× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
Waltons digital campaign season 15 begins
hear-news
player
print-icon

ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৫ শুরু

ওয়ালটনের-ডিজিটাল-ক্যাম্পেইন-সিজন-১৫-শুরু
এই ক্যাম্পেইন আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনের ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে সারা দেশে শুরু হলো ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৫।

এই ক্যাম্পেইন আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনের ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। এছাড়া রয়েছে কোটি কোটি টাকার ওয়ালটন পণ্য ফ্রি।

১৬মে সোমবার থেকে গ্রাহকরা এসব সুবিধা পাচ্ছেন।

রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে রোববার এই ক্যাম্পেইন চালু এবং এর আওতায় ঈদ উৎসেব এসব ক্রেতাসুবিধার ঘোষণা দেয়া হয় বলে প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। ইতোমধ্যে সফলভাবে ক্যাম্পেইনের ১৪ টি সিজন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি সিজনেই গ্রাহকদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সিজন-১৫ শুরু করা হয়েছে। এর আওতায় ঈদ উৎসবে প্রতিষ্ঠানটি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক এবং কোটি কোটি টাকার ফ্রি পণ্যসহ বিভিন্ন ক্রেতাসুবিধার ঘোষণা দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, এমদাদুল হক সরকার, ইভা রিজওয়ানা নিলু ও হুমায়ূন কবীর, প্লাজা ট্রেডের সিইও মোহাম্মদ রায়হান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এস এম জাহিদ হাসান, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ফিরোজ আলম, হেড অব বিজনেস ইন্টেলিজেন্স আরিফুল আম্বিয়া, এসির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তানভীর রহমান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও সোহেল রানা, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঈদ উৎসবে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার এবং ফ্যান কেনার সময় পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর ক্রেতার দেয়া মোবাইল নাম্বারে এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্যাশব্যাকের পরিমাণ কিংবা ফ্রি পণ্য সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা কিংবা শোরুম ক্রেতাদেরকে প্রাপ্ত ক্যাশব্যাক কিংবা ফ্রি পণ্য বুঝিয়ে দেবে।

এক্ষেত্রে ওয়ালটনের সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পণ্যের ক্রেতা ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাবেন। আর কোটি কোটি টাকার ফ্রি পণ্যের মধ্যে থাকছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল ফোন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার, ফ্যান, আয়রন, এলইডি বাল্ব, এক্সটেনশন সকেট ইত্যাদি।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন।

আরও পড়ুন:
গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ২০ লাখ পেলেন আরও দুই ক্রেতা
ওয়ালটনের দ্বাদশ প্রজন্মের নতুন গেমিং ল্যাপটপ
ঈদে কম্পিউটার পণ্যে ওয়ালটনের বিশেষ সুবিধা
ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের বাজারে ওয়ালটনের নতুন মাইলফলক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
How long will it take to raise the cost of Padma bridge?

পদ্মা সেতুর খরচ উঠতে কতদিন লাগবে?

পদ্মা সেতুর খরচ উঠতে কতদিন লাগবে? ফাইল ছবি
পদ্মা সেতুর কারণে অর্থনীতিতে গতি আসবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে ১ দশমিক ২ শতাংশ থেকে দেড় শতাংশ পর্যন্ত। শুধু এই প্রাপ্তি হিসাবে নিলেই মাত্র ৯ মাসে পদ্মা সেতুতে ব্যয়ের সমপরিমাণ অর্থ যোগ হবে অর্থনীতিতে। তা ছাড়া সেতুতে প্রতিদিন যে টোল আদায় হবে, শুধু সেটা হিসাব করলে সাড়ে ৯ বছরে সরাসরি উঠে আসবে সেতুর নির্মাণব্যয়।

পদ্মা সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এই বিশাল বিনিয়োগের প্রাপ্তি হিসাবের দুটি উপায় আছে। একটি হলো মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বাড়তি প্রাপ্তি বিবেচনা, অন্যটি সেতু দিয়ে পারাপার হওয়া বিভিন্ন যানবাহন থেকে নির্দিষ্ট হারে টোল আদায়ের মাধ্যমে সরাসরি খরচ উঠিয়ে আনা।

কোন উপায়ে কত বছরে পদ্মা সেতুর ব্যয় উঠে আসতে পারে, সরকারিভাবে তার সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায় না। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সমীক্ষা এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নানা তথ্য-উপাত্ত থেকে এ বিষয়ে একটি ধারণা পাওয়া যায়।

এই সেতু দিয়ে দেশের ২৩ জেলায় প্রতিদিন ২১ হাজার ৩০০ যানবাহন চলাচল করবে, যা ২০২৫ সাল নাগাদ বেড়ে দাঁড়াবে ৪১ হাজার ৬০০। এদের সবার থেকে টোল বাবদ যে আয় হবে, শুধু তা দিয়ে সেতুর ব্যয় উঠে আসতে সময় লাগবে সাড়ে ৯ বছর।

অন্যদিকে সেতু চালু হওয়ার কারণে আগামী এক বছর বা ১২ মাসে অর্থনীতিতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বাড়তি প্রাপ্তি যোগ হবে চলতি বাজারমূল্যে ৪২ হাজার ৩৬২ কোটি ২১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, যা জিডিপির ১.২ শতাংশের সমান।

এই বিবেচনায় মাত্র ৯ মাসে উঠে আসবে ৩১ হাজার ৭৭১ কোটি ৬৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা, অর্থাৎ অর্থনীতিতে মাত্র এই ৯ মাসের প্রাপ্তি হবে পদ্মা সেতুর মোট ব্যয়ের সমান।

যে তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব

বিশাল বিনিয়োগের প্রকল্প শুরু করার আগে সেটি অর্থনৈতিকভাবে কতটা সুফল দেবে এবং তার প্রাপ্তি কতকাল ধরে অর্থনীতি পেতে থাকবে, তার আগাম সমীক্ষা করা হয়ে থাকে। প্রকল্পের গুরুত্ব বুঝে এ ধরনের সমীক্ষায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে সরকার এ মূল্যায়নে সম্পৃক্ত করেছে বিশ্বব্যাংক ও জাইকাকে। জাতীয়ভাবে সরকারও প্রকল্পের সমীক্ষা চালায়।
সম্ভাব্যতা জরিপে বলা হয়, সেতুটি নির্মিত হলে দেশের জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এতে ওই অঞ্চলের মানুষের আয় বাড়বে ১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৭ লাখ ৪৩ হাজার মানুষের।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সমীক্ষাতেও বলা হয়, জিডিপি বাড়বে ১ দশমিক ২ শতাংশ। আর বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষায় বলা হয়, পদ্মা সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে ১ শতাংশ হারে।

সরকারের দায়িত্বশীল একাধিক মন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে পদ্মা সেতুর প্রভাবে জিডিপি ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ার তথ্য দেন। এ ছাড়া দেশীয় একাধিক গবেষণা সংস্থার দাবি, জিডিপি বাড়বে দেড় থেকে দুই শতাংশ পর্যন্ত।

টোল থেকে ব্যয় তুলে আনার হিসাব

সেতু পারাপারে টোল হার কার্যকরের মাধ্যমে সরাসরি ব্যয় তুলে আনার বিষয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) একটি নিজস্ব গণনা পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতিকে যে এলাকায় সেতু নির্মিত হবে, ওই এলাকায় ফেরি পারাপার থেকে দৈনিক যে পরিমাণ টোল আদায় করা হয়, সেতু পারপারে তার দেড় থেকে দুই গুণ টোল ধার্য করার নিয়ম রয়েছে।

পদ্মা সেতুতেও টোল হার নির্ধারণ করার আগে ফেরিতে কী পরিমাণ টোল আদায় হয় এবং কী পরিমাণ যানবাহন পারাপার হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) থেকে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই সংস্থার তথ্য মতে, ২০২০ সালের নভেম্বরে মাওয়া এবং জাজিরার মধ্যে ফেরিতে যানবাহন পারাপারে দৈনিক ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

সেতু বিভাগ (বিবিএ) এ পরিসংখ্যানকে ভিত্তি ধরে প্রাথমিকভাবে দৈনিক ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা টোল আদায়ের আশা করছে। অর্থাৎ বিআইডব্লিউটিএর আয়ের দেড় গুণের বেশি এবং দুই গুণের কম আয়ের একটি মধ্যবর্তী ভিত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে টোল হার যেটিই নির্ধারণ করা হোক না কেন, ব্যয় উঠে আসার সময়সীমার ক্ষেত্রে পরিষ্কার কিছু বলা হয়নি। এ নিয়ে নানা গণমাধ্যমে বিচ্ছিন্নভাবে খবর হয়েছে। এতে সেতু বিভাগের প্রাথমিক সমীক্ষায় বলা হয়, ৩৫ বছরে উঠে আসবে পদ্মা সেতুর ব্যয়। একই ইস্যুতে দায়িত্বশীলদের কেউ কেউ বলছেন, সময় লাগবে ২০ থেকে ২৫ বছর এবং কেউ আবার ১৭ বছরের কথা বলছেন।

নিউজবাংলা এসব তথ্যের সূত্র ধরে অনুসন্ধান করে দেখেছে, টোল থেকে পাওয়া সমুদয় হিসাব বিবেচনায় নিলে সেতুর ব্যয় তুলে আনতে ৯ বছর ৫ মাস ৬ দিনের বেশি লাগবে না।

তবে এ হিসাবে সেতুর পরিচালন খরচ এবং এর সঙ্গে ১৪৭ কিস্তির ১ শতাংশ সুদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টোল হিসাবে যে রাজস্ব আসবে, সে হিসাবে পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয় উঠে আসার কথা ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। সেতুটি নিয়ে যখন প্রজেক্ট ডিজাইন করা হয়েছে, তখন এমন সম্ভাব্যতার কথাই বলা হয়েছে। তবে আদায় পর্যায়ে টোল হার বিবেচনায় এই সময় আরও কমবেশি হতে পারে।’

অন্যদিকে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোরুল ইসলাম মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, ১৭ বছরে উঠে আসতে পারে পদ্মা সেতুর ব্যয়।

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর টাকা সেতু কর্তৃপক্ষকে ১ শতাংশ হারে সুদে সরকারকে ফেরত দিতে হবে। ফিজিবিলিটি স্টাডিতে বলা হয়েছে, ২৪ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে টাকাটা (নির্মাণ ব্যয়) উঠে আসবে। এখন মনে হচ্ছে ১৬ থেকে ১৭ বছরের মধ্যেই টাকাটা উঠে আসবে, কারণ মোংলা পোর্ট যে এত শক্তিশালী হবে, পায়রা বন্দর হবে, এত শিল্পায়ন হবে, সেগুলো কিন্তু ফিজিবিলিটি স্টাডিতে আসেনি।’

জিডিপি বিবেচনায় সেতু থেকে বাড়তি প্রাপ্তির হিসাব

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সবশেষ পূর্ণাঙ্গ হিসাব আছে গত ২০২০-২১ অর্থবছরের। সেখানে টাকার অঙ্কে মোট দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ ৩৫ লাখ ৩০ হাজার ১৮৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

আগামী বছর পদ্মা সেতুর প্রভাবে জিডিপি দেড় শতাংশ বাড়লে অর্থনীতিতে প্রথম বছর এর বাড়তি অর্থমূল্য দাঁড়াবে ৫২ হাজার ৯৫২ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। জিডিপি ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়লে সার্বিক অর্থনীতিতে ৪৫ হাজার ৮৯২ কোটি ৪০ লাখ ২৪ হাজার টাকার বাড়তি স্ফীতি ঘটবে। আর জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়লে টাকার অঙ্কে জিডিপির বাড়তি প্রাপ্তি আসবে মোট ৪২ হাজার ৩৬২ কোটি ২১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। জিডিপি সর্বনিম্ন ১ শতাংশ ধরা হলে আগামী বছর জিডিপির অতিরিক্ত প্রাপ্তি মিলবে মোট ৩৫ হাজার ৩০১ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ‘আমরা সম্ভাব্যতার বড় জায়গাটায় না গেলাম, সর্বনিম্ন সমীক্ষাটিই যদি গ্রহণ করি, তাও তো জিডিপি বাড়ার হার ন্যূনতম ১ শতাংশ হবে। এটাই হলো আমাদের পদ্মা সেতু, যা বাংলাদেশের সক্ষমতা, সমৃদ্ধি, অহংকার ও সাহসের প্রতীক, যার স্বপ্ন দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর দেশের অর্থনীতিতে বিরাট বিস্ফোরণ ঘটেছিল, যার ধারাবাহিকতা এখনও আছে। পদ্মা সেতু চালুর ফলে আগামীর অর্থনীতিতে তার চেয়েও বড় বিস্ফোরণ ঘটাতে যাচ্ছে।


সম্ভাব্যতার ভিত্তি যেখানে

পদ্মা সেতুর কারণে দেশের দক্ষিণ-পর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৭টি জেলার কৃষি খাত বেগবান হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতে বিপ্লব ঘটবে। এতে শিল্পোৎপাদন বাড়বে। দ্রুত পণ্য আনা-নেয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ার প্রভাবে সারা দেশের বাণিজ্য নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে শিক্ষা ব্যবস্থায়। এ ছাড়া কুয়াকাটা, সুন্দরবনকে ঘিরে পর্যটন খাত বিকশিত হবে। ফলে হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠবে।

মোংলা বন্দর, পায়রা বন্দর ও এনার্জি হাব, ইপিজেড, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বরিশাল-পিরোজপুরে শিপ বিল্ডিং শিল্পসহ সার্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উল্লম্ফন দেখা যাবে কর্মসংস্থানে।

এখন জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের যেসব মানুষ জীবিকার তাগিদে ঢাকামুখী হয়েছে, তারা এলাকায় ফিরে যাবে এবং সেখানেই উৎপাদন, সেবা ও বাণিজ্যমুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে। এসবেরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে জিডিপি এবং টোল আদায়ে।

আরও পড়ুন:
পদ্মার পারে খুলনার ৫০ হাজার মানুষ
১২ হাজার মানুষ নিয়ে পদ্মা সেতু অভিমুখে এমপি শাওন
মাহেন্দ্রক্ষণের প্রতীক্ষা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The world famous Gree AC is involved in the dream Padma bridge

স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে জড়িয়ে বিশ্বখ্যাত গ্রি এসি

স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে জড়িয়ে বিশ্বখ্যাত গ্রি এসি দেশেই গ্রি এসি তৈরিতে কাজ করছেন কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সেতুর সার্ভিস পয়েন্ট, মাল্টিপারপাস হল, রিসোর্ট, মোটেল ম্যাচ, সুপারভিশন অফিস, ডরমেটরিসহ সব জায়গায় ব্যবহার হচ্ছে গ্রি এসি। এ সব পয়েন্টে ব্যবহার করা হয়েছে গ্রি এয়ারকন্ডিশনারের মাল্টি ভিআরএফ, স্প্লিট ওয়াল মাউন্টেড, সিলিং টাইপ, পোর্টেবল, ফ্লোর স্ট্যান্ডিং এবং ক্যাসেট এসি।

দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমে। মানুষের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেতু।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জাতীয় আয় বাড়বে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। প্রতি বছর দারিদ্র্য হ্রাস পাবে ১ দশমিক ০২ শতাংশ হারে। প্রতি বছর কর্মসংস্থান হবে ১ দশমিক ২ শতাংশ হারে।

যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত সেতুটি। অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে শনিবার।

এই সেতু আবেগ, জাতীয় অহংকার ও সাহসের আরেক নাম, সক্ষমতার প্রতীক। আর এই আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরেকটি নাম, গ্রি এসি।

সেতুর সার্ভিস পয়েন্ট, মাল্টিপারপাস হল, রিসোর্ট, মোটেল ম্যাচ, সুপারভিশন অফিস, ডরমেটরিসহ সব জায়গায় ব্যবহার হচ্ছে গ্রি এসি। এ সব পয়েন্টে ব্যবহার করা হয়েছে গ্রি এয়ারকন্ডিশনারের মাল্টি ভিআরএফ, স্প্লিট ওয়াল মাউন্টেড, সিলিং টাইপ, পোর্টেবল, ফ্লোর স্ট্যান্ডিং এবং ক্যাসেট এসি।

গ্রি এসি উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ ছিল চ্যালেঞ্জের কাজ। আর সেই চ্যালেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে তারা গর্বিত।

দেশে এসি উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম ইলেকট্রো মার্ট। তারা বাজারজাত করে গ্রি ব্যান্ডের এসি।

এক যুগ আগেও এসির ব্যবহার ছিল বিলাসিতা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে যাপিত জীবনের প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে যন্ত্রটি। বর্তমানে উচ্চবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও এটি ব্যবহার করছেন। শুধু রাজধানী শহরেই নয়, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের এর ব্যবহার প্রচুর।

এসব কারণে এসির বাজার দ্রুত বাড়ছে। উপজেলাতেও গড়ে উঠেছে শো রুম। বাজার বাড়তে থাকায় এখন দেশে উৎপাদন ও সংযোজনও হচ্ছে।

বড় হচ্ছে বাজার

বাংলাদেশ এয়ার কন্ডিশনিং ইকুইপমেন্টস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইআইএ) তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে এসির বাজার প্রায় ৩০ শতাংশ হারে বেড়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩৬২ কোটি টাকার ৫.৮৮ লাখ কম্প্রেসার ইউনিট (মূল উপাদান) আমদানি করা হয়। আগের বছর আমদানি করা হয় ১৬৫ কোটি টাকার ৩.৩৪ লাখ ইউনিট। করোনার কারণে কম্প্রেসার ইউনিটের আমদানি কমলেও বর্তমানে তা দ্রুত বাড়ছে।

এসি তৈরিতে প্রযুক্তির অভাবনীয় আগমন ঘটেছে। ইনভার্টার অথবা এয়ার পিউরিফিকেশন প্রযুক্তি বাজারে আসার কারণে বিদ্যুৎ বিল কম হচ্ছে।

করোনার আগে ২০১৯ সালে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার এসি বিক্রি হয়। পরের বছর করোনার বিধিনিষেধের সময় তা সাড়ে তিন লাখে নেমে আসে। তবে গত বছর বিক্রি বেড়ে প্রায় ৪ লাখে উঠেছে। চলতি বছর ৪ লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গ্রি এসির বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রো মার্টের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আফসার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এসি এখন অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্র হয়ে উঠেছে। এটা এখন আর বিলাসিতার জিনিস নয়। আধুনিক কর্মময় জীবনে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে কাজের মান, স্বাচ্ছন্দ্যময় কর্মপরিবেশ ও শারীরিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি এখন অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। তাই অন্যান্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের মধ্যে ঘরে জায়গা করে নিচ্ছে যন্ত্রটি।’

তিনি বলেন, ‘করোনায় সময় এসির বাজারে একটা বড় ধাক্কা এসেছিল, যা মানুষের ভুল ধারণা ছিল। বর্তমানে গ্রি এসিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি যেমন বায়োলজিক্যাল ফিল্টার, ক্যাচেইন ফিল্টার, সিলভার আয়রন ফ্লিটার এবং ক্লোজসমা এয়ার পিউরিফিকেশন টেকনোলজি থাকার কারণে ঘরের বাতাসের ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে সম্পূর্ণরূপে বিশুদ্ধ করে করোনা প্রতিরোধে সক্ষম। তাতে এখন আবার দ্রুত বিক্রি বাড়ছে। বর্তমানে দেশের এয়ারকন্ডিশনার চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ গ্রি পূরণ করে যাচ্ছে।’

দেশেই উৎপাদন

এক সময় দেশের এসির বাজারের পুরোটাই ছিল আমদানির্ভর। এ জন্য দামও ছিল বেশি। দেশে চাহিদা বাড়তে থাকায় ধীরে ধীরে কারখানাগুলো বিদেশ থেকে সরঞ্জাম এনে দেশে সংযোজন শুরু করে। আর এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে গ্রি এসি।

প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৮ সাল থেকে প্রায় দুই যুগের ও বেশি সময় ধরে বাজারজাতকরণ করে যাচ্ছে এবং ২০২০ সাল থেকে দেশেই এসি উৎপাদন করছে । এ কারণে দামও কিছুটা কমেছে। তবে মূল কমপ্রেসরসহ কিছু যন্ত্রাংশ আসছে বিদেশ থেকে।

আসছে নতুন নতুন প্রযুক্তি

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পথ চলাই গ্রির সাফল্যের অন্যতম কারণ। তাই তো নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে।

বাজারে এখন দুই ধরনের এসি পাওয়া যায়। ইনভার্টার ও নন-ইনভার্টার। এর মধ্যে ইনভার্টারের দাম কিছুটা বেশি। কারণ, এ ধরনের এসিতে বিদ্যুৎ খরচ কম। এটি ঘরের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসির শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে।

কেমন দাম

বাজারে ব্র্যান্ডভেদে এক টনের বিদেশি ইনভার্টার এসির দাম ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা। আর নন-ইনভার্টারের দাম ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। দেড় টন ইনভার্টার এসির দাম ৭৫ থেকে ৮৫ হাজার টাকা।

এবার গরমের শুরুতেই এসি কিনেছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মোহাম্মদ এহসান। একটি জেলা শহরের থাকেন তিনি।

এহসান বলেন, ‘গরমে বাচ্চাটা রাতে একদম ঘুমাতে পারে না। সারাদিন অফিস করে বাড়িতে ফিরে গরমে আমারও আর ভালো লাগে না। তাই প্রয়োজনের জন্যই এসি কিনেছি। রাতে যদি ভালো ঘুম না হয় তাহলে পরের দিন অফিসে মনোযোগ দিয়ে কাজ করা যায় না। এতে নিজের মধ্যেও এক ধরনের চাপ তৈরি হয়।’

বিদ্যুৎ খরচ কি অনেক বেশি?

প্রায় দুই বছর ধরে এসি ব্যবহার করছেন উত্তরার বাসিন্দা আমজাদ কবির। তিনি বলেন, ‘অনেকে মনে করেন, এসি কিনলে বোধহয় বিদ্যুৎ খরচ অনেক হবে। তাই পোষাতে পারবেন না। কিন্তু ব্যাপারটি আসলে তা নয়।’

তিনি বলেন, ‘দুই ধরনের এসি আছে। এর মধ্যে ইনভার্টারের দাম কিছুটা বেশি। একটু বেশি দাম দিয়ে ইনভার্টার এসি কিনলে বিদ্যুৎ খরচ তেমন বাড়বে না।’

ব্যবহার বেশি যেখানে

আমদানিকারক ও বিপণন সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ঢাকা শহরে এসি বেশি ব্যবহার হয়। তারপরেই রয়েছে চট্টগ্রাম। তবে এখন মফস্বল শহরগুলোতেও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।

তারা বলছেন, এসি ইনস্টল করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রুমের আকার, জানালার সংখ্যা, সূর্যমুখী জানালার সংখ্যা। এসব বিবেচনায় রেখে বেশিরভাগ মানুষই দেড় টন এসি ব্যবহার করে থাকে।

কেনার আগে অবশ্যই যা জানতে হবে

সেসব ঘরে এসি স্থাপন করতে হবে যেগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম হবে।

সাধারণত চার প্রকারের এসি বাজারে দেখা যায়। স্প্লিট ওয়াল মাউন্টেড, সিলিং টাইপ, পোর্টেবল এবং ক্যাসেট টাইপ।

বসবাসের জায়গা মধ্যম মানের তাপমাত্রার এলাকায় হলে এবং শুধু একটি ঠান্ডা বা গরম করতে হলে স্প্লিট টাইপ এসি উপযোগী। ঘরের বিদ্যমান ওয়ারিংয়েই সংযোগযোগ্য এবং ইনস্টল করা সহজ।

বর্তমানে খুব সহজে এসি স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।

ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেড গ্রি এসির প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রি ইনস্টলেশন এবং তিন বছর বিনা মূল্যে বিক্রয়োত্তর সেবা দিয়ে থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা এ বিষয়ে পুরোপুরি চিন্তামুক্ত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
পদ্মায় ফেরি আটকে আর ঝরবে না তিতাসের মতো প্রাণ
পদ্মা সেতু আত্মমর্যাদার প্রতীক: রওশন
পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার দৃঢ় সংকল্পের প্রমাণ: পাকিস্তান
পদ্মায় ফেরি বন্ধ
নৌকা নিয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিতে চান মিনারুল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Padma Bridge Hope for a clothing revolution in the south this time

পদ্মা সেতু: এবার দক্ষিণে পোশাক বিপ্লবের আশা

পদ্মা সেতু: এবার দক্ষিণে পোশাক বিপ্লবের আশা স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে শনিবার। ছবি: নিউজবাংলা
বরিশাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, ‘পদ্মা সেতু কমপক্ষে দুই লাখ কর্মসংস্থান করবে। অনেক পোশাক কারখানার মালিক ইতোমধ্যে বরিশাল ও পায়রা বন্দরকে সংযোগকারী মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পণ্য তৈরি করতে কারখানার মালিকরা ভোলা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আনার দাবি জানিয়েছেন। প্রায় ৫০ হাজার লোক পোশাক খাতে কাজ করার সুযোগ পাবে এই অঞ্চলে।’

পদ্মা সেতু চালু হলে রাজধানীসহ সারা দেশের সঙ্গে যাতায়াত সহজ হবে- এই বিবেচনায় বরিশাল অঞ্চলের ব্যবসায়িক উদ্যোগ ফরচুন গ্রুপ তার ব্যবসা বাড়াতে চাইছে।

গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বরিশাল বিসিক শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, তারা পটুয়াখালীতে কৃষিভিত্তিক কারখানা খোলার পরিকল্পনা করছেন, যেখানে অন্তত এক হাজার কর্মসংস্থান হবে।

ঝালকাঠি বিসিক এলাকায় একটি প্রযুক্তি কোম্পানি খোলার জন্য ছয় একর জমি নিয়েছে গ্রুপটি, যেখানে ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি ফরচুন সুজ ও প্রিমিয়ার সুজ কারখানায়ও লোকবল বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর কারখানার নির্মাণকাজ শুরু হবে। কারণ নির্মাণসামগ্রী তখন সহজেই পরিবহন করা যাবে।’

এই ব্যবসায়ী জানান, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের উন্নতির কারণে বেশ কিছু কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বরিশালে তাদের কারখানা খুলতে এগিয়ে আসছে।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি শিল্পায়নের আশাও করা হচ্ছে। বিশেষ করে পোশাক কারখানা স্থাপনের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী নেতাদের ধারণা, কয়েক লাখ মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান হবে দক্ষিণাঞ্চলে এই সেতুর কারণে।

বরিশালের গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলে গার্মেন্টস শিল্পের বিপ্লব ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বেশি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের গার্মেন্টস সেক্টরে এই অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ কাজ করে। সে হিসাবে এই অঞ্চলে দক্ষ জনবল রয়েছে। তারা ব্যয় কমিয়ে আনতে নিজ এলাকায় থেকে কাজ করতে আগ্রহী হবেন বেশি।

আবার পায়রা ও মোংলা বন্দরের সুবিধার কারণে শিল্প উদ্যোক্তাদেরও আমদানি-রপ্তানিতে চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় খরচ কমবে, ঝক্কিও কম পোহাতে হবে।

পদ্মা সেতু দিয়ে গ্যাস সরবরাহের লাইনও স্থাপন করা হয়েছে, ফলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। পোশাক কারখানার জন্য এই বিষয়টি জরুরি।

বরিশাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, ‘পদ্মা সেতু কমপক্ষে দুই লাখ কর্মসংস্থান করবে। অনেক পোশাক কারখানার মালিক ইতোমধ্যে বরিশাল ও পায়রা বন্দরকে সংযোগকারী মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেছেন।

‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পণ্য তৈরি করতে কারখানার মালিকরা ভোলা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আনার দাবি জানিয়েছেন। প্রায় ৫০ হাজার লোক পোশাক খাতে কাজ করার সুযোগ পাবে এই অঞ্চলে।’

সাংবাদিক অজয় দাশ গুপ্ত বলেন, ‘শিল্প সংস্থার অনুমান এক দশকে কেবল বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায় ৫০০ থেকে এক হাজার শিল্প স্থাপিত হবে। যেখানে ১০ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে।

‘কেবল মাছের আড়ত নয়, এই অঞ্চলের উদ্যোক্তারা আধুনিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন করতে পারেন। বড় আকারের লঞ্চ নির্মাণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জাহাজ নির্মাণ শিল্প স্থাপনেও বিনিয়োগ হতে পারে সমুদ্র উপকূলে। আর এতে করে বেকারত্ব ঘুচবে দক্ষিণাঞ্চলে।’

বরিশালের অ্যালেক্স জুতার স্বত্বাধিকারী আমির হোসেন বলেন, ‘ঢাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে আমার কারখানার উৎপাদন দ্বিগুণ হবে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৫০ জন কাজ করছে, তবে সেতু উদ্বোধনের পর শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়াবে ২০০-তে।’

বরিশাল বিসিকের জিম ফুড প্রডাক্টসের স্বত্বাধিকারী তাওহিদ হোসেন জামাল বলেন, ‘আমার কোম্পানিতে এখন প্রায় ১৫০ জন কাজ করছেন। সেতু চালু হওয়ার পর সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। আমাকে উৎপাদন বাড়াতে হবে, কারণ রাজধানীতে পণ্য পাঠাতে অনেক কম সময় ও ঝামেলা লাগবে।’

বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে বলেন, বরিশাল অঞ্চলে গণপরিবহনের সংখ্যা পাঁচ গুণ বাড়বে, যার জন্য আরও অন্তত ১০ হাজার পরিবহন শ্রমিক লাগবে। একই অবস্থা দেখা দেবে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও।’

কুয়াকাটা হোটেল অ্যান্ড মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন বলেন, ‘বছরব্যাপী এই বিভাগের পর্যটন স্পটগুলোতে, বিশেষ করে কুয়াকাটায় বেশি লোকের ভিড় করায় পর্যটন খাতে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বেশ কয়েকটি নতুন হোটেল এবং রেস্তোরাঁ এখন নির্মাণাধীন রয়েছে এবং তাদের পরিচালনার জন্য আরও লোকের প্রয়োজন হবে।’

বরিশাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টুও বলেন একই কথা। তিনি বলেন, ‘পর্যটন খাতেও প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হবে। কারণ, এই বিভাগে অসংখ্য পর্যটন স্পট রয়েছে যেগুলো এখন ব্রিজের কারণে দর্শনার্থীদের কাছে সহজলভ্য হবে।’

আরও পড়ুন:
কতটা আঘাত সইতে পারবে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের মহড়া
পদ্মার আশপাশের জমি এখন সোনার হরিণ
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: সাতক্ষীরা-পিরোজপুর থেকে যাচ্ছেন ৩৫ হাজার মানুষ
পদ্মা সেতু ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Pigeons will also fly for the sake of Padma

পদ্মার সুবাদে উড়বে পায়রাও

পদ্মার সুবাদে উড়বে পায়রাও পায়রা সমুদ্রবন্দর। ছবি: সংগৃহীত
সারা দেশের ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে এখনই ঝুঁকছে পায়রার দিকে। বন্দরের আশপাশ এলাকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার হিড়িক পড়েছে। এর পাশাপাশি খাদ্য ও মাছে উদ্বৃত্ত পটুয়াখালী থেকে পণ্য পরিবহন অনেক সহজ হবে।

দক্ষিণের অন্য সব জেলার মতো পটুয়াখালীবাসীর তরও আর সইছে না। এই সেতুর এখানকার পর্যটনের পাশাপাশি মৎস্য, খাদ্যশস্য আর পায়রা সমুদ্রবন্দরের আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

চট্টগ্রাম আর মোংলার তুলনায় সড়কপথে ঢাকাসহ সারা দেশে পণ্য আনা-নেয়া খুব সহজ হবে পায়রা দিয়ে। সেই প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে পায়রা কর্তৃপক্ষ।

বন্দরসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা যাবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হবে।

খাদ্যশস্য উৎপাদনে পটুয়াখালীর সুনাম আছে। দেশে উৎপাদিত মুগ ডালের অর্ধেকেরও বেশি হয় এখানে। দেড় হাজার কোটি টাকার তরমুজ আর সমপরিমাণ টাকার আমন ধান বিক্রি হয় এ জেলায়। পদ্মা সেতু চালু হলে এসব পণ্য ঢাকায় পরিবহন অনেক সহজ হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী কার্যালয়ের উপপরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, জেলাভিত্তিক আবাদ ও উৎপাদনে পটুয়াখালী বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। এক মৌসুমে চাল উৎপাদন ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭৯৮ টন। এ জেলায় মানুষের প্রয়োজন ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৬৫ টন। উদ্বৃত্ত ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৩ টন চাল অন্য জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে।

চলতি রবি মৌসুমে প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টন মুগ ডাল উৎপন্ন হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এর সিংহভাগই অন্য জেলায় পাঠানো হয়েছে।

চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২২ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে ১০ লাখ ৩০ হাজার ৫০ টন তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। সারা দেশে তরমুজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে পটুয়াখালী জেলা প্রথম অবস্থানে।

মহিউদ্দিন বলেন, ‘চাল, মুগ ডাল আর তরমুজ সরবরাহের ক্ষেত্রে ফেরিঘাটে নানা জটিলতা সৃষ্টি হতো বিগত বছরে। তরমুজ পচে যেত, দাগ পড়ে যেত। এতে ব্যবসায়ীরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতেন। যে কারণে ঢাকাসহ অন্যান্য বাজারে পটুয়াখালীর তরমুজের মূল্য থাকত চড়া। ভোক্তারা অনেক বেশি মূল্য দিয়ে তরমুজ ক্রয় করত।

‘কিন্তু এখন আর সেই দুশ্চিন্তা নাই। মানুষের হাতের নাগালের মধ্যে থাকবে এ এলাকার তরমুজ। ফলে প্রান্তিক চাষিরা ফসল বিক্রি করে তাদের ন্যায্যমূল্য নিতে পারবে।

‘এখানকার মুগ ডাল দেশের বাইরে বিশেষ করে চীন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। এই রুটের ফেরির ভোগান্তিতে ব্যবসায়ীরা ছিলেন অতিষ্ঠ। কিন্তু আগামী মৌসুমে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।’

পটুয়াখালীর সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, জেলার সাগর ও নদনদী থেকে ২০২০-২০২১ সালে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৯ টন দেশি, ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ ধরা হয়েছে। জেলায় চাহিদা ৩৬ হাজার ৯৪৩ টন। বাকি ৮৭ হাজার ৩৬ টন মাছ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ হয়ে থাকে।

‘ফেরিঘাটে ট্রাক ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় বরফ গলে মাছ নষ্ট হয়ে যেত। বিশেষ করে মাওয়া ঘাটে এ দুর্ভোগ ছিল চরমে। এখন এসব মাছ ঢাকাবাসীর হাতের নাগালে থাকবে। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে চলে যাবে এগুলো। এতে বজায় থাকবে প্রোটিনসহ মাছের গুণগত মান।’

সারা দেশের ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে এখনই ঝুঁকছেন পায়রার দিকে। বন্দরের আশপাশ এলাকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার হিড়িক পড়েছে।

পায়রা সমুদ্রবন্দরের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন, ‘পদ্মা সেতু আর পায়রা সমুদ্রবন্দর ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বন্দরের অন্যতম শর্ত সড়ক সংযোগ, যেটি নিয়ে এতদিন জটিলতা ছিল। কিন্তু ২৫ তারিখের পর এই সমস্যা আর থাকছে না। এখানে পণ্য খালাসের জন্য ফোর লেনের সড়ক অনেক আগেই হয়েছে।

‘পায়রা হবে একটি আধুনিক বন্দর। ইতোমধ্যে মূল টার্মিনাল নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের পথে। নাব্যতা সমস্যা দূর করতে ক্যাপিটাল ড্রেজিং কাজও চলছে। এই বন্দরে দেশি, বিদেশি অনেক জাহাজের আগমন ঘটবে। এতে আমাদের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।’

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দরের দূরত্বে সমান হলেও মোহাম্মদ সোয়াহেলের ধারণা, ব্যবসায়ীরা পায়রাকে বেছে নেবেন বন্দরের সুবিধা ও সড়কপথে যাতায়াত সহজতর বলে। সড়কে চাপ কম বলে চট্টগ্রামের চেয়ে দ্রুততর যাতায়াত করা যাবে।

সোহায়েল বলেন, ‘বন্দরকে কেন্দ্র করেই পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড নির্মাণ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এটি চালু হলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।’

আরও পড়ুন:
সভামঞ্চ পদ্মা সেতুর আদলেই
পদ্মা সেতু নিয়ে উচ্ছ্বসিত সেই বিশ্বব্যাংক
পদ্মা সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দানবীয় ক্রেন ‘তিয়ান-ই’
দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চসেবাতেও উন্নতির আশা
বদলে গেছে পদ্মা সেতুতে জমি হারানোদের জীবনও

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Commemorative note on the occasion of Padma bridge

পদ্মা সেতু উপলক্ষে স্মারক নোট

পদ্মা সেতু উপলক্ষে স্মারক নোট
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪৬ মিলিমিটার গুণক ৬৩ মিলিমিটার পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি রয়েছে।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার থেকে নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য শাখা অফিসে পাওয়া যাবে।

ফোল্ডার ছাড়া শুধু খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য ২০০ টাকা।

স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪৬ মিলিমিটার গুণক ৬৩ মিলিমিটার পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি রয়েছে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে পদ্মা সেতুর ছবি মুদ্রিত।

নোটের উপরিভাগে সামান্য ডানে নোটের শিরোনাম ‘জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতু’ লেখা রয়েছে।

নোটের ওপরে ডান কোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ১০০, নিচে ডান কোণে মূল্যমান বাংলায় ‘১০০’ এবং উপরিভাগে মাঝখানে ‘একশত টাকা’ লেখা রয়েছে।

নোটের পেছনভাগে পদ্মা সেতুর একটি ছবি দেয়া হয়েছে।

নোটের উপরিভাগে ডান দিকে নোটের শিরোনাম ইংরেজিতে ‘পদ্মা ব্রিজ দি সিম্বল অফ ন্যাশনাল প্রাইড ওয়ান হান্ড্রেড টাকা’ লেখা।

নোটের ওপরে বাম কোণে ও নিচের ডান কোণে মূল্যমান ইংরেজিতে ১০০ এবং নিচে বাম কোণে বাংলায় ‘১০০’ লেখা রয়েছে।

নোটের নিচে মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং এর বামপাশে ইংরেজিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডানপাশে ইংরেজিতে ওয়ান হান্ড্রেড টাকা’ লেখা।

নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির বামে মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা এবং ডানদিকে জলছাপ এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘২০০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত।

নোটের উভয় পাতায় ভার্নিশের প্রলেপ দেয়া।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে ড. ইউনূস কি থাকছেন
মানুষকে অভুক্ত রেখে পদ্মা সেতু নিয়ে উৎসব: ফখরুল
আওয়ামী লীগের ৭৩ বছরের পথচলা: একটি নির্মোহ মূল্যায়ন 
পদ্মা সেতুর আলোকচ্ছটা প্রবাসেও
সেতুতে নিষ্প্রাণ হওয়ার পথে পদ্মার ফেরি-লঞ্চঘাট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
One and a half lakh women workers abroad

বিদেশে সাড়ে ১০ লাখ নারী শ্রমিক

বিদেশে সাড়ে ১০ লাখ নারী শ্রমিক ফাইল ছবি
ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর হোসেনের প্রশ্নের উত্তরে ইমরান আহমেদ জানান, মহামারি করোনাভাইরাসের আবির্ভাবের পর থেকে পাঁচ লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী কর্মসংস্থান হারিয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

বর্তমানে বিশ্বের ৮৪টি দেশে বাংলাদেশের নারী শ্রমিক কাজ করছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ।

‘তিনি বলেন, এসব দেশে কর্মরত মোট নারী শ্রমিকের সংখ্যা ১০ লাখ ৫০ হাজার ৮১৯ জন।’

একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে বৃহস্পতিবার প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

আওয়ামী লীগদলীয় সদস্য মামুনুর রশীদ কিরনের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতায় ২০২২ সালের মে পর্যন্ত ৫ লাখ ৩ হাজার ৯৭৯ জন কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থান লাভ করেছেন।’

ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর হোসেনের প্রশ্নের উত্তরে ইমরান আহমেদ জানান, মহামারি করোনাভাইরাসের আবির্ভাবের পর থেকে পাঁচ লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী কর্মসংস্থান হারিয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
What is the benefit of increasing stocks in the rice market?

চালের বাজার চড়ছেই, মজুত বেড়ে কী লাভ?

চালের বাজার চড়ছেই, মজুত বেড়ে কী লাভ?
কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়াটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রচুর চাল মজুত আছে। এ অবস্থায় দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।’

সরকারি গুদামগুলোতে খাদ্যশস্যের মজুত বাড়ছে; তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাল-আটার দাম। বন্যার কারণে দেশে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে কি না তা নিয়ে শঙ্কিত ব্যবসায়ীরা। তবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, বন্যায় খাদ্যঘাটতি হবে না। প্রয়োজনে চাল আমদানি করে চাহিদা পূরণ করা হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দৈনিক খাদ্যশস্য পরিস্থিতি প্রতিবেদন বলছে, বৃহস্পতিবার দেশে মোট খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৪৯ হাজার টন। এর মধ্যে চালের মজুত হচ্ছে ১৩ লাখ ২৪ হাজার টন। গম ১ লাখ ৬৫ হাজার; আর ধান ৯২ হাজার টন।

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এই মজুত ২০ লাখ টন ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা ছিল রেকর্ড। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই সরকারিভাবে এত খাদ্যশস্য মজুত ছিল না। কিন্তু এর পর থেকে কমতে কমতে সেই মজুত মে মাস শেষে ১২ লাখ ৫২ হাজার টনে নেমে আসে।

এরই মধ্যে ২৮ এপ্রিল থেকে দেশে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করে সরকার। এর ফলে আবার বাড়ছে খাদ্যের মজুত।

বিস্ময়কর হলো, তারপরও চালের দাম কমছে না; উল্টো বেড়েই চলেছে। এবারই প্রথম ভরা বোরো মৌসুমেও মোটা চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়েছে। সরু চালের দাম বেড়েছে আরও বেশি; ১০ থেকে ১২ টাকা।

চালের দামের লাগাম টেনে ধরতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চালকল, আড়ত, বড় বড় পাইকারি বাজারে অভিযান চালানোর পরও দাম কমেনি।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাজারগুলোতে ৪৮ থেকে ৫৩ টাকা কেজি দরে মোটা চাল বিক্রি হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। আর বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর সরু চাল (মিনিকেট-নাজিরশাইল) বিক্রি হয়েছে ৬৪ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। এক মাসে এই চালের দাম ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়েছে। বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ১৭ দশমিক শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ।

আটার দাম বেড়েছে আরও বেশি। প্রতি কেজি খোলা আটাই এখন ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

আটার দাম বাড়ার জন্য অবশ্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।

বর্তমান মজুত ‘সন্তোষজনক’ উল্লেখ করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৫১ টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১ হাজার ৬১০ টন ধান, ৪ লাখ ৫১ হাজার ১০৫ টন সেদ্ধ চাল এবং ৭ হাজার ৭৮০ টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। ধান, চালের আকারে মোট মজুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ হিসাবে মোট চাল সংগ্রহ করা হয়েছে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৩১ টন। আর গম ২০ লাখ টন।

চালের বাজার চড়ছেই, মজুত বেড়ে কী লাভ?

গত ২৮ এপ্রিল থেকে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে; চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এবার প্রতি কেজি বোরো ধানের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ টাকা, সেদ্ধ চাল ৪০ টাকা এবং আতপ চাল ৩৯ টাকা।

এই মৌসুমে ৬ লাখ ৫০ হাজার টন ধান, ১১ লাখ টন সেদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার।

নতুন চালেও কমছে না দাম

বুধবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে চালের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। নতুন চালও প্রচুর এসেছে। কিন্তু দাম কমছে না।

রাজধানীর শেওড়াপাড়া বাজারের একটি মুদি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভালো মানের সরু চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৪ থেকে ৮২ টাকা; যা এক মাস আগেও ছিল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা।

এই বাজারের এক মুদি দোকানের মালিক রিপন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে চালের দাম বাড়েনি। ১৫/২০ দিন আগে যে দাম বেড়েছিল, সেই দামেই বিক্রি করছি।’

বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাস্কিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ধানের দাম বেশি। সে কারণে চালের দাম কমছে না। ১৪০০/১৫০০ টাকা মণ দরে ধান কিনে আমরা কীভাবে কম দামে চাল বিক্রি করব।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে হাওর অঞ্চলে বন্যার কারণে বোরো ধানের ফলনের ক্ষতি হয়েছে। এখন সিলেট-সুনামগঞ্জ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে ফলনের পাশাপাশি যারা ধান তুলে বাড়িতে বা গুদামে রেখেছিলেন সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আমরা বুঝতে পারছি না।’

ধানের দাম না কমলে চালের দাম কমবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন লায়েক আলী।

কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়াটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রচুর চাল মজুত আছে। এ অবস্থায় দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।’

‘এটা সরকারকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে অভিযান শুরুর নির্দেশ নিয়েছেন তা সারা দেশে পরিচালনা অব্যাহত রাখতে হবে।’

বন্যার কারণে দেশে খাদ্য ঘাটতি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘‘বন্যা পরিস্থিতির কারণে দেশে খাদ্য ঘাটতির কোনো শঙ্কা নেই। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। দেশে এখনও ১৬ লাখ টন ধান-চাল মজুত আছে। তারপরও আমাদের সংগ্রহ অভিযান চলছে। এ ছাড়া সে রকম কোনো অবস্থা দেখলে আমরা চাল আমদানি করব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে জিরো ট্যাক্সে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছেন।’

প্রয়োজনে চাল আমদানি করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ধান কাটার আগেও কিছুটা বন্যা হয়েছিল, তা আমরা কাটিয়ে উঠেছি। ওই সময় ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছিল। তবে চলমান বন্যার কারণে প্রধান খাদ্যশস্য ধানসহ অন্যান্য ফসলের তেমন ক্ষতি হয়নি। মাঠে এখন তেমন ফসল নেই। কিছু হয়তো আউশ ধান ছিল। সরকারি খাদ্যগুদামে যে মজুত রয়েছে, তাতে এখন পর্যন্ত দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি হবে না। প্রয়োজনে চাল আমদানি করে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
চালের ঘাটতি পূরণে আমদানি চান নওগাঁর ব্যবসায়ীরা
চালের বাজারে করপোরেট নিয়ন্ত্রণ খতিয়ে দেখবে ভোক্তা অধিকার
চাল মজুত: স্কয়ারের অঞ্জন চৌধুরীর জামিন
দাম নিয়ন্ত্রণে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে