× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
Entrepreneur training of Islami Bank in Chittagong
hear-news
player
print-icon

চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ

চট্টগ্রামে-ইসলামী-ব্যাংকের-উদ্যোক্তা-প্রশিক্ষণ
২৫ জন নতুন উদ্যোক্তাকে এ প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান করা হয়।

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্র আয়োজিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অফিসের পরিচালক আরিফ হোসাইন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক আরিফুজ্জামান ও যুগ্ম পরিচালক জাহিদ ইকবাল।

আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এস এম রবিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জোনপ্রধান মিয়া মোঃ বরকত উল্লাহ ও চট্টগ্রাম উত্তর জোনপ্রধান মোহাম্মদ নুরুল হোসাইন এবং আইবিটিআরএর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্র প্রধান মুহাম্মদ আতাউল হক সিরাজী ।

২৫ জন নতুন উদ্যোক্তাকে এ প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান করা হয় বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আগুনে আহতদের পাশে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন
ইসলামী ব্যাংকের হজ বুথ উদ্বোধন
হজযাত্রীদের জন্য ইসলামী ব্যাংকের উপহার                                   
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন
বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
UCB card transactions closed for 4 hours

ইউসিবি কার্ডের লেনদেন ৪ ঘণ্টা বন্ধ

ইউসিবি কার্ডের লেনদেন ৪ ঘণ্টা বন্ধ
ব্যাংকটির ওয়েবসাইটে বলা হয়, সিস্টেম আপগ্রেশনের কারণে বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত কার্ড সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সিস্টেম উন্নয়নের জন্য চার ঘণ্টা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ থাক‌বে।

বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত ব্যাংকটির এটিএম বুথ থেকে কোনো গ্রাহক টাকা তুলতে পারবেন না।

ব্যাংকটির ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত্র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিস্টেম আপগ্রেশনের কারণে বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত কার্ড সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বিষয়টি গ্রাহকদের অবহিত করতে ক্ষুদে বার্তাও দিয়েছে ইউসিবি।

এতে বলা হয়েছে, কারিগরি কারণে ২৪ জুন রাত ১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সকল ইউসিবি কার্ড সেবা স্থগিত থাকবে।

আরও পড়ুন:
ইউসিবি ব্যাংকের এটিএম সেবা ১২ ঘণ্টা বন্ধ
ভিসা বিজনেস কার্ড চালু করল ইউসিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Commemorative note on the occasion of Padma bridge

পদ্মা সেতু উপলক্ষে স্মারক নোট

পদ্মা সেতু উপলক্ষে স্মারক নোট
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪৬ মিলিমিটার গুণক ৬৩ মিলিমিটার পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি রয়েছে।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার থেকে নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য শাখা অফিসে পাওয়া যাবে।

ফোল্ডার ছাড়া শুধু খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য ২০০ টাকা।

স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪৬ মিলিমিটার গুণক ৬৩ মিলিমিটার পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি রয়েছে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে পদ্মা সেতুর ছবি মুদ্রিত।

নোটের উপরিভাগে সামান্য ডানে নোটের শিরোনাম ‘জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতু’ লেখা রয়েছে।

নোটের ওপরে ডান কোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ১০০, নিচে ডান কোণে মূল্যমান বাংলায় ‘১০০’ এবং উপরিভাগে মাঝখানে ‘একশত টাকা’ লেখা রয়েছে।

নোটের পেছনভাগে পদ্মা সেতুর একটি ছবি দেয়া হয়েছে।

নোটের উপরিভাগে ডান দিকে নোটের শিরোনাম ইংরেজিতে ‘পদ্মা ব্রিজ দি সিম্বল অফ ন্যাশনাল প্রাইড ওয়ান হান্ড্রেড টাকা’ লেখা।

নোটের ওপরে বাম কোণে ও নিচের ডান কোণে মূল্যমান ইংরেজিতে ১০০ এবং নিচে বাম কোণে বাংলায় ‘১০০’ লেখা রয়েছে।

নোটের নিচে মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং এর বামপাশে ইংরেজিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডানপাশে ইংরেজিতে ওয়ান হান্ড্রেড টাকা’ লেখা।

নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির বামে মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা এবং ডানদিকে জলছাপ এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘২০০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত।

নোটের উভয় পাতায় ভার্নিশের প্রলেপ দেয়া।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে ড. ইউনূস কি থাকছেন
মানুষকে অভুক্ত রেখে পদ্মা সেতু নিয়ে উৎসব: ফখরুল
আওয়ামী লীগের ৭৩ বছরের পথচলা: একটি নির্মোহ মূল্যায়ন 
পদ্মা সেতুর আলোকচ্ছটা প্রবাসেও
সেতুতে নিষ্প্রাণ হওয়ার পথে পদ্মার ফেরি-লঞ্চঘাট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The banks Hajj branch will be open on Saturday

ব্যাংকের হজ সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা থাকবে শনিবার

ব্যাংকের হজ সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা থাকবে শনিবার ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা সীমিতসংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পূর্ণ দিবস খোলা রাখতে হবে।’

হজ ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যাংক খোলা থাকবে। এদিন হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা-উপশাখা খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা সীমিতসংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পূর্ণ দিবস খোলা রাখতে হবে।’

এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের হজসংশ্লিষ্ট শাখা শনিবার খোলা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
New hope for 41 month high growth in private debt

বেসরকারি ঋণে ৪১ মাসে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধিতে নতুন আশা

বেসরকারি ঋণে ৪১ মাসে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধিতে নতুন আশা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে মে মাসে ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশে উঠেছে। এর অর্থ হলো- ২০২১ সালের মে মাসের চেয়ে এই বছরের মে মাসে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি ঋণ পেয়েছেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা, ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিসহ নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে অর্থনীতিতে একটি সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর সুখবরটি হচ্ছে, ৪১ মাস বা প্রায় সাড়ে তিন বছর পর বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১৩ শতাংশে উঠেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশে উঠেছে। টানা আট মাস ধরে বাড়তে বাড়তে ২০২২ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকটি ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে ১১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে উঠেছিল।

তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ফেব্রুয়ারিতে এই প্রবৃদ্ধি কমে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে আসে। মার্চে তা দশমিক ৫৭ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে ১১ দশমিক ২৯ শতাংশে উঠে। এপ্রিল মাসে তা ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশে উঠেছে।

সবশেষ মে মাসে তা আরও বেড়ে ১৩ শতাংশ ছুঁইছুঁই করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে মে মাসে ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে।

এর অর্থ হলো, ২০২১ সালের মে মাসের চেয়ে এই বছরের মে মাসে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি ঋণ পেয়েছেন।

আগের মাস এপ্রিলে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ। এরপর থেকেই কমতে থাকে এই সূচক। ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশের নিচে অবস্থান করেছে এতদিন।

তবে এখনও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এই সূচক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত বছরের জুলাই মাসে ৩০ জুন শেষ হতে যাওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরের যে মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছিল, তাতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মে মাস শেষে উদ্যোক্তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যের চেয়ে এখনও কম ঋণ নিয়েছেন বা পেয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশে এখন বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই দেশে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা হোঁচট খেয়েছিল। মার্চে থেকে ফের বাড়তে শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘নতুন শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি বা ক্যাপিটাল মেশিনারি, শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামালসহ শিল্প খাতের অন্য সব সরঞ্জাম আমদানি বাড়ছে। আর মাত্র এক দিন পরই পদ্মা সেতু চালু হবে। মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু কর্ণফূলী টানেলের কাজও শেষের দিকে, এই বছরেই চালু হবে। এছাড়া বেশ কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ আরও কয়েকটি মেগা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্প ঘিরে দেশে বিনিয়োগের একটি আবহ তৈরি হয়েছে।’

আগামী দিনগুলোতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন এই অর্থনীতিবিদ।

গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। তার আগের মাস নভেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০ দশমিক ১১ শতাংশ; অক্টোবরে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ আর সেপ্টেম্বরে হয়েছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আগস্ট ও জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৪২ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

দীর্ঘদিন ধরে দেশে বিনিয়োগে মন্দা চলছে। এর অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের চিত্রও ছিল হতাশাজনক। ২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকে তা আরও কমতে থাকে।

প্রতি মাসেই কমতে কমতে গত বছরের মে মাসে তা ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে নেমে আসে, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন।

অতীত ঘেঁটে দেখা যায়, বাংলাদেশের বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিতে ব্যাংকের ঋণ বাড়তেই থাকে। ২০০৯-১০ অর্থবছর শেষে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ২৪ শতাংশের বেশি। বছরওয়ারি হিসেবে এর পর তা সব সময়ই ১০ শতাংশের বেশি ছিল। এমনকি এক পর্যায়ে তা ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তা দুই অঙ্কের নিচে (ডাবল ডিজিট), ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে আসে। এরপর দুই বছর বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের নিচে (সিঙ্গেল ডিজিট) অবস্থান করে।

গত বছরের নভেম্বরে তা দুই অঙ্কের (ডাবল ডিজিট) ঘরে, ১০ দশমিক ১১ শতাংশে উঠে।

মহামারির ছোবলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি কমে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে আসে। এরপর সরকারের প্রণোদনা ঋণে ভর করে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৯ দশমিক ২০ শতাংশ হয়। আগস্টে তা আরও বেড়ে ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশে এবং সেপ্টেম্বরে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে ওঠে।

কিন্তু অক্টোবরে এই প্রবৃদ্ধি কমে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে আসে। নভেম্বরে তা আরও কমে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ হয়। ডিসেম্বরে সামান্য বেড়ে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ হয়।

২০২১ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৫১ ও ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এপ্রিলে নেমে আসে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। মে মাসে তা আরও কমে নেমে যায় ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে।

তবে করোনার প্রকোপ কমতে থাকায় গত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ঋণ প্রবৃদ্ধি খানিকটা বেড়ে ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশে উঠে কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়। তারপর থেকে ঋণপ্রবাহ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন:
৬.৯৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে সংশয় নেই অর্থমন্ত্রীর
বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ১০.৬৯%, ৭ মাস ধরে বাড়ছে
২ বছর পর ২ অঙ্কের ঘরে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি
জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে: এডিবি
প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৮ শতাংশ: এডিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The savings of the upper class are increasing

উচ্চবিত্তের কোটি টাকার সঞ্চয় বাড়ছে

উচ্চবিত্তের কোটি টাকার সঞ্চয় বাড়ছে প্রতীকী ছবি
মূল্যস্ফীতির বেসামাল অবস্থায় জীবনধারণ করাই দুষ্কর। অনেকেই ব্যাংক থেকে তুলে নিচ্ছেন জমানো অর্থ। এমন বাস্তবতায় সঞ্চয় বেড়েছে বড় আমানতকারীর। করোনার দুই বছরে কোটি টাকার হিসাবে যুক্ত হয়েছে আরও প্রায় ২১ হাজার অ্যাকাউন্ট।

করোনাভাইরাসের ধাক্কা এখনও অনেকে সামলে উঠতে পারেননি। সঞ্চয় ও বিনিয়োগ তো পরের কথা, জমানো পুঁজি ভেঙে সংসারের ব্যয় মেটানোর চেষ্টা করছেন তারা।

মধ্যবিত্ত, নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির সংকট সবচেয়ে বেশি। মূল্যস্ফীতির এই বেসামাল অবস্থায় জীবন ধারণ করাই দুষ্কর। অনেকেই ব্যাংক থেকে তুলে নিচ্ছেন জমানো অর্থ।

এমন বাস্তবতায় সঞ্চয় বেড়েছে বড় আমানতকারীর। করোনার দুই বছরে কোটি টাকার হিসাবে যুক্ত হয়েছে আরও প্রায় ২১ হাজার অ্যাকাউন্ট।

অর্থনীতিতে যখন সংকট চলে, আয়ের পথ সংকুচিত হয়, তখন এক শ্রেণির মানুষের হাতে অর্থবিত্ত বেড়ে যাওয়া সুখের লক্ষণ নয় বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

তারা বলছেন, বাজারে জিনিসপত্রের দাম চড়া। পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ অন্য সব খাতেও খরচ বেড়েছে। এতে অনেক মানুষের সঞ্চয় করার ক্ষমতা কমে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সমাজে বৈষম্য থাকা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন একটি গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় দেশে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বাড়ছে।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যাংকে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি মানে সমাজে বৈষম্য বাড়ছে।’

এক বছরে বেড়েছে ৯ হাজারের বেশি

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২১ সালের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাবের সংখ্যা ছিল ৯৪ হাজার ২৭২টি। ২০২২ সালের মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৫৯৭টিতে।

সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৯ হাজার ৩২৫টি।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর সময় ব্যাংকগুলোতে এক কোটি টাকার বেশি থাকা অ্যাকাউন্টের (ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান) সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। সে হিসাবে ২০২০ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত কোটি টাকার অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ২০ হাজার ৯৭২টি।

আমানতের পরিমাণ

চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা ১২ কোটি ৭৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৯৩। তাদের হিসাবে জমা ছিল ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা।

এর মধ্যে কোটি টাকার অ্যাকাউন্টগুলোতে আমানতের পরিমাণ ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট আমানতের প্রায় ৪৪ শতাংশ কোটিপতিদের দখলে।

২০২১ সালের মার্চ শেষে আমানতকারী ছিল ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার। এসব হিসাবে জমা ছিল ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা।

কোন অ্যাকাউন্টে কত জমা

মার্চ শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৮১ হাজার ৩৪৪টি। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা।

পাঁচ কোটি এক থেকে ১০ কোটির মধ্যে রয়েছে ১১ হাজার ৪৮৭টি হিসাব। এসব অ্যাকাউন্টে টাকার পরিমাণ ৮১ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ১০ কোটি ১ থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাব রয়েছে ৩ হাজার ৮৬৫টি। ১৫ কোটি ১ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে ১ হাজার ৭৭১টি, ২০ কোটি ১ থেকে ২৫ কোটি টাকার মধ্যে ১ হাজার ১৫৫টি, ২৫ কোটি ১ থেকে ৩০ কোটির মধ্যে হিসাব রয়েছে ৮৮৬টি।

এর বাইরে ৩০ কোটি ১ থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৪৫৮টি এবং ৩৫ কোটি ১ থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ২৯০টি হিসাব রয়েছে।

৪০ কোটি ১ টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকার অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ৬৪৪টি। এ সময়ে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৬৯৭টিতে দাঁড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, কোটি টাকার হিসাব মানেই কোটিপতি ব্যক্তির হিসাব নয়। কারণ ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখার তালিকায় ব্যক্তি ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

আবার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তার নির্দিষ্ট সীমা নেই। ফলে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
আগুনে নথির ক্ষতি হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ের আগুন নিয়ন্ত্রণে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরাসরি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ চান এমএলএসএসরা
অর্থ আত্মসাৎ: এরশাদকে কেন জামিন নয়, হাইকোর্টের রুল
বন্যাকবলিত এলাকায় সব ব্যাংক বন্ধ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Freedom fighters old and widows have priority in the bank

মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ ও বিধবাদের ব্যাংকে অগ্রাধিকার

মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ ও বিধবাদের ব্যাংকে অগ্রাধিকার
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ, বিধবা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকেরা ব্যাংকে গেলে বিশেষ ব্যবস্থার অভাবে নানান অসুবিধার সম্মুখীন হন। অন্য গ্রাহকদের তুলনায় এসব শ্রেণির গ্রাহকেরা অপেক্ষাকৃত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। তাই তাদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বর্ধিত সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি বিবেচিত হওয়ার আবশ্যকতা রয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ, বিধবা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকদের বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত ব্যাংকিং সেবা দিতে হবে। এসব গ্রাহককে ব্যাংকিং সেবায় সহযোগিতার জন্য প্রতিটি ব্যাংকের শাখাসহ সব সার্ভিস সেন্টারে একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে সুনির্দিষ্টভাবে দায়িত্বে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ ।

নির্দেশনায় বলা হয়, এখন থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ, বিধবা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ সব শাখা প্রাঙ্গণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বসার জায়গা করতে হবে। এসব গ্রাহককে কাঙ্ক্ষিত ব্যাংকিং সেবা নির্বিঘ্ন, সহজ ও দ্রুততম সময়ে করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ, বিধবা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রাহকেরা ব্যাংকে গেলে বিশেষ ব্যবস্থার অভাবে নানান অসুবিধার সম্মুখীন হন। অন্য গ্রাহকদের তুলনায় এসব শ্রেণির গ্রাহকেরা অপেক্ষাকৃত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। তাই তদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বর্ধিত সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি বিবেচিত হওয়ার আবশ্যকতা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভাতা বন্ধ কেন, জানেন না ১৩৯ বীর মুক্তিযোদ্ধা
ভাতা বন্ধ: ‘ভিক্ষা করা ছাড়া বিকল্প পথ নেই’
বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কিলঘুষি, ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
খাদ্যমন্ত্রীর নামে মহাসড়ক
‘সব বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর একই ডিজাইনে হবে’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
AGM of Islami Bank held

ইসলামী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
সভায় ২০২১ সালের আর্থিক বিবরণীসহ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে মঙ্গলবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাজমুল হাসান এতে সভাপতিত্ব করেন। ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান সৌদি আরবের ইউসিফ আব্দুল্লাহ আল-রাজী ও মো. সাহাবুদ্দিন, পরিচালক ও আইডিবির প্রতিনিধি আরিফ সুলেমানসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা, শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ এবং বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডারসহ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ২০২১ সালের আর্থিক বিবরণীসহ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন
বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মশালা
ইসলামী ব্যাংকের ঈদ পুনর্মিলনী
আইএসও সনদ পেল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে