× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Inflation Dollar Crisis Bangladesh Seeks IMF Help
hear-news
player
print-icon

মূল্যস্ফীতি-ডলার সংকট: আইএমএফের সহায়তা চায় বাংলাদেশ

মূল্যস্ফীতি-ডলার-সংকট-আইএমএফের-সহায়তা-চায়-বাংলাদেশ
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। সেক্ষেত্রে যে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন আমরা তা সংস্থাটির কাছে তুলে ধরেছি। আইএমএফও সহায়তা দিতে প্রস্তুত।’

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ডলার সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

বুধবার শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আইএমএফের এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে একটি দল পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি জয়েন্দু দেসহ সংশ্লিষ্টরা। এটি মূলত আইএমএফের আর্টিকেল ফোর মিশনের দল।

দলটি বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, ইআরডি ইত্যাদি সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

শামসুল আলম বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। সেক্ষেত্রে যে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন আমরা তা সংস্থাটির কাছে তুলে ধরেছি। আইএমএফও সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

কোন খাতে সহায়তা চেয়েছেন- এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইএমএফ বাজেট সাপোর্ট দেবে। বাজেটের টাকা যে কোনো খাতে খরচ করা যায়। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে আমরা সহায়তা চেয়েছি।

‘কতটুকু সহায়তা চাই তা সচরাচর জানতে চায় আইএমএফ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা সার্বিক বিষয়ে তাদের বলেছি। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে ব্যাখ্যা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রগতি নিয়ে বলেছি। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের অর্থের প্রয়োজন।’

আইএমএফ ডলার সংকটের কারণ জানতে চেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ডলার সংকট বেশিদিন থাকবে না। কারণ গত বছর তিন লাখ শ্রমিক বিদেশে গিয়েছিল। এবার সেটা বেড়ে ৯ লাখ হয়েছে। প্রবাসীরা ডলার পাঠাতে শুরু করলে এই সমস্যা থাকবে না। কয়েক মাসের মধ্যেই তারা রেমিট্যান্স পাঠাবে। তখন সংকট কেটে যাবে।

‘বিলাসবহুল পণ্য আমদানি কমিয়ে দিয়েছি। ফলে ডলারের সংকট কমে যাবে। আন্তর্জাতিক বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমে আসছে। আমাদের শিল্প ও সেবা খাত ভালো করেছে। রাশিয়া থেকে গম আমদানির প্রতিবন্ধকতাও থাকবে না।’

আইএমএফ রাজস্ব আয় বাড়াতে বলেছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, করের আওতা বাড়াতে তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি।

আইএমএফের শর্ত প্রসঙ্গে ড. শামসুল আলম বলেন, আইএমএফ শর্ত দিচ্ছে না। তারা শর্তের বিষয়ে উদারতা দেখিয়েছে। সংস্থাটি রাজস্ব আয় বাড়াতে বলেছে। করের আওতা বাড়ানোরও তাগিদ দিয়েছে। আমাদের প্রচুর তহবিল প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
রাজস্ব আয় বাড়াতে পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে আইএমএফ
খেলাপি ঋণ নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ
ভর্তুকির চাপ কমাতে বলবে আইএমএফ
খাদ্যের আগুনে বেশি ‘পুড়বে’ গরিব দেশগুলো: আইএমএফ
ইউক্রেনকে ১.৪ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে আইএমএফ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
BPC explained seven years of profit and fixed deposits

সাত বছরের মুনাফা ও স্থায়ী আমানতের ব্যাখ্যা দিল বিপিসি

সাত বছরের মুনাফা ও স্থায়ী আমানতের ব্যাখ্যা দিল বিপিসি অলঙ্করণ: মামুম হোসাইন/নিউজবাংলা
‘১৯৯৯-২০০০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত জ্বালানি খাতে ক্রমাগত লোকসান গুণতে হয়। যার পরিমাণ প্রায় ৫৩ হাজার ৫ কোটি টাকা। ফলে ভর্তুকি হিসেবে সরকার বিভিন্ন সময় বিপিসিকে ৪৪ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা দেয়। ফলে সাত বছরে মুনাফা করলেও ওই সময়ে আরও ৮ হাজার ১২৭ কোটি টাকার ঘাটতি ছিল। যা পরে বিপিসির মুনাফার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।’

বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি ব্যাংকে রাখা স্থায়ী আমানত ভেঙে জ্বালানি আমদানি করছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ। বলেছেন, ডিজেলের দর লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানোর পরও তাদের লোকসান হচ্ছে।

২০১৪ সাল থেকে টানা সাত বছর বিপিসির যে পরিমাণ মুনাফা হয়েছে, তার আগের ১৪ বছরে এর চেয়ে বেশি লোকসান ছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, মুনাফার টাকায় আগের লোকসান সমন্বয় করা হয়েছে।

তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানোর পর বিপিসির ২০১৪ সালের পর থেকে মুনাফায় থাকা, বিভিন্ন ব্যাংকে তাদের বিপুল পরিমাণ স্থায়ী আমানতের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর এ নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে বুধবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিপিসির চেয়ারম্যান।

গত ৫ আগস্ট মধ্যরাত থেকে সরকার ডিজেল ও কেরসিনের দর লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা নির্ধারণ করে। অকেটন প্রতি লিটার ৮৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ ও পেট্রল ৮৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এই দাম বাড়ানোর ব্যাখ্যায় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার কারণে বিপিসির বিপুল পরিমাণ লোকসান হচ্ছিল। গত কয়েক মাসে লোকসান আট হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় দাম বাড়ানোর বিকল্প নেই।

এরপর একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হয় ২০১৪ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত মুনাফা ও করসহ লাভ হয় ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

এই সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যকে হাজার হাজার মানুষ প্রশ্ন করতে থাকে, আগের মুনাফা থেকে বর্তমানের লোকসান সমন্বয় করা হলো না কেন।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিক জানায়, সরকারি সংস্থার মধ্যে বিপিসির ব্যাংকে স্থায়ী আমানত সবচেয়ে বেশি। তাহলে তারা কেন লোকসানের কথা বলছে।

এই দুটি বিষয়েই ব্যাখ্যা দেন বিপিসির চেয়ারম্যান।

সাত বছরের মুনাফা ও স্থায়ী আমানতের ব্যাখ্যা দিল বিপিসি
বিপিসি চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ। ছবি:সংগৃহীত

তিনি জানান, ২০১৪ সাল থেকে সাত বছর মুনাফা করলেও এর আগের ১৪ বছর টানা লোকসান দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘১৯৯৯-২০০০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত জ্বালানি খাতে ক্রমাগত লোকসান গুণতে হয়। যার পরিমাণ প্রায় ৫৩ হাজার ৫ কোটি টাকা। ফলে ভর্তুকি হিসেবে সরকার বিভিন্ন সময় বিপিসিকে ৪৪ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা দেয়। ফলে সাত বছরে মুনাফা করলেও ওই সময়ে আরও ৮ হাজার ১২৭ কোটি টাকার ঘাটতি ছিল। যা পরে বিপিসির মুনাফার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।’

ব্যাংকে স্থায়ী আমানতের বিষয়ে এ বি এম আজাদ বলেন, ‘বর্তমানে প্রায় সব ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে বিপিসিকে আমদানি ব্যয় মেটাতে হচ্ছে।’

তেলের আমদানি ব্যয় কত

এ বিষয়েও একটি হিসাব দিয়ে বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, বর্তমান দরে ডিজেল বিক্রি করে তাদের লিটারে লোকসান হচ্ছে ৬ টাকা। তবে অকটেনে মুনাফা হচ্ছে ২৫ টাকা।

তিনি জানান, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রতি লিটার ডিজেলে ১২০ টাকা খরচ হচ্ছে বিপিসির।

বিপিসি প্রধান বলেন, ‘২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে আমাদের প্রতি ব্যারেল ডিজেল কেনার খরচ পড়ত প্রতি ব্যারেলে ৯৬ দশমিক ৯৫ ডলার। প্রতি লিটারে আমরা যখন এটাকে কস্টিং করি, প্রতি লিটার পরে ৮৩ টাকা ৬ পয়সা। ওই সময়ে বিপিসি বিক্রয় করত ৮০ টাকা করে। সেখানে লিটারে ৩ টাকার মতো লোকসান ছিল।’

‘ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে যখন প্রতি ব্যারেল ১০৮ ডলার ৫৫ সেন্ট, সেটাকে টাকায় প্রতি লিটারে কনভার্ট করলে হয় ৮৯ টাকা ৮৫ পয়সা। তখনও বিপিসি বিক্রি করেছে ৮০ টাকা লিটার। যে কারণে ওই মাসে ৯ টাকার মতো লোকসান গুনতে হয়েছে।

‘এ ফর্মুলায় গত জুলাই মাসে প্রতি ব্যারেল মূল্য ছিল ১৩৯ দশমিক ৪৩ ডলার, টাকায় প্রতি লিটারে কনভার্ট করলে খরচ পড়ত ১২২ টাকা ১৩ পয়সা। তখনও ওই তেল বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকায়। এভাবে তেলের দাম বাড়তে বাড়তে জুলাই মাসে প্রতি লিটারে লোকসান এসে দাঁড়িয়েছিল ৪২ টাকা ১৩ পয়সা।’

এফডিআর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে

ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ স্থায়ী আমানত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে করা হয়েছে বলে জানান বিপিসি চেয়ারম্যান। জানান, তারা জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩৪ হাজার ২৬১ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

এর মধ্যে আছে ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন ক্ষমতা বাড়ানো। এতে ব্যয় হবে ১৯ হাজার কোটি টাকার বেশি। এটি বিপিসির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে বিপিসির মুনাফার একটি অংশ এফডিআর করা হয়। বিপিসি তার অর্থ কোনো না কোনো ব্যাংকের হিসাবের বিপরীতে রাখতে হয়। প্রকল্পের যে অর্থগুলো, সেগুলো প্রকল্পের নামে এফডিআর খুলে রাখা হয়।’

জ্বালানির দর বৃদ্ধি এই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাড়ানো হয়নি বলেও জানান তিনি।

দেশে উৎপাদন হলেও পেট্রল ও অকটেনের নাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রুডের কারণে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ে। সুতরাং পেট্রল ও অকটেনের দাম কৌশলগত কারণে বাড়াতে হয়েছে।’

বর্তমানে দেশে ৩০ দিনের ডিজেল এবং ১৮ দিনের পেট্রল ও অকটেন মজুত আছে বলেও জানান বিপিসি চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুন:
বিপিসির আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সিপিডির
বিপুল বকেয়া, বিমানকে তেল দেবে না বিপিসি
‘জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি রাজনৈতিক, আমলাদের দায় নেই’
জেটি সংকট, তেলবাহী জাহাজ নিয়ে বিপাকে বিপিসি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
4 companies gave 7 crores dividend to workers welfare fund

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৭ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিল ৪ কোম্পানি

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৭ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিল ৪ কোম্পানি
এ তহবিলে বিভিন্ন কোম্পানির দেয়া লভ্যাংশের পুঞ্জিভূত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৭৪৭ কোটি টাকা। শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণের জন্য বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী সরকার এ ফাউন্ডেশন তহবিল গঠন করে।

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে গত এক বছরের লভ্যাংশ হিসাবে সাত কোটি টাকা জমা দিয়েছে চার কোম্পানি।

কোম্পানিগুলো হলো মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লাফার্জ হোলসিম, বিএসআরএম এবং লিন্ডে।

দেশি, বিদেশি এবং বহুজাতিক মিলে ২৬৫টি প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর তাদের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ নিয়মিত এ তহবিলে জমা দিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সচিবালয়ে দেশে শীর্ষস্থানীয় এই চার কোম্পানির প্রতিনিধিরা শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের হাতে নিজ নিজ কোম্পানির পক্ষে লভ্যাংশের চেক হস্তান্তর করেন।

প্রতিমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া চার কোম্পানির লভ্যাংশের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭৪ হাজার ৪ টাকা।

লাফার্জ হোলসিমের পক্ষে চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এবং মানবসম্পদ পরিচালক আসিফ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ২ কোটি ২৫ লাখ ৯২ হাজার ২৭ টাকার, বিএসআরএমের পক্ষে হেড অফ করপোরেট অ্যাফের্য়াস সৌমিত্র কুমার মুৎসুদ্দির নেতৃত্বে ১ কোটি ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার ২৯৩ টাকা জমা দেয়।

এ ছাড়া মেঘনা পেট্রোলিয়ামের জসিম উদ্দিন ১ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮৪ টাকা এবং অক্সিজেন কোম্পানি লিন্ডে বাংলাদেশের পক্ষে মানবসম্পদ বিভাগের সহযোগী পরিচালক সাইকা মাজেদের নেতৃত্বে ৭৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকার চেক জমা দেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ তহবিলে বিভিন্ন কোম্পানির দেয়া লভ্যাংশের পুঞ্জিভূত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৭৪৭ কোটি টাকা। শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণের জন্য বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী সরকার এ ফাউন্ডেশন তহবিল গঠন করে।

এ তহবিল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের কর্মস্থলে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে, আহত, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শ্রমিকের চিকিৎসা এবং শ্রমিকের মেধাবী সন্তানের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার ২৩৭ শ্রমিককে এ তহবিল থেকে প্রায় ৬৬ কোটি টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক গোকুল কৃষ্ণ ঘোষ, বিএসআরএম-এর আইআর এবং এমপ্লয়ি এনগেজমেন্ট সিনিয়র ম্যানেজার মো. ইসমাইল, মেঘনা পেট্রোলিায়ামের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার জসিম উদ্দিন আহমেদ এবং লিন্ডে বাংলাদেশের আইআর ও এডমিনের সহযোগী জেনারেল ম্যানেজার সুফিয়া ওয়াহেদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩১ কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Amendment of patent law necessary to protect pharmaceutical industry Salman

ওষুধশিল্পের সুরক্ষায় প্যাটেন্ট আইন সংশোধন জরুরি: সালমান

ওষুধশিল্পের সুরক্ষায় প্যাটেন্ট আইন সংশোধন জরুরি: সালমান রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বুধবার সেমিনারে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশীয় ওষুধশিল্প চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। এটি মোকবিলায় আমাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে প্যাটেন্ট আইন সংশোধন করতে হবে।’

স্থানীয় ওষুধশিল্পের সুরক্ষায় প্যাটেন্ট আইন সংশোধন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বুধবার আয়োজিত ‘এলডিসি উত্তরণে ওষুধ শিল্পের প্রস্তুতি’ শীর্ষক সেমিনারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রকল্প (এসএসজিপি) ও বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড) যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে বক্তারা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে ওষুধশিল্পের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পৃথক একটি রোডম্যাপ তৈরির কথা বলেন। একই সঙ্গে পোশাকশিল্পের মতো এই খাতে প্রণোদনার প্রস্তাব দেন তারা।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালমান এফ রহমান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশীয় ওষুধশিল্প চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। এটি মোকবিলায় আমাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে প্যাটেন্ট আইন সংশোধন করতে হবে।’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অবিলম্বে ওষুধশিল্প পার্ক (এপিআই পার্ক) চালু হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এর ফলে ভবিষ্যতে ওষুধশিল্পে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্থানীয় ওষুধশিল্প দ্রুত এগিয়ে যাবে।’

ট্রিপস চুক্তির আওতায় স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রাপ্ত বিশেষ সুবিধাগুলো অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় প্রয়োজনীয় প্রচার চালানোর আহ্বান জানান সালমান এফ রহমান।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান। এলডিসি-পরবর্তী সময়ের জন্য ওষুধশিল্পকে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি খাত এবং শিল্প খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি শক্তিশালী অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিল্ডের চেয়ারপারসন নিহাদ কবির, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট রিজওয়ান রাহমানসহ অনেকে।

বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান এমপি বাংলাদেশের প্যাটেন্ট প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় বিবেচনায় নেয়ার আহ্বান জানান।

নিহাদ কবির মেধাস্বত্বসংক্রান্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে প্যাটেন্ট আইন সংশোধন করা হবে বলে আশ্বাস দেন শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা।

দেশের ওষুধশিল্পে পোশাক খাতের মতো প্রণোদনা দেয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রিজওয়ান রাহমান।

বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরও ২০৩৩ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রিপস চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধাগুলো যাতে অব্যাহত রাখা যায় সে ব্যাপারে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।’

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও এসএসজিপির প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আজিজ। ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন বিল্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম।

আরও পড়ুন:
‘২০২৬ সালের আগেই দাঁড়িয়ে যাবে ওষুধশিল্প’
উৎপাদনে যাওয়ার অপেক্ষায় ওষুধ শিল্প পার্ক
দেশের ওষুধশিল্প ঘুরে দাঁড়াল যেভাবে
ওষুধ শিল্পে কর অবকাশ আরও ১০ বছর
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bringing remittance to the bank has become easier

ব্যাংকে রেমিট্যান্স আনা আরও সহজ হলো

ব্যাংকে রেমিট্যান্স আনা আরও সহজ হলো
২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ কমেছে। ওই অর্থবছরে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ডলার। যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ কম।

চলমান ডলার সংকটে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নিয়ম আরও শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক।

এখন থেকে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজের সঙ্গে ড্রয়িং অ্যারেঞ্জমেন্ট স্থাপন বা প্রবাসী রেমিট্যান্স দেশে আনার চুক্তি করতে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি লাগবে না। ড্রয়িং অ্যারেঞ্জমেন্ট স্থাপনের পর প্রয়োজনীয় তথ্যসহ শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ও পলিসি বিভাগ বুধবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার সব অথরাইজড ডিলারদের কাছে পাঠিয়েছে।

এর আগে দেশের কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিদেশি কোনো মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হত। সেই সঙ্গে ওই দেশে থাকা বাংলাদেশ মিশন বা হাইকমিশনের কাছ থেকেও বিদেশি মানি এক্সচেঞ্জের বিষয়ে ইতিবাচক সুপারিশপত্র আনতে হত।

নতুন নিয়মে চুক্তি করার পর বাংলাদেশ ব্যাংককে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে হবে। আর বাংলাদেশ মিশনের প্রত্যয়নপত্র ছাড়াও চুক্তি করা যাবে।

২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ কমেছে। ওই অর্থবছরে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ডলার। যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ কম।

এ অবস্থায় বৈধপথে রেমিট্যান্স বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশে আনতে অনেক ব্যাংকের নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউজ রয়েছে। যাদের নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউস নেই তারা বিদেশি মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠায়।

এক সময়ে দেশীয় ব্যাংকের মালিকানায় পরিচালিত এক্সচেঞ্জের নিজস্ব প্রতিনিধি বা সাব-এজেন্ট দেয়ার সুযোগ ছিল। মানি এক্সচেঞ্জের আড়ালে যাতে হুন্ডি বা অবৈধ অর্থের লেনদেন না হয় সে জন্য ২০০৭ সালের এক নীতিমালার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সে সুযোগ বন্ধ করে দেয়।

আরও পড়ুন:
সুইস ব্যাংকে দুর্নীতির অর্থ রাখার সুযোগ নেই: রাষ্ট্রদূত
সিএডি-এর আধুনিকায়ন ও কেন্দ্রীয়করণ করল পদ্মা ব্যাংক
রেমিট্যান্সে ফের উল্লম্ফন, ৭ দিনে ৫ হাজার কোটি টাকা
ইসলামী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা
টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
CPD questions the transparency of BPCs income and expenditure

বিপিসির আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সিপিডির

বিপিসির আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সিপিডির
সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কম ছিল তখন দেশের ভেতরে বেশি দামে বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ লাভ করেছে বিপিসি। ২০২১ সাল পর্যন্ত সাত বছরে সংস্থাটি প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা সরকারকে দিয়েছে। বাকি ৩৬ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল?’

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনকারী সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ–সিপিডি।

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এখন এড়ানো যেত কি?’ শীর্ষক সংলাপে এ প্রশ্ন তুলেছেন সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কম ছিল তখন দেশের ভেতরে বেশি দামে বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ লাভ করেছে বিপিসি। ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সাত বছরে সংস্থাটি জ্বালানি তেল বিক্রি করে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা সরকারকে দিয়েছে। বাকি ৩৬ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়?’

সরকারি ব্যয়ের স্বচ্চতা নিশ্চিত করতে বিপিসির আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং একইসঙ্গে পুরনো হিসাবের খতিয়ান জনগণের সামনে প্রকাশের দাবি জানায় সিপিডি।

সিপিডি মনে করে, বিপিসির আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে আসা উচিত। ভোক্তার ওপর দায় না চাপিয়েও জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা যেত।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক, জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন, বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আনোয়ার ফারুক, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রমুখ।

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘বিপিসি বলেছে যে মুনাফার ৩৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু কোথায় বিনিয়োগ হয়েছে, কীভাবে বিনিয়োগ হয়েছে তার হিসাব হিসাব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০১৫ সালে ৪ হাজার ১২৬ কোটি, ২০১৬ সালে ৯ হাজার ৪০ কোটি, ২০১৭ সালে ৮ হাজার ৬৫৩ কোটি, ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা লাভ করেছে বিপিসি। এছাড়া ২০১৯ সালে ৪ হাজার ৭৬৮ কোটি, ২০২০ সালে ৫ হাজার ৬৭ কোটি এবং ২০২১ সালে জ্বালানি তেল বিক্রি করে ৯ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা লাভ হয়েছে বিপিসির। এই লাভের টাকা কোথায় কিভাবে ব্যয় হয়েছে তার সঠিক হিসাব জনগণ জানে না। দেশের স্বার্থে বিপিসির লাভ-লোকসানের হিসাব জানা প্রয়োজন।’

সিপিডির এই গবেষণা পরিচালক বলেন, ‘শুনেছি প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু টাকা খরচ হয়েছে। বিপিসি নাকি সবচেয়ে ধনী গ্রাহক। বিপিসির ২৫ হাজার কোটি টাকা অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। তাহলে এসব টাকা কার? বিপিসি চাইলে এই সংকট সময়ে জ্বালানি তেলের ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে পারত।’

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশের চেয়ে নেপাল ও পাকিস্তানে বেশি। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম। নীতিনির্ধারকদের এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

‘দাম কাদের চেয়ে বেশি? সিংগাপুর, হংকং ও জার্মানির চেয়ে বেশি। যাদের মাথাপিছু আয় ৫০ হাজার ডলারের কাছাকাছি তাদের সঙ্গে তুলনা করা হয়। যখন তুলনা করব তখন সে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থান ও প্রেক্ষাপট মাথায় রাখাটা জরুরি।’

সিপিডির এই নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথমেই পরিবহন সেক্টরের ভাড়া বৃদ্ধি পাবে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে কৃষি পণ্য উৎপাদন খরচ বাড়বে। অনেক কৃষক কৃষিকাজ ছেড়ে দেবে।

‘কৃষিজ উৎপাদন কমে যাওয়ায় খাদ্যপণ্য আমদানি বেড়ে যাবে। শিল্পের উৎপাদনেও খরচ বাড়বে। তার ফলে ব্যবসার লভ্যাংশ কমে যাবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। অর্থাৎ ধাপে ধাপে সব সেক্টরে খরচ বৃদ্ধি পেয়ে দেশের মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। এর প্রভাব পড়বে জীবনযাত্রায়। বিশেষ করে এর বড় ধাক্কাটা আসবে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও গরিবদের ওপর।’

নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি ও রেশনিং কার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
রোগ চিহ্নিত, কিন্তু ওষুধ ঠিক হয়নি: সিপিডি
মূল্যস্ফীতি ৫.৬ শতাংশে বেঁধে রাখা সম্ভব নয়: সিপিডি
পাচার টাকা দেশে আনার উদ্যোগ অনৈতিক: সিপিডি
পোশাক-রেমিট্যান্সে আর প্রণোদনা নয়: সিপিডি
বিপুল বকেয়া, বিমানকে তেল দেবে না বিপিসি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Increase in fuel prices will further increase inflation Finance Minister

জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে: অর্থমন্ত্রী

জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে: অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি
অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, ‘জ্বালানির সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই জ্বালানির দাম বাড়লে পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে। তার প্রভাব সার্বিক অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ওপরে পড়বে। অর্থাৎ দাম বাড়লে, খরচ বাড়লে মূল্যস্ফীতিও বাড়বে।’

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বুধবার নিউজবাংলার প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এপ্রিল, মে ও জুনে দেশের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির রেকর্ড হয়। জুলাইয়ে এসে কিছুটা কমে এলেও এখন জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই মূল্যস্ফীতি আগের চেয়েও বেড়ে যাবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানির সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই জ্বালানির দাম বাড়লে পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে। তার প্রভাব সার্বিক অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ওপরে পড়বে। অর্থাৎ দাম বাড়লে, খরচ বাড়লে মূল্যস্ফীতিও বাড়বে।’

এ পরিস্থিতিতে গরিব মানুষ কষ্টে আছে, তাদের এই কষ্ট লাঘবে সরকার কী করবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্যই সরকার। এই ধরনের পরিস্থিতিতে গরিব মানুষের কষ্ট অনেক বেশি হয়। ইতোমধ্যে তাদের কষ্ট লাঘবে সরকার ওএমএস, টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তবে নতুন করে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা থেকে গরিব মানুষকে সুরক্ষা দিতে আরও কী সহায়তা দেয়া যায় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, ‘ডলারের দাম বৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক সংকট। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের দেশে দেশে বাড়ছে ডলারের দাম। যারা যুদ্ধ করছে তাদেরও বাড়ছে, যারা যুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন তাদেরও বাড়ছে।

‘বাংলাদেশেও তার প্রভাব আছে। তবে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে। শিগগিরই ডলারের দাম স্বাভাবিক হবে।’

শিগগিরই দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জ্বালানির দাম বাড়ায় অর্থনীতিতে সার্বিক ক্ষতির প্রভাব কেমন হবে তার কোনো অ্যাসেসমেন্ট করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানির দাম বাড়ানোর আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তাদের মতো করে দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে। এখন দাম বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে পণ্যমূল্য বাড়ছে। যার প্রভাব পড়বে মানুষের জীবনযাত্রা ও উৎপাদমুখী সব কর্মকাণ্ডে।

‘এখন এই প্রভাব কতটা প্রকট হতে পারে বা কতটা সহনীয় থাকবে সে বিষয়ে নিশ্চয় অর্থ মন্ত্রণালয় একটা প্রভাব খতিয়ে দেখবে।’

একই সঙ্গে অর্থনীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এই পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডলারের বাজারে অস্থিরতার সময় দেশি-বিদেশি ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে পদ থেকে অব্যাহতির বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘কোনো কিছুই নিয়মের বাইরে হওয়া উচিত নয়। ব্যাংক চলে নিয়মের মধ্যে। নিয়মেই বলা আছে কী পরিমাণ টাকা ব্যাংকে রাখা যাবে, কী পরিমাণ বিনিয়োগ করা যাবে, আরও কী করতে হবে সেটিও বলা আছে। কেউ এর ব্যত্যয় ঘটালে শাস্তি পেতে তো হবেই।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংকে সুদহারের নয়-ছয় নিয়ে উভয় সংকট
মূল্যস্ফীতির পয়েন্ট টু পয়েন্ট হিসাব মানছেন না অর্থমন্ত্রী
সরকারি হিসাবেই এখন আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় মানুষের
নয় বছরে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি
মূল্যস্ফীতিতে জাপানে পেঙ্গুইনদের ‘অনশন’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
This time the dollar touched 120 taka in the open market

এবার খোলাবাজারে ডলার ছুঁল ১২০ টাকা

এবার খোলাবাজারে ডলার ছুঁল ১২০ টাকা
পাগলা ঘোড়ার মতোই ছুটছে আন্তর্জাতিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দাম। সংকটের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া দরের চেয়ে ২৫ টাকা বেশিতে এখন ১২০ টাকায় খোলাবাজারে কিনতে হচ্ছে মুদ্রাটি। দেশের ইতিহাসে এর আগে এই ঘটনা কখনও ঘটেনি।

মানি এক্সচেঞ্জে নজরদারি, পুলিশের অভিযান, দামে কারসাজির অভিযোগ নিয়ে ছয়টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে সরিয়ে দেয়া- কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না।

পাগলা ঘোড়ার মতোই ছুটছে আন্তর্জাতিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দাম। সংকটের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া দরের চেয়ে ২৫ টাকা বেশিতে এখন ১২০ টাকায় খোলাবাজারে কিনতে হচ্ছে মুদ্রাটি। দেশের ইতিহাসে এর আগে এই ঘটনা কখনও ঘটেনি।

গত ২৭ জুলাই খোলাবাজারে ডলারের দর উঠেছিল ১১২ টাকা। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারির পর কয়েক দিন সেখান থেকে কিছুটা কমে ১০৮ টাকায় থিতু হয়।

কিন্তু চলতি সপ্তাহ থেকে আবার শুরু হয় ঊর্ধ্বগতি। সোমবার খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হয় ১১৫ টাকা ৬০ পয়সায়।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া দর সেদিনও ছিল ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। পরদিন তা আরও ৩০ পয়সা বাড়িয়ে করা হয় ৯৫ পয়সা।
এরপর দিন খোলাবাজারে আবার লাফ দেয় ডলার। এক দিনে বাড়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সা।

খোলাবাজার ব্যবসায়ীরা বলছেন, তীব্র সংকট রয়েছে ডলারের। প্রবাসীদের দেশে আসা কমেছে, বিদেশি পর্যটকরাও কম আসছেন। এ কারণে ডলারের সরবরাহ কম।

দিলকুশা দোহার মানি এক্সচেঞ্জে ডলার কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘প্রতি ডলার ১২০ টাকা চাচ্ছে। ব্যাংকরেট ৯৫ টাকা বললে প্রতিষ্ঠানটি বলে, ওসব বলে লাভ নেই। আমাদের যে রেটে দিতে পারব সেটা বলেছি। এতে সাধারণ জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকে গিয়েও ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকগুলো বলছে ডলার নেই।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া দরে ডলার মিলছে না ব্যাংকেও। ব্যাংকের আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও দর অনেক বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হয়।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একই জায়গায় ‘স্থির’ ছিল ডলারের দর। তখন ডলারের আনুষ্ঠানিক দর ও খোলাবাজারের দরের মধ্যে পার্থক্য ছিল কমই। বরং গোটা বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে দর ধরে রাখতে চেষ্টা করেছে।

তবে মহামারি করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় আমদানি অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে খাদ্য, জ্বালানি, শিল্পের উপকরণের দর বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দেয়। আর দাম বাড়তে থাকায় এখন খোলাবাজার থেকে ডলার কিনে অবৈধভাবে মজুদও করার তথ্য মিলছে।

খোলাবাজারে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজধানীর বিভিন্ন মানি চেঞ্জারে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এ পরিদর্শন কার্যক্রম চালায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাশাপাশি অবৈধভাবে ডলার মজুতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। ফলে ডলারের বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এখন নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে সব চেষ্টাই এখন নিষ্ফল।

আরও পড়ুন:
দিনে ৪ কোটি ডলার বিক্রি, তবু বাগে আসছে না
ডলার কারসাজি: ৬ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ
আরও ৩০ পয়সা দর হারাল টাকা

মন্তব্য

p
উপরে