× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
Not investing without understanding BSEC chairman
hear-news
player
print-icon

না বুঝে বিনিয়োগ নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

না-বুঝে-বিনিয়োগ-নয়-বিএসইসি-চেয়ারম্যান
‘ইনভেস্টমেন্ট টুলকিটস’ বিআইসিএমের প্রথম প্রকাশনা। বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইনমূলক বই। এটি লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সজিব হোসেন। এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান বিনিয়োগ নিয়ে জ্ঞানার্জনের পরামর্শ দিয়েছেন।

পুঁজিবাজারে বুঝে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। না বুঝে বিনিয়োগ করলে বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সামগ্রিকভাবে পুঁজিবাজারে এর প্রভাব পড়ে। তাই কমিশন বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষিত করা এবং এ ক্ষেত্রে জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দূর করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।’

বৃহস্পতিবার বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলরুমে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) গবেষণাগ্রন্থ ‘ইনভেস্টমেন্ট টুলকিটস’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘ইনভেস্টমেন্ট টুলকিটস’ বিআইসিএমের প্রথম প্রকাশনা। বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইনমূলক বই। এটি লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সজিব হোসেন।

বইটি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে সহায়তা করবে বলে মনে করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বইটি পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীসহ সবার জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে। সবাইকে জানা-অজানা বিভিন্ন তথ্য দেবে এ বই।’

লেখকের প্রশংসাও করেন শিবলী রুবাইয়াত। বলেন, ‘তিনি একজন তরুণ ও উদীয়মান গবেষক। তার বই সবাইকে সহযোগিতা করবে। অনলাইনে বইটি বিআইসিএম ওয়েবসাইটে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।’

দেশের পুঁজিবাজারে বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণের উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া মিলছে বলে জানান বিএসইসি প্রধান। বলেন, ‘বাংলাদেশে বন্ড মার্কেট আরও আগে শুরু হলে আরও ভালো হতো। বন্ড মার্কেট নিয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসিকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাই। এ জন্য পাঠ্যক্রমে বিষয়টি যুক্ত করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে কারিগরি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সঙ্গে দ্রুতই আলোচনায় বসবে কমিশন।’

বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে বইটির বাংলা অনুবাদ করে প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রিসার্চ ছাড়া কখনও একটা প্রতিষ্ঠান এগোতে পারে না৷ যারা গবেষণা করতে চায় এমন দুই-তিনটা প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে আবেদন করেছে। বর্তমানে বাজারে গবেষণা করে এমন প্রতিষ্ঠান নেই। তাই আমরা চেষ্টা করছি এমন প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসার।’

শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মাহমুদা আক্তার। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক অগ্রগতির এই যাত্রায় বিনিয়োগ শিক্ষা ও আর্থিক স্বাক্ষরতার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বিনিয়োগকারীদের জন্য ইনভেস্টমেন্ট টুলকিটস বইটি প্রকাশ করা বিআইসিএমের একটি বড় অর্জন। এই টুলকিটটি একজন বিনিয়োগকারীকে তার বিনিয়োগ প্রোফাইল তৈরি করতে, বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণে সাহায্য করবে। বিনিয়োগকারীরা উপকৃত হবেন।’

বইয়ের লেখক সজিব হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজারে বিনিয়োগের ওপর লেখা অনেক বই আছে। কিন্তু সেগুলো উন্নত বাজার বা আন্তর্জাতিক বাজারের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নয়। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আগে একজন বিনিয়োগকারীর দেশের পুঁজিবাজার কীভাবে কাজ করে, প্রাসঙ্গিক নিয়ম-কানুন, বিনিয়োগ সরঞ্জাম ইত্যাদি কাস্টমাইজডভাবে বোঝা প্রয়োজন। এই চিন্তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমার এই বই লেখা। এটা মূলত বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগ টুলকিটস।’

অনুষ্ঠানে ভোট অফ থ্যাংকস প্রদান করেন বিআইসিএমের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস ছালেহীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনসংযোগ কর্মকর্তা খালেদা জেসমিন।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার নিয়ে গুজব ছড়ানোয় গ্রেপ্তার
পুঁজিবাজারে ধস: এবার ফ্লোর প্রাইস নয়
ডিএসইর কাছে ৫০০ কোটি টাকা চেয়েছে আইসিবি
প্রথম নারী কমিশনার পেল বিএসইসি
১৫ ট্রেডারে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার বিএসইসির

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Embezzlement Removal of MDK of Uttara Finance

অর্থ আত্মসাৎ: উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডিকে অপসারণ

অর্থ আত্মসাৎ: উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডিকে অপসারণ উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শামসুল আরেফিন। ছবি: সংগৃহীত
অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি অর্থ আত্মসাতে অন্যদের সহায়তা ও আর্থিক প্রতিবেদনে তথ্য গোপনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এসব অনিয়ম প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ধরা পড়ে, পরে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান রহমান রহমান হকের (কেপিএমজি) প্রতিবেদনেও  উঠে আসে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শামসুল আরেফিনকে অপসারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতেও পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ বিষয়ে উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান এবং এমডিকে এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

উত্তরা ফাইন্যান্স থেকে অর্থ আত্মসাৎ, অর্থ আত্মসাতে অন্যদের সহায়তা ও আর্থিক প্রতিবেদনে তথ্য গোপনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এসব অনিয়ম প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ধরা পড়ে, পরে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান রহমান রহমান হকের (কেপিএমজি) প্রতিবেদনেও উঠে আসে।

চিঠিতে বলা হয়, সিএ ফার্ম রহমান রহমান হকের (কেপিএমজি) করা বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটিতে ঘপা ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থেকে প্রতিষ্ঠান ও আমানতকারীদের জন্য ক্ষতি করায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শামসুল আরেফিনকে ২৩ জুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর পদ হতে অপসারণ করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে মন্তব্য জানতে উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডি এস এম শামসুল আরেফিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উত্তরা ফাইন্যান্স পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৯৭ সালে।

তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রতি বছর আকর্ষণীয় মুনাফা করে বিনিয়োগকারীদেরকে ভালো লভ্যাংশ দিয়ে আসলেও ২০১৯ সালের পর আর লভ্যাংশই ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সমাপ্ত অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৬৮ পয়সা মুনাফা দেখায়। ওই বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেয়ার প্রতি লোকসান হয় ১ টাকা ১৯ পয়সা।

এরপর চতুর্থ প্রান্তিক, অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় ব্যয়ের কোনো হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।

অথচ ২০১৯ সালে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি ৯ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের বছর ৮ টাকা ২৭ পয়সা, ২০১৭ সালে ৭ টাকা ২৫ পয়সা, তার আগের বছর ৬ টাকা ৬২ পয়সা এবং ২০১৫ সালে শেয়ার প্রতি ৪ টাকা ৪১ পয়সা মুনাফা করেছিল।

২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৩০ শতাংশ নগদ, অর্থাৎ শেয়ার প্রতি ৩ টাকা, পরের বছর ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ২ টাকা লভ্যাংশ দেয় উত্তরা ফাইন্যান্স।

২০১৯ সালে শেয়ার প্রতি নগদ দেড় টাকার পাশাপাশি ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারও দেয়া হয়।

এই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে উঠানামা করলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৩৫ টাকা ৪০ পয়সায়। গত এক বছরের সর্বনিম্ন দর ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা আর সর্বোচ্চ দর ৫৬ টাকা।

গত ৩১ মের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে ৪২ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৩২ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং বিদেশিদের কাছে রয়েছে ৭ দশমিক ৮২ শতাংশ শেয়ার।

এছাড়া বাকি ১৭ দশমিক ০৫ শেয়ারের মালিক সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

আরও পড়ুন:
ঋণের তথ্যে গরমিল: জরিমানার মুখে উত্তরা ফাইন্যান্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The recession is the dominance of weak companies in the capital market

মন্দা পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানির দাপট

মন্দা পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানির দাপট
গত ৯ জুন বাজেট ঘোষণার পরের কর্মদিবস ১২ জুন থেকেই টানা দরপতনের ধারায় পুঁজিবাজার। এর মধ্যে দুই সপ্তাহেই শেষ দুই কর্মদিবসে সূচক কিছুটা বাড়তে দেখা গেছে। বাকি তিন দিন করে ছয় দিন পতন হয়েছে সূচকের। এ নিয়ে বাজেট পেশের দুই সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচক পড়ল ১৬২ পয়েন্ট।

মন্দা পুঁজিবাজারে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে দুর্বল কোম্পানির দর। টানা পঞ্চম দিন এই প্রবণতা দেখা গেল পুঁজিবাজারে।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এমন ১০টি কোম্পানির মধ্যে তিনটিই লোকসানি। একটি কোম্পানি এক বছরের বেশি সময় ধরে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। সবশেষ যখন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, সেই লভ্যাংশ বিতরণ না করায় কোম্পানির পরিচালকদের জরিমানা করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের রবি থেকে প্রতি দিনই একই চিত্র দেখা গেছে। প্রতি দিনই সবচেয়ে বেশি দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে সিংহভাগই লোকসানি বা দুর্বল কোম্পানির আধিক্য দেখা গেছে।

গত ৯ জুন বাজেট ঘোষণার পরের কর্মদিবস ১২ জুন থেকেই টানা দরপতনের ধারায় পুঁজিবাজার। এর মধ্যে দুই সপ্তাহেই শেষ দুই কর্মদিবসে সূচক কিছুটা বাড়তে দেখা গেছে। বাকি তিন দিন করে ছয় দিন পতন হয়েছে সূচকের।

এই নিয়ে বাজেট পেশের দুই সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচক পড়ল ১৬২ পয়েন্ট।

চলতি সপ্তাহে টানা পাঁচ দিন লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমেছে। সপ্তাহের শেষ দিন হাতবদল হয়েছে ৬৮৩ কোটি ৭৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার, যা আগের দিন ছিল ৬৯৪ কোটি ৩৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা। সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার হাতবদল হয়েছিল ৮৯৫ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

অথচ আগের সপ্তাহে সূচক বাড়ুক আর কমুক, প্রতি দিনই লেনদেন আগের দিনকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ১৬ জুন লেনদেন এক হাজার ৪৬ কোটি ৬৩ লাখ ২২ হাজার টাকা হয়ে যায়।

আগের সপ্তাহের মতোই প্রথম দিন সূচকের পতনের পর শেষ দুই দিন কিছুটা বাড়তে দেখা যায়। আগের সপ্তাহে প্রথম দিন ১১৮ পয়েন্ট কমার পর শেষ দুই দিনে বেড়েছিল ৬৪ পয়েন্ট।

আর চলতি সপ্তাহে প্রথম তিন দিন ১১৩ পয়েন্ট কমার পর বুধবার ৬ পয়েন্ট এবং পরদিন বাড়ল ৯ পয়েন্ট।

এদিন লেনদেন শুরুর ৩৮ মিনিটের মধ্যে সূচক ৫০ পয়েন্ট বেড়ে লেনদেন হতে দেখা যায়। এরপর থেকে পতনে সূচক স্থির থাকেনি।

মন্দা পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানির দাপট
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র

টানা তিন কর্মদিবস পরে বুধবার ১৯৩টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়ে লেনদেন হতে দেখা গিয়েছিল। তবে আজ সূচকে পয়েন্ট যোগ হলেও কমেছে বেশির ভাগ কোম্পানির দর। ১৬২টি কোম্পানির দর কমে লেনদেন হয়েছে। বিপরীতে বেড়েছে ১৪৫টির ও অপরিবর্তিত দামে কেনাবেচা হয়েছে ৭৪ কোম্পানির শেয়ার।

লেনদেনের বিষয়ে ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশনের-ডিবিএ সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, ‘জুনে বিভিন্ন কোম্পানির হিসাব-বছর শেষ হবে। আর কয়েক দিন পরই ঈদ। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের কিছুটা গুটিয়ে নিয়েছেন। প্রতি বছরই এমনটা দেখা গেছে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই থেকে পুঁজিবাজার ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন কোম্পানির আর্থিক সংগতি বুঝে বিনিয়োগে যাবেন সব শ্রেণির বিনিয়োগকারীরা।’

দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ার বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এসএমইতেও দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছু কোম্পানির দাম হুহু করে বাড়ছে। আর এই দর বেড়ে যাওয়া দেখে মানুষ ঢুকছে। এগুলো কেন বাড়ছে, প্রশ্ন রয়েছে। এগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তো বাড়ে না।’

দর বৃদ্ধির শীর্ষে যেসব কোম্পানি

সবচেয়ে বেশি ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ দর বেড়েছে পুঁজিবাজারে নতুন তালিকাভু্ক্ত কোম্পানি মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের। আগের দিন দর ছিল ২৮ টাকা ১০ পয়সা। সেটি বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা ৯০ পয়সা।

এ নিয়ে টানা ১২ কর্মদিবস দিনের সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত বাড়ল মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর। গত ৮ জুন ১০ টাকায় লেনদেন শুরু করে কোম্পানিটি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস লিমিটেডের দর। এ নিয়ে টানা তিন কর্মদিবস শেয়ারের দর বাড়ল। মঙ্গলবার ৩১ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন হয়েছিল প্রতিটি শেয়ার। আজকে সেটি হাতবদল হয়েছে ৩৪ টাকা ৩০ পয়সায়।

২০১৬ সাল থেকে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিয়ে এলেও লোকসানের কারণে ২০২১ সালে লভ্যাংশ দেয়নি। চলতি অর্থবছরের তিন প্রান্তিক পর্যন্তও কোম্পানিটি লোকসানে রয়েছে।

দর বৃদ্ধির পরের স্থানে রয়েছে থাকা সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ ধারাবাহিক লোকসান থেকে কিছুটা বের হতে পারলেও কোম্পানিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ২০১৯ সালে শেয়ার প্রতি ১ টাকা লভ্যাংশ ঘোষণা করেও তা বিতরণ করেনি কোম্পানিটি। এখন সব কোম্পানি সরাসরি ব্যাংক হিসাবে লভ্যাংশ পাঠালেও সুহৃদ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট পাঠানোর কথা জানায়। কিন্তু সেই ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট বিনিয়োগকারীদের হিসাবে কখনও যায়নি। ২০২০ সালের জন্য এখনও লভ্যাংশ ঘোষণা বা কোনো হিসাবও প্রকাশ করা হয়নি।

কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৮.৫৭ শতাংশ। এই দর বাড়া শুরু হয়েছে ২৫ মে থেকে। ওই দিন ১৮ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়েছিল, সেটি হয়েছে ২২ টাকা ৮০ পয়সায়।

সমরিতা হসপিটালের দর ৬.৮৬ শতাংশ বেড়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই ৭৮ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হওয়া শেয়ারের দাম কমে মঙ্গলবার ৬৯ টাকা ২০ পয়সায় ঠেকে। সেখান থেকে পর পর দুই দিন বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৭৪ টাকা ৭০ পয়সায়।

তিতাস গ্যাসের দর বেড়েছে ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। আগের দিন ৩৯ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হওয়া শেয়ার আজ হাতবদল হয়েছে ৪১ টাকা ৮০ পয়সায়।

মন্দা পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানির দাপট
সম্প্রতি পুঁজিবাজারে স্বল্প মূলধনি ও দুর্বল কোম্পানির দর বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে

টানা দুই দিন দর বাড়ল মুনাফায় থাকা ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি-ডেসকোর। আগের দিন ৩৬ টাকায় লেনদেন হয়েছিল, সেটি আজ হাতবদল হয়েছে ৩৮ টাকা ১০ পয়সায়।

৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ দর বেড়েছে লোকসানি ও স্বল্প মূলধনি শ্যামপুর সুগার মিলসের। ৫ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কখনোই লভ্যাংশ দিতে পারেনি। তাই লেনদেন করছে জেড ক্যাটাগিরতে।

পর পর দুই দিন দর বেড়ে লেনদেন হতে দেখা গেল। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৭৭ টাকা ১০ পয়সায়। সেই দর এখন দাঁড়িয়েছে ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায়।

এ ছাড়া ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের ৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ দর বেড়ে ৫১ টাকা ২০ পয়সা, যদিও কেবল দুটি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

লোকসানি অ্যারামিট সিমেন্টের দরও বেড়েছে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ১০ টাকার শেয়ারে তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত ৭ টাকা ৬২ পয়সা লোকসান দেয়া কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪০ পয়সা।

স্বল্প মূলধনি বহুজাতিক কোম্পানি ও বার্জার পেইন্টসের দর ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৭৮৭ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।

দর পতনের শীর্ষ ১০

শেয়ার দর সবচেয়ে বেশি কমেছে এপেক্স ট্যানারির। বুধবার শেয়ার দর ছিল ১৫০ টাকা ১০ পয়সা। আজ ৩ টাকা বা ১.৯৯ শতাংশ দর কমে লেনদেন হয়েছে ১৪৭ টাকা ১০ পয়সায়।

দর পতনের শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে আলহাজ্ব টেক্সটাইল ও হাক্কানি পাল্পের দর কমেছে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

১ দশমিক ৯৭ শতাংশ দর কমেছে ড্যাফোডিল কম্পিউটার ও প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের।

ইমাম বাটনের ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ, বঙ্গজ লিমিটেডের ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ, এইচ আর টেক্সটাইলের ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ দর কমেছে।

এ ছাড়াও সোনালী পেপার ও ইসলামি ইন্সুরেন্সের দর ১ দশমিক ৯১ শতাংশ করে কমেছে।

সূচক বাড়িয়েছে যারা

সবচেয়ে বেশি ৩ দশমিক ৬ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে বার্জার পেইন্টস। এদিন কোম্পানিটির ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ দর বেড়েছে।

তিতাস গ্যাসের দর বেড়েছে ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট। ডেসকো সূচকে যোগ করেছে শূন্য দশমিক ৮২ পয়েন্ট।

এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পাওয়ার গ্রিড, রেনাটা, ব্র্যাক ব্যাংক, রেকিট বেনকিজার ও ট্রাস্ট ব্যাংক সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ১০ দশমিক ২ পয়েন্ট।

সূচক কমাল যারা

কোনো কোম্পানিই এককভাবে ১ পয়েন্ট সূচক কমাতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি শূন্য দশমিক ৯৩ পয়েন্ট কমেছে বিকন ফার্মার কারণে। কোম্পানিটির দর কমেছে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৮ পয়েন্ট কমিয়েছে ওয়ালটন। কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ।

বেক্সিমকো ফার্মার দর শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ দর কমার কারণে সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৫৭ পয়েন্ট।

এ ছাড়া বেক্সিমকো সুকুক বন্ড, আইসিবি, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, যমুনা অয়েল, সোনালী পেপার ও সাইফ পাওয়ারের দরপতনে সূচক কিছুটা কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০ কোম্পানি কমিয়েছে ৪ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট।

আরও পড়ুন:
মেট্রো ও ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের বিষয়ে বিএসইসির তদন্ত কমিটি
উত্থানে শুরু, পতনে শেষ
১৯ বছর পর আমিনুরের দপ্তর বদল
কালো টাকা নিয়ে আশ্বাসের পর পুঁজিবাজারে উত্থান
পুঁজিবাজারে আসছে গ্লোবাল ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
BSEC wants provident fund investment in the capital market

পুঁজিবাজারে প্রভিডেন্ড ফান্ডের বিনিয়োগ চায় বিএসইসি

পুঁজিবাজারে প্রভিডেন্ড ফান্ডের বিনিয়োগ চায় বিএসইসি
‘আমাদের দেশে ৬ বিলিয়ন ডলারের ওয়েলথের বিভিন্ন ফান্ড আছে। সেগুলো সেই পরিমাণে আমাদের ক্যাপিটাল মার্কেটে এসে পৌঁছায়নি। আমাদের মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২০ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার রয়েছে। এসব ফান্ড বিনিয়োগ করতে পারলে পুঁজিবাজার অনেক উপকৃত হবে।’

বাংলাদেশে প্রভিডেন্ড, পেনশন ও গ্র্যাচুইটি ইত্যাদি ফান্ডে বিপুল পরিমাণ অর্থ অলস পড়ে আছে। পুঁজিবাজারে ভারসাম্য আনতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর মাধ্যমে সেসব ফান্ডের বিনিয়োগ চান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের-বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।

বুধবার বিকেলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের-ডিএসই মাল্টিপারপাস হলরুমে বিএসইসি আয়োজিত এক গণশুনানিতে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গণশুনানির বিষয় ছিল ‘দ্য ইনভেস্টমেন্ট এলিজিবিলিটি অফ দ্য রেজিস্টার্ড রিকগনাইজড প্রভিডেন্ড, পেনশন অ্যান্ড গ্র্যাচুইটি ফান্ডস (আরপিপিজিএফ) ফর আইপিওস’।

বিএসইসি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের দেশে ৬ বিলিয়ন ডলারের ওয়েলথের বিভিন্ন ফান্ড আছে। সেগুলো সেই পরিমাণে আমাদের ক্যাপিটাল মার্কেটে এসে পৌঁছায়নি। আমাদের মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২০ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার রয়েছে। এসব ফান্ড বিনিয়োগ করতে পারলে পুঁজিবাজার অনেক উপকৃত হবে।’

এসব অর্থ বিনিয়োগে কোনো বাধা নেই উল্লেখ করে শামসুদ্দিন বলেন, ‘সরকার সুবিধা দিয়েছে এসব ফান্ডের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত লিস্টেড সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা যাবে। এগুলো ব্যবহার করতে পারলে পুঁজিবাজার অনেক সম্প্রসারিত হবে। কিন্তু সেটিও সেই অর্থে এখনও অনেক দূরে আছে।’

গণশুনানির উদ্দেশ্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা করা যায়, কীভাবে তারা আরও বেশি আমাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে, সেই প্রেক্ষাপট থেকে প্রভিডেন্ড ফান্ড, পেনশন ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ফান্ড আছে, সেগুলো আইপিওতে কীভাবে আসতে পারে এবং সহজেই বিনিয়োগ করতে পারে সেটির বিষয়ে আজকের আলোচনা।’

তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারের ভারসাম্য যাতে বৃদ্ধি পায় সে জন্য আমরা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়াতে চাই। যারা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ করতে পারেন তাদের আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। তাদের পরামর্শ গ্রহণ করেছি।

‘আরও যদি প্রশ্ন থাকে বিএসইসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যদি কোনো বিষয়ে সংশোধনের প্রস্তাব আসে এবং উপযুক্ত মনে হলে সেগুলো আইন-কানুন দেখে তাদের সুবিধামতো সেটা করে দেয়ার চেষ্টা করব।’

গণশুনানিতে ডিএসই চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে ৬০ ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংকের প্রায় ১০ হাজার শাখা রয়েছে। একই সঙ্গে অনেকগুলো আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে প্রভিডেন্ড ফান্ড রয়েছে, সেগুলো আমরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারি। এসব অর্থ পুঁজিবাজারের নিয়ে আসতে পারলে বাজার অনেক উপকৃত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যেভাবে কাজ করছি তা অনেকটা পূর্ণ হবে যদি প্রভিডেন্ড ফান্ড বিনিয়োগের জন্য নিয়ে আসতে পারি।’

সমাপনী বক্তব্যে বিএসইসি কমিশনার আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমাদের এখানে ইনভেস্টর ফান্ডের অভাব রয়েছে সেটি পুরোপুরি সত্য নয়। আস্থার জায়গা, সেই জায়গাটা এখনও সংকটজনক অবস্থানে রয়েছে। বিনিয়োগ সুযোগ আরও বাড়াতে কমিশন কাজ করছে।’

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশনের-ডিবিএ প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ডি রোজারিও, ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা-সিআরও সাইফুর রহমান মজুমদার।

অনুষ্ঠানে ‘এলিজিবল ইনভেস্টরস-আরপিপিজিএ: এনগেজমেন্ট ইন ক্যাপিটাল মার্কেট’ শিরোনামে প্রজেক্টেড ভিউ উপস্থাপন করেন ডিএসইর লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র ম্যানেজার রবিউল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
গুজব প্রতিরোধে ফেসবুক পেজ খুলতে যাচ্ছে বিএসইসি
বন্ধ বিও থেকে লেনদেন নয়
পুঁজিবাজার নিয়ে গুজব ছড়ানোয় গ্রেপ্তার
পুঁজিবাজারে ধস: এবার ফ্লোর প্রাইস নয়
ডিএসইর কাছে ৫০০ কোটি টাকা চেয়েছে আইসিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
7 new companies in CSE 30 index

সিএসই-৩০ সূচকে নতুন ৮ কোম্পানি

সিএসই-৩০ সূচকে নতুন ৮ কোম্পানি
নতুন যুক্ত কোম্পানিগুলো হলো- ব্যাংক এশিয়া, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, বিএসআরএম স্টিলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, লিনডে বাংলাদেশ, মতিন স্পিনিং মিলস, পাওয়ার গ্রিড এবং প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস।

চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে-সিএসই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পারফরমেন্স পর্যালোচনার ভিত্তিতে সিএসই-৩০ সূচক সমন্বয় করা হয়েছে। এতে নতুন করে ৮টি কোম্পানিকে যুক্ত করা হয়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়েছে সমান সংখ্যক কোম্পানি।

আগামী ৩০ জুন থেকে এই সূচক কার্যকর হবে। বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সিএসই এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন যুক্ত কোম্পানিগুলো হলো- ব্যাংক এশিয়া, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, বিএসআরএম স্টিলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, লিনডে বাংলাদেশ, মতিন স্পিনিং মিলস, পাওয়ার গ্রিড এবং প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস।

সূচক থেকে বাদ যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো: আমরা নেটওয়ার্কস, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, আমান ফিড, বিবিএস ক্যাবলস, এসকোয়ার নিট কম্পোজিট, কেপিসিএল, সন্ধানী লাইফ ইন্সুরেন্স এবং সিঙ্গার বাংলাদেশ।

সূচকে আগে থেকে আছে: বিএসআরএম লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক, ডোরিন পাওয়ার, ইস্টার্ন ব্যাংক, ইস্টার্ন হাউজিং, গ্রিন ডেলটা ইন্সুরেন্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, যমুনা ব্যাংক, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, এমজেএল বাংলাদেশ, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, পদ্মা অয়েল, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মা, সামিট পাওয়ার, একমি ল্যাবরেটরিজ, সিটি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, তিতাস গ্যাস এবং উত্তরা ব্যাংক।

সিএসই-৩০ সূচকে অর্ন্তভুক্ত কোম্পানিগুলোর মূলধন মোট বাজার মূলধনের ১৭ দশমি ৫৩ শতাংশ এবং এবং ফ্রি-ফ্লোট বাজার মূলধনসহ সকল নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোর ফ্রি-ফ্লোট বাজার মূলধনের শতকরা প্রায় ২৩ দশমিক ০৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা, লেনদেন তলানিতে
পুঁজিবাজারে দরপতনের ‘তিনে তিন’
ডিএসই-ডিবিএ বৈঠক: পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়
বাজেট পাসের আগে পতনের ধারায় পুঁজিবাজার
মেট্রো ও ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের বিষয়ে বিএসইসির তদন্ত কমিটি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Passive investors sink transactions

নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা, লেনদেন তলানিতে

নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা, লেনদেন তলানিতে
চলতি সপ্তাহের রোববার হাতবদল হয়েছিল ৮৯৫ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সোমবার তা কমে হয় ৮২২ কোটি ৩৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা। পরের দিন তা আরও কমে ৭২৫ কোটি ৮৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা হওয়ার পরে আজ কমল প্রায় ৯০ কোটি টাকার মতো।

টানা তিন দিন পর পতন থামলেও পুঁজিবাজারে লেনদেনে আরও ভাটা পড়েছে। টানা চার কর্মদিবস কমল লেনদেন।

সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবসে হাতবদল হয়েছে ৬৯৪ কোটি ৩৭ লাখ ২৮ হাজার টাকার শেয়ার, যা গত ৯ কর্মদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এর আগে এর চেয়ে কম লেনদেন হয়েছিল ১২ জুন। ওইদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় ৬৩৬ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

চলতি সপ্তাহের রোববার হাতবদল হয়েছিল ৮৯৫ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সোমবার তা কমে হয় ৮২২ কোটি ৩৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা। পরের দিন তা আরও কমে ৭২৫ কোটি ৮৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা হওয়ার পরে আজ কমল প্রায় ৯০ কোটি টাকার মতো।

টানা তিন দিন পর বেশির ভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। ১৯৩টি কোম্পানির শেয়ারদর কিছুটা বেড়েছে। বিপরীতে ১২৩টির কমেছে, ৬৬টির লেনদেন হয়েছে গতকালের দামে।

আগের দুই দিন সমান ২৮২টি কোম্পানির দরপতন হয়েছিল।

সারা দিনে বেশ ওঠানামা করেছে ডিএসইএক্স। খুব বেশি দর বৃদ্ধি না হওয়ায় সূচকে মাত্র ৬ পয়েন্ট যোগ হয়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩১৭ পয়েন্টে।

তবে বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর দরপতনের কারণে কিছুটা কমেছে ব্লু-চিপ বা ডিএস৩০ সূচক।

এর আগে রোববার ১৯ পয়েন্ট, সোমবার ৪৯ পয়েন্টের পর মঙ্গলবার পড়ল ৪৫ পয়েন্ট। অর্ধাৎ তিন দিনে সূচক পড়তে দেখা যায় ১১৩ পয়েন্ট।

গত সপ্তাহে দুই দিন পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছিল কিছু ঘটনায়। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে কালো টাকা নামে পরিচয় পাওয়া অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের বিষয়ে কিছু বলা ছিল না। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম গত বুধবার এক আলোচনায় বাজেট পাসের সময় এই সুযোগ দেয়ার ইঙ্গিত দেন।

গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজার নিয়ে আরেক স্বস্তিদায়ক খবর আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উপমহাব্যবস্থাপক, যাকে পুঁজিবাজার নিয়ে রক্ষণশীল নীতির জন্য দায়ী করা হচ্ছিল, ১৯ বছর পর তার দপ্তর বদল করা হয়েছে।

নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা, লেনদেন তলানিতে
টানা তিন কর্মদিবস কমার পর সূচক কিছুটা বাড়ল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে

লেনদেনের বিষয়ে মিয়া আব্দুর রশিদ সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা শেখ ওহিদুজ্জামান স্বাধীন নিউজবাংলাকে বলেন, 'কয়েক দিনের পতনের পর আজ স্বাভাবিকভাবেই শেয়ারগুলো কিছুটা দর ফিরে পেয়েছে। সামান্য সংশোধন বলা যায়।

'তবে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলা যাচ্ছে না। কারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে শেয়ার কেনা অনীহা লক্ষ করা যাচ্ছে, লেনদেন কমছেই।'

'দুটি বিষয় এ ক্ষেত্রে কাজ করছে। প্রথমত অনেকগুলো কোম্পানির ক্লোজিং হবে জুনে। এ ছাড়া পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার বিষয়টি ক্লিয়ার না হওয়া।'

দুর্বল শেয়ারের আধিপত্য

এদিন পুঁজিবাজারের প্রবণতা হিসেবে বলা যায় দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি।

সবচেয়ে বেশি দর বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ সীমা ছুঁয়েছে এমন ছয়টি কোম্পানির মধ্যে চারটিই লোকসানি কোম্পানি, যেগুলো গত এক যুগেও লভ্যাংশ দিতে পারেনি বিনিয়োগকারীদের।

সবচেয়ে বেশি ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়েছে লোকসানে ডুবে থাকা মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের দর। আগের দিন দর ছিল ৩০ টাকা ১০ পয়সা। সেটি বেড়ে হয়েছে ৩৩ টাকা ১০ পয়সা।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ দর বেড়েছে আরেক লোকসানি ইমাম বাটনের দর। সর্বশেষ ২০১০ সালে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়া কোম্পানিটি টানা ১১ বছর লোকসান দিয়েছে। এবারও তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি ৫১ পয়সা লোকসানে থাকা কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ আছে ৫ টাকা ৮১ পয়সা। আর এক দিনেই দর বেড়েছে ১০ টাকা ৬০ পয়সা।

তিন মাসে কোম্পানিটির দর ৩৪ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১১৭ টাকা ৩০ পয়সা। গত এক বছরে সর্বনিম্ন দর ছিল ২২ টাকা ৬০ পয়সা।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দর বেড়েছে ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেডের। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সম্প্রতি পুনর্গঠিত হয়েছে। এর বোর্ডে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি এলআর গ্লোবালের প্রতিনিধি যুক্ত হয়েছে। এই খবরে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৪ টাকা ৮ পয়সা বা ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। সর্বশেষ ৫৩ টাকা ৫ পয়সা দরে লেনদেন হয় প্রতিটি শেয়ার।

নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা, লেনদেন তলানিতে
সবচেয়ে বেশি দর বৃদ্ধি পাওয়া ১০ কোম্পানির বেশির ভাগই লোকসানি

মেঘনা গ্রুপের লোকসানি আরেক কোম্পানি মেঘনা কনডেন্সও মিল্কের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত ১০ টাকার শেয়ারে ৫ টাকা ৩৪ পয়সা লোকসান দেয়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি কোনো সম্পদ নেই, উল্টো প্রতি বছর লোকসান দিতে দিতে শেয়ারপ্রতি দায় তৈরি হয়েছে ৬৭ টাকা ৮১ পয়সা। সেই কোম্পানির শেয়ারদর বেড়ে হয়েছে ২৬ টাকা ৯০ পয়সা।

নতুন তালিকাভুক্ত মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের দর টানা ১১ কর্মদিবস দিনের সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত বেড়েছে। গত ৮ জুন ১০ টাকায় লেনদেন শুরু করা কোম্পানিটির সর্বশেষ দর দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ১ পয়সা।

এর পরেই সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেডের দর ৪২ টাকা ৫ পয়সা বা ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। কয়েক বছর আগে ওটিসি মার্কেট থেকে ফেরা কোম্পানিটির শেয়ারদর এক বছর ধরেই অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।

দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি, ফাইন ফুডস লিমিটেড, ইনটেক লিমিটেড, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, সাফকো স্পিনিংস মিলস লিমিটেড ও সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেড।

এগুলোরও লভ্যাংশের ইতিহাস খুব একটা ভালো নয়।

দর কমার শীর্ষ ১০

এই তালিকায় ছিল সাধারণ বিমা খাতের বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স। আগের দিন ক্লোজিং দর ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা। ১ টাকা ৪০ পয়সা বা ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ কমে দর দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা। দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ নির্ধারিত থাকায় এর চেয়ে বেশি কমা সম্ভব ছিল না।

দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা কমিয়ে আনার পর অসংখ্য দিন দেখা গেছে এই পরিমাণ দর কমার পর শেয়ারগুলো ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। একই চিত্র দেখা গেল আবার।

দর কমার তালিকায় থাকা কেডিএস অ্যাক্সেসরিজের দর ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আরডি ফুডসের দর ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আইএলএফএসএলের দর ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের দর ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের দর ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দর ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ, এইচআর টেক্সটাইলের দর ১ দশমিক ৯১ শতাংশ, সিলকো ফার্মার দর ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমেছে।

সূচক বাড়িয়েছে যারা

যেগুলো কোম্পানির দর বৃদ্ধিতে সূচক বেড়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগই স্বল্প মূলধনি৷ যার কারণে খুব বেশি তো বাড়েইনি, কোনো কোম্পানি এককভাবে সূচকে ১ পয়েন্টও যোগ করতে পারেনি।

সবচেয়ে বেশি শূন্য দশমিক ৯২ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে তিতাস গ্যাস। এদিন কোম্পানিটির ২ দশমিক ৬ শতাংশ দর বেড়েছে।

সোনালী পেপারের দর বেড়েছে ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এতে সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৭ পয়েন্ট।

পাওয়ার গ্রিড সূচকে যোগ করেছে শূন্য দশমিক ৭৩ পয়েন্ট। শেয়ারের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

ইসলামী ব্যাংক, ম্যারিকো, রবি আইসিবি, ইউনাইটেড পাওয়ার, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ও হাইডেলবার্গ সিমেন্ট সূচকে কিছু পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট।

সূচক কমাল যারা

বিপরীতে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ১৪ পয়েন্ট কমেছে বেক্সিমকো লিমিটেডের কারণে। কোম্পানিটির দর কমেছে ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

আর কোনো কোম্পানি এককভাবে এক পয়েন্টের বেশি সুযোগ কমাতে পারেনি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ।

ওয়ালটন হাইটেকের ১ দশমিক ২২ শতাংশ দর কমার কারণে সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৬৮ পয়েন্ট।

এ ছাড়া বার্জার পেইন্টস, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ফরচুন সুজ ও ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের দরপতনে সূচক কিছুটা কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০ কোম্পানি কমিয়েছে ৪ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট।

আরও পড়ুন:
১৯ বছর পর আমিনুরের দপ্তর বদল
কালো টাকা নিয়ে আশ্বাসের পর পুঁজিবাজারে উত্থান
পুঁজিবাজারে আসছে গ্লোবাল ব্যাংক
পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার ইঙ্গিত
পতন থামল, গতি ফিরল লেনদেনেও

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Budget is less focused on capital market DSE chairman

বাজেটে পুঁজিবাজারে মনোযোগ কম: ডিএসই চেয়ারম্যান

বাজেটে পুঁজিবাজারে মনোযোগ কম: ডিএসই চেয়ারম্যান
‘এ বছরের মূল্যস্ফীতি আমদানিজনিত। যেসব দেশ গত ১০ বছরেও মূল্যস্ফীতি দেখে নাই, তারা মূল্যস্ফীতির চরম পর্যায়ে চলে গেছে। এগুলো আমাদের বাজেটপ্রণেতারা চিন্তা করেছেন। কীভাবে আমাদের স্বাস্থ্য খাত পুনরুদ্ধার করা যাবে, আমাদের কর্মসংস্থানের অবস্থা কী হবে, আমাদের সাবসিডির অবস্থা কী হবে- এসব বিষয় বাজেট প্রণয়নে গুরুত্ব পেয়েছে।’

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার কথা মাথায় রেখে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কারণে পুঁজিবাজারের প্রতি কম মনোযোগ দেয়া হয়েছে বলে মনে করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান।

গত ৯ জুন বাজেট পেশের পর প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দেয়ার দুই সপ্তাহ পর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট-বিআইসিএমের এক সেমিনারে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সেমিনারের বিষয় ছিল, ‘বাজেট ২০২২-২৩: ইমপ্লিকেশনস ফর দ্য ক্যাপিটাল মার্কেট।’

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাজেটের পরে সংবাদ সম্মেলনে আমরা জানিয়েছি, এ বছরের বাজেটে পুঁজিবাজারের ওপরে সরকার মনোযোগ কম দিয়েছে। এ রকমেরই একটা ধারণা দাঁড়ায়।’

পরক্ষণেই বাজেটে পুঁজিবাজারকে কম গুরুত্ব দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘এ বছরের মূল্যস্ফীতি আমদানিজনিত। যেসব দেশ গত ১০ বছরেও মূল্যস্ফীতি দেখে নাই, তারা মূল্যস্ফীতির চরম পর্যায়ে চলে গেছে। এগুলো আমাদের বাজেটপ্রণেতারা চিন্তা করেছেন। কীভাবে আমাদের স্বাস্থ্য খাত পুনরুদ্ধার করা যাবে, আমাদের কর্মসংস্থানের অবস্থা কী হবে, আমাদের সাবসিডির অবস্থা কী হবে- এসব বিষয় বাজেট প্রণয়নে গুরুত্ব পেয়েছে।

‘আমাদের জ্বালানি খাতে ব্যাপক ভর্তুকি দিতে হয়। আমি জ্বালানি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলাম, তাই জানি। কৃষি খাতে, সার-বীজ এগুলোর দাম সহনীয় রাখতে ভর্তুকি যায়, বিদ্যুৎ খাতেও দিতে হয়। এরপরেই আমাদের সোশ্যাল সেফটি নেট প্রকল্প, যেগুলোর সাইজ প্রতি বছরই বাড়ে। এই জায়গাগুলোতে গুরুত্ব দিতে গিয়ে আমরা যে প্রত্যাশা করেছিলাম তার প্রতিফলন দেখতে পাইনি।’

পুঁজিবাজারের বিকাশে সরকারের ভূমিকাও স্মরণ করেন ডিএসই চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটের অনেক সমালোচনা রয়েছে। সমালোচনা থাকলেও পুঁজিবাজার আজকে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেটি সরকারের নীতিসহায়তার সাহায্যেই আসতে পেরেছে।’

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিআইসিএম নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মাহমুদা আক্তার।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বিআইসিএমের রিসার্চ ফেলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ‘পুঁজিবাজারকে নিরুৎসাহিত করার মতো কোনো বিষয় বাজেটে নেই। পুঁজিবাজারের জন্য সরকারের প্রণোদনাও কম। এখানে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।’

পুঁজিবাজারে লিস্টেড কোম্পানিগুলোর জন্য প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ করহার শর্তহীন হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারীদের জন্য আর্থিক উদ্দীপনা থাকা উচিত, যাতে পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য তারা আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করে।’

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করহার আড়াই শতাংশ কমিয়ে ২০ শতাংশ করার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তবে যেসব কোম্পানি তার মোট শেয়ারের কমপক্ষে ১০ শতাংশ বাজারে ছেড়েছে, তারাই এর সুফল পাবে।

আবার ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল কোম্পানি, তামাক কোম্পানির করহার আগের মতোই সাড়ে ৩৭ থেকে ৪০ শতাংশ থাকবে।

পেনশন ফান্ডকে পেশাদার ফান্ড ম্যানেজারের মাধ্যমে বিনিয়োগ করাসহ আরও কিছু পরামর্শ দেন সুবর্ণ বড়ুয়া।

তার সঙ্গে যৌথভাবে মূল প্রবন্ধ তৈরি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সজীব হোসেন।

আলোচক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সিরডাপের রিসার্চ ডিরেক্টর হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বাজেটে সরকার সঠিকভাবে বৈশ্বিক যে ফ্যাক্টরগুলো রয়েছে সেগুলোকে প্রাধান্য দিয়েছে। পরিস্থিতির বিবেচনায় সেক্টরগুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে আমার বক্তব্য হলো, পুঁজিবাজারে যেখানে ডিমান্ড চুপসে গেছে, সেখানে সাপ্লাই বাড়ানো উচিত নয়। বাজেটের যে বিষয়গুলো এসেছে, তা পুঁজিবাজারের জন্য পজিটিভ। কালো টাকা পুঁজিবাজারে আসার সুযোগ দেয়া এমন কোনো বিষয় নয়, যা পুঁজিবাজারকে প্রভাবিত করবে। অর্থনীতিতে বাইরের যে ঢেউ এসেছে সেটা সামলে নিতে হবে। বিএসইসির সাপ্লাই পলিসির দিকটিও ভাবা উচিত।’

বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করে এমন অভিযোগ ঠিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক টার্গেট করে শেয়ার মার্কেট ডাউন করা পলিসি দিচ্ছে তা কিন্তু নয়। বাংলাদেশ ব্যাংককে পলিসি নিতে হয় সামগ্রিক অর্থনীতির কথা বিবেচনা করে।’

চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম, স্নেহাশিস মাহমুদ অ্যান্ড কোং-এর পার্টনার স্নেহাশিস বড়ুয়া, ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের (সিএমজেএফ) সভাপতি জিয়াউর রহমানও সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
প্রণোদনার টাকা পুঁজিবাজারে আসেনি: রকিবুর
ব্যাংক বিমায় আগ্রহের দিনে ওয়েবসাইটে ৩৫ মিনিট জটিলতা
ডিএসইর লেনদেন চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত
১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর ডিএসইতে স্বাভাবিক লেনদেন
ডিএসই ওয়েবসাইটে ফের কারিগরি জটিলতা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Three of the three fall in the capital market

পুঁজিবাজারে দরপতনের ‘তিনে তিন’

পুঁজিবাজারে দরপতনের ‘তিনে তিন’
গত ৯ জুন আগামী অর্থবছরের বাজেট পেশের পর ১২ থেকে ১৪ জুন তিন কর্মদিবসে ১১৮ পয়েন্ট সূচক পড়েছিল। পরের দুই দিনে ৬৪ পয়েন্ট উত্থান হওয়ার পর রোববার ভালো দিন কাটবে ভেবেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে পড়ছে সূচক। বাজেট পেশের পর গত সপ্তাহে সূচক পড়লেও লেনদেন বাড়ছিল ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র।

চলতি সপ্তাহের তিন কর্মদিবসের প্রতিদিনই পুঁজিবাজারে দরপতন দেখল বিনিয়োগকারীরা। বাজেট পেশের পর আগের সপ্তাহের তিন দিন পতনের পর দুই দিন ঘুরে দাঁড়ালেও আবার পতনের ধারায় ফেরায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা জেঁকে বসেছে।

রোববার ১৯ পয়েন্ট, সোমবার ৪৯ পয়েন্টের পর মঙ্গলবার পড়ল ৪৫ পয়েন্ট। অর্ধাৎ তিন দিনে দরপতন হলো ১১৩ পয়েন্ট।

এক দিনে দর কমেছে ২৮২টি কোম্পানির। বিপরীতে বেড়েছে ৫৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪৩টির দর। সোমবারও একই সমান কোম্পানির দর কমেছিল।

গত ৯ জুন আগামী অর্থবছরের বাজেট পেশের পর ১২ থেকে ১৪ জুন তিন কর্মদিবসে ১১৮ পয়েন্ট সূচক পড়েছিল। পরের দুই দিনে ৬৪ পয়েন্ট উত্থান হওয়ার পর রোববার ভালো দিন কাটবে ভেবেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে পড়ছে সূচক।

বাজেট পেশের পর গত সপ্তাহে সূচক পড়লেও লেনদেন বাড়ছিল ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র।

গত ১৬ জুন লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেলেও পরের তিন কর্মদিবসে ধারাবাহিকভাবে কমছে লেনদেন।

রোববার হাতবদল হয়েছিল ৮৯৫ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সোমবার তা কমে হয় ৮২২ কোটি ৩৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা। পরের দিন তা আরও কমে হয়েছে ৭২৫ কোটি ৮৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

পুঁজিবাজারে দরপতনের ‘তিনে তিন’
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র

গত সপ্তাহে দুই দিন পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছিল কিছু ঘটনায়। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে কালো টাকা নামে পরিচয় পাওয়া অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের বিষয়ে কিছু বলা ছিল না। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম গত বুধবার এক আলোচনায় বাজেট পাসের সময় এই সুযোগ দেয়ার ইঙ্গিত দেন।

গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজার নিয়ে আরেক স্বস্তিদায়ক খবর আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উপমহাব্যবস্থাপক, যাকে পুঁজিবাজার নিয়ে রক্ষণশীল নীতির জন্য দায়ী করা হচ্ছিল, ১৯ বছর পর তার দপ্তর বদল করা হয়েছে।

তারপরেও পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রোকারেজ হাউস এক্সপো ট্রেডার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শহীদুল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া না দেয়া নিয়ে একটা দোটানা রয়েছে। সামনে বিপুলসংখ্যক কোম্পানির ক্লোজিং হবে। কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত নেবেন। এ কারণে অনেকেরই বিনিয়োগ কম হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
কালো টাকা নিয়ে আশ্বাসের পর পুঁজিবাজারে উত্থান
পুঁজিবাজারে আসছে গ্লোবাল ব্যাংক
পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার ইঙ্গিত
পতন থামল, গতি ফিরল লেনদেনেও
বাজেটের পর পুঁজিবাজার পড়ছেই

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে