে মনে হচ্ছে,’বলেন ওই ব্যবসায়ী।

‘আমার মনে হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডলারের দর ১০৫ টাকায় নেমে আসবে।’

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক গত কয়েক দিনের মতো বুধবারও ১০৪ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক থেকে কিনতে লেগেছে ১০৪ টাকা ২৫ পয়সা। বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক বিক্রি করেছে ১০৭ টাকায়। এসআইবিএল নিয়েছে ১০৫ টাকা।

গত সপ্তাহের মতো বুধবার ৯৫ টাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটাকে আন্তব্যাংক বা ইন্টারব্যাংক রেট বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এই রেট গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে কার্যত অচল।

ব্যাংকগুলো এখনও এই দরের চেয়ে ৯ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। আবার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে ১০৪-১০৫ টাকা দিয়ে। আমদানি ঋণপত্র খুলতে নিচ্ছে ১০৪-১০৫ টাকা।

বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের দৌড় থামাতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের দেড় মাসে (১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট) প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এরপরও বাজারে ডলারের সংকট কাটছে না।

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম আশার কথা শুনিয়ে বলেছেন, শিগগিরই ডলারের সংকট কেটে যাবে। বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ইতোমধ্যে কার্ব মার্কেটে বেশ খানিকটা কমেছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার কারণেই বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। সেই চাহিদা পূরণের জন্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাজারে ডলার ছাড়া হচ্ছে। আসলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ এটি। যখন বাজারে ডলারের ঘাটতি দেখা দেবে তখন ডলার বিক্রি করা হবে। আবার যখন সরবরাহ বেশি হবে তখন কেনা হবে।

‘ডলার বিক্রির ক্ষেত্রে রিজার্ভ পরিস্থিতিও সব সময় বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। ঢালাও বিক্রি করলে রিজার্ভ কমে আসবে। সেক্ষেত্রে অন্য সমস্যা হবে। সে কারণেই ভেবেচিন্তে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি বিক্রি করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দুই বছরের বেশি সময় ধরে করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তাণ্ডবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সব দেশের মতো আমাদেরও আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। সে কারণে রিজার্ভের ওপরও চাপ পড়েছে।

‘তবে সুখের খবর হচ্ছে, আমদানি কমতে শুরু করেছে। রপ্তানির পাশাপাশি রেমিট্যান্সও বাড়ছে। শিগগিরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’

এর আগে মে মাসে যখন ডলারের দর ১০০ টাকা ছাড়িয়েছিল, তখনও সবাই অতি মুনাফার আশায় জমানো টাকা দিয়ে ডলার কিনেছিলেন। অনেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে, ধারদেনা করেও ডলার কিনেছিলেন। পরে অবশ্য ডলারের দাম ১০০ টাকার নিচে নেমে এসেছিল।

আরও পড়ুন:
মানি এক্সচেঞ্জ ডলারপ্রতি সর্বোচ্চ দেড় টাকা লাভ করতে পারবে
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটা ডলার হারাচ্ছে দম
ডলার: ব্যাংকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ব্যবসায়ী নেতারা
এবার ডলার বিক্রিতে মুনাফার সীমা নির্ধারণ
মেঘ-বৃষ্টির দিনে তেজ কমল ডলারের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
28 Agent Banking Outlets of SIBL

এসআইবিএলের ২৮ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট

এসআইবিএলের ২৮ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এসআইবিএলের নতুন ২৮ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধনে কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
এসআইবিএলের প্রধান কার্যালয়ে বুধবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম এর উদ্বোধন করেন।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বা এসআইবিএলের ২৮টি নতুন এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে।

এসআইবিএলের প্রধান কার্যালয়ে বুধবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম এর উদ্বোধন করেন।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান কাজী ওবায়দুল আল-ফারুক, চিফ রেমিট্যান্স অফিসার মো. মোশাররফ হোসাইন, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিভিশনের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান এবং এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মো. মশিউর রহমান।

আরও পড়ুন:
খুলনায় এসআইবিএলের কর্মকর্তা সম্মেলন
বেস্ট ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড পেল এসআইবিএল
এসআইবিএলের নতুন ৩ সঞ্চয় স্কিম
ঝিনাইদহে কৃষি ঋণ দিল এসআইবিএল-সিও
এসআইবিএলের ৩টি নতুন উপশাখা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dutch Bangla ATM booth will be closed for 40 hours

ডাচ্‌-বাংলার এটিএম বুথ বন্ধ থাকবে ৩০ ঘণ্টা

ডাচ্‌-বাংলার এটিএম বুথ বন্ধ থাকবে ৩০ ঘণ্টা ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ বন্ধ থাকবে ৩০ ঘণ্টা। ছবি: সংগৃহীত
৩০ ঘণ্টা ব্যাংকটির এটিএম বুথ, সিআরএম, পিওএস, ই-কমার্স ও ই-ব্যাংকিং সেবা পাবেন না গ্রাহকরা। বন্ধ থাকবে ব্যাংকটির এনপিএসবি ও আইবিএফটি সেবা। ইনওয়ার্ড ও আউট ওয়ার্ড রেমিট্যান্স সেবাও পাবেন না ব্যাংকটির গ্রাহকরা।

কোর ব্যাংকিং সিস্টেম আপগ্রেড করার জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে টানা ৩০ ঘণ্টা ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের এটিএমসহ সব ধরনের ই-ব্যাংকিং সেবা বন্ধ থাকবে।

অর্থাৎ শুক্রবার বেলা ২টা পর্যন্ত ব্যাংকটির গ্রাহকরা অনলাইনভিত্তিক বেশ কয়েকটি সেবা নিতে পারবেন না।

তবে এই নির্দেশনা শুধু ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস ডেবিট কার্ডের গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।

৩০ ঘণ্টা ব্যাংকটির এটিএম বুথ, সিআরএম, পিওএস, ই-কমার্স ও ই-ব্যাংকিং সেবা পাবেন না গ্রাহকরা। বন্ধ থাকবে ব্যাংকটির এনপিএসবি ও আইবিএফটি সেবা। ইনওয়ার্ড ও আউট ওয়ার্ড রেমিট্যান্স সেবাও পাবেন না ব্যাংকটির গ্রাহকরা।

ব্যাংকটির এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটের কোর ব্যাংকিং সেবাও এ সময় বন্ধ থাকবে।

দেশজুড়ে ব্যাংকটির ৪ হাজার ৭৬৬ এটিএম বুথ আছে।

আরও পড়ুন:
এটিএম কার্ড জালিয়াতি: তুর্কি নাগরিকসহ ২ জন রিমান্ডে
কার্ড আটকে যান্ত্রিক ত্রুটিতে, টাকা কাটে গ্রাহকের
এটিএম ব্যবহারে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
বুথে আটকে যাওয়া টাকা পেতে দিনের পর দিন অপেক্ষা
কার্ডে আন্তব্যাংক লেনদেনে চার্জ নির্ধারণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Wreath laying on Bangabandhus portrait at the initiative of Islami Bank

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ
ব্যাংকের পরিচালক জয়নাল আবেদীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট সোমবার জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাংকের পরিচালক জয়নাল আবেদীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ওমর ফারুক খান ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইয়ার আজম, সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার, আবুল ফয়েজ মুহাম্মাদ কামালউদ্দিন ও মুহাম্মদ শাব্বির, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী ও আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এস এম রবিউল হাসানসহ ব্যাংকের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের ৩ জোনের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন
ইসলামী ব্যাংকের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংকের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন
ইসলামী ব্যাংকে শরিয়াহ পরিপালন বিষয়ে ওয়েবিনার
ইসলামী ব্যাংকে এফসি ক্লিয়ারিং বিষয়ক কর্মশালা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
National Day of Mourning observed at BRAC Bank

ব্র্যাক ব্যাংকে জাতীয় শোক দিবস পালন

ব্র্যাক ব্যাংকে জাতীয় শোক দিবস পালন
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘একজন স্বপ্নদর্শী নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন ও দীক্ষা কাল ও প্রজন্মকে ছাড়িয়ে যাবে।’

ব্র্যাক ব্যাংক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে।

সোমবার এ উপলক্ষে ব্যাংকটির উদ্যোগে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে সারা দেশের কর্মকর্তারা মহান এই রাষ্ট্রনায়কের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর এফ হোসেন তার বক্তব্যে জনগণের মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধুর আজীবন আন্দোলনের কথা এবং দেশ ও দেশবাসীর প্রতি ভালোবাসা কথা তুলে ধরেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার আহ্বান এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার ভিশনের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ‘একজন স্বপ্নদর্শী নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন ও দীক্ষা কাল ও প্রজন্মকে ছাড়িয়ে যাবে।’

এছাড়া মঙ্গলবার ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় জাতীয় শোক দিবস উপল একটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

জাতীয় শোক দিবস পালনের অংশ হিসাবে ব্র্যাক ব্যাংক আগস্ট মাস জুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। যার মধ্যে আছে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম, দু:স্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং শাখাগুলোতে শোক ব্যানার লাগানো।

মঙ্গলবার প্রতিটি শাখায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ব্র্যাক ব্যাংকের ‘তারা’ গ্রাহকদের ছাড় দিচ্ছে ওয়ান্ডার ওম্যান
ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং বন্ডের সাবস্ক্রিপশন ক্লোজার অনুষ্ঠান
ব্র্যাক ব্যাংকের সাফল্যের গল্প ইউএনসিডিএফ’র কেস স্টাডিতে
ব্র্যাক ব্যাংকের প্রগতি সরণি শাখা ও নিকুঞ্জ উপশাখা উদ্বোধন
ছোট উদ্যোক্তাদের আরও ৮০ কোটি টাকা ঋণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Low interest loan opportunities on foreign currency investments

বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে আরও কম সুদে ঋণের সুযোগ

বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে আরও কম সুদে ঋণের সুযোগ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লাইবর রেটের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ হারে বার্ষিক সুদে ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়া যাবে। আগে এই সুদ হার ছিল সাড়ে ৩ শতাংশ।

বিদেশি মুদ্রায় স্বল্প মেয়াদে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কম সুদে ঋণ নিতে পারবেন রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা।

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা বিবেচনা করে বার্ষিক সব খরচের সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে সুদ হার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমানোর কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, লাইবর রেটের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ হারে বার্ষিক সুদে ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়া যাবে। আগে এই সুদ হার ছিল সাড়ে ৩ শতাংশ।

লাইবর রেট হচ্ছে- ইংল্যান্ডের কোনো ব্যাংক অন্য কোনো ব্যাংককে যে সুদে ঋণ দেয় তার ৩ মাসের হার। বর্তমানে তা এসওএফআর নামে পরিচিত।

নির্দেশনায় বলা হয়, বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রার সুদ হারের সঙ্গে বার্ষিক সুদ সবোর্চ্চ ৩ শতাংশ যোগ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

এছাড়া ডলারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লাইবর রেট যতদিন কার্যকর রয়েছে ততদিন তা অনুসরণ করা যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রার সুদ হারকে ‘বেঞ্চমার্ক রেট’ হিসেবে ধরা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বল্প মেয়াদে ট্রেড ফাইন্যান্সের বেলায় ডলারের ক্ষেত্রে লাইবর রেট (ইংল্যান্ডের আন্তঃব্যাংকের ৩ মাসের গড় সুদ হার) অনুসরণ করা যাবে।

এখন বেঞ্চমার্ক রেফারেন্স রেট ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রায় স্বল্পমেয়াদি আমদানি-রপ্তানির সময় অর্থায়নে এই রেটের সঙ্গে ৩ শতাংশ সুদ পাবে।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজারে আরও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
‘সুইস ব্যাংকের কাছে অর্থ পাচারের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ’
টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
দুই মাসের মধ্যে কাটবে অর্থনীতির চাপ: গভর্নর
ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে সংশোধনী আনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মন্তব্য

p
উপরে