× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

অর্থ-বাণিজ্য
Transact as many times as you like in internet banking
hear-news
player

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে লেনদেন যতবার খুশি

ইন্টারনেট-ব্যাংকিংয়ে-লেনদেন-যতবার-খুশি- ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে যতবার খুশি ততবার লেনদেনের সুযোগ।
সার্কুলারে বলা হয়, অনলাইন বা ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পণ্য বা সেবামূল্য পরিশোধ বা আদায় (ই-কমার্সসহ), ইউটিলিটি বিল, ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ ইত্যাদির উদ্দেশে এক ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে।

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে লেনদেন সংখ্যার সীমা তুলে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে অনলাইন বা ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যাংকিংয়ে যতবার খুশি তত লেনদেন করতে পারবেন গ্রাহক।

তবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দৈনিক ও একক লেনদেনের (টাকার অঙ্ক) সর্বোচ্চ সীমা আগের অবস্থায় রয়েছে। এতদিন এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি দৈনিক সর্বোচ্চ ১০টি এবং প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ২০টি লেনদেন করতে পারত।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে ২০২১ সালের ৩০ জুন এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইন বা ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যাংক ব্যবস্থায় ব্যক্তির ক্ষেত্রে দৈনিক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

ব্যক্তি গ্রাহক একবারে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা লেনদেন করতে পারেন আর প্রতিষ্ঠান একবারে ৫ লাখ টাকার লেনদেন করতে পারে, যাকে একক লেনদেন বলা হয়।

লেনদেনের পরিমাণের এ সীমা অপরিবর্তিত রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে অনলাইনে বা ইন্টারনেটে একই ব্যাংকের এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের সর্বোচ্চ সীমা ব্যাংক তার স্বীয় ঝুঁকি এবং গ্রাহকের লেনদেনের ইতিহাস বিবেচনায় নিজেই নির্ধারণ করবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়। আগে এ সীমা নির্ধারণ করা ছিল না।

সার্কুলারে বলা হয়, অনলাইন বা ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পণ্য বা সেবামূল্য পরিশোধ বা আদায় (ই-কমার্সসহ), ইউটিলিটি বিল, ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ ইত্যাদির উদ্দেশে এক ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়, ইন্টারনেট বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে অনলাইন ব্যাংকিং লেনদেনের মাধ্যমে ই-কমার্সের পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধ বা আদায় জনসাধারণের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। এ ধরনের লেনদেন পদ্ধতি সহজ ও নিরাপদ করার জন্য অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের সীমাও পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন সীমা বাড়ল
ইসলামি অর্থ ব্যবস্থা এবার মোবাইল লেনদেনে
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে রেকর্ড লেনদেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Poyaboro of banks in dollar prices

ডলারের দামে ব্যাংকগুলোর ‘পোয়াবারো’

ডলারের দামে ব্যাংকগুলোর ‘পোয়াবারো’ ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতনের সুযোগে মুদ্রা বিনিময় করে সাড়ে সাত টাকা থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত মুনাফা করেছে ব্যাংকগুলো। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
কোনো ব্যাংক ১ ডলারে নিচ্ছে ৯৫ টাকা, কেউবা নিচ্ছে ৯৮। অর্থাৎ ১০০ ছুঁইছুঁই। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই ডলার তারা কিনছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায়। অর্থাৎ মুদ্রা বিনিময় করে সাড়ে ৭ টাকা থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত মুনাফা করেছে ব্যাংকগুলো। অথচ ৮৭ টাকা ঋণ হিসেবে বিতরণ করে এক বছরে ব্যাংকের সর্বোচ্চ আয় হতে পারে ৭ টাকা ৮৩ পয়সা।

উত্তপ্ত ডলারের বাজার। টাকার মান পড়ছেই। বাংলাদেশ ডলারের যে দাম ঠিক করে দিয়েছে, খোলাবাজারে তার চেয়ে ১৫ টাকা বেশিতেও বিক্রি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাটি।

এ নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার শেষ নেই। তবে এই সংকট কিন্তু দেশের ব্যাংকগুলোর জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে।

কোনো ব্যাংক ১ ডলারে নিচ্ছে ৯৫ টাকা, কেউবা নিচ্ছে ৯৮। অর্থাৎ ১০০ ছুঁইছুঁই। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই ডলার তারা কিনছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায়।

অর্থাৎ মুদ্রা বিনিময় করে সাড়ে ৭ টাকা থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত মুনাফা করেছে ব্যাংকগুলো। অথচ ৮৭ টাকা ঋণ হিসেবে বিতরণ করে এক বছরে ব্যাংকের সর্বোচ্চ আয় হতে পারে ৭ টাকা ৮৩ পয়সা।

ডলারের দামে ব্যাংকগুলোর ‘পোয়াবারো’

আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে এখন ১ ডলারের জন্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করতে হচ্ছে। এর আগের সপ্তাহেও যা ছিল ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একই জায়গায় ‘স্থির’ ছিল ডলারের দর। ২০২১ সালের ৫ আগস্ট আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হয়। এর পর থেকেই শক্তিশালী হতে থাকে ডলার; দুর্বল হচ্ছে টাকা।

সবশেষ চলতি মাসের ১৬ তারিখ ডলারের বিপরীতে টাকার মানে বড় দরপতন হয়। এক দিনেই ইউএস ডলারের বিপরীতে ৮০ পয়সা দর হারায় টাকা। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক দিনে টাকার এতটা দরপতন হয়নি।

আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে এখন ১ ডলারের জন্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করতে হচ্ছে। এর আগের সপ্তাহেও যা ছিল ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা।

গত ৯ মাসে টাকার বিপরীতে ডলারের দর বেড়েছে ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ।

তবে খোলাবাজারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এমনিতে মানি এক্সচেঞ্জে ডলারের দাম সাধারণত ব্যাংক রেট থেকে কিছু বেশি থাকে। কিন্তু মঙ্গলবার ১০১ থেকে ১০২ টাকাতেও বিক্রি হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুদ্রাটি।

এই সুযোগ নিচ্ছে ব্যাংকও। তাদের কাছে ডলার কিনতে যাওয়ার পর একেক ব্যাংক একেক দাম চাইছে গ্রাহকদের কাছ থেকে।

কোন ব্যাংকে কত রেট

ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে দামে ডলার কেনে বা বিক্রি করে, তাকে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার বলে। এ হিসাবে আন্তব্যাংক রেটের চেয়ে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে নগদ ডলার বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো। কিন্তু এই ব্যবধান বা পার্থক্য এক-দেড় টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।

ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। এর আগে দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর বিক্রি করা ডলারের দর আর আন্তব্যাংক রেটের মধ্যে বেশি ব্যবধান হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই পার্থক্যের একটা সীমা নির্ধারণ করে দিত; সেটা এক থেকে দুই টাকার মধ্যে থাকত। কিন্তু কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো আন্তব্যাংক রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করলেও এখন পর্যন্ত কোনো হস্তক্ষেপ করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক।

সে কারণে দিন যত যাচ্ছে, ইচ্ছেমতো যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দাম বাড়িয়ে চলেছে ব্যাংকগুলো।

বিভিন্ন ব্যাংকের ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংক থেকে এক ডলার কিনতে গুনতে হয়েছে ৯৪ টাকা। আর গ্রাহকের থেকে ডলার কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির দর ৯২ টাকা।

অগ্রণীতে বিক্রি হয়েছে ৯২ টাকা ৫০ পয়সা। আর কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটি নিয়েছে ৯০ টাকা ৫০ পয়সা।

সোনালীতে ১ ডলার কিনতে গুনতে হচ্ছে ৯২ টাকা ৪৫ পয়সা। আর ব্যাংকটি কিনেছে ৯২ টাকা দরে।

রূপালীতে ১ ডলার কিনতে দিতে হচ্ছে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা। আর ব্যাংকটি নিজে কিনছে ৮৬ টাকা ৬০ পয়সা দরে।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকে ১ ডলার কিনতে হচ্ছে ৮৬ টাকা ৬০ পয়সায়।

ব্যাংক এশিয়ার গ্রাহকের কাছ থেকে ডলার কেনার ক্ষেত্রে দিচ্ছে ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু ব্যাংকটি ১ ডলার বিক্রি করছে ৮৬ টাকা ৮০ পয়সায়।

ব্র্যাক ব্যাংকে ১ ডলারে গুনতে হবে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা। আর ব্যাংকটি গ্রাহক থেকে কেনার ক্ষেত্রে দিচ্ছে ৮৬ টাকা ৬০ পয়সা।

সিটি ব্যাংকের ১ ডলার সমান ৮৬ টাকায় কেনাবেচা করছে।

ইস্টার্ন ব্যাংকে এক ডলারে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা গুনতে হবে। আর ব্যাংকটি নিজে কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহককে দিচ্ছে ৮৬ টাকা ৬০ পয়সা। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকেও একই দরে বেচাকেনা হচ্ছে।

প্রাইম ব্যাংক বুধবার ৯৮ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির রেট ৯৬ টাকা।

বিদেশি ব্যাংক কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনে ডলারের সবচেয়ে চড়া দাম। ব্যাংকটির ওয়েরসাইটে দেখা গেছে, ১ ডলার বিক্রির ক্ষেত্রে ব্যাংকটি নিচ্ছে ৯৮ টাকা। আর গ্রাহকের কাছ থেকে কেনার ক্ষেত্রে ১ ডলার সমান ৮৬ টাকা ৬০ পয়সা।

সিটি ব্যাংক এনএ-তে ১ ডলার ৮৬ টাকা ৬৭ পয়সা দরে কেনাবেচা হচ্ছে।

ব্যাংকাররা যা বলছেন

ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডলারের বাজারে চরম অস্থিরতা চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে প্রচুর ডলার বিক্রি করেও বাজার স্বাভাবিক রাখতে পারছে না। এভাবে হস্তক্ষেপ করে বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে না। বাজারকে বাজারের মতো চলতে দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে যদি আন্তব্যাংক রেট আরও বেশি হয়, তাও যেতে দিতে হবে। তাহলে ব্যাংকগুলো ও কার্ব মার্কেটের সঙ্গে ব্যাংক রেটে ডলারের যে পার্থক্য তা কমে আসবে। ধীরে ধীরে বাজারও স্থিতিশীল হয়ে আসবে।’

অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামস-উল-ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মানতে গিয়ে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। আমদানি চাহিদা বাড়ছে, রেমিট্যান্স কমেছে। ডলারে কিছু ব্যাংক আগ্রাসী রেট ধরে দিচ্ছে। এটাতে মিডলম্যান লাভবান হচ্ছে, প্রবাসীরা হয় না। সকল ব্যাংকে এক রেট হওয়া উচিত।’

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এমডি আবুল কাশেম মোহাম্মদ শিরিন বলেন, ‘সারা দেশের সব ব্যাংকে এক রেট করা উচিত। ব্যাংকের চেয়ে হুন্ডি রেট বেশি দিলে ব্যাংকের রেমিট্যান্স কমে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি রেট দিলে আমরা পরিপালন করি, অন্য যারা করছে না তারা রেমিট্যান্স বেশি পায়। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। তাই যেকোনো নিয়ম করলে যাতে সবাই পরিপালন করে সেই ব্যবস্থা করা উচিত।’

কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খোলা বাজারে ডলার অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। চাহিদা বেশি, তাই গ্রাহকদের অতিপ্রয়োজনীয় সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যবসায়ী ডলারের দাম বেশি নিয়ে অতি মুনাফা করছে।’

আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোও বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে এমন প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘যেসব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে ডলার বিক্রি করছে, তাদের বিষয়টি তদারকি করা হবে। কোনো অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
মুনাফার লোভে ডলার কিনে মাথায় হাত
ডলার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: গভর্নর
ব্যাংকেও সেঞ্চুরি হাঁকানোর পথে ডলার
ডলার সংকটে বেসামাল অর্থনীতি
খোলা বাজারে ডলারের সেঞ্চুরি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Rupali Banks 100 success in distributing agricultural incentives

কৃষি প্রণোদনা বিতরণে রূপালী ব্যাংকের শতভাগ সফলতা

কৃষি প্রণোদনা বিতরণে রূপালী ব্যাংকের শতভাগ সফলতা
রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের হাতে বুধবার প্রশংসাপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান ও রূপালী ব্যাংকের কৃষি, পল্লী ঋণ ও মাইক্রোক্রেডিট বিভাগের জিএম গোলাম মরতুজা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিখাতে চলতি মূলধন সরবরাহের উদ্দেশ্যে গঠিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের ঋণ বিতরণে শতভাগ সাফল্য দেখিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।

স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যাংকটিকে প্রশংসাপত্র দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের হাতে বুধবার প্রশংসাপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান ও রূপালী ব্যাংকের কৃষি, পল্লী ঋণ ও মাইক্রোক্রেডিট বিভাগের জিএম গোলাম মরতুজা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল এবং খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনামূলক বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়।

এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক রূপালী ব্যাংকের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ ৬ হাজার ১৯৯ জন কৃষকের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত হর্টিকালচার, মৎস্য, পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ সব কয়টি খাতেই ঋণ দিয়েছে রূপালী ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
উল্লম্ফনের মধ্যে রূপালী ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণার তারিখ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Workshop on Banking Ethics at South Bangla Bank

সাউথ বাংলা ব্যাংকে ‘ব্যাংকিং নৈতিকতা’ শীর্ষক কর্মশালা

সাউথ বাংলা ব্যাংকে ‘ব্যাংকিং নৈতিকতা’ শীর্ষক কর্মশালা
ব্যাংকের ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল এ কে এম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মোকাদ্দেস আলীসহ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের (এসবিএসি) ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ‘ব্যাংকিং পরিসেবায় শিষ্ঠাচার, সৌজন্যতা ও নৈতিকতা’ শীর্ষক কর্মশালা সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকের ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল এ কে এম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মোকাদ্দেস আলীসহ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক ও অপারেশন্স ম্যানেজার অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
‘দেশের টাকা চলে যায়, আপনারা নীরব দর্শক হয়ে দেখেন’
এসবিএসি ব্যাংকের আমজাদসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
এসবিএসি ব্যাংকের ৯ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব
কিস্তিতে পণ্য ক্রয়ে সাউথ বাংলা ব্যাংক ও ইলেক্ট্রো মার্টের চুক্তি
সাউথবাংলার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্তে নামছে দুদক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The World Bank will successfully provide one billion dollars to deal with Corona

করোনা মোকাবিলায় সাফল্যে বিশ্বব্যাংক দেবে এক বিলিয়ন ডলার

করোনা মোকাবিলায় সাফল্যে বিশ্বব্যাংক দেবে এক বিলিয়ন ডলার ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে রিসেন্টলি বাংলাদেশের বিষয়ে একটি রিভিউ হয়েছে। এখানে খুবই ভালো রেসপন্স এবং দে আর ভেরি হ্যাপি। এ জন্য তারা বাংলাদেশকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার, এটা ৯৪৫ মিলিয়ন ডলার তারা অ্যালোকেট করেছে। তারা বাংলাদেশের কোভিড কার্যক্রমের জন্য খুবই সন্তুষ্ট। বিশেষ করে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

সফলভাবে করোনা মোকাবিলা করায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য বিশ্বব্যাংক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভা।

সভার বিস্তারিত তুলে ধরে সচিব বলেন, ‘কোভিড নিয়ে কিছুটা আলোচনা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে রিসেন্টলি বাংলাদেশের বিষয়ে একটি রিভিউ হয়েছে। এখানে খুবই ভালো রেসপন্স এবং দে আর ভেরি হ্যাপি। এ জন্য তারা বাংলাদেশকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার, এটা ৯৪৫ মিলিয়ন ডলার তারা অ্যালোকেট করেছে।

‘তারা বাংলাদেশের কোভিড কার্যক্রমের জন্য খুবই সন্তুষ্ট। বিশেষ করে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য।’

সচিব বলেন, ‘আমরা তো নিজেরাই প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন বা অন্যান্য সহায়তা সরকার দিয়েছে। এর বাইরেও প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার কোটি টাকার টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। এত বড় একটি জনগোষ্ঠীকে যে ভ্যাক্সিনেটেড করা গিয়েছে এটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড খুব অ্যাপ্রিসিয়েটেড হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই টাকা বিশ্বব্যাংক ঋণ হিসেবে দেবে। আমাদের নেক্সট ইয়ারের প্রোগ্রাম ক্যারি আউট করার জন্য এই ডলার অ্যালোকেট করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে এক্সপেরিয়েন্সটা সেটা সারা পৃথিবীতে প্রচার করতে চায়। যেহেতু আমাদের প্রাইমারি হেলথ সিস্টেম খুব স্ট্রং, ইপিআই কার্যক্রম… জাপানেও একটি বড় পত্রিকায় এটা নিয়ে বড় করে রিপোর্টিং হয়েছে। তারাও রিকমেন্ড করেছে, বাংলাদেশের মডেলটা নিয়ে অন্য জায়গাগুলোতে ব্যবহার করা যায়।’

সচিব বলেন, ‘ইনিশিয়ালি অনেকের মধ্যে একটা আনসার্টেইনিটি ছিল। এ জন্য বাংলাদেশ সরকার যখন অ্যাস্ট্রেজেনেকার জন্য পে করে, তখন অনেকেই এটা নেগেটিভভাবে নিয়েছে। তখনও কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যাস্ট্রেজেনেকাকে অনুমোদন দেয়নি। তখন বাংলাদেশ কিন্তু চুক্তি করে ফেলেছে।

‘এবং কোভ্যাক্স থেকে আমরা ব্যাপক একটি সহায়তা পেয়েছি। এটা মোর দেন ২০ হাজার কোটি টাকা। এগুলো কিন্তু আমরা বিনা পয়সায় দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
উত্তর কোরিয়ায় করোনায় ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ছাড়াল ৮ লাখ
বগুড়ায় করোনার বুস্টার ডোজের সংকট
করোনা আক্রান্ত ২২ জন, মৃত্যু নেই
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত কমে ১৮
বাড়ছে করোনা, দেড় মাস পর সংক্রমণ ছাড়াল ৫০

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
There is nothing to panic about the dollar Governor

ডলার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: গভর্নর

ডলার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: গভর্নর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এনবিএফআই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। ছবি: নিউজবাংলা
গভর্নর বলেন, ‘কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি। এই মার্কেট থেকে কমসংখ্যক মানুষ ডলার কেনে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিছু জায়গায় এর চেয়ে বেশি দাম নেয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।’

ডলার নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। তিনি বলেন, ‘খাদ্য, সার, মূলধনি যন্ত্রাংশ, জ্বালানিসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে।’

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বণিক বার্তা এবং বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএফসিএ) যৌথ উদ্যোগে বুধবার নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে দিনব্যাপী ‘এনবিএফআই মেলা ২০২২’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, ‘কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি। এই মার্কেট থেকে কমসংখ্যক মানুষ ডলার কেনে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিছু জায়গায় এর চেয়ে বেশি দাম নেয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

‘এই কয়দিনে ৬ বিলিয়ন ডলারের সাপোর্ট দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রয়োজন হলে আরও দেয়া হবে।’

রিজার্ভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমদানি ব্যয় পরিশোধ করার পর কিছুদিন কমলেও এখন আবার রিজার্ভ ৪২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘সংকট হলে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ব্যাংক।’

এর আগে সকালে মেলার উদ্বোধনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

তিনি বলেন, ‘নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা গেলে এই খাতটি অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। এনবিএফএল নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এবং সীমিত পুঁজি নিয়ে কাজ করছে। তবে এ খাত বিকাশের অনেক সুযোগ রয়েছে। এ জন্য খাতটিকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে।

‘এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী দিনগুলোয় এনবিএফআই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।’

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে। তাদের কার্যক্রম গ্রাম পর্যায়ে নিতে যেতে হবে। ব্যাংকের পাশাপাশি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে। কোনো এনবিএফআই তাদের ঋণের পোর্টফলিওর ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত এসএমই ঋণ দিয়ে আসছে, যা খুবই উৎসাহজনক।’

ওই সময় বিএলএফসিএর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদসহ বিএলএফসিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আরও দুর্বল হলো টাকা
নড়বড়ে টাকার এক দিনে দাম কমল ২৫ পয়সা
ডলারের উচ্চদরে বিদেশি ঋণধারীদের মাথায় হাত
ছুটছেই ডলার, ব্যাংকেই ৯২ টাকা
ডলার বন্ডে সীমাহীন বিনিয়োগের সুযোগ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dollars on the way to the century in the bank

ব্যাংকেও সেঞ্চুরি হাঁকানোর পথে ডলার

ব্যাংকেও সেঞ্চুরি হাঁকানোর পথে ডলার আমেরিকান মুদ্রা ডলারের বিপরীতে ধারাবাহিকভাবে টাকার মান কমছে। গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
তবে খোলা বাজারে ডলারের তেজিভাব খানিকটা কমেছে। এই বাজারে মঙ্গলবার ১০৪ টাকা পর্যন্ত দামে ডলার বিক্রি হলেও বুধবার বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়।

কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে ডলারের সেঞ্চুরির পর ব্যাংকগুলোতেও দর ১০০ টাকা ছুঁইছুঁই করছে।

বেসরকারি ইস্টার্ন ও প্রাইম ব্যাংক বুধবার ৯৮ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক থেকে ১ ডলার কিনতে খরচ হয়েছে ৯৪ টাকা। অগ্রণী ব্যাংক ডলার বিক্রি করেছে ৯২ টাকা ৫০ পয়সায়। সোনালী ব্যাংক থেকে ডলার কিনতে লেগেছে ৯২ টাকা ৪৫ পয়সা।

ইস্টার্ন ও প্রাইম ব্যাংক মঙ্গলবার ৯৬ টাকা দরে ডলার বিক্রি করেছিল। সোনালী ও জনতা ব্যাংক বিক্রি করেছিল ৯২ টাকায়। অগ্রণী ব্যাংক বিক্রি করেছিল ৯২ টাকা ৫০ পয়সায়।

তবে খোলা বাজারে ডলারের তেজিভাব খানিকটা কমেছে। এই বাজারে মঙ্গলবার ১০৪ টাকা পর্যন্ত দামে ডলার বিক্রি হলেও বুধবার বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খোলা বাজারে ডলারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কেউ আর ডলার বিক্রি করতে আসছে না। আগের ডলারই বিক্রি করছেন তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ডলার পাচ্ছি না। আজ আমি ১ ডলারও কিনতে পারিনি। তাই কোনো ডলার বিক্রিও করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে কী হয়েছে জানি না! ডলারের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। সবাই ডলার চাচ্ছে। গত সপ্তাহেও ৯৩-৯৪ টাকায় ডলার বিক্রি করেছি। মঙ্গলবার সেটা ১০৪ টাকায় উঠে যায়। আজ (বুধবার) অবশ্য ১০০ টাকায় নেমে এসেছে।

‘আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার কিনে ১০-১৫ পয়সা লাভে বিক্রি করি। কিন্তু গত দুই দিনে কোনো ডলার কিনতেও পারিনি, বিক্রিও করিনি। কেউ আর ডলার বিক্রি করতে আসছে না; সবাই কিনতে আসছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি।’

বেশ কিছুদিন ধরেই আমেরিকান মুদ্রা ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমছে। সোমবার বড় দরপতন হয়। এক দিনেই আমেরিকান ডলারের বিপরীতে ৮০ পয়সা দর হারায় টাকা। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক দিনে টাকার এত বড় দরপতন হয়নি।

আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে গত তিন দিন (সোম, মঙ্গল ও বুধবার) ১ ডলারের জন্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ৭০ পয়সায় কেনাবেচা হয়েছিল।

ঈদের ছুটির আগে ২৭ এপ্রিল ডলারের বিপরীতে টাকার মান ২৫ পয়সা কমিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তার আগে প্রতি ডলারের জন্য ৮৬ টাকা ২০ পয়সা লাগত। এরপর ১০ এপ্রিল আরও ২৫ পয়সা কমিয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রোববার সরকারি ছুটির কারণে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার বন্ধ ছিল। সোমবার ডলারের বিপরীতে টাকার মান এক লাফে আরও ৮০ পয়সা কমিয়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় নামিয়ে আনা হয়।

টাকার মূল্য পতনে রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব পড়লেও আমদানি পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হাবিবুর রহমান।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমানো ছাড়া অন্য বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই। পাশের দেশ ভারতসহ পৃথিবীর সব দেশই তাদের মুদ্রার অবমূল্যায়ন করছে। এখন আমরা যদি না করি, তাহলে প্রতিযোগিতা থেকে পিছিয়ে পড়ব।’

তিনি বলেন, ‘এ কথা ঠিক, আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। কিন্তু একই সঙ্গে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় আমদানিটা কিছুটা নিরুৎসাহিত হবে। অন্যদিকে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়বে। রিজার্ভ বাড়বে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই একই জায়গায় স্থির ছিল ডলারের দর। এর পর থেকেই শক্তিশালী হতে থাকে ডলার; দুর্বল হচ্ছে টাকা।

হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, এই ৯ মাসে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর বেড়েছে ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ।

মহামারি করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা বাড়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। আমদানির লাগাম টেনে ধরা ছাড়া ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তারা।

এদিকে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেও দামে লাগাম পরানো যাচ্ছে না। মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক রাখতে ডলার বিক্রি করেই চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বুধবার পর্যন্ত (সাড়ে ১০ মাসে, ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৮ মে পর্যন্ত) ৫৩০ কোটি (৫.৩০ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরও বাজারের অস্থিরতা কাটছে না। বেড়েই চলেছে ডলারের দর।

প্রায় সব ব্যাংকই আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারের রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ৪ থেকে ৬ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক ১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছে।

খোলা বাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো হাত নেই। তবে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। কেননা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তব্যাংক দরে ডলার কিনে সেই ডলার বিক্রি করে থাকে ব্যাংকগুলো।

এর আগে দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর বিক্রি করা ডলারের দর আর আন্তব্যাংক রেটের মধ্যে বেশি ব্যবধান হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই পার্থক্যের একটা সীমা নির্ধারণ করে দিত; সেটা ১ থেকে ২ টাকার মধ্যে থাকত।

কিন্তু কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো আন্তব্যাংক রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করলেও এখন পর্যন্ত কোনো হস্তক্ষেপ করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক।

সে কারণেই দিন যত যাচ্ছে, ইচ্ছামতো যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দাম বাড়িয়ে চলেছে ব্যাংকগুলো; কমছে টাকার মান। এ পরিস্থিতিতে আমদানি খরচ বেড়েই যাচ্ছে; বাড়ছে পণ্যের দাম। তবে রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা লাভবান হচ্ছেন।

করোনা মহামারির কারণে গত ২০২০-২১ অর্থবছরজুড়ে আমদানি বেশ কমে গিয়েছিল। কিন্তু প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে উল্লম্ফন দেখা যায়। সে কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যায়। সে পরিস্থিতিতে ডলারের দর ধরে রাখতে গত অর্থবছরে রেকর্ড প্রায় ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েও ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা হয়।

কিন্তু আগস্ট মাস থেকে দেখা যায় উল্টো চিত্র। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে আমদানি। রপ্তানি বাড়লেও কমতে থাকে রেমিট্যান্স। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও কমতে থাকে। বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়; বাড়তে থাকে দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে আগস্ট থেকে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

অর্থনীতির গবেষক বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জ্যেষ্ঠ গবেষক মঞ্জুর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, চাহিদা বাড়ায় রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে ঠিক কাজটিই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ হস্তক্ষেপকে সময়োপযোগী একটা পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন এই অর্থনীতিবিদ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমদানি বাড়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। স্বাভাবিক নিয়মেই বেড়েছে দর। কিন্তু এখন আমদানির লাগাম টেনে ধরতে হবে; যে করেই হোক আমদানি কমাতে হবে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটা ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতি প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানিতে এলসি মার্জিন ৭৫ শতাংশ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আমি মনে করি, এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। একই সঙ্গে পণ্য আমদানির আড়ালে বিদেশে টাকা পাচার হচ্ছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে।’

ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা মহামারির ধাক্কা সামলে দেশের অর্থনীতি বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা আবার ওলটপালট করে দিচ্ছে। যুদ্ধের কারণে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে ডলারের অস্থিরতায় বেসামাল হয়ে পড়েছে অর্থনীতি।’

উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ব্যাংক রেট ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। ব্যাংকগুলো বিক্রি করছে প্রায় ১০০ টাকায়। কার্ব মার্কেটে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এটা কীভাবে সম্ভব। কারও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী করছে?

‘আমার পরিচিত অনেকেই পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে ডলার কিনে এই কয় দিনে লালে লাল হয়ে গেছেন। ডলারের দাম নাকি আরও বাড়বে। তাই যাদের যা কিছু আছে তা দিয়ে এখন ডলার কিনতে ছুটছে।’

ইটিবিএল সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান রাহমান ডলারের বাজারকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দেন। এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘আর দেরি না করে ডলারের ভিন্ন ভিন্ন দাম বন্ধ করতে হবে। বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। তাহলে বাজার এমনিতেই ঠিক হয়ে আসবে।’

রিজার্ভের স্বস্তি আর নেই

আমদানি বাড়ায় বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন (৪ হাজার ২০০ কোটি) ডলারের নিচে নেমে এসেছে। আকুর (এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন) রেকর্ড ২২৪ কোটি (২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন) ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর গত সপ্তাহে রিজার্ভ ৪১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

বুধবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ- প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি হয়েছে দেশে। এ হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

গত বছরের ২৪ আগস্ট এই রিজার্ভ অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। তখন ওই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ১০ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যেত। তখন অবশ্য প্রতি মাসে ৪ থেকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হতো।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পরপর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রা মজুত থাকতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৬৪ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছেন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের ১০ মাসের তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই সময়কালে (জুলাই-এপ্রিল) ১৭ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এটা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কম।

তবে রপ্তানি বাণিজ্যে বেশ উল্লম্ফন ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। এই ১০ মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৪৩ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে দেশ, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন:
মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে নতুন রেকর্ড
বিদেশ থেকে প্রাপ্ত আয় সংরক্ষণ বৈদেশিক মুদ্রায়
কর্মী ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার চালু করল পদ্মা ব্যাংক
ডলারের পাগলা ঘোড়ার দাপটে টাকার রেকর্ড দরপতন
রিজার্ভ থেকে রেকর্ড ডলার ছেড়েও অস্থির বাজার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Container tracking is mandatory for transportation of imported goods

আমদানি পণ্য পরিবহনে কনটেইনার ট্রাকিং বাধ্যতামূলক

আমদানি পণ্য পরিবহনে কনটেইনার ট্রাকিং বাধ্যতামূলক
কনটেইনার ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে আমদানি পণ্য পরিবহনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবে ব্যাংকগুলো। এতে আমদানি মূল্যও পরিশোধে ঝুঁকি থাকে না। ট্রাকিংয়ে কোনো সন্দেহ হলে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ পাবে ব্যাংক। এ কারণে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রপ্তানির পর এবার আমদানি পণ্য পরিবহনেও কনটেইনার ট্রাকিং বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এখন থেকে ব্যাংকগু‌লো‌র কো‌নো আমদানি পণ্যের মূল্য প‌রি‌শোধ কর‌তে হ‌লে বাধ্যতামূলকভাবে ভ্যাসেল ও কনটেইনার ট্র্যাক কর‌তে হ‌বে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট’ আমদানি মূল্য পরিশোধে ঝুঁকি কমা‌তে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জা‌রি ক‌রে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে পাঠিয়েছে।

এমন এক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা দিল, যখন আমদানিতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনেকে সন্দেহ করছেন। তাই আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচার হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কনটেইনার ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে আমদানি পণ্য পরিবহনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবে ব্যাংকগুলো। এতে আমদানি মূল্যও পরিশোধে ঝুঁকি থাকে না। ট্রাকিংয়ে কোনো সন্দেহ হলে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ পাবে ব্যাংক। এ কারণে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ধারাবাহিক আমদানি ব্যয় পরি‌শো‌ধের চাপে ডলারের ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। ফলে অস্থির হয়ে গেছে ডলারের বাজার। বিক্রি করেও ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার এক দিনেই ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ৮০ পয়সা। আর গত ২০ দিনে ব্যবধানে তিন দফায় ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন হয় ১ টাকা ৩০ পয়সা।

বর্তমানে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। ত‌বে ব্যাংকগুলো নগদ ডলার বিক্রি করছে এর চেয়ে ৮ থেকে ১০ টাকা বেশি দরে।

ব্যাংকের বাইরে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলার কেনাবেচা আরও চড়া দরে। মঙ্গলবার এই বাজার থেকে ১ ডলার কিনতে ১০০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১০১ টাকা দিতে হয়েছে। সোমবার ৯৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৩০ পয়সায় ডলার বিক্রি হয়েছিল।

এর আগে গত ২০ এপ্রিলের এক নির্দেশনায় রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ট্রাকিং পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মন্তব্য

উপরে