× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

অর্থ-বাণিজ্য
Planning Minister for the second Padma Bridge No Tunnel
hear-news
player

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নয়, টানেলের পক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী

দ্বিতীয়-পদ্মা-সেতু-নয়-টানেলের-পক্ষে-পরিকল্পনামন্ত্রী শেরে বাংলা নগরের মঙ্গলবার এনইসি সম্মেলন কক্ষে ডিজেএফবি আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মার দ্বিতীয় সেতু জায়গায় আমি টানেল নির্মাণের পক্ষে। কারণ টানেল একদিকে ব্যয় সাশ্রয়ী। আবার নদীর বুকে ব্রিজ নির্মাণের কারণে নদী ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয় তাও হবে না। এ জন্য সেতুর চেয়ে টানেল নির্মাণ ভালো।’

পদ্মা সেতু নির্মাণের পর পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রুটে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চায় সরকার। তবে এ রুটে সেতুর পরিবর্তে টানেল নির্মাণ করার পক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এতে নদী ও পরিবেশ বাঁচবে বলে মনে করেন তিনি।

শেরে বাংলা নগরের মঙ্গলবার এনইসি সম্মেলন কক্ষে ডেভলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অফ বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মার দ্বিতীয় সেতু জায়গায় আমি টানেল নির্মাণের পক্ষে। কারণ টানেল একদিকে ব্যয় সাশ্রয়ী। আবার নদীর বুকে ব্রিজ নির্মাণের কারণে নদী ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয় তাও হবে না। এ জন্য সেতুর চেয়ে টানেল নির্মাণ ভালো।

‘দ্বিতীয় যমুনা সেতুর জায়গায়ও টানেল হলে ভালো হয়। সেতুর বদলে এসব স্থানে টানেল নির্মাণ করা যায় কি না চিন্তা করা দরকার। প্রধানমন্ত্রীর খুব ইচ্ছা এখানে কিছু হোক। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখেন, এখানে টানেল বা সেতু হবে।’

দেশের চলমান উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের যারা মালিক, জনগণ, তাদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার। দেশে এখন উন্নয়ন খুবই জরুরি। উন্নয়নই মৌলিক, উন্নয়নই ভিত্তি। সংস্কৃতি, রাজনীতি যাই কিছু হোক না কেন উন্নয়ন সবার চায়। সবার মধ্যে একটু পরিবর্তন এসেছে কেউ হানাহানি চায় না সবাই উন্নয়ন চায়। আগামীতে আরও উন্নয়ন হবে।

‘গ্রামের মানুষ এখন একনেক সম্পর্কে জানে। তারা মঙ্গলবার সম্পর্কে জানতে চায়। সাধারণত একনেক সভা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তারা আমাকে জিজ্ঞেস করে মঙ্গলবার কী কী প্রকল্প পাশ হবে। কোন মন্ত্রীর কি হলো, কোন মন্ত্রী মরে গেল না বেঁচে গেল এটা নিয়ে তাদের আগ্রহ নেই। মানুষের আগ্রহ এখন উন্নয়ন নিয়ে।’

গণমাধ্যম, আমলা, মন্ত্রী সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে আরও বেশি করে কাজ করতে হবে। পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়েছে।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ কোনোদিনও শ্রীলঙ্কা হবে না। কেননা আমরা এখনো ঋণ সীমার অনেক নিচে আছি। শ্রীলঙ্কার হাম্মাম টোটা বন্দর তৈরি হয়েছে অপরিকল্পিত ভাবে। ফলে তাদের চীনের কাছে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিতে হয়েছে।

‘আমাদের জিডিপির আকার অনেক বড়। আমাদের প্রকল্পগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা করে কেউ ফায়দা হাসিলের চেষ্ট করছে, যা মোটেই ঠিক নয়।’

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্প নেয়ার ক্ষেত্রে আমরা সতর্ক রয়েছি। জনগণের প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় কোনো ব্যয় সরকার করে না। গণমাধ্যমও দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভুলত্রুটি যেমন ধরিয়ে দেয়া গণমাধ্যমের দায়িত্ব, তেমনি ভালো কাজগুলো তুলে ধরাও দায়িত্ব।’

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব শাহনাজ আরেফিন বলেন, ‘যে উন্নয়ন টেকসই নয়, সেটি কোনো উন্নয়নই নয়। তাই সরকার টেকসই উন্নয়ন করে যাচ্ছে। এ দেশ এককভাবে আমলার, রাজনীতিবিদের বা সাংবাদিকদের নয়। এই দেশ সবার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতো সবাইকে উন্নয়নে সামিল হতে হবে।’

ডিজেএফবির সভাপতি হামিদ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন সংগঠনের সহসভাপতি মাসুম বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদ সাহনেওয়ার সহিদ শাহীন, যুগ্মসম্পাদক মফিজুল সাদিক।

আরও পড়ুন:
করোনার ক্ষতি পূরণে শিক্ষায় পৃথক বাজেটের প্রস্তাব
র‌্যাঙ্কিংয়ে সামনে থাকা নয়, কাজে বিশ্বাসী পরিকল্পনামন্ত্রী
উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয়দের অংশগ্রহণ বাড়ানোর তাগিদ
শ্রমজীবী-রিকশাচালকদের সঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রীর ইফতার
‘তারা দিনকে রাত, রাতকে দিন করছেন’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Imam stole the mobile of Kamalapur station manager

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজারের মোবাইল চুরিতে ইমাম

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজারের মোবাইল চুরিতে ইমাম কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজারের মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার আজিজ মোহাম্মদ। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, বিদেশে থাকাকালীন গাড়ি চুরির মামলায় তিন বছর সাজা খেটেছেন আজিজ। দেশে এসে মাদ্রাসায় চাকরি করতে গিয়ে মোবাইল চুরি করে সেটিও হারান। পরে মাদকাসক্ত হয়ে মোবাইল চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে সংবাদ সম্মেলনের সময় স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ারের মোবাইল ফোন এক ইমাম চুরি করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার ২৫ দিন পর এটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ। চুরির অভিযোগে সেই ইমামকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ইমামের নাম আজিজ মোহাম্মদ। তিনি এক সময় প্রবাসে মসজিদে ইমামতি করতেন।

পুলিশ জানায়, বিদেশে থাকাকালীন গাড়ি চুরির মামলায় তিন বছর সাজা খেটেছেন তিনি। দেশে এসে মাদ্রাসায় চাকরি করতে গিয়ে মোবাইল চুরি করে সেই চাকরিও হারান। পরে মাদকাসক্ত হয়ে মোবাইল চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

আজিজের সঙ্গে মোবাইল চোর চক্রের আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- রনি হাওলাদার ও মো. জাকির হোসেন।

গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মশিউর রহমান জানান, গত ২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ারের অফিসে ঈদুল ফিতরের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত প্রেস কনফারেন্সের সময় দুটি মোবাইল ফোন, একটি ওয়ালেটের ভেতর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নগদ ৪৫ হাজার টাকা চুরি হয়। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করতে থাকে।

ঘটনার ২৫ দিন পর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার চোরাই মোবাইলসহ আজিজ মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মশিউর রহমান বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে আজিজ স্বীকার করেছেন, তিনি সংবাদ সম্মেলন চলাকালে স্টেশন ম্যানেজারের ফোন এবং ওয়ালেট চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজিজ একজন কোরআনে হাফেজ। তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর সৌদি আরবের বিভিন্ন মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সৌদি আরবে ইমামের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গাড়িচালকের কাজও করতেন তিনি। ড্রাইভিং করতে গিয়ে তার গাড়ি চুরির নেশা হয়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি গাড়িও চুরি করতেন তিনি। ২০১৫ সালে গাড়ি চুরির মামলায় সৌদি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আজিজ। গাড়ি চুরির মামলায় তিন বছর সাজা হয় তার।

‘সাজা ভোগ করে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে এসে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান নেন। সেখানে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। কিছুদিন পরে মাদ্রাসায় মোবাইল চুরি করে ধরা পড়লে চাকরি চলে যায় তার। এরপর থেকে আজিজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। ঢাকা শহরে এসে বিভিন্ন মেসে থেকে মোবাইল চুরি শুরু করেন।’

তিনি তিন বছর ধরে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিএসসি চত্বর, নগর ভবন, গুলিস্তান, ধানমন্ডি লেক, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতি সপ্তাহে ৮ থেকে ১০টি করে মোবাইল চুরি করতেন। এরপর চোরাই মোবাইলগুলো গ্রেপ্তার রনি ও জাকিরের কাছে বিক্রি করতেন বলে জানায় পুলিশ।

আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন থানায় মামলা আছে বলেও জানান এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
এনআইডির মাধ্যমে দেয়ায় ট্রেনের টিকিটে ধীরগতি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The child died after bathing in the pond

পুকুরে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু

পুকুরে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু প্রতীকী ছবি
শিশুর বাবা বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘আলুবাজার পুকুরপাড় এলাকার একটি পুকুরে কয়েকজন শিশু মিলে গোসলের সময় পানিতে ডুবে যায়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।’

রাজধানীর বংশাল আলুবাজার পুকুরপাড় এলাকায় পুকুরে গোসলের সময় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ওই শিশুর নাম মো. ইয়াসিন। তার বয়স আট বছর।

অচেতন অবস্থায় শিশুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসক বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুর বাবা বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘আলুবাজার পুকুরপাড় এলাকার একটি পুকুরে কয়েকজন শিশু মিলে গোসলের সময় পানিতে ডুবে যায়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

‘আমাদের বাসা বংশালের লুৎফর রহমান লেনে। তার (শিশুর) মা নেই। নানি রুমা বেগম লালনপালন করে বড় করেছেন।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকা
শিশু হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই
আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের
খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mental health policy policy approval

মানসিক স্বাস্থ্যপলিসি নীতিগত অনুমোদন

মানসিক স্বাস্থ্যপলিসি নীতিগত অনুমোদন প্রতীকী ছবি
মানসিক স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা ও সেই সেবা প্রাপ্তি কীভাবে সহজ করা যায়, মাঠ পর্যায়ে কীভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে কীভাবে তাদেরও সমাজজীবনের অংশ করা যায় সেই জন্য এই স্বাস্থ্যনীতিটা।’

স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি মানসিক সমস্যাকে গুরুত্ব দিতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্যনীতি, ২০২২'-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এটা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। এটা বিশ্বব্যাপী একটা ট্রেন্ড যে মানসিক স্বাস্থ্য ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা অসম্পূর্ণ। সুতরাং যখনই স্বাস্থ্যের কথা আসবে, তখনই মানসিক স্বাস্থ্যের কথা আসবে।

‘আমাদের যেটা সার্ভে আছে সেখানে দেখা যায় যে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রায় ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ মানসিক রোগে অসুস্থ। এই সংখ্যাকে অ্যাড্রেস করা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘সেই জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা ও সেই সেবা প্রাপ্তি কীভাবে সহজ করা যায়, মাঠ পর্যায়ে কীভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে কীভাবে তাদেরও সমাজজীবনের অংশ করা যায় সেই জন্য এই স্বাস্থ্যনীতিটা।

‘এখানে বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঠন করে তাদের নিয়ে চার-পাঁচ বছর ধরে কাজ করে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে তারপর এটা করা হয়েছে। জাতিসংঘের ইউএনসিআরপিডির কনভেনশন আছে যে মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মানবাধিকার বিষয়টিকে যেন বিবেচনা করা হয়।’

আরও পড়ুন:
করোনায় মানসিক সমস্যায় ৮৪ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Construction worker dies after falling from building under construction

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
শিপনের স্ত্রী সালমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী পেশায় নির্মাণশ্রমিক। মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় একটি আটতলা ভবনে মাচায় দাঁড়িয়ে আস্তরের কাজ করছিলেন। ওই সময় মাচা ভেঙে নিচে পড়ে যায়। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা উদ্যান এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের আট তলার মাচায় কাজ করার সময় নিচে পড়ে এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

মারা যাওয়া নির্মাণশ্রমিকের নাম মো. শিপন। তার বয়স ২৫ বছর।

তিনি ভোলা সদরের ফুলবাড়ী সিকদার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় সপরিবার থাকতেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিপনের স্ত্রী সালমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী পেশায় নির্মাণশ্রমিক। মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় একটি আটতলা ভবনে মাচায় দাঁড়িয়ে আস্তরের কাজ করছিলেন।

‘ওই সময় মাচা ভেঙে নিচে পড়ে যায়। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছুরিকাঘাতের দেড় মাস পর স্কুলছাত্রের মৃত্যু 
‘সাপের কামড়ে’ কৃষকের মৃত্যু
‘অতিরিক্ত মদ খেয়ে’ তরুণীর মৃত্যু, দুই বন্ধু আটক
প্রাণ নিয়ে থামল চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকার আগুন
আগুনে পুড়ছে চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Anwar dies of gas leak

গ্যাসের লিকেজের আগুনে দগ্ধ আনোয়ারের মৃত্যু

গ্যাসের লিকেজের আগুনে দগ্ধ আনোয়ারের মৃত্যু শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন আইয়ুব হোসেন বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়ে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে আনোয়ার আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মারা যান। তার শরীরে ১৭ শতাংশ দগ্ধ ছিল।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পাইলট স্কুলের পাশে একটি বাসায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনায় দগ্ধ একজনের মৃত্যু হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মারা যান তিনি।

মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম আনোয়ার হোসেন। তার বয়স ৪০ বছর।

এ ঘটনায় তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার ও ৯ বছরের ছেলে মো. রুহান শেখ হাসিনা জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন। আরেক ছেলে ১৭ বছরের রোমানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

গত ১০ মে ভোরের দিকে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত। দগ্ধ অবস্থায় তাদের চারজনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভর্তি করানো হয়।

আনোয়ারের বোন ফাতেমা বেগম বলেন, ‘আমার ভাই রিকশাচালক। সকালের দিকে উঠে ফ্রিজ থেকে সেমাই বের করে খাওয়ার সময় জানালা দিয়ে গ্যাসের বুদবুদ শব্দ শুনতে পায়, এর কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ একটি শব্দ হয়। আগুন লেগে যায়, পরে তার ছেলে ও স্ত্রীকে ডাকতে ডাকতেই পুরা রুমে আগুন লেগে যায়।

‘সবাইকে দগ্ধ অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ আমার ভাই মারা যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের হিজলা থানার নসুনপুর গ্রামে। আনোয়ার বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাইলট স্কুলের পাশে পরিবার নিয়ে থাকতেন।’

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন আইয়ুব হোসেন বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়ে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে আনোয়ার আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মারা যান। তার শরীরে ১৭ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

‘নিহতের স্ত্রী রোজিনার শরীরে ২৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, তার ছেলে রুহান ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ও রোমান ৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রোমানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
NSU 4 trustees ordered to appear in court

এনএসইউর ৪ ট্রাস্টিকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ

এনএসইউর ৪ ট্রাস্টিকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ
নর্থ সাউথের অর্থ আত্মসাতের মামলায় আগাম জামিনের শুনানিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যকে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার এজাহারে বলা হয়, ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা সরকারের সুপারিশ বা অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদন নিয়ে ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬.৮৮ ডেসিমেল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চার সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহানের আগাম জামিন আবেদনের শুনানি পিছিয়ে আগামী রোববার দিন ঠিক করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনকারিদের পক্ষে আইনজীবী মিজান সাঈদ এক দিনের সময় আবেদন করেন। পরে আদালত আগামী রোববার দুপুর ২টার সময় ঠিক করে দেয়। এ সময় আদালত ওই দিন আসামিদের হাজির থাকতেও নির্দেশ দেয়।

আদালতে জামিন আবেদনকারি এম এ কাশেম ও রেহানা রহমানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি, বেনজীরের পক্ষে ছিলেন এএফ হাসান আরিফ আর শাহজাহানের পক্ষে ছিলেন ফিদা এম কামাল।

অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মুহাম্মদ মোর্শেদ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

গত ৫ মে দুদক কার্যালয়ে মামলা করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। মামলার বাকী আসামিরা হলেন- নর্থ সাউথের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দীন আহমেদ, আশালয় হাউজিংয়ের আমিন মো. হিলালী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা সরকারের সুপারিশ বা অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদন বা সম্মতির মাধ্যমে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬.৮৮ ডেসিমেল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ অপরাধজনকভাবে প্রদান/গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন আসামিরা।

পরবর্তী সময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের লোকজনের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন তারা। সে এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিল্পপতি হলেই জামিন নয়: দুদক আইনজীবী
নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ
নর্থ সাউথের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের ৫ জনের নামে দুদকের মামলা
কুড়িল ফ্লাইওভারে নিহত নর্থ সাউথের ছাত্রী
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Accident VIP movement in Dhaka unbearable

দুর্ঘটনা-ভিআইপি মুভমেন্টে অসহনীয় জট ঢাকায়

দুর্ঘটনা-ভিআইপি মুভমেন্টে অসহনীয় জট ঢাকায় জটে বিমানবন্দর সড়কে স্থবির যান। ছবি: নিউজবাংলা
বিজয় সরণিতে বুধবার মধ্যরাতে বাস-কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষ এবং পরদিন সকালে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (ভিআইপি) চলাচলের কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অসহনীয় যানজটে পড়তে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।

বিজয় সরণিতে বুধবার মধ্যরাতে বাস-কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষ এবং পরদিন সকালে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (ভিআইপি) চলাচলের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কোন সড়কে কেমন জট

মূলত দুই কারণে সকাল থেকে ভয়াবহ রূপ নেয় মহাখালী থেকে উত্তরা পর্যন্ত সড়কের যানজট। সকাল থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় নিয়েও এই পথ পাড়ি দিতে পারেননি অনেকে। ঘণ্টাব্যাপী একই জায়গায় স্থবির হয়ে ছিল যানবাহনগুলো।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একাধিক ছবিতে দেখা যায়, মহাখালী থেকে শুরু হওয়া যানজট বিমানবন্দর পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে।

অন্যদিকে বিজয় সরণি ফ্লাইওভার-তেজগাঁও শিল্প এলাকা-মগবাজার-রামপুরা-বাড্ডা-ফার্মগেট-কারওয়ান বাজার, রমনা এলাকাতেও দীর্ঘ যানজট দেখা যায়।

কী বলছেন যাত্রীরা

যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থাকতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা।

প্রীতম সাহা নামের এক যাত্রী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বনানী যাওয়ার উদ্দেশে খিলক্ষেত থেকে পৌনে ৯টায় বাসে উঠেছি। এক ঘণ্টা লেগেছে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত আধাকিলোমিটার রাস্তা পার হতে। যানজটের এমন ভয়াবহ দৃশ্য আগে কখনও ফেস করিনি।’

মো. মাজফুক নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আজকে এয়ারপোর্ট রোডে কী হয়েছে কিছুই বুঝতে পারছি না। আমাদের গাড়ির স্টার্ট বন্ধ আধাঘণ্টা ধরে। গাড়ি ঘুরিয়ে বাসায় ফেরারও উপায় নেই।’

উত্তরা থেকে বনানীগামী চাকরিজীবী বিভূতিনাথ বলেন, ‘আমি আজকে সকাল সকাল বাসা থেকে বেরিয়েছিলাম। তবুও এয়ারপোর্ট থেকে র‍্যাডিসন হোটেল পর্যন্ত আসতে আমার দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে।’

একইভাবে ‘এ’ লেভেল পরীক্ষার্থীরাও বিপাকে পড়েন। অনেকে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। বাধ্য হয়ে অনেকটুকু পথ হেঁটে কেন্দ্রে পৌঁছান তারা।

মূল দুই কারণ

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত আড়াইটার দিকে বিজয় সরণি মোড়ে একটি কাভার্ড ভ্যান ও বাসের সংঘর্ষ হয়। অতিরিক্ত গতিতে দুটি যানই বিজয় সরণি মোড় অতিক্রম করার সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি বাহনই রাস্তার মাঝে উল্টে যায়।

দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাফিক বিভাগ রেকার দিয়ে বাস ও কাভার্ড ভ্যানটি টেনে সরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

পরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেট্রোরেলের কাজে ব্যবহৃত ক্রেনের মাধ্যমে যান দুটিকে রাস্তার মাঝ থেকে সরানো হয়। রাত থেকে সকালের এই সময়ে বিজয় সরণি এলাকায় যান চলাচল অনেকটা বন্ধ হয়ে যায়।

পুলিশ আরও জানায়, বিজয় সরণি এলাকায় ভিআইপি মুভমেন্টের কারণে বেশ কিছুক্ষণ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল।

পুলিশের ভাষ্য

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার এস এম শামীম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে বাস-কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুটিই ঠিক বিজয় সরণি মোড়ে উল্টে যায়। সকাল সোয়া ৯টার দিকে আমরা বাস আর কাভার্ড ভ্যানটিকে সরাতে সক্ষম হই।

‘এরপর আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুভমেন্ট ছিল। সব মিলিয়ে আজকে রাস্তায় একটু বেশি চাপ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রোববারের জটে দুর্ভোগ চরমে
রোজার প্রথম দিনেই ঢাকায় অসহনীয় যানজট
ঢাকার যানজট: সমাধান কোন পথে
পুরান ঢাকায় যানজটের যত কারণ
মেট্রোরেলের নিচে এক কিলোমিটার যেতে দেড় ঘণ্টা

মন্তব্য

উপরে