× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The World Bank is giving a loan of Tk 4812 crore for the development of the power sector
hear-news
player
print-icon

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৪৮১২ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিদ্যুৎ-খাতের-উন্নয়নে-৪৮১২-কোটি-টাকা-ঋণ-দিচ্ছে-বিশ্বব্যাংক
এই অর্থ ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ২৫টি গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে ব্যয় হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের সিস্টেম লস ২ শতাংশের বেশি কমবে।

দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৫১ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা) হিসাবে টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৮১২ কোটি টাকা।

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ৯০ লাখ মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি নিশ্চিত করতে বিশ্ববাংকের সঙ্গে এই ঋণের চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার।

সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যানডান চেন বৃহস্পতিবার চুক্তিতে সই করেন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক এ ঋণদাতা সংস্থার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড ধরে ৩৫ বছরের জন্য এই ঋণ দিচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঋণের এই অর্থ ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ২৫টি গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে ব্যয় হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের সিস্টেম লস ২ শতাংশের বেশি কমবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৭৯০ গিগাওয়াট বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে জলবায়ু সহিষ্ণু করে তোলা হবে।

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যানডান চেন বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার গত এক দশকে সবার কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং বর্তমানে সকল জনগণ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা এই সময়ে পাঁচ গুণ বেড়ে ২৫ গিগাওয়াট হয়েছে।’

‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন ও উদীয়মান প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রয়োজন মেটাতে দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলা যাবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মাধ্যমে ১০০ জনের বেশি গ্রাহককে সোলার মিটার সংযোগ দেয়া যাবে। গ্রিডে নতুন ১৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হবে। ৩১ হাজার কিলোমিটার বিতরণ লাইনে ২ লাখ উন্নত মিটার বসানো যাবে।

ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম শক্তিশালীকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে বার্ষিক কার্বন নির্গমন ৪১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন কমানোর লক্ষ্যও রয়েছে এই প্রকল্পে।

ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, ‘এই কর্মসূচি সরকারের সমন্বিত শক্তি ও বিদ্যুৎ খাতের মাস্টারপ্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জ্যস্যপূর্ণ। পরিবেশবান্ধব এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মোকাবিলায় সাহায্য করবে।’

এই চুক্তির আওতায় ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমের জন্য ক্লিন টেকনোলজি ফান্ড থেকে দেড় কোটি ডলার অনুদানও দেয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক খাদ্য সংকটে ‘বড় তহবিল’ দেবে বিশ্বব্যাংক
বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০০ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ
খাদ্য-জ্বালানির আগুন ২০২৪ পর্যন্ত জ্বলবে: বিশ্বব্যাংক
গরিব দেশগুলোকে জরুরি খাদ্য সহায়তার আহ্বান
শ্রীলঙ্কা হওয়ার শঙ্কা নেই বাংলাদেশের: বিশ্বব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh is not in crisis IMF

বাংলাদেশ সংকটে নেই: আইএমএফ

বাংলাদেশ সংকটে নেই: আইএমএফ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফ সদরদপ্তরের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক নারী। ছবি: এএফপি
আইএমএফের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশ কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে নেই এবং বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশ ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।’

বাংলাদেশ সংকটে নেই বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

চলমান বৈশ্বিক সংকটে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে যে ঋণ চেয়েছে, সে বিষয়ে অক্টোবরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। এর সঙ্গে সরকার সম্প্রতি জ্বালানি তেলের যে দাম বাড়িয়েছে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ এসব কথা বলেন।

ওই সময় আরও যুক্ত ছিলেন আইএমএফের পলিসি অ্যান্ড রিভিউ ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিরেক্টর উমা রামাকৃষ্ণান।

রাহুল আনন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশের ঋণখেলাপি হওয়ার পথে যাওয়ার ঝুঁকি খুবই কম। দেশটির পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কা থেকে বেশ আলাদা।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে নেই এবং বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশ ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।’

আইএমএফের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ তুলনামূলক অল্প, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের মতো। সে কারণেই দেশটির ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকি কম। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করার কোনো কারণ নেই।’

আইএমএফের কাছে বাংলাদেশ সরকারের ঋণ আবেদনের প্রসঙ্গে রাহুল আনন্দ বলেন, “অনুরোধটি ‘স্বতঃপ্রণোদিত’। বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আইএমএফ প্রস্তুত এবং তহবিল বিষয়ে নিয়মমাফিক নীতিমালা ও প্রক্রিয়া অনুসারে আইএমএফের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রোগ্রাম ডিজাইন বিষয়ে আলোচনা করছেন।

“অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে আইএমএফের বার্ষিক সভা হবে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

সম্প্রতি কয়েক দফায় ডলারের বিপরীতে টাকার বেশ খানিকটা অবমূল্যায়ন করেছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে রাহুল বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশই ডলারের বিপরীতে তাদের মুদ্রার অবমূল্যায়ন করেছে। বাংলাদেশও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে করেছে।’

‘যদিও বাংলাদেশের রিজার্ভ কমে এসেছে, তারপরও বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে দেশের চার থেকে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।’

‘তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে ঋণের সম্পর্ক নেই’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত একান্তই বাংলাদেশ সরকারের মন্তব্য করে আইএমএফের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান বলেন, ‘এর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের চাওয়া ঋণ নিয়ে অক্টোবরে সিদ্ধান্ত হবে। এ অবস্থায় কোনো শর্ত দেয়ার প্রশ্নই আসে না।’

তিনি বলেন, ‘চলমান বৈশ্বিক সংকটে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে।’

আইএমএফের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশের মতো সংকটে নেই, তবে চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে অর্থনীতি।

‘চলমান বৈশ্বিক সংকটে অর্থনীতিতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও তা কাটিয়ে ওঠার মতো শক্তি বাংলাদেশের রয়েছে।’

আইএমএফের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে এসেছিল। ৯ দিনের ওই সফরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সেই সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইএমএফের কাছ থেকে তিন কিস্তিতে সাড়ে ৪ বিলিয়ন (প্রতি কিস্তিতে দেড় বিলিয়ন) ডলার ঋণ চাওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
মূল্যস্ফীতি-ডলার সংকট: আইএমএফের সহায়তা চায় বাংলাদেশ
রাজস্ব আয় বাড়াতে পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে আইএমএফ
খেলাপি ঋণ নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ
ভর্তুকির চাপ কমাতে বলবে আইএমএফ
খাদ্যের আগুনে বেশি ‘পুড়বে’ গরিব দেশগুলো: আইএমএফ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Be patient with us Nasrul Hamid

ধৈর্য ধরে আমাদের সঙ্গেই থাকুন: নসরুল হামিদ

ধৈর্য ধরে আমাদের সঙ্গেই থাকুন: নসরুল হামিদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ঊর্ধ্বমুখী, তার কারণে বাংলাদেশও ভুক্তভোগী। তবে এটা সাময়িক সময়ের জন্য। এ বছরের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে আশা করছি।’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ধৈর্য ধরে আমাদের সঙ্গেই থাকুন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দর কমলে বাংলাদেশে তা সহনীয় পর্যায়ে আসবে।

মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ঊর্ধ্বমুখী, তার কারণে বাংলাদেশও ভুক্তভোগী। তবে এটা সাময়িক সময়ের জন্য। এ বছরের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে আশা করছি।’

সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহস ও দূরদর্শিতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করলে আমরা দ্রুত কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাব। রূপকল্প ২০৪১ নির্ধারিত সময়ের আগেই বাস্তবায়ন করতে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই।

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করেছিল, সেই সব সামরিক স্বৈরশাসকরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দিকে নজর দেননি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলেন তখন থেকে ভঙ্গুর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করল। তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দিলেন। যার ফলে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে অবদান রাখতে পারছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট শেল অয়েল থেকে পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র কিনে দেশীয় কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়। দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এবং জ্বালানির জোগানের ক্ষেত্রে এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো বিশাল অবদান রেখে চলেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা সন্নিবেশ করে জাতির পিতা বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন এক অগ্রযাত্রা শুরু করেছিলেন।’

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান, বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, বিপিসির চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ, পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান, পাওয়ার সেলের ডিজি মোহাম্মদ হোসাইনসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
পাম্পের তেলে স্টার্ট নিচ্ছে না বাইক, সন্দেহে মিলল পানিও
রুশ তেল আমদানি ইস্যুতে বিশেষজ্ঞ দল আসছে
‘জ্বালানির দাম বাড়ানো কেন অবৈধ নয়’
রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আনতে চান প্রধানমন্ত্রী
তেলের দাম কমানোর দাবিতে ২৫ আগস্ট হরতাল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Low interest loan opportunities on foreign currency investments

বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে আরও কম সুদে ঋণের সুযোগ

বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে আরও কম সুদে ঋণের সুযোগ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লাইবর রেটের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ হারে বার্ষিক সুদে ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়া যাবে। আগে এই সুদ হার ছিল সাড়ে ৩ শতাংশ।

বিদেশি মুদ্রায় স্বল্প মেয়াদে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কম সুদে ঋণ নিতে পারবেন রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা।

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা বিবেচনা করে বার্ষিক সব খরচের সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে সুদ হার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমানোর কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, লাইবর রেটের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ হারে বার্ষিক সুদে ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়া যাবে। আগে এই সুদ হার ছিল সাড়ে ৩ শতাংশ।

লাইবর রেট হচ্ছে- ইংল্যান্ডের কোনো ব্যাংক অন্য কোনো ব্যাংককে যে সুদে ঋণ দেয় তার ৩ মাসের হার। বর্তমানে তা এসওএফআর নামে পরিচিত।

নির্দেশনায় বলা হয়, বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগে সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রার সুদ হারের সঙ্গে বার্ষিক সুদ সবোর্চ্চ ৩ শতাংশ যোগ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

এছাড়া ডলারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লাইবর রেট যতদিন কার্যকর রয়েছে ততদিন তা অনুসরণ করা যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রার সুদ হারকে ‘বেঞ্চমার্ক রেট’ হিসেবে ধরা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বল্প মেয়াদে ট্রেড ফাইন্যান্সের বেলায় ডলারের ক্ষেত্রে লাইবর রেট (ইংল্যান্ডের আন্তঃব্যাংকের ৩ মাসের গড় সুদ হার) অনুসরণ করা যাবে।

এখন বেঞ্চমার্ক রেফারেন্স রেট ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রায় স্বল্পমেয়াদি আমদানি-রপ্তানির সময় অর্থায়নে এই রেটের সঙ্গে ৩ শতাংশ সুদ পাবে।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজারে আরও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
‘সুইস ব্যাংকের কাছে অর্থ পাচারের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ’
টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
দুই মাসের মধ্যে কাটবে অর্থনীতির চাপ: গভর্নর
ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে সংশোধনী আনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Account of Dr Yunus assets to ACC

ড. ইউনূসের সম্পদের হিসাব দুদকে

ড. ইউনূসের সম্পদের হিসাব দুদকে
গ্রামীণ টেলিকম পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ সংবলিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২৮ জুলাই অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। একইসঙ্গে চলতি মাসের শুরুতে ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের সব ব্যাংক হিসাব তলব করে দুদক। কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পর থেকে লেনদেনের সব তথ্যও চাওয়া হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালনা পর্ষদের চার সদস্য।

মঙ্গলবার বিকেলে দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার প্রধানের কাছে এসব নথি হস্তাস্তর করেন ড. ইউনূসের প্রতিনিধি।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ সংবলিত একটি প্রতিবেদন দুদকে পাঠান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৮ জুলাই গ্রামীণ টেলিকম পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

দূদক সূত্র জানায়, অনিয়মের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টনের জন্য সংরক্ষিত লভ্যাংশের ৫ শতাংশ অর্থ লোপাট, শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধকালে অবৈধভাবে অ্যাডভোকেট ফি ও অন্যান্য ফি’র নামে ৬ শতাংশ অর্থ কেটে নেয়া, শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দকৃত সুদসহ ৪৫ কোটি ৫২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৩ টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ এবং প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ সংবলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

একইসঙ্গে চলতি মাসের শুরুতে ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের সব ব্যাংক হিসাব তলব করে দুদক। শুধু তাই নয়, কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পর থেকে লেনদেনের সব তথ্যও চাওয়া হয়।

চিঠিতে গ্রামীণফোন কোম্পানিতে গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির শেয়ার ও এর বিপরীতে ১৯৯৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানি কত টাকা লভ্যাংশ পেয়েছে এবং তা কোন কোন খাতে ও কীভাবে ব্যয় করেছে, তার বছরভিত্তিক তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
আইনজীবী ইউসুফের ‘ফি’ ১৬ কোটি টাকা
গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক
আইনজীবীকে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘১২ কোটি টাকা দেয়ার’ ঘটনা তদন্ত চেয়ে রিট
চাকরিচ্যুতদের আইনজীবীর সঙ্গে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘সমঝোতা’, অ্যাকাউন্ট জব্দ
কর্মীদের মামলা: ৪০০ কোটিতে রফা গ্রামীণ টেলিকমের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
After 2026 98 of products in the UK will be duty free

যুক্তরাজ্যে ২০২৬-এর পরও ৯৮ ভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা

যুক্তরাজ্যে ২০২৬-এর পরও ৯৮ ভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির প্রধান দুয়ার চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকায় যুক্তরাজ্য দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নতুন বাণিজ্য নীতির অধীনে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে আরও সহজ প্রবেশাধিকার পাবে। এমনকি বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তৈরি পোশাকসহ ৯৮ ভাগ পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করতে পারবে।’

যুক্তরাজ্য ঘোষিত নতুন বাণিজ্য নীতিতে ২০২৬ সালের পরও ৯৮ ভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) নামের এই বাণিজ্য নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬৫টি উন্নয়নশীল দেশকে এই শুল্ক হ্রাস ও সহজতর রপ্তানি সুবিধা দেবে দেশটি।

ঢাকায় যুক্তরাজ্যের দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ডিসিটিএস বিশ্বের মধ্যে অন্যতম উদার বাণিজ্য সুবিধা দেবে; যা বাণিজ্যের প্রসার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে। এই নতুন স্কিম যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

ডিসিটিএস যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়া আরো সহজ করবে। এর মাধ্যমে শুল্কমুক্ত মর্যাদা না হারিয়েই বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের কাঁচামাল ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যে পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হবে। এই স্কিমের আওতায় অস্ত্র ছাড়া অন্য সব পণ্যে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ডিসিটিএস বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক বিকাশ ও সমৃদ্ধকরণে বাণিজ্য এবং বেসরকারি খাতের শক্তিকে কাজে লাগাবে।

‘যুক্তরাজ্য বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি বাজার। দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক প্রায় চার বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়ে থাকে। এই নতুন স্কিমের অধীনে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে আরও সহজ প্রবেশাধিকার পাবে। এমনকি বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তৈরি পোশাকসহ ৯৮ ভাগ পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করতে পারবে। আমরা আশা রাখি যে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নতির ফলে উভয় দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য থেকে উন্নতমানের পণ্য ও সেবা কিনতে পারবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিসিটিএস বিশ্ব অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও শক্তিশালী বিনিয়োগ অংশীদার তৈরি করতে অবদান রাখবে। এই স্কিমে মানবাধিকার এবং শ্রম অধিকার রক্ষায় যুক্তরাজ্যের যে অঙ্গীকার তা প্রতিফলিত হয়েছে। এতে গুরুতর মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে বাণিজ্য সুবিধা তুলে নেয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। এছাড়াও দুর্নীতিবিরোধী, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিষয়ক কনভেনশনগুলোতে যুক্তরাজ্যের যে অঙ্গীকার রয়েছে তা ডিসিটিএস সমর্থন করবে।

‘নতুন স্কিমটি ইউকে জেনারেলাইজড স্কিম অফ প্রেফারেন্সকে (জিএসপি) প্রতিস্থাপন করবে এবং ২০২৩ সালের প্রথম দিকে তা কার্যকর হবে।’

আরও পড়ুন:
বাজার কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর
৯৯% বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধার ঘোষণা চীনের
ভারত-রাশিয়া নতুন বাণিজ্য রুটে সঙ্গী ইরান   
এবার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৭ বিলিয়ন ডলার
পাকিস্তানে বাণিজ্য ঘাটতি সর্বকালের শীর্ষে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Commerce Minister orders action against those involved in market manipulation

বাজার কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাজার কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর
টিপু মুনশি বলেন, ‘একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ আর নেই। বাজার যাতে প্রতিযোগিতামূলক থাকে সেজন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কারসাজি বা অনিয়ম করে বাজার প্রভাবিত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রতিযোগিতা কমিশন।’

অনিয়ম বা কারসাজি করে বাজারে অস্থিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন আয়োজিত ‘ব্যবসা-বাণিজ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণে অংশীজনের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে মন্ত্রী এ নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি প্রতিযোগিতা কমিশনকে নজরদারি বাড়াতে বলেছেন।

টিপু মুনশি বলেন, ‘এখন আর একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ নেই। বাজার যাতে প্রতিযোগিতামূলক থাকে সেজন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কারসাজি বা অনিয়ম করে বাজার প্রভাবিত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রতিযোগিতা কমিশন। দেশের মানুষ ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে পারলে তবেই কমিশন গঠনের উদ্যোগ স্বার্থক হবে।’

ভোক্তাদের সচেতন করতে কমিশনকে জেলা, উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায়ে প্রচার চালানোর পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কমিশনের সদস্য ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কমিশনের সদস্য জি এম সালাউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর বিভাগের ডিআইজি আবদুল আলীম মাহমুদ, রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রেজাউল ইসলাম, রংপুর উইমেন চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট বেগম আখতার জাহান ও রংপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী রংপুর পৌরসভা আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ‘রংপুরে বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামের স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

আরও পড়ুন:
এবার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৭ বিলিয়ন ডলার
বাণিজ্যমন্ত্রীর নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, যুবক রিমান্ডে
ঈদের আগে ১ কোটি পরিবারের হাতে টিসিবির পণ্য: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সময় এখনই: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত থেকে গম আমদানিতে বাধা নেই: মন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Find inflation mitigation strategy PM

মূল্যস্ফীতি প্রশমনের কৌশল খুঁজুন: প্রধানমন্ত্রী

মূল্যস্ফীতি প্রশমনের কৌশল খুঁজুন: প্রধানমন্ত্রী
একনেকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সব মন্ত্রণালয় আমরা দেখব যাতে মূল্যস্ফীতি কীভবে আরও প্রশমিত করা যায়।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কীভাবে মূল্যস্ফীতি প্রশমন করা যায়, সে বিষয়ে কৌশল খুঁজতে হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এনইসি সম্মেলন কক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সব মন্ত্রণালয় আমরা দেখব যাতে মূল্যস্ফীতি কীভবে আরও প্রশমিত করা যায়।’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বলেছেন। খাদ্য খাতে স্বাবলম্বী হওয়ার কথা বলেছেন। সেচের কাজ সোলারে করতে বলেছেন।’

এবার একনেক সভায় ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বরেন্দ্র এলাকায় পানি সংরক্ষণসহ ছয় প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ৬২৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা থেকে ৮৭৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

এম এ মান্নান বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি সংকটের কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। এ জন্য পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়া ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহারে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

অনুমোদিত অপর প্রকল্পগুলো

সোনাপুর-কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ (বসুরহাট-দাগনভুইয়া) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৭ কোটি টাকা।

গল্পামারী-বটিয়াঘাটা-দাকোপ-নলিয়ান ফরেস্ট সড়কের ২৮তম কিলোমিটারে চুনকুড়ি নদীর উপর চুনকুড়ি সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৮ কোটি টাকা।

কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

বিসিক মুদ্রণ শিল্প নগরী প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

বরেন্দ্র এলাকায় খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
মূল্যস্ফীতির পয়েন্ট টু পয়েন্ট হিসাব মানছেন না অর্থমন্ত্রী
সরকারি হিসাবেই এখন আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় মানুষের
নয় বছরে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি
মূল্যস্ফীতিতে জাপানে পেঙ্গুইনদের ‘অনশন’
পদ্মা সেতু ইট-কাঠের স্থাপনা নয়, এটি আত্মমর্যাদা: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

p
উপরে