× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

অর্থ-বাণিজ্য
It was wrong to believe traders Commerce Minister
hear-news
player

ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা ভুল ছিল: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায়ীদের-বিশ্বাস-করা-ভুল-ছিল-বাণিজ্যমন্ত্রী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সোমবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করেছিলাম। এটাই আমাদের ব্যর্থতা। বিশ্বাস করা ভুল হয়েছে।’

ভোজ্যতেলের দাম না বাড়ানো এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অনুরোধের পরও ব্যবসায়ীরা কথা রাখেননি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা ভুল ছিল বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সোমবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করেছিলাম। এটাই আমাদের ব্যর্থতা।

‘বিশ্বাস করা ভুল হয়েছে, কিন্তু ছোটবেলা থেকেই আমরা শিখেছি মানুষকে বিশ্বাস করতে হয়।’

ওই সময় মন্ত্রী খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ের অনেক ব্যবসায়ী পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে বলে দাবি করেন। তবে মিল মালিকদের নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

গত মার্চে তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব সরকার ফিরিয়ে দেয়ার পর বাজারে সয়াবিন তেল সরবরাহ কমে গিয়েছিল অনেকটা। পরিস্থিতির আরও অবনতি হয় ঈদের আগে আগে। এবার তেল একেবারে উধাও হয়ে যায়। ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বোতলজাত তেল লিটারে ৩৮ টাকা আর খোলা তেল ৪৪ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা আসে। এর পরেও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

বিভিন্ন জেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে গুদাম থেকে এমনকি বাসা থেকে মজুত করা বিপুল পরিমাণ তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ঈদের আগে না ছাড়লেও দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর বাড়তি দামে তেল ছাড়া হয়। সেই বোতলের গায়ের দাম লিটারে ১৬০ টাকাই লেখা। তবে দোকানভেদে ২২০ টাকাও বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তেলের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সত্য যতই কঠিন হোক, তা মেনে নিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে তেলের মূল্যবৃদ্ধির বাস্তবতা মেনে নিন।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘কোথায় কোথায় কারসাজি হয়েছে, কোথায় সমস্যা হয়েছে, তা ইতিমধ্যে চিহ্নিত। চিহ্নিত ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

‘এ ছাড়া যখন যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হবে। প্রয়োজনে র‌্যাবের সহযোগিতা নেয়া হবে।’

গত ফেব্রুয়ারি মাসে তেলের মূল্য নির্ধারণের পর আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে রোজার মধ্যেই আরেকবার দাম পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়েছিল বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। রোজায় যাতে মানুষের কষ্ট না হয় সেজন্য তিনি মিল মালিকদের অনুরোধ করে দাম বৃদ্ধি কিছুটা বিলম্বিত করেছিলেন বলেও জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘এখন তো দেখছি রোজার ভেতর একবার দাম বৃদ্ধি করাই ভালো ছিল। মিল মালিকরা মেনে নিলেও খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা ঠিকই দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঈদের পরে তেলের দাম বাড়বে, এটা সবাই অনুমান করতে পারছিলেন।’

তেলের উচ্চ মূল্যে দরিদ্র মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ এড়াতে সরকার টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে জুন মাসে আবারও এক কোটি দরিদ্র পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্য সরবরাহ করবে।

আরও পড়ুন:
পাহাড়তলীতে জব্দ ১৫ হাজার লিটার সয়াবিন
চলতি সপ্তাহেই ভোজ্যতেলের ঘাটতি কাটবে
ভোজ্যতেল সংকটে দায়ী কে?
‘প্রাইস ট্যাগ’ মুছে বেশি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি
জুনে পশ্চিমবঙ্গে ভোজ্যতেলের দাম কমবে, আশা ব্যবসায়ীদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
If there is fair competition the price will be normal

সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা হলে মূল্য স্বাভাবিক থাকবে

সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা হলে মূল্য স্বাভাবিক থাকবে রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারের দৃশ্য। ছবি: নিউজবাংলা
বানিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একচেটিয়া বাণিজ্য বন্ধ করে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতেই সরকার প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেছে। বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে পণ্যের মূল্য এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। অবৈধ মজুদের সুযোগ থাকবে না। মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন।’

বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। অবৈধ মজুদের সুযোগ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সম্মেলন কক্ষে ‘ব্যবসা-বাণিজ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ী সংগঠন সমুহের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট জসিম উদ্দিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য জি এম সালাহ উদ্দিন।

বানিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একচেটিয়া বাণিজ্য বন্ধ করে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতেই সরকার প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেছে। বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে পণ্যের মূল্য এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। অবৈধ মজুদের সুযোগ থাকবে না। মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন।’

তিনি বলেন, ‘বাজারে প্রতিযোগিতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবার পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে, প্রতিযোগিতা কমিশন আইন সম্পর্কে জানতে হবে এবং নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে হবে। প্রতিযোগিতা কমিশনকে সবার আস্থা অর্জন করতে হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিযোগিতা কমিশনের সুফল পাবার জন্য আমরা কাজ করছি। বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে, পণ্যের উৎপাদন ও মূল্য স্বাভাবিক থাকবে।’

অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য ড. এ এফ এম মনজুর কাদির, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন, চট্রগ্রাম চেম্বার্স অ্যান্ড কমার্সের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ এম করীম বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: বৈশ্বিক পরিস্থিতির দায় দেখছেন মন্ত্রী
ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা ভুল ছিল: বাণিজ্যমন্ত্রী
সাজেক-সিলসুরি সীমান্তে বর্ডার হাট স্থাপনে অগ্রগতি
শেখ হাসিনার পাঠানো মিষ্টিকে ‘অসাধারণ’ বললেন মমতা
রোজায় কেনাকাটায় হুড়াহুড়ি নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Rising commodity prices The Minister blames the global situation

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: বৈশ্বিক পরিস্থিতির দায় দেখছেন মন্ত্রী

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: বৈশ্বিক পরিস্থিতির দায় দেখছেন মন্ত্রী সচিবালয়ে বিএসআরএফ সংলাপে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক, অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি দুটোই খুব ক্রিটিক্যাল (গুরুত্বপূর্ণ)। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ভালো হলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার পরিস্থিতিও ভালো থাকে।’

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সচিবালয়ে সোমবার বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) সংলাপে যোগ দিয়ে এ মত দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক, অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি দুটোই খুব ক্রিটিক্যাল (গুরুত্বপূর্ণ)। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ভালো হলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার পরিস্থিতিও ভালো থাকে, কিন্তু বিশ্বজুড়ে ভোজ্যতেলসহ প্রায় সব পণ্যের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। দেশে তারই প্রভাব পড়ছে।’

দ্রব্যমূল্য নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‌‌‘তেল, চিনি, ডালের দাম নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও চড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সরকার সেখানে সব ধরনের সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছে। নিত্যপণ্যের আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি এর জন্য করণীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতেও কাজ করে যাচ্ছে।

‘আবার বাজার পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যারা অসাধু কর্মকাণ্ডে লিপ্ত, তাদের শাস্তির আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে সরকার বাজারকে নিয়ন্ত্রণ নয়, স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ অনেকটা প্রভাব ফেলেছে আমাদের খাদ্যপণ্যের ওপর। সামনের দিকে কিছুটা সংকট রয়েছে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আশপাশের শ্রীলঙ্কার অবস্থা দেখে অনেকে প্রচার করছে সে অবস্থা হতে পারে।

‘সে রকম কোনো আশঙ্কা নেই। আমরা নিজেরাই শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়েছি। যারা বলেন বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার দিকে যাচ্ছে, সেটি আসলে এক ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য, যার কোনো বাস্তবতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘…এটা ঠিক, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও দীর্ঘতর হলে তার নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশেও দীর্ঘতর হবে। এ ধরনের সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের করণীয় আছে।’

ওই সময় তিনি ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ কিংবা ভোক্তা সবাইকে যার যার অবস্থানে থেকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন। রিজার্ভের অপচয় রোধে ব্যবসায়ীদের সতর্ক হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

ভোজ্যতেল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়েকটি পণ্য আছে, যেগুলো আমরা মনিটর করি। ঈদের আগে তেলের দাম নিয়ে অনেক কথা এসেছে। আমাদের মন্ত্রণালয় প্রতি মাসে একবার বসে ট্যারিফ কমিশন এই প্রাইজিংটা করেন। সবকিছু এভারেজ করে দামটা নির্ধারণ করা হয়।

‘আমাদের একটা বিশেষ কারণ ছিল। ঈদের মাসটাতে আমরা দামটা বাড়াতে চাইনি। ব্যবসায়ীদের বলেছিলাম, এই সময়টা ম্যানেজ করেন। তাই যেই সময়ে দামটা ফিক্সড করা হয়, সেখানে কিছুটা বিলম্ব হয়। যেহেতু তারা ভেবেছিল ঈদের পর দামটা বাড়বে, সে জন্য অনেকে তেল জমিয়ে রেখেছিল। এ জন্য প্রচুর ব্যবসায়ীকে আমরা ধরছি। সেটি ধরে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করছে ভোক্তা অধিকার।’

মজুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘…অনেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে এবং জেলেও পাঠানো হয়েছে, তবে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাই না, যাতে বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। রমজান মাসটা সংযমের মাস। ব্যবসায়ীরা জানে ঈদের পর দাম বাড়বে।

‘তারা সেই সুযোগ নিয়েছে, তবে আমাদের ভুল হয়েছে টানা দুই মাস তেলের দামটা নির্ধারণ করিনি। যদি করতাম তাহলে তারা সুযোগটা নিতে পারত না। এ সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামটা বেড়েছিল। তাই সেটি আগে ফিক্সড করলে সমস্যাটা হতো না।’

পেঁয়াজের দামের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এ মুহূর্তে পেঁয়াজের দাম একটু চড়া। তবুও দাম মানুষের নাগালের মধ্যেই আছে। পেঁয়াজের দাম যদি কৃষক ২৫ টাকা পায়, তাহলেও মোটামুটি পোষানো সম্ভব হয়। পরে সেটির সঙ্গে ট্রান্সপোর্টসহ কিছু কস্টিং যুক্ত হয়।

‘পেঁয়াজের আইপি বন্ধ করে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষকরা যাতে দাম পায় সেটি দেখতে হবে। আমরা দেখছি কৃষকরা যাতে অন্তত ২৫ টাকা পায়। বাকি ট্রান্সপোর্টসহ অন্য খরচ মিলে ঢাকার মানুষ ৪৫ টাকায় যাতে খেতে পারে। কৃষকরা যাতে দাম পায় এবং ভোক্তারাও যাতে কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারে, সেটি আমরা দেখছি।’

সীমান্ত হাট নিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জির (পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী) সঙ্গে কথা বলেছিলাম এ বিষয় নিয়ে। আশা করছি, তিন-চারটি প্রোপাজাল দেবে। মিজোরামে গিয়েও আলোচনা হয়েছে।

‘ছোট রাজ্য হলেও তারা এটি খুব পজিটিভলি দেখছে। একটি সাজেকের কাছাকাছি, আরেকটি ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি নিয়ে দ্রুত দেখতে।’

রপ্তানি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কিছু কিছু ভালো কাজ করতে পেরেছি। বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা রপ্তানি ভালো করছি। ইতোমধ্যে বছরের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

‘বাকি সময়ে রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছি। আমরা এটাও আশা করছি, ২০২৪ সালে ৮০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘১৫০টির বেশি দেশে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য পাঠাতে পারছি। অন্যদিকে ইথিওপিয়া ৯০ শতাংশ এসব পণ্য বাইরে থেকে আমদানি করে। গার্মেন্ট সেক্টরে আরও ১০ লাখ কর্মী যুক্ত হবে বলে আশা করছি।’

সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংলাপের উপস্থাপনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

আরও পড়ুন:
মূল্যবৃদ্ধির পাগলা ঘোড়া টেনে ধরবে কে?
মূল্যতালিকা প্রদর্শনসহ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ১৬ সুপারিশ
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে বিএনপির হাত আছে: যুবলীগ চেয়ারম্যান
সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস পাবেন নগরবাসী
অকারণে বাড়ছে ছোলার দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Success in omega 3 fatty acid rich chicken meat eggs

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’ ব্রয়লার মুরগির মাংসে ও লেয়ার মুরগির ডিমে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধকরণে এ সাফল্য পাওয়ার দাবি। ছবি: নিউজবাংলা
কৃষিবিদ মো. আহসান হাবীব বলেন, ‘গবেষণায় লেয়ার মুরগির ডিমের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩৭৪ দশমিক ২৯ মিলিগ্রাম ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গ্রামে ১৮৭ দশমিক ১৫ মিলিগ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া গেছে, যা ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রা থেকে বেশি।’

ব্রয়লার মুরগির মাংস ও লেয়ার মুরগির ডিমে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধকরণে সাফল্য পাওয়ার দাবি করেছে একটি প্রতিষ্ঠান।

বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন আপিজ সেইফ ফুড এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিকরুল হাকিম।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে বাকৃবির চারজন তরুণ শিক্ষার্থীর উদ্যোগে আপিজ সেইফ ফুড এগ্রো লিমিটেড যাত্রা শুরু করে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মোহাম্মদ আহসান হাবিব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত ‘রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট টিম’ মুরগির মাংস ও ডিমকে ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ করার গবেষণাটি শুরু করে। ২০২২ সালের এপ্রিলে গবেষণা শেষ হয়।

প্রকল্পটিতে মূলত মুরগির খাদ্যাভ্যাস ও খাদ্য গ্রহণে পরিবর্তন আনা হয়। মুরগিকে প্রতিদিনের খাদ্যের সঙ্গে কড লিভার অয়েল, ফ্ল্যাক্স সিড অয়েল, ফিশ অয়েল ইত্যাদি ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ উপাদান সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটি দেশে প্রথম ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস উৎপাদন করতে পেরেছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘‘নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের জোগান দেয়া এবং দেশের মেধাবী ও পরিশ্রমী জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিক্ষেত্রে সমৃদ্ধি আনা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।

‘‘ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ ‘সেইফ ওমেগা-৩ ব্রয়লার’ ও ‘সেইফ ওমেগা-৩ এগ’ শিগগিরই বাজারজাত করবে বেসরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি।’’

দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সাধারণ ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কেজিপ্রতি ২৮০-২৯০ টাকা হলেও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম হবে কেজিপ্রতি ৫৯০ টাকা।

‘সাধারণ লেয়ার মুরগির ডিমের দাম প্রতি ডজন ১২০ টাকা হলেও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ডিমের দাম হবে প্রতি ডজন ২২৫ টাকা। আগামী সপ্তাহ থেকেই ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন সুপারশপে পণ্যগুলো কিনতে পাওয়া যাবে।’

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ মো. আহসান হাবীব বলেন, ‘গবেষণায় লেয়ার মুরগির ডিমের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩৭৪ দশমিক ২৯ মিলিগ্রাম ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গ্রামে ১৮৭ দশমিক ১৫ মিলিগ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া গেছে, যা ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রা থেকে বেশি।’

গবেষণায় পাওয়া ফল বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) পরীক্ষা করেছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
মুরগি-ডিমের দাম বৃদ্ধির যত কারণ
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী
হরেক রকম ডিম
যে আমের কেজি হাজার টাকা
যে কারণে বাড়ছে ডিমের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of all products is only oil

দাম চড়া সব পণ্যের, নজর শুধু তেলে

দাম চড়া সব পণ্যের, নজর শুধু তেলে বাজারে ভোগ্য ও নিত্যব্যবহার্য প্রায় সব পণ্যের দামই বাড়তি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা
জনগণের নাভিশ্বাস ওঠার কারণ শুধু ভোজ্যতেল নয়; দাম ঊর্ধ্বমুখী সব পণ্যেরই। চাল, আটা, ডিম, পেঁয়াজ, চিনি, মসুর ডাল থেকে শুরু করে ভোগ্য এবং নিত্যব্যবহার্য প্রায় সব পণ্যের গায়েই আগুন।

সরবরাহ ঘাটতি, মজুতদারি, মিলমালিকদের কারসাজি, বিক্রেতাদের অধিক মুনাফামুখিতার মতো নানা কারণে সয়াবিনের দাম নিয়ে দেশজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সরকারও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মাঠ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তৎপর।

বাস্তবতা হলো জনগণের নাভিশ্বাস ওঠার কারণ শুধু ভোজ্যতেল নয়; দাম ঊর্ধ্বমুখী সব পণ্যেরই। চাল, আটা, ডিম, পেঁয়াজ, চিনি, মসুর ডাল থেকে শুরু করে ভোগ্য এবং নিত্যব্যবহার্য প্রায় সব পণ্যের গায়েই আগুন।

কনজ্যুমারস ফোরামের তথ্য

বেসরকারি সংস্থা কনজ্যুমারস ফোরাম (সিএফ) চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে পাইকারি বাজার বিশ্লেষণ করেছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারির তুলনায় মার্চে পাইকারি পর্যায়ে সব ধরনের পণ্যমূল্য বেড়েছে গড়ে ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। পণ্যভেদে বেড়েছে দুই থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।

পণ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সামনে এসেছে বিশ্ববাজারে দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা, তবে স্থানীয় উৎপাদিত পণ্যের দামও বেড়েছে লাগামহীন।

দাম চড়া সব পণ্যের, নজর শুধু তেলে

সিএফের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন মালেক বলেন, ‘পণ্যের বাজারে অস্থিরতার পেছনে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট দায়ী।’

তিনি বলেন, ‘পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ মুক্তবাজার অর্থনীতির ওপর ছেড়ে দেয়া হলে নানা সময় নানা অসিলায় অযৌক্তিকভাবে গুটিকয়েক অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।’

কোন পণ্যের দাম কত বাড়ল

সিএফ জানিয়েছে, জানুয়ারির তুলনায় মার্চে দাম বাড়ার শীর্ষে রয়েছে সরিষার তেল। পণ্যটির দাম গড়ে বেড়েছে ২২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ছোট দানার মসুর ডালের দর বেড়েছে ২০ দশমিক ১ শতাংশ।

লবণে ১৬ শতাংশ এবং প্যাকেটজাতকৃত গুঁড়া মসলার দর বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। চালের দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ।

আটা, ময়দা ও সুজির দর বেড়েছে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। ডালে গড়ে বেড়েছে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এ সময়ে বড় দানার মসুর ডাল ১ দশমিক ১১ শতাংশ এবং মুগ ডালের দর বেড়েছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। দেশি ছোট দানার মসুর ডালের দাম বেড়েছে ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ। চিনির দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৭১ শতাংশ।

সয়াবিন তেলে গড়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ দাম বেড়েছে। নারকেল তেলে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ দর বেড়েছে। গুঁড়া হলুদ-মরিচের দর বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্যাকেটজাত গুঁড়া মসলার দর ৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়েছে। হ্যান্ড ওয়াশে বেড়েছে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ।

থালা-বাটি, হাঁড়ি-পাতিল পরিচ্ছন্ন করার দ্রব্য ২ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে।

নিত্যব্যবহার্য টুথপেস্টের দাম ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। নুডলস ও স্যুপের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ১৫ শতাংশ। গুঁড়া দুধের দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

পাইকারি পর্যায়ে প্যাকেটজাত লবণের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ টাকা। শতকরা হিসাবে বৃদ্ধি হয়েছে ১৬ শতাংশ। খুচরা পর্যায়ে ৩২ টাকার লবণ হয়েছে ৩৫ টাকা। ইতোমধ্যেই পাইকারি পর্যায়ে লবণে ৩ টাকা কেজিতে কমানো হয়েছে, কিন্তু খুচরা পর্যায়ে ৩৫ টাকাই রাখা হয়েছে।

দাম বাড়েনি যেসব পণ্যের

সিএফের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চে পাইকারি পর্যায় দাম বাড়েনি নাইজাল, হারপিক, থালা-বাটি পরিষ্কার করার মাজনির।

সরিষা-সয়াবিন ও নারকেল তেলের দাম বাড়লেও ঘির দাম বাড়েনি। চা-পাতা, স্যালাইন, টিস্যু পেপার, ভিনিগার, সস ও স্যাম্পুর দাম ছিল স্থিতিশীল।

সিএফের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে সরকার ভোজ্যতেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ছিলেন, কিন্তু ঈদের আগে থেকেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি চাল, ডাল, তরকারি, মাছ-মাংসসহ সব পণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়াই এবার হঠাৎ করে গরু-ছাগল ও মুরগির মাংসের দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। ৬২০ টাকা কেজি গরুর মাংস উঠে যায় ৭০০ টাকায়, ৭৫০ টাকা কেজি খাসির মাংস ৯০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।

১৪০ টাকা কেজির ব্রয়লার মুরগির মাংস ১৬০ টাকায় দাঁড়ায়। ২৮০ টাকা দামের কর্ক মুরগি কেজি বেড়ে হয় ৩২০ টাকা।

শসা, বেগুন, টম্যাটো, কাঁচামরিচ সবজির দাম কেজিতে ক্ষেত্রবিশেষে ২০, ৪০ বা ৫০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

দাম চড়া সব পণ্যের, নজর শুধু তেলে

এবার ফলের দামও চড়া। ৮০ টাকা দামের একটি ডাব বিক্রি হয় ১২০ টাকা। কলার হালিও ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

রোজার মাস থেকে ভোজ্যতেলের আকাল শুরু হয়। ঈদের ছুটির পর ১ লিটারের তেল ৩৮ টাকা বাড়িয়ে বিক্রির অনুমতি দেয় সরকার।

লিটারপ্রতি সয়াবিন তেল ১৬০ টাকার জায়গায় করা হয় ১৯৮ টাকা। শতকরা হিসাবে দাম বাড়ে ২৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

লক্ষ্যমাত্রার বেশি মূল্যস্ফীতি

চলতি অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতির যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়, বাস্তবে সেটি তার চেয়েও বেশি। মূল্যস্ফীতি যে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, তা স্বীকার করছে সরকারও।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, মার্চে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২২ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ।

মার্চে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ২২ শতাংশ।

খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ০৪ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৫ অঙ্কের ঘরে মূল্যস্ফীতি ধরে রাখার আশ্বাস দেয় সরকার।

করণীয় কী

কনজ্যুমারস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন মালেক বলেন, ‘অবস্থা উত্তরণে, বিশেষ করে শিল্প ও আমদানীকৃত পণ্যের উৎপাদক, ব্যবসায়ীর সংখ্যা সরকারি উদ্যোগে বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘বাজারে সরকারের হস্তক্ষেপ রাখতে টিসিবিকে ঢেলে সাজিয়ে পণ্য উৎপাদন, আমদানি, তেল-চিনি ও লবণের রিফাইন মিল স্থাপন করার বিকল্প নাই।মাছ-মাংসসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতে সমবায় ব্যবস্থা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে এসব পণ্যের বাজার ব্যবস্থা থেকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য প্রতিহত করা সম্ভব।

‘এতে করে কৃষিপণ্য উৎপাদকরা পণ্যের যৌক্তিক মূল্য পাবেন। একই সঙ্গে শহর-নগরের ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য কেনারও সুযোগ পাবেন।’

সাধারণ মানুষের অস্তিত্বের স্বার্থে নিত্যপণ্যের মূল্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো পণ্যের মূল্য যেন অযাচিতভাবে না বাড়ে, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
পুরোনো বোতলের সয়াবিন নতুন দামে বিক্রি, জরিমানা
বেড়েছে মাছ ডিমের দাম, সবজিতে স্বস্তি
ভোজ্যতেল: পাঁচ দিনে জব্দ সাড়ে ১০ লাখ লিটার
অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভোক্তার অভিযান চলবে
‘সয়াবিনের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত কোম্পানির নয়’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Import stopped Onion price increased by 12 rupees per kg

আমদানি বন্ধ: পেঁয়াজের দাম বাড়ল কেজিতে ১২ টাকা

আমদানি বন্ধ: পেঁয়াজের দাম বাড়ল কেজিতে ১২ টাকা পিঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় কেজিতে দাম বেড়েছে ১০-১২ টাকা। ছবি: নিউজবাংলা
ভোমরা স্থলবন্দরের শুল্কস্টেশন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আমির মামুন বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আইপি না দেয়ায় আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানি করতে পারছেন না। বর্তমানে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।’

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি আট দিন বন্ধ হয়ে রয়েছে।

এর প্রভাব পড়েছে দেশের পিঁয়াজ বাজারে। কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম ১০ থেকে ১২ টাকা বেড়েছে।

গত ৫ মে থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আইপি (ইনপোর্ট পারমিট) না দেয়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।

ভোমরা স্থলবন্দরের শুল্কস্টেশন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আমির মামুন বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আইপি না দেয়ায় আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানি করতে পারছেন না। বর্তমানে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।

‘প্রতিদিন কমপক্ষে ৬০ থেকে ৭০ ট্রাক পেঁয়াজ ভারত থেকে ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানি হতো। দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে আসায় এটি বন্ধ করা হয়েছে।’

সাতক্ষীরা বড়বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাবু বরেন, ‘পাঁচ থেকে সাত দিন আগে এই পেঁয়াজের মূল্য ছিল ২৪-২৫ টাকা। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে ৩৪-৩৫ টাকা।

‘খুচরা বাজারে আরও দুই টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য কমপক্ষে ১০-১২ টাকা বেড়েছে।’

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি ও বিপণন কর্মকর্তা সালেহ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বাছাইকৃত ভালো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে পাইকারি ৩২ টাকা দরে। খুচরা বাজারে গিয়ে আরও কয়েক টাকা দাম বেড়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে এলসির পেঁয়াজ বাজারে নেই। সামান্য কিছু থাকতে পারে।

‘বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ থাকায় আশা করি বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বন্ধ হচ্ছে না পেঁয়াজ আমদানি
খাতুনগঞ্জে আরও কমেছে পেঁয়াজের দাম
পেঁয়াজ আমদানির সময় বাড়ছে আরও এক মাস
মৌমাছি সংকট, ‘ব্ল্যাকগোল্ডে’ লোকসানের শঙ্কায় চাষিরা
‘কালোসোনায়’ বাজিমাতের আশা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Seized 25000 liters of soybeans sold in the open market

জব্দ ২৫০০০ লিটার সয়াবিন বিক্রি খোলাবাজারে

জব্দ ২৫০০০ লিটার সয়াবিন বিক্রি খোলাবাজারে
দুটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে পাওয়া যায় ২২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। পৃথক অভিযানে জব্দ করা হয় আরও তিন হাজার লিটার তেল, যা মজুত করে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা চলছিল। পরে জব্দ করা সয়াবিন তেল নির্ধারিত দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুরে পৃথক অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ২৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। এ সময় ছয় ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা তেল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি হয়েছে খোলাবাজারে।

উল্লাপাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জল হোসেন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টিম শনিবার দুপুরে এ দুটি অভিযান চালান।

উল্লাপাড়া পৌর শহরের ঘোষগাঁতী মহল্লায় শনিবার দুপুরে দুটি গোডাউনে অভিযান চলে। সেখানে পাওয়া যায় ২২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। গোডাউনে বিপুল পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুত করে তা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ পেয়ে এ অভিযান চলে। সেখানে দত্ত অ্যান্ড ব্রাদার্স ও মেসার্স অর্ণব স্টোরকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জল হোসেন।

অভিযানের পর জব্দ করা সয়াবিন তেল নির্ধারিত দামে ভোক্তাদের কাছে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়।

অন্যদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টিম শাহজাদপুরের দাড়িয়াপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জব্দ করে তিন হাজার লিটার সয়াবিন তেল। সেখানে খোলা ও বোতলজাত তেল বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে তিন ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দ করা সয়াবিন তেল ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়।

জব্দ ২৫০০০ লিটার সয়াবিন বিক্রি খোলাবাজারে
সয়াবিন তেল জব্দের পর নির্ধারিত দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সয়াবিন তেল মজুত করছেন। বেশি দামে তা বিক্রি করছেন। এমন অভিযোগে অভিযান চলে। সেখানে সরকার অ্যান্ড ব্রাদার্স, মাসুদ স্টোর ও ভাই ভাই স্টোরে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায় তিন হাজার লিটার বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেল। তাদের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।’

দুটি অভিযানে জব্দ করা ২৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল পরে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়।

আরও পড়ুন:
সিলেটে আরও সাড়ে ৩ হাজার লিটার সয়াবিন জব্দ
এক গুদামেই ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন
এবার গাজীপুরেও জব্দ সয়াবিনের গোপন মজুত
গুদামে ১২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল, জরিমানা ২০ হাজার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In a separate operation 10384 liters of soybean was seized

দুই জেলায় ১০ হাজার ৩৬৪ লিটার সয়াবিন জব্দ

দুই জেলায় ১০ হাজার ৩৬৪ লিটার সয়াবিন জব্দ
সিলেট ও মৌলভীবাজারে ১০ হাজার ৩৬৪ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ জানান, জব্দ তেল ন্যায্যমূল্যে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।

সিলেট ও মৌলভীবাজারে অভিযান চালিয়ে আরও ১০ হাজার ৩৬৪ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ও বিকেলে এই অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বিকেলে নগরের কাজীরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফটিক স্টোর নামের একটি প্রতিষ্ঠানের গুদাম থেকে ১ হাজার ২০০ লিটার তেল জব্দ করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ নিউজবাংলাকে জানান, জব্দ তেল ন্যায্যমূল্যে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়া ফটিক স্টোরকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এর আগে মৌলভীবাজারে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ১৬৮ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারের সালাহউদ্দিন ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিপুল পরিমাণ তেল জব্দ করা হয়।

অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, তেল মজুত করার দায়ে সালাহউদ্দিন ট্রেডার্সকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সিলেট নগরের দাড়িয়াপাড়ার একটি গুদাম থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। দাড়িয়াপাড়া এলাকার রসময় স্কুলের পাশে জনপ্রিয় স্টোর নামের একটি দোকানের গুদাম থেকে এই তেল জব্দ করা হয়।

জনপ্রিয় স্টোরের স্বত্বাধিকারী সুজন রায় রূপচাঁদা সয়াবিন তেলের ডিলার।

সয়াবিন তেল মজুত ও বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে গত ৮ মে থেকে সিলেটে অভিযান শুরু হয়। শনিবারের আগ পর্যন্ত অভিযানে সিলেট বিভাগীয় চার জেলা থেকে প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়।

জব্দ তেল ক্রেতাদের কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয় এবং মজুতকারীদের জরিমানা করে ভেক্তা অধিদপ্তর।

ঈদের পর থেকেই বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিলেটে সংকট দেখা দিয়েছে তেলের। ব্যবসায়ীরা তেল মজুত করে রাখার অভিযোগ রয়েছে। অনেকে বিক্রি করছেন বেশি দামে।

আরও পড়ুন:
ভোজ্যতেল: পাঁচ দিনে জব্দ সাড়ে ১০ লাখ লিটার
অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভোক্তার অভিযান চলবে
‘সয়াবিনের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত কোম্পানির নয়’
মজুতদারির বিরুদ্ধে অভিযানে তেল ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগে ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মন্তব্য

উপরে