মৎস্য খাতে সাড়ে ২২ কোটি টাকার ক্ষতি বরিশালে

মৎস্য খাতে সাড়ে ২২ কোটি টাকার ক্ষতি বরিশালে

টানা বৃষ্টি ও প্রবল জোয়ারের পানিতে পটুয়াখালীতে ভেসে গেছে মাছের ঘের। ছবি: নিউজবাংলা

পিরোজপুরে ৮১০টি পুকুর ও ঘের প্লাবিত হয়ে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা, বরগুনায় ৬ হাজার ৩৪টি পুকুর ও ঘের প্লাবিত হয়ে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা, পটুয়াখালীতে ৫২৩৫টি পুকুর ও ঘের প্লাবিত হয়ে ১৮ কোটি টাকা এবং ভোলায় ৫৫টি পুকুর ও ঘের ভেসে যাওয়ায় ২১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

টানা বৃষ্টি ও প্রবল জোয়ারের পানিতে বরিশাল বিভাগে ১২ হাজার ১৪৩টি পুকুর ও ঘের ভেসে গেছে। এতে সাড়ে ২২ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৎস্য চাষিরা।

শনিবার সন্ধ্যায় বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তর এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, অতি বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে বরিশাল বিভাগের চার জেলায় পুকুর ও ঘের ভেসে যাওয়ায় মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পিরোজপুরে ৮১০টি পুকুর ও ঘের প্লাবিত হয়ে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা, বরগুনায় ৬ হাজার ৩৪টি পুকুর ও ঘের প্লাবিত হয়ে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা, পটুয়াখালীতে ৫২৩৫টি পুকুর ও ঘের প্লাবিত হয়ে ১৮ কোটি টাকা এবং ভোলায় ৫৫টি পুকুর ও ঘের ভেসে যাওয়ায় ২১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বরিশাল বিভাগে সব মিলিয়ে ১২ হাজার ১৪৩টি পুকুর ও ঘের ভেসে যাওয়ায় ২২ কোটি ৫২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে মৎস্য খাতে। মৎস্য খাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন পটুয়াখালীর চাষিরা।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গল ও বুধবার বরগুনা জেলায় ২৬২ মিলিমিটার বৃৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ছাড়া ভারী বর্ষণে এত ক্ষতি হবে তা এ অঞ্চলের কেউ ভাবেতেও পারেনি।

তালতলীর নয়া ভাইজোরা বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় একটি এলাকা। সেখানকার মাছ চাষি আলম খান সাত একর জমিতে মাছের ঘের করেছিলেন। খরচ হয়েছিল সাত লাখ টাকা। ভারী বর্ষণ আর অধিক জোয়ারে ঘের প্লাবিত হয়ে মাছ ভেসে গেছে।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার বলেন, ‘প্রবল বর্ষণে জেলার মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমরা পানিতে তলিয়ে যাওয়া পুকুর ও ঘেরের তালিকা তৈরি করে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় মৎস্য কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। মৎস্য খাতের ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকদের ক্ষতিপূরণের সুপারিশ করব।’

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা

আওয়ামী লীগের একাংশের বিক্ষোভের মধ্যে বোর্ডবাজারের সমাবেশে মেয়র জাহাঙ্গীর আসেন গাড়ির সানরুফ খুলে। ছবি: নিউজবাংলা

‘মিথ্যা মিথ্যাই থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যত বড় শক্তিশালীই হোক, তাদের মুখোশ একদিন খুলবে। যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, যত বড় ষড়যন্ত্রকারীই হোক, তাদের মুখোশ খুলে দেব।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অগ্রগতি সম্মাননা পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে আনন্দ সমাবেশে গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মূলত নিজের শক্তি দেখালেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ নিয়ে তার শাস্তি চেয়ে আওয়ামী লীগেরই নেতা-কর্মীদের টানা বিক্ষোভের মধ্যে তাদের কর্মসূচি স্থলের পাশে সমাবেশ করলেন মেয়র। বলছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার সবই ষড়যন্ত্র। তিনি সব চক্রান্তকারীর মুখোশ খুলে দেবেন।

শুক্রবার বিকেলে বোর্ডবাজার ইউটিসি চত্বর বালুর মাঠে এই সমাবেশটিকে ঘিরে এলাকায় ছিল উত্তেজনা। মেয়রের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ১০০ গজ দূরেই তার শাস্তি চেয়ে আওয়ামী লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়। দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেলও ছোড়াছুড়ি হয়। পরে পুলিশ বিরোধী পক্ষের এক নেতাকে সরিয়ে নিলে উত্তেজনার অবসান হয়।

দিন পাঁচেক আগে মেয়র যখন দেশের বাইরে, সে সময় ভিডিওটি ভাইরাল হয়। আর বুধবার থেকেই জাহাঙ্গীরকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার, মেয়র পদ থেকে অপসারণ ও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চলতে থাকে।

মহানগর আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতাই গত দুই দিনের বিক্ষোভে সংহতি জানিয়েছেন, যাদের মধ্যে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খানও। এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর।

আজমত জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রে জানিয়েছেন আর শীর্ষ নেতারা বিষয়টি জেনে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেন্দ্রের দিন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন তারা।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সময় মেয়র ছিলেন ভারতে। তিনি ফিরেছেন বুধবার মধ্যরাতে। আর দুই দিন পর সমাবেশ ডেকে সমর্থকদের জড়ো করে মূলত দলে নিজের অবস্থানের জানান দিয়েছেন।

নগরীর ছয়দানা এলাকার নিজ বাসা থেকে বিকেল ৪টার কিছু সময় পর বের হন মেয়র জাহাঙ্গীর। হাজারখানেক নেতা-কর্মী নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যান তিনি। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। মঞ্চে ওঠার পরপর নেতা-কর্মীরা তাকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশে মেয়র বলেন, ‘মিথ্যা মিথ্যাই থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যত বড় শক্তিশালীই হোক, তাদের মুখোশ একদিন খুলবে। যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, যত বড় ষড়যন্ত্রকারীই হোক, তাদের মুখোশ খুলে দেব।

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের মোকাবিলা করব। তারা অনেককেই ভুল বুঝিয়েছে, মিথ্যা আইডি দিয়ে ফেসবুক খুলে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, আওয়ামী লীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশীদ। সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ নয়ন, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এস এম মোকছেদুল আলম, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এস এম আলতাব হোসেন, তিন সিটি কাউন্সিলর আজিজুর রহমান শিরিষ, আব্দুল কাদের মণ্ডল ও হাজী মনির, মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিনা ইউনুসও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর জন্য, আওয়ামী লীগের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। বঙ্গবন্ধু আমাদের এ জন্মভূমি উপহার দিয়েছেন। আমি তাঁর ছবি দেখে, কথা শুনে… বাবা-মা যখন আমাকে কথা বলতে শিখিয়েছেন তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতে শিখেছি। বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে আমি কোনো আপস করব না।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে কম বয়সে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে এনেছেন মানুষের সেবা করার জন্য। তিনি আমাদের গাজীপুর সিটি করপোরেশন উপহার দিয়েছেন, আমাকে নগরবাসীর সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন, আমি নগরবাসীর সেবা করতে চাই।’

ভিডিরও পুরো বিষয়টিকে চক্রান্ত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সিটি করপোরেশনের উন্নতির জন্য ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেয়ায় প্রতিপক্ষ ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক কুৎসা রটনা করে যাচ্ছে।’

দিনভর যা হয়েছে

টানা তৃতীয় দিন বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বোর্ডবাজার বড় মসজিদের সামনে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশ ডাকা হয় মেয়র জাহাঙ্গীরের শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবিতে।

পাশেই বিকেল সাড়ে তিনটায় বোর্ডবাজারের ইউটিসি চত্বরে আলোচনা সভা ও আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন মেয়র অনুসারীরা। এ সমাবেশে মেয়র জাহাঙ্গীর যে যোগ দেবেন, তা জানানো হয় আগেই।

দুই পক্ষের এই বিক্ষোভে উত্তেজনার মধ্যে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুপুর থেকেই চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেখানে মোতায়েন করা হয় জলকামানও। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

বেলা তিনটার পর থেকে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরাই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। ঝাড়ু হাতে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা গেছে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মীদের।

ঝাড়ু হাতে মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন জাহাঙ্গীরবিরোধীরা

বিকেল ৪টার দিকে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ব্যানারে নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন।

জাহাঙ্গীরবিরোধী বিক্ষোভের আয়োজকরা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মামুন মণ্ডলের কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীদের মুখে পড়েন জাহাঙ্গীর অনুসারীরা।

এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপে আবু সাঈদ নামে মেয়রের এক সমর্থক আহত হন। আবু সাঈদ জানান, হামলায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে কাউন্সিলর মামুন মণ্ডলকে সরিয়ে নেয় পুলিশ। পরে জাহাঙ্গীরবিরোধী বিক্ষোভকারীরাও একে একে চলে যান।

এরপর জাহাঙ্গীরের অনুসারীরা নির্বিঘ্নে সমাবেশ করেন।

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেখরা গ্রামে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয় পেতে চলতি মাসের শুরুতে গ্রামের মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থা করেন ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল লতিফ। ইমাম নামাজ শেষে দোয়া করেন।

কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে জয় পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আনিসুর রহমান।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আনিসুর রহমানের সমর্থক ফারুক মসজিদের ইমামকে ওই দিন দোয়া করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফের সমর্থক বাবুল ফকির। একপর্যায়ে তারা তর্কে জড়ান। পরে নামাজ শেষে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ জানান, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন আনিসুরের লোকজন। তাদের হামলায় আমার ১৩ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বাবুল ফকিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কজেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আনিসুর রহমান বলেন, ‘মসজিদের মধ্যে বাবুল ফকির, কামরুল ইশারাত শেখসহ বেশ কয়েকজন আমার লোকজনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।’

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

চট্টগ্রামের মানুষ যদি সিআরবিতে স্থাপনা না চায় তবে জোর করে চাপিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে তথ্যগত কোনো ভুল হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবিতে হাসপাতাল করা নিয়ে কয়েক দিন আগে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু তার আগেই আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। বিষয়টি পত্রিকা ও টেলিভিশনে দেখেছি।

‘কিন্তু কী নিয়ে আন্দোলন তা আনুষ্ঠানিকভাবে রেলওয়েকে জানানো হয়নি। এমনকি মন্ত্রী, সচিব বা রেলের ডিজির কাছেও কোনো আবেদন করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও কোনো দরখাস্ত দেয়া হয়নি। দরখাস্ত বা অভিযোগ দেয়ার পর যদি জোর করে কোনো কিছু হয়, তাহলে আন্দোলনের প্রশ্ন আসবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩-১৪ সাল থেকে সিআরবিতে হাসপাতাল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তখন কেউ আপত্তি তোলেনি। যখন হাসপাতাল নির্মাণ বাস্তবায়ন পর্যায়ে আসছে তখন আপত্তিগুলো আসছে। আপত্তির কারণটা আগে আমাদের জানাবেন। এখানে তো হাসপাতাল হচ্ছে, মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে।’

আন্দেলনকারীদের উদ্দেশ্য আসলে কী তা খতিয়ে দেখা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ আছে, তাদের কোনো কাজই ভালো লাগে না। তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আন্দোলন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।’

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ

হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে গত আট দিনে ১৬০ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫৫।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দাবদাহে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। এমন পরিস্থিতিতে জেলার জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

কয়েক মাস আগে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডকে করোনা রোগীর চিকিৎসায় বরাদ্দ দেয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে আসা ডায়রিয়া রোগীদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের মেডিসিন ওয়ার্ডে এবং শিশুদের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে গত আট দিনে ১৬০ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫৫।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে ৩২ শিশু চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২।

আর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গত আট দিনে প্রাপ্তবয়স্ক ৫০ ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১০ জন।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, শয্যার থেকে বেশি রোগী থাকায় কয়েকজনকে মেঝেতে রাখতে হয়েছে।

রোগীদের স্বজনরা জানান, রোগীর চাপ বাড়লে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক পাওয়া যায় না। তবে নার্সরা আন্তরিক। তারা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেন।

নার্সদের পাশাপাশি প্রতি ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক থাকলে চিকিৎসাসেবার মান আরও বাড়ত বলে জানান তারা।

কসবা উপজেলার কুটি চৌমুহনী এলাকার বাসিন্দা শাকিল মিয়া তার ডায়রিয়া আক্রান্ত চার মাসের শিশু হাসান মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ছোট বাইচ্চাডারে দুই দিন ধইরা হাসপাতালে ভর্তি করছি। হেরে ওষুধ দিছে, কিন্তু এখনও হের ডায়রিয়া ভালো হইছে না।’

শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স ফেরদৌসী বেগম বলেন, ‘অপরিষ্কার পানি ও খাবার, মায়েদের অসাবধানতা, ময়লামিশ্রিত হাত মুখে দেয়ার কারণে শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ খাবারের বিষয়ে মায়েদের সাবধান থাকতে হবে।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীদের সেবায় সব সময় নিয়োজিত।’

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

থেমে গেল ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিনের কণ্ঠ   

থেমে গেল ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিনের কণ্ঠ   

ফাইল ছবি।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়ৈখালিতে নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান জনপ্রিয় এই নজরুল সংগীত সাধক। সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পী ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিন আহমেদ আর নেই। ৮৮ বছর বয়সে থেমে গেছে তার জীবন প্রদীপ।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়ৈখালিতে নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান জনপ্রিয় এই নজরুল সংগীত সাধক।

সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গুনী এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণব কুমার ঘোষ ও মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর নাছিরউদ্দিন উজ্জ্বল।

জুলহাসউদ্দীন আহমেদ ১৯৩৩ সালের ১০ নভেম্বর মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী গ্রামে জন্ম নেন। সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

এ ছাড়া নজরুল স্বর্ণপদক, নাছিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক সংবর্ধনা, বুলবুল একাডেমি কর্তৃক সংবর্ধনা, এবি ব্যাংক-চ্যানেল আই আজীবন সম্মাননাসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি।

রাজশাহীতে এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদকসহ ‘সুর সাগর’ উপাধি লাভ করেছিলেন ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিন।

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

ইউএনও ঠেকালেন বাল্যবিবাহ

ইউএনও ঠেকালেন বাল্যবিবাহ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ। ছবি: নিউজবাংলা

ইউএনও শাহাদাত বলেন, ‘ওই ছাত্রীর পরিবার প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তার বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা আমাকে জানান তার বয়স ১৮-এর কম। তারা বিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় ওই এলাকার এক ইউপি সদস্যকে।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেল এক স্কুলছাত্রী।

উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে বিয়েবাড়িতে অভিযান চালান ইউএনও শাহাদাত হোসেন।

এ সময় কনের বাবা-মাকে বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে মুচলেকা নেয়া হয়, ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত ওই স্কুলছাত্রীর বিয়ে না দেয়ার।

শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় একটি স্কুলের ১০ম শ্রেণির ওই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করা হয়।

ইউএনও শাহাদাত বলেন, ‘ওই ছাত্রীর পরিবার প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তার বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা আমাকে জানান তার বয়স ১৮-এর কম। তারা বিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় ওই এলাকার এক ইউপি সদস্যকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে বর-কনে দুই পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপ করে তাদের বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিয়ে দেয়ার জন্য আমি ওই ছাত্রীর অভিভাবককে পরামর্শ দিয়েছি। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা লিখিত অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছেন।’

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন

জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, দুই জেলের মৃত্যু

জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, দুই জেলের মৃত্যু

মনপুরা থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, মনপুরার গিয়াস উদ্দিন মাঝির ট্রলারে ১১ জন জেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এটি ডুবে যায়। পাশেই থাকা কামাল মাঝির ট্রলারের জেলেরা দুই জেলের মরদেহ ও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

বঙ্গোপসাগরে জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবিতে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ এক জেলে।

চট্টগ্রাম গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই জেলে হলেন ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের মো. রুবেল ও দাসেরহাট গ্রামের মো. মাফু।

নিখোঁজ জেলে মিজানুর রহমানের বাড়িও চরফৈজুদ্দিন গ্রামে।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, মনপুরার গিয়াস উদ্দিন মাঝির ট্রলারে ১১ জন জেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এটি ডুবে যায়।

পাশেই থাকা কামাল মাঝির ট্রলারের জেলেরা দুই জেলের মরদেহ ও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

ওসি জানান, কামাল মাঝির ট্রলারে জীবিত ও মৃত জেলেদের মনপুরা আনা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন। নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ধাক্কা দেয়া জাহাজের বিষয়ে তিনি জানান, জেলেরা ওই জাহাজ শনাক্ত করতে পারেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম মিঞা জানান, মৃত জেলেদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
মৎস্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে

শেয়ার করুন