ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মাশরাফির

ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মাশরাফির

ছবি: ফাইল ছবি

সম্প্রতি ই-অরেঞ্জের সঙ্গে মাশরাফির চুক্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। একদল বিক্ষুব্ধ গ্রাহক সোমবার রাতে ভিড় করতে থাকেন রাজধানীর মিরপুরে মাশরাফির বাড়ির সামনে। এক পর্যায়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ নিয়ে বিক্ষুদ্ধ গ্রাহকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্ত্তোজা।

সম্প্রতি ই-অরেঞ্জের সঙ্গে মাশরাফির চুক্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। একদল বিক্ষুব্ধ গ্রাহক সোমবার রাতে ভিড় করতে থাকেন রাজধানীর মিরপুরে মাশরাফির বাড়ির সামনে। এক পর্যায়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার।

সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাশরাফি বলেন, ‘ই-অরেঞ্জের সঙ্গে আমার ছয় মাসের চুক্তি ছিল। সেটা শেষ হয়েছে। আমি এখন এর সঙ্গে নেই। তবুও গ্রাহকরা যেখান থেকে বলছে, তাদের পাশেই আমাকে থাকতে হবে। এটার তো আইনগত জায়গায় খুব বেশি কিছু করার নেই। তবুও সাধারণ মানুষের কারণে কথা বলেছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তাদের পাশে দাঁড়াব।’

বিষয়টি নিয়ে সোমবার দুপুর থেকে মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান মাশরাফি। বলেন, ‘দুপুর থেকে আমি চেষ্টা করছি। মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি আমাকে বলেছে, উনাদের মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে। ১৯ তারিখ থেকে ডেলেভারি দেয়া শুরু করবে। এরপর তো আর বেশি কিছু বলার থাকে না।’

এর আগে এসপিসি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে গত জুনে সমালোচনার মুখে পড়েন নড়াইলের এই সাংসদ।

এ প্রসঙ্গ টেনে সোমবার রাতে মাশরাফি বলেন, ‘এসপিসির সঙ্গে চুক্তি ছিল আমাদের সিসি ক্যামেরা দেবে। সেটাও আমরা এসপির অধীনে দিয়ে দিয়েছি। সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য চুক্তি করেছিলাম। দুই মাসের ভেতর বের হয়ে এসেছি। এরপর উনাকে উকিল নোটিশ দিয়ে মামলা করেছি।

‘আমরা পরে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছি যে, আমার চুক্তির সময়ের কেউ যদি অর্থ দাবি করে, তাহলে দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়েত নেতার স্বীকারোক্তি

চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়েত নেতার স্বীকারোক্তি

তৌহিদী জনতার ব্যানারে মিছিল নিয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন মণ্ডপে হামলা চালানো হয়। ফাইল ছবি

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ঘটনা সময়ের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে যাচাই-বাছাই করে এবং গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেক অভিযুক্তের নাম পাওয়া গেছে। আমাদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দিরে হামলা ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলাম নেতা ও হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আব্বাসী।

চাঁদপুর বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক কামাল উদ্দিনের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে জবানবন্দি দেন তিনি। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মিলন মাহমুদ।

এর আগে বুধবার রাতে কামালকে হাজীগঞ্জ থেকে আটকের পর পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এসপি মিলন মাহমুদ নিউজবাংলাকে জানান, হাজীগঞ্জে পূজা মণ্ডপে ভাঙচুর ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ দুটি মামলা করেছে। বাকি আটটি মামলা করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ কর্তৃপক্ষ। এসব মামলায় এজারনামীয় ৭ জনসহ আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় পাঁচ হাজার জনকে।

ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এসপি আরও জানান, ঘটনার সময় বিভিন্ন স্থানে থাকা ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ঘটনা সময়ের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে যাচাই-বাছাই করে এবং গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেক অভিযুক্তের নাম পাওয়া গেছে। আমাদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

গত ১৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লার ঘটনায় তৌহিদী জনতার ব্যানারে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার একটি মিছিল বের করা হয়। সেই মিছিল থেকে মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশের সঙ্গে মিছিলকারীদের সংঘর্ষ হয়।

ওই সময় হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়া (ত্রিনয়নী), দি বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ মন্দির, পৌর মহাশ্মশান, জমিদার বাড়িসহ কয়েকটি পূজা মণ্ডপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালালে পাঁচজন নিহত হন।

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

যুবলীগের চিঠি সংকলন ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ প্রকাশ

যুবলীগের চিঠি সংকলন ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ প্রকাশ

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের প্রচ্ছদ।

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ চিঠি সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও নির্বাহী সম্পাদক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও প্রচ্ছদ করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।

বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশে লেখা প্রতীকী চিঠি নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সম্পাদনায় রচিত গ্রন্থটির নাম রাখা হয়েছে ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’।

১৭ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই অংশ ছিল এই চিঠি লেখা কর্মসূচি। সারাদেশ থেকে আসা শতাধিক চিঠি থেকে বাছাইকৃত চিঠি নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে গ্রন্থটি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ অক্টোবর আইইবি মিলনায়তনে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আশ্রয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপি, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান এমপি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ চিঠি সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও নির্বাহী সম্পাদক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও প্রচ্ছদ করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।

সম্পাদনা সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম মিল্টন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মোস্তাফিজ, উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ নবীরুজ্জামান বাবু এবং উপ প্রচার সম্পাদক আদিত্য নন্দী।

গ্রন্থটির সম্পাদক শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রজন্মের ভাবনা, আবেগ, ভালোবাসা প্রকাশিত হোক- এমন ইতিবাচক উদ্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রতীকী চিঠি লেখা কর্মসূচি। সারাদেশ থেকে প্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুকে লেখা চিঠিগুলো থেকে বাছাইকৃত চিঠি নিয়ে প্রকাশিত হলো চিঠি সংকলন গ্রন্থ ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’।’

প্রিয় বঙ্গবন্ধু গ্রন্থটি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও শাহাবাগের পাঠক সমাবেশে পাওয়া যাবেও বলে জানান তিনি। এর শুভেচ্ছা মূল্য ধরা হয়েছে ৩২০ টাকা।

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

বসতবাড়িতে গোখরার ৮ বাচ্চা, বনে অবমুক্ত 

বসতবাড়িতে গোখরার ৮ বাচ্চা, বনে অবমুক্ত 

উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের সরকার হাট এলাকার এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে বুধবার রাতে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানান বন কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর একটি বসতবাড়ি থেকে উদ্ধার গোখরা সাপের ৮টি বাচ্চাকে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ।

উপজেলার পশ্চিমে পাহাড়ি বনে বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে বাচ্চাগুলোকে অবমুক্ত করা হয়।

উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের সরকার হাট এলাকার এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে বুধবার রাতে সাপের বাচ্চাগুলোকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান বন কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বুধবার রাতে হাটহাজারীর সরকার হাটের বালুরটাল নামক এলাকার একটি বাসা থেকে গোখরা সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটহাজারী পৌরসভার পশ্চিমে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনে বাচ্চাগুলো অবমুক্ত করা হয়।’

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

আয় বাড়াল ইসলামী ব্যাংকও

আয় বাড়াল ইসলামী ব্যাংকও

গত বছর করোনার বছরে আগের বছরের চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এবারও জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত আয়ে চমক দেখায়। দ্বিগুণ, তিন গুণ এমনকি তার চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এখন তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব প্রকাশ করছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংকও আগের বছরের চেয়ে চলতি বছর বেশি আয় করতে পারছে।

গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করতে পেরেছে ২ টাকা ৬৭ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় ছিল (ইপিএস) ২ টাকা ৩০পয়সা। আয় বেড়েছে ৩৭ পয়সা বা ১৬ শতাংশ।

এর আগে এনসিসি ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনেও আয় বাড়ার বিষয়টি উঠে আসে। এই ব্যাংকটি চলতি বছর তিন প্রান্তিক মিলিয়ে আগের বছর একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি আয় করেছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো নিয়ে নানা রকম আলোচনা থাকলেও বেশিরভাগ কোম্পানির আয় এবং লভ্যাংশ প্রতি বছরই চমকপ্রদ।

গত বছর করোনার বছরে আগের বছরের চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এবারও জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত আয়ে চমক দেখায়। দ্বিগুণ, তিন গুণ এমনকি তার চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এখন তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব প্রকাশ করছে।

ইসলামী ব্যাংক জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৫৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩৬ পয়সা।

আয়ের পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্যও বাড়ছে। ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ার প্রতি সম্পদ হয়েছে ৪০ টাকা ৫৯ পয়সা। গত ৩০ ডিসেম্বরে এই সম্পদ ছিল ৩৮ টাকা ৮৯ পয়সা।

কোম্পানিটির শেয়ারদর বর্তমানে তার সম্পদের চেয়ে কম। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের দিন ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩০ টাকায়।

বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমানত ও ঋণদানকারী এই ব্যাংকটির শেয়ার মূল্য গত এক বছর ধরেই স্থিতিশীল। এই সময়ে শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ২৫ টাকা ৪০ পয়সা, আর সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৩২ টাকা।

কোম্পানিটি প্রতি বছরই বেশ ভালো আয় করলেও লভ্যাংশের ইতিহাস খুব একটি ভালো নয়। ২০১৬ সাল থেকে টানা ৫ বছর শেয়ার প্রতি ১ টাকা করে লভ্যাংশ পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইকবালকে কিছুক্ষণ আগে কক্সবাজার শহর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। তাকে কুমিল্লায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

অন্যদিকে কুমিল্লার এসপি ফারুক আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইকবালকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য এসেছে। বিষয়টি বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তাকে কুমিল্লায় আনার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বিস্তারিত আসছে …

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

মোবাইল ফোন বন্ধ হচ্ছে না

মোবাইল ফোন বন্ধ হচ্ছে না

মন্ত্রণালয় বলছে, এনইআইআর দেশে একেবারেই নতুন। তাই সাধারণ মানুষ মোবাইল নিবন্ধন করতে ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ জন্য সরকার এখনই মোবাইল ফোন বন্ধের পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছে। বৈধ বা অবৈধ কোনো ধরনের মোবাইল ফোন সেট একবার চালু হলে তা যেন আর বন্ধ না হয়, সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অবৈধ মোবাইল ফোন সনাক্ত করে বন্ধ করার সিদ্ধান্তের এক মাসেরও কম সময়ে তা থেকে সরে এল সরকার। কোনো ধরনের মোবাইল ফোন সেট বন্ধ না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশনা দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

বিটিআরসি বলছে, ১ জুলাই থেকে তিন মাস পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর ১ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এ ব্যবস্থা চালুর পর অবৈধভাবে আনা মুঠোফোন শনাক্ত করা হচ্ছিল। অবৈধ ফোন প্রমাণ দিয়ে নিবন্ধনের জন্যও বলা হচ্ছিল।

এতে প্রচুর আন-অফিসিয়াল বা অবৈধ ফোন সনাক্ত হয়, প্রথম ১০ দিনেই এ সংখ্যা ৪ লাখ অতিক্রম করে। অর্থাৎ এ সংখ্যক সেট বৈধভাবে আমদানি বা দেশে উৎপাদন হয়নি। কোনো না কোনোভাবে এগুলো শুল্ক এড়িয়ে বিদেশ থেকে এসেছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, এনইআইআর দেশে একেবারেই নতুন। তাই সাধারণ মানুষ মোবাইল নিবন্ধন করতে ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ জন্য সরকার এখনই মোবাইল ফোন বন্ধের পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছে। বৈধ বা অবৈধ কোনো ধরনের মোবাইল ফোন সেট একবার চালু হলে তা যেন আর বন্ধ না হয় সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র নিউজবাংলাকে বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, বৈধ বা অবৈধ কোনো মোবাইল সেটই বন্ধ হবে না। সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তি থেকে রেহাই দেয়ার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘তবে ফোন বন্ধ না হলেও গ্রাহকের সমস্ত তথ্য আমাদের ডাটাবেজে চলে আসবে। মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার পরিবর্তন করা তখন কঠিন হবে। যেহেতু আমাদের ডাটাবেজে সব মোবাইলের তথ্য থাকবে, তাই আইএমইআই আর ক্লোন হবে না, ডুপ্লিকেট করাও একেবারেই কমে যাবে।’

বিটিআরসি বলছে, এখনও বাজারে বিক্রি হওয়া মোট ফোনের ৭০ শতাংশ হয় ফিচার ফোন, যাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। তাই নিবন্ধনের সঙ্গেও তারা অভ্যস্ত নয়। আবার নানা প্রমাণপত্র দিয়ে তাদের পক্ষে মোবাইল ফোন সেট নিবন্ধনও সম্ভব হচ্ছে না।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সাধারণ মানুষের ভোগান্তিসহ এ খাতের নানা বিষয় নিয়ে গত ১২ অক্টোবর সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হয়। এতে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টাও অংশ নেন। ওই বৈঠকেই মোবাইল ফোন বন্ধ না করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দেশনাও দেয়া হয়।

বিটিআরসি বলছে, আগস্টের সর্বশেষ হিসাব মতে দেশে চার মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা (সক্রিয় সিমকার্ড) ১৭ কোটি ৮৬ লাখ ১ হাজার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্কহার অন্য অনেক দেশের তুলনায় বেশি। এ কারণে প্রতিবেশি অনেক দেশের তুলনায় এ দেশে মোবইল ফোন সেটের দাম অনেক বেশি। স্মার্ট ফোন আমদানিতে এ দেশে ৫৭ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়।

এ কারণে প্রতিবেশি দেশসহ বিভিন্ন দেশে থেকে প্রচুর মোবাইল ফোন আন অফিসিয়াল উপায়ে আসে। বৈধভাবে আমদানি হওয়া এসব ফোনের চেয়ে লাগেজে (আন অফিসিয়িাল) আসা মোবাইল ফোন সেট অনেক কম দামে পাওয়া যায়।

বেশি দামের কারণে দেশে স্মার্ট ফোন ব্যবাহরকারীর সংখ্যাও অনেক কম। অনেকেরই স্মার্ট ফোন ব্যবহারের সামর্থ্য নেই। দেশে মোট ফোনের ৪০ শতাংশ স্মার্ট ফোন, যা ভারতে ৬৯, পাকিস্তানে ৫১, নেপালে ৫৩ ও শ্রীলঙ্কায় ৬০ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করল ‘ডিজিটাল স্কলার’

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করল ‘ডিজিটাল স্কলার’

দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে কেক কাটে ডিজিটাল স্কলার পরিবার।

দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে ‘ডিজিটাল স্কলার’।

আইটি পেশা এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটাল স্কলার’ সম্প্রতি ২ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে।

কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ‘ডিজিটাল স্কলার’-এর শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্ট আইটি ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

‘ডিজিটাল স্কলার’ থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৬২ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ উপার্জন করেছেন। ফলে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেক তরুণ ও তাদের পরিবারের।

‘ডিজিটাল স্কলার’-এ এখন পর্যন্ত ২৮টি ব্যাচে প্রায় ১২ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়েছেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী।

দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে ‘ডিজিটাল স্কলার’। সম্প্রতি তাদের স্মার্ট ক্যাম্পাস যাত্রা শুরু করেছে মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের শাহ আলী প্লাজা, লেভেল ১১-তে।

ক্যাম্পাসটিতে রয়েছে ডিজিটাল ক্লাসরুম, স্টুডেন্ট সাপোর্ট সেন্টার, অনলাইন লাইভ ক্লাস রুম, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন আলম মুন্না বলেন, ‘একটি আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সবচেয়ে বড় সফলতা হল এখানে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা আমাদের দক্ষ মেন্টর দ্বারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে তাদের স্কিল ডেভেলপ করে যাচ্ছি। ক্রমবর্ধমান এই ধারাবাহিকতার মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল স্কলার তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।’

আরও পড়ুন:
করোনা চিকিৎসায় এক মাসের বেতন দিলেন মাশরাফি
পরিবহনশ্রমিকরা পেলেন মাশরাফির খাদ্যসহায়তা
চা বিক্রেতা ও নাপিতরা পেলেন মাশরাফির সহায়তা
মাশরাফির ‘করোনা প্রতিরোধক বুথে’ মাস্ক-স্যানিটাইজার ফ্রি
জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটিতে মাশরাফি

শেয়ার করুন