× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
If you complain to a financial institution you have to give a letter of acknowledgment
hear-news
player
print-icon

আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অভিযোগ করলে দিতে হবে প্রাপ্তিস্বীকার পত্র

আর্থিক-প্রতিষ্ঠানেও-অভিযোগ-করলে-দিতে-হবে-প্রাপ্তিস্বীকার-পত্র
ফাইল ছবি।
কোনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের অভিযোগ বা আবেদনপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে।

ব্যাংকের পর এবার নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক কোনো অভিযোগ করলে তা প্রাপ্তিস্বীকার পত্র দেয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক সেবা ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা নিশ্চিত করতে সোমবার এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ।

সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়, এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাপ্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রতিটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ‘অভিযোগ সেল’ গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়।

এছাড়াও গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ, গ্রাহক সেবার ন্যূনতম মান নিশ্চিতকরণ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত সুষ্ঠু কর্মপদ্ধতি প্রণয়নের জন্য ‘গ্রাহক সেবা ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ শিরোনামে গাইডলাইন দিয়ে তা পালনের নির্দেশও দেয়া হয়।

এছাড়াও কোনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের অভিযোগ বা আবেদনপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগের জবাব নীতিমালা বর্হিভূতভাবে দেয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে এসেছে।

এ সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। সেগুলো হলো--

# প্রধান নির্বাহীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রধান কার্যালয়ে, আঞ্চলিক ও শাখা পর্যায়ে অভিযোগ সেল গঠন করতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রণীত “গ্রাহক সেবা ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা” অনুযায়ী গ্রাহকের আবেদন বা অভিযোগ নিষ্পত্তি ও রিপোর্টিংয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

# আমানতকারী ও ঋণগ্রহীতাসহ সকল ধরনের গ্রাহকের অভিযোগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়সহ যে দপ্তরেই দাখিল করা হোক না কেন তা প্রাপ্তিস্বীকার প্রদানের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।

# গ্রাহকের থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ ‘গ্রাহক সেবা ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’অনুযায়ী নির্দেশিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হলে অভিযোগের অগ্রগতি ও ফলাফল বিষয়ে অভিযোগকারীকে জানিয়ে রাখতে হবে।

# প্রধান কার্যালয়ে, আঞ্চলিক ও শাখা পর্যায়ে গ্রাহক সেবা ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম দৃষ্টি গোচরীভূত করে প্রকাশ করতে হবে।

# আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়ে নেয়া ব্যবস্থার বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
এবং

# গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
BFIU has sought information on money laundering from Swiss banks

‘সুইস ব্যাংকের কাছে অর্থ পাচারের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ’

‘সুইস ব্যাংকের কাছে অর্থ পাচারের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ’
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের বিপরীতে আমার কিছু বলার অবকাশ নেই। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) একাধিকবার বিভিন্ন দেশের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য চেয়েছে। চিঠিও দেয়া হয়েছে।’

দেশ থেকে টাকা পাচারের তথ্য সংগ্রহে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়ে থাকে। দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে (বিএফআইইউ) সুইস ব্যাংকেও একাধিক বার চিঠি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম এ কথা বলেছেন।

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জমা করা অর্থের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত সুইস ব্যাংক বা কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য চায়নি- বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি চুয়ার্ডের এমন মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মুখপাত্র বলেন, ‘সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের বিপরীতে আমার কিছু বলার অবকাশ নেই। আমি আমার মন্তব্য বলতে পারি। বিএফআইইউ একাধিকবার বিভিন্ন দেশের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য চেয়েছে। একাধিকবার তাদেরকে চিঠিও দেয়া হয়েছে। সেসব তথ্য রিপোর্ট আকারেও প্রকাশ করেছে বিএফআইইউ।’

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের যেখানে যেখানে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয়, তারা সব জায়গা থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। বিএফআইইউ আন্তর্জাতিকভাবে এগমন্ড গ্রুপের সদস্য হওয়ায় এই গ্রুপের অন্য যে কোনো সদস্য দেশের কাছেই যে কোনো বিষয়ে তারা তথ্য চাইতে পারে।

‘ব্যাংকিং চ্যানেলে যদি আন্ডার ইনভয়েসিং এবং ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশের অর্থ অন্য দেশে চলে যায়, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা নজরদারি করতে পারে। কোন ব্যাংকের মাধ্যমে গেছে সেটাও বাংলাদেশ ব্যাংক জানতে পারবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে। কিন্তু সেটা যদি অন্য কোনো মাধ্যমে যায় তাহলে বিএফআইইউ সেই তথ্য সংগ্রহ করবে।’

এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক বা এসএনবির ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিরা কত টাকা জমা রেখেছে ওই তথ্য প্রতিবছর সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক দিয়ে থাকে এবং ওই অর্থ অবৈধপথে আয় করা হয়েছে কিনা তা আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়।

‘গত বছরে বাংলাদেশিরা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করেছেন।’

নাতালি চুয়ার্ড বলেন, ‘তথ্য পেতে হলে কী করতে হবে সে সম্পর্কে আমরা সরকারকে জানিয়েছি। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো তথ্যের জন্য আমাদের কাছে অনুরোধ করা হয়নি। আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুই পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এ ধরনের তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব এবং সেটি তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছি।’

আরও পড়ুন:
টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
দুই মাসের মধ্যে কাটবে অর্থনীতির চাপ: গভর্নর
ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে সংশোধনী আনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
অনিবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রা আমানতে সুদ বাড়ল
শিল্প ও সেবা খাতে ৩০ হাজার কোটি টাকার ঋণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
MCCI wants 5 years trade license period

ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ ৫ বছর চায় এমসিসিআই

ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ ৫ বছর চায় এমসিসিআই মতিঝিলের চেম্বার ভবনে এমসিসিআইর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়ন প্রতিবছরের জন্য না করে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় বাড়ালে ব্যবসায় আরও উন্নতি হবে বলে মত দেন এমসিসিআইয়ের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম।

ব্যবসা শুরু করতে নিয়ম-নীতিমালা আরও সহজ করতে চায় ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)।

এ জন্য ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়নের সময় এক বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার মতিঝিলের চেম্বার ভবনে ব্যবসা সহজীকরণ শিরোনামে আলোচনা সভায় এ দাবি জানান মেট্রো চেম্বার নেতারা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

এমসিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কামরান টি রহমান, সহ-সভাপতি হাবিবুল্লা এন করিম। এ সময় এমসিসিসিআইয় পরিচালনা পর্ষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মেট্রো চেম্বার বলেছে, ব্যবসার খরচ কমানোর অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে কিভাবে কম সময়ে ব্যবসা শুরু করা যায়। এ প্রক্রিয়ায় কিছু উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ব্যবসা শুরু করতে বিভিন্ন সরকারি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নিতে হয়।

এমসিসিআইয়ের নেতারা বলেন, প্রায় সবক্ষেত্রে এখন এক বছরের জন্য নতুন লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়নের অনুমতি দেয়া হয়, যা পেতে অনেক সময় লাগে। এতে সময় মতো ব্যবসা শুরু করতে পারেন না উদ্যোক্তারা।

এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়ন প্রতিবছরের জন্য না করে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় বাড়ালে ব্যবসায় আরও উন্নতি হবে বলে মত দেন এমসিসিআই সভাপতি।

তৈরি পোশক রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে এ খাতের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশ রাখছি। ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং ইস্যুর সময় ৫ বছর বাড়ালে আমরা উপকৃত হবো।’

মেয়র ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমরা সময় বাড়াতে রাজি। তবে অন্যান্য সরকারি দপ্তর ও সংস্থা এ ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তা হলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য উচ্চ হারে কর এবং এবং অগ্রিম আয় কর আদায় করা হয়। এটি কমানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।’

ব্যবসায়ীরা যেনো নির্বিঘ্নে লাইসেন্স পান সে জন্য তার সংস্থা থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মেয়র তাপস।

আরও পড়ুন:
উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে কর আরও কম চায় মেট্রো চেম্বার
এমসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি সাইফুল ইসলাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Instant Cashback on Bikash Payments on Online Shopping

অনলাইন কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

অনলাইন কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক
গ্রাহক প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা এবং অফার চলাকালে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন। বিকাশ অ্যাপ বা ইউএসএসডি কোড *২৪৭# ডায়াল করে বা পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অফারটি পেতে পারেন গ্রাহক।

পোশাক, জুতা, লাইফস্টাইল, ইলেকট্রনিক্সসহ নিত্যপণ্য সাদমার্ট, প্রিয়শপ, এয়ারব্রিঙ্গার, দ্য মল, জাদরু ডটকম, গিয়ারডিওসহ ২০টির বেশি অনলাইন সাইট থেকে কেনাকাটা করে বিকাশ পেমেন্টে ২০ শতাংশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহক।

নির্দিষ্ট অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও ফেসবুকভিত্তিক শপ থেকে কেনাকাটা করলেও এ সুবিধা মিলবে।

৩১ আগস্ট পর্যন্ত গ্রাহক এই সুবিধা পাবেন।

গ্রাহক প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা এবং অফার চলাকালে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন। বিকাশ অ্যাপ বা ইউএসএসডি কোড *২৪৭# ডায়াল করে বা পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অফারটি পেতে পারেন গ্রাহক।

অফারের আওতাভুক্ত সব মার্চেন্টের তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য https://www.bkash.com/online-shops - এই লিংকে পাওয়া যাবে।

ফেসবুকভিত্তিক শপ থেকে পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, লাইফস্টাইল, খাদ্যসহ নানা পণ্য কিনে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ১০ শতাংশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

২৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্দিষ্ট ফেসবুক শপ থেকে বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটা করে এই ক্যাশব্যাক পাবেন গ্রাহক। একজন গ্রাহক প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা এবং অফার চলাকালে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন।

অফারের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংকে - https://www.bkash.com/facebook-shops।

বিকাশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও অফারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত সব তথ্য পাবেন গ্রাহকরা।

আরও পড়ুন:
স্কুল ফি বিকাশে দিলে ১৮০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক
বিকাশের ট্যালেন্ট হান্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম শুরু
বিকাশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এনে ৩০ জন পেলেন স্মার্টফোন
ঈদে বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার আউটলেটে ক্যাশব্যাক
ঈদে অনলাইন কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ২০% ক্যাশব্যাক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Lighter ship fares increased

লাইটার জাহাজের ভাড়া বাড়ল

লাইটার জাহাজের ভাড়া বাড়ল লাইটার জাহাজের ভাড়া বাড়িয়েছে ডব্লিউটিসি। ছবি: নিউজবাংলা
ডব্লিউটিসি নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশিদ জানান, নভেম্বরের পর লাইটার জাহাজের যা ভাড়া ছিল, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের জন্য তার ২২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর বাইরের অন্যান্য গন্তেব্যের জন্য ১৫ শতাংশ হারে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে বহির্নোঙ্গর থেকে বন্দরের ভেতরের ভাড়া আগের মতই থাকছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর এবার দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবহনে ব্যবহৃত লাইটার জাহাজের ভাড়া ১৫ থেকে ২২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) সভায় ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল (ডব্লিউটিসি) অভ্যন্তরীণ পরিবহনে ব্যবহৃত লাইটার (ছোট আকারের) জাহাজগুলো পরিচালনা করে থাকে। এর আগে গেল নভেম্বরে লাইটার জাহাজের ভাড়া ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশিদ বলেন, ‘জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর লাইটার জাহাজের ভাড়া সমন্বয় না করে উপায় ছিল না। তাই সভায় ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্ত গত শনিবার থেকে কার্যকর ধরে নেয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, নভেম্বরের পর লাইটার জাহাজের যা ভাড়া ছিল, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের জন্য তার ২২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর বাইরের অন্যান্য গন্তেব্যের জন্য ১৫ শতাংশ হারে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে বহির্নোঙ্গর থেকে বন্দরের ভেতরের ভাড়া আগের মতই থাকছে।

সাধারণত বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির পর বড় জাহাজ বা মাদার ভেসেল থেকে বহির্নোঙ্গরে তা লাইটার জাহাজে লোড করা হয়। পরে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে এই লাইটার জাহাজেই পণ্য পৌঁছে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ
যুদ্ধরত রাশিয়ার প্রথম জাহাজ এলো মোংলায়
আমিরাতের নাবিকহীন বার্জ ভোলায় কীভাবে
নেপালে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার
পাইলটের ফোনে খোঁজ মিলল নেপালের উড়োজাহাজের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
One hundred thousand crores of defaulted loans were released

সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়াল খেলাপি ঋণ

সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়াল খেলাপি ঋণ
সব মিলিয়ে জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। মার্চে তা ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজর ৮১৬ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণ কমানো নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যেই গত তিন মাসে অনাদায়ী এই ঋণ বাড়ল আরও ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

মার্চে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। তিন মাসে তা বেড়েছে ১১ হাজর ৮১৬ কোটি টাকা।

করোনার কারণে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে ২০২০ ও ২০২১ সাল জুড়ে কয়েক দফায় কোনো ঋণ পরিশোধ না করে কিংবা সামান্য পরিশোধ করে খেলাপিমুক্ত থাকার সুযোগ ছিল। এ ধরনের বিভিন্ন সুবিধার বেশিরভাগই শেষ হয়েছে গত ডিসেম্বরে। এর পরপরই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ব্যাপকভাবে।

কেবল টাকার অঙ্কে নয়, শতকরা হিসাবেও খেলাপি বেড়েছে। জুন শেষে বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ খেলাপি হয়ে গেছে। মার্চ শেষে খেলাপি ছিল ঋণের ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

জুনে মোট ঋণ দেয়া হয়েছে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা, যা মার্চে ছিল ১৩ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা।

২০২০ সাল থেকে দফায় দফায় খেলাপিমুক্ত থাকার সুবিধা বাড়ানো হয়। এখন অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো গেলেও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ঋণ পরিশোধ করছেন না। ব্যাংকগুলো নানামুখী চেষ্টা করেও তাদের থেকে টাকা আদায় করতে পারছে না।

২০২১ সালে ঋণের ১৫ শতাংশ পরিশোধ হলেও তা নিয়মিত দেখানো হয়। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কেউ এ হারে টাকা দিলে আগের তারিখ দেখিয়ে নিয়মিত থাকার সুযোগ দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ১৮ জুলাই ঋণ পুনঃতফসিলিকরণে ব্যবসায়ীদের বড় ছাড় দিয়ে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানোসহ নগদ এককালীন জমা দেয়ার হার কমিয়ে ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়ানো হয়।

এর ১৬ দিনের মধ্যে সংশোধনী দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেয়া নতুন সার্কুলারে ঋণ খেলাপিদের আরও ছাড় দেয়া হয়। পাশাপাশি বেশ কিছু ক্ষেত্রে কড়াকড়িও করা হয়।

খেলাপির হার সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে

রাষ্ট্রীয় সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট ও বেসিক- এই ছয় ব্যাংকের জুন শেষে মোট ঋণ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৫৫ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

মার্চ শেষে এই ছয় ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৪৮ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২০ দশমিক ০১ শতাংশ।

তিন মাসে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা।

টাকার অঙ্কে খেলাপি ঋণ বেশি বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে

বেসরকারি ব্যাংকগুলো জুন পর্যন্ত ঋণ দিয়েছে ১০ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা। মোট বিতরণ করা ঋণের ৬ দশমিক ০১ শতাংশ খেলাপি হয়ে আছে।

মার্চ পর্যন্ত এসব ব্যাংকের ঋণ ছিল ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৫৭ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। মোট বিতরণ করা ঋণের ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ খেলাপি হয়ে আছে।

সে হিসাবে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা।

বিশেষায়িত তিন ব্যাংক

কৃষি, প্রবাসীকল্যাণ ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন- বিশেষায়িত এ তিন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। এটা তাদের বিতরণ করা ঋণের ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। তারা বিতরণ করেছে মোট ৩৫ হাজার ৪৭২৮ কোটি টাকার ঋণ।

মার্চে এ তিনটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ১৫ কোটি টাকা। এ অঙ্ক তাদের বিতরণ করা ঋণের ১২ দশমিক ০১ শতাংশ। তারা বিতরণ করে মোট ৩৩ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকার ঋণ।

এই তিন ব্যাংকে তিন মাসে খেলাপি ঋণ টাকা অংকে বাড়লেও শতকরা হিসাবে কমেছে।

বিদেশি ৯ ব্যাংক

বিদেশি মালিকানার ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলো মোট ঋণ দিয়েছে ৬৭ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা।

মার্চে এই ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ২ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলো মোট ঋণ দিয়েছে ৬৩ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
ঋণ শোধে বিশেষ সুবিধা: দুই দিনেই পাল্টে গেল সিদ্ধান্ত
আবার এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ আদায়ে লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে ছয় ব্যাংক
এককালীন ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ল ডিসেম্বর পর্যন্ত
খেলাপি ঋণ আদায়ে সহজ হলো বন্ধকি সম্পদ বিক্রি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The effect of oil on the rice market has increased by Tk 300 per bag

তেলের প্রভাব চালের বাজারে, বস্তায় বেড়েছে ৩০০ টাকা

তেলের প্রভাব চালের বাজারে, বস্তায় বেড়েছে ৩০০ টাকা দিনাজপুরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম। ছবি: নিউজবাংলা
এনএ মার্কেটের রণজিৎ চাল ঘরের স্বত্বাধিকারী রণজিৎ সাহা বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে মিলগেটে চালের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে। কারণ হিসেবে মিল থেকে জানানো হচ্ছে, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান নেই। যেসব ধান পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মিলের উৎপাদন কম হচ্ছে। উৎপাদন এবং মিল থেকে বাজারে চাল সরবরাহে পরিবহন খরচ বেড়েছে।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে দেশের শীর্ষ ধান ও চাল উৎপাদনকারী জেলা দিনাজপুরে। পাঁচ দিনের ব্যবধানে জেলার পাইকারি বাজারে ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি চালের দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। বাড়তি দামেও বাজারে গুটি স্বর্ণ চালের দেখা পাচ্ছে না ক্রেতা।

বাজারে ধানের সংকটের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

এদিকে বাজারে ধানের সরবরাহ কম। ধান পাওয়া যা যাচ্ছে তাও ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি বলে মিলমালিকরা জানিয়েছেন।

দিনাজপুরে চালের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার হিসেবে পরিচিত শহরের বাহাদুর বাজার এনএ মার্কেট। এই মার্কেটের কয়েকজন পাইকারি দোকানদার জানান, গত শুক্রবার এই বাজারে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট ৩ হাজার ২০০, আঠাশ ২ হাজার ৬৫০, উনত্রিশ ২ হাজার ৪৫০, সুমন স্বর্ণ ২ হাজার ৩৫০, গুটি স্বর্ণ ১ হাজার ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

পাঁচ দিনের ব্যবধানে বুধবার এই বাজারে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট ৩ হাজার ৪৫০ টাকা, আঠাশ ২ হাজার ৯০০, উনত্রিশ ২ হাজার ৬৫০, সুমন স্বর্ণ ২ হাজার ৬২০, গুটি স্বর্ণ ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দাম বাড়া গুটি স্বর্ণ চাল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

দক্ষিণ বালুয়াডাঙ্গার বাসিন্দা জরিনা বেগম বলেন, ‘চাল কিনতে বাজারে এসে জানতে পারলাম, ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। আমি তো টাকা হিসাব করে নিয়ে আসছি। এখন চাল কীভাবে কিনব। সমস্যা হবে শুধু আমার মতো গরিবের। এভাবে চালের দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মরণ ছাড়া উপায় নাই।’

এনজিও কর্মী নাজমা বানু বলেন, ‘আমি গত জুনে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল কিনেছিলাম ২৭০০ টাকায়। আজ চাল কিনতে আসছি। দোকানদাররা সেই চাল বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেশি চাচ্ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে চলা খুব কঠিন হয়ে পড়তেছে। আমি একটি এনজিওতে চাকরি করি। চালের দাম বাড়লে তো আর আমার বেতন বাড়ে না। আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে।’

শহরের পাগলার মোড় এলাকার দিনমজুর রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমি দিনমজুর হিসেবে কাজ করি। দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পাই, সেটা দিয়ে চাল ও শাকসবজি কিনতে শেষ হয়ে যায়। ছয়জনের পরিবারে দিনে তিন বেলা খেতে তিন কেজি চাল প্রয়োজন। চাল কিনতে প্রায় ২০০ টাকা খরচ হয়ে যায়। বাকি টাকা শাকসবজি কিনে শেষ হয়। মাসে এক দিনও ভালো তরকারি খেতে পারি না। এভাবে চালসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বাড়লে ভবিষ্যতে মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।’

এনএ মার্কেটের রণজিৎ চাল ঘরের স্বত্বাধিকারী রণজিৎ সাহা বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে মিলগেটে চালের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে। কারণ হিসেবে মিল থেকে জানানো হচ্ছে, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান নেই। যেসব ধান পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মিলের উৎপাদন কম হচ্ছে। উৎপাদন এবং মিল থেকে বাজারে চাল সরবরাহে পরিবহন খরচ বেড়েছে।’

পাইকারি চাল বিক্রেতা কৃষ্ণ চন্দ্র শীল বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে অনেক ক্রেতার সঙ্গে ঝগড়াও লেগে যাচ্ছে। বাজারে দাম বাড়ার কারণে ক্রেতার অভাব দেখা গিয়েছে। ক্রেতা চালের দাম শুনেই চলে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশ অটো, মেজর ও হাসকিং মিল মালিক সমিতির সহসভাপতি ও পাটোয়ারী বিজনেস হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন বাজার পরিস্থিতি জানান নিউজবাংলাকে। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বিদ্যুতের লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান নেই। ধান বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। বিদ্যুতের কারণে ধান থেকে চালে রূপান্তর কম হচ্ছে। পাশাপাশি চাল পরিবহনের জন্য পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এসব কারণে বাজারে চালের দাম বেড়েছে।’

আরও পড়ুন:
লোডশেডিংয়ে চালের দাম বাড়ার শঙ্কা
ধানের নতুন জাত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়ার তাগিদ
১১ মাস পর হিলি দিয়ে ভারত থেকে এলো চাল
ভিজিএফর পচা, দুর্গন্ধযুক্ত চাল আটকে দিলেন মেয়র
শুল্ক প্রত্যাহারের পর আসছে ৪ লাখ টন চাল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Zone wise holidays announced in industrial areas to save electricity

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিল্পাঞ্চলে জোনভিত্তিক ছুটি নির্ধারণ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিল্পাঞ্চলে জোনভিত্তিক ছুটি নির্ধারণ
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সারা দেশকে সাতটি জোনে ভাগ করে সপ্তাহের সাত দিনই কোনো না কোনো জোনে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জোনভিত্তিক সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে শিল্পাঞ্চলগুলোর একেক এলাকায় একেক দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

শ্রম ও কর্মস‌ংস্থান মন্ত্রণালয়ের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ভিন্ন ভিন্ন দিনে সাপ্তাহিক ছুটি পুনর্বিন্যাস করা হলো। পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রম আইনের ক্ষমতাবলে এই ছুটি কার্যকর হবে।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সারা দেশকে সাতটি জোনে ভাগ করে সপ্তাহের সাত দিনই কোনো না কোনো জোনে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দিনে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যাবে। একইসঙ্গে শিল্প-কারখানায় নির্বিঘ্নে উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১১৪(২) ধারার ক্ষমতাবলে সারা দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রজ্ঞাপনের ২ নম্বর কলামে বর্ণিত বার বা সময়ে জনস্বার্থে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ধার্য করা হলো। পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে সারা দেশে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, বৈদ্যুতিক এলাকা এবং এলাকার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কারখানা বন্ধের দিনের সার্বিক তথ্য জানতে ক্লিক করুন www.dife.gov.bd ওয়েবসাইটে।

জোনভিত্তিক এই ছুটির ব্যবস্থা নিয়ে এর আগে ৭ আগস্ট বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি, খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বৈঠকে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিটিএমএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। জোনভিত্তিক কারখানা বন্ধ রেখে দৈনিক ৪৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে চাইছে সরকার। সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার শিল্প-কলকারখানা বন্ধে সরকারের প্রস্তাব ব্যবসায়ীরা সানন্দে গ্রহণ করেছেন।’

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। একদিনে সব এলাকায় ছুটি না দিয়ে রেশনিংয়ের মাধ্যমে একেক দিন একেক এলাকায় ছুটি চালু করলে বিদ্যুতের কিছুটা সাশ্রয় হবে। লোডশেডিংও কিছুটা কমে আসবে। শিল্প-মালিকরা এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।’

বৈঠক শেষে এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে দিনে ৪৯০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। আমরা বলেছি যে কেবল ঢাকায় নয়, সারা দেশেই যেন এরকম ছুটি কার্যকর করা হয়।’

বিকেএমইএর সহ-সভাপতি ফজলে শামীম আহসান বলেন, ‘এক সময় যখন নিয়মিত লোডশেডিং হতো তখন এরকম ছুটির ব্যবস্থা চালু ছিল। সরকার চাচ্ছে এখন আবার সে ধরনের সূচি চালু করা হোক। তবে ডায়িং ও স্পিনিং ফ্যাক্টরিকে কিছুটা ছাড় দেয়া যায় কিনা সে বিষয়টি বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছি আমরা।’

আরও পড়ুন:
গ্যাস অনুসন্ধান ও কয়লাবিদ্যুৎ বাড়ানোর পরামর্শ
মেশিনে ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
বিদ্যুতের খুঁটিতে ঝুলছিল যুবকের দেহ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের সাফল্য বৈপ্লবিক: কাদের
পিকনিকের লঞ্চ বিদ্যুতায়িত: নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

p
উপরে