চট্টগ্রাম বন্দরে উৎসাহ বোনাস ১৬ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে উৎসাহ বোনাস ১৬ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘একটি স্কিমের আওতায় অর্থ বছর শুরুর আগে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। নীতিমালা অনুসারে মালামাল ওঠানামায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে উৎসাহ বোনাস দেয়া হয়। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে মালামাল ওঠানামায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে, তাই বোনাস দেয়া হচ্ছে।’

২০২০-২০২১ অর্থবছরে মালামাল ওঠানামায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ায় ১৬ কোটি টাকা উৎসাহ বোনাস পাচ্ছেন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

১৪ জুলাইয়ের মধ্যে এই বোনাস পরিশোধের ব্যবস্থা করবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) অর্থ ও হিসাব বিভাগ।

৮ জুলাই এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছেন চবকের পরিচালক (প্রশাসন)।

এতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রম বন্দরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উৎসাহ বোনাস স্কিমের ১৯৮৯ (সংশোধিত) আওতায় ২০২০-২০২১ সালে মালামাল ওঠানামার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ায় ৪৫ দিনের উৎসাহ বোনাস দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানরা উৎসাহ বোনাস স্কিমের সাত নম্বর ধারার শর্তাদি যথাযথভাবে পালনের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

ওই আদেশে বলা হয়, উৎসব বোনাসের বিল ও পে অর্ডার ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে অর্থ ও হিসাব বিভাগে পাঠানো হলে তারা ১৪ জুলাই পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন।

আদেশে আরও বলা হয়, আট শর্তে চট্টগ্রম বন্দরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ উৎসাহ বোনাস পাবেন।

বন্দরের শ্রমিক নেতা নায়েবুল ইসলাম ফটিক বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে প্রতি বছর সাধারণত ২০ জুলাইয়ের পর এ উৎসাহ বোনাসটা আমরা পাই। বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবার ঈদ ভালভাবে উদযাপন করতে পারবে। কর্মচারীদের কথা চিন্তা করে সময়ের আগেই বোনাস ঘোষণা দেয়ায় চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানাই।’

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘একটি স্কিমের আওতায় অর্থ বছর শুরুর আগে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। নীতিমালা অনুসারে মালামাল ওঠানামায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে উৎসাহ বোনাস দেয়া হয়। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে মালামাল ওঠানামায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে, তাই বোনাস দেয়া হচ্ছে।’

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত আছে। প্রতি মাসে বেতন বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যয় প্রায় সাড়ে দশ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট, দ্বিগুণ হলো ভাড়া
চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে নতুন চেয়ারম্যান
করোনায় জাহাজ আসা কমেছে ২ শতাংশ
২২ টনের জায়গায় এক টন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে শোকজ
চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়নে সহযোগিতা করতে চায় ভারত

শেয়ার করুন

মন্তব্য