× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
D 8 Business Forum conference in Dhaka on Tuesday
hear-news
player
print-icon

ঢাকায় মঙ্গলবার ডি-৮ বিজনেস ফোরাম সম্মেলন

ঢাকায়-মঙ্গলবার-ডি-৮-বিজনেস-ফোরাম-সম্মেলন
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর উপলক্ষে বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ এই এক্সপোর আয়োজন করছে হোটেল সোনারগাঁওয়ে। দেশগুলোর মোট অর্থনীতির আকার ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশসহ আটটি মুসলিম দেশের সমন্বয়ে গঠিত ডি-৮ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজর বিজনেস ফোরাম এক্সপো শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার। দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর উপলক্ষে বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ এই এক্সপোর আয়োজন করেছে।

সোমবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডি-৮ সিসিআই-এর চেয়ারপারসন ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এসব তথ্য জানান। একই ভেন্যুতে হবে বিজনেস এক্সপো।

ডি-৮ জোট ১৯৯৭ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ছাড়া অন্য সাতটি সদস্য দেশ হলো: মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান এবং তুরস্ক। বর্তমানে দেশগুলোর মোট অর্থনীতির আকার ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, এই আয়োজন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং ব্যবসার নতুন সুযোগ উন্মোচনে সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। দেশগুলোর ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনায় এবং তাদের নিজ নিজ অর্থনীতিকে সহযোগিতামূলক পদ্ধতিতে এগিয়ে নেওয়ার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবার যে সব বিষয়ে আলোচনা হবে, এর মধ্যে রয়েছে পণ্যসামগ্রী, খনিজ ও শক্তি, শ্রমনির্ভর পণ্য বস্ত্র, পোশাক, হালকা প্রকৌশল ও চামড়াজাত পণ্য, শ্রমনির্ভর সেবা পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন, অঞ্চলভিত্তিক প্রক্রিয়াকরণ কৃষি, জলজ-সম্পদ ও পশুসম্পদ।

জ্ঞানভিত্তিক পণ্যের মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক্স উপাদান, সেমিকন, সাইবার নিরাপত্তা সরঞ্জাম, লজিস্টিকস ও পরিবহন সরঞ্জাম।

জ্ঞানভিত্তিক সেবার মধ্যে আইসিটিতে পেশাদার সেবা, অর্থনৈতিক খাতে প্রযুক্তি সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, দক্ষতা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন। এ ছাড়া চতুর্থ শিল্প বিল্পব, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং প্রয়োগভিত্তিক দক্ষতা ইত্যাদি।

আলোচনার ক্ষেত্র হিসেবে থাকবে হালাল অর্থনীতি, ব্লু-ইকোনমি, সাইবার নিরাপত্তা, রোবোটিক্স, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, যুব-নারীর ক্ষমতায়ন ও এমএসএমই, কৃষিপ্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রযুক্তি, পণ্যের মান সমন্বয় এবং মুদ্রার সমন্বয়।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিন সাধারণ পরিষদে সম্ভাব্য রোডম্যাপ ও এর কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে এবং দ্বিতীয় দিনে ডি-৮ মন্ত্রিপর্যায়ে তা উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব দেয়া হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং ডি-৮-এর সেক্রেটারি জেনারেল রাষ্ট্রদূত ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।

বুধবার শেষ হবে বিজনেস এক্সপো।

আরও পড়ুন:
ডি-৮ যুব ফোরামের প্রথম চেয়ারম্যান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আট দেশের দশম ‘ডি-৮’ সম্মেলন শুরু ৫ এপ্রিল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
3 traders with diesel petrol stocks fined

ডিজেল-পেট্রল মজুত, ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ডিজেল-পেট্রল মজুত, ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফুলবাড়ীয়ায় অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রল মজুতের অপরাধে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
ফুলবাড়ীয়ার ইউএনও বলেন, পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ রাখার লাইসেন্স নেই তিন ব্যবসায়ীর। পেট্রোলিয়াম আইন ভঙ্গের দায়ে তাদের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রল মজুতের অপরাধে তিন ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলার কেশরগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাহিদুল করিম।

তিনি বলেন, ‘গোপনে জানতে পারি, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মজুতদাররা অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রল মজুদ করেছেন। অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় মো. ইসমাইল, আলী হোসেন এবং ওমর ফারুকের দোকান থেকে ১২ হাজার লিটার ডিজেল ও ৩ হাজার লিটার পেট্রল জব্দ করা হয়।’

ইউএনও বলেন, ‘পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ রাখার লাইসেন্স নেই তিন ব্যবসায়ীর। পেট্রোলিয়াম আইন ভঙ্গের দায়ে তাদের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
চার্জার ফ্যানের দাম বেশি রাখায় জরিমানা
নষ্ট মিষ্টি খেয়ে দুই শিশু অসুস্থ, জরিমানা ১৫ হাজার
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: পাঁচ চালককে ৭ হাজার টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায় সাড়ে ১১ হাজার, জরিমানা ৫০০
বেশি দামে সার বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
2 thousand 311 people laundered money

টাকা সাদা করেছেন ২ হাজার ৩১১ জন

টাকা সাদা করেছেন ২ হাজার ৩১১ জন প্রতীকী ছবি।
গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি টাকা সাদা হয়েছে নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ ও সঞ্চয়পত্রে। এসব খাতে ২ হাজার ২৫১ জন কালো টাকা সাদা করার ঘোষণা দেন। এর বিপরীতে কর আহরণ হয় প্রায় ১১৩ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারে টাকা সাদা করেছেন কেবল ৫১ জন। এ খাত থেকে কর আদায় ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ৯ জন উদ্যোক্তা নতুন শিল্প স্থাপনে সাড়া দেন। এর বিপরীতে কর পরিশোধ করেন মাত্র ৯ লাখ টাকা।

গত অর্থবছরে (২০২১-২২) শেয়ারবাজার, নগদ টাকাসহ বিভিন্ন খাতে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে যে সুযোগ সরকার দিয়েছিল, তাতে খুব কমই সাড়া মিলেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এনবিআরের চূড়ান্ত হিসাবে দেখা গেছে, সব মিলিয়ে ২ হাজার ৩১১ জন সুযোগটি গ্রহণ করে টাকা বৈধ করেছেন। এর বিপরীতে সরকারি কোষাগারে আয়কর জমা পড়েছে ১১৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

গত ৩০ জুন কালো টাকা বৈধ করার সুযোগটি শেষ হয়ে যায়। এর মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি।

অপ্রদর্শিত আয় সাধারণভাবে কালো টাকা নামে পরিচিতি পেয়েছে। আর সেটি মানুষের আয়ের হিসাবে আসাকে টাকা সাদা করা বলা হয়ে থাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শর্ত কঠিন থাকায় করদাতারা আগ্রহ দেখাননি। ফলে প্রত্যাশিত ফলাফল আসেনি।’

এর আগের অর্থবছর ১২ হাজারের বেশি করদাতা টাকা সাদা করেন। বিপরীতে সরকার প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আয়কর পায়। স্বাধীনতার পর ওই বছর সবচেয়ে বেশিসংখ্যক করদাতা এ সুযোগ নেন।

চলতি অর্থবছরে কালো টাকার সুযোগ না দিলেও দেশ থেকে পাচার করা টাকা ফেরত আনতে সুযোগ দিয়েছে সরকার। যদিও প্রকারান্তরে কালো টাকার মালিকদের সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যাদের বৈধ আয় আছে এবং টাকা বিদেশে সঞ্চিত আছে, শুধু তারাই বিশেষ এ সুবিধা পাবেন।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সব সরকারই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছে। তবে গত অর্থবছরে শেষবারের মতো সুযোগটি দেয়ার সময় শর্ত কঠিন করা হয়।

গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে একজন করদাতাকে সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কর দিতে হয়েছে। এত বেশি কর দিয়ে টাকা বৈধ করতে অনেকেই নিরুৎসাহিত হন বলে মনে করেন এনবিআর কর্মকর্তারা।

সেবার শেয়ারবাজার, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, নগদ অর্থ, সঞ্চয়পত্র, জমি ও অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে টাকা বৈধ করার সুযোগ দেয়া হয়।

সুযোগটি গ্রহণ করার বিষয়ে শর্ত হিসেবে বলা হয়, কেউ উল্লিখিত খাতগুলোতে ২৫ শতাংশ এবং তার সঙ্গে জরিমানা হিসেবে ‘অতিরিক্ত’ ৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার ঘোষণা দিতে পারবেন। এ জন্য এনবিআর, দুদক কিংবা সরকারের অন্য গোয়েন্দা সংস্থা আয়ের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করবে না। এই হিসাবে দেখা গেছে, প্রায় ২৭ শতাংশ কর দিয়ে সুযোগটি নিতে হয়।

এর আগের অর্থবছরে কেবল ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এ কারণে অনেকেই এগিয়ে এসেছিল।

কোন খাতে টাকা সাদা

এনবিআরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত অর্থবছরের সবচেয়ে বেশি টাকা সাদা হয়েছে নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ ও সঞ্চয়পত্রে।

এসব খাতে ২ হাজার ২৫১ জন কালো টাকা সাদা করার ঘোষণা দেন। এর বিপরীতে কর আহরণ হয় প্রায় ১১৩ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজারে টাকা সাদা করেছেন কেবল ৫১ জন। এ খাত থেকে কর আদায় ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

৯ জন উদ্যোক্তা নতুন শিল্প স্থাপনে সাড়া দেন। এর বিপরীতে কর পরিশোধ করেন ৯ লাখ টাকা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কালো টাকা সাদা করার সযোগ দিয়ে সৎ করদাতাদের প্রতি অবিচার করছে সরকার। তাছাড়া এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।’

এনবিআরের সাবেক সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান আইনে ভলান্টারি ডিসক্লোজার বা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কালো টাকা বৈধ করার যে সুযোগ আছে, এটি প্রায় অকার্যকর। গতবার যে সুযোগ দেয়া হয়েছে, তা একই ধরনের। ফলে ভালো ফলাফল আসেনি।’

সুযোগ থাকছেই

বাজেটে ঘোষণা না এলেও টাকা সাদা করার সুযোগ একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। কারণ, বাজেটের বাইরে আরও তিনটি খাতে আগে থেকেই কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ রয়েছে।

১০ শতাংশ কর দিয়ে হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করলে আয়ের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করা হবে না। রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগে একই সুবিধা দেয়া রয়েছে। এ ছাড়া সিটি ও পৌর করপোরেশনের মধ্যে এলাকাভেদে ফ্ল্যাটে প্রতি বর্গমিটারে নির্ধারিত কর দিয়ে টাকা বৈধ করা যায়।

স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে জরিমানা দিয়ে টাকা সাদা করার স্থায়ী সুযোগ অনেক আগে থেকে দেয়া আছে।

আরও পড়ুন:
‘সৎ করদাতাদের কালো টাকার মালিক করার আইন চাই না’
দেশে কালো টাকা সাড়ে ৮৮ লাখ কোটি
সাড়া নেই, বারবার টাকা সাদা করার সুযোগ কেন?
পুঁজিবাজারে ৫ শতাংশ কালো টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব
‘বেগমপাড়া’ বন্ধ হবে কীভাবে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Another good news for the economy

অর্থনীতিতে স্বস্তির আরেক খবর

অর্থনীতিতে স্বস্তির আরেক খবর ফাইল ছবি
জুলাই মাসে ৫৫৫ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা জুনে ছিল ৭৯৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ জুন থেকে জুলাই মাসে এলসি খোলা কমেছে ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ। জুনে নিষ্পত্তি হয়েছিল ৭৭৫ কোটি ডলার। সেটি জুলাইয়ে ১১৭ কোটি ডলার কমে হয়েছে ৬৫৮ কোটি।

আমদানি খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতিতে যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছিল, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপে তা কমতে শুরু করেছে। ঋণপত্র খোলার হার কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিষ্পত্তির হারও কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদন বলছে, জুলাইতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি হয়েছে ৬৫৮ কোটি ডলার, যা জুনের তুলনায় ১১৭ কোটি ডলার কম।

জুন মাসে এলসি নিষ্পত্তি ছিল ৭৭৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ০৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।

বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমদানি কমাকে দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। তারা বলছেন, এই মুহূর্তে এটারই খুব দরকার। আমদানি কমলে ডলারের বাজারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

জুলাই মাসে ৫৫৫ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা জুনে ছিল ৭৯৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ জুন থেকে জুলাই মাসে এলসি খোলা কমেছে ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে এলসি নিষ্পত্তি হয় ৬৮৫ কোটি ডলার।

ফেব্রুয়ারিতে এলসি নিষ্পত্তি কমে ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। ওই মাসে নিষ্পত্তি ৬৫৫ কোটি ডলার।

কিন্তু মার্চে এলসি নিষ্পত্তি বেড়ে যায় ১২ দশমিক ২ শতাংশ। এ সময় নিষ্পত্তি হয় ৭৬৭ কোটি ডলার।

এপ্রিলে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয় ৬৯৩ কোটি ডলার।

মে মাসে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে হয় ৭২৫ কোটি ডলার।

অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ঋণপত্র নিষ্পত্তির হার আবার বেড়ে যায়। জুনে ঋণপত্র নিষ্পত্তি ১১ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে হয় ৭৭৫ কোটি ডলার।

আগস্টে এ পর্যন্ত ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৯২২ কোটি ডলারের।

গত চার মাস ধরে ডলারের সংকট চলছে। কারণ, আমদানি যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি সে হারে বাড়েনি। এর ফলে অব্যাহতভাবে বাড়ছে ডলারের দাম, আর টাকার মান কেবলই কমছে। এক মাসের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। আর এক বছরের ব্যবধানে কমেছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ।

বর্তমানে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে এক ডলারের জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। তবে সব ব্যাংকেই নগদ ডলারের দাম বেড়ে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। কোনো কোনো ব্যাংক ১০৫ থেকে ১০৮ টাকায় বিক্রি করছে। কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারে গত মঙ্গলবার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ১১২ টাকায় বেচাকেনা হয়। পরে সেখান থেকে কিছুটা কমেছে।

রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিনিয়ত দামও বাড়িয়েছে। এরপরও কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডলারের দাম। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১১৪ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এ কারণে দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে।

আরও পড়ুন:
সিঙ্গাপুর থেকে গম ও সৌদি থেকে সার কিনবে সরকার
আমদানিতে বিলম্ব মূল্য পরিশোধের সময় বেড়ে দ্বিগুণ
কমছে আমদানি, ফিরছে স্বস্তি
বিলাস পণ্য আমদানিতে ব্যাংকঋণ নয়
গাড়ি আমদানিতে চট্টগ্রামকে ডিঙিয়ে মোংলার রেকর্ড

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Gasoline Diesel is cheaper than water in Venezuela

পানির চেয়ে কম দাম পেট্রল-ডিজেলের  

পানির চেয়ে কম দাম পেট্রল-ডিজেলের  
দারিদ্র্যপীড়িত কমিউনিস্টশাসিত দেশ ভেনেজুয়েলায় অবিশ্বাস্য কম দাম জ্বালানি তেল ও গ্যাসের। প্রতি লিটার পেট্রল-ডিজেলের দাম মাত্র ২ টাকা। দেশটির সরকার বিপুল ভর্তুকি দিচ্ছে জ্বালানি খাতে। তবে দারিদ্র্যের প্রায় সব সূচকে তলানিতে দেশটির অবস্থান।

বিশ্বের সবচেয়ে কম দামে পেট্রল মেলে ভেনেজুয়েলায়। লিটার বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২ পেন্সে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ টাকা ৯ পয়সা)। এর কারণ বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলের রিজার্ভ রয়েছে কমিউনিস্টশাসিত দেশটিতে। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে বিপুল ভর্তুকি দিচ্ছে দেশটির সরকার

আক্ষরিক অর্থেই ভেনেজুয়েলায় জ্বালানি তেলের দাম পানির চেয়ে কম। দেশটিতে জ্বালানি খাতে প্রচুর ভর্তুকি দেয়া হয়। তবে তেলের এই পানির দাম দেশটির অর্থনীতিতে তেমন প্রভাব রাখছে না। মাত্রাতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি দেশটির মুদ্রা বলিভারকে প্রায় মূল্যহীন করে দিয়েছে।

ডলারে ভেনেজুয়েলায় এক লিটার গ্যাসোলিনের দাম লিটারপ্রতি যেখানে ০.০২২ সেন্ট, সেখানে ৩৫৫ মিলিলিটার পানির একটি বোতল কিনতে খরচ হয় ০.০৮৮ সেন্ট, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৩.৭৪ টাকা।

অন্যদিকে দুধের দাম লিটারপ্রতি ১৫৪ টাকা। আর এক পাউন্ডের একটি রুটির জন্য গুনতে হয় ১৭০ টাকা।

ভেনেজুয়ালার চেয়েও কম দামে ডিজেল মেলে ইরানে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১ টাকা ৫ পয়সা। আর গ্যাসোলিন লিটারপ্রতি ৫ টাকা ৪ পয়সা।

ভেনেজুয়েলার নাগরিকরা প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের উদার ভর্তুকি বেশ উপভোগ করেন। তবে এ সুবিধা পান কেবল ভেনেজুয়েলার নাগরিকরা। ইরান ও সৌদি আরবের মতো তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলাও নিজেদের নাগরিকদের জন্য জ্বালানিকে সহজলভ্য করছে।

তবে প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর ভেনেজুয়েলাকে গরিব রাষ্ট্র হিসেবেই চেনে বিশ্ব। শ্যাভেজ এবং মাদুরোর সমর্থকরা বলছেন, ভেনেজুয়েলার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় ধুঁকতে হচ্ছে তাদের। তবে সমালোচকদের দাবি, এ জন্য দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতিই দায়ী।

ভেনেজুয়েলা ফাইন্যান্স অবজারভেটরির তথ্য অনুযায়ী, তিন শতাধিক কোম্পানির ওপর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, কর্মীদের গড় বেতন ৫ হাজার ৪৩ টাকা! পেশাদার এবং প্রযুক্তিবিদদের গড় বেতন ৯ হাজার ৫১৬ টাকা। আর একটি কোম্পানি পরিচালনার গড় ব্যয় ২০ হাজার ৫৫৫ টাকা।

তাত্ত্বিকভাবে ভেনেজুয়েলায় ১ ডলারে প্রায় ৫ বিলিয়ন গ্যালন পেট্রল কিনতে পারবেন যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্য এক বছর চলতে পারবে। আর আপনি ভাগ্যবান হলে আরও বেশি পাবেন।

আন্দ্রেস বেলো ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির (ইউসিএবি) গবেষকরা ২০২০-২০২১ সালে একটি জরিপ চালায়। এতে দেখা গেছে, দেশের ২৮ মিলিয়ন বাসিন্দার মধ্যে ৭৬.৬ শতাংশ বাস করে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে। গত বছরে তা বেড়েছে ৬৭.৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
বাস ভাড়ায় স্বল্প দূরত্বে স্বস্তি দিল বিআরটিএ
সুদিনের অপেক্ষায় জ্বালানির সাময়িক মূল্যবৃদ্ধি মেনে নিন: বাণিজ্যমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম ৭৮ শতাংশ কমার তথ্য দিলেন ফখরুল
লঞ্চ ভাড়া কতটা বাড়বে, সিদ্ধান্ত বিকেলে
রিকশা-অটোরিকশায়ও বাড়তি ভাড়া

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Protest against increase in fuel prices in Shahbagh

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে গণঅবস্থান

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে গণঅবস্থান জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন একদল শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের এই প্লাটফর্মের অন্যতম সমন্বয়ক মহিদুল ইসলাম দাউদ বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রাতেও আমরা এখানে অবস্থান করেছি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করছে একদল শিক্ষার্থী। ‘বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা’ ব্যানারে এই কর্মসূচি চলছে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘তেল ডিজেলের দাম কমাও কৃষক বাঁচাও’, ‘তেলের দাম কমিয়ে দে’ ইত্যাদি লেখা সংবলিত প্লাকার্ড বহন করেন।

শিক্ষার্থীদের এই প্লাটফর্মের অন্যতম সমন্বয়ক মহিদুল ইসলাম দাউদ বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রাতেও আমরা এখানে অবস্থান করেছি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’

অবস্থান কর্মসূচি থেকে পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধিরও প্রতিবাদ জানানো হয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম আপন বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এভাবে এতো বিশাল অংকে কখনোই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। এর প্রভাবে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ছে। পণ্য পরিবহনের ব্যয়ও বাড়ছে। তেলের এ দাম বাড়ানোকে অযৌক্তিক। এটা প্রত্যাহার করতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম এই দফায় প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। আমরা দেখেছি, গত বছরও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এর প্রভাবে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে।

‘আজ প্রতিটি জিনিসের দাম নাগালের বাইরে। এ পরিস্থিতিতে এমন মাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোটা সাধারণ মানুষকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়ার নামান্তর। আমরা চাই রাষ্ট্র অন্তত সেবা খাতগুলোতে ভর্তুকি বহাল রাখুক। আইএমএফের প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ চলবে না।’

শিক্ষার্থীদের এই অংশটি এর আগে শনিবার শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। সন্ধ্যার সময় তারা শাহবাগ মোড় থেকে সরে আসেন।

আরও পড়ুন:
তেলের দামে যে সংস্কার চায় আইএমএফ
১৪ জেলায় জ্বালানি তেল পরিবহন বন্ধের ঘোষণা
কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ৪০ পয়সা
খুলনায় বিএনপির বিক্ষোভ
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করলে হরতাল: সিপিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Indias trial run ship in Mongla

মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ

মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ প্রতীকী ছবি
হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন বলেন, ‘গত ১ আগস্ট কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজটি ছেড়ে আসে। এর পর রোববার সকাল ৭টার দিকে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। সোমবার সকাল ৮টার দিকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে এসে ভিড়বে।’

মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে ভারতের পণ্য ট্রান্সশিপমেন্টের ট্রায়াল রানের (পরীক্ষামূলক পণ্য পরিবহন) জাহাজ।

রোববার সকাল ৭টার দিকে ‘এমভি রিশাদ রায়হান’ জাহাজটি মোংলা বন্দরে কাছে নোঙর করে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন।

তিনি বলেন, ‘গত ১ আগস্ট কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজটি ছেড়ে আসে। এর পর রোববার সকাল ৭টার দিকে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়।

‘আগামীকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে এসে ভিড়বে। তারপর জাহাজের মালামাল খালাস করা হবে।’

তিনি জানান, জাহাজে দুটি কনটেইনার রয়েছে। তার মধ্যে একটিতে রয়েছে ১৬ টন লোহার পাইপ। সেগুলো খালাসের পর তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতের মেঘালয়ে যাবে।

অপর কনটেইনারে রয়েছে সাড়ে ৮ টন প্রিফোম। সেগুলো খালাসের পর কুমিল্লার বিবিরবাজার সীমান্ত দিয়ে আসামে যাবে।

‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া (এসিএমপি)’ চুক্তির আওতায় এ ট্রায়াল রান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের মধ্যে ২০১৮ সালের অক্টোবরে চুক্তি হয়।

এরপর প্রথমবারের মতো ট্রায়াল রান হয়েছিল ২০২০ সালের জুলাইয়ে। তখন কলকাতা বন্দর থেকে পণ্যবাহী ছোট জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে স্থলপথে পণ্য আগরতলা নেয়া হয়েছিল। জাহাজে পণ্য ছিল ডাল ও রড। কিন্তু করোনা মহামারিসহ নানা জটিলতায় গত চার বছরে এ চুক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

পরে ভারতের পক্ষ থেকে চারটি রুটে ট্রায়াল রানের অনুমতি চাওয়া হয়ছিল। তবে আপাতত দুটি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট দিতে রাজি হয় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
২২ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ নেপালের উড়োজাহাজ
জাহাজশিল্পের জন্য ২ হাজার কোটির তহবিল
মোংলা বন্দরে ভিড়েছে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ
মেঘনায় ডুবে যাওয়া জাহাজের সব গম নষ্টের শঙ্কা
চীনের উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত ইচ্ছাকৃত: প্রতিবেদন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Saving 500 megawatts by sharing holidays in industrial areas

শিল্পাঞ্চলে ছুটি ভাগ করে ৫শ মেগাওয়াট সাশ্রয়!

শিল্পাঞ্চলে ছুটি ভাগ করে ৫শ মেগাওয়াট সাশ্রয়! বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ফাইল ছবি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘সেপ্টেম্বর থেকেই লোডশেডিং কমবে। অক্টোবরে দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।’

বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। জোনভিত্তিক কারখানা বন্ধ রেখে দৈনিক ৪৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে চাইছে সরকার।

রোববার বিদ্যুৎ ভবনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এমন প্রস্তাব দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, অক্টোবরেই সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

বৈঠকে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিটিএমএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘সপ্তাহে একেক দিন একেক এলাকার শিল্প-কলকারখানা বন্ধে সরকারের প্রস্তাব ব্যবসায়ীরা সানন্দে গ্রহণ করেছেন। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে দেশে দিনে ৪৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘সেপ্টেম্বর থেকেই লোডশেডিং কমবে। আমরা উৎপাদন বাড়াব। গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে ব্যালেন্স করার চেষ্টা করব। অক্টোবর থেকে পুরোপুরি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দিকে যেতে পারব। তখন আর লোডশেডিং থাকবে না। সবাইকে অনুরোধ করব, একটু ধৈর্য্য ধরুন।’

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। এক দিনে সব এলাকায় ছুটি না দিয়ে রেশনিংয়ের মাধ্যমে একেক দিন একেক এলাকায় ছুটি চালু করলে বিদ্যুতের কিছুটা সাশ্রয় হবে। লোডশেডিংও কিছুটা কমে আসবে। শিল্প-মালিকরা এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

বৈঠক শেষে এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে দিনে ৪৯০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। আমরা বলেছি যে কেবল ঢাকায় নয়, সারা দেশেই যেন এরকম ছুটি কার্যকর করা হয়।’

বিকেএমইএর সহ-সভাপতি ফজলে শামীম আহসান বলেন, ‘এক সময় যখন নিয়মিত লোডশেডিং হতো তখন এরকম ছুটির ব্যবস্থা চালু ছিল। সরকার চাচ্ছে এখন আবার সে ধরনের সূচি চালু করা হোক। তবে ডায়িং ও স্পিনিং ফ্যাক্টরিকে কিছুটা ছাড় দেয়া যায় কিনা সে বিষয়টি বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছি আমরা।’

আরও পড়ুন:
গ্যাস অনুসন্ধান ও কয়লাবিদ্যুৎ বাড়ানোর পরামর্শ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের সাফল্য বৈপ্লবিক: কাদের
বাংলাদেশে বিদ্যুৎসংকট ২০২৬ পর্যন্ত: ব্লুমবার্গ

মন্তব্য

p
উপরে