× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

অর্থ-বাণিজ্য
Arranging childrens clothes
hear-news
player

শিশুদের পোশাকে বাহারি আয়োজন

শিশুদের-পোশাকে-বাহারি-আয়োজন শিশুদের জন্য বাহারি সব পোশাক এনেছে বিভিন্ন দেশি ও বিদেশী ব্র্যান্ডগুলো। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
মেয়ে শিশুদের জন্য রয়েছে কাঁচা বাদাম ফ্রক; সাদা, কালো, নীল সুতি কাপড়ের উপর হাল্কা কাজ করা হয়েছে এসব ফ্রকে। তবে মেয়েদের কাঁচা বাদাম থ্রিপিস যেমন আকর্ষণীয়, ছেলে শিশুদের বেলায় তেমনটা দেখা যায়নি।

উৎসব মানেই শিশুদের বাঁধভাঙা আনন্দ। জামা কাপড় জুতা সবই নতুন চায়। পরিবারে শিশুদের পোশাক কেনা হয় সবার আগে।

ঈদের আগে আগে রাজধানীর মিরপুর-১০, মিরপুর ১ ও ২ এর বিভিন্ন শপিংমল ও শো-রুমে দেখা গেছে, দেশীয় ফ্যাশন হাউসের পাশাপাশি ব্র্যান্ড শপগুলোতে শিশুদের পোশাকেও বর্ণিল ডিজাইন।

বিক্রয়কর্মীরা জানান, এখন আবহাওয়া গরম। এ জন্য ফ্যাশন হাউজগুলো সুতি পোশাককেই প্রাধান্য দিয়েছে। পাশাপাশি তাঁত, হ্যান্ডলুম, মসলিন, লিনেন ও খাদির ব্যবহারও বেড়েছে।

এ ছাড়া সিল্ক, কাতান, ভিসকস, অরগাঞ্জা, সাটিন, টিস্যু, গ্লিটারি কাপড়, ডেনিম বা জর্জেটের মতো কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে বাহারি ডিজাইনের পোশাক। এসব পোশাক যেন গরমেও স্বস্তিদায়ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।

ভারতের বীরভূমের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকরের ‘কাঁচা বাদাম’ গানের সঙ্গে থিমের সঙ্গে মিল রেখে বাচ্চাদের জন্য আনা হয়েছে ‘কাঁচা বাদাম ফ্রক’।

প্রতি বছর ফ্যাশন হাউজগুলো শিশুদের পোশাকে বৈচিত্র নিয়ে আসে। নিত্যনতুন ডিজাইন করা হয় শিশুদের আকৃষ্ট করার জন্য। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

শিশুদের পোশাকে বাহারি আয়োজন

কে-ক্রাফট, অঞ্জন'স, চন্দ্রবিন্দু, বৈশাখী, গ্রামীণ, পল্লী, আড়ংসহ প্রায় সব ফ্যাশন হাউস ঘুরে দেখা যায়, শিশুদের পোশাক আরও আকর্ষণীয় করতে ব্যবহার করা হয়েছে চুমকি, এমব্রয়ডারি, ডলার, কারচুপি, লেস, টারসেল, সিকোয়েন্স, বাটিক, ব্লক, টাইডাই, স্ক্রিন প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট।

ঈদের বেচাকেনা শেষের দিকে। শেষ মুহূর্তে সবাই কিনে নিচ্ছেন ঈদের পোশাক।

পোশাকের দাম এবার একটু বাড়তি জানিয়ে বিক্রেতারা বলেন, সব জিনিসের সঙ্গে সুতার দামও বেড়েছে। এ জন্য পোশাকের দাম একটু বেশি।

দুই থেকে ১২ বছর বয়সের মেয়েদের জন্য বৈশাখী, চন্দ্রবিন্দু, অঞ্জনস এনেছে হাতের জমকালো কাজ করা সালোয়ার-কামিজ, থ্রি-পিস, ট্রেন্ডি টিউনিক, টপ-বটম, টপ-স্কার্ট, কাফতান, ফ্রিল দেওয়া পার্টি ফ্রক, ঘাগরা-চোলি, শর্ট টপ, সারারা, গারারা, ওয়ান শোল্ডার ফ্রক, ফ্রিল ফ্রক, ক্রপ টপ, কোল্ড শোল্ডার টপ। পাশাপাশি রয়েছে চুড়িদার, পালাজ্জো, লেগিংস, টাইস, ধুতি স্টাইলের পায়জামা, সোজা কাটের প্যান্ট, শর্ট প্যান্ট।

এসব পোশাকে রয়েছে ব্লক, টাইডাই, এমব্রয়ডারি ও মিক্স ফিউশনধর্মী কাজ। সুতি ছাড়াও সিল্ক, ধুপিয়ান, ডেনিম, লিনেন, জর্জেট বা অরগেঞ্জা কাপড়ের স্কার্টে বড় বড় ফুলের ছাপা প্রায় সব ফ্যাশন হাউসেই দেখা গেছে। দোকানভেদে এসব পোশাক পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬/৭ হাজার টাকায়।

ছোট মেয়েদের জন্য রয়েছে কাঁচা বাদাম ফ্রক। সাদা, কালো, নীল সুতি কাপড়ের উপর হাল্কা কাজ করা হয়েছে এসব ফ্রকে। তবে মেয়েদের কাঁচা বাদাম থ্রিপিস যেমন আকর্ষণীয়, ছেলে শিশুদের বেলায় তেমনটা দেখা যায়নি।

ছেলেশিশুদের পাঞ্জাবির ক্ষেত্রে পাতলা খাদি কাপড়ের আধিক্য দেখা গেছে। আড়ং, ইজি, অঞ্জনস, কে-ক্রাফটে দেখা গেছে, পাঞ্জাবি জুড়ে এমব্রয়ডারি ছাড়াও নতুনত্ব আনতে বুকের এক পাশে অল্প করে কাজ করা হয়েছে। রয়েছে গলায় ও হাতের কাছেও কাজ। কিছু কিছু পাঞ্জাবিতে পুরো বুক জুড়ে হাতের কাজ চোখে পড়ার মতো।

খাদি কাপড় ছাড়াও এন্ডি, সিল্ক্ক, মসলিন কাপড়ের কাজ করা পাঞ্জাবিও ক্রেতার পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

ছেলেশিশুদের জন্য ছোট হাতার ক্যাজুয়াল শার্ট, ফতুয়া, গেঞ্জি, ক্যাজুলায় গেঞ্জি আনা হয়েছে। ফুলের প্রিন্ট, ছোট ছোট ব্লক, গাড়ি, ছোট ছোট কার্টুন এঁকে এসব পোশাক করা হয়েছে আকর্ষণীয়।

প্যান্টের মধ্যে এক রঙের প্যান্টের পাশাপাশি আছে ব্লিচ করা ডেনিমের প্যান্ট।

তবে অন্যান্যবারের তুলনায় পোশাকের দাম বেশি বলে জানান ক্রেতারা।

ঈদের শিশুদের গেঞ্জি-পাঞ্জাবি কিনতে ইজির শো-রুমে এসেছেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বরাবরই ইজি থেকেই পাঞ্জাবি কেনা হয়। কিন্তু এবার দাম একটু বেশি। পাঞ্জাবি ছাড়া গেঞ্জির দামও বেড়েছে। নতুন গেঞ্জি এক হাজার টাকার নিচে নেই। কিন্তু আগে এগুলো ৮৫০/৯০০ টাকায় কিনেছি।’

শো-রুমের বিক্রয়কর্মী বলেন, বর্তমানে সব জিনিসের দাম উর্ধ্বমুখী। এ জন্য তাদের পণ্যের দামও কিছুটা বেড়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে কেমন চলছে লুঙ্গির বাজার
মার্কেট থেকে ফুটপাত, জমজমাট ঈদবাজার
রাতে ঈদের কেনাকাটা
ঈদের বাজারেও ‘কাঁচা বাদাম’, ‘পুষ্পা’
ঈদবাজারে বৈশাখী কেনাকাটায় ভাটা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Gathering of devotees at Rajban Bihar to celebrate Buddha Purnima

বুদ্ধপূর্ণিমা উদযাপনে রাজবন বিহারে পুণ্যার্থীদের সমাগম

বুদ্ধপূর্ণিমা উদযাপনে রাজবন বিহারে পুণ্যার্থীদের সমাগম বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে নানা এলাকা থেকে হাজারও পুণ্যার্থী আসেন রাজবন বিহারে। ছবি: নিউজবাংলা
বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে নানা এলাকা থেকে রাজবন বিহারে আসেন হাজারও পুণ্যার্থী। বুদ্ধের মাথায় পানি ঢেলে তারা সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের পায়ে শ্রদ্ধা জানান।

রাঙ্গামাটিতে নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বুদ্ধপূর্ণিমা।

বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে সকালে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা ও রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ভিক্ষু ভদন্ত শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির।

এরপর জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি থেকে রাজবন বিহার পর্যন্ত গৌতম বুদ্ধের ধাতু প্রদক্ষিণ করে মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়। শোভাযাত্রা শেষে রাজবন বিহারে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়।

প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির বিশ্বে শান্তি ও মঙ্গল প্রার্থনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন করেন। ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয় পঞ্চশীল প্রার্থনা, বুদ্ধমূর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কারদান, হাজার বাতিদান, টাকা দান, ফানুসবাতি উৎসর্গ ও দান।

বুদ্ধপূর্ণিমা উদযাপনে রাজবন বিহারে পুণ্যার্থীদের সমাগম

বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে নানা এলাকা থেকে রাজবন বিহারে আসেন হাজারও পুণ্যার্থী। বুদ্ধের মাথায় পানি ঢেলে তারা সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের পায়ে শ্রদ্ধা জানান।

জল্পনা চাকমা নামের এক পুণ্যার্থী বলেন, ‘বুদ্ধের তিন স্মৃতিবিজড়িত এই দিন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে পরিবার ও নিজের মঙ্গল প্রার্থনার উদ্দেশ্যে বিহারে এসেছি।’

গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ উপলক্ষে প্রতি বছর বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি উদযাপন করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। রোববার সারা দেশে বুদ্ধপূর্ণিমার উৎসব হলেও রাজবন বিহারে হচ্ছে এক দিন পর।

রাজবন বিহারের বয়োজ্যেষ্ঠ কয়েকজন ভিক্ষু জানান, রোববার দুপুর ১২টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত থাকে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি। রোববার বুদ্ধপূর্ণিমা উদযাপন করলে তা বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে পড়ে না। তাই সোমবার সব আয়োজন করা হয়েছে।

এই আয়োজনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নিখিল কুমার চাকমা ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান ও পঞ্চশীল পাঠ করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমীয় খীসা।

আরও পড়ুন:
সাড়ম্বরে পালিত বুদ্ধপূর্ণিমা
বুদ্ধপূর্ণিমা আজ
বুদ্ধপূর্ণিমায় করোনা মুক্তির প্রার্থনা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Buddha Purnima was solemnly celebrated

সাড়ম্বরে পালিত বুদ্ধপূর্ণিমা

সাড়ম্বরে পালিত বুদ্ধপূর্ণিমা ‘জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’ এই অহিংস বাণীর প্রচারক গৌতম বুদ্ধের আবির্ভাব, বোধিপ্রাপ্তি আর নির্বাণলাভের দিনটিকে বুদ্ধ পূর্ণিমা হিসেবে পালন করেন ভক্তরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
রোববার রাজধানীর অন্যান্য বৌদ্ধ মন্দিরের মতো মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মন্দিরেও ছিল নানারকম আয়োজন। পরিবার-পরিজন নিয়ে বৌদ্ধ বিহারে এসে আনন্দ প্রকাশ করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

করোনায় দুই বছর কিছুটা অনাড়ম্বরভাবে পালিত হলেও এবার সাড়ম্বরেই পালিত হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধপূর্ণিমা।

রোববার রাজধানীর অন্যান্য বৌদ্ধ মন্দিরের মতো মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মন্দিরেও ছিল নানারকম আয়োজন। পরিবার-পরিজন নিয়ে বৌদ্ধ বিহারে এসে আনন্দ প্রকাশ করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

এতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান এমপি।

তিনি বলেন, ‘একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে সকল ধর্মের শান্তিপূর্ণ বসবাসের বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সকল পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

ফরিদুল হক খান বলেন, ‘বৌদ্ধ ধর্ম শান্তির ধর্ম। সব ধর্মেই বলা আছে শান্তি ও সম্পৃতির কথা। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও একটি ধর্ম নিরপেক্ষ শান্তি-সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে সকল বৌদ্ধমন্দিরের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকারি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। দেশের বাইরেও বৌদ্ধমন্দিরে প্রধানমন্ত্রী সহায়তা প্রদান করেছেন।’

বৌদ্ধ ভিক্ষু সুনিন্দ মিত্র বলেন, ‘মনের শুদ্ধি লাভ করাটাই আজকের দিনের প্রার্থনা। জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক– গৌতম বুদ্ধের এই বাণী মাথায় রেখে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র লক্ষ্য।’

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাথেরর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত সুদর্শন দীপাল সুরেশ সিনিভিরন্তে। বোদ্ধ ধর্মের ভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রাজবন বিহারে বুদ্ধপূর্ণিমা ১ দিন পর কেন?
বুদ্ধপূর্ণিমা আজ
বুদ্ধপূর্ণিমায় করোনা মুক্তির প্রার্থনা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Buddhas philosophy can play a role in preventing war President

যুদ্ধ-বিগ্রহ রোধে বুদ্ধের দর্শন ভূমিকা রাখতে পারে: রাষ্ট্রপতি

যুদ্ধ-বিগ্রহ রোধে বুদ্ধের দর্শন ভূমিকা রাখতে পারে: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।
মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘মহামতি বুদ্ধ একটি সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় আজীবন সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করে গেছেন। অহিংসা পরম ধর্ম- বুদ্ধের এই অমিয় বাণী আজও সমাজে শান্তির জন্য সমভাবে প্রযোজ্য।’

অশান্ত ও অসহিষ্ণু বিশ্বে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগত হানাহানি রোধসহ সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গৌতম বুদ্ধের দর্শন ও জীবনাদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শনিবার এক বাণীতে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মহামতি বুদ্ধ ছিলেন জীবের মঙ্গল কামনায় সত্যসন্ধ। পৃথিবীকে সুখী ও শান্তিপূর্ণ করে গড়ে তোলার জন্য তিনি নিরন্তর প্রয়াস চালান। বুদ্ধের চেতনায় ছিল দুঃখ জয়ের মাধ্যমে জীবের মুক্তি কামনা। তিনি মানব জীবনে দুঃখ ও দুঃখের কারণ এবং তা নিবারণের উপায় সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করেন, যা চতুরার্য সত্য নামে পরিচিত।’

আব্দুল হামিদ বলেন, ‘মহামতি বুদ্ধ একটি সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় আজীবন সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করে গেছেন। অহিংসা পরম ধর্ম- বুদ্ধের এই অমিয় বাণী আজও সমাজে শান্তির জন্য সমভাবে প্রযোজ্য।

‘প্রাচীনকাল থেকে বাংলার জনপদের সঙ্গে বৌদ্ধ সভ্যতা ও কৃষ্টি গভীরভাবে মিশে আছে। পাহাড়পুর ও ময়নামতি শালবন বিহার তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল থেকে এ দেশের সব ধর্মের মানুষ তাদের নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠানাদি অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে পালন করে আসছে। এটা এ দেশের সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল ঐতিহ্য।’

আরও পড়ুন:
ইটনায় স্কুল, কলেজ ও সেতু পরিদর্শন রাষ্ট্রপতির
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
পাঁচ দিনের সফরে কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতি
৫ দিনের সফরে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র দিলেন ৯ দেশের দূত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Poets philosophy must be used Speaker

কবিগুরুর দর্শন কাজে লাগাতে হবে: স্পিকার

কবিগুরুর দর্শন কাজে লাগাতে হবে: স্পিকার কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের জাতীয় অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
স্পিকার বলেন, ‘কবিগুরুর সত্য ও সুন্দরের দর্শন কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। কুঠিবাড়ির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর উন্নয়নে আরও কাজ করতে হবে। সরকারের কাছে আমার এমনই প্রত্যাশা।’

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কবিগুরুর সত্য ও সুন্দরের দর্শন কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

কুষ্টিয়ায় রোববার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠানে তিনি নতুন প্রজন্মের প্রতি এ আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, ‘বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ির ঐতিহ্য ও গৌরব বিরল। এটা আমাদের গর্ব। কুঠিবাড়ি সম্পর্কে যেন দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারেন, গবেষণা করতে পারেন।

‘কবিগুরুর সত্য ও সুন্দরের দর্শন কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। কুঠিবাড়ির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর উন্নয়নে আরও কাজ করতে হবে। সরকারের কাছে আমার এমনই প্রত্যাশা।’

কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এর আগে জাতীয় সংসদের স্পিকার কুঠিবাড়ির ঐতিহাসিক বকুলতলায় একটি বকুলগাছের চারা রোপণ করেন।

আলোচনা সভা শেষে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা পাঠ ও নাটক মঞ্চায়ন হয়।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কুঠিবাড়িতে গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নিরিবিলি পরিবেশ এবং জমিদারি দেখাশোনার জন্য বারবার কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়িতে এসেছেন কবিগুরু। প্রত্যন্ত শিলাইদহে কেটেছে কবির জীবনের অনেকটা সময়।

আরও পড়ুন:
রাজনীতি ও রবীন্দ্রনাথ 
আমার রবীন্দ্রনাথ
‘…তোমামাঝে অসীমের চিরবিস্ময়’
বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই কাচারিবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন
রবীন্দ্রনাথ: জীবনের পরতে পরতে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Rabindra Jayanti celebrations in two Kachari Bari with colorful arrangements

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই কাচারিবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই কাচারিবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়ি মিলনায়তনে আয়োজিত জন্মবার্ষিকী উৎসব। ছবি: নিউজবাংলা
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের পতিসরে এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই কাচারিবাড়িতে উদযাপিত হচ্ছে তার ১৬১তম জন্মবার্ষিকী।

২৫শে বৈশাখ মানেই গ্রীষ্মের উত্তপ্ত দিনে নানা আয়োজনে কবিগুরুকে স্মরণ। এবারে দেশের নানা জায়গায় বৃষ্টির কারণে খরতাপ নেই। তবে বৃষ্টি বন্ধ করতে পারেনি কোনো আয়োজন।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের পতিসরে এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই কাচারিবাড়িতে উদযাপিত হচ্ছে তার ১৬১তম জন্মবার্ষিকী।

নওগাঁয় কাচারিবাড়ি প্রাঙ্গণে রোববার সকাল ১০টার দিকে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ফেস্টুন ও কবুতর উড়িয়ে জন্মোৎসব উদ্বোধন করেন।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই কাচারিবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন

কয়েকটি পর্বে সাজানো হয়েছে পুরো দিনের আয়োজনকে। এর মধ্যে আছে চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রথম পর্বে ‘রং-তুলিতে রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এই প্রদর্শনীতে অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও নওগাঁ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা।

এরপর দেবেন্দ্র মঞ্চে ‘মানবতার সংকট ও রবীন্দ্রনাথ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নওগাঁ ৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার, ৬ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন হেলাল ও জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের একজন দিকপাল। বাঙালির জীবনে নানা অনুষঙ্গে রবীন্দ্রনাথ এখনও প্রাসঙ্গিক। বাঙালি জীবনের যত বৈচিত্র্য আছে তার পুরোটাই উঠে এসেছে কবিগুরুর কবিতা, গান, গল্প, প্রবন্ধ ও উপন্যাসে।

‘কবিগুরু তার লেখনীতে মানবতার সংকট থেকে উত্তরণের নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। রবীন্দ্র সাহিত্য চর্চা করলে মানবজীবনের নানা সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।’

শাহজাদপুরে কাচারিবাড়ি মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই কাচারিবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু একজন কবি নন, তিনি একজন মহাপুরুষ। আমার মতো মানুষের কবিকে নিয়ে বক্তব্য দেয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার। রবীন্দ্রনাথ একজন জমিদার বংশের লোক হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ।

‘আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বকবিকে বুকে ধারণ করেছিলেন বলেই তিনি সাধারণ মানুষকে ভালোবাসতেন, গান ভালোবাসতেন, কবিতাকে ভালোবাসতেন। আমরা যদি রবীন্দ্রনাথকে মনেপ্রাণে ধারণ করতে পারতাম তাহলে আমাদের অবস্থান আরও উন্নত শিখরে থাকত।’

আমাদেরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকে অনুসরণ করে জীবন গড়ে তোলা উচিত বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফারুক আহাম্মদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজগঞ্জ ৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা।

আরও পড়ুন:
রবীন্দ্রনাথ: জীবনের পরতে পরতে
রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী: কুঠিবাড়িতে ৩ দিনের আয়োজন
বিশ্বকবির ১৬১তম জন্মবার্ষিকী
রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে পুলিশের ভালোবাসা পেল পথশিশুরা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
3 day event on Rabindranaths birth anniversary at Kuthibari

রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী: কুঠিবাড়িতে ৩ দিনের আয়োজন

রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী: কুঠিবাড়িতে ৩ দিনের আয়োজন কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের জাতীয় অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিদিন আলোচনা ছাড়াও থাকছে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি, গান ও নাটক প্রদর্শন। অনুষ্ঠানের জন্য কুঠিবাড়ির মূল চত্বরে বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। আর কুঠিবাড়ির বাইরে বড় মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা। মেলাও চলবে তিন দিন।

কুষ্টিয়ায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুরু হচ্ছে তিন দিনের জাতীয় অনুষ্ঠান। থাকছে গ্রামীণ মেলারও আয়োজন।

কবির স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে রোববার দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হচ্ছে এ আয়োজন।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে তিন দিনের এ বর্ণিল অনুষ্ঠানমালা চলবে।

প্রতিদিন আলোচনা ছাড়াও থাকছে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি, গান ও নাটক প্রদর্শন। অনুষ্ঠানের জন্য কুঠিবাড়ির মূল চত্বরের ভেতর বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। আর কুঠিবাড়ির বাইরে বিশাল মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা। এটিও চলবে তিন দিন।

আয়োজন নিয়ে তরুণ রবীন্দ্র গবেষক রেফুল করিম বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে প্রথম কুষ্টিয়ার শিলাইদহে ছায়াশীতল নিরিবিলি এ কুঠিবাড়িতে আসেন। জমিদারি পরিচালনার উদ্দেশ্যে আসলেও রবীন্দ্রনাথ পুরোটা সময় মগ্ন ছিলেন সাহিত্য রচনায়। তিনি গীতাঞ্জলির অধিকাংশ কাব্য এখানে বসে রচনা করেছেন।

‘আর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতও রচনা করেন এ কুঠিবাড়িতেই। পদ্মাপারের এই শিলাইদহ গ্রামের চিত্র ধরেই তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের পট এঁকেছিলেন।’

রেফুল আরও বলেন, ‘এই এলাকার প্রজারা রবীন্দ্রনাথকে খুব ভালোবাসতেন। এই কুঠিবাড়িকে তারা ঠাকুরবাড়ি হিসেবে শ্রদ্ধা করতেন। কুঠিবাড়িতে তিনি হিন্দু-মুসলিম সবাইকে এক কাতারে বসিয়েছেন। কৃষকদের জন্য ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

‘তাই রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনে প্রতি বছর শিলাইদহে মানুষের ঢল নামে। প্রাণের মানুষ, মনের মানুষ রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন যা আছে, কুঠিবাড়ির ভেতর ঘুরে ঘুরে দেখেন দর্শনার্থীরা। এত বছর পরও সাহিত্য ও দর্শনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমান প্রাসঙ্গিক।’

করোনায় গত দুই বছর কোনো অনুষ্ঠান না হওয়ায় এবার রবীন্দ্রপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যেতে পারে কুঠিবাড়িতে।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকবির ১৬১তম জন্মবার্ষিকী
রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা
তুমি রবে নীরবে
রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবসেও নীরব কাচারিবাড়ি
কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে ছায়ানটের আয়োজন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Colorful decoration in Rabindranaths Kachari house

রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা

রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা
রবিঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা। এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের পেরিয়ে গেছে ১৬০ বছর। এ বছর কবির জন্মের ১৬১ বছর পূর্ণ হবে।

রোববার তার জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের কাচারিবাড়ি।

জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৮৯১ সালের পর কবি বহুবার বজরায় চড়ে নাগর নদীর পারের এই কাচারিবাড়িতে এসেছেন। ১৮৯১ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এখানে এসে লিখেছেন অসংখ্য গান, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, চিঠিপত্র, নাটিকা। ১৯৩৭ সালের ২৬ জুলাই বিশ্বকবি শেষবারের মতো এসেছিলেন এখানে।

সাবেক অধ্যক্ষ ও রবীন্দ্র গবেষক শরিফুল ইসলাম খান জানান, রবীন্দ্রনাথ নাগর নদী দেখেই আমাদের ছোট নদী কবিতাটি লিখেছিলেন।

প্রতি বছরই কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপন হয় এই কাচারিবাড়িতে। তবে করোনাভাইরাস মহামারির নানা বিধিনিষেধের কারণে গত দুই বছর বন্ধ ছিল সব আয়োজন।

এবার রবিঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা। এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা

পতিসর কাচারিবাড়ির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা বরুণ কুমার চক্রবর্তী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জন্মবার্ষিকী উদযাপনের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। কাচারি ধুয়ে-মুছে, রং করা হয়েছে। গত দুই বছর কোনো আয়োজন করা যায়নি। এবারের আয়োজনে অনেক মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছি।’

নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও রবীন্দ্র গবেষক অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নওগাঁর মানুষের গর্ব। কারণ তার নিজস্ব জমিদারি আত্রাইয়ের পতিসরে। রবীন্দ্রনাথ শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তিনি তার ছেলের নামে রথীন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউট খুলেছিলেন।

‘নওগাঁবাসীর দাবি, রবীন্দ্রনাথের নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। তার নামে যত জমি আছে সেই জমিতেই বিশ্ববিদ্যালয় করা সম্ভব। রবীন্দ্রনাথ নওগাঁর মানুষের হৃদয়ের মানুষ, কাছের মানুষ। তিনি তার নোবেল প্রাইজের অর্থ দিয়ে কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা তিনিই চালু করেছিলেন।’

অধ্যাপক শরিফুল আরও বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ পতিসরে উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। অথচ এখানে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয় নাই। পতিসরে কৃষি চিন্তা ও পল্লি চিন্তাকে প্রাধান্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হোক। এটা নওগাঁর মানুষের গণদাবি।’

জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান জানান, এ বছর রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী উদযাপন আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘মানবতার সংকট ও রবীন্দ্রনাথ’। কবির স্মৃতিবিজড়িত জায়গাকে সবার কাছে ছড়িয়ে দিতে, আরও জনপ্রিয় করে তুলতে স্থানীয়ভাবে কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তুমি রবে নীরবে
রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবসেও নীরব কাচারিবাড়ি

মন্তব্য

উপরে