× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

অর্থ-বাণিজ্য
India bans wheat exports
hear-news
player

মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের

মূল্যবৃদ্ধি-ঠেকাতে-গম-রপ্তানিতে-নিষেধাজ্ঞা-ভারতের গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা শুক্রবার থেকে কার্যকর করেছে ভারত। ছবি: এএফপি
ডিজিএফটির ঘোষণায় বলা হয়, দেশের সার্বিক খাদ্যসংকট নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিবেশী ও অন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে প্রয়োজনে সহায়তা দিতে সরকার গম রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অভ্যন্তরীণ মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত।

দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত সংস্থা ডিজিএফটি স্থানীয় সময় শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুক্রবারের ঘোষণার আগে লেটার অফ ক্রেডিট (এলওসি) ইস্যু হয়েছে এমন সব রপ্তানি চালান সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো যাবে। এর বাইরে কোনো দেশের অনুরোধে গম রপ্তানি করা যাবে।

ডিজিএফটির ঘোষণায় বলা হয়, দেশের সার্বিক খাদ্যসংকট নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিবেশী ও অন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে প্রয়োজনে সহায়তা দিতে সরকার গম রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চীনের পর গমের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ ভারত। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি গমের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী রাষ্ট্র ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর ভারতের দ্বারস্থ হন ক্রেতারা।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পরের মাস মার্চে দাবদাহে ব্যাপক ফসলহানি হয় ভারতে। এমন বাস্তবতায় দেশটি গম রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল।

এপ্রিলে ভারতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭.৭৯ শতাংশ হয়েছে। এ নিয়েও চাপে আছে সরকার।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে ভারতের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, গম রপ্তানি বন্ধের কথা ভাবছে না দেশটির সরকার।

সে সময় খাদ্যসচিব সুধাংশু পাণ্ডে বলেছিলেন, ‘দেশে গমের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ কারণে গম রপ্তানি আটকে দেয়ার কোনো চিন্তা নেই।’

জার্মানিতে সাম্প্রতিক সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনাবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে বলেন, গমের বৈশ্বিক ঘাটতির মধ্যে ভারতীয় কৃষকরা বিশ্বকে খাবারের জোগান দিতে এগিয়ে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘মানবতা সংকটে পড়লে সমাধান নিয়ে হাজির হয় ভারত।’

আরও পড়ুন:
বিজেপির ‘মুসলিম দাসত্বের’ ধুয়া, দিল্লির সড়কের নাম বদল দাবি
মাহিন্দা পতনে ভারতের জয়, চীনের পরাজয়?
নাগরিকত্ব না পেয়ে ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে ৮০০ হিন্দু শরণার্থী
জুনে পশ্চিমবঙ্গে ভোজ্যতেলের দাম কমবে, আশা ব্যবসায়ীদের
ভারতের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে ধস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Mamata was criticized for asking the RSS chief to send sweets

আরএসএস প্রধানকে মিষ্টি পাঠাতে বলে সমালোচনার মুখে মমতা

আরএসএস প্রধানকে মিষ্টি পাঠাতে বলে সমালোচনার মুখে মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে চার দিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে আসেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আর মমতাও তিন দিনের সফরে একই এলাকায় রয়েছেন।

হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে ফুল ও মিষ্টি পাঠাতে বলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে চার দিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে আসেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আর মমতাও তিন দিনের সফরে একই এলাকায় রয়েছেন।

এদিন মেদিনীপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে আসে আরএসএস প্রধানের সফরের প্রসঙ্গ।

তিনি বলেন, ‘এখানে নাকি আরএসএস প্রধান আসছেন? দেখে নিও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওকে ফল মিষ্টি পাঠিও। আমাদের রাজ্যে কেউ এলে আতিথিয়তায় কোনো খামতি রাখি না। আমরা কাউকে ফেলে দিই না।’

‘ভালো করে নিরাপত্তা দিও, আবার বেশি বাড়াবাড়ি করতে যেও না, দেখো, যাতে দাঙ্গা না বাধায়।’

হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন আরএসএসকে মনে করা হয় বিজেপির আঁতুড়ঘর। তাই আরএসএস প্রধানকে মমতার ফুল-মিষ্টি পাঠানোর নির্দেশের ঘটনায় আরএসএসের সঙ্গে মমতার গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলেছে বামেরা।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মেদিনীপুরে, মোহন ভাগবতও মেদিনীপুরে, পারস্পরিক দুজন দুজনকে দেখাশোনা করবেন। যাতে কারো কোনো অসুবিধা না হয়। মুখ্যমন্ত্রী ওনার অফিসারদের লাগিয়ে দিয়েছেন, যাতে যত্নের কোনো অসুবিধা না হয়। ফুল-মিষ্টি সব মিলিয়ে ভাগবতকে খুশি রাখার চেষ্টা করছেন।

‘আরএসএস দেশপ্রেমিক এটা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী দেবীদুর্গা, এটা আরএসএস বলেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর মুখে আজ পর্যন্ত আরএসএসের সমালোচনা শুনেছেন? মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে খেলা খেলা ভাব দেখান, লড়াইয়ের ভাব দেখান কিন্তু আরএসএসের কথার বাইরে মুখ্যমন্ত্রী যে যান না, সেটা সবাই বুঝে গিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মমতার কবিতার বই নিয়ে শ্রীলেখার খোঁচা
পশ্চিমবঙ্গে ৪৬ জেলা চান মমতা
মমতাকে সম্মাননার প্রতিবাদে বাংলা আকাদেমির পুরস্কার ফেরত-ইস্তফা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Assassination of Rajiv Gandhi Lifelong accused acquitted

রাজিব গান্ধী হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি খালাস

রাজিব গান্ধী হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি খালাস ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে রাজিব গান্ধী হত্যার অপর আসামি নলিনী শ্রীহরণ ও তার স্বামী মুরুগান, একজন শ্রীলঙ্কার নাগরিকসহ বাকি ছয় অভিযুক্তের মুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে।

রাজিব গান্ধী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের একজন এ জি পেরারিভালানকে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তিনি ৩১ বছর যাবৎ কারাগারে ছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে রাজিব গান্ধী হত্যার অপর আসামি নলিনী শ্রীহরণ ও তার স্বামী মুরুগান, একজন শ্রীলঙ্কার নাগরিকসহ বাকি ছয় অভিযুক্তের মুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে।

রাজিব গান্ধী হত্যার সময় ১৯ বছর বয়সী পেরারিভালানের বিরুদ্ধে ৯ ভোল্টের দুটি ব্যাটারি সিভারাসনের জন্য কেনার অভিযোগ আনা হয়েছিল। সিভারাসন ছিলেন রাজিব গান্ধী হত্যার পরিকল্পনাকারী ও শ্রীলঙ্কার তামিল বিদ্রোহী সংগঠন লিবারেশন টাইগার অফ তামিল ইলমের সদস্য।

পেরারিভালানের কেনা ব্যাটারি দুটি রাজিব গান্ধী হত্যার জন্য বোমায় ব্যবহার করা হয়েছিল।

১৯৯১ সালের ২১ মে এক নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে গেলে রাজিব গান্ধীকে লক্ষ্য করে ধানু নামের এক নারী আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। সে হামলায় রাজিব গান্ধীর মৃত্যু হয়।

রাজিব গান্ধী হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি খালাস
রাজিব গান্ধী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি এ জি পেরারিভালান

১৯৯৮ সালে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী আদালত পেরারিভালানকে মৃত্যুদণ্ড দেয় এবং পরের বছর সুপ্রিম কোর্ট সেই সাজা বহাল রাখে। কিন্তু ২০১৪ সালে তা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা হয়। চলতি বছরের মার্চেই শীর্ষ আদালত থেকে তাকে জামিন দেয়া হয়।

তবে পেরারিভালানের দীর্ঘ কারা জীবনে তার খুব ভালো আচরণের রেকর্ড রয়েছে। কারাগারে তিনি পড়াশোনা করেছেন এবং বেশ কিছু শিক্ষাগত যোগ্যতাও অর্জন করেছেন। তিনি একটি বইও লিখেছেন।

পেরারিভালান দাবি করেছিলেন যে তিনি ব্যাটারিগুলোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতেন না। ভারতের অবসরপ্রাপ্ত সিবিআই অফিসার থিয়াগরাজন পরে বলেছেন, তিনি পেরারিভালানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পরিবর্তন করেছিলেন, এই জন্য তিনি ক্ষমাও চেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের
রাজস্থানের তাপমাত্রা ৪৮ পেরোল, দিল্লিতে সতর্কতা
দিল্লিতে চার তলা ভবনে আগুন, ২৭ মৃত্যু
ভারতে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন স্থগিত, গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ
রাজাপাকসেহীন শ্রীলঙ্কায় ভারতের চোখ কোন দিকে?

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Pakistani rupee loses for 7 consecutive days

টানা ৬ দিন দর হারাল পাকিস্তানি রুপি

টানা ৬ দিন দর হারাল পাকিস্তানি রুপি পাকিস্তানি রুপির রেকর্ড পতন হয়েছে মঙ্গলবার। ১ ডলারের বিপরীতে গুনতে হয়েছে ১৯৬.১০ রুপি। ছবি: এএফপি
মঙ্গলবার টানা ষষ্ঠ দিন ডলারের বিপরীতে রুপির পতন অব্যাহত রয়েছে। দিনের শুরুতে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের জন্য ১৯৬.১০ রুপি গুনতে হয়েছে। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত আমদানির কারণে রুপির দরপতন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানের মুদ্রা রুপির সর্বোচ্চ পতন রেকর্ড করা হয়েছে।

মঙ্গলবার টানা ষষ্ঠ দিন ডলারের বিপরীতে রুপির পতন অব্যাহত রয়েছে। দিনের শুরুতে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের জন্য ১৯৬.১০ রুপি গুনতে হয়েছে।

দেশটির মুদ্রাবিষয়ক সংস্থা ফরেক্স অ্যাসোসিয়েশন অফ পাকিস্তানের (এফএপি) প্রতিবেদন মতে, সোমবারের চেয়ে রুপির দর ডলারের বিপরীতে ১.৫০ কমে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে রেকর্ড করা হয়েছে ১৯৬.১০ রুপি।

দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত আমদানির কারণে রুপির দরপতন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

রুপির দরপতন শুরু হয়েছে গত মঙ্গলবার। সেদিন ডলারের বিপরীতে রুপির লেনদেন হয়েছে ১৮৮.৬৬ তে। বুধবার তা আরও বেড়ে হয়েছে ১৯০.৯০। বৃহস্পতি, শুক্র ও সোমবার ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রার বিনিময় হার রেকর্ড করা হয় যথাক্রমে ১৯২, ১৯৩.১০ ও ১৯৪ রুপি। ষষ্ঠ দিন মঙ্গলবার তা হয়েছে ১৯৬.১০ রুপি।

দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরজুড়ে ডলারের উচ্চদরে হিমশিম খাচ্ছিল পাকিস্তানি রুপি। তবে অর্থবছরের শেষ দুই মাসে সেই পতন ভয়াবহ পর্যায়ে নামতে থাকে।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের অস্বস্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
There is only one days petrol in Sri Lanka

মাত্র এক দিনের পেট্রল আছে শ্রীলঙ্কায়

মাত্র এক দিনের পেট্রল আছে শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের হাতে আর মাত্র এক দিনের পেট্রল মজুত আছে। আগামী কয়েক মাস আমাদের জন্য খুব কঠিন হবে। আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নিতে হবে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।'

নানা সংকটে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় মাত্র এক দিন ব্যবহার করা যাবে, এ পরিমাণ পেট্রল মজুত রয়েছে।

দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে এ তথ্য জানিয়েছেন বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে আর মাত্র এক দিনের পেট্রল মজুত আছে। আগামী কয়েক মাস আমাদের জন্য খুব কঠিন হবে। আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নিতে হবে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

‘অল্প সময়ের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়বে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’

রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘জনগণের কাছে মিথ্যা বলার বা সত্য লুকানোর কোনো ইচ্ছা আমার নেই। পরিস্থিতি ভীতিকর, এটাই সত্য। তবে এই সময় দীর্ঘস্থায়ী হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলো আমাদের সহায়তা করবে। তারা এরই মধ্যে সাহায্য করা শুরু করেছে। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।

‘আগামী তিন দিনের মধ্যে ১ হাজার ১৯০ স্টেশনে তেল সরবরাহ করা হবে। অনুরোধ করব তার আগে তেলের জন্য লম্বা লাইন না দিতে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি। এই পদের জন্য কোনো অনুরোধ করিনি। দেশের সংকট উত্তরণে প্রেসিডেন্ট আমাকে নিয়োগ দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘কেরোসিন, গ্যাস, জ্বালানির লাইন থাকবে না- এমন একটি দেশ গড়ব আমরা। সেখানে কোনো অভাব থাকবে না। জনগণের জন্য এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি। কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলকে রক্ষা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। সবাই আমার পাশে থাকবেন।’

গত কয়েক মাস ধরেই শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে চরম মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে, মুদ্রাস্ফীতিও আকাশছোঁয়া। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ।

এ অবস্থায় ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করে দেশটির সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে। এক পর্যায়ে রাজাপাকসে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়।

সরকারবিরোধী আন্দোলন সম্প্রতি আরও বড় রূপ ধারণ করে। আন্দোলনে বসা বিক্ষুব্ধদের ওপর হামলা চালায় সরকার সমর্থকরা। এতে বেশ কিছু জায়গায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সরকারদলীয় এমপি, পুলিশ সদস্যসহ নিহত হন নয়জন। আহত হন দুই শতাধিক।

আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে।

আরও পড়ুন:
এমন সংকট ৭০ দশকেও দেখেছে শ্রীলঙ্কা
বাংলাদেশের কাছে আরও ঋণ চাইছে শ্রীলঙ্কা
শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক মন্দার কারণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
PK Haldar is being taken to court today

পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে

পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তারের পর পি কে হালদার। ফাইল ছবি
ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হেফাজতে থাকা পি কে হালদারসহ ৬ জনকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সিবিআই আদালতে নেয়া হবে।

কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা ও আত্মসাৎ ঘটনার হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারকে আদালতে তোলা হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হেফাজতে থাকা পি কে হালদারসহ ৬ জনকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সিবিআই আদালতে নেয়া হবে।

আদালতে তোলার আগে ইডির তদন্তকারীরা টানা জিজ্ঞাসাবাদ করে পি কে হালদার চক্রের বেআইনি সম্পত্তি, পাচার করা অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্র জানার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে কোন কোন প্রভাবশালীর সঙ্গে তার উঠাবসা রয়েছে বা ছিল এবং তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের বিস্তারিত জেনে নিতে চাইছেন তারা।

এসব বিষয়ের সদর্থক জবাব না পেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পি কে হালদারসহ পাঁচজনকে আবারও হেফাজতে নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানাতে পারে ইডি।

পাশাপাশি ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, এমনকি পাসপোর্ট জাল করে অবৈধভাবে এদেশে থাকার বিষয়টি ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই বা সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন তদন্ত করতে পারে। কারণ ইডি কেবল অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত করার এখতিয়ার রাখে।

মঙ্গলবার রুটিন মেডিক্যাল চেকআপের পর পি কে হালদারসহ ৬ জনকে সিবিআই আদালতে তোলা হবে।

‘আমি দেশে ফিরতে চাই’

পি কে হালদারকে সোমবার বিধাননগর মহাকুমা হাসপাতালে রুটিন মেডিক্যাল চেকআপের পর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির অফিসে ফিরিয়ে আনা হয়। এ সময় লিফটের মধ্যে তিনি বলেন, ‘আমি দেশে ফিরতে চাই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

ইডি সূত্রে খবর, প্রথম দিকে তদন্তকারীদের প্রশ্নের উত্তর দিতে অসহযোগিতা করলেও লাগাতার জেরার মুখে এক পর্যায়ে ভেঙে পড়েন পি কে হালদার। তদন্তে সহযোগিতা করতে রাজি হন তিনি। এদিন কখনও একা, আবার কখনও ইডির রিমান্ডে থাকা সহযোগীদের পাশে বসিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ইতোমধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে পি কে হালদার জালিয়াত চক্রের বেআইনি বিনিয়োগের বহু তথ্য ও নথি ইডির তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। প্রয়োজনে আরও জেরা করতে ইডি অভিযুক্তদের আবারও হেফাজতে নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানাতে পারে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
পি কে হালদারকে দেশে আনা নিয়ে রুলের শুনানি আজ
পি কের গ্রেপ্তারকে কীভাবে দেখছেন এলাকাবাসী
পি কে হালদারের টাকার খোঁজ শুরু
পি কে গ্রেপ্তারে সর্বস্বান্তদের মনে আশার আলো
পি কে হালদারের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
This time there is a dispute over the Gyanbapi Mosque in India

এবার ভারতের জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বিরোধ

এবার ভারতের জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বিরোধ বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ। ছবি: এনডিটিভি
হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, মুঘল সম্রাট অওরঙ্গজেব দুই হাজার বছরের পুরোনো কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের একাংশ ধ্বংস করে সেখানে গড়েন জ্ঞানবাপী মসজিদ।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ নিয়ে বিতণ্ডার পর এবার রাজ্যটির বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের জায়গা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

পাল্টাপাল্টি দাবির পর সোমবার আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভূগর্ভস্থ ঘর (তাহখানা), অজুখানা এবং আশপাশের এলাকা সিল করে দিয়েছে প্রশাসন।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, মুঘল সম্রাট অওরঙ্গজেব দুই হাজার বছরের পুরোনো কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের একাংশ ধ্বংস করে সেখানে গড়েন জ্ঞানবাপী মসজিদ।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে মসজিদের দুটি গম্বুজ, ভূগর্ভস্থ অংশ, পুকুরসহ সব জায়গার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা এবং ভিডিও করে সোমবার বারাণসীর আদালতে রিপোর্ট পেশ করা হয়।

এরপরই কয়েকটি এলাকা সিল করে সিআরপিএফ মোতায়েনের নির্দেশ দেয় আদালত। বারাণসীর জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনারের পাশাপাশি সিআরপিএফের একজন কমান্ডান্ট (সুপার) স্তরের কর্মকর্তাকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন নগর-দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর।

আবেদনকারী হিন্দুত্ববাদী পক্ষের আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন সোমবার বলেন, ‘অজুখানার পুকুরে শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব মেলার কারণেই আদালত এই পদক্ষেপ করেছে।’

আরেক আইনজীবী মদনমোহন যাদবের দাবি, মসজিদের পশ্চিমের দেয়ালের অদূরে অবস্থিত নন্দীমূর্তির মুখ রয়েছে শিবলিঙ্গের দিকে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সোমবার জানিয়েছে, জ্ঞানবাপীতে সমীক্ষা ও ভিডিওগ্রাফি বন্ধের দাবিতে করা আবেদনের শুনানি হবে মঙ্গলবার।

হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ যে জমিতে গড়ে উঠেছে, তা আসলে হিন্দুদের। সুতরাং সেই জমি হিন্দুদের ফিরিয়ে দেয়া হোক।

মুঘল সম্রাট অওরঙ্গজেব দুই হাজার বছরের পুরোনো কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের একাংশ ধ্বংস করে সেখানে মসজিদ গড়ে তোলেন দাবি তুলে সেখানে ‘হিন্দুত্বের ছাপ’ খুঁজতে প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষার দাবি জানানো হয় আদালতে।

অন্যদিকে, জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে ‘দেবদেবীর মূর্তি’ আছে দাবি করে সেগুলো পুজো করার অনুমতি চেয়ে ২০২১ সালে আদালতে একটি পৃথক আবেদন করেন পাঁচ নারী।

এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার বারাণসীর জেলা আদালত জ্ঞানবাপী মসজিদের প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল।

সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায়।

এর আগে ষোড়শ শতকে মোঘল সম্রাট বাবরের সময় তৈরি করা বাবরি মসজিদ ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরে হিন্দুত্ববাদী ভিএইচপি, বিজেপি এবং শিবসেনা পার্টির সদস্যরা ধ্বংস করে দেন।

তাদের মতে, মসজিদের ওই জায়গাটি ছিল হিন্দুধর্মের অন্যতম আরাধ্য দেবতা রামের জন্মস্থান এবং সেখানে মসজিদ হওয়ার আগে একটি মন্দির ছিল।

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার পর হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে হওয়া দাঙ্গায় ভারতে দুই হাজারের বেশি মানুষ মারা যাযন। এরপরও অযোধ্যা ইস্যু নিয়ে ভারতে একাধিকবার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণহানি হয়েছে বহু মানুষের।

২০২০ সালের নভেম্বরে বিতর্কিত ধর্মীয় স্থানটিতে একটি হিন্দু মন্দির বানানোর পক্ষে রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

আরও পড়ুন:
ভারতের নিষেধাজ্ঞা: বিশ্ববাজারে বাড়ল গমের দাম
দিল্লিতে ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
199 personnel under the protection of Imran Khan

ইমরান খানের নিরাপত্তায় ১৯৯ কর্মী

ইমরান খানের নিরাপত্তায় ১৯৯ কর্মী ইমরান খান
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান যখন তার বাসভবন বানি গালায় থাকবেন এবং কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যাবেন, তখন তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন ওই নিরাপত্তাকর্মীরা।

অনাস্থা ভোটে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ হারানো ইমরান খানের নিরাপত্তায় ১৯৯ কর্মী মোতায়েন হচ্ছে। এর মধ্যে আছে পুলিশ, আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যও।

ইমরানের প্রাণ নিয়ে শঙ্কার কথা সামনে আসার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই নির্দেশনা দেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেয়ার পর ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান যখন তার বাসভবন বানি গালায় থাকবেন এবং কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যাবেন, তখন তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন ওই নিরাপত্তাকর্মীরা।

রেডিও পাকিস্তান বলছে, এসব নিরাপত্তাকর্মী ছাড়াও ইমরানের জন্য একজন প্রধান নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনিই সবকিছু দেখাশোনা করবেন।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা ইমরানের নিরাপত্তায় তার বাসভবনে নিয়োগ করা হবে ৯৪ জন কর্মী, এর মধ্যে ইসলামাবাদ থেকে আসবেন পুলিশের ২২ সদস্য আর বাকি ৭২ জন মোতায়েন হবে আধা সামরিক বাহিনী থেকে।

এর বাইরে ২৬ কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে। সেনাবাহিনীর ৯ সদস্যকেও নিয়োগ দেয়া হবে ইমরানের জন্য।

খাইবার পাখতুনখাওয়া পুলিশ তাদের ২৬ সদস্যকে নিয়োগ দেবে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জন্য। বেলুচিস্তান থেকে আসবে আরও ছয়জন।

এ ছাড়া ইমরান খান যখন কোনো কর্মসূচিতে যাবেন, তখন তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন শাহবাজ শরিফ।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ইমরান খান বাসা থেকে বের হলে তাকে ঘিরে থাকবে পুলিশের চারটি গাড়ি, যাতে সতর্ক অবস্থায় থাকবেন তাদের ২৩ জন। আরেকটি গাড়িতে থাকবে বিশেষ বাহিনীর পাঁচ সদস্য।

বিভিন্ন নাটকীয়তার পর গত ৯ এপ্রিল মধ্যরাতের অনাস্থা ভোটে ৬৯ বছর বয়সী ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে। তিনি দেশটির ২২তম প্রধানমন্ত্রী।

পরে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে আবার ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেতা শাহবাজ শরিফ।

দুর্নীতির দায়ে নওয়াজ শরিফ অভিশংসিত হওয়ার পর ২০১৮ সালে চার দলের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ইমরান। তার সরকারের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
আমার চরিত্রহননের চেষ্টা চলছে: ইমরান
এবার ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের হুমকি
সিইসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করবে ইমরানের দল

মন্তব্য

উপরে