× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Leaving three challenges The outgoing governor
hear-news
player
print-icon

তিনটি চ্যালেঞ্জ রেখে যাচ্ছি: বিদায়ী গভর্নর

তিনটি-চ্যালেঞ্জ-রেখে-যাচ্ছি-বিদায়ী-গভর্নর
গভর্নর ফজলে কবিরের শেষ কর্মদিবসে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ‘‘মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আর ডলারের রেট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ রেখে যাচ্ছি। ব্যাংকের কর্মকর্তারা এটা ঠিক রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’

মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর ফজলে কবির।

গভর্নরের শেষ কর্মদিবসে রোববার সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে ফজলে কবির তৃতীয় গভর্নর যাকে এভাবে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় জানানো হলো। ১১তম গর্ভনর হিসেবে ৬ বছর ৩ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি ছিলেন গভর্নরের সহধর্মিনী সাবেক সচিব মাহমুদা শারমীন বেনু।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ ও

ডেপুটি গর্ভনররা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বিদায়ী গভর্নর বলেন, ‘দেখতে দেখতে ৬ বছর ৩ মাস পার হয়ে গেল। আমার মনে হয় এই সেদিন মধ্যরাতে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ফোনে বললেন- সো ইউ আর দি গভর্নর।’

তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আর ডলারের রেট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ রেখে যাচ্ছি। ব্যাংকের কর্মকর্তারা এটা ঠিক রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’

ফজলে কবির বলেন, ‘ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ করার পর সবাই সমালোচনা করে বলেছিল, এটা সম্ভব না। এরপর মুদ্রানীতিতে এখন নীতি সুদহার বাড়ানো হলেও অনেকে একই কথা বলছেন। তারা বলছেন, ঋণের একক সুদ হার তুলে না নিলে নীতি সুদ বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

‘আমি মনে করি এটা কার্যকর সিদ্ধান্ত, যা প্রধান অর্থনীতিবিদ, ডেপুটি গভর্নররা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করবেন বলে আশা করছি।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফজলে কবিবের কর্মজীবনের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

গভর্নরের সহধর্মিণী মাহমুদা শারমীন বেনু বলেন, ‘আমার পেশাগত জীবনে কারও বিদায়ে এমন অনেকবার বক্তব্য রেখেছি। কিন্তু আজ সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখাটা ব্যতিক্রম। যে কোনো বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য আবেগময়।’

ব্যক্তিজীবনে ফজলে কবির কেমন- এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি বাইরে যেমন ভেতরেও তেমন। এক ও অভিন্ন। তিনি ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে একজন মানবিক মানুষ। অফিসকে তিনি কখনো পরিবারের মধ্যে নিয়ে আসেননি। পরিবারে তিনি আমাদের কর্তা। বাসার সবার বিষয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘আমি কবিতা লিখি। সেটার প্রথম পাঠকও তিনি। আমার লেখার কোনো সংশোধন থাকলে তিনি সেটা বলেন।’

গভর্নরকে নিয়ে বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পর খুব ক্রান্তিলগ্নে তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন। রিজার্ভ চুরির ঘটনা ফজলে কবির আগে খতিয়ে দেখেছেন। মূল ঘটনা সবার সামনে এনেছেন।

‘ফজলে কবির তার সময়ে অনেক নীতিমালা জারি করেছেন। এ কারণে অর্থনীতি গতিশীল রয়েছে।

‘করোনার সময়ে তিনি দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করেছেন। করোনায় ব্যাংকাররা মারা গেলে ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন। পরিবারকে টাকা দেয়ার জন্য বার বার তাগাদা করেছেন। ফলে করোনায় মারা যাওয়া ১৮৯ জন ব্যাংকারের প্রত্যেকের পরিবার ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছে।’

বক্তারা আরও বলেন, ‘গভর্নর ফজলে কবির মানবিক মানুষ। সমস্যা সমাধানে সবসময়ই সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকারদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো করেছেন। এজন্য আমরা সবাই কৃতজ্ঞ।’

২০১৬ সালে চার বছরের জন্য গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক অর্থসচিব ফজলে কবির। সে হিসাবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ১৯ মার্চ।

তবে মেয়াদ শেষের ৩৪ দিন আগে অর্থাৎ ২০২০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি গভর্নর হিসেবে তার মেয়াদ ৩ মাস ১৩ দিনের জন্য বাড়িয়ে দেয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তিনি গভর্নর থাকবেন।

ফজলে কবিরের ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হয় ২০২০ সালের ৩ জুলাই। তার আগেই মে মাসে তার দায়িত্বের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়।

অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদারকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ১২ জুলাই তিনি যোগদান করবেন।

আরও পড়ুন:
আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অভিযোগ করলে দিতে হবে প্রাপ্তিস্বীকার পত্র
ঋণ পরিশোধে আবারও ছাড়
আগুনে নথির ক্ষতি হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ের আগুন নিয়ন্ত্রণে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরাসরি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ চান এমএলএসএসরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Load shedding till September

লোডশেডিং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

লোডশেডিং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আগামী সেপ্টেম্বরে লোডশেডিং শেষ হবে বলে আশা করছি। এর মধ্যেই আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’

আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লোডশেডিং থাকবে। সে মাসই লোডশেডিংয়ের শেষ মাস হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি- একনেক সভা শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি। সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারপ্রধান একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী সেপ্টেম্বরে লোডশেডিং শেষ হবে বলে আশা করছি। এর মধ্যেই আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় গত জুলাই থেকে দেশের ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন স্থগিত রাখে সরকার।

১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সভায় ১৯ জুলাই থেকে দেশে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।

সে দিন থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে শিডিউল অনুযায়ী এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং শুরু হয়। পরে সেটি আরও বাড়িয়ে দুই ঘণ্টা করার কথা জানায় সরকার।

তবে ঢাকায় কোথাও কোথাও দুই ঘণ্টা হলেও বেশির ভাগ এলাকায় তিন থেকে চার ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। আর গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের সময় দুই ঘণ্টার জায়গায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে এখন জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। রাশিয়ার ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র গম রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এরপর শস্যটির রপ্তানিও শুরু করেছে রাশিয়া। অনেক দেশ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেলও আমদানি করছে। ফলে আগামী দিনে জ্বালানি তেলের সংকট কেটে যাবে বলে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেক সভায় এ সময় তিনি ডলারের বিকল্প হিসেবে অন্য মুদ্রায় বৈদেশিক বাণিজ্য করা যায় কি না সে বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন। এম এ মান্নান বলেন, ‘এখন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবার সময়। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে রুপি, রুবল, ইউয়ানে লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

একনেক সভায় ২ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক।

আরও পড়ুন:
জার্মানিতে বিদ্যুতের দাম বেড়ে ৫ গুণ
সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল কৃষকের
যুক্তরাজ্যে জানুয়ারিতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের শঙ্কা
এক ঘণ্টার লোডশেডিং টানা পাঁচ ঘণ্টায়
শিল্পাঞ্চলে ছুটি ভাগ করে ৫শ মেগাওয়াট সাশ্রয়!

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Chinese investment disillusioned Pakistanis

চীনা বিনিয়োগের মোহভঙ্গ পাকিস্তানিদের!

চীনা বিনিয়োগের মোহভঙ্গ পাকিস্তানিদের!
চায়না-পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডোর (সিপিইসি) এর আওতায় বর্তমানে পাকিস্তানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৯টি শিল্পায়নের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) রয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। কিন্তু চীনের রক্ষণশীল বিনিয়োগ নীতি এবং বিনিয়োগে বিলম্বিত সিদ্ধান্তের কারণে প্রকল্পগুলো তেমন ফলপ্রসূ হয়নি বলে মনে করছে জিওপলিটিকা।

দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং অর্থনীতির চাকা আরও শক্তিশালি করতে ২০১২ সালে আইন করে শিল্পায়নের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) মডেল গ্রহণ করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু শিল্পের ঘাটতি পূরণের এই চেষ্টাও এখন ব্যর্থ হওয়ার পথে।

ইউরোপ ভিত্তিক থিংক ট্যাংক জিওপলিটিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক বাণিজ্যেও দেশটির অবস্থান খুব একটা ভালো নয়। কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) থাকলেও তা দেশটির অর্থনীতিতে খুব একটা ভূমিকা রাখতে পারছে না।

রিজার্ভ সংকটে ভুগতে থাকা পাকিস্তানে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে এসইজেডগুলো চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন দেশটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। রিজার্ভ তৈরির জন্য রপ্তানির পরিবর্তে এখন বৈদেশিক সাহায্যের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে দেশটিকে।

আবার স্থানীয়রা মনে করছেন, অসামঞ্জস্যপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্য নীতির পাশাপাশি পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে না পারা সহ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দুর্নীতির কারণে এসইজেডগুলোর অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হচ্ছে পাকিস্তান।

অর্থনীতির এই টালমাটাল নিম্নগতি পাকিস্তানকে বর্তমানে এক কঠিন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, আইন শৃংখলার ক্রম অবনতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান না থাকায় পাকিস্তানের অবস্থা অনেকটা শ্রীলংকার খুব কাছাকাছি। যে কোন মূহুর্তে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে দেশটি। বিশ্ব অর্থনীতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোও এমন ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছে গত কয়েক মাস ধরে।

গত মাসে বিশ্বসেরা অর্থনীতি বিশ্লেষক সংস্থা মুডিস, ফিচ ও এসঅ্যান্ডপি এর রেটিং পাকিস্তানের নাজুক অর্থনীতির সূচককে আরও কয়েক ধাপ নিচে নামিয়ে দিয়েছে।

চায়না-পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডোর (সিপিইসি) এর আওতাধীন বর্তমানে পাকিস্তানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৯টি এসইজেড রয়েছে। এর মধ্যে ৭টি পুরনো। এগুলোর বেশিরভাগই রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যই মূলত এসইজেডগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

চীনা বিনিয়োগের মোহভঙ্গ পাকিস্তানিদের!
সিপিইসি এর আওতাধীন বর্তমানে পাকিস্তানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৯টি এসইজেড রয়েছে

পাকিস্তান তার সমস্ত মূলধন এবং প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের জন্য প্রতিবেশী চীনের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। আর এই নির্ভরতা ক্রমন্বয়ে দেশটির ওপর এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ বলয় তৈরি করেছে। এ জন্যই এসইজেডগুলোর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধারেকাছেও যেতে পারেনি গত এক দশক ধরে।

এই কারণটি দেশটির অর্থনীতির চাকাকে শ্লথ করতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করছে জিওপলিটিকা। বিশ্বজুড়ে ভৌগলিক রাজনীতি ও অর্থনীতি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

জিওপলিটিকার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চীন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) এর আওতায় এসইজেড প্রকল্পগুলো নেয়া হয়েছিল। তবে চীনের রক্ষণশীল বিনিয়োগ নীতি এবং বিনিয়োগে বিলম্বিত সিদ্ধান্তের কারণে প্রকল্পগুলো তেমন ফলপ্রসূ হয়নি।

এ ছাড়াও এসইজেড প্রকল্পকে ঘিরে স্থানীয় লোকজনও ক্ষোভ ও রোষে উত্তাল ছিল সবসময়।

২০১৬ সালে পাকিস্তান এসইজেড আইন সংশোধন করে আমদানি করা সমস্ত মূলধনী পণ্যের জন্য ১০ বছরের শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেয়ার পথ প্রশস্ত করেও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারেনি।

জিওপলিটিকার বিশ্লেষনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেইজিং অনেক শর্ত জুড়ে দিয়েছিল। যা ছিল অধিকমাত্রায় শোষণমূলক।

এমনকি শর্তগুলোতে ইসলামাবাদের নিঃশর্ত সমর্থন এবং ২০১৬ সালের সংশোধনীর পরও সিপিইসি-এর অধীনে ৯টি এসইজেড এর মধ্যে মাত্র তিনটিতে কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে।

এর মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাবের ফয়সলাবাদের আল্লামা ইকবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি, সিন্ধুর ধবেজিতে চায়না স্পেশাল ইকোনমিক জোন এবং বেলুচিস্তানের বোস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন।

অবশিষ্ট প্রকল্পগুলো চীনা আলোচনা, অধ্যয়ন এবং জরিপের মধ্যে আটকে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে।

এ অবস্থায় শিল্প খাতে চীনা বিনিয়োগের বিষয়ে সাধারণ পাকিস্তানিদের মোহভঙ্গ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে যে পরিমাণ কর্মসংস্থান বা অন্যান্য সুবিধার কথা বলা হয়েছিল বাস্তবে এসইজেডগুলোতে তা হয়নি। স্থানীয় কর্মী এবং ব্যবসায়ীরাও চীনা বিনিয়োগ নিয়ে সতর্ক থেকেছে। যে কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চীনা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের যৌথ উদ্যোগ তেমন একটা গড়ে উঠেনি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে- সিপিইসির এর অধীনে সহজ অর্থায়নের প্রস্তাবে অন্ধভাবে চীনা নির্দেশ অনুসরণ করছে পাকিস্তান। এ কারণে পাকিস্তানে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের বেশিরভাগ সুযোগ চীনের দখলে চলে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন: পাকিস্তানি আমলা
ইমরান খানের পিটিআই নিয়েছিল নিষিদ্ধ বিদেশি অনুদান
পাকিস্তানে বন্যায় ১৩৬ মৃত্যু, ইরানে ৬৯
রেটিং বলছে শ্রীলঙ্কাই হতে যাচ্ছে পাকিস্তান
পাকিস্তানে প্রথম হিন্দু নারী ডেপুটি পুলিশ সুপার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of fuel oil in the world market is again low

বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে

বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে আবারও ৩ ডলার কমেছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৩২ ডলার বা ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেলে দাম এখন ৮৮ দশমিক ৭৭ ডলার, যা ২ দশমিক ৪ শতাংশ আগের সেশন থেকে কম।

বিশ্ববাজারে আরও কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেল ৩ ডলার করে কমে ৯০ ডলারের নিচে নেমেছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশ চীনে চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ এবং ইরানের পারমাণবিক চুক্তির প্রস্তাবের পর দেশটি থেকে তেল রপ্তানি বেড়ে গেছে। এর ফলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরেক দফা কমেছে।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারে দাম ৩ দশমিক ৪৯ ডলার বা ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৬৬ ডলারে নেমেছে, যা গত শুক্রবারের চেয়ে দেড় শতাংশ কম।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৩২ ডলার বা ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেলে দাম এখন ৮৮ দশমিক ৭৭ ডলার, যা ২ দশমিক ৪ শতাংশ আগের সেশন থেকে কম।

চীন সরকারের এক তথ্য বলছে, গত মাস থেকে দেশটির অর্থনীতি অপ্রত্যাশিতভাবে ধীর হয়ে এসেছে। এতে তেল শোধনাগারগুলোতে উৎপাদন দিনে ১ কোটি ২৫ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ২০২০ সালের মার্চের পর সর্বনিম্ন।

আইএসজি ব্যাংক তাদের পূর্বাভাসে বলছে, ২০২২ সালে চীনের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ হবে, যা আগে ছিল ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। সেই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় রপ্তানিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

পাশাপাশি করোনাভাইসের কারণে চীনের মূল ভূখণ্ডে কমে গেছে কর্মসংস্থানও।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবে ২০১৫ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ফলে ইরান থেকে তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যেতে পারে। আর সেটি উঠে গেলে ইরান থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তেল আমদানি করতে পারবে।

এমন অবস্থায় বিশ্ববাজারে তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এবং তেলের দাম কমে গেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরআব্দুল্লাহিয়ান বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরমাণু চুক্তি বিষয়ে নেয়া পদক্ষেপে তারা সোমবারই সাড়া দেবে। তবে পরমাণু চুক্তিটি এখানেই রফাদফা হতে পারে যদি যুক্তরাষ্ট্র তিনটি বিষয়ে ইরানের প্রস্তাব রাখে।

আরও পড়ুন:
সমালোচনার মুখে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরার নির্দেশ মন্ত্রিসভার
তেলের দাম বাড়ার প্রভাব মাপবে সরকার
ট্রাক ভাড়া বাড়ায় বেনাপোলে পণ্য পরিবহনে অচলাবস্থা
বাস ভাড়ার প্রতারণা কাদেরকে জানালেন জাফরউল্লাহ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banglabandha import export stop on Mourning Day

শোক দিবসে বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শোক দিবসে বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের পাশাপাশি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে৷’

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি এক দিনের জন্য বন্ধ রয়েছে।

সোমবার সকাল থেকেই বন্দরটিতে সব ধরনের পণ্য আমদানি ও রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে৷

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কুদরত ই খুদা মিলন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসায়ীদের যৌথ সিদ্ধান্তে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে এক দিনের জন্য পণ্য আমদানি ও রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে।

বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের পাশাপাশি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে৷’

আরও পড়ুন:
ঈদে ৮ দিনের ছুটির ফাঁদে বাংলাবান্ধা
বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ 
বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি ৩ দিন বন্ধ 
বাংলাবান্ধায় দিনের পর দিন আটকা ৪ শতাধিক ট্রাক
পঞ্চগড়-রাজশাহী এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হচ্ছে কাল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Negotiations on SEPA agreement with India

ভারতের সঙ্গে সেপা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা

ভারতের সঙ্গে সেপা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে স্থলবন্দর। ফাইল ছবি
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সেপা অনেকটাই ভিন্ন। কেননা এটি অনেক বিস্তৃত। এর মধ্যে পণ্য ও সেবা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মেধাস্বত্ব ও ই-কমার্সের মতো অনেকগুলো বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সেপা স্বাক্ষরিত হলে উভয় দেশের বাণিজ্য আরও বাড়বে। উন্মুক্ত হবে বিনিয়োগের নতুন দরজা।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়াতে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সেপা) নামে নতুন এক চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে দুই দেশ। দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা বলছেন, দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা সাফটার অধীনে বাংলাদেশ ভারতে যেসব বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে, নতুন চুক্তিতে তার চেয়েও বেশি সুবিধা দেখতে চান তারা।

প্রস্তাবিত সেপা চুক্তির বিষয়ে এফবিসিসিআই একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এটি সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের পর স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে। এরপর শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্যের সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা আর পাবে না বাংলাদেশ। এতে করে রপ্তানি বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

এই ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ সম্পাদনের ব্যাপারে বেশি মনোযোগ দেয়ার কথা বলছেন দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা।

এফবিসিসিআই ওই প্রতিবেদনে বলেছে, বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (সাফটা) চালু আছে। এর আওতায় শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। সাফটার আওতায় বিদ্যমান সুবিধা আরও বেশ কিছুদিন অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছে তারা।

বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি আছে। আবার দুটি দেশই আছে দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) আওতায়। এর অধীনে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।
কয়েক বছর পর বাংলাদেশ যখন উন্নয়শীল দেশের কাতারে যাবে, তখন আর সাফটার বিদ্যমান সুবিধা পাবে না। তখন দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য বাড়াতে নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তির প্রয়োজন হবে। সেই চিন্তা থেকেই বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে পার্টনারশিপ বা অংশীদারত্বমূলক চুক্তির প্রস্তাব করে বাংলাদেশ।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সেপা অনেকটাই ভিন্ন। কেননা এটি অনেক বিস্তৃত। এর মধ্যে পণ্য ও সেবা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মেধাস্বত্ব ও ই-কমার্সের মতো অনেকগুলো বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সেপা স্বাক্ষরিত হলে উভয় দেশের বাণিজ্য আরও বাড়বে। উন্মুক্ত হবে বিনিয়োগের নতুন দরজা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, মূলত স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের দিক থেকেই এই চুক্তির প্রস্তাবটি ছিল।

উত্তরণ-পরবর্তী বাংলাদেশ যাতে ভারত থেকে আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা পায়, সে জন্য সেপা চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ। বিশ্বের অনেক দেশেই কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সেপা/সিইপিএ) আছে। ইইউ দেশগুলোর মধ্যেও এই চুক্তি রয়েছে।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের আগে একটি যৌথ সমীক্ষা করার সিদ্ধান্ত হয় এবং সমীক্ষার কাজ শেষ হওয়ার পর গত মাসে সরকারের কাছে জমা দেয়া হয় প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করতে ২৫ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হয়। এতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং এসব সিদ্ধান্তের ওপর এফবিসিআইয়ের মতামত নেয়া হয়। গত সপ্তাহে এফবিসিসিআই তার মতামত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) ও ভারতের সেন্টার ফর রিজিওনাল ট্রেডের (সিআরটি) যৌথ সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সেপা চুক্তি দ্বিপাক্ষিক পণ্যবাণিজ্য, সেবা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পারস্পরিকভাবে লাভজনক।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে আগামী ৭ থেকে ১০ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩-৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়বে। একই সময়ে ভারতের আয় বাড়বে ৪-১০ বিলিয়ন ডলার।

২০২০-২১ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার, যা চীনের পর সর্বোচ্চ। একই সময়ে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার।

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি বর্তমানে বাংলাদেশ চেম্বার অফ ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ার উল আলম পারভেজ চৌধুরী বলেন, ‘ভারত তাদের বাজারে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিলেও নন-ট্যারিফ বাধার কারণে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছে না। সেপা চুক্তির সাফল্য পেতে হলে নন-ট্যারিফ শুল্ক বাধার সমস্যার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাবেক বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ভারতে রপ্তানিতে একটু ধাক্কা আসতে পারে। এ জন্যই সিইপিএ করা হচ্ছে। সিইপিএ হয়ে গেলে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি অনেক বাড়বে।’

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর ভিত্তিতে সেপা স্বাক্ষরের কথা বলে ভারত। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আরেকটি বৈঠকে উভয় পক্ষ এই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সম্মত হয়। পণ্য, সেবা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের জন্য এটি ভালো ভিত্তি হবে বলে একমত হন তারা।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ চুক্তি উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক হবে কি না, তা খতিয়ে দেখতে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশ

বর্তমানে আসিয়ানসহ সাতটি আঞ্চলিক জোটের সঙ্গে যুক্ত আছে বাংলাদেশ। এসব জোটের অধীন দেশের সংখ্যা ১১২টি। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বাণিজ্য বাড়াতে এসব দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার কথা বলেছে এফবিসিসিআই।

এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই। এ ছাড়া সাফটা বাণিজ্যের শর্ত কমপক্ষে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলেছে তারা।

ভারতের সঙ্গে সেপা নিয়ে আলোচনায় একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এই টিমে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের যুক্ত করার সুপারিশ করেছে এফবিসিসিআই।

আলোচনায় সাফটায় যেসব সুবিধা আছে, সেপায় তার চেয়ে বেশি সুবিধা রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে এফবিসিসিআই বলেছে, সাফটার আওতায় বিদ্যমান শুল্ক সুবিধা অব্যাহত রেখে কমপক্ষে ১০ বছর আরও বাড়তি সুবিধা দিতে হবে। এ ছাড়া অশুল্ক বাধা যাতে দূর করা হয়, সে বিষয়টি সেপা চুক্তিতে যুক্ত করার প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই।

আরও পড়ুন:
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে সৌদির সঙ্গে চুক্তি প্রস্তাব অনুমোদন
মাসে একবার পিজা খাওয়ার শর্তে বিয়ে!
আমিরাত-ইসরায়েলের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
জনপ্রশাসনের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা দেবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থাপনায় ঢুকছে দেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Stress in the economy is not a cause for temporary panic

‘অর্থনীতিতে চাপ সাময়িক, আতঙ্কের কারণ নেই’  

‘অর্থনীতিতে চাপ সাময়িক, আতঙ্কের কারণ নেই’  
ডিসিসিআই নেতারা মনে করেন, বৈশ্বিক যে সংকট চলছে, তা শুধু বাংলাদেশেই প্রভাব ফেলছে না, সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট বেশি দিন থাকবে না।

বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতিতে যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা সাময়িক। এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতি’বিষয়ক এক আলোচনা সভায় রোববার এ কথা বলেন আলোচকরা।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। এতে ঢাকা চেম্বারের অন্য সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

ডিসিসিআইয়ের নেতারা মনে করেন, বৈশ্বিক যে সংকট চলছে, তা শুধু বাংলাদেশেই প্রভাব ফেলছে না, সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে করে সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও এসে পৌঁছেছে। বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। চাপে পড়েছে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। এ সংকট বেশি দিন থাকবে না বলে মত দেন বক্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, ‘সৃষ্ট সংকট দীর্ঘস্থায়ী হবে না। কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ সবকিছুর দাম কমছে। কাজেই অর্থনীতি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার তেমন কোনো কারণ দেখছি না।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রিজার্ভের চাপ কমাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুত ঋণ পাওয়া যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’

বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকে আমানতের সুদের হার কিছুটা বাড়ানোর বিষয়টি পুনঃবিবেচনা করা যেতে পারে বলে অভিমত দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত অর্থবছরে দেশের উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ২৩ শতাংশ, ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেগবান হয়। কর আহরণ বৃদ্ধি এবং করজাল সম্প্রসারণে দেশের রাজস্ব কাঠামোর অটোমেশনের কোনো বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

গত অর্থবছরে দেশ থেকে ১০ লাখ শ্রমিক বিদেশ গেছে। ফলে আমাগীতে রেমিট্যান্স আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ্য সদস্য ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন) বলেন, ‘বিশ্বের প্রায় সব দেশই জ্বালানি সংকটে রয়েছে। আমাদের টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর গ্যাসকূপ অনুসন্ধান কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করা দরকার।’

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, ‘এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী আমাদের রপ্তানি আয় প্রায় ৫ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কমে যেতে পারে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে বিদ্যমান শুল্ক প্রতিবন্ধকতা দূর করা, বাণিজ্য সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সেপা) স্বাক্ষর এবং দ্রুত ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।’

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তা মোকাবিলা করতে হলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। কর নেট বৃদ্ধি এবং পুরো রাজস্ব বিভাগের অটোমেশনের বিকল্প নেই।’

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের ঋণের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ আশাব্যঞ্জক নয় বলে মত প্রকাশ করেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি।

জ্বালানি তেলের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি এবং ডলারের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তরুণ এই ব্যবসায়ী নেতা।

আরও পড়ুন:
ঢাকা-হ্যানয় ফ্লাইট চায় ডিসিসিআই
অটোমোবাইলে জাপানি বিনিয়োগ চেয়েছে ‘ঢাকা চেম্বার’
ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজনে সহযোগিতা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
মুদ্রানীতিকে গতানুগতিক বলল ডিসিসিআই
সম্ভাবনাময় শিল্পে সমান সুযোগ চায় ডিসিসিআই

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
On the occasion of the National Day of Mourning SFIL held a memorial service and prayers

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এসএফআইএলের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এসএফআইএলের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এফএফআইএলের আয়োজনে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
এসএফআইএলের এমডি ও সিইও ইরতেজা আহমেদ খান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আমি যতোবার শুনি ততবারই নতুন মনে হয়। এই ভাষণের মধ্যে তিনি যত দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন, সেটা তখনকার জন্য যেমন প্রযোজ্য, এখনকার জন্যও তেমনি প্রযোজ্য।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্ট্রাটেজিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডে মতবিনিময় সভা ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর বাড্ডায় র‍্যাংগস আরএল টাওয়ারে স্ট্রাটেজিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে রোববার বিকেল ৫টায় আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, শেখ মুজিব ছিলেন আপোষহীন নেতা, তিনি প্রথমে মুজিব ভাই ছিলেন, পরে শেখ মুজিব হয়েছেন, তার পর বঙ্গবন্ধু হয়েছে। আমাদের সবাইকে তাকে অনুসরণ করা উচিত। আমরা যারা স্বধীনতার পরের প্রজন্ম, আমাদের সবারই তার সম্পর্কে বিশদ জানতে হবে। তার আদর্শ আমাদের লালন করতে হবে।

সভায় কানাডিয়ান ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে আমদের ৭ কোটি মানুষ খেয়ে না খেয়ে থাকত, আর এখন ১৬ কোটির উপর মানুষ নিয়ে ভালো ভাবে খেয়ে পরে বেঁচে আছি। সবই সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর কারণে। কারণ, তিনি স্বাধীনতা না এনে দিলে আমরা এই অবস্থানে আসতে পারতাম না।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এসএফআইএলের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
স্মরণসভায় বক্তব্য দেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হক। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

স্মরণসভায় বক্তব্যে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক হাসান ইমাম রুবেল বলেন, ‘ন্যায্যতার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপোষহীন, তিনি সারা জীবন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়েছি, তিনি বেঁচে থাকলে এখন বাংলাদেশ যে অবস্থানে আছে, সেটা আরও ৩০-৪০ বছর আগে হতো। কিন্তু আশার কথা হলো, বঙ্গবন্ধুর রক্ত এখনো কারো ধমনীতে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনিই এখন এই দেশটাকে উন্নত করে যাচ্ছেন। তিনি হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এসএফআইএলের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বক্তব্য দিচ্ছেন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক হাসান ইমাম রুবেল। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

এসএফআইএলের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর তামিম মারজান হুদার সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন এসএফআইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইরতেজা আহমেদ খান।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আমি যতোবার শুনি ততবারই নতুন মনে হয়। এই ভাষণের মধ্যে তিনি যত দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন, সেটা তখনকার জন্য যেমন প্রযোজ্য, এখনকার জন্যও তেমনি প্রযোজ্য।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এসএফআইএলের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
স্মরণসভায় বক্তব্য দেন এসএফআইএলের এমডি ও সিইও ইরতেজা আহমেদ খান। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

‘তখন তার নির্দেশে দেশের মানুষ যুদ্ধ করেছে, আর এখন আমরা করছি অর্থনৈতিক যুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করলে দেশে যত বাধাই আসুক, আমরা সেটা কাটিয়ে উঠতে পারব।’

স্বরণ সভায় এসএফআইএলের হেড অফ রিটেইল মো. সাজেদুল হক মৃধাসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
এসএফআইএল ও নগদের মধ্যে চুক্তি
সাশ্রয়ী গৃহঋণে এসএফআইএল-জেবিএস হোল্ডিংস চুক্তি
দেড় বছরেই গ্রাহকের আস্থায় এসএফআইএল
গ্রিন প্রোডাক্টসে অর্থায়ন করবে এসএফআইএল
এসএফআইএল-এনডিবি ক্যাপিটাল সমঝোতা

মন্তব্য

p
উপরে