× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
In the market fire 21 lakh people have become poor again
hear-news
player
print-icon

বাজারের আগুনে ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে

বাজারের-আগুনে-২১-লাখ-মানুষ-নতুন-করে-দরিদ্র-হয়েছে
করোনা সংক্রমণের পরপরই ২০২০ সালের জুন মাসে ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয় বলে এই দুই প্রতিষ্ঠানের জরিপে বলা হয়েছিল। এ পরিমাণ গত বছরের মার্চ মাসে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু এখন এ হার ১৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

বাজারে পণ্যমূল্য অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দেশের ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, দুই বছরের মহামারি করোনার ধাক্কায় দেশে ৩ কোটির বেশি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছিল। করোনার প্রকোপ কমায় এ সংখ্যা কমে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (বিআইজিডি) গবেণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

রোববার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার এ ফল তুলে ধরা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘করোনার পর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। নতুন দরিদ্র মানুষের পরিস্থিতির উন্নয়ন হচ্ছে না। দরিদ্র মানুষ টিকে থাকার চেষ্টা করছে স্বশোষণ করে। খাওয়া কমিয়ে, কাজের সময় বাড়িয়ে এ প্রচেষ্টা চলছে।’

করোনা সংক্রমণের পরপরই ২০২০ সালের জুন মাসে ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয় বলে এই দুই প্রতিষ্ঠানের জরিপে বলা হয়েছিল। এ পরিমাণ গত বছরের মার্চ মাসে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু এখন এ হার ১৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

‘এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এখনও ৩ কোটি ৯ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে আছে। তাদের পরিস্থিতির উত্তরণ হয়নি,’ তথ্য দেন হোসেন জিল্লুর।

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়া দেয় ২০২০ সালের মার্চ মাসে। এরপর নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর করোনার প্রকোপ নিয়ে চার দফা জরিপ করে পিপিআরসি ও বিআইজিডি। ২০২০ সালের এপ্রিল, জুন ও জুলাই মাসে, ২০২১ সালের মার্চ এবং আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে চার দফায় সাধারণ মানুষের ওপর করোনার প্রভাবসংক্রান্ত জরিপ করা হয়।

রোববার ‘মূল্যস্ফীতি, খাপ খাওয়ানো ও পুনরুদ্ধারের প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক পঞ্চম দফার ফল প্রকাশ করা হয়। এ দফার জরিপের কাজ চলে গত ১৪ থেকে ২১ মে পর্যন্ত। এ জরিপে অংশ নেয় গ্রাম ও শহরের ৩ হাজার ৯১০ জন মানুষ।

সবশেষ জরিপে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম ও শহরের নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কমা-বাড়া, খাদ্যপণ্যের দামের ওঠানামা, কর্মসংস্থান, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানোর জন্য মানুষের প্রচেষ্টা, পেশার পরিবর্তনসহ নানা বিষয় উঠে আসে। দুই পর্বে জরিপের ফলাফল তুলে ধরা হয়। প্রথম দফায় বিআইজিডির পরিচালক ইমরান মতিন সাম্প্রতিক সময়ের প্রভাবগুলো তুলে ধরেন।

গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘করোনার আগে ২০১৭ সালে দরিদ্র মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ১১৭ টাকা। প্রথম লকডাউনের পর এ আয় কমে হয় ৬৫ টাকা। পরে এ আয় বেড়ে ১০৩ টাকা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তা আরও বেড়ে হয় ১০৫ টাকা; কিন্তু এখন তা নেমে গেছে ৯৯ টাকায়। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৬ শতাংশ আয় কমে গেছে।’

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, মানুষের আয় করোনাপূর্ব সময়ের চেয়ে এখনো ১৫ শতাংশ কম। শহরে এ হার অনেক বেশি, ২৫ শতাংশ। গ্রামে তা ১ শতাংশ।

জরিপে দেখা যায়, গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষের আয় কমেছে অনেক বেশি হারে। পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে শহরের যেখানে আয় কমে যাওয়ার হার ৮, গ্রামে তা ৩ শতাংশ।

ইমরান মতিন বলেন, ‘করোনার পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু হলে পরিস্থিতির উন্নতি হয় কিছুটা। কিন্তু দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের আয় আবার কমে যায়।’

‘গ্রাম ও শহরের কৃষি ও পরিবহন খাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে অনেকটা খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছেন। কিন্তু রিকশাচালক, কারখানাশ্রমিক ও গৃহকর্মীর ওপর এর প্রভাব মারাত্মক।’

জরিপে বলা হয়, দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে নারীরা নতুন করে কর্মক্ষেত্রে ঢোকার চেষ্টা করছেন। তবে করোনাকালের কাজ হারানো ৩৬ শতাংশ নারী এখনো কর্মক্ষেত্রে ঢুকতে পারেননি।

নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ পণ্য কেনা কমিয়ে দিয়েছে, নিম্নমানের পণ্য কিনছে বা একেবারে বাদ দিয়েছে। দেখা গেছে, ২৭ শতাংশ পরিবার কম পরিমাণ চাল কিনছে। আগের চেয়ে নিম্নমানের চাল কিনছে ৩৬ শতাংশ পরিবার। কোনো পরিবার একেবারে চাল কিনছে না, তেমনটা দেখা যায়নি। তবে পুষ্টির জন্য দরকারি মাছ, মাংস, দুধ কম কেনা বা একেবারে বাদ দিয়েছে।

জরিপে দেখা গেছে, ৪৭ শতাংশ ক্ষেত্রে দুধের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। মান কমিয়ে দিয়েছে ২৫ শতাংশ। আর একেবারে বাদ দেওয়া সংখ্যা ২০ শতাংশের মতো পরিবার। ৭৩ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষ মাছ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। কম কিনছে ৫৬ ভাগ।

মাসে অন্তত এক দিন শহরের বস্তিবাসীর ৫ শতাংশ মানুষ তাদের আর্থিক দুরাবস্থায় সারা দিন অভুক্ত থেকেছে। গ্রামে এ অবস্থা ৩ শতাংশ। অন্তত একবেলা কম খেয়েছে, এমন পরিবারের সংখ্যা শহরে ২১ এবং গ্রামে ১৩ শতাংশ।

‘এই যে জিনিসের দাম বাড়ছে, তার পেছনে নানা কারণকে তুলে ধরেছে মানুষ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬২ শতাংশ মনে করছে দুর্বল ব্যবস্থাপনার জন্যই এমনটা ঘটছে। এর পাশাপাশি সরবরাহের ঘাটতি, জনসংখ্যা বৃদ্ধিকেও কারণ বলে মনে করেন অনেকে।’

‘এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের ব্যবস্থা হিসেবে সর্বোচ্চ ৬৯ ভাগ মনে করে, ব্যবস্থাপনা বা সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিস্তারের কথা বলেছে ৩৬ শতাংশ।’

করোনার সময় এবং পরে আর্থিক অনটনের সঙ্গে লড়াইয়ে মানুষ কী উপায় বেছে নিচ্ছে, তার চিত্রও উঠে আসে জরিপে। সেখানে গত বছরের আগস্টের সঙ্গে সাম্প্রতিক জরিপের তুলনা করা হয়। দেখা যায়, করোনার সময় যে আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা ছিল দুই সময়েই তা কমে গেছে। আগস্ট মাসে ৯১ ভাগ মানুষ নিজের আয়ের ওপরই নির্ভর করে চলত। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৯৩ শতাংশ। আগে দোকানে বাকি রেখে বা ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও এখন তা কমে যাচ্ছে।

গত আগস্টে ১৭ শতাংশ মানুষ ঋণ নিয়ে চলতে পারত। এখন তা হয়েছে ৭ শতাংশ। পরিস্থিতি এখন এমন হয়ে গেছে যে মানুষ আর ঋণ নিতে চায় না। এর কারণ, তা পরিশোধ তারা করতে পারবে না। শহরের বস্তির ৩১ শতাংশের ঋণ দরকার হলেও তারা তা নিতে পারছে না। ৫১ শতাংশ বলেছে, তারা আর ঋণ চায় না।

ইমরান মতিন বলেন, ‘সন্তানের পড়াশোনার ব্যয় কমানো এবং ওষুধ না কেনার মতো উদ্যোগের বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব আছে।’

নিম্ন আয়ের মানুষ অবস্থা থেকে উত্তরণে ন্যায্যমূল্যে চাল, ১০ টাকার চাল এবং টিসিবির পণ্য কেনার দিকে ঝুঁকেছে। দেখা গেছে, গত বছরের আগস্টে দারিদ্র্যসীমার উপরে থাকা ১৮ শতাংশ মানুষ ন্যায্যমূল্যের চাল কিনত। এখন ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এ সংখ্যা। এই গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে গ্রামে ১০ টাকার চাল কেনার মানুষের সংখ্যা আগস্টে ছিল ৪ শতাংশ। এটি গত মে মাসে এসে দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশে। আগস্টে ১৫ শতাংশ মানুষ টিসিবির পণ্য কিনত; কিন্তু মে মাসে এর হার দাঁড়িয়েছে ৩১।

টিসিবির পণ্য কেনা ৬১ শতাংশ মানুষ চায় পণ্যের পরিমাণ বাড়ুক।

করোনাকালের আগে যে পরিমাণ মানুষ কর্মহীন ছিল, এখন তা আরও বেড়ে গেছে বলে উঠে আসে এ জরিপে। দেখা গেছে, করোনার আগে শহরের ৬ শতাংশ মানুষ কর্মহীন ছিল, এখন তা ১০ শতাংশ। গ্রামে করোনার আগে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা ছিল ৮ শতাংশ। এখন ৯ শতাংশ।

করোনা সংক্রমণের পরপরই ২০২০ সালের জুন মাসে ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয় বলে এই দুই প্রতিষ্ঠানের জরিপে বলা হয়েছিল। এ পরিমাণ গত বছরের মার্চ মাসে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু এখন এ হার ১৮ দশমিক ৫৪।

এ প্রসঙ্গে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এখনো ৩ কোটি ৯ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে আছে। তাদের এ পরিস্থিতির উত্তরণ হয়নি।’

আরও পড়ুন:
দরিদ্র দম্পতির গর্তে থাকার খবর কতটা সত্যি?
মহামারিতে অতিধনীরা আরও ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন
শহর জীবনে বঞ্চনা বেশি, ৫ জনের ১ জনই দরিদ্র

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Habibur Rahman is the new AMD of SBAC Bank

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন এএমডি হাবিবুর রহমান

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন এএমডি হাবিবুর রহমান সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের  অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
এএনজেড গ্রিনলেজ ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকিং জীবন শুরু করেন। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২৭ বছরের ব্যাংকিং জীবন তার। সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং কানাডার টরেন্টো ডমিনিয়ন ব্যাংকে চাকুরি করেন হাবিবুর রহমান।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন হাবিবুর রহমান।

এর আগে তিনি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ছিলেন বলে এসবিএসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এএনজেড গ্রিনলেজ ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকিং জীবন শুরু করেন। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২৭ বছরের ব্যাংকিং জীবন তার। সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং কানাডার টরেন্টো ডমিনিয়ন ব্যাংকে চাকুরি করেন হাবিবুর রহমান।

তিনি ঋণ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি বিষয়কসহ পেশাগত স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অথনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওমেগা নামক প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফাইড ক্রেডিট প্রফেসনালস ডিগ্রি অর্জন করেনিএই ব্যাংকার।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bimans Toronto flight starts on July 26

বিমানের টরন্টো ফ্লাইট শুরু ২৭ জুলাই

বিমানের টরন্টো ফ্লাইট শুরু ২৭ জুলাই বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে পরিচালিত হবে ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইট। ছবি: নিউজবাংলা
প্রাথমিকভাবে ঢাকা-টরন্টো রুটে সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ঢাকা থেকে প্রতি বুধবার ও রোববার বিমানের ফ্লাইট টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করবে। একই দিন টরন্টো থেকে ফিরতি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-টরন্টো রুটে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে ২৭ জুলাই। টরন্টো ফ্লাইটে ভ্রমণে ইচ্ছুকরা এখন থেকেই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

রোববার প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশ-বিদেশে অবস্থিত বিমানের যে কোনো সেলস্ সেন্টার, বিমান অনুমোদিত যে কোনো ট্রাভেল এজেন্সি, বিমানের বাণিজ্যিক ওয়েবসাইট www.biman-airlines.com ও কল সেন্টার ০১৯৯০৯৯৭৯৯৭ থেকে এ রুটের টিকিট কেনা এবং আনুষঙ্গিক সেবাগুলো গ্রহণ করা যাবে।

তবে কানাডা থেকে আপাতত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট কেনা যাবে না। বিষয়টি এখনও অ্যাকটিভেশন পর্যায়ে রয়েছে।

বিমান বলছে, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-টরন্টো রুটে সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ঢাকা থেকে প্রতি বুধবার ও রোববার বিমানের ফ্লাইট টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করবে। একই দিন টরন্টো থেকে ফিরতি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। রুটটিতে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে বিমানের বহরে থাকা বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ।

ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় ফ্লাইটটি তুরস্কের ইস্তানবুলে এক ঘণ্টার জন্য টেকনিক্যাল ল্যান্ডিং করবে। তবে ফিরতি ফ্লাইটটি সরাসরি ঢাকায় অবতরণ করবে বলে জানিয়েছে বিমান।

বাংলাদেশ থেকে ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণে একমুখী যাত্রার জন্য ভাড়া ঠিক করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৯০ হাজার ৫১০ টাকা। আর রিটার্ন টিকিটের ভাড়া ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭০ টাকা।

প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাসের একমুখী ভাড়া ১ লাখ ২৭ হাজার ৩০০ টাকা আর রিটার্ন ভাড়া ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৫৫ টাকা।

আর বিজনেস ক্লাসের ক্লাসে ভ্রমণে একমুখী ভাড়া শুরু হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার ১০০ টাকা এবং রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ঠিক করা হয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৩০২ টাকা।

টরন্টো থেকে যারা ঢাকায় আসবেন তাদের জন্য ইকোনমি ক্লাসে একমুখী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৯০ কানাডিয়ান ডলার আর রিটার্ন টিকিটের দাম ১ হাজার ২৩৩ কানাডিয়ান ডলার।

প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাসের ক্ষেত্রে একমুখী ভাড়া ১ হাজার ২৩০ কানাডিয়ান ডলার এবং রিটার্ন টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৭৮ কানাডিয়ান ডলার। আর বিজনেস ক্লাসের ক্ষেত্রে একমুখী ভাড়া ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৬০ কানাডিয়ান ডলার এবং রিটার্ন টিকিটের দাম ধরা হয়েছে সর্বনিম্ন ৩ হাজার ৭৮ কানাডিয়ান ডলার।

আরও পড়ুন:
ফ্লাইটের ভাড়া নির্ধারণে বসছে সভা
বিমান অসুস্থ প্রতিযোগিতা করছে: এওএবি
কারিগরি ত্রুটি: বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ
অল্পের জন্য বাঁচল বিমানের ড্রিমলাইনার
দুবাইফেরত যাত্রীর কাছে সোয়া কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Abdul Monem Limited was attached to the Padma Bridge

পদ্মা সেতুতে যুক্ত ছিল আব্দুল মোনেম লিমিটেড

পদ্মা সেতুতে যুক্ত ছিল আব্দুল মোনেম লিমিটেড
স্বপ্নের এই সেতুর ৫টি প্রকল্পের ৩টিই করেছে বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পের পথিকৃৎ এই প্রতিষ্ঠানটি।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক, সার্ভিস এরিয়া, টোল প্লাজা, নদীশাসনসহ বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল দেশীয় প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেড। স্বপ্নের এই সেতুর ৫টি প্রকল্পের ৩টিই করেছে বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পের পথিকৃৎ এই প্রতিষ্ঠানটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরলসভাবে যুক্ত ছিল একমাত্র দেশীয় প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেড। ঐতিহাসিক এই যাত্রায় জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের গর্বিত অংশীদার প্রতিষ্ঠানটি। পুরো প্রকল্পে সেতুর গুনগত মান ঠিক রাখতে প্রায় এক কোটি আমেরিকান ডলার খরচ করে জার্মানি থেকে দুটি মেশিন নিয়ে আসার পাশাপাশি অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতেও আব্দুল মোনেম লিমিটেড বিনিয়োগ করেছে।’

আবদুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনউদ্দিন মোনেম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ৫টি প্রকল্পের ৩টিই করেছি আমরা। এই প্রকল্পে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে গিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা সম্পর্কে আরও একবার নিশ্চিত হয়েছি। ভবিষ্যতে দেশের আরও যেকোনো বড় প্রকল্পে আরও দক্ষতার সাথে অবদান রাখতে পারব বলে বিশ্বাস করে।’

আমাদের ওপর আস্থা রাখার জন্য এবং জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জনের গর্বিত অংশীদার হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Jane Alam is the marketing head of Shanta Asset

শান্তা অ্যাসেটের বিপণন প্রধান হলেন জানে আলম

শান্তা অ্যাসেটের বিপণন প্রধান হলেন জানে আলম দেশের পরিচিত বিপণন ব্যক্তিত্ব জানে আলম রোমেল। ছবি: ফেসবুক থেকে নেয়া
শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান বলেন, ‘এফএমসিজি, এয়ারলাইনস, ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন এবং ইলেকট্রনিকস ইন্ডাস্ট্রির মতো বৈচিত্র্যময় কর্মক্ষেত্র রোমেলের অভিজ্ঞতাকে পরিণত ও সমৃদ্ধ করেছে। আমরা আশাবাদী, তার ভিন্নধর্মী চিন্তাধারা, বিপণন নিয়ে ভিন্ন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।’

দেশের জনপ্রিয় বিপণন ব্যক্তিত্ব জানে আলম রোমেল শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিপণন, ডিজিটাল বিজনেস ও গ্রাহক পরিষেবার প্রধান হিসেবে সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন।

তিনি শান্তার পুঁজিবাজার ব্যবসার অঙ্গসংস্থাসমূহ শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, শান্তা সিকিউরিটিজ এবং শান্তা ইকুইটির সামগ্রিক বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান বলেন, ‘এফএমসিজি, এয়ারলাইনস, ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন এবং ইলেকট্রনিকস ইন্ডাস্ট্রির মতো বৈচিত্র্যময় কর্মক্ষেত্র রোমেলের অভিজ্ঞতাকে পরিণত ও সমৃদ্ধ করেছে। আমরা আশাবাদী, তার ভিন্নধর্মী চিন্তাধারা, বিপণন নিয়ে ভিন্ন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।’

শান্তা অ্যাসেটে যোগদানের আগে জানে আলম রোমেল ছয় বছর আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চিফ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ শেষ করার পর জানে আলম ২০০৫ সালে এমজিএইচ গ্রুপে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস বাংলাদেশের বিক্রয় ও বিপণন প্রধান হিসেবে যোগ দেন।

কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় তিনি আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মার্কেটিং কমিউনিকেশনের প্রধান এবং র‌্যাংগস ইন্ডাস্ট্রিজের মার্কেটিং প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

শান্তা আসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হাসান বলেন, ‘জানে আলম রোমেলকে আমাদের মাঝে পেয়ে আমরা আনন্দিত। কাজের প্রতি তার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, কর্ম-উদ্দীপনা, বিক্রয় এবং বিপণনের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা আমাদের আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা রাখি।’

আরও পড়ুন:
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ধারা ভাঙছে ওয়্যার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Books worth crores of rupees wasted in Ban water

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই বন্যার পানি ঢুকে পড়ে সিলেটের সবচেয়ে বড় বইয়ের মার্কেট রাজা ম্যানশনে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজা ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন রহিম বলেন, ‘বন্যার পানিতে মার্কেটের নিচতলার সবগুলো দোকান এবং প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কেবল বই ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার মতো।’

সিলেটের সবচেয়ে বড় বইয়ের মার্কেট রাজা ম্যানশন। গত ১৮ জুন এই মার্কেটে বন্যার পানি ঢুকে নিচের তলা পুরোপুরি ডুবে যায়। এতে কোটি টাকার বই নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

গত ১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা দেখা দেয়। এর দুদিন পর থেকে ভয়ংকর রূপ নেয় বন্যা। ১৮ জুন সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের উঁচু এলাকাগুলোও। ওইদিন পানি ঢুকে পড়ে নগরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা জিন্দাবাজারের বেশির ভাগ শপিং মল ও দোকানপাটে।

পানি ঢোকে জিন্দাবাজার এলাকার রাজা ম্যানশনেও। মার্কেটের নিচতলার অর্ধশত বইয়ের দোকান, ছাপাখানা ও কম্পিউটারের দোকানে পানি ঢুকে পড়ে।

রাজা ম্যানশনের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১৬ জুন বৃহস্পতিবার রাতে তারা জিন্দাবাজার এলাকা পানিশূন্য অবস্থায় দেখে ঘরে ফেরেন। পরের দিন শুক্রবার মার্কেট বন্ধ ছিল। আর ১৮ জুন শনিবার সকালে এসে দেখতে পান পানিতে তলিয়ে গেছে মার্কেট। পানি ঢুকে পড়েছে নিচতলার সব দোকানে। অনেক দোকানে কোমর সমান পানিও জমা হয়।

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

তারা আরও জানান, পানিতে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বই ব্যবসায়ীরা। বইয়ের দোকানের নিচের তাকগুলোয় থাকা সব বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন এগুলো ফেলে দিতে হচ্ছে।

শনিবার রাজা ম্যানশনে গিয়ে দেখা যায়, মার্কেট থেকে পানি নেমে গেছে। ভিজে নষ্ট হওয়া বই ভ্যানে করে সরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কিছু বই আবার রোদে শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা।

এ সময় কথা হয় মার্কেটের শুভেচ্ছা লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী তানজিল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার দোকান মার্কেটের একেবারে সম্মুখে। তাই বন্যার পানি প্রথমে আমার দোকানেই ঢুকে পড়ে। পানিতে দোকানের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো আর ব্যবহারের উপযোগী নয়।’

তিনি বলেন, ‘রাজা ম্যানশনে বন্যার পানি ঢুকবে তা কখনও কল্পনাও করিনি। অথচ নিমিষেই পানিতে তলিয়ে গেল মার্কেটের পুরো নিচতলা। এখন ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে উঠবো তা বুঝতে পারছি না।’

প্যারাগন লাইব্রেরির বিক্রেতা আকাশ আহমদ বলেন, ‘আমাদের অন্তত ৭ লাখ টাকার বই নষ্ট হয়েছে। নষ্ট হওয়া বইগুলো পুরনো কাগজের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিতে হয়েছে। যেগুলো অল্প ভিজেছে সেগুলো শুকিয়ে ঠিক করা যায় কি না সে চেষ্টা করছি।’

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

জানা গেছে, বইয়ের পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে মার্কেটের নিচতলার ছাপাখানা ও কম্পিউটার ব্যবসায়ীদেরও।

প্যারাডাইস প্রেস নামের একটি ছাপাখানার কর্মকর্তা সুমন বক্স বলেন, ‘আমাদের প্রেস মেশিনসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশে পানি ঢুকে গেছে। এগুলোর মেরামত কাজ চলছে। ফলে ছাপাখানা আপাতত বন্ধ আছে।’

রাজা ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন রহিম বলেন, ‘বন্যার পানিতে মার্কেটের নিচতলার সব দোকান এবং প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কেবল বই ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার মতো।’

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিহিত করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনার আগেও আমরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। এবার বন্যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হলো। বন্যা আমাদের সব মূলধন নিয়ে চলে গেল।’

আরও পড়ুন:
‘যেখানে এখনও ত্রাণ পৌঁছেনি, আমরা নিয়ে যাচ্ছি’
বন্যায় মৃত্যু নিয়ে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য অসত্য, দাবি বিএনপির
‘কেউ খবর নেয় না’
এত ত্রাণ, তবু কেন হাহাকার
আসামে বন্যায় মৃত ১১৭

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The decision to reduce the price of edible oil took a day or two

ভোজ্যতেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত দু-এক দিনেই

ভোজ্যতেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত দু-এক দিনেই ফাইল ছবি
ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে, সেই হিসেবে দেশেও দাম কমানো হবে।’

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমে আসায় দেশেও ভোজ্যতেলের দাম দু-এক দিনের মধ্যে কমানোর সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দ্বাদশ মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে আলোচনার নানা দিক তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ।

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে, সেই হিসেবে দেশেও দাম কমানো হবে।’

দাম কমলে কত কমানো হতে পারে- এমন প্রশ্নে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আগামী দু-এক দিনের মধ্যে কিংবা চলতি সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করা হবে।

‘সেখানে আন্তর্জাতিক দাম অনুযায়ী দেশে গত এক মাসের মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সেই দাম নির্ধারণ করা হবে। তবে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুব বেশি কমানো সম্ভব নাও হতে পারে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউ সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সয়াবিন তেল মিলছে আগের দামেই
দেশে ৪০ ভাগ ভোজ্যতেল উৎপাদনের পরিকল্পনা
ভোজ্যতেলের দাম কমার আভাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Agreement between Teletalk and Metropolitan Police

টেলিটক ও মেট্রোপলিটন পুলিশের মধ্যে চুক্তি

টেলিটক ও মেট্রোপলিটন পুলিশের মধ্যে চুক্তি
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম উপস্থিত ছিলেন।

টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মধ্যে কর্পোরেট ডিজিটাল সার্ভিসেস প্রদান সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এই চুক্তি হয় বলে টেলিটকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম, উপপুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) টুটুল চক্রবর্তী এবং টেলিটকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (মার্কেটিং এন্ড ভ্যাস) তাহমিনা খাতুন, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (ভ্যাস) আল-রাজ্জাকুজ্জামানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বন্যার্তদের টেলিটকের ১৫ মিনিট ফ্রি টক টাইম
গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বললেন টেলিটকের এমডি
সাক্ষীকে মামলার তারিখ জানাবে টেলিটক

মন্তব্য

p
উপরে