× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
Employees case Rafa Grameen Telecom for Rs 400 crore
hear-news
player
print-icon

কর্মীদের মামলা: ৪০০ কোটিতে রফা গ্রামীণ টেলিকমের

কর্মীদের-মামলা-৪০০-কোটিতে-রফা-গ্রামীণ-টেলিকমের
আদেশে আদালত বলে, ‘বাস্তবতার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, উভয়পক্ষ বন্ধুত্বপূর্ণভাবে আদালতের বাইরে সমস্যাটি সমাধান করে ফেলেছে। এ অবস্থায় এটি মামলা হিসেবে ধরে রাখার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। সুতরাং মামলাটি ডিসমিস করা হলো।’

চাকরিচ্যূত ১৭৬ কর্মীকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পরিশোধের পর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্যোক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আদালতের বাইরে বসেই দুই পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। এরপর তারা আদালতে বিষয়টি জানালে আদালত মামলাটি প্রত্যাহার ঘোষণা করে।

সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক কোম্পানি বেঞ্চ মামলা প্রত্যাহারের আদেশ দেয়।

আদেশে আদালত বলে, ‘বাস্তবতার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, উভয়পক্ষ বন্ধুত্বপূর্ণভাবে আদালতের বাইরে সমস্যাটি সমাধান করে ফেলেছে। এ অবস্থায় এটি মামলা হিসেবে ধরে রাখার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। সুতরাং মামলাটি ডিসমিস করা হলো।’

আদালতের প্রত্যাহারের আবেদন করেন ১৭৬ জনের পক্ষে আইনজীবী ইউসুফ আলী। আর গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।

আদেশের পরে গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষের আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের সঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমের দীর্ঘমেয়াদি একটা বিরোধ ছিল। এই বিরোধের প্রেক্ষিতে গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম মামলা করেন তারা। সবশেষ তারা গ্রামীণ টেলিকম অবসায়ন চেয়ে কোম্পানি কোর্টে একটা মামলা করে।

‘পরে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে কোর্টের বাইরে একটা সেটেলমন্টে হয়েছে। ফলে তাদের দাবি করা টাকার একটা অংশ তাদের দেয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আজকে তারা সব মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’

টাকার পরিমাণ কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।’

গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ চলে আসছিল।

একপর্যায়ে শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে তারা হাইকোর্টে আবেদন করেন। এ ছাড়া কোম্পানি আইনে একাধিক মামলা করে।

এ ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ কর্মী। পরে আরও অনেকেই যুক্ত হন সেখানে। ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকে তলবও করেছিল হাইকোর্ট। শেষপর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে ১৭৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী কোম্পানি কোর্টে আবেদনও করেন।

সব শেষ দুইপক্ষই কোর্টের বাইরে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়। আর প্রতিষ্ঠানটি ৪০০ কোটি টাকা দিতে রাজি হওয়ায় মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।

বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালে প্রথম মামলা করেন গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ১৪ কর্মী। পরে বকেয়া পাওনা চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ৯৩টি মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীরা।

ঢাকার শ্রম আদালতে সব মিলে ১০৭টি মামলা করা হয় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ১৪ কর্মী আরও ১৪টি মামলা করেন পাওনা টাকার জন্য।

২০২০ সালে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ না দিয়ে গ্রামীণ টেলিকম ৯৯ জনকে চাকরিচ্যুতি করে। এটি নিয়েও পরে আদালত পর্যন্ত গড়ান চাকরিচূত কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম পরিদর্শকের মামলা স্থগিত
আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ড. ইউনূস
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা
আদালত অবমাননা: ক্ষমা চাইলেন ড. ইউনূস
আদালত অবমাননার অভিযোগে ইউনূসকে তলব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Revenue income is around Rs 3 lakh crore

রাজস্ব আয় ৩ লাখ কোটি টাকা ছুঁইছুঁই

রাজস্ব আয় ৩ লাখ কোটি টাকা ছুঁইছুঁই
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের সব ভ্যাট কমিশনারেট এবং কর অঞ্চল থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য আসেনি। যে কারণে রাজস্বের হিসাব চূড়ান্ত হয়নি। আশা করা যাচ্ছে, কোরবানির ঈদের পর আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হবে।’

করোনাভাইরাস ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক সংকটময় সময়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে আরেকটি অর্থবছর পার করেছে বাংলাদেশ। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে এলেও পিছু হটেনি।

এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও বলা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছর ভালো ভাবেই পার হয়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক রাজস্ব খাতে।

সদ্যবিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এখনও প্রকাশ করেনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড- এনবিআর।

তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সমাপ্ত অর্থবছরে সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর-ভ্যাট, ও আয়কর মিলে ২ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ হয়েছে। এ সময়ে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১৪ শতাংশ ।

প্রবৃদ্ধির এই হার আগের বছরের চেয়ে কম হলেও আদায় বেড়েছে। আগের ২০২০-২১ অর্থবছর রাজস্বে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২০ শতাংশ। আদায় দুই লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।

বিদায়ী বছরে এনবিআরের মাধ্যমে রাজস্বের মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঘাটতি হতে পারে।

অবশ্য গেল অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রায় কোনো কাটছাঁট করা হয়নি। মূল লক্ষ্যমাত্রা যা প্রাক্কলণ করা হয়েছিল, সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রায় সেটিই বহাল রাখা হয়। ফলে ঘাটতি বেশি হয়েছে বলে জানান রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা।

মোট বাজেটের ৮৫ শতাংশ অর্থ জোগান দেয়া হয় এনবিআরের সংগৃহীত রাজস্বের মাধ্যমে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সবসময় চ্যালেঞ্জিং। কারণ, এটি সবসময় বেশি ধরা হয়। আমরা চেষ্টা করছি, লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছানোর। শিগগিরই ভালো ফল দেখতে পাবেন।’

নতুন অর্থবছরে এনবিআরকে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করতে হবে। বিশাল এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে কি-না এ প্রশ্নের জবাবে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘অবশ্যই। যদিও এ বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখা দেননি তিনি।’

জানা গেছে, গতবার আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আমদানি শুল্ক-এই তিনটি খাতের মধ্যে সবচেয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে আমদানিতে। তবে কিছুটা পিছিয়ে আছে ভ্যাটে।

আমদানি বৃদ্ধি ও আন্তজার্তিক বাজারে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় আমদানি শুল্ক আহরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই খাতে প্রায় ৯৩ হাজার কোটি টাকার শুল্ক আয় হয়।

এর মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় কাস্টমস হাউস চট্রগ্রাম থেকে এসেছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। বাকি শুল্ক আহরণ হয় স্থলপথের প্রধান শুল্ক বন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসসহ অন্য শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের মাধ্যমে আহরণ হয় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের সব ভ্যাট কমিশনারেট এবং কর অঞ্চল থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য আসেনি। যে কারণে রাজস্বের হিসাব চূড়ান্ত হয়নি। আশা করা যাচ্ছে, কোরবানির ঈদের পর আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রাজস্বব্যবস্থাকে বদলে দেব: এনবিআর চেয়ারম্যান
সংবাদমাধ্যমে এনবিআর কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ওপর কড়াকড়ি
১০ হাজার ভ্যাট মেশিন বসানো হবে
বাজেটের আগে দুই শতাধিক ‘বিলাসপণ্যে’ শুল্ক বাড়ছে
কোম্পানি করদাতারা ১৫ জুন পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold is Rs

স্বর্ণের দাম কমল ভরিতে ১১৬৬ টাকা

স্বর্ণের দাম কমল ভরিতে ১১৬৬ টাকা স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমেছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা।

ঈদের আগে কমল স্বর্ণের দাম। দেড় মাসের ব্যবধানে সবচেয়ে ভালো মানের মূল্যবান এই ধাতুটির দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমে ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকায় নেমে এসেছে।

অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও একই হারে কমেছে। বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দর কার্য‌কর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারসহ অন্যান্য মুদ্রার দাম নিম্নমুখী হওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা।

সবশেষ ২৬ মে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। ওই সময় সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কমল ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা কমানো হয়েছিল।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ৮ মার্চ দেশের বাজারে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তার চার দিন আগে ৪ মার্চ বাড়ানো হয়েছিল ভরিতে ৩ হাজার ২৬৫ টাকা।

এরপর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করায় ১৫ মার্চ দেশের বাজারে ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। ২১ মার্চ কমানো হয় ভরিতে আরও ১ হাজার ৫০ টাকা।

কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় ১১ এপ্রিল সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় ২৫ এপ্রিল প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়। ১০ মে একই পরিমাণ কমানো হয়েছিল।

দুই দফায় ভরিতে ২ হাজার ৩৩২ টাকা কমানোর পর ১৭ মে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়ানো হয়।

মাত্র চার দিনের ব্যবধানে ২১ মে সেই স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে দেয় বাজুস। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে স্বর্ণের দাম উঠে যায় ৮২ হাজার ৪৬৬ টাকায়।

স্বর্ণের দাম কমল ভরিতে ১১৬৬ টাকা

২৬ মে সেই স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকায় নামিয়ে আনা হয়। প্রায় দেড় মাস পর বুধবার আরও ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস।

বাজুসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে আমেরিকান ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম নিম্নমুখী। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটেও স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পেয়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে এই নতুন দর কার্য‌কর হবে।

দাম কমানোর কারণ জানতে চাইলে বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি মুহূর্তে গোল্ডের দাম ওঠানামা করছে। এই বাড়ছে তো ওই কমছে। গত দেড় মাসে দাম খানিকটা কমেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন মুদ্রার বিপরীতে ডলারের দামও কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে। সে কারণে সবকিছু হিসাব করে আমরাও গোল্ডের দাম কমিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতি মুহূর্তে বাজার পর্যবেক্ষণ করি। এখন বিশ্ববাজারে দাম কমছে; আমরাও কমিয়েছি। দেশে স্বর্ণের দাম বাড়া বা কমা নির্ভর করে আসলে বিশ্ববাজারের ওপর।’

‘তবে সাম্প্রতিক সময়ে গোল্ডের দাম উঠানামা করছে আসলে ডলারেরে উত্থান-পতনের উপর। ডলারের পাশাপাশি অন্যান্য মুদ্রার দামও উঠানামা করছে। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে,’ বলেন দেশের অন্যতম শীর্ষ স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আগারওয়ালা।

বিশ্ববাজারে বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম, ২.৬৫ ভরি) স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৭৬৩ ডলার ৪২ সেন্ট। সর্বশেষ ২৬ মে রাতে যখন স্বর্ণের দাম কমানো হয়, তখন প্রতি আউন্সের দাম ছিল ছিল ১ হাজার ৮৪৩ ডলার ৪৯ সেন্ট।

মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বাড়তে বাড়তে ২ হাজার ৬০ ডলারে উঠেছিল।

বৃহস্পতিবার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে লাগবে ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণ ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কমেছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা।

২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমে ৭৪ হাজার ৮৮৩ টাকা হয়েছে। এই দেড় মাস ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে এই মানের স্বর্ণ।

১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমে হয়েছে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৬৫ হাজার ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ৭৫৮ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৪৭৯ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাজুস। এতদিন ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রামে এক ভরি।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আগের দামেই বিক্রি হবে এই ধাতু।

আরও পড়ুন:
তিন কারে মিলল ১৩৫টি স্বর্ণের বার
আমিরাতপ্রবাসী যাত্রীর শরীরে বাঁধা স্বর্ণের ৩৪ বার
সৌদিপ্রবাসীর লাগেজে স্বর্ণের ২৮ বার
নেবুলাইজারে ১ কেজি সোনা
স্বর্ণের দাম কমল ভরিতে ২৯১৬ টাকা

মন্তব্য

২৪ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি, রোলস রয়েস জব্দ

২৪ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি, রোলস রয়েস জব্দ বারিধারায় জব্দ করা হয়েছে ২৭ কোটি টাকা দামের রোলস রয়েস। ছবি: সংগৃহীত
গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম ইপিজেডের মাধ্যমে আমদানি করা হয়েছিল। এরপর এর শুল্ক না পরিশোধ করেই অবৈধভাবে গাড়িটি গত ১৭ মে রাতে ইপিজেড থেকে বের করে ঢাকার বারিধারায় নিয়ে আসা হয়।

শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে একটি বিলাসবহুল রোলস রয়েস ব্র্যান্ডের গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

গাড়িটি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ব্র্যান্ড রোলস রয়েস ২০২১ মডেলের অত্যাধুনিক এসইউভি। গাড়িটি ৬৭৫০ সিসির, যার বাজারমূল্য ২৭ কোটি টাকা।

অবৈধভাবে এই গাড়িটি চট্টগ্রাম ইপিজেড থেকে বের করে ২৪ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী জানান, গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম ইপিজেডের মাধ্যমে আমদানি করা হয়েছিল। এরপর এর শুল্ক না পরিশোধ করেই অবৈধভাবে গাড়িটি গত ১৭ মে রাতে ইপিজেড থেকে বের করে ঢাকার বারিধারায় নিয়ে আসা হয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পারি গত ৪ জুলাই পর্যন্ত এই গাড়ির শুল্ক জমা হয়নি। গোয়েন্দা তৎপরতায় গাড়িটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের এমডির গুলশানের বারিধারার নিজ বাসভবনে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় জব্দ করা হয়েছে।’

জব্দ করা গাড়িটি শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় পড়বে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

জেডঅ্যান্ডজেড ইনটাইমস লিমিটেডের মাধ্যমে হংকং এবং বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য এ গাড়িটি আনা হয়। কিন্তু আমদানিকারক বেআইনিভাবে কাস্টমস শুল্কায়ন সম্পন্ন এবং শুল্ক-কর পরিশোধ না করে তার ব্যক্তিগত গ্যারেজে গাড়িটি লুকিয়ে রাখেন।

কাস্টমস আইন অনুযায়ী গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কী কারণে আমদানি করা গাড়িটি ছাড় হওয়ার ৭০ দিন পরও শুল্কায়ন করা হয়নি, সে বিষয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The first barge with naphtha from India to Bangladesh on protocol route

প্রটোকল রুটে ভারত থেকে বাংলাদেশের পথে পণ্যবাহী প্রথম বার্জ

প্রটোকল রুটে ভারত থেকে বাংলাদেশের পথে পণ্যবাহী প্রথম বার্জ প্রটোকল রুটে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দর থেকে ন্যাপথা নিয়ে একটি বার্জ রোববার বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ছবি: নিউজবাংলা
পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দরের আইওসি রিফাইনারি থেকে ১৮ কোটি টাকার ন্যাপথা নিয়ে রওনা হওয়া বার্জটি প্রথমে ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছবে। সেখান থেকে চালানটি যাবে নরসিংদী জেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে আমেরিকান প্রযুক্তিতে গড়ে ওঠা অ্যাকোয়া রিফাইনারিতে।

প্রটোকল রুটে প্রথমবারের মতো ভারত থেকে বাংলাদেশে দুই হাজার টন ন্যাপথা রপ্তানি করা হয়েছে।

রোববার ওটি সাংহাই এইট নামের একটি বার্জ পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দর থেকে ১৮ কোটি টাকা মূল্যের ন্যাপথা নিয়ে বাংলাদেশের অ্যাকোয়া রিফাইনারি সংস্থার উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নদীপথে বার্জ যাত্রার সূচনা করেন হলদিয়া বন্দরের ডেপুটি চেয়ারম্যান অমল কুমার মেহেরা এবং ইন্ডিয়ান অয়েলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পার্থ ঘোষ।

পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দরের আইওসি রিফাইনারি থেকে ১৮ কোটি টাকার ন্যাপথা নিয়ে রওনা হওয়া বার্জটি প্রথমে ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছবে। সেখান থেকে চালানটি যাবে নরসিংদী জেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে আমেরিকান প্রযুক্তিতে গড়ে ওঠা অ্যাকোয়া রিফাইনারিতে।

হলদিয়া বন্দরের ডেপুটি চেয়ারম্যান অমল মেহরা বলেন, ‘ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে প্রটোকল রুটে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগের কার্যকারিতা দিন দিন বাড়ছে। হলদিয়া বন্দর ও শিল্পগুলোর বাড়তি বাণিজ্যের সুযোগ করে দিয়েছে এই প্রটোকল রুট।’

প্রটোকল রুটের কার্যকারিতাকে গুরুত্ব দিয়ে হলদিয়া বন্দরের রপ্তানি বাড়াতে মাল্টিমোডাম হাব ও জেটি তৈরি করা হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রটোকল রুটে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী বাণিজ্যের সূচনা করেন ভারতের জাহাজ মন্ত্রী।

আইওসির ডিরেক্টর পার্থ ঘোষ বলেন, ‘হলদিয়া থেকে রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে হলদিয়া রিফাইনারির নতুন সম্পর্ক তৈরি হলো। ন্যাপথা ছাড়াও বাংলাদেশে হাই স্পিড ডিজেল, হার্সেল অয়েল, সালফার পেটকোকের বিপুল চাহিদা রয়েছে। আগামী দিনে এই পণ্যগুলো বার্জে করে বাংলাদেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হলো।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The bank adjacent to Dhakas cattle market is open till 8 pm

ঢাকার পশুর হাটসংলগ্ন ব্যাংক রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা

ঢাকার পশুর হাটসংলগ্ন ব্যাংক রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা পশুর হাট সংলগ্ন ব্যাংক রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোরবানির পশুর হাটের নিকটবর্তী ব্যাংক শাখা বিশেষ ব্যবস্থায় ৭ জুলাই বিকেল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। এছাড়া ৮ ও ৯ জুলাই শুক্র ও শনিবার এসব শাখার কার্যক্রম সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে।

রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে পশুর হা‌ট সংলগ্ন ব্যাংকের শাখায় বিশেষ ব্যবস্থায় ঈদের আগে তিনদিন রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কোরবানির পশুর হাটগুলোয় প্রচুর ব্যবসায়ীর সমাগম ঘটে। এসব হাটে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হয়। ফলে হাটগুলোয় আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তার বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির পশুর হাটগুলোর কাছেই বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে। হাটগুলোর নিকটবর্তী এসব ব্যাংকের শাখা ব্যবহার করে ব্যবসায়ীরা তাদের পশু বিক্রির অর্থ লেনদেন করতে পারেন।

এ ছাড়া পশুর হাটে ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ খোলা হলে ব্যবসায়ীরা তা থেকে সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোরবানির পশুর হাটের নিকটবর্তী ব্যাংক শাখা বিশেষ ব্যবস্থায় ৭ জুলাই বিকেল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। এছাড়া ৮ ও ৯ জুলাই শুক্র ও শনিবার এসব শাখার কার্যক্রম সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে।

প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কোরবানির পশুর হাটে স্বীয় বিবেচনায় অস্থায়ী বুথ স্থাপন করতে হবে।

চলমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় হাটগুলোতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

এসব শাখায় বাড়তি সময় ও বন্ধের দিনে সেবা চালু রাখলে অতিরিক্ত সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ ভাতা দিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল
ট্রেন আসতে দেরি করায় ছাড়তে দেরি
গরুর চামড়া বর্গফুটে বাড়ল ৭ টাকা, খাসির ৩
প্রথম দিনেই ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়, ভোগান্তি
ঈদে বাড়তি চাপ নেই আকাশপথে

মন্তব্য

বিজিএমইএ-এর নতুন লোগো

বিজিএমইএ-এর নতুন লোগো
ফারুক হাসান বলেন, ‘এটি একটি ডাইনামিক লোগো যাতে ৯টি অগ্রাধিকার সম্পন্ন বিষয়কে ডটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলোর প্রত্যেকটিরই স্বতন্ত্র অর্থ আছে।’

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পমালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ তাদের লোগোতে পরিবর্তন এনেছে।

টেকসই শিল্প নির্মাণের প্রত্যয় নিয়ে মঙ্গলবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নতুন লোগো উন্মোচন করেন। এতে নয়টি অগ্রাধিকার সম্পন্ন বিষয়কে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পোশাক শিল্পের জন্য নতুন রূপকল্প প্রণয়নের ঘোষণা দেয়া হয়।

ফারুক হাসান বলেন, ‘প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তনের সঙ্গে পোশাক শিল্প এমন একটি জায়গায় পৌছেঁছে, যে শিল্পের প্রচলিত নিয়মগুলো খাটছে না, প্রায়শই চ্যালেঞ্জের সম্মুক্ষীন হতে হচ্ছে। শিল্পকে আরও এগিয়ে নেয়ার জন্য পণ্যেও ডিজাইন পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, লিড টাইম হ্রাস করা, সর্বশেষ প্রযুক্তি গ্রহণ, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং কারখানাগুলোকে আরও টেকসই করার কোন বিকল্প নেই।’

‘আর এ প্রচেষ্টাগুলো শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে জ্ঞানার্জনের জন্য আমরা উত্তরায় বিজিএমইএর প্রধান কার্যালয়ে নতুন সেন্টার ফর ইনোভেশন, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ প্রতিষ্ঠা করেছি। এই কেন্দ্রের লক্ষ্য হচ্ছে- পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং করা।’

তিনি বলেন, ‘পোশাক শিল্পের মুখপাত্র সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনটি শিল্পকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং সময়ের প্রয়োজনে শিল্পকে এগিয়ে নিতে যখন যে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন তাই নিচ্ছে। পোশাক শিল্পকে টেকসই উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেয়ার জন্য বিজিএমইএ শিল্পের জন্য একটি টেকসই শিল্পায়নে রোডম্যাপ তৈরি করতে যাচ্ছে, যা সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হচ্ছে।’

‘যেহেতু বিজিএমইএ আমাদের পোশাক শিল্পের মূখপাত্র, তাই এই শিল্পের এগিয়ে যাওয়া এবং ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য বিজিএমইএর নিজস্ব ব্র্যান্ডিংও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই আমরা বিজিএমইএর অতীত ঐতিহ্যকে অটুট রেখে আগামীর টেকসই শিল্প নির্মাণের প্রত্যয় নিয়ে বিজিএমইএর কর্পোরেট আইডেনটিটি অর্থাৎ লোগোতে পরিবর্তন এনেছি।’

‘আমরা মনে করি বিজিএমইএর রিনিউড ভিশন বা নতুন প্রত্যয় সমগ্র পৃথিবীতে আমাদের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট বার্তা প্রদান করবে। এটি একটি ডাইনামিক লোগো যাতে ৯টি অগ্রাধিকার সম্পন্ন বিষয়কে ডটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলোর প্রত্যেকটিরই স্বতন্ত্র অর্থ আছে।’

বিজিএমইএ-এর নতুন লোগো

গত ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ৫২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফারুক হাসান বলেন, ‘তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে একসময় তাচ্ছিল্য করা হলেও নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি অসাধারণ অর্জন।’

‘গত ৫ দশকে যে অর্জনগুলো আমাদের দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি এনে দিয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অর্জন হলো প্রথম সারির তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে উঠে আসা।

‘আনন্দের বিষয় হলো- পোশাক শিল্পের ৪০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো আমাদের রপ্তানি আয় ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। আর আমাদের এই খাতটির ওপর ভর করেই এবার দেশেল মোট রপ্তানি আয় ৫২ দশমিক শূন্য আট ০৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে।’

‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি আয় অর্জন করতে পারাটা অনেক বড় অর্জন বলে আমরা মনে করি।’

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, বর্তমান সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, মিরান আলী, পরিচালক ব্যারিষ্টার শেহরিন সালাম ঐশী, আসিফ আশরাফ, মহিউদ্দিন রুবেল, হারুন অর রশিদ, নাভিদুল হক, ব্যারিষ্টার ভিদিয়া অমৃত খান, ইনামুল হক খান (বাবলু), ইমরানুর রহমান, হোসনে আরা নীলা, জায়ান্ট গ্রুপের পরিচালক শারমিন হাসান তিথীসহ অন্য পোশাক শিল্পমালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পাচার অর্থ বিনা প্রশ্নে দেশে আনার প্রস্তাবে বিজিএমইএর সমর্থন
পোশাকের ন্যায্য দর পেতে আইএলওর হস্তক্ষেপ চাইলেন রপ্তানিকারকরা
গ্যাস-বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর অনুরোধ বিজিএমইএর
দেশে সবুজ পোশাক কারখানা এখন ১৬১টি
পোশাক শিল্পের দ্যুতি বিশ্বকে দেখাতে ঢাকায় বিশাল আয়োজন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
BICM research seminar held

বিআইসিএমের গবেষণা সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিআইসিএমের গবেষণা সেমিনার অনুষ্ঠিত
সেমিনারটির উদ্বোধন করে বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘আজকের পেপারে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল আমরা দেখেছি। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কাজটি রেপ্লিকেট করার গুরুত্ব অপরিসীম।’

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) উদ্যোগে ‘বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার-১৩’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সংস্থাটির মাল্টিপারপাস হলে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের আলোচ্য বিষয় ছিল ‘ডু কো-অপ্টেড বোর্ডস অ্যাফেক্ট ফার্ম ম্যানেজারিয়াল অ্যাবিলিটি ইন দ্য ইউএস’।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওমানের ইউনিভার্সিটি অফ নিজওয়ার ইকোনোমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মাদ দুলাল মিয়া।

মূল প্রবন্ধে ড. মোহাম্মাদ দুলাল মিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখান। তিনি বলেন, ‘কো-অপ্ট বোর্ডের সদস্যরা ব্যবস্থাপনার ক্ষমতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। পুরুষ কো-অপ্ট সদস্যরা এই বিষয়ের প্রভাবক হিসেবে অন্তরায়। তবে নন-কোপ্ট সদস্যরা ব্যবস্থাপনাগত ক্ষমতা বাড়ায়। ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা নির্ধারণে নারী পরিচালকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা দেখা যায়।’

এই গবেষণার ওপর ভিত্তি করে ড. মোহাম্মাদ দুলাল মিয়া ফার্ম এবং পুঁজিবাজারের জন্য কিছু পরামর্শ দেন। বলেন, ‘করপোরেট গভর্নেন্স ফ্রেমওয়ার্কে বোর্ড কো-অপশনের সীমা নির্দিষ্ট করা উচিত। এ ছাড়া ব্যবস্থাপনাগত ক্ষমতা এবং দক্ষতা বাড়াতে বোর্ডে জেন্ডার বৈচিত্র্যকে উৎসাহিত করতে হবে।’

সেমিনারটির উদ্বোধন করে বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘আজকের পেপারে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল আমরা দেখেছি। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কাজটি রেপ্লিকেট করার গুরুত্ব অপরিসীম।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিআইসিএম পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা উন্নয়নে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, ডিপ্লোমা ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। সামনের দিনগুলোতে ইনস্টিটিউট গবেষণা পরিচালনার উপর অধিক গুরুত্বারোপ করবে।’

সেমিনারটিতে আলোচক হিসেবে হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দ্য ইউনিভার্সিটি অফ কুইনসল্যান্ডের ফাইন্যান্স স্কুল অফ বিজনেস বিভাগের প্রভাষক ড. হাসিবুল চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক তাহের জামিল।

সেমিনারে উপস্থিত আলোচকরা বৃহত্তর স্বার্থে ভবিষ্যতে ইনস্টিটিউটের সাথে গবেষণা সহযোগী হিসেবে কাজ করার ব্যাপারে প্রস্তাব রাখেন।

তারা বলেন, গবেষণাটির সুপারিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অল্টারনেটিভ কিছু পরিমাপকে এই তথ্যগুলোর ফলাফল দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশেও এ ধরনের গবেষণা পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক সাফায়েদুজ্জামান খান। এতে বিআইসিএমের অনুষদ সদস্য, কর্মকর্তা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিআইসিএমের রিসার্চ সেমিনার- ১২ অনুষ্ঠিত
নারী বিনিয়োগকারীদের নিয়ে পুঁজিবাজার বিষয়ে প্রশিক্ষণ
বিআইসিএমের রিসার্চ সেমিনার-১১ অনুষ্ঠিত
বিআইসিএমের রিসার্চ সেমিনার-১০ অনুষ্ঠিত
ছোটদের ঋণ সহজ ও দ্রুত করবে ফিনটেক

মন্তব্য

p
উপরে