× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
Khulna Shipyard is building two high capacity tugboats
hear-news
player
print-icon

উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট বানাচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ড

উচ্চক্ষমতার-দুটি-টাগবোট-বানাচ্ছে-খুলনা-শিপইয়ার্ড
খুলনা শিপইয়ার্ডে সোমবার দুপুরে দুইটি টাগবোটের ক্লাসিফিকেশন সনদপত্র হস্তান্তর করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা শিপইয়ার্ডে সোমবার দুপুরে দুটি টাগবোটের কিল লেয়িং উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

পায়রা বন্দরের জন্য উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট নির্মাণ করছে খুলনা শিপইয়ার্ড।

৭০ টন বোলার্ড পুলবিশিষ্ট দুটি টাগবোট তৈরি করা হবে। নির্মাণ শেষ হলে এ দুটি হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বোলার্ড পুল ক্ষমতার টাগবোট।

সোমবার দুপুরে খুলনা শিপইয়ার্ডে দুটি টাগবোটের কিল লেয়িং উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দরের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। অচিরেই এটি দেশের আমদানি-রপ্তানির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই বন্দরকে কেন্দ্র করে প্রচুর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসছে।

পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, জাহাজ নির্মাণে খুলনা শিপইয়ার্ডের ঐতিহ্য রয়েছে। ভবিষ্যতেও পায়রা বন্দর ও খুলনা শিপইয়ার্ড পারস্পরিক উন্নয়নে এক সঙ্গে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজিজ। উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর এম মামুনুর রশীদসহ শিপইয়ার্ডের কর্মকর্তারা।

খুলনা শিপইয়ার্ড সূত্রে জানা যায়, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির টাগ বোট দুটিতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন হবে। এটা আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় যাতায়াতে সক্ষম।

বোট দুটি বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে। এ ছাড়া পায়রা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বন্দরে পরিণত করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The Bangladeshi youth received the Diana Award

ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি তরুণ

ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি তরুণ মো. আমিমুল এহসান খান। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক যুব-নেতৃত্বাধীন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান অ্যাওয়ারনেস-৩৬০ তে সিনিয়ির রিজিওনাল অফিসার পদে কর্মরত আমিমুল এহসান খান। তিনি সংগঠনটির প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও মিডিয়া অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক সম্মাননা ‘ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ মো. আমিমুল এহসান খান। ৪০টিরও বেশি দেশের তরুণ-তরুণীদের ক্ষমতায়ন এবং মাসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা প্রকল্প ও লিঙ্গ সমতা নিয়ে কাজ করার জন্য তিনি এই অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের এই সম্মাননা দেয়া হয়ে থাকে। সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য দেয়া সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার এটি।

আন্তর্জাতিক যুব-নেতৃত্বাধীন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান অ্যাওয়ারনেস-৩৬০ তে সিনিয়ির রিজিওনাল অফিসার পদে কর্মরত আমিমুল এহসান খান। তিনি সংগঠনটির প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও মিডিয়া অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আমিমুল ২০১৮ সালে অ্যাওয়ারনেস-৩৬০ তে যোগদান করেন। ওই সময় তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) প্রজেক্টের আয়োজন করতেন। সেখানে তিনি ছোট ছোট বাচ্চাদের থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষদের হাত ধোয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তা এবং পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন করতেন।

এছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের ঘরে বসেই কীভাবে স্বাস্থ্যসম্মত পুনরায় ব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন বানানো যায় তা শেখাতেন। মাসিক নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুসংস্কার দূরীকরণেও কাজ করতেন তিনি।

আমিমুল ৩০টিরও বেশি নারী ক্ষমতায়ন কর্মশালা ও ওয়াশ প্রকল্প আয়োজন করেছেন। এর মাধ্যমে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আমিমুলকে ২০১৮ সালের অ্যাওয়ারনেস-৩৬০ এর মেম্বার অফ দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি মালয়েশিয়ায় গিয়ে ইউনিভার্সিটি পুত্রমালয়েশিয়ার টিইডি-এক্স ইভেন্টে বাংলাদেশ ও অ্যাওয়ারনেস-৩৬০ এর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান।

লেখাপড়ার জন্য ২০২০ সালে জাপানে যাওয়ার পর আমিমুল পদোন্নতি লাভ করেন। এ পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করেন। তরুণরা নিজ নিজ দেশে কিভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে এবং জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে তা-ই এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।

বর্তমানে তিনি অ্যাওয়ারনেস ৩৬০-এর মাধ্যমে ৪০টিরও বেশি দেশের পাঁচ শতাধিক তরুণ-তরুণীকে ক্ষমতায়নে তিনি ভূমিকা রাখছেন।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে আমিমুল বলেন, ‘সমাজকল্যাণে আমার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে দেখে খুব ভাল লাগছে। এই সম্মাননা আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে, দেশ-বিদেশে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

‘শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশেও এখনো মাসিক নিয়ে অবহেলা ও কুসংস্কার রয়েছে। মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলার কারণে অনেকেই লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। আমি চাই সমাজে সব শ্রেণী-পেশার, সব লিঙ্গের মানুষ সুস্থ ও নিরাপদভাবে সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করুক।’

আমিমুল বর্তমানে জাপানের টোকিও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে লেখাপড়া করছেন।

আরও পড়ুন:
সিইউবির আনুশা পেলেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
IPS Solar boom in load shedding

লোডশেডিংয়ে আইপিএস-সোলারের রমরমা

লোডশেডিংয়ে আইপিএস-সোলারের রমরমা
কিন্তু সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা যারা এতদিন পেয়ে আসছে, তারা এই গরমে বিদ্যুতের যাওয়া আসায় অতিষ্ঠ। লোডশেডিংয়ের সময়টায় অন্তত যেন বৈদ্যতিক পাখা চালু রাখা যায়, সেটি নিশ্চিত করতে ঘরে আইপিএস স্থাপনের চেষ্টা চলছে।

রাজধানীর গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের ওয়ার্ল্ড পাওয়ার দোকানে গিয়ে দেখা মিলল সবুজ সরকারের।
দোকানটিতে আইপিএস কিনতে এসেছেন সবুজ সরদার। তিনি বলেন, ‘কিছুদিন হলো আমার বাচ্চা হয়েছে। ইদানীং প্রচুর লোডশেডিং হচ্ছে। গরমে বাচ্চার কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাচ্চার কথা চিন্তা করে আইপিএস কিনতে এসেছি।’

হঠাৎ ফিরেছে বিদ্যুতের যাওয়া আসার দিন। আর এতে করে সবুজের মতো মানুষ, যাদের আর্থিক সক্ষমতা আছে, তারা ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সুবিধার জন্য ভিড় করছেন আইপিএসের দোকানে।

গত এক যুগে দেশে দৃশ্যমান যে পরিবর্তন এসেছে, নিঃসন্দেহে তার ওপরের সারিতে ছিল বিদ্যুৎ খাত। এই খাতের দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হয়েছে আগেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, তরল গ্যাস বা এলএনজির অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য, এবং আরেক কাঁচামাল কয়লা সরবরাহেও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

এই পরিস্থিতিতে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পড়েছে প্রভাব। গত কয়েক বছর ধরে যে লোডশেডিং শব্দটি বিদ্যুৎ বিভাগ ব্যবহার করত না তারাই এখন লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সমস্যার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জনগণকে কারণ জানিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

কিন্তু সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা যারা এতদিন পেয়ে আসছে, তারা এই গরমে বিদ্যুতের যাওয়া আসায় অতিষ্ঠ। লোডশেডিংয়ের সময়টায় অন্তত যেন বৈদ্যতিক পাখা চালু রাখা যায়, সেটি নিশ্চিত করতে ঘরে আইপিএস স্থাপনের চেষ্টা চলছে।

আইপিএসের পাশাপাশি সোলার সিস্টেম এবং এসি/ডিসি লাইটের বিক্রিও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের ওয়ার্ল্ড পাওয়ার দোকানের বিক্রেতা আব্দুল মান্নান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ ঠিকমতো থাকে না। এই কারণে মানুষ এখন আইপিএস কিনছে। অবশ্য মানুষ এখন আইপিএস থেকে সোলার প্যানেলের দিকে বেশি ঝুঁকছে। এক সময় ঘরে ঘরে সোলার প্যানেল হয়ে যাবে। সোলার প্যানেলের বিক্রিও বেড়েছে।’

চাহিদার পাশাপাশি বেড়েছে দামও। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন ডলারের দাম বৃদ্ধি।

আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকটা মাল ইন্ডিয়া ও চায়না থেকে আসে। ৫০০ ওয়াট থেকে শুরু করে তিন হাজার ওয়াট পর্যন্ত আমরা বিক্রি করি। সকল প্রকারের আইপিএস এর দাম বেড়েছে।’

বাংলা পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স নামে আরেকটি দোকানের বিক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, ‘বর্ষার সময় প্রতিবছর কারেন্টের ঝামেলা করে তখন আইপিএস এর বিক্রি বাড়ে। আর এবার কারেন্ট তো খুব ঝামেলা শুরু করেছে। তবে সিলেট ও উত্তরবঙ্গে বিক্রি বেশি। দক্ষিণবঙ্গে বিক্রি কম। ঢাকায়ও বিক্রি ভালো।

তানভির ইলেকট্রিকের কর্মচারী মো. বিজয় বলেন, ‘সারা দেশেই আমাদের এখান থেকে মাল যায়। এখন এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লোডশেডিং হয়, তাই এসি/ডিসি বাল্বের চাহিদা বেড়েছে। গত এক মাস ধরে বিক্রি বেড়েছে।’

রাজধানীর খিলগাঁও থেকে তানভির ইলেকট্রিকে পাইকারি মুল্যে ইলেকট্রিক পণ্য কিনতে এসেছিলেন মো. হোসাইন।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিনের লোডশেডিংয়ের কারণে এসি/ডিসি লাইটের বিক্রি বেড়েছে। আজকে দুই ডজন এই লাইট নিলাম।’

একই মার্কেটের আরেক বিক্রেতা ফারহানা ইলেকট্রিকের রবিউল আলম বলেন, ‘আগে যদি আগে যদি ১০টা লাইট বিক্রি করতাম এখন ২০ থেকে ৩০টা লাইট বিক্রি করি। এক কথায় দ্বিগুণের বেশি বিক্রি হচ্ছে।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
DU teachers have to leave home High Court

ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট

ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদ হাসান খান। ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিক্ষক মোর্শেদ হাসান। যা মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত খারিজ করে দেয়।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদ হাসান খানকে বাসা ছাড়তে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেয়া নোটিশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। তাই তাকে বাসা ছাড়তেই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে মোর্শেদ হাসানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘মোর্শেদ হাসানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার বাসা ছাড়তে গত ২৯ জুন নোটিশ দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিক্ষক মোর্শেদ হাস। যা মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত খারিজ করে দেয়।’

২০১৮ সালের ২৬ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের স্বাধীনতা দিবস সংখ্যায় তার লেখা ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে এক নিবন্ধে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের অভিযোগ আনে ছাত্রলীগ।

এ ঘটনায় তাকে বরখাস্ত করার দাবিতে আন্দোলনের পাশাপাশি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও ওই লেখার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সিন্ডিকেটের এক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া

এরপর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাকরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী বাসা ছেড়ে দেয়ার কথা। কিন্তু সেটি তিনি না করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বাসা ছাড়তে নোটিশ দেয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Judgment issued with the introduction of biometric system in prisons

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন করতে নির্দেশনামূলক হাইকোর্টের রায় প্রকাশ করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল রাজধানীর খিলগাঁও থানায় হওয়া মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

বদলি সাজা খাটা রোধে এবং প্রকৃত আসামি শনাক্তে দেশের কারাগারগুলোতে পর্যায়ক্রমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন করতে নির্দেশনামূলক হাইকোর্টের রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির।

ছয় পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি লিখেছে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো.মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রায়ে বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সব থানায় আসামির হাতের আঙ্গুল ও তালুর ছাপ, চোখের মণি, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন করা, গ্রেপ্তারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি ধারণ ও কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণ করা, এবং দেশের সব কারাগারে আঙ্গুল ও হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণির সংরক্ষণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ সিস্টেম চালু করতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল রাজধানীর খিলগাঁও থানায় হওয়া মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

এরপর ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের জামিন পেয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। তিনি জহির উদ্দিন নামেই আদালতে জামিনের আবেদন করেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। এরপর ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। জহির উদ্দিন সেই পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে গত বছরের ১০ মার্চ জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করা হয়।

পাশাপাশি নোয়াখালীর জহির উদ্দিন ওই মামলার প্রকৃত আসামি কি-না, তা তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালতের নির্দেশে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সারোয়ার আলমের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নয়। প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

আরও পড়ুন:
কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির অগ্রগতি জানতে চায় হাইকোর্ট
আসামি শনাক্তে কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
PK Haldar again in jail custody

জেরায় বাংলাদেশ-ভারতের একাধিক প্রভাবশালীর নাম বলেছেন পি কে

জেরায় বাংলাদেশ-ভারতের একাধিক প্রভাবশালীর নাম বলেছেন পি কে
তৃতীয় দফার ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে মঙ্গলবার পি কে হালদারসহ ৬ অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালত আরও ১৫ দিন জেলহাজতে রাখা নির্দেশ দেয়। ২০ জুলাই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইডির আইনজীবী।

বাংলাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালানো প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার এবং তার ৫ সহযোগীর জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে হেফাজতে পি কে হালদার ও সহযোগীদের জেরা করে অর্থ জালিয়াতি এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

তৃতীয় দফার ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে মঙ্গলবার পিকে হালদারসহ ৬ অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালত এই নির্দেশ দেয়।

পরবর্তী শুনানির জন্য তাদেরকে ২০ জুলাই আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। ওইদিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী।

অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, জেল হেফাজতে পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের জেরা করে অর্থ জালিয়াতির এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ভারতের প্রভাবশালী একাধিক ব্যক্তির নাম বেরিয়ে এসেছে। বাংলাদেশেরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম জানা গেছে।

বাংলাদেশের এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলার প্রধান আসামি পি কে হালদার।

পি কে হালদার চক্র জালিয়াতির টাকা হাওলার মাধ্যমে ভারত এবং অন্যান্য দেশে পাচার করে দিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর থেকে পি কে হালদারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নেয় ।

প্রথমে ৩ দিন, পরে আদালতের নির্দেশে আরও ১০ দিনের জন্য অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেয় ইডি। এরপর প্রথম পর্যায়ে ১১ দিন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে ২১ জুন অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে আবারও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

ইডির তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বহু জমি-বাড়ি ফ্ল্যাটের সন্ধান পেয়েছেন। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, অবৈধ পাসপোর্ট, আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ পাচারের মামলা করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের পি কে হালদার, ভারতের নীরব মোদি
পি কেকে ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গে যাবে কমিটি
পি কে হালদারকে ফেরত চেয়ে ইন্টারপোলে আবার চিঠি দুদকের
পি কে হালদারের নামে আরেক মামলা দুদকের
পি কে হালদারকে ফেরাতে দুদকের কমিটি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The bus owners behind the motorcycle stop

‘মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকরা’

‘মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকরা’ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন মোটরসাইকেল চালকরা। ছবি: নিউজবাংলা
মোটরসাইকেলচালক মমিন তাজ বলেন, ‘ঈদে বাসমালিকদের আয় কমে যাওয়ার ভয় থেকেই তারা ওপর মহলে চাপ সৃষ্টি করে এই বাইক চলাচল বন্ধ করেছে। আমরা ঝামেলাবিহীনভাবে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়কে বাইক চলাচলের অনুমতি চাই।’

মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের কারণ হিসেবে বাসমালিকদের হিংসাত্মক মনোভাবকে দুষলেন বাইকচালকেরা। এ সময় সঠিক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলে অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বাইকচালকেরা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এই দাবি জানান।

মানববন্ধনে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকদের হিংসাত্মক মনোভাব রয়েছে দাবি করে বাইকচালক মমিন তাজ বলেন, ‘ঈদে বাসমালিকদের আয় কমে যাওয়ার ভয় থেকেই তারা ওপর মহলে চাপ সৃষ্টি করে এই বাইক চলাচল বন্ধ করেছে। আমরা ঝামেলাবিহীনভাবে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়কে বাইক চলাচলের অনুমতি চাই।’

বাইকচালক মেজবাহদ্দিন বলেন, ‘নিরাপত্তার ইস্যুতে আন্তমহাসড়কে বাইক চলাচল বন্ধ কার্যকরী সমাধান নয়। বরং মহাসড়কে আইনের প্রয়োগ করে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেয়া হোক। কেননা এই ঈদে বাড়ি ফেরার জন্য বাস-ট্রেনের টিকিট পাওয়া ঝামেলা। এ ছাড়া যাতায়াতেও কষ্ট।’

মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক বাইকচালক উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেলে আরও গতি চায় সরকার
এবার ফিরে আসার ‘মহাযুদ্ধে’ বাইক বাহিনী
নওগাঁয় বাইক দুর্ঘটনায় আহত ৭, আশঙ্কাজনক ৬

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The slope to return home through the Padma Bridge

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল ঈদে পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফিরতে রাজধানীল সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
‘আগে আরিচা হয়ে বাড়ি যেতাম, এখন মাওয়া হয়ে যাচ্ছি। পদ্মা সেতু হওয়ায় বাড়ি যাওয়া সহজ হয়ে গেছে। টিকিট পেতে একটু ঝামেলা হচ্ছে। তবে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। ঈদের আগে এটুকু ঝামেলা হবে এটাই স্বাভাবিক।’

পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা আরিচা ঘাট খুব কম ব্যবহার করছেন। আর ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু দিয়ে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে।

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা রুটে যাত্রীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গুলিস্তান এবং সায়দাবাদ বাস টার্মিনালেও। এ দুটি টার্মিনালে যাত্রীর ভিড় লেগেই আছে।

২৬ জুন পদ্মা সেতু খুলে দেয়ার পর থেকেই যাত্রীর চাপ রয়েছে এই রুটে। তবে শনিবার থেকে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঈদযাত্রার চাপ।

মো. শামীম তার পরিবার নিয়ে এসেছেন গুলিস্তান বিআরটিসি টার্মিনালে। পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরে গ্রামের বাড়ি যাবেন ঈদ করতে।

তিনি বলেন, ‘আগে আরিচা হয়ে বাড়ি যেতাম। এখন মাওয়া হয়ে যাচ্ছি। পদ্মা সেতু হওয়ায় বাড়ি যাওয়া সহজ হয়ে গেছে। টিকিট পেতে একটু ঝামেলা হচ্ছে। তবে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। ঈদের আগে এটুকু ঝামেলা হবে এটাই স্বাভাবিক।’

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল
ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফিরতে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ দেখা গেছে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে। ছবি: নিউজবাংলা

বিআরটিসির বাসচালক সুমন ব্যাপারী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত মাসের ২৬ তারিখ থেকেই যাত্রীর ভিড় বেড়েছে এই রুটে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে সেতু দেখার জন্য হলেও মানুষ বাড়ি যাচ্ছে। ঈদের কারণে চাপ আরও বাড়ছে।’

কাউন্টারে অনেক যাত্রী বাস দেরিতে ছাড়ার অভিযোগ তুলছেন। তাদের একজন ইয়াসিন গাজী বলেন, ‘বাস সময়মতো ছাড়ছে না। কাউন্টারে বললে বলে জ্যামে আটকে বাস।’

যাত্রীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিসি কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতা হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বাবুবাজার ব্রিজের পর থেকেই প্রচণ্ড জ্যাম। গাড়ি আসতে দেরি করছে, তাই গাড়ি ছাড়তে একটু দেরি হচ্ছে।’

ফাল্গুনী মধুমতী পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা মো. মনির বলেন, ‘আরিচা হয়ে মানুষ এখন বাড়ি যায় না। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ এখন পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যায়। যাত্রীদের প্রচুর চাপ। তবে টিকিট দিতে পারছি।’

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে টিকিট কাটতে যাত্রীর ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

গুলিস্তান থেকে লোকাল পরিবহনেও পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যাচ্ছে হাজারো যাত্রী।

প্রচেষ্টা পরিবহন গুলিস্তান থেকে ফরিদপুর ভাঙ্গা পর্যন্ত যায়। এই বাসের সুপারভাইজার মো. রাকিব বলেন, ‘লোকাল বাস হলে আমাদের বাসে যাত্রীর চাপ ভালোই। গত ঈদের থেকে এবারের ঈদে যাত্রী ভালো পাচ্ছি। গুলিস্তান থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ভাড়া নিচ্ছি ২৫০ টাকা।’

শুধু গুলিস্তান না সায়দাবাদ বাস টার্মিনালেও দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়।

দোলা পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা রাব্বি বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যাওয়া এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। তাই আরিচা হয়ে এখন আর খুব কম মানুষ বাড়ি যায়। পদ্মা সেতু হয়েই যাচ্ছে তারা।’

আরও পড়ুন:
‘টিকিট পাব কি না বুঝতে পারছি না’
পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
সড়ক সংস্কার ঈদের ৫ দিন আগে শেষ করার নির্দেশ
চলেন পূর্ণিমায় খালেদাকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাই: প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহ
পদ্মা সেতু নিয়ে ইতিবাচক সংবাদে তথ্যমন্ত্রীর ধন্যবাদ

মন্তব্য

p
উপরে