× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
Special discounts on interest waivers for private banks
hear-news
player
print-icon

বেসরকারি ব্যাংকে সুদ মওকুফে ‘বিশেষ’ ছাড়

বেসরকারি-ব্যাংকে-সুদ-মওকুফে-বিশেষ-ছাড়
বেশ কিছু দিন ধরে সুদ মওকুফ সুবিধা নিতে কয়েকটি ব্যবসায়ী গ্রুপ যে অপতৎপরতা শুরু করেছিল, এই সার্কুলারের মাধ্যমে তাদের সেই তৎপরতার সুযোগ করে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে সুদ মওকুফে ‘বিশেষ’ ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে যে সার্কুলার জারি করা হয়েছে, তাতে বেশ কৌশলের আশ্রয় নেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মঙ্গলবার এক সার্কুলারে বলেছে, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো আয় খাত বিকলন করে সুদ মওকুফ করতে পারবে না। ফলে বেসরকারি ব্যাংকগুলো আগের আয় থেকে সুদ মওকুফ করতে পারবে।

বেশ কিছু দিন ধরে সুদ মওকুফ সুবিধা নিতে কয়েকটি ব্যবসায়ী গ্রুপ যে অপতৎপরতা শুরু করেছিল, এই সার্কুলারের মাধ্যমে তাদের সেই তৎপরতার সুযোগ করে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ব্যাংকের পরিচালক, তাদের পরিবারের সদস্য ও পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে।

দেশের শীর্ষ দুই ব্যবসায়ী গ্রুপ একে অপরের ব্যাংক থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার সুদ মওকুফ সুবিধা নিয়েছে। যার অনাপত্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আরও অনেক গ্রুপ নিজেদের সুদ মওকুফ করে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর সবই বেসরকারি ব্যাংকের ঋণ।

এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মঙ্গলবার এই নির্দেশনা জারি করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মাকসুদা বেগমের সই করা সার্কুলারটি মঙ্গলবার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়।

তাতে বলা হয়েছে, গত ২২ এপ্রিল `সুদ মওকুফ সম্পর্কিত নীতিমালা প্রসঙ্গে’ শীর্ষক সার্কুলারে সুদ মওকুফ সংক্রান্ত নীতিমালা অবলোপনকৃত ঋণের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি না এ বিষয়ে অস্পষ্টতা নিরসনকল্পে এ মর্মে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, তফসিলি ব্যাংকের অবলোপনকৃত ঋণের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রেও উক্ত নীতিমালা অনুসরণীয় হবে। রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের আয় খাত বিকলন করে সুদ মওকুফ করা যাবে না।

ইতোপূর্বে জারি করা সার্কুলারে রাষ্ট্রায়ত্ত, বেসরকারি ও বিদেশি সব ব্যাংকের আয় খাত বিকলন করে সুদ মওকুফ করা যাবে না বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। নতুন নির্দেশনায় বেসরকারি ও বিদেশি মালিকানাধীন ব্যাংকের জন্য এ শর্ত তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন শুধু রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের আয় খাত বিকলন করে সুদ মওকুফ করতে পারবে না।

মঙ্গলবারের সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, ‘সুদ মওকুফে অপরিহার্য ক্ষেত্রে তহবিল ব্যয় আদায়ের শর্ত শিথিল করার জন্য এর যৌক্তিকতা নিশ্চিতকরণে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে নিরীক্ষা করে হেড অব ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স (এইচআইসিসি) এর মতামত গ্রহণ করতে হবে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেসরকারি এক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, “ব্যাংক পরিচালকেরা আগে নিজের ব্যাংক থেকে ইচ্ছেমতো ঋণ নিতেন। পরে আইনি বাধার কারণে সেই সুযোগ কমে যায়। এরপর শুরু হয় এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের পরিচালকদের আতাতের মাধ্যমে সীমার বেশি ঋণ নেওয়া। যার মাধ্যমে উভয় ব্যাংকের পরিচালকদের মধ্যে গড়ে ওঠে অশুভ জোট। এখন সেই পরিচালকেরা ‘অশুভ আঁতাত’ এর মাধ্যমে একে অপরের ঋণের পুরো সুদ মওকুফ করে নিচ্ছেন।”

এতে ব্যাংকিং খাতের বড় ক্ষতি হবে বলে জানান ওই ব্যাংকার।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি চট্টগ্রামভিত্তিক একটি গ্রুপের সব ঋণের সুদ মওকুফ করে দিয়েছে বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংক। আবার রাজধানীর একটি গ্রুপের ঋণের সুদ মওকুফ করে দিয়েছে ইসলামী ধারার ফার্স্ট সিকিউরিটি, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক। ফলে ব্যাংকগুলো পড়ছে ঝুঁকিতে। আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে জনগণের আমানত।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীদের বিদেশি মুদ্রার হিসাব খোলার সুযোগ
ব্যবসায় চলতি মূলধন ঋণসীমা বাড়ানোর সুযোগ
ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের ঋণের সুদ মওকুফ নয়
তিন বছরের জন্য কৃষি ঋণ পুনঃতফসিলে সুযোগ
ডলার বিক্রি করেও দামে লাগাম পরানো যাচ্ছে না

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Instructions to keep the ATM booth active at all times

এটিএম বুথ সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশ

এটিএম বুথ সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশ
নির্দেশনায় বলা হয়, অটোমেটেড টেলার মেশিনে (এটিএম) সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিতসহ কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা রাখা এবং এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

ঈদের ছুটিতে গ্রাহকের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), অনলাইন, ই-পেমেন্ট গেটওয়ে ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে লেনদেনের বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়।

দেশের সব ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, অটোমেটেড টেলার মেশিনে (এটিএম) সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিতসহ কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা রাখা এবং এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

পয়েন্ট অব সেলের (পিওএস) ক্ষেত্রে বলা হয়, সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করতে হবে, জাল জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট এবং গ্রাহককে সচেতন করতে হবে।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়, অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে করা লেনদেন ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে দুই ধরনের যাচাই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী সব ব্যাংক বা তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

ঈদের ছুটিকালীন সিস্টেমগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, লেনদেনের তথ্য এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহককে অবহিত করতে হবে।

এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের পরিশোধ সেবার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সতর্কতা অবলম্বনের জন্য গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

লেনদেনে গ্রাহক যেন কোনো রকম হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়াসহ সব সময় হেল্প লাইন চালু রাখতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
এটিএম বুথে টাকার টান, ভোগান্তি চরমে
এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banks open on Fridays and Saturdays

শুক্র ও শনিবার যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা

শুক্র ও শনিবার যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোরবানির পশুর হাটের নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখা শুক্র ও শনিবার চালু থাকবে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পশুর হা‌টসংলগ্ন ব্যাংকের শাখাগুলোতে বৃহস্পতিবার সান্ধ্যকা‌লীন ব্যাংকিং লেনদেন চলবে। ফলে রাত ৮টা পর্যন্ত সেবা চালু থাকবে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোরবানির পশুর হাটের নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখা বিশেষ ব্যবস্থায় শুক্র ও শনিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে।

রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে পশুর হা‌টসংলগ্ন ব্যাংকের শাখাসহ তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার জন্য শিল্পসংশ্লিষ্ট এলাকায় শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সম্প্রতি পৃথক পৃথক সার্কুলারে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পশুর হা‌টসংলগ্ন ব্যাংকের শাখাগুলোতে বৃহস্পতিবার সান্ধ্যকা‌লীন ব্যাংকিং লেনদেন চলবে। ফলে রাত ৮টা পর্যন্ত সেবা চালু থাকবে।

পাশাপাশি এসব এলাকায় শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে ব্যাংক। এ দুদিনও এসব এলাকায় ব্যাংক চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য এক নির্দেশনায় বলা হয়, ঈদুল আজহার আগে তৈরি পোশাকশিল্প-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল পরিশোধ ও ওই শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী, কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার জন্য ঢাকা, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাকশিল্প-সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পূর্ণ দিবস খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হলো।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ওই দুই দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থা চালু থাকবে। তবে ক্লিয়ারিং ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে উল্লিখিত এলাকার বাইরে অবস্থিত কোনো ব্যাংক শাখার ওপর চেক দেয়া যাবে না।

আরও পড়ুন:
এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
মোবাইল থেকে ব্যাংকে পাঠানো যাবে ৫০ হাজার টাকা
ঢাকার পশুর হাটসংলগ্ন ব্যাংক রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা
টেনশনমুক্ত বিশ্রাম নেব: গভর্নর
কমলাপুর রেলস্টেশনে ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Two thousand crore remittance in one day

এক দিনেই দুই হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

এক দিনেই দুই হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
প্রবাসী আয়ের এই জোয়ারের কারণে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামার যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তা আর নামবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে ঢল নেমেছে। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ততই বাড়ছে। বুধবার এক দিনেই ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারের বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা) টাকার অঙ্কে এক দিনের এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক দিনে এত রেমিট্যান্স দেশে আসেনি।

আর প্রবাসী আয়ের এই জোয়ারের কারণে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামার যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তা আর নামবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাজারে ডলারের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ব্যাংকগুলো আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারের দরের চেয়েও বেশি দামে রেমিট্যান্স দেশে আনছে। কোনো কোনো ব্যাংক ৯৫/৯৬ টাকায় প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দেশে আনছে।

এ হিসাবে টাকার অঙ্কে এই এক দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরও বেশি বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

রেমিট্যান্সপ্রবাহে নিম্নমুখী ধারায় শেষ হয়েছে ২০২১-২২ অর্থবছর। ৩০ জুন শেষ হওয়া এই অর্থবছরে ২১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ কম।

২০২০-২১ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

১০ জুলাই দেশে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। সেই উৎসবকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশুসহ প্রয়োজনীয় অন্য কেনাকাটা করতে অন্যান্যবারের মতো এবারও পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। সে কারণেই রেমিট্যান্সে উল্লম্ফন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এই সময়ে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির খুবই দরকার ছিল। নানা পদক্ষেপের কারণে আমদানি ব্যয় কমতে শুরু করেছে। রপ্তানির পাশাপাশি রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণে আশা করছি ঈদের পর মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, নতুন অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ছয় দিনে (১ থেকে ৬ জুলাই) ৭৪ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গড়ে প্রতিদিন এসেছে ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

এর মধ্যে প্রথম পাঁচ দিনে (১ থেকে ৫ জুলাই) এসেছিল ৫৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ৬ জুলাই বুধবার এসেছে ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

এর আগে কোনো ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে এমন উল্লম্ফন দেখা যায়নি। ঈদের ছুটির আগে আরও এক দিন (বৃহস্পতিবার) ব্যাংক খোলা। এ দিনেও একই হারে রেমিট্যান্স আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন সিরাজুল ইসলাম।

আর রেমিট্যান্সের এই উল্লম্ফনের কারণে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মে-জুন মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসার যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তা আর নামবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এবার আকুর আমদানি বিল একটু কম এসেছে, ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার এই বিল পরিশোধ করা হবে। তখন রিজার্ভ বেশ খানিকটা কমে আসবে। তবে ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামবে না।’

‘বুধবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪২ বিলিয়ন ডলার। ঈদের আগের এক দিনের রেমিট্যান্স যোগ হলে তা আরও বাড়বে। তখন সেখান থেকে ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার চলে গেলে রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের ওপরেই অবস্থান করবে।’

আমদানি ব্যয় বাড়ায় গত ৯ মে আকুর রেকর্ড ২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। এরপর সপ্তাহ খানেক রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে অবস্থান করে।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় কয়েক দিন পর অবশ্য তা ৪২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। বাজারে ডলারের সংকট দেখা দেয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে প্রচুর ডলার বিক্রি করায় সেই রিজার্ভ ফের ৪২ ডলারের নিচে নেমে আসে; একপর্যায়ে তা ৪১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে গিয়েছিল।

এর আগের মেয়াদে অর্থাৎ মার্চ-এপ্রিল মেয়াদে আকুর ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল শোধ করা হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল- প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি হয়েছে দেশে। এ হিসাবে বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের কিছু বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

গত বছরের ২৪ আগস্ট এই রিজার্ভ অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। তখন ওই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ১০ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যেত। তখন অবশ্য প্রতি মাসে ৪ থেকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হতো।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পরপর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রা মজুত থাকতে হয়।

আরও পড়ুন:
বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সৌদি প্রবাসীদের রাষ্ট্রদূতের খোলা চিঠি
প্রতিদিন ৬০০ কোটি টাকার বেশি পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা
রেমিট্যান্সে প্রণোদনা আগের মতোই
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে ৮১ মিশনে চিঠি
মে মাসে ১৬৭৮০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The embezzlement of Tk 12 crore is not a guarantee for the branch manager of Jamuna Bank

১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, যমুনা ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের জামিন নয়

১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, যমুনা ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের জামিন নয় ফাইল ছবি
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘১২ কোটি ১৬ টাকা আত্মসাতের মামলায় আসামি সওগাত আরমানকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। তার জামিন আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় আদালত।’

১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় যমুনা ব্যাংকের বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক সওগাত আরমানকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয়।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

তিনি বলেন, ‘১২ কোটি ১৬ টাকা আত্মসাতের মামলায় আসামি সওগাত আরমানকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। তার জামিন আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় আদালত।’

তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৯ জুলাই সকালে দুদকের বগুড়া জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ব্যবস্থাপক আরমানকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।

সওগাত আরমান যমুনা ব্যাংকের বগুড়া শাখায় ম্যানেজার (ব্যবস্থাপক) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন সময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা সরিয়ে নেন। পরে সেই টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করেন তিনি। এ অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে সওগাত আরমানের নামে মামলা করে। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Banks Executive Development Program held

ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হাবিবুর রহমান।

ইসলামী ব্যাংক ট্রেইনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমির (আইবিটিআরএ) উদ্যোগে ‘মহামারী পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনিরুল মওলা এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হাবিবুর রহমান।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা মুহাম্মদ কায়সার আলী ও ওমর ফারুক খান এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী।

সভাপতিত্ব করেন আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এসএম রবিউল হাসান। ব্যাংকের নির্বাহীরা এতে অংশগ্রণ করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
গাবতলী পশুর হাটে ইসলামী ব্যাংকের স্মার্ট বুথ
কমলাপুর রেলস্টেশনে ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ
কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রলি দিল ইসলামী ব্যাংক
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে প্রাণ-আরএফএলের চুক্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Banks smart booth at Gabtali Animal Market

গাবতলী পশুর হাটে ইসলামী ব্যাংকের স্মার্ট বুথ

গাবতলী পশুর হাটে ইসলামী ব্যাংকের স্মার্ট বুথ
এই বুথে নগদ টাকা জমা, পিওএস মেশিনের মাধ্যমে পশুর দাম ও হাসিলের টাকা পরিশোধ, এটিএম সেবা, অনলাইন লেনদেন, এমক্যাশ একাউন্ট খোলা এবং এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ স্মার্ট হাট’ প্রকল্পের আওতায় লিডিং পার্টনার হিসেবে রাজধানীর গাবতলী গরুর হাটে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ পরিচালনা করছে ইসলামী ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মেজবাউল হক সোমবার বুথের উদ্বোধন করেন বলে ইসলামী ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ জিয়াউল হক, পরিচালক সালাহউদ্দীন মাহমুদ এবং ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল ফায়েজ মুহাম্মাদ কামালউদ্দীন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হক, ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলামসহ ব্যাংকের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এই বুথে নগদ টাকা জমা, পিওএস মেশিনের মাধ্যমে পশুর দাম ও হাসিলের টাকা পরিশোধ, এটিএম সেবা, অনলাইন লেনদেন, এমক্যাশ একাউন্ট খোলা এবং এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনে ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ
কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রলি দিল ইসলামী ব্যাংক
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে প্রাণ-আরএফএলের চুক্তি
ডুয়্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড নিয়ে এলো ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Citibank is again the best in sustainability rating

সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ে ফের সেরা সিটি ব্যাংক

সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ে ফের সেরা সিটি ব্যাংক
চারটি সূচকের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক শীর্ষ ১০ ব্যাংকের তালিকা তৈরি করে। এগুলো হলো টেকসই অর্থায়ন নির্দেশক (সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স), সবুজ পুনঃঅর্থায়ন (গ্রিন রিফাইন্যান্স), সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম (সিএসআর) এবং মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমের টেকসই সক্ষমতা (কোর ব্যাংকিং সাসটেইনেবিলিটি)।

২০২০ ও ২০২১ সালের কার্যক্রমের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ‘সাসটেইনেবিলিটি রেটিং’-এ শীর্ষ ব্যাংকের পুরস্কার পেয়েছে বেসরকারি সিটি ব্যাংক।

ব্যাংকটি টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষ ১০ ব্যাংকের এই পুরস্কার জিতল।

গত ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘সাসটেইনেবিলিটি রেটিং রিকগনিশন’ অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মারুফ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

বুধবার ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সিটি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অফ ট্রেড সার্ভিসেস ফারুক আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান ও আবু ফরাহ মো. নাসের, নির্বাহী পরিচালক নুরুন নাহার, পরিচালক খোন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত এবং অতিরিক্ত পরিচালক চৌধুরী লিয়াকত আলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

চারটি সূচকের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক শীর্ষ ১০ ব্যাংকের তালিকা তৈরি করে।

এগুলো হলো টেকসই অর্থায়ন নির্দেশক (সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স), সবুজ পুনঃঅর্থায়ন (গ্রিন রিফাইন্যান্স), সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম (সিএসআর) এবং মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমের টেকসই সক্ষমতা (কোর ব্যাংকিং সাসটেইনেবিলিটি)।

বাংলাদেশের সবুজ প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারি এবং আর্থিক খাতে সিটি ব্যাংকের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। তারই স্বীকৃতিস্বরূপ সিটি ব্যাংকের এই অর্জন।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন সাসটেইনেবিলিটিকে ব্যাংকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে অভিমত দিয়েছেন।

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি জাতিসংঘের নেট জিরো ব্যাংকিং অ্যালায়েন্সে (এনজেডবিএ) সদস্যপদ লাভ করেছে। ব্যাংকটি শুধু তার নিজস্ব কার্যক্রম থেকে কার্বন নিঃসরণ কমাবে তা-ই নয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার ঋণদানকেও এর আওতাভুক্ত করবে। পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সিটি ব্যাংক সর্বদা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করে চলেছে।

আরও পড়ুন:
সিটি ব্যাংকের হোম লোন পাবেন বিপ্রপার্টির গ্রাহকরা
সিটি ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ডের লেনদেন শুরু
সিটি ব্যাংকের ৭০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
জাতিসংঘের নেট-জিরো ব্যাংকিংয়ের সদস্য হলো সিটি ব্যাংক
আরও তিন বছর সিটি ব্যাংকের নেতৃত্বে মাসরুর আরেফিন

মন্তব্য

p
উপরে