× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Instability in mustard oil market
google_news print-icon

সরিষা তেলের দামও আকাশমুখী

সরিষা-তেলের-দামও-আকাশমুখী
ঢাকার কেরানীগঞ্জের আটিবাজারে একটি ঘানিতে ভাঙানো হচ্ছে সরিষার তেল। ছবি: নিউজবাংলা
সয়াবিনের বাজারে অস্থিরতার মাঝে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় খোলা সরিষার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে দুবার। করপোরেট কোম্পানিগুলোর বাজারজাত করা সরিষার তেলের দামও এক দফা বাড়ানো হয়েছে।

ভোজ্যতেল সয়াবিনের বাজারে অস্থিরতায় সরিষার তেলের দিকে ঝুঁকেছেন ভোক্তারা। আর এ বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে এবার সরিষার তেলের দামেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। স্থানভেদে এই তেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে।

সয়াবিনের বাজারে অস্থিরতার মাঝে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় খোলা সরিষার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে দু’বার। কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর বাজারজাত করা সরিষার তেলের দামও এক দফা বাড়ানো হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে সয়াবিনের অস্থিরতা তৈরির আগে তেল কলগুলোর সরবরাহ করা খোলা সরিষা তেলের দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা লিটার। রোজার আগে এর দাম বেড়ে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় গড়ায়। আবার ঘানিভাঙা তেল রোজার আগে ছিল ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। এখন সয়াবিন তেলের সংকটে চাহিদা বাড়ায় আরেক দফা দাম বাড়ে ঘানিভাঙা সরিষার তেলের। বর্তমানে এই তেল স্থানভেদে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে।

করপোরেট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমেও সারা দেশে সরিষার তেল বাজারজাত হচ্ছে। সুবিধামতো মিলছে ১০০ গ্রাম, ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম, এক লিটার ও পাঁচ লিটারের বোতলেও। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানিগুলোর বাজারে সরবরাহ দেয়া আগের সব স্টক ইতোমধ্যে ফুরিয়ে এসেছে। তাদের ঘন ঘন ছাড়তে হচ্ছে নতুন স্টক। আগে কোম্পানিভেদে প্রতি লিটার বোতলজাত সরিষার তেলের দাম রাখা হতো ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা। নতুন করে বাজারজাত করা সরিয়ার তেল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৩৬০ টাকা লিটার।

সয়াবিন তেলের সংকটকে পুঁজি করে কেবল সরিয়ার তেলের দাম বাড়েনি। বাড়তি চাহিদা আঁচ করতে পেরে সারা দেশে দফায় দফায় বেড়েছে সরিষা বীজের দামও। মণপ্রতি সরিষা বীজের দাম উঠে গেছে ৪ হাজার টাকায়।

এ বিষয়ে তীর ব্র্যান্ডের সরিষা তেল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের পরিচালক (অর্থ) বিশ্বজিৎ সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চাহিদা বাড়লে দাম বাড়বে- এটাই স্বাভাবিক। তেলের কাঁচামাল হলো বীজ। বাড়তি চাহিদার কারণে সরিষার বীজের দাম বেড়েছে। সরিষা কেনায় বেশি খরচ পড়ায় তেলের দামও বাড়াতে হয়েছে।’

বিক্রেতারা বলছেন, স্বাভাবিক পর্যায়ে দোকানে সরিষার তেল রাখা হয় শৌখিন পণ্য হিসেবে। সাধারণত আচার, চাটনি তৈরিতে এর ব্যবহার হয়। এ ছাড়া ভর্তা খাওয়া বা গায়ে মাখার জন্য আগ্রহীরা সরিষার তেল কেনেন। ফলে সরিষার তেল উৎপাদন এবং সরবরাহ দুই-ই কম।

দেশে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠায় ভোক্তাদের বড় একটি অংশ রান্নার কাজেও সরিষার তেল ব্যবহারে ঝুঁকেছেন। ফলে গত এক দশকেরও বেশি সময় পর এই প্রথম সরিষার তেলের ওপর বাড়তি চাপ পড়েছে। স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় ক্রেতার চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

জানা গেছে, মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ সরিষার দাম ছিল মানভেদে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। এখন তা বাজারে বা কৃষক পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা মণ। সরিষার দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে তেলেও। আবার মিলাররাও তেল বিক্রিতে বাড়তি মুনাফার চেষ্টা করছেন। এ কারণে সরিষার তেলের দাম বেড়েছে।

বাজারে বর্তমানে রাঁধুনি, তীর, ফ্রেশ, সুরেশ, পুষ্টি, রূপচাঁদা ছাড়াও কমপক্ষে ২০টি ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ডের সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে। এর বাইরে স্থানীয় পর্যায়ে অসংখ্য তেলকল রয়েছে যারা সরিষা থেকে তেল উৎপাদন করে বাজারে সরবরাহ করে থাকেন। ঐতিহ্যবাহী ঘানিভাঙা সরিষা তেলও বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

আরও পড়ুন:
‘সয়াবিনের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত কোম্পানির নয়’
মজুতদারির বিরুদ্ধে অভিযানে তেল ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগে ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
দুই গুদামে জব্দ ৩৭ হাজার লিটার ভোজ্যতেল
বোতলজাত তেল খোলা বিক্রি, জরিমানা-সিলগালা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The DMD of the state owned bank is Faiz Alam

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ডিএমডি হলেন ফয়েজ আলম

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ডিএমডি হলেন ফয়েজ আলম রূপালী ব্যাংক পিএলসির মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়েজ আলম। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি হওয়ার আগে তিনি রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন রূপালী ব্যাংক পিএলসির মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়েজ আলম। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক পদোন্নতিপ্রাপ্ত হয়ে তিনিসহ রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন ব্যাংকের আট জন মহাব্যবস্থাপককে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি হওয়ার আগে তিনি রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

মো. ফয়েজ আলম ১৯৯৮ সালে বিআরসির মাধ্যমে সিনিয়র অফিসার পদে রূপালী ব্যাংকে যোগদান করেন। কর্মজীবনে ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখার শাখা ব্যবস্থাপক, জোনাল অফিস এবং প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। পেশাগত প্রয়োজনে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও আরব অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণসহ দেশ-বিদেশে ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন।

ফয়েজ আলমের জন্ম ১৯৬৮ সালে নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার যোগীরনগুয়া গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে বিএ অনার্সসহ এমএ পাশ করার পর এমফিল ডিগ্রিও অর্জন করেন খ্যাতিমান এই ব্যাংকার।

পেশাগত জীবনের বাইরে ফয়েজ আলম একজন সফল লেখকও। বাংলাদেশে তিনি অগ্রণী উত্তর উপনিবেশী তাত্ত্বিক, প্রাবন্ধিক ও কবি হিসেবে বিশেষ খ্যাতিমান। এডওয়ার্ড সাঈদের বিখ্যাত গ্রন্থ অরিয়েন্টালিজম-এর অনুবাদক হিসেবেও তার আলাদা খ্যাতি আছে। তার পনেরটির বেশি গ্রন্থ এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
I cant even say how I became a voter
ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচন

‘ভোটার কীভাবে হলাম নিজেও বলতে পারি না’

‘ভোটার কীভাবে হলাম নিজেও বলতে পারি না’ মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ওই ভোটারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তার নিজস্ব কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে কি না? জবাবে তিনি জানান, তিনি একজন বাইক (মোটরসাইকেল) মেকানিক। তার নিজস্ব একটি প্রতিষ্ঠান আছে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের এখনও নামকরণও করা হয়নি।

হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার ক্রমিক নম্বর নিয়ে বুথ-৪ এ প্রবেশ করে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ব্যালট সংগ্রহ করলেন ভোটার। গোপন কক্ষে গিয়ে নিজের ভোট প্রদানও করলেন। ভোট দেয়া শেষে কক্ষের বাইরে গণমাধ্যমকর্মীরা ওই ভোটারের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানালেন, ‘ভোটার কীভাবে হলাম নিজেও বলতে পারি না।’

মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির নির্বাচনে ভোট দিয়ে এক তরুণ ভোটার নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির ভোটার কীভাবে হওয়া যায়- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও জানি না কীভাবে ভোটার হলাম। আমাকে ফোনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে আমি চেম্বারের একজন ভোটার, তাই ভোট দিতে এসেছি।’

তার কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়, তার নিজস্ব কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে কি না? জবাবে তিনি জানান, তিনি একজন বাইক (মোটরসাইকেল) মেকানিক। তার নিজস্ব একটি প্রতিষ্ঠান আছে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের এখনও নামকরণও করা হয়নি।

প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা না হলে ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে হলো বা আদৌ ট্রেড লাইসেন্স হয়েছে কি না- জানতে চাইলে তিনি আর কোনো জবাব না দিয়ে সরে পড়েন।

ভোট দিয়ে বের হচ্ছিলেন লিমন নামের আরেক ভোটার। তিনি জানান, সদর উপজেলার নারগুণ থেকে তিনি এসেছেন ভোট দিতে। তার ছোটখাটো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না এবং কী প্রক্রিয়ায় ভোটার হলেন- জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি৷ এ সময় তাকে ক্যামরার সামনে কথা বলতে না করেন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্যানেলের এক প্রার্থী।

ভোট দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন দুলালি ইসলাম। তিনি জানান, তার মামা একটি হিমাগারের ম্যানেজার। তিনিই তাকে ভোটার হতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। ‘দুলালি ফার্মেসী’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে তার।

চেম্বারের ভোটার হতে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন মনে নেই।’

এদিকে ভোটের একদিন আগে সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে ৭ কারণ উল্লেখ করে ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দুটি প্যানেলের মধ্যে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেল ভোট বর্জন করে। এ সময় প্রার্থীরা নির্বাচনের অনিয়ম, ভোটার তালিকা নিয়ে অসঙ্গতিসহ নানা কারণ উল্লেখ করেন।

‘ভোটার কীভাবে হলাম নিজেও বলতে পারি না’
ভোটের আগের রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জন করে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেল। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে ভোটার তালিকা সংশোধন ও নির্বাচনের তারিখ পেছানোর জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন জানিয়েছিল প্যানেলটি। সে সময় ভোটের মাঠে থাকার কথা জানালেও অবশেষে ভোটের আগের রাতে তারা ভোট বর্জন করেন। ফলে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই অংশ নিয়েছে দুলাল-বাবলু ও আরমান প্যানেল।

চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির নির্বাচন নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিত্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

জাতীয় তেল গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি ঠাকুরগাঁও সদস্য সচিব মো. মাহবুব আলম রুবেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দীর্ঘ ১২ বছর যাবৎ ঠাকুরগাঁও চেম্বারের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক, আমরা দেখছি এখানে সাধারণ শ্রমিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোটার হয়েছেন। অনেকেই আছেন যারা কোনো ব্যবসার সঙ্গেই জড়িত না।

‘তাহলে অন্য যে প্যানেলটি অভিযোগ করেছে- নিরপেক্ষ ভোটার তালিকা হয়নি। সেটার প্রমাণ আমরা পাচ্ছি। এই নির্বাচনে ব্যবসায়ীরা তাদের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচনে ব্যর্থ হয়েছেন।’

ভোটারদের প্রসঙ্গে ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনি বোর্ডের আহ্বায়ক ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ভোটার তালিকা নিয়ে বেশ কিছু প্রার্থী অভিযোগ করছেন। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর অভিযোগ আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট জানানোর সুযোগ ছিল। নির্ধারিত সময়র মধ্যে করা আপিলগুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর অভিযোগ করায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘ বছর যাবৎ ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির কমিটি ছিল না, তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে চেম্বারের প্রশাসনের দায়িত্ব দিয়েছিল। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা আছে, একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের ভোটার খুঁজে পেতে হয়রানির অভিযোগ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Traders want to increase the price of edible oil by 10 taka per liter not the state minister

ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা, প্রতিমন্ত্রীর ‘না’

ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা, প্রতিমন্ত্রীর ‘না’
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। দাম আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় করা যেতে পারে, তবে সময় লাগবে। ভোজ্যতেলের নতুন চালান আমদানির ক্ষেত্রে দাম বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

ভোজ্যতেলের ওপর শুল্ক অব্যাহতির সময়সীমা শেষ হয়েছে সোমবার (১৫ এপ্রিল)। এ অবস্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিভিওআরভিএমএফএ) সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।

বিভিওআরভিএমএফএ’র নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মোল্লার পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, কাঁচামাল আমদানি ও ভোজ্যপণ্য উৎপাদনে কর অব্যাহতির মেয়াদ ১৫ এপ্রিল শেষ হচ্ছে বিধায় পরদিন ১৬ এপ্রিল থেকে ভ্যাট অব্যাহতির আগের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের বোতল ১৭৩ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতল ৮৪৫ টাকা ও এক লিটার পাম তেল ১৩২ টাকায় বিক্রি করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গত ফেব্রুয়ারিতে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত (অপরিশোধিত) সয়াবিন ও পাম তেলের মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে।

এদিকে মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ভোজ্যতেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় করা যেতে পারে, তবে সময় লাগবে।

‘ভোজ্যতেলের নতুন চালান আমদানির ক্ষেত্রে দাম বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ভোজ্যতেলের আমদানিনির্ভরতা কমবে: খাদ্যমন্ত্রী
ভোজ্যতেলে ভ্যাটমুক্ত সুবিধা তিন মাস বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে সেই পুরোনো কৌশল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In the current financial year the majority of remittances have come to Dhaka district
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণ

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের সিংহভাগ এসেছে ঢাকা জেলায়

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের সিংহভাগ এসেছে ঢাকা জেলায়
জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে প্রবাসীরা ১ হাজার ৫০৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় ৫২৩ কোটি ও চট্টগ্রাম জেলায় ১৪২ কোটি ডলার এসেছে। এই সময়ে সিলেট জেলা ৮৭০ মিলিয়ন, কুমিল্লা ৮১০ মিলিয়ন ও নোয়াখালী ৪৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

প্রবাসীদের আয়ের একটি বড় অংশ‌ই আসে ঢাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখাগুলোতে। অর্থাৎ প্রবাসীদের পরিবারের বেশিরভাগই ঢাকায় থাকেন বা তাদের অধিকাংশ অ্যাকাউন্ট ঢাকার ব্যাংক শাখায়।

ইউএনবি জানায়, রেমিট্যান্সের জেলাভিত্তিক চিত্র নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম। সিলেট তৃতীয় এবং কুমিল্লা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

এরপরে রয়েছে উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর ও নরসিংদীর অবস্থান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জেলাভিত্তিক প্রবাসী আয় প্রতিবেদনে গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে প্রবাসীরা ১ হাজার ৫০৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ২১৬ কোটি ডলার। তার আগের মাস জানুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় ছিল ২১০ কোটি ডলার।

জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে ঢাকা জেলায় এসেছে ৫২৩ কোটি ডলার এবং চট্টগ্রাম জেলায় এসেছে ১৪২ কোটি ডলার।

এই সময়ে সিলেট জেলা ৮৭০ মিলিয়ন ডলার, কুমিল্লা ৮১০ মিলিয়ন ডলার এবং নোয়াখালী ৪৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ কোটি, ফেনীতে ৩৭ কোটি, মৌলভীবাজারে ৩৬ কোটি, চাঁদপুরে ৩৫ কোটি ডলার এবং নরসিংদীতে ২৫০ মিলিয়ন ডলার এসেছে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসী অধ্যুষিত জেলাগুলো থেকে বেশি প্রবাসী আয় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু এমনটা হচ্ছে না। কারণ অনেক প্রবাসী বিদেশে স্থায়ী হয়েছেন। বরং তারা (প্রবাসীরা) দেশে থাকা সম্পদ বিক্রি করে বিদেশে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে অর্থ পাচার বাড়ছে।

আরও পড়ুন:
ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
ঈদ সামনে রেখেও রেমিট্যান্স প্রবাহে নিম্নগতি
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার
চলতি মাসে দিনে গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার
ফেব্রুয়ারির ১৬ দিনে এসেছে ১২,৬০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
38 and a half thousand crores allocated for the purpose of 10 percent growth in agriculture

কৃষিতে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

কৃষিতে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ
‘মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি (২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬)’ অনুসারে, এই বিনিয়োগ খাদ্য নিরাপত্তা ও ন্যায়সঙ্গত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেয়।

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মধ্যে কৃষি খাতে গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে তিন বছরে কৃষি উন্নয়নে ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।

‘মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি (২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬)’ অনুসারে, এই বিনিয়োগ খাদ্য নিরাপত্তা ও ন্যায়সঙ্গত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেয়। সূত্র: ইউএনবি

জিডিপিতে হ্রাস প্রবণতা সত্ত্বেও এটি বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলে কৃষিনির্ভর সংখ্যাগরিষ্ঠদের জীবিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য উৎপাদন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের গৃহীত কৌশলগুলোর মধ্যে রয়েছে- উচ্চফলনশীল ও প্রতিকূলতাসহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন, যান্ত্রিকীকরণ-সেচ সম্প্রসারণ এবং বীজ ও সারের মতো সাশ্রয়ী মূল্যের উপকরণের প্রাপ্যতা বাড়ানো।

নীতি নথিতে প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- সম্পদ সংরক্ষণের জন্য সেচের জন্য ভূপৃষ্ঠের পানির ব্যবহার বাড়ানো, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি সমাধানগুলো অন্তর্ভুক্ত করা এবং ফসল পরিচর্যার জন্য রিমোট সেন্সিং নিয়োগ করা।

সরকার একটি টেকসই ও স্বনির্ভর কৃষি কাঠামো গড়ে তুলতে ভর্তুকি, আর্থিক প্রণোদনা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এই খাতকে সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উপখাত থেকেও উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। এটি কেবল জিডিপি যথাক্রমে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং ১ দশমিক ৯১ শতাংশই বৃদ্ধি করে না, বরং জনসংখ্যার ১২ শতাংশেরও বেশি মানুষের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের উৎস হিসেবে কাজ করে এবং জীবিকার সংস্থান করে। এই ক্ষেত্রগুলোর অর্জনের মধ্যে মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের আশা করা হচ্ছে। তাছাড়া রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য এসব খাত অত্যাবশ্যক।

ভবিষ্যতে এসব খাতের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নত ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি গ্রহণ এবং সংরক্ষণ প্রক্রিয়া উন্নত করার জন্য বিশেষ করে ছোট ইলিশের (জাটকা) জন্য উন্নয়ন প্রকল্প চালু করতে প্রস্তুত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

টেকসই কৃষির গুরুত্ব বিবেচনায় পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা আরেকটি মৌলিক ক্ষেত্র। আন্তঃসীমান্ত নদী থেকে ন্যায়সঙ্গত পানির হিস্যা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জলাশয় খনন ও উপকূলীয় বনায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা উন্নয়নের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ক্ষতির হুমকির মধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপিতে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হ্রাসের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। সরকার এই প্রভাবগুলো হ্রাস করার বিস্তৃত কৌশলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনাটি জলবায়ু সম্পর্কিত বাধাগুলোর বিরুদ্ধে সহনশীলতা এবং স্থিতিশীলতা বাড়ানোর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাত ও সম্প্রদায়গুলোকে সরঞ্জাম দিয়ে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এই বহুমুখী প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের কৃষি ঐতিহ্যকে কেবল সুরক্ষাই নয়, বরং এগিয়ে নিতেও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Chamber of Commerce in Thakurgaon complains of harassment to find voters

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের ভোটার খুঁজে পেতে হয়রানির অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের ভোটার খুঁজে পেতে হয়রানির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের হলরুমে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা 
অল্প সময়ে নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের আবেদন যৌক্তিক কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী বলেন, ‘চেম্বারের মোট ভোটারের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৩৮ জন। এসব ভোটারের মধ্যে অনেকে টিন সার্টিফিকেট ছাড়া রয়েছে। আইন মোতাবেক তারা ভোট দেয়ার কোনো অধিকার রাখে না।’

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্সের নির্বাচনে ভোটারদের একটি অংশকে বেআইনি ও অবৈধ ভোটার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একটি প্যানেল।

ওই প্যানেলের প্রার্থীদের দাবি, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, সে তালিকার শত শত ভোটারের কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা শিল্পকারখানা নেই। একই এলাকায় একই নামে একাধিক ব্যবসায়ী রয়েছেন। চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারদের কোনো ছবি না থাকায় ভোটার খুঁজে পেতে বিভিন্ন ক্ষতি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে প্রার্থীদের।

এমন বাস্তবতায় ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনের তিন দিন আগে নির্বাচনের তফসিল পুনর্নির্ধারণের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেছে প্যানেলটি।

ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের হলরুমে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এমন আবেদন করেন আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থীরা।

হয়রানির মুখোমুখি হয়ে ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্যানেলের এক প্রার্থী বলেন, ‘আমরা ভোট বর্জন করছি না। আমরা ভোটের মাঠে রয়েছি, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে আমরা যখন ভোটারদের কাছে যাচ্ছি, তখন আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমরা ভোট চাইতে গিয়ে লক্ষ করেছি, যার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই, সে চেম্বারের ভোটার হয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পরিচ্ছন্নতা কর্মী, জুটমিলে কাজ করেন এমন ব্যক্তি। কেউ সেলুনে কাজ করেন, আবার কেউ পরিবহন শ্রমিক।

‘আমরা কোনো পেশাকে ছোট করে দেখছি না, কিন্তু শুধু টিন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দিয়ে তো চেম্বারের ভোটার হওয়া যায় না। নিয়মিত আয়কর পরিশোধ করতে হয়। আমাদের মনে হয়েছে এসব শত শত ভোটার বেআইনিভাবে চেম্বারের ভোটার হয়েছে। আমরা এসব ভোটার তালিকা আবারও বিবেচনার কথা বলছি, সংশোধনের কথা বলছি। সেই সাথে ভোটারদের তালিকার সঙ্গে যেন ছবি সংযুক্ত করা হয়, সেই দাবি করছি, যেন আমাদের নির্বাচনি মাঠে কোনো হয়রানির শিকার না হতে হয়।’

ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় অবৈধ ভোটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি কেন—এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্যানেলটির প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে পহেলা জানুয়ারি-২০২৪, কিন্তু আমরা এ ভোটার তালিকা আবেদন করে পেয়েছি মার্চ মাসের দিকে। কাগজে-কলমে রিটার্নিং কর্মকর্তা স্বাক্ষর করেছেন পহেলা জানুয়ারি-২০২৪।’

ওই প্রার্থীর অভিযোগ, ‘চূড়ান্ত ভোটার তালিকার ১৭ দিন পরেও ভোটার তালিকায় ভোটারের নাম সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থীরা মনে করছেন, ভুয়া ভোটার তালিকা দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করার চেষ্টা করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।’

অল্প সময়ে নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের আবেদন যৌক্তিক কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী বলেন, ‘চেম্বারের মোট ভোটারের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৩৮ জন। এসব ভোটারের মধ্যে অনেকে টিন সার্টিফিকেট ছাড়া রয়েছে। আইন মোতাবেক তারা ভোট দেয়ার কোনো অধিকার রাখে না।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৬ এপ্রিল ভোটের নির্ধারিত দিন হওয়ায় ভোটারদের সমস্যা হবে। কারণ এর মাঝে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ও পহেলা বৈশাখ থাকায় অনেকের পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকে, যার কারণে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত না থাকার কথা সরাসরি জানিয়েছে।

‘তাই সব দিক বিবেচনা করে আমরা নির্বাচনি তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের আবেদন করছি। আমরা আবারও বলছি, আমরা ভোট বর্জন করছি না।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মিঠু ও ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের জন্য আবেদন পেয়েছি।’

ভোটার তালিকা করার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো ত্রুটি নাই। কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর অভিযোগ দেয়ার একটা সুযোগ ছিল। সে খসড়া তালিকার বিরুদ্ধে আপিল করে আপিল নিষ্পত্তি করার একটা সময় ছিল।

‘উনারা যে অভিযোগ করছে, তা একেবারেই নির্বাচনের শেষ সময়ে। আগে এ অভিযোগ করলে অবশ্যই আমরা সেটা বিবেচনায় নিতাম। নির্ধারিত সময়ে একটি পক্ষ আপিল করেছিল এবং সে অনুযায়ী কাজও করা হয়েছে।’

নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘ভোট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হবে। এটা আসলে পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন:
প্রার্থী যত প্রভাবশালীই হোক, শতভাগ আইন-কানুন মানতে হবে
উপজেলা নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীরা প্রভাব খাটালে তাদেরই মান ক্ষুণ্ণ হবে: ইসি হাবিব
দ্বিতীয় ধাপে ১৬১ উপজেলায় নির্বাচন ২১ মে
জুম্মার নামাজ ও ইফতারে উপজেলা নির্বাচনের প্রচার
ভোট দেখতে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছেন সিইসি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mill gate prices of rice varieties on sacks of rice are effective on Sunday

চালের বস্তায় ধানের জাত, মিল গেটের মূল্য লেখা কার্যকর রোববার

চালের বস্তায় ধানের জাত, মিল গেটের মূল্য লেখা কার্যকর রোববার গুদামে রাখা মিনিকেট চালের বস্তা। ফাইল ছবি
বার্তায় জানানো হয়, চালের বস্তায় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও।

চালের বস্তায় ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্যের পাশাপাশি উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম লেখার নির্দেশনা কার্যকর হচ্ছে রোববার থেকে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও গণসংযোগ কর্মকর্তা কামাল হোসেন শনিবার এক বার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন।

বার্তায় জানানো হয়, চালের বস্তায় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও।

এতে বলা হয়, ‘এ বিষয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। ইতোমধ্যে নির্দেশনার কপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, সকল জেলা প্রশাসক, সকল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সকল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

‘খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন সই করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ‘এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চালের উৎপাদনকারী মিলমালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে।

‘চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সকল প্রকার চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন (৫০/২৫/১০/৫/১) উল্লেখ থাকতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।’

বার্তায় আরও বলা হয়, ‘এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা ৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।’

আরও পড়ুন:
মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯.৮১ শতাংশ
সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বাড়ল মুরগির দাম
‘ওষুধ কিনতে না পেরে’ পেটে ছুরি ঢুকিয়ে রিকশাচালকের আত্মহত্যা
গুদাম থেকে ২৫০ টন চাল সরানো খাদ্য পরিদর্শক হেফাজতে
নওগাঁয় খুচরা দোকানে সরকারি চাল

মন্তব্য

p
উপরে