সচেতন হলেই নিশ্চিত হবে ভোক্তার অধিকার

সচেতন হলেই নিশ্চিত হবে ভোক্তার অধিকার

ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে বাজার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। একচেটিয়া বাণিজ্য বন্ধ এবং ব্যবসায় প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

ভোক্তা সচেতন হলেই দেশে ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বলেছেন, ভোক্তার পাশে থাকবে সরকার।

ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ক্যাব আয়োজিত জেলা-উপজেলা ভোক্তা প্রতিনিধি সম্মেলন-২০২১ এবং ভোক্তা অধিকার শক্তিশালীকরণ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এই আয়োজন হয় অনলাইনে।

মন্ত্রী বলেন, ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে বাজার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। একচেটিয়া বাণিজ্য বন্ধ এবং ব্যবসায় প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

ভোক্তাকে সচেতন করে তুলতে সরকারের উদ্যোগ আছে জানিয়ে তিনি এ ক্ষেত্রে ক্যাবের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। বলেন, ভোক্তাদের সচেতন করতে সবাইকে আরও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সরকারও করোনা মহামারিতে পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আমদানি নির্ভর পণ্যের শুল্ক হ্রাসের উদ্যোগ নিয়েছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বাজারজাতকরণে জোর দেয়া, মূল্য নিয়ন্ত্রণে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। বলেন, ‘সরকারের কঠোর পদক্ষেপের কারণে করোনার মাঝেও সকল পণ্যের মজুত, সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সহযোগি অধ্যাপক সৈয়দ মিজানুর রহমান।

ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মফিজুল ইসলাম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, নিরাপদ খাদ কর্তৃপক্ষের সদস্য আব্দুল আলীম ও ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়াও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ আয়োজনে অংশীদার ‘নগদ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ আয়োজনে অংশীদার ‘নগদ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনে সহযোগী হয়েছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস 'নগদ'।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে আমরা নগদ-এর কাছে বলেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক চরিত্র বজায় রেখে তারা যেন ক্যাম্পাসকে সাজান। সেটিও প্রশংসনীয় এবং তারা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন।’

একটি দেশের উত্থান, বেড়ে ওঠা এবং জাতি গঠনে অবদান রাখা দেশের বাতিঘর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উদযাপন করছে। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দেশকে একটি শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করাতে অগণিত গ্রাজুয়েট উপহার দিয়েছে উপমহাদেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়টি।

মহতী এই উদযাপনের সঙ্গী হয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রোববার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শতবর্ষের স্মারক হিসেবে প্রায় ৪৫ হাজার রিস্টব্যান্ড উপহার দিয়েছে ‘নগদ’।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে ‘নগদ’–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক রিস্টব্যান্ডগুলো হস্তান্তর করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে আমরা নগদ-এর কাছে বলেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক চরিত্র বজায় রেখে তারা যেন ক্যাম্পাসকে সাজান। সেটিও প্রশংসনীয় এবং তারা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন।

‘উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গিতে অ্যাকাডেমিক ফ্লেভার নিয়ে ক্যাম্পাসকে কীভাবে সাজাতে হয়, সেটি নগদ দেখিয়েছে। একেকটি প্রাঙ্গণ যেন নতুন নতুন মাত্রা পেয়েছে। সে জন্য নগদ-কে ধন্যবাদ। আশা করি ভবিষ্যতেও নগদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আয়োজনে সম্পৃক্ত থাকবে।’

গত ১ ডিসেম্বর ‘শতবর্ষের আলোয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শিরোনামে শুরু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপন উপলেক্ষ্যে চার দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আব্দুল হামিদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে ১০০ বছরের স্মৃতি-সম্বলিত ফটো-ওয়াল ও অন্যান্য সাজসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, টিএসসি, শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল এবং বিভিন্ন স্থাপনা।

ক্যাম্পাসের কার্জন হল, কলাভবন ও মলচত্বরসহ বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিলরূপে সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি আলোকসজ্জা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাজসজ্জার যাবতীয় দায়িত্ব পালন করছে ডাক বিভাগের ‘নগদ’।

১৯২১ সালে যাত্রা শুরু করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১০০ বছর পূর্ণ করে চলতি বছরের ১ জুলাই। কিন্তু করোনার কারণে শতবর্ষের অনুষ্ঠান ব্যাহত হয়। করোনা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে সম্প্রতি আয়োজন করা হয় শতবর্ষের এই অনুষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় ১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন আয়োজন করে শতবর্ষ উদযাপন করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ ডে উপলক্ষ্যে ১২ ডিসেম্বর ‘নগদ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে কনসার্টের আয়োজন করেছে।

কনসার্টে ‘নগর’ বাউল জেমস ছাড়াও ওয়ারফেজ, সহজিয়া, মেঘদল, কৃষ্ণপক্ষ, ইন্ট্রোয়েট, তীরন্দাজ ও মেহরীন অংশ নেবে।

১৬ ডিসেম্বরও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ফায়ারওয়ার্কস ও লেজার শোর আয়োজন করা হচ্ছে। এতে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হবে। আয়োজনটিতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’।

বিষয়গুলো নিয়ে ‘নগদ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘দেশের বাতিঘর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উদযাপন করছে, এটি দেশের জন্য একটি বড় অর্জন। পৃথিবীর আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো নেই যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধীকার আন্দোলনে নেতৃত্বের স্থানে থেকেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য এই গৌরবের অংশীদার।

‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের সঙ্গে থাকতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। দেশের জন্য অসামান্য অবদান বয়ে আনতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পথচলা সহস্র বছরের হোক, সেই কামনা করছি।’

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

কর রেয়াতে চলে যায় জিডিপির ২.২৮ শতাংশ

কর রেয়াতে চলে যায় জিডিপির ২.২৮ শতাংশ

ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পসহ বিভিন্ন খাতকে করমুক্ত রেখেছে সরকার। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এনবিআরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষ খাতগুলোকে স্বল্প কর হার সুবিধা, কর অব্যাহতি এবং কর অবকাশ সুবিধা দেয়ায় কর ভিত্তি সংকুচিত হয়েছে। যদি এসব খাতে সুবিধা বাতিল করা হয়, তা হলে কর আহরণ বর্তমানের চেয়ে বাড়বে।

কৃষি, শিল্প, সেবা, অবকাঠমোসহ বিভিন্ন খাতে কর সুবিধা দেয়ার ফলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) কমপক্ষে ২ দশমিক ২৮ শতাংশ আয়কর কম আদায় হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সম্প্রতি উপস্থাপন করেন রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আয়কর নীতি) সামসুদ্দীন আহমেদ।

কম আহরণের কারণ হিসেবে করের ভিত্তি সংকুচিত হওয়াকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় প্রতিবেদনে।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আয়কর বিভাগে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন অভাব, কর ফাঁকি, জটিল আইন-কানুন ও অর্থনীতির বড় একটি অংশ হিসাবের বাহিরে থাকার কারণেও কাঙ্খিত কর আদায় হচ্ছে না।

এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিল্পায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণ এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিশেষ খাতগুলোকে স্বল্প কর হার সুবিধা, কর অব্যাহতি এবং কর অবকাশ সুবিধা দেয়ায় কর ভিত্তি সংকুচিত হয়েছে। যদি এসব খাতে সুবিধা বাতিল করা হয়, তা হলে কর আহরণ বর্তমানের চেয়ে বাড়বে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আয়কর আদয়ের পরিমাণ প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা। এটি এনবিআরের মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্বের শতকরা ৩৫ ভাগ।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আমাদের অর্থনীতির যে আকার তার সঙ্গে কর আহরণের সামাঞ্জস্য নেই। এর মূল কারণ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আয়ের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকি দেয়া হয়।

জিডিপির হিসাবে বছরে কত পরিমাণ কর ফাঁকি হয়, তার কোনো গবেষণালব্ধ তথ্য এনবিআরের কাছে নেই। তবে রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আদায়যোগ্য করের কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ কম আদায় হয়।

এনবিআরের সাবেক সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যা, মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদন ইত্যাদি বিবেচনা করলে করদাতার সংখ্যা এবং আদায় বর্তমানের চেয়ে কমপক্ষে দ্বিগুণ হওয়া উচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আয়কর সংগ্রহে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও আমাদের কর বনাম জিডিপি অনুপাত এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

এক দশক আগে ২০১১-১২ অর্থবছরে আয়কর আদায়ে প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১১ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ শতাংশের বেশি।

এনবিআর বলেছে, আয়কর আদায় বাড়লেও জিডিপি বনাম কর অনুপাত সেভাবে বাড়েনি।

এক দশক আগে জিডিপির বিপরিতে কর সংগ্রহ ছিল ১০ শতাংশ। এক দশক পর গত অর্থবছরে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক কর্মকর্তা ও গবেষণা সংস্থা পিআরআই-এর নিবার্হী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বাংলাদেশের কর ব্যবস্থার যথেষ্ঠ দুর্বলতা আছে। এখানে বড় ধরনের সংস্কার দরকার। এনবিআরকে ঢেলে সাজাতে হবে। এখন যে এনবিআর আছে, তা দিয়ে প্রত্যাশিত রাজস্ব আয় সম্ভব নয়। এর আমূল পরিবর্তন দরকার।’

যেসব খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে

এনবিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী যেসব খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভৌত অবকাঠামো, তথ্য প্রযুক্তি, রপ্তানিমুখী পোশাক ও বস্ত্র, হস্তজাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও কৃষি খাত।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহনসহ সরকার এ পর্যন্ত ১৮টি ভৌত অবকাঠামো খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দিয়েছে। প্রোডাক্টশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট বা পিএসসির আওতায় বিদেশি তেল গ্যাস কোম্পানিকে কর সুবিধা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে যেসব বিদেশি পরামর্শক কাজ করছেন, তারা কর সুবিধা ভোগ করছেন।

জিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমানে ২২টি তথ্যপ্রযুক্তি খাত শতভাগ কর অব্যাহতি সুবিধা পাচ্ছে। বিশ্ব প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে তৈরি পোশাক খাতকে কম হারে (১২ শতাংশ) কর সুবিধা দেয়া হয়েছে।

হস্তজাত, কুটির শিল্প ও মাঝারি শিল্প যাদের বছরে লেনদেন বা টার্নওভার ৫০ লাখ টাকা, তাদের কর মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। কম উন্নত এলাকায় শিল্প স্থাপন উৎসাহিত করতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে কর রেয়াত দেয়া হয়েছে।

বর্তমানে পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন করলে কম হারে কর আদায় করা হয়। কৃষিজাত উৎপাদন থেকে অর্জিত আয়ের ওপর ১০ বছর পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা ভোগ করা যায়।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের তালিকা নিয়ে দুদক যাচ্ছে হাইকোর্টে

৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের তালিকা নিয়ে দুদক যাচ্ছে হাইকোর্টে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ফাইল ছবি

দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান জানান, অর্থ পাচারে সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে দুদকের তৈরি করা তালিকাটি রোববার হাইকোর্টে জমা দেয়া হবে। সংবাদমাধ্যম, প্যারাডাইস পেপারস, পানামা পেপারসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের নাম সংগ্রহ করেছে দুদক।

হাইকোর্টে জমা দিতে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত ১৪টি প্রতিষ্ঠান ও ২৯ ব্যক্তির তালিকা তৈরি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের এ তালিকায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার স্ত্রী-সন্তান এবং আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের নামও রয়েছে।

জানা গেছে, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার এ তালিকা দেয়া হবে।

দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান গণমাধ্যমকে জানান, অর্থপাচারে সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে দুদকের তৈরি করা তালিকাটি রোববার হাইকোর্টে জমা দেয়া হবে।

সংবাদমাধ্যম, প্যারাডাইস পেপারস, পানামা পেপারসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের নাম সংগ্রহ করেছে দুদক।

জানা গেছে, তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে দুদক।

তালিকায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: মাল্টিমোড লিমিটেডের আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল এবং তাদের সন্তান তাবিথ আউয়াল, তাফসির আউয়াল ও তাজওয়ার মো. আউয়াল, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মোগল ফরিদা ওয়াই ও শহিদ উল্লাহ, ঢাকার বনানীর চৌধুরী ফয়সাল, বারিধারার আহমাদ সামির, ব্রামার অ্যান্ড পার্টনার্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, ভেনাস ওভারসিজ কোং-এর মুসা বিন শমসের।

আরও আছেন ডাইনামিক এনার্জির ফজলে এলাহী, ইন্ট্রিপিড গ্রুপের কেএইচ আসাদুল ইসলাম, খালেদা শিপিং কোম্পানির জুলফিকার আহমেদ, নারায়ণগঞ্জের জেমিকো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের তাজুল ইসলাম তাজুল, চট্টগ্রামের বেঙ্গল শিপিং লাইনসের মোহাম্মদ মালেক, ঢাকার সাউদার্ন আইস শিপিং কোম্পানির শাহনাজ হুদা রাজ্জাক, ওসান আইস শিপিং কোম্পানির ইমরান রহমান, শামস শিপিং লিমিটিডের মোহাম্মদ এ আউয়াল।

অর্থ পাচারের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে ঢাকার উত্তরার এরিক জনসন আনড্রেস উইলসন, ইন্ট্রিডিপ গ্রুপের ফারহান ইয়াকুবুর রহমান, জেমিকো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের তাজুল ইসলাম, পদ্মা টেক্সটাইলের আমানুল্লাহ চাগলা, রাশিয়ার নিউটেকনোলজি ইনভেস্টমেন্টের মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, মাল্টার মোহাম্মদ রেজাউল হক, নারায়ণগঞ্জের জেমিকো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মোহাম্মদ কামাল ভূঁইয়া, তুহিন-সুমন, সেলকন শিপিং কোম্পানির মাহতাবা রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেমিকো ট্রেড ইন্টান্যাশনালের ফারুক পালওয়ান ও আয়ারল্যান্ডের গ্লোবাল এডুকেশন সিস্টেমের মাহমুদ হোসাইনের নাম।

এছাড়া আছে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী, সেতু করপোরেশনের চেয়ারম্যান উম্মে রুবানা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকার আজমত মঈন, সালমা হক, এসএম জোবায়দুল হক, ড. সৈয়দ সিরাজুল হক, শরীফ জহির, তারিক ইকরামুল হক, ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা, প্রতিষ্ঠানটির তিন পরিচালক খন্দকার মঈনুল আহসান শামীম, আহমেদ ইসমাইল হোসেন এবং আখতার মাহমুদের নাম।

কর ফাঁকি দিয়ে নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়া, আইন অমান্য করে দেশের টাকা বিদেশে পাচার ও অবৈধ আয়ে বৈধ ক্ষমতার মালিক হওয়া নিয়ে ২০১৬ সালের এপ্রিলে পানামা পেপারস নামে দুর্নীতির সংবাদ আসে বিশ্ব গণমাধ্যমে।

বিশ্বের সাবেক ও বর্তমান শতাধিক রাষ্ট্রনায়ক ও রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, খেলোয়াড়, অভিনেতা, শিল্পী অনেকের নাম ছিল এ তালিকায়।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষন করে দুদক প্রথম পর্বে ৪৩ ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এবং দ্বিতীয় পর্বে ১৮ ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৬১ ব্যক্তি এবং ৭টি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায়।

বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের যথাযথ পদক্ষেপ চেয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান ও সুবীর নন্দী দাস।

ওই রিটের শুনানি শেষে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। তারই ধারাবাহিকতায় এবার হাইকোর্টে অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তালিকা জমা দিতে যাচ্ছে দুদক।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

বস্ত্র খাতকে রক্ষায় সম্মাননা পেল সাত সংগঠন

বস্ত্র খাতকে রক্ষায় সম্মাননা পেল সাত সংগঠন

বিজিএমইএর পক্ষে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন সংগঠনের সভাপতি ফারুক হাসান। ছবি: নিউজবাংলা

সাত সংগঠনের মধ্যে রয়েছে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। সংগঠনগুলোর নেতাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

মহামারি করোনাভাইরাসের ছোবল থেকে বস্ত্র খাতকে রক্ষায় অবদানের জন্য রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ সাত সংগঠনকে সম্মাননা দিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাত সংগঠনের নেতাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মির্জা আজম।

বিজিএমইএর পক্ষে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন সংগঠনের সভাপতি ফারুক হাসান। অন্য যে পাঁচ সংগঠন সম্মাননা পেয়েছে, সেগুলো হলো দেশের বস্ত্রশিল্প মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ, বায়িং হাউসগুলোর সংগঠন বিজিবিএ, স্পেশালাইজড টেক্সটাইল কারখানাগুলোর সংগঠন বিএসটিএমপিআইএ, টেরি টাওয়েল ও লিনেন উৎপাদন ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিটিটিএলএমইএ এবং বাংলাদেশ জাতীয় তাঁতি সমিতি।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, “বস্ত্র খাতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনার কারণে এ খাত জাতীয় রপ্তানির ধারাকে করোনাভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে। বস্ত্রশিল্পের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের গতি বেগবান করা এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদাকে সামনে রেখে জাতীয় বস্ত্র দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘বস্ত্র খাতের বিশ্বায়ন, বাংলাদেশের উন্নয়ন’।”

তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, তাঁত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট পরিচালিত হচ্ছে। বস্ত্র খাতে দক্ষ জনবলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এ ধরনের আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিনকে বড় পরিসরে বাণিজ্যিক রূপদানের জন্য ‘ঢাকাই মসলিন হাউস’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘পোশাকশিল্প বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আরও বেশি অবদান রাখছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপ ব্যাপকভাবে শিল্প খাতের ওপর নির্ভর করবে, যেখানে পোশাকশিল্প মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।

‘বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক খাতের সব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সব উপায় খুঁজে বের করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিল্পটি ক্রমবর্ধমানভাবে পণ্যের ধরন বিস্তৃতকরণ, বিশেষ করে উচ্চমূল্য সংযোজন এবং নন-কটন পোশাক, বাজার বৈচিত্র্যকরণ, দক্ষতা অর্জন ও দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত আপগ্রেডেশন এবং পণ্য উন্নয়ন ও অপটিমাইজেশন প্রক্রিয়ায় উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ বাড়াচ্ছে।’

এর আগে জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২১ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বস্ত্র ও পাট সচিব আব্দুর রউফ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নুরুজ্জামান, বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বস্ত্র খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

বাণিজ্য উন্নয়নের মহাপরিকল্পনায় এফবিসিসিআই

বাণিজ্য উন্নয়নের মহাপরিকল্পনায় এফবিসিসিআই

সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন তুলে ধরেন আগামীর বাণিজ্য পরিকল্পনা। ছবি: সংগৃহীত

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর বাংলাদেশের জন্য বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও রপ্তানি খাতে চাহিদা তৈরি হবে নতুন পণ্যের। অর্থনীতির আকারও বড় হবে।'

আগামী দশকের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির চাহিদা বিবেচনায় কর্মকৌশল নির্ধারণ করছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই)। এ জন্য ১০ বছর মেয়াদি একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে।

রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শনিবার এ তথ্য জানান সংগঠনটির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর বাংলাদেশের জন্য বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও রপ্তানি খাতে চাহিদা তৈরি হবে নতুন পণ্যের। অর্থনীতির আকারও বড় হবে। সরকারের নেয়া নানা অবকাঠামো প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষ হলে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে। তখন পণ্য পরিবহন, বন্দরের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

‘সবকিছুকে বিবেচনায় রেখে এফবিসিসিআই আগামী দশকের অর্থনীতির চাহিদার উপযোগী কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে ১০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করছে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘এলডিসি-পরবর্তী বৈশ্বিক চাহিদা মোকাবিলায় খাতভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে একটি ইনোভেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে এফবিসিসিআই। আগামী মাসেই এ-সংক্রান্ত ধারণাপত্রটি সরকারের কাছে জমা দেয়া হবে।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ নিয়ে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ করছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়- এমন তথ্য দিয়ে জসিম উদ্দিন বলেন, ‘চলমান এ কার্যক্রম শেষ হলে দেশের বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকৃত পণ্যের উৎপাদন করা হবে।’

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশি প্রবাসীদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্ম দেশ দুটির মূল অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। কিন্তু তাদের বাংলাদেশ সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে ওই সব প্রবাসী উদ্যোক্তাকে যুক্ত করতে পারলে দেশ দুটির মূল বাজার ধরা সহজ হবে।’

এ লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মূল ধারার বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথাও জানান তিনি।

এ ছাড়া তৈরি পোশাকের বাইরে নতুন নতুন সম্ভাবনাময় পণ্যের তালিকা, সেগুলো রপ্তানির সুযোগ ও প্রতিবন্ধকতা বিষয়ে গবেষণা করতে এইচএসবিসির সঙ্গেও সমঝোতা স্মারক সই করেছে এফবিসিসিআই।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, এসব কার্যক্রমের ফলে এলডিসি-পরবর্তী সময়ের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির চাকা বেগবান হবে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এফিবিসিসিআইয়ের আয়োজনে ‘বিজয়ের ৫০ বছর: লাল সবুজের মহোৎসব’ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে। ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এ উৎসব।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও লাখো শহীদের প্রতি ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতাবোধের প্রকাশ হিসেবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মহোৎসব করছে এফবিসিসিআই।’ তিনি সবাইকে এ মহোৎসবে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহসভাপতি এম এ মোমেন, মো. আমিনুল হক শামীম, মো. আমিন হেলালী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, এম.এ রাজ্জাক খান রাজসহ বর্তমান কমিটির পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

ওমিক্রন রোধে পোশাক কারখানায় ১৭ নির্দেশনা

ওমিক্রন রোধে পোশাক কারখানায় ১৭ নির্দেশনা

কর্মক্ষেত্রে সার্বক্ষণিকভাবে শ্রমিক-কর্মচারীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে সদস্য কারখানাগুলোর প্রতি এ নির্দেশনা দিয়েছে বিজিএমইএ। এ ছাড়া সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য লোকসমাগম এড়িয়ে চলতে শ্রমিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মহামারি করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। ধরনটি দ্রুত ছাড়তে পারে- এ আশঙ্কায় দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক কারখানাগুলোকে ১৭টি নির্দেশনা দিয়ে তা মানতে বলেছে পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

নিজেদের সদস্য কারখানার প্রতি গত সপ্তাহে দেওয়া এ নির্দেশনায় বিজিএমইএ বলেছে, পোশাক কারখানায় উৎপাদন শুরু ও ছুটির সময় শ্রমিকদের ভিড় এড়ানোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় নির্ধারণে জোর দিতে হবে। তা ছাড়া শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের ব্যবস্থা করা দরকার। সম্ভব হলে বিভিন্ন বিভাগের কর্মঘণ্টার জন্য আলাদা শিফটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কারখানায় প্রবেশের সময় শ্রমিকদের দেহের তাপমাত্রা পরিমাপ এবং প্রয়োজনে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে।

কারখানায় প্রবেশের সময় প্রধান ফটকসংলগ্ন এলাকায় শ্রমিকদের হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাবান-পানির ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দিয়েছে বিজিএমইএ। এ ছাড়া কাজের জায়গায় শ্রমিকদের ভিড় এড়িয়ে চলার জন্য শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া দুপুরের খাবারের বিরতিসহ অন্যান্য বিরতির সময় বিভিন্ন বিভাগের শ্রমিকদের আলাদা আলাদা সময় নির্ধারণ করতে হবে।

কর্মক্ষেত্রে সার্বক্ষণিকভাবে শ্রমিক-কর্মচারীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে সদস্য কারখানাগুলোর প্রতি এ নির্দেশনা দিয়েছে বিজিএমইএ। এ ছাড়া সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য লোকসমাগম এড়িয়ে চলতে শ্রমিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজিএমইএর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে। পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হলে রোগীকে আইসোলেশনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করতে হবে কারখানা কর্তৃপক্ষকে।

বিজিএমইএর সচিব ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি পোশাকশিল্পে করোনার সংক্রমণের মাত্রা ছিল খুবই সামান্য। সরকারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা গাইডলাইন ও হেলথ প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছিল। অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ৩৮ দেশে শনাক্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই ধরনে আক্রান্ত কারোর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এসব তথ্য জানিয়েছে। ডব্লিউএইচও বলেছে, ওমিক্রন ধরনের সংক্রমণে এখনো কোনো মৃত্যুর কথা তারা জানাতে পারেনি। তবে নতুন এ ধরন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় সব দেশকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

ডব্লিউএইচও বলছে, আগামী কয়েক মাসে ইউরোপে মোট কোভিড সংক্রমণের অর্ধেকই হতে পারে ওমিক্রনের কারণে।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

১১০ টাকা লিটারে তেল ও ৫৫ টাকা কেজিতে চিনি বিক্রি করবে টিসিবি

১১০ টাকা লিটারে তেল ও ৫৫ টাকা কেজিতে চিনি বিক্রি করবে টিসিবি

টিসিবি বলেছে, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং করোনাকালীন সাধারণ আয়ের জনগণের সহায়তার জন্য দেশের সব মহানগর, জেলা ও উপজেলায় ৪০০ থেকে ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে পেঁয়াজ, মসুর ডাল, চিনি ও সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে। ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে।

কম আয়ের মানুষের জন্য আবারও কম দামে পণ্য বিক্রি শুরু করছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

রোববার থেকে সংস্থাটি আবারও সারা দেশে তাদের ট্রাকে বিক্রি কার্যক্রম শুরু করবে। টিসিবির ট্রাক থেকে ১১০ টাকা দরে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন ক্রেতারা। পেঁয়াজ কিনতে পারবেন ৩০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া চিনি ও মসুর ডালও কম দামে বিক্রি করবে সংস্থটি।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ষষ্ঠবারের মতো এ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে টিসিবি। গত ১ নভেম্বর থেকে টিসিবির ট্রাকে বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এক মাস বিরতির পর রোববার থেকে ফের এ কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়ে শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিসিবি বলেছে, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং করোনাকালীন সাধারণ আয়ের জনগণের সহায়তার জন্য দেশের সব মহানগর, জেলা ও উপজেলায় ৪০০ থেকে ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে পেঁয়াজ, মসুর ডাল, চিনি ও সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে। ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত এ বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। তবে শুক্রবার এ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

টিসিবির ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকায়, মসুর ডাল ৬০ টাকায়, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১১০ টাকায় এবং পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩০ টাকায় কিনতে পারবেন। একজন ক্রেতা সর্বনিম্ন দুই থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি পেঁয়াজ, দুই কেজি মসুর ডাল, দুই কেজি চিনি ও দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

টিসিবি প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের যে খুচরা বাজারদর প্রকাশ করে থাকে তাতে দেখা যায়, শনিবার রাজধানীর বাজারগুলোয় প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে, ৭৫-৮০ টাকা। বড় দানার প্রতি কেজি মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ৮৫-৯০ টাকা। মাঝারি মানের মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ৯৫-১০০ টাকা। আর ছোট দানার সবচেয়ে ভালো মানের মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা।

পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা কেজি দরে।

আরও পড়ুন:
হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার
ব্যবসার ভিত মজবুত করবে বাজেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে আমরা এগিয়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
মদ বাদে সব পণ্যে ভারতের কর সুবিধা: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন