নগদ টাকার চাহিদা, নতুন টাকায় আগ্রহ কম

নগদ টাকার চাহিদা, নতুন টাকায় আগ্রহ কম

সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় সোমবার ছিল উপচে পড়া ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সোমবার টাকা তুলতে ব্যাংকে ভিড় করেন অসংখ্য গ্রাহক। ব্যাংক খোলার আগেই দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। ফলে ব্যাংকের শাখার বাইরে চলে আসে গ্রাহকের সারি। তবে টাকা জমা দেয়ার চেয়ে উত্তোলনের চাপই বেশি। তবে ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা তোলার চাপ বাড়লেও নগদ টাকার কোনো সংকট নেই বলে জানান ব্যাংক কর্মকর্তারা।

ঈদের আগে সোমবার ছিল ব্যাংক লেনদেনের শেষ দিন। নগদ টাকার জন্য ব্যাংকগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। সব ব্যাংকেই ছিল বাড়তি চাপ। এটিএম বুথেও ছিল লম্বা লাইন।

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সোমবার টাকা তুলতে ব্যাংকে ভিড় করেন অসংখ্য গ্রাহক। ব্যাংক খোলার আগেই দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। ফলে ব্যাংকের শাখার বাইরে চলে আসে গ্রাহকের সারি। তবে টাকা জমা দেয়ার চেয়ে উত্তোলনের চাপই বেশি। তবে ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা তোলার চাপ বাড়লেও নগদ টাকার কোনো সংকট নেই বলে জানান ব্যাংক কর্মকর্তারা।

নগদ টাকার চাহিদা থাকলেও নতুন টাকায় গ্রাহকের আগ্রহ ছিল কম।

সোনালী ব্যাংক লোকাল অফিসে দেখা গেছে, প্রতিটি কাউন্টারের সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ সারি। কেউ ক্রেডিট কার্ডের বিল দিচ্ছেন৷ কেউবা দিচ্ছেন বিদুৎ, গ্যাসের বিল। আবার কেউ কেউ নগদ টাকা তুলে রাখছেন। কেউ এসেছেন সঞ্চয়পত্রের টাকা তুলতে।

পোশাক কারখানায় কর্মরত রফিকুল ইসলাম জানান, একটি পে অর্ডার তুলতে এক ঘণ্টার উপরে সময় লেগেছে। কারণ অনেকে টাকা তুলছেন, সিরিয়াল বেশি ছিল।

মতিঝিল সোনালী ব্যাংকের লোকাল অফিসের জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুল ওয়াহাব জানান, ‘লেনদেনের শুরু থকেই গ্রাহকের অনেক ভিড়। স্বাভাবিকের তুলনায় লেনদেন প্রায় ৩/৪ গুণ বেড়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নগদ টাকা তোলার চাপ। লোকজন ঈদে বাড়ি যাচ্ছে, সে কারণেই হয়তো নগদের ওপর চাপ বেশি। যথাসম্ভব করোনার যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করে আমরা সেবা দিচ্ছি।

রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মাদ এহতেশামুজ্জামান বলেন, ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে সব সময় গ্রাহকের ভিড় থাকে। গ্রাহকের বেশিরভাগই টাকা তুলছে। তবে নগদ টাকার কোনো সংকট নেই।

ভিড় থাকলেও ব্যাংকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও তাপমাত্রা মাপতে থার্মাল স্ক্যানার ব্যবহার করা হচ্ছে। মাস্ক ছাড়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার না করিয়ে কাউকেই ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

সরকারি ব্যাংকের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের ক্যাশ ও জমা কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন দেখা গেছে।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তা আসাদুল্লাহিল গালিব বলেন, লোকাল অফিসে অন্যদিনের তুলনায় গ্রাহক উপস্থিতি ছিল দ্বিগুণ। অধিকাংশ গ্রাহকই টাকা তুলছেন, জমা দেয়ার হার কম।

নতুন টাকায় আগ্রহ কম

ঈদ এলেই নতুন টাকার চাহিদা বাড়ে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকও নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নেয়। তবে এবার ঈদেও নতুন টাকার তেমন চাহিদা দেখা যাচ্ছে না।

প্রতি ঈদের মতো এবারও ব্যাংকগুলোকে নতুন টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে করোনার কারণে আগের মতো আয়োজন করে সাধারণ জনগণকে টাকা দিচ্ছে না। ব্যাংকগুলো নতুন টাকা বিনিময়ের জন্য কোনো ঘোষণা দেয়নি। গত ঈদের (ঈদুল ফিতর) মতো এবারও নতুন টাকার জন্য নির্দিষ্ট বুথ রাখেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে এসব টাকা।

তবে ব্যাংকগুলো তাদের পরিচিত গ্রাহকদের নতুন টাকা দিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাংক কর্মকর্তারা নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন টাকা সংগ্রহ করছেন।

বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এবার বাড়িতে গেলে ফিরতে হবে ঈদের পরদিনই। এজন্য অনেকেই শহরে থেকে যাচ্ছেন। সাধারণত গ্রামে গেলে নতুন টাকা তারা সঙ্গে করে নিয়ে যান ঈদ সালামি দেয়ার জন্য। আর কোরবানি ঈদে সব সময়ই নতুন টাকার চাহিদা একটু কম থাকে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে নতুন টাকা বিক্রেতাদেরও অলস সময় পার করেত দেখা গেছে। তারা বলেন, আগে যেমন টাকা বিক্রি হতো, এখন তেমন হচ্ছে না।

৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি নতুন নোট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নতুন নোটের মধ্যে রয়েছে দুই, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার। প্রতিদিনই চাহিদার আলোকে ব্যাংকগুলোকে সরবরাহ করা হচ্ছে নতুন নোট। এর আগে গত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছেড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পশুর হাটসংলগ্ন ও পোশাক শিল্প এলাকায় ব্যাংক খোলা মঙ্গলবার

রাজধানীতে কোরবানির পশু কেনাবেচার টাকা তোলা ও জমার সুবিধার্থে পশুর হাটসংলগ্ন ব্যাংক শাখাগুলো ২০ জুলাই মঙ্গলবার খোলা থাকবে। এসব শাখায় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সান্ধ্য ব্যাংকিং চালাতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি বিল বিক্রি এবং পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার জন্য ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লেনদেন চলবে। লেনদেনের পরে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রংপুরে মজুরি বাড়ছে সবচেয়ে বেশি, সিলেটে কম

রংপুরে মজুরি বাড়ছে সবচেয়ে বেশি, সিলেটে কম

বিবিএসের মজুরি সূচকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বরে দেশে শ্রমিকদের গড়ে মজুরি বেড়েছে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। মঙ্গাকবলিত উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের মজুরি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি – ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। আর কম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে যে অঞ্চলে, সেই সিলেট বিভাগে – ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। তবে বিশ্লেষকরা এ তথ্যের সঙ্গে একমত নন।

মহামারি করোনার ধাক্কা সামলে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমিকদের মজুরিতে। গত তিন মাস ধরেই বাড়ছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক মজুরি।

তবে অবিশ্বাস্য তথ্য হচ্ছে, রংপুরে মজুরি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, সিলেটে সবচেয়ে কম।

সরকারি হিসাবে গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের গড়ে মজুরি বেড়েছে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। এর অর্থ হলো, গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রমিক ও দিনমজুররা গড়ে ১০০ টাকা মজুরি পেলে এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পেয়েছেন ১০৫ টাকা ৯১ পয়সা।

দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বর মাসে একসময়ের মঙ্গাকবলিত উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের শ্রমিক-দিনমজুরদের মজুরি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে – ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

আর কম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে যে অঞ্চলে, সেই সিলেট বিভাগে – ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যে হিসাব দিচ্ছে, তাতে দেখা যায়, গত কয়েক মাস ধরেই রংপুর অঞ্চলের শ্রমিক ও দিনমজুররা অন্য বিভাগের শ্রমিক ও দিনমজুরদের চেয়ে বেশি মজুরি পাচ্ছেন।

তবে অর্থনীতির গবেষক সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান পরিসংখ্যান ব্যুরোর এই তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘এ তথ্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, কেউ বিশ্বাস করবে না।’

নিউজবাংলাকে সেলিম রায়হান বলেন, ‘ঢাকার চেয়ে রংপুরের শ্রমিক-দিনমজুররা বেশি মজুরি পান, এটা কীভাবে সম্ভব? বিবিএসের গবেষণা পদ্ধতিতেই গোলমাল আছে। প্রথম কথা হচ্ছে, এই মহামারিতে কোনো শ্রমিক-দিনমজুরেরই মজুরি বাড়েনি; তারপর আবার রংপুর বিভাগের দিনমজুর-শ্রমিকদের মজুরি বেশি বেড়েছে, এটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

এ প্রসঙ্গে বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায় থেকে যে তথ্য পাই, সেটাই প্রকাশ করি।’

গত বছরের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও তছনছ হয়ে যায়; পাল্টে যায় সব হিশাব-নিকাশ। যার প্রভাব পড়ে মজুরি সূচকে।

পরিসংখ্যান ব্যুরো বৃহস্পতিবার মজুরি সূচকের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। এর অর্থ হলো, গত সেপ্টেম্বরে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের চেয়ে দিনমজুর-শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। আগের দুই মাস আগস্ট ও জুলাইয়ে এই হার ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৮০ ও ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ।

গত অর্থবছরের শেষ দুই মাস জুন ও মে মাসে এই হার ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গড় মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা খানিকটা কমে ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে আসে।

গত ২০২০-২১ অর্থবছরে তা আরও কমে ৬ দশমিক ১২ শতাংশে নেমে আসে।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এই সূচক ৬ শতাংশের নিচে নেমে এসে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশে দাঁড়ায়। আগস্ট মাসে তা সামান্য বেড়ে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশে ওঠে। সেপ্টেম্বরে আরও খানিকটা বেড়ে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অর্থনীতির পরিভাষায়, মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার বেশি হলে কারও কাছে হাত পাততে হয় না। নিজেদের ক্রয়ক্ষমতা দিয়েই বাজার থেকে বেশি দামে পণ্য কেনা যায়।

রংপুরে মজুরি বাড়ছে সবচেয়ে বেশি, সিলেটে কম

বিবিএসের হিসাবে সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এতে দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে বেশি।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব ধরলে, দিনমজুরদের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজার থেকে বেশি দামে তাদের পণ্য কিনতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি; বরং কর্মহীন হয়ে যাওয়া গরিব মানুষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা ধরনের সহায়তা কর্মসূচি নিতে হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেনও পরিসংখ্যান ব্যুরোর মজুরি সূচকের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থনীতি শাস্ত্রের কোনো যুক্তিতেই বিবিএসের মজুরি হার বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব নয়। সাধারণত যখন শ্রমিকের চাহিদা বাড়ে, সরবরাহ কম থাকে, তখন মজুরি বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এই মহামারির সময়ে শ্রমিকের চাহিদা বেশ কমেছে। অনানুষ্ঠানিক খাতে বেকারের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তাহলে মজুরি বাড়ল কোন ভিত্তিতে?

‘মজুরি যদি বাড়ত, তাহলে এই করোনাকালে সরকারকে এত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিতে হতো না। বিবিএস হয়তো অতীতের মজুরি বৃদ্ধির প্রবণতা দেখে পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ করে এই তথ্য দিয়েছে, যা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।’

বিবিএস প্রতি মাসে কৃষিশ্রমিক, পরিবহন কর্মী, বিড়িশ্রমিক, জেলে, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিকসহ ৪৪ ধরনের পেশাজীবীর মজুরির তথ্য সংগ্রহ করে মজুরি হার সূচক তৈরি করে। এসব পেশাজীবীর মজুরি খুব কম এবং দক্ষতাও কম। শুধু দৈনিক ভিত্তিতে মজুরি পান বা নগদ টাকার পরিবর্তে অন্য সহায়তা পান, তার ভিত্তিতে কোন মাসে মজুরি হার কত বাড়ল, তা প্রকাশ করে বিবিএস। অথচ করোনায় এসব শ্রমিকই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

পরিসংখ্যান ব্যুরো যে ৪৪ ধরনের পেশাজীবীর মজুরির তথ্য নেয়, তার মধ্যে ২২টি শিল্প খাতের এবং ১১টি করে কৃষি ও সেবা খাতের পেশা। বেতনভোগী কিংবা উচ্চ আয়ের পেশাজীবীদের বিবিএসের মজুরি সূচকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।

করোনাকালে মজুরির হার বাড়ল কীভাবে – এই প্রশ্ন জাতীয় মজুরির হার সূচক তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিবিএসের জাতীয় আয় শাখার একাধিক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা নিউজবাংলাকে বলেন, মাঠপর্যায়ে যে তথ্য পাওয়া গেছে, এর ভিত্তিতে মজুরি সূচকের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

করোনাকালে দিন আনে দিন খায় এমন মানুষের আয় কমে যাওয়ার বিষয়টি দেশের একাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় উঠে এসেছে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) এক যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে অতি গরিব, গরিব, গরিব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির মধ্যে থাকা মানুষ এবং গরিব নয় এমন মানুষের দৈনিক আয় ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে গরিব মানুষের আয় ৭৫ শতাংশ ও অতি গরিবের আয় ৭৩ শতাংশ কমেছে। আয় কমে যাওয়ায় সার্বিকভাবে ২৩ শতাংশ মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছে।

রংপুরে মজুরি বাড়ছে সবচেয়ে বেশি, সিলেটে কম

মহামারিতে দারিদ্র্য দ্বিগুণ বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়েছে বলে গত জানুয়ারিতে হিসাব দিয়েছিল সানেম।

আরেক বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) হিসাবে, করোনার কারণে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ৩৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০১৯ সাল শেষে দারিদ্র্যের হার ছিল সাড়ে ২০ শতাংশ। করোনাকালে আয়বৈষম্যও বেড়েছে বলে মনে করে সিপিডি।

গবেষণা সংস্থাগুলোর গবেষণা প্রতিবেদনে করোনাকালে সমাজের সবচেয়ে নিচে থাকা মানুষের আয় বা মজুরি কমার তথ্য উঠে এলেও বিবিএসের জাতীয় মজুরি হার সূচকে উল্টো চিত্র দেখা যায়। সে জন্য সরকারি সংস্থাটির তথ্য-উপাত্তের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বরাবর প্রশ্ন ওঠে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৬-১৭ সালের শ্রমশক্তি জরিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের কর্মসংস্থানের বড় অংশই হচ্ছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে। মোট শ্রমশক্তির ৮৫ দশমিক ১ শতাংশই এ খাতে নিয়োজিত। আর ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে।

অন্যদিকে কৃষিক্ষেত্রে নিয়োজিত মোট শ্রমশক্তির ৯৫ দশমিক ৪ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত। শিল্প খাতের ৮৯ দশমিক ৯ শতাংশ, সেবা খাতের ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত।

কোন বিভাগে মজুরি কত বাড়ল

বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা বিভাগে মজুরি বেড়েছে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগস্ট ও জুলাইয়ে এই হার ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৭২ ও ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামে মজুরি বাড়ার হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। আগস্ট ও জুলাইয়ে ছিল ৫ দশমিক ৮১ ও ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

রাজশাহীতে সেপ্টেম্বরে মজুরি বাড়ার হার ছিল ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ; জুলাইয়ে ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

রংপুরে সেপ্টেম্বরে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। আগস্টে বেড়েছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ; জুলাইয়ে বৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

বরিশাল বিভাগে সেপ্টেম্বর মাসে মজুরি সূচকের হার ছিল ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আগস্ট ও জুলাইয়ে ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৭৪ ও ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

খুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে মজুরি বেড়েছে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগস্ট ও জুলাই মাসে বেড়েছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৫৪ ও ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

আর সিলেট বিভাগে সেপ্টেম্বর মাসে মজুরি সূচকের হার ছিল ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ; জুলাইয়ে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।

শেয়ার করুন

ইবিএলে বিশেষ সুবিধা পাবেন এসইবিএল কর্মীরা

ইবিএলে বিশেষ সুবিধা পাবেন এসইবিএল কর্মীরা

এসইবিএল ডিএক্স কর্মীরা পে-রোল ব্যাংকিংয়ে অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন ঋণ সুবিধাসহ অন্য সুবিধা পাবেন।

এসইবিএল কর্মীরা এখন থেকে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড- ইবিএলের ব্যাংকিংয়ে বিশেষ সব সুবিধা পাবেন। এ জন্য এসইবিএল ডিএক্স কর্মীরা পে-রোল ব্যাংকিংয়ে অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন ঋণ সুবিধাসহ অন্য সুবিধা পাবেন।

সে লক্ষে শনিবার একটি চুক্তি সই অনুষ্ঠান হয়েছে। ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রিটেইল ও এসএমই ব্যাংকিং প্রধান এম খোরশেদ আনোয়ার এবং এসইবিএল ডিএক্স চেয়ারম্যান ডিএম মাজিবুর রহমান এবং প্রধান নির্বাহী সাজ্জাদুর রহমান কানন সম্প্রতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।

ইবিএল হেড অফ রিলেশনশিপ- করপোরেট ব্যাংকিং মাহদিয়া রহমান, হেড অফ পে-রোল ব্যাংকিং ইসতিয়াক আহমেদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এবার বেসরকারি পর্যায়ে আয়কর সেবা

এবার বেসরকারি পর্যায়ে আয়কর সেবা

বেসরকারি পর্যায়ে আয়কর রিটার্নের সেবা দিতে ‘ডিজিট্যাক্স’ নামে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে। এটি চালু করেছে ইউনিভার্সাল নামে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ করা যাবে।

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে অনলাইনে আয়কর সংক্রান্ত সেবা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য ‘ডিজিট্যাক্স’ নামে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে। এটি চালু করেছে ইউনিভার্সাল নামে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান।

শনিবার রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর কার্যালয়ে ডিজিট্যাক্সের অনলাইন ট্যাক্স অ্যাপ্লিকেশন উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন।

প্রচলিত প্রথার পাশাপাশি বর্তমানে এনবিআরের অন-লাইনে আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণসহ যাবতীয় সেবা দেয়া হয়। এর বাইরে এই প্রথমবারের মতো বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান এই সেবা নিয়ে এলো।

বর্তমানে করদাতা শণাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন ৬২ লাখ। এর মধ্যে রিটার্ন জমা দেয় ২৫ লাখ।

আয়োজকরা বলেছেন, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ করা যাবে। ঘরে বসেই করা যাবে আয়কর পরিশোধ এবং রিটার্ন ফাইল দাখিল।

করদাতার ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে তারা বলেন, প্রত্যেক করদাতার ব্যক্তিগত আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে। তিনি ছাড়া আর কেউ এ তথ্য দেখতে পাবেন না। করদাতা তার তথ্য সংরক্ষণ করে রেখে যে কোনো সময় তা আবার লকইন করে এডিট করতে পারবেন।

এ সময় পেশাদার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু ও ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে কর দেয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। করদাতার সংখ্যাও বাড়ছে। এতো বিপুল সংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে কর সেবা দেয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইন করা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি করার বিকল্প নেই।

এনবিআর অনেক আগেই এ উদ্যোগটি নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্স এগিয়ে আসায় কর সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরও সহজতর হবে বলে আশা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিটার্ন দাখিল অনলাইন করার পাশাপাশি ১ নভেম্বর থেকে আমরা আয়কর মাস পালন করছি। করাঞ্চলগুলোতে মেলার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। করদাতারা স্বাচ্ছন্দে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।’

ডিজিট্যাক্স গঠনের প্রেক্ষিত তুলে ধরে ডিজিট্যাক্সের টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার বলেন, ‘আমাদের দেশে বিভিন্ন পর্যায়ের করদাতা রয়েছে, এর মধ্যে অধিকাংশই আয়কর ক্যালকুলেশনের নিয়মাবলী ও আইন-কানুন যথাযথভাবে জানেন না।

‘ফলে সুচারুভাবে রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানে আমরা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে সহজেই রিটার্ন প্রস্তুত করার ব্যবস্থা নিয়ে এসেছি।

‘আমাদের সিস্টেমে রয়েছ স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি, যাতে করে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে বাংলা ভাষায়ও সফটওয়্যারটি ব্যবহারের পদ্ধতি রাখা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন অথবা গ্রাহক যদি চান, তবে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।

আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু বলেন, আয়কর আইন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম একটি আইন। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। এ আইন নিয়ে এতো বড় ‍উদ্যোগ নেয়ায় ডিজিট্যাক্স প্রশংসার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, ডিজিট্যাক্সের এ উদ্যোগটি করদাতাদের সহায়তা করবে। এর ফলে বিপুল মানুষকে রিটার্ন দাখিলে আগ্রহী করা যাবে। সরকারও রাজস্ব পাবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাখেন ডিজিট্যাক্সের উপদেষ্টা ও দেশ ইউনিভা্র্সালর নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা।

শেয়ার করুন

সিটি গ্রুপের কর্মীদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের বিশেষ সেবা

সিটি গ্রুপের কর্মীদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের বিশেষ সেবা

সিটি গ্রুপের সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি।

প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়সাল রাহমান বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে করপোরেটদের মধ্যে বিশ্বস্ত হিসেবে সেবা দিচ্ছে। সিটি গ্রুপের সঙ্গে এই চুক্তি গ্রাহকদের কাছে দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাইম ব্যাংকের পরিচিতি প্রমাণ করছে।’

সিটি গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কনজ্যুমার লোন, ক্রেডিট কার্ড ও অন্য কনজ্যুমার প্রোডাক্টে বিশেষ সেবা ও সুবিধা দিতে প্রাইম ব্যাংক ‘প্রাইম পেরোল’ চুক্তি করেছে।

প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়সাল রাহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কনজ্যুমার ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এএনএম মাহফুজের উপস্থিতিতে ব্যাংকের হেড অফ কনজ্যুমার সেলস মামুর আহমেদ এবং সিটি গ্রুপের পরিচালক মো. হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়সাল রাহমান বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে করপোরেটদের মধ্যে বিশ্বস্ত হিসেবে সেবা দিচ্ছে। সিটি গ্রুপের সঙ্গে এই চুক্তি গ্রাহকদের কাছে দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাইম ব্যাংকের পরিচিতি প্রমাণ করছে।’

শেয়ার করুন

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু

রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের অগ্রযাত্রা অনুষ্ঠানে অতিথিরা

কন্ডোমিনিয়াম পাঁচটি আবাসিক ভবনে ২৮৩টি ইউনিট রয়েছে। এখানে রয়েছে জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট রুম, সুইমিং পুল, সুপার শপ, প্লে গ্রাউন্ডসহ আধুনিক আবাসনের সকল সুবিধা।

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু হয়েছে।

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১০৭ কাঠা জমির ওপর নির্মিত সম্পূর্ণ কন্ডোমিনিয়াম রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে বৃহস্পতিবার কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু হয়।

কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই লেক ক্যাসেল স্বপ্নের ঠিকানা হয়ে উঠবে স্বপ্নবাজ আবাসন গ্রাহকদের পদচারণায়। ওয়েলকাম টু দ্য ল্যান্ড অফ পিচ, সত্যিকার অর্থেই এক শান্তির ঠিকানা হয়ে উঠবে রূপায়ণ লেক ক্যাসেল।

রাজধানীর বুকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শতাধিক কাঠার ওপর নতুন এক স্বপ্ন বুনেছে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড।

এই কন্ডোমিনিয়াম পাঁচটি আবাসিক ভবনে ২৮৩টি ইউনিট রয়েছে। এখানে রয়েছে জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট রুম, সুইমিং পুল, সুপার শপ, প্লে গ্রাউন্ডসহ আধুনিক আবাসনের সকল সুবিধা।

কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের অগ্রযাত্রা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ও ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মাহীর আলী খাঁন রাতুল।

এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার আসিফ খাঁন আযান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার আবুল কালাম আজাদ, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিজানুর রহমান দেওয়ান, রূপায়ণ সিটি উত্তরার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মাহবুবুর রহমান, রাতুল প্রপার্টিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আলী নুর, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (সেলস) এহসানুর রহমান, কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের হেড আনোয়ার হোসেন, কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট হেড প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, সেলস কো-অর্ডিনেশন ডিপার্টমেন্ট হেড আবদুর রহিম এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ তানভীর তন্ময়।

শেয়ার করুন

‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে অর্থায়ন করছে সিটি ব্যাংক

‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে অর্থায়ন করছে সিটি ব্যাংক

সমঝোতা স্মারক সই করেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং এইচসিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘মুজিবপিডিয়া’র সম্পাদক ফরিদ কবির।

এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শুধু তার নিজের জীবনকথা নয়, বাঙালির দীর্ঘকালের শোষণ ও তার স্বাধিকার অর্জনের বহুবর্ণিল কাহিনিও। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও, বাঙালির মুক্তির মহানায়ককে নিয়ে হাজার গ্রন্থ লেখা হলেও তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ একটি আকরগ্রন্থের অভাব রয়েই গেছে। সেই অভাবের জায়গাটি পূরণ করতেই সিটি ব্যাংকের সহায়তায় এইচসিসিবিএল-এর এ উদ্যোগ।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে জ্ঞানকোষ ‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে যুক্ত হলো সিটি ব্যাংক। গ্রন্থটি প্রকাশের ক্ষেত্রে অর্থায়নসহ সব ধরনের সহায়তা দেবে বেসরকারি খাতের এই ব্যাংকটি।

সিটি ব্যাংক শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশ করতে হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের (এইচসিসিবিএল) সঙ্গে এই সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই করেছে তারা।

সিটি ব্যাংক সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং এইচসিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘মুজিবপিডিয়া’র সম্পাদক ফরিদ কবির স্বাক্ষর করেন।

১০০০ পৃষ্ঠার এ মহাগ্রন্থটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এ বছর ডিসেম্বরে, বিজয় দিবসের আগে। তা প্রকাশে অর্থায়নসহ নানা সহায়তা দেবে সিটি ব্যাংক।

গ্রন্থটির প্রধান সম্পাদক কবি ও গবেষক কামাল চৌধুরী, সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক ফরিদ কবির এবং নির্বাহী সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শুধু তার নিজের জীবনকথা নয়, বাঙালির দীর্ঘকালের শোষণ ও তার স্বাধিকার অর্জনের বহুবর্ণিল কাহিনিও। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও, বাঙালির মুক্তির মহানায়ককে নিয়ে হাজার গ্রন্থ লেখা হলেও তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ একটি আকরগ্রন্থের অভাব রয়েই গেছে। সেই অভাবের জায়গাটি পূরণ করতেই সিটি ব্যাংকের সহায়তায় এইচসিসিবিএল-এর এ উদ্যোগ।’

‘মুজিবপিডিয়া’য় এক মলাটে মিলবে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন, তার কর্ম ও আদর্শ, তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের বিবরণ।

একইসঙ্গে মিলবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বাঙালির মুক্তির ইতিহাস। সঙ্গে থাকছে ঐতিহাসিক আলোকচিত্র ও তথ্য। পাশাপাশি ‘কিউআর কোড’ দিয়ে এতে যুক্ত করা হচ্ছে নতুনভাবে নির্মিত প্রায় ১০০ ভিডিওচিত্র।

শেয়ার করুন

মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান

মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, একটি কোম্পানিই তাদের মতো করে এমএফএস বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নীতিমালা না থাকায় অন্য কোনো সেবা দাঁড়াতে পারছে না। এমএফএস সেবায়ও সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না।

এক দশক আগে দেশে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) চালু করলেও একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান মোট বাজারের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ দখল করে রেখেছে। আর্থিক সেবা খাতে গ্রাহকরা একটি কোম্পানির হাতেই জিম্মি বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

তারা বলছে, একটি কোম্পানিই তাদের মতো করে এমএফএস বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নীতিমালা না থাকায় অন্য কোনো সেবা দাঁড়াতে পারছে না। এমএফএস সেবায়ও সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না।

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সার্ভিস চার্জ আরও কমিয়ে কীভাবে বাজারে প্রতিযোগিতা আনা যায় এবং ছোট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা যায় সে ব্যাপারে প্রতিযোগিতা কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে কমিশনের চেয়ারপারসনকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘এ পর্যন্ত অনেকগুলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অনুমতি নিলেও কার্যক্রম করে মাত্র ১৭-১৮টি। এমএফএস খাতে বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে দু-একটি ছাড়া বাকিরা টিকতে পারেনি। আর এর সুফল ভোগ করছে মাত্র দুই-একটি আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, “ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ মাত্র আড়াই বছরেই স্বল্প মুনাফায় গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে। নগদে ক্যাশ আউট চার্জ সর্বনিম্ন ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। তা ছাড়া, বিনা খরচে সেন্ড মানি, সম্পূর্ণ ফ্রিতে বিল পে, সেভিংস-এ সর্বোচ্চ মুনাফাসহ আরও অনেক সুবিধা দিচ্ছে এই সেবাটি।”

মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, মোবাইল আর্থিক সেবা টিকিয়ে রাখতে একক আধিপাত্য বন্ধ করা জরুরি। যথাযথ নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় যত দ্রুত সম্ভব মোবাইল আর্থিক সেবার নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার।

তারা বলছে, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ একক আধিপত্য মুক্ত করতে সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। ফলে প্রতিযোগিতায় ছোট বা মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো না হারিয়ে সমান তালে টিকে থাকতে পারছে। এসএমপি নীতিমালার উদ্দেশ্য বাজারে একক আধিপত্য বিস্তার করা কোম্পানিকে নিয়ম-নীতির মাধ্যমে কিছুটা নিয়ন্ত্ৰণ করা। যাতে করে, সম ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, গত কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) টেলি সেক্টরে একক আধিপত্য নিযন্ত্রণে সিগনিফিকান্ট মার্কেট পাওয়ার নীতিমালা প্রণয়ন করে। ফলে টেলিকম সেক্টরে গ্রামীণ ফোনের একক আধিপাত্য কমেছে। মার্কেটে টিকে থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে দেশীয় টেলিকম কোম্পানি টেলিটকসহ অন্যান্য টেলিকম অপারেটরের। এজন্য মোবাইল আর্থিক সেবা নিয়ন্ত্রণে বাজার নিয়ন্ত্রণ পলিসি প্রয়োজন।

চিঠিতে তারা বলেন, মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে বিকাশ প্রতি হাজারে ক্যাশ আউট চার্জ ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর সেন্ড মানি বা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে টাকা পাঠাতে গেলে প্রতি লেনদেনে নেয়া হয় ৫ থেকে ১০ টাকা।

ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বিকাশের চার্জ সবচেয়ে বেশি। এসব বিল দেয়ার ক্ষেত্রে বিকাশ চার্জ ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। জমা টাকায় মুনাফা দেয় সাড়ে ৪ শতাংশ।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটেও প্রতি হাজারে ক্যাশ আউটে খরচ গুণতে হয় ১৮ টাকা। সেন্ড মানি এবং ইউটিলিটি বিল দেবার ক্ষেত্রে কোনো খরচ করতে হয় না।

নতুন এসে সবচেয়ে কম খরচে সেবা দিচ্ছে ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ। প্রতি হাজার টাকা ক্যাশ আউটে প্রতিষ্ঠানটি চার্জ নিচ্ছে ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। নগদ-এ সেন্ড মানির ক্ষেত্রে কোনো টাকা গুণতে হয় না গ্রাহকদের। ইউটিলিটি বিলও নেয়া হচ্ছে না কোনো অর্থ। আর জমা টাকায় মুনাফা দেয়া হয় সাড়ে ৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন