× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
What marginal people want to see in the budget
hear-news
player
print-icon

বাজেটে যা দেখতে চান প্রান্তিক মানুষেরা

বাজেটে-যা-দেখতে-চান-প্রান্তিক-মানুষেরা
৯ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। আগামী এক বছরে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আড়াই লাখ কোটি টাকা ব্যয় করবে। এর বেশির ভাগই ব্যয় করা হবে পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কয়েক জনের কাছে নিউজবাংলা জানতে চেয়েছে, তারা এবার কেমন বাজেট দেখতে চান।

বাজেটে যা দেখতে চান প্রান্তিক মানুষেরা


‘প্রতিবন্ধীদের আয়করে আরও ছাড় চাই’


নাজমা ইয়াসমীন একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও কোনো বাধাই দমিয়ে রাখতে পারেনি তাকে। চেষ্টা আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন যোগ্য মানুষ হিসেবে। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তা বর্তমানে ইডেন মহিলা কলেজের প্রভাষক।

আসন্ন বাজেটে প্রত্যাশা কী– জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অনগ্রসর জনগোষ্ঠী আছি, তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি অনেক বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে।

‘জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় আমাদের জীবন-যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিবন্ধীরা স্বাভাবিক মানুষের মতো চলেফেরা করতে পারে না। পাঁচ মিনিটের রাস্তা হেঁটে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে তাকে রিকশায় চড়তে হচ্ছে।

‘প্রতিবন্ধীদের পরিবার পরিজন আছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বেড়েছে। দৃষ্টিহীনরা স্বাভাবিকদের মতো চলাফেরা করতে পারে না। ফলে তাদের পরিবহণ খরচ বেশি। এসব কারণে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

‘এসব ব্যয় বহন করার পর অবশিষ্ট যা থাকে, তা থেকে আয়কর দেয়া আমাদের জন্য কষ্টকর। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই, সবার জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু যারা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেশি। কারণ, তারা নিজেরা চলতে পারে না।

‘সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আগামী বাজেটে প্রতিবন্ধীদের আয়করে আরও ছাড় দিলে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে তারা।

‘বর্তমানে প্রতিবন্ধী করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয় সীমা সাড়ে চার লাখ টাকা। এই সীমা কমপক্ষে ৬ লাখ টাকায় উন্নীত করা উচিৎ।

‘প্রতিবন্ধীদের ছেলেমেয়েদের জন্য বর্তমানে শিক্ষার কোনো স্তরে কোটা ব্যবস্থা নেই। পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর জনগোষ্ঠী হিসেবে শিক্ষার প্রতিটি স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে তাদের সন্তানদের জন্য কোটা থাকা উচিত।

‘অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের মাসিক ভাতা দেয় সরকার। টাকার অঙ্ক ৭৫০ টাকা। বর্তমান বাস্তবতার আলোকে ভাতার অঙ্ক অত্যন্ত অপ্রতুল। এটি কমপক্ষে ৩ হাজার টাকা বাড়ানো উচিত।

‘পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের মতো ইউটিলিটি সেবার ‍বিলে ছাড় থাকা উচিত। এসব সেবায় সাধারণ জনগণ বর্তমানে মাসিক যে পরিমাণ বিল পরিশোধ করেন, তা থেকে অন্তত ৫০ শতাংশ কম বিল প্রতিবন্ধীদের জন্য ছাড় দেয়ার উচিত।’

বাজেটে যা দেখতে চান প্রান্তিক মানুষেরা

‘ট্রান্সজেন্ডারদের উন্নয়নে আলাদা বরাদ্দ চাই’

বাজেট বিষয়ক ভাবনা জানতে চাইলে ট্রান্সজেন্ডার উইমেন অ্যাক্টিভিস্ট জয়া শিকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে উল্লেখ আছে, প্রান্তিক মানুষ যারা সামাজিকভাবে বা কোনো কারণে জেন্ডারাইজ হয়ে গেছে, সেসব মানুষের জন্য বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

‘সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে হিজড়া উন্নয়ন প্রকল্প ছাড়া আমাদের জন্য আলাদা কোনো অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয় না। কিছু কারিগরি প্রশিক্ষণ করানো হয়। বলা হয়, হিজড়াদের উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু আসলে কতটুকু হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বাজেট দরকার।

‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী হিসেবে সরকারের কাছে দাবি, হিজড়াদের জন্য বাজেটে পৃথক বরাদ্দ দরকার। সরকার যে বাজেট ঘোষণা করে, সেখানে আমাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় না।

‘বর্তমানে যারা বয়স্ক, ৫০ বা ৬০ বছর হয়েছে, তাদেরকে মাসে ৬০০ টাকা ভাতা দেয়া হয়। এর বাইরে কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই।

‘হিজড়াদের ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটি হিসেবে স্বীকৃত দেয়া হয়েছে। এ সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় ১০ হাজার। আমি মনে করি, এদের সংখ্যা এক লাখের বেশি।

‘বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা সাসটেইনেবল মিলেনিয়াম গোলের দিকে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী কেউ পিছিয়ে থাকবে না। সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে দেশ। কিন্তু আমাদের কমিউনিটিকে আর্থিকভাবে যদি সাপোর্ট দেয়া না হয়, তাহলে কীভাবে সামনের দিকে অগ্রসর হবে? কীভাবে উন্নয়নমুখী হবে?

‘সে জন্য আগামী বাজেটে এ খাতে পৃথক বরাদ্দ এবং তাদের উন্নয়নে যেন সেই অর্থ ব্যবহার হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। একজন ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে এটাই আমার দাবি।

‘সরকার আমাদের ট্রান্সজেন্ডার ঘোষণা দিয়েছে। ট্রান্সজেন্ডার মানে রূপান্তরকামী বা লিঙ্গ রূপান্তর। কিন্তু নীতি-নির্ধারকরা কাগজপত্রে লিখছে হিজড়া। ট্রান্সজেন্ডার শুধু মুখে মুখে বলা হয়। এ শব্দগুলো যেন ব্যবহার না করা হয় সেদিকে বিশষ নজর দিতে হবে।’

বাজেটে যা দেখতে চান প্রান্তিক মানুষেরা

‘চা শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়ায় বরাদ্দ চাই’

কেমন বাজেট দেখতে চান– জানতে চাইলে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাজেটে সরকারের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা। আমরা অবহেলিত এবং আমাদের যে মজুরি তা দিয়ে মৌলিক অধিকার পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই, আমাদের বিশেষ চাওয়া, সরকার যেন চা শ্রমিকের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য আলাদা বরাদ্ধ রাখে। যারা উচ্চশিক্ষা নিতে চায়, তাদের জন্যও আলাদা রান্ধ রাখতে হবে।

‘সেই সাথে প্রান্তিক পর্যায়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত শিক্ষা বিস্তারে।

‘প্রায় ৮০টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী আছে চা বাগানে, যাদের অনেকেরই আলাদা সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কিন্তু তা রক্ষা করার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। আসন্ন বাজেটে তা রক্ষার জন্য আলাদা সাংস্কৃতিক ভবন নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় জনবলের জন্য বরাদ্ধ রাখার দাবি জানাচ্ছি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Train tickets in cashback up to Rs 50 cashback

৫০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাকে ‘নগদ’-এ ট্রেনের টিকিট

৫০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাকে ‘নগদ’-এ ট্রেনের টিকিট ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কেটে নগদ দিয়ে পেমেন্ট করে পাওয়া যাবে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক। ছবি: সংগৃহীত
ওয়েবসাইট কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে টিকিট কিনে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট দিয়ে পেমেন্ট করলে যাত্রীরা পাবেন ১০ শতাংশ বা সর্বমোট ৫০ টাকা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

ট্রেনের যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল সাইট কিংবা নতুন মোবাইল অ্যাপ ‘রেল সেবা’ থেকে টিকিট কাটার সময় ‘নগদ’-এ পেমেন্ট করতে পারছেন।

ঈদের সময় সাধারণ যাত্রীদের বাড়ি যাতায়াতের ভোগান্তি দূর করতে ঘরে বসেই ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে পেমেন্টে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক চালু করেছে ‘নগদ’।

সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি ও ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মধ্যে এই সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

ফলে দেশের সাধারণ যাত্রীরা যেকোনো সময় ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন, যা তাদের জীবনকে করবে ঝামেলাহীন।

যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল অনলাইন ই-টিকেটিং ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে ‘নগদ’-এর গেটওয়ে ব্যবহার করে ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন।

ওয়েবসাইট কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে টিকিট কিনে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট দিয়ে পেমেন্ট করলে যাত্রীরা পাবেন ১০ শতাংশ বা সর্বমোট ৫০ টাকা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাকের অফারটি চলবে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত। যেখানে ট্রেনের যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ থেকে টিকিট কিনে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

ক্যাশব্যাক অফারের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যাত্রীরা অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই অফারটি নিশ্চিত করতে যাত্রীদের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট অবশ্যই সচল থাকতে হবে।

‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট সুবিধার ফলে ট্রেনের টিকিটের জন্য এখন আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। ফলে এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য যাত্রীরা বাঁচাতে পারবেন তাদের মূল্যবান সময় ও অর্থ। পাশাপাশি বর্তমানে করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় যাত্রীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেও মিলবে মুক্তি।

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ বলেন, ‘‘মানুষের জীবন ঝামেলাহীন করতে ট্রেনের টিকিট কেনার সেবা নিয়ে এসেছে ‘নগদ’। এখন থেকে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে কেনা যাবে ট্রেনের টিকিট। ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য ‘নগদ’-এর এই অফার ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে অনেকটা স্বস্তি দেবে। এভাবে ‘নগদ’ হয়ে উঠছে সবার ওয়ালেট, জাতীয় ওয়ালেট।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে বন্যাদুর্গতদের পাশে ‘নগদ’
নগদ-এর মাধ্যমেই যাবে প্রাথমিকের উপবৃত্তি
‘বীরের মুখে বীরত্ব গাথা’
১ দিনে নগদে লেনদেন সাড়ে ৯০০ কোটি টাকা
ঈদের কেনাকাটায় ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট দিচ্ছে নগদ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Citibanks থেকে 45 million loan from Bank Muscat

ব্যাংক মাস্কাট থেকে সিটি ব্যাংকের ৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ

ব্যাংক মাস্কাট থেকে সিটি ব্যাংকের ৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ
৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি সম্পদের ব্যাংক মাস্কাট হলো ওমানের সালতানাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক। ৩৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ারসহ এটি দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ব্যাংক মাস্কাট থেকে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সিন্ডিকেট ঋণ নিয়েছে বেসরকারি ব্যাংক সিটি ব্যাংক লিমিটেড।

শনিবার সিটি ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ‘সিটি ব্যাংক ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ব্যাংক মাস্কাট থেকে ২০ মিলিয়ন ইউরো সিন্ডিকেট ঋণ নিয়েছিল। যা ছিল কোনো ওমানি ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো বাংলাদেশি ব্যাংকের নেয়া এ ধরনের প্রথম ঋণ। ২০২০ সালে সিটি ব্যাংক ৩০ মিলিয়ন ডলার সিন্ডিকেটেড ঋণ গ্রহণ করে। এবার নিয়েছে ৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ব্যাংক মাস্কাট প্রাথমিকভাবে ২৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে লেনদেন শুরু করে। পরে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এসব দেশের স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের ফান্ড সংগ্রহ করে ব্যাংক মাস্কাট।

‘এই অংক প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ২৫ মিলিয়ন ডলারের চে‌য়ে ৮০ শতাংশ বেশি। এটি সিটি ব্যাংকের জন্য ব্যাংক মাস্কাটের নেতৃত্বে তৃতীয় সফল সিন্ডিকেটেড ঋণ সুবিধা।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিশ্ব করোনা মহামারি থেকে এখনও পুরোপুরি মুক্ত হয়নি, আবার বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় অর্থনীতি ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। এই ঋণ সুবিধা সিটি ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেবে। সিটি ব্যাংক তাদের বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থায়নে এই ঋণ ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশের বাণিজ্য কার্যক্রম এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে এটি সহায়তা করবে।’

সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মারুফ বলেন, ‘সিটি ব্যাংকের সিন্ডিকেশন ঋণে বৈশ্বিক ব্যাংকগুলোর অভূতপূর্ব সাড়া দেখে আমরা আনন্দিত। এ সিকিন্ডিকেটেড ঋণ প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৮০ শতাংশ ওভারসাবস্ক্রাইবড হওয়ায় তা সিটি ব্যাংকের শক্তি এবং বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারে তার গ্রহণযোগ্যতার চিত্র তুলে ধরে।

‘বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে, ব্যাংকটির জন্য শক্তিশালী তারল্য নিশ্চিত করতে এবং আমাদের ক্লায়েন্টদের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক প্রয়োজন মেটাতে আমরা এই ঋণসহ একাধিক উদ্যোগ নিয়েছি।’

৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি সম্পদের ব্যাংক মাস্কাট হলো ওমানের সালতানাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক। ৩৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ারসহ এটি দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক।

ব্যাংকটির বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সম্পর্কের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত, যা ব্যবসা বাণিজ্যকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকটি উপসাগরীয় অঞ্চল, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে ঋণদাতাদের কাছ থেকে অনুকূল অর্থায়নের শর্তে তহবিল সংগ্রহে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন:
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক ও সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি
ব্যাংকে আবারও ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
4 lakh tons of rice is coming after the withdrawal of duty

শুল্ক প্রত্যাহারের পর আসছে ৪ লাখ টন চাল

শুল্ক প্রত্যাহারের পর আসছে ৪ লাখ টন চাল ফাইল ছবি
আমদানিকারকদের আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে পুরো চাল বাংলাদেশের বাজারে আনতে হবে। আমদানি করা চালের পরিমাণ গুদামজাত ও বাজারজাত করার তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককেও জানাতে হবে।

চালের দামে লাগাম পরাতে আমদানি শুল্ক তুলে নেয়ার পর প্রথম দফায় বেসরকারিভাবে ৪ লাখ ৯ হাজার টন আমদানি করতে ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিতে যাচ্ছে সরকার।

আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাল আনার আমদানির অনুমতি দিতে অনুরোধ জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ক চিঠি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

শর্ত হিসেবে চিঠিতে বলা হয়েছে, বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এলসি খুলতে হবে এবং এ সংক্রান্ত তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়কে ই-মেইলে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে হবে।

আমদানিকারকদের আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে পুরো চাল বাংলাদেশের বাজারে আনতে হবে। আমদানি করা চালের পরিমাণ গুদামজাত ও বাজারজাত করার তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককেও জানাতে হবে।

সরকারি হিসাবে দেশে চালের সরবরাহ ও মজুতের মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। তারপরও চালের দাম বেড়ে চলেছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবির হিসাবে গত এক বছরে সরু চালের দাম বেড়েছে ১৯ শতাংশ এবং মোটা চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। এর মধ্যে সরু চালের দাম এক মাসেই বেড়েছে ৯ শতাংশ।

টিসিবির হিসাবে এক বছর আগে এই সময়ে দেশে সরু চাল বিক্রি হতো কেজিপ্রতি ৫৬ থেকে ৬৫ টাকায়। এখন তা ৬৪ থেকে ৮০ টাকা।

এক বছর আগে মাঝারি চালের দাম ছিল ৫০ থেকে ৫৬ টাকা কেজি, যেটি এখন হয়েছে ৫২ থেকে ৬০ টাকা। এক বছর আগে মোটা চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৪৮ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৪৮ থেকে ৫২ টাকা।

চালের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারও অস্বাভাবিক হিসেবেই দেখছে। সম্প্রতি বিভিন্ন চালকল ও বাজারে সরকার অভিযানও চালাচ্ছে। বৈধ মাত্রার চেয়ে বেশি মজুত করায় মামলাও হয়েছে স্কয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযানের সুফল বাজারে কমই মিলছে।

চাল উৎপাদনের প্রধান বোরো মৌসুমে চালের দামে এই লাফ বছরের বাকি সময়ের জন্য শঙ্কা তৈরি করছে। তার ওপর দেশের উত্তর পূর্বে সিলেট অঞ্চলে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে, উত্তরে কুড়িগ্রাম অঞ্চলেও চোখ রাঙাচ্ছে বন্যা। এতে আমনের ফলনেও ঘাটতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বোরো ধান ওঠার পরও চালের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এবার আমদানি বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় সরকার। এর অংশ হিসেবে আমদানিতে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে শুল্ক।

তবে নিয়ন্ত্রণমূক শুল্ক, অগ্রিম আয়কর, অ্যাডভান্সড ট্রেড ভ্যাট বা এটিভি এখনও কিছু বহাল আছে, যদিও এর হার কমানো হয়েছে অনেকটাই।

এতদিন চাল আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো সরকারকে। অর্থাৎ আমদানিতে ১০০ টাকা খরচ হলে সরকারকে দিতে হতো ২৫ টাকা। এই খাতে এখন কোনো টাকা দিতে হবে না।

যদিও নিয়ন্ত্রণমূলক যে ২৫ শতাংশ শুল্ক ছিল, সেটি পুরোপুরি প্রত্যাহার হয়নি, তবে কমানো হয়েছে অনেকটাই।

এতদিন এই শুল্ক ছিল ২৫ শতাংশ, সেটি কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। এর বাইরে অগ্রিম আয়কর, এটিভি মিলিয়ে শুল্ক দিতে হবে ২৫ শতাংশ।

এতদিন আমদানি শুল্কের সঙ্গে এগুলো মিলিয়ে শুল্ক ছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার পণ্য আনতে সরকারকে দিতে হতো ৬২ টাকা। এখন কম দিতে হবে ৩৭ টাকা।

আমদানি করা চালের মূল্য আগের চেয়ে কম পড়লে দেশি উৎপাদকরা প্রতিযোগিতার স্বার্থে দাম কমাতে বাধ্য হবে বলে আশা করছে এনবিআর। আর এর ফলে চালের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং ভোক্তারা কম দামে চাল কিনে খেতে পারবে।

চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শুল্কহার কমানোর এই আদেশ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে এনবিআর।

চাল আমদানির ক্ষেত্রে শর্ত দেয়া হয়েছে, আমদানি করা চাল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের নামে পুনরায় প্যাকেটজাত করতে পারবে না। চাল বিক্রি করতে হবে প্লাস্টিক বস্তায়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকে এলসি খুলতে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ বাতিল হয়ে যাবে বলেও শর্ত দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
১০ টাকা কেজির চাল ১৫ টাকায় বিক্রি শুরু শুক্রবার
কুষ্টিয়ায় বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম
চালের দামে লাগাম পরাতে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cashback at 10 thousand outlets on Eid bKash payment

ঈদে বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার আউটলেটে ক্যাশব্যাক

ঈদে বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার আউটলেটে ক্যাশব্যাক
১১ জুলাই পর্যন্ত বিকাশ অ্যাপ, ইউএসএসডি কোড *২৪৭# মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা।

ঈদের কেনাকাটা আরও সাশ্রয়ী করতে দেশজুড়ে ১০ হাজার আউটলেট ও রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিকাশ জানিয়েছে, সারাদেশে ৩ হাজার ব্র্যান্ড ও মার্চেন্ট আউটলেটে লাইফস্টাইল সামগ্রী, পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট কিনে বিকাশ দিয়ে পেমেন্টে করলে দিনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ও অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।

অন্যদিকে দেশের ৭ হাজার রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে গ্রাহকরা সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন। রিটেইল দোকানগুলোতে ক্যাশব্যাক পেতে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে গ্রাহককে।

১১ জুলাই পর্যন্ত বিকাশ অ্যাপ, ইউএসএসডি কোড *২৪৭# মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা। এছাড়া প্রায় ৫০টি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কেনাকাটায়ও ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে।

অফারের আওতাভুক্ত সব মার্চেন্টের তালিকা এবং বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংকে- https://www.bkash.com/payment/।

বিকাশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজেও অফারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাবেন গ্রাহকরা।

আরও পড়ুন:
ঈদে অনলাইন কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ২০% ক্যাশব্যাক
নদীর ধারে অফিস, ‘টোপ মেরে’ আসে টাকা
গ্রাহক ভোগান্তির জন্য বিকাশকে দায় দিল ডেসকো
এক বছরে বিকাশের লোকসান ১২৩ কোটি টাকা
ডিএনসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স দেয়া যাবে বিকাশে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank gave a trolley at Kamalapur railway station

কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রলি দিল ইসলামী ব্যাংক

কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রলি দিল ইসলামী ব্যাংক
রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের কাছে ট্রলি হস্তান্তর করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রলি দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। স্টেশনে যাত্রীদের মালামাল বহনের সুবিধার্থে ট্রলি প্রদান করেছে ব্যাংকটি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে শনিবার রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের কাছে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রলি হস্তান্তর করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান ভূঁইয়া ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে প্রাণ-আরএফএলের চুক্তি
ডুয়্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড নিয়ে এলো ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
পুঁজিবাজারে আসছে গ্লোবাল ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton received the Rospa Gold Award in London

‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড' পেলো ওয়ালটন

‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড' পেলো ওয়ালটন
এই পদক অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে শিল্পখাতে উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করেন ওয়ালটন ইএইচএস বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী লিটন মোল্ল্যা।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটন লন্ডনভিত্তিক ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে। উন্নত কর্ম-পরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করায় লন্ডনের দি রয়েল সোসাইটি ফর প্রিভেনশন অফ এক্সিডেন্ট বা রোসপা শীর্ষক ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই স্বীকৃতি পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।

বাংলাদেশী উৎপাদনমুখী শিল্পখাতে ওয়ালটনই প্রথম এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে।

লন্ডনের চেশিয়ারে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। ওয়ালটনের পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি (ইএইচএস) বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ লিটন মোল্ল্যা। গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ এই তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারটি প্রদান করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।

ওয়ালটন গোল্ড ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার পেয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ হলো বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বীকৃত স্কিমগুলির মধ্যে একটি। এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রতি বছর প্রায় ৫০টি দেশ থেকে ২ হাজার কোম্পানি নাম এন্ট্রি করে।

ওয়ালটন এই পদক অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে শিল্পখাতে উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করেন ওয়ালটন ইএইচএস বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী লিটন মোল্ল্যা।

তিনি বলেন, ‘ওয়ালটনের উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এক বিশাল অর্জন। এই পুরস্কার দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে নতুন এক মাত্রা যোগ করলো। এই সম্মাননা ওয়ালটনের ‘ভিশন-২০৩০’অর্জনের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।’

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আঞ্জুম বলেন, ‘উচ্চমানের পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি। যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।’

তিনি বলেন, ‘এসডিজির ৩, ৮ ও ৯ নাম্বার লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত, পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কর্মসুযোগ সৃষ্টি এবং স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং অভিঘাতসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ রোসপা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ওয়ালটন।’

‘মর্যাদাকর এই পুরস্কার “বেটার বাংলাদেশ টুমরো” শীর্ষক উদ্যেগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যামাত্রা অর্জনে ওয়ালটন পরিবারকে আরো অনুপ্রাণিত করবে।’

আরও পড়ুন:
গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ২০ লাখ পেলেন আরও দুই ক্রেতা
ওয়ালটনের দ্বাদশ প্রজন্মের নতুন গেমিং ল্যাপটপ
ঈদে কম্পিউটার পণ্যে ওয়ালটনের বিশেষ সুবিধা
ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের বাজারে ওয়ালটনের নতুন মাইলফলক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Russell of Evali is not giving the password the customers money is stuck

পাসওয়ার্ড দিচ্ছেন না ইভ্যালির রাসেল, আটকে গ্রাহকের টাকা

পাসওয়ার্ড দিচ্ছেন না ইভ্যালির রাসেল, আটকে গ্রাহকের টাকা সংবাদ সম্মেলনে ইভ্যালির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ছবি: নিউজবাংলা
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‌‘এক পাসওয়ার্ডেই আটকে আছে ইভ্যালির গ্রাহকদের অর্থ। বারবার ধরনা দিয়েও সিইও মোহাম্মদ রাসেলের কাছ থেকে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করতে পারেনি পরিচালনা পর্ষদ।’

বারবার ধরনা দিয়েও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলের কাছ থেকে মূল সার্ভারের পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা যায়নি, এ কারণে আটকে আছে গ্রাহকদের টাকা।

ইভ্যালির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক প্রতিষ্ঠানের ধানমন্ডি কার্যালয়ে অডিটের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‌‘এক পাসওয়ার্ডেই আটকে আছে ইভ্যালির গ্রাহকদের অর্থ। বারবার ধরনা দিয়েও সিইও মোহাম্মদ রাসেলের কাছ থেকে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করতে পারেনি পরিচালনা পর্ষদ।’

তিনি বলেন, ‘ইভ্যালিরর কাছে এখন প্রায় ২৫ কোটি টাকার পণ্য রয়েছে। পাওনাদারদের তথ্য না পাওয়ায় ২৫ কোটি টাকার পণ্য থাকলেও তা দেয়া যাচ্ছে না। এর ব্যাংকে যে টাকা আছে, তা দিয়ে গ্রাহকদের পাওনা মেটানো সম্ভব নয়।’

এ মাসেই ইভ্যালির অডিট কার্যক্রম শেষ হবে এমন আশা প্রকাশ করে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চলতি মাসের শেষ নাগাদ ইভ্যালির অডিটের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া যাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সদস্য সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল আহসান, মাহবুবুল করিম, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

সংবাদ সম্মেলনের আগে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয়ের সামনে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিইও রাসেলের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন গ্রাহকরা।

তাদের দাবি, ইভ্যালির রাসেলকে মুক্তি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দিলে প্রতিষ্ঠান ঘুরে দাঁড়াবে। গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন। মার্চেন্ডরাও পাবেন। মিলবে বিনিয়োগকারীও।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা এক মামলায় ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও সিইও রাসেলকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়।

পণ্য অর্ডার দিয়ে টাকা জমার পর পণ্য ও অর্থ ফেরত না পেয়ে গত সেপ্টেম্বরে ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন এক গ্রাহক। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ অক্টোবর আদালত ইভ্যালির ব্যবস্থাপনায় পাঁচ সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেয়।

আরও পড়ুন:
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে রংপুরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ইভ্যালির লেনদেনের তথ্য জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
৯ মামলায় জামিন, তবে কারাগারেই থাকছেন ইভ্যালির রাসেল

মন্তব্য

p
উপরে