ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪

ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা কোম্পানিগুলোর লেনদেনের চিত্র

প্রথম ধাপে ৭ এপ্রিল যে ৬৬ কোম্পানির ফ্লোর প্রত্যাহার করা হয় তার মধ্যে একটির লেনদেন স্থগিত, একটির লেনদেন কখনও হয় না। বাকি ৬৪টির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৬টির, কমেছে ১৮টির। তবে এই ১৮টির দাম যে কোনো একদিনই বেড়ে যেতে পারে। দ্বিতীয় ধাপে ফ্লোর তুলে নেয়া কোম্পানিগুলোর দাম এখনও পড়তির দিকে।

ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়ার পর এখন বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর উঠে এসেছে প্রান্তসীমার উপরে।

প্রথম পর্যায়ে যে ৬৬টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়া হয়েছিল তার ৪৬টি দর এখন ফ্লোর প্রাইসের ওপরে। পরের যে আরও ৩০টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বাতিল করা হয় সেগুলোর এখনও উত্থান পতনের মধ্যেই আছে। এর মধ্যে চারটি এখন বাতিল করা ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে এসেছে।

যেসব কোম্পানি বাতিল করা ফ্লোর প্রাইসের চেয়ে নিচে আছে, সেগুলোর একটি বড় অংশই ভালো কোনো একটি দিনে উঠে আসতে পারে সেই দামের ওপরে।

করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর প্রতিটি কোম্পানির শেয়ারের সর্বনিম্ন দাম বেঁধে দেয়া হয়। এটি পরিচিতি পায় ফ্লোর প্রাইস হিসেবে।

ওই বছর পুঁজিবাজারের দরপতন ঠেকানো গেছে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে। তবে চলতি বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে লকডাউনের মধ্যে প্রথমে ৬৬টি আর পরে ৩০টির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়।

এই সিদ্ধান্তের কারণ ছিল, সর্বনিম্ন দামে শেয়ারগুলো লেনদেন হচ্ছিল না। অর্থাৎ এই দামকে বিনিয়োগকারীরা যুক্তিযুক্ত মনে করছিলেন না। ফলে তাদের বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে থাকে।

৭ এপ্রিল ৬৬ কোম্পানির ফ্লোর প্রত্যাহারের পর দিন প্রায় সবকটি কোম্পানির ব্যাপক দরপতন হয়। পরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি জানায়, এসব কোম্পানির দাম ১০ শতাংশ বাড়তে পারবে, কিন্তু কমতে পারবে ২ শতাংশ। এতে দরপতন ঠেকে।

তবে এক পর্যায়ে দেখা যায়, আগে ফ্লোর প্রাইসে যে কোম্পানিগুলোর লেনদেন হতো না বললেই চলে, সেগুলোরও লাখ লাখ শেয়ার বিক্রি হতে থাকে। এক পর্যায়ে বেশিরভাগ শেয়ারই বাতিল হওয়া ফ্লোর প্রাইসের ওপরে চলে আসে। তার চেয়ে বড় কথা, শেয়ারগুলো বিক্রি করে বিনিয়োগকারীরা তাদের পছন্দের অন্য শেয়ার কিনতে পেরেছেন।

এভাবে পুঁজিবাজারে লেনদেন ক্রমেই বাড়তে থাকে।

তার মধ্যেও বেশ কিছু কোম্পানির লেনদেন আটকে থাকে। আর এগুলোর হিসাবনিকাশ করে ৩ জুন আরও ৩০টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হয়। এবারও সেই ৬৬ কোম্পানির দশাই হয় প্রথম দুই দিন।

তবে এবার দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশের বিধান প্রথম দিন থেকেই কার্যকর থাকায় বিনিয়োগকারীদের টাকা তুলনামূলক কম কমেছে এক দিনে।

ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪
দুই ধাপে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শুরুতে দরপতন হলেও পরে এর প্রভাব ইতিবাচক দেখা যায়

তবে তৃতীয় দিনেই পাঁচটি কোম্পানির দর বাতিল হওয়া ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে আসে। তার চেয়ে বড় কথা, আগে যে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হতো না বললেই চলে, সেই কোম্পানির লেনদেন এমনকি কোটির ঘরে চলে যায়।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিএসইসি জানায়, বাকি শেয়ারগুলোরও ফ্লোর প্রাইস থাকবে না। তবে এখন হাতে গোনা দুই একটি কোম্পানি আছে যেগুলোর দাম ফ্লোরে আছে।

তবে দাম কমার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশের বদলে আগের মতোই ১০ শতাংশ হওয়ায় যেসব কোম্পানির দর পড়তি, সেগুলোর দাম আরও দ্রুত পড়তে পারবে।

ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সাবেক প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা দেবব্রত কুমার সরকার ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লোর প্রাইসের কারণে পুঁজিবাজারে যে তারল্য আটকে ছিল সেটি বোঝা গেছে যখন ফ্লোর প্রাইস বাতিল করা হলো। অনেক কোম্পানির যে আর্থিক অবস্থা তার চেয়ে অনেক বেশি হারে ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করা ছিল। ফলে বিনিয়োগকারীরা সেসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ আগ্রহী হচ্ছিল না।

‘সেসব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বাতিল করায় অনেক কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বেড়েছে। শেয়ার দরও ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে লেনদেন হচ্ছে, যেখানে আগে এসব কোম্পানির দর একটি পর্যায়ে স্থির হয়ে ছিল।’

ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪
২০২০ সালে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর শেয়ার দরে ধস ঠেকাতে ১৯ মার্চ সব শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্য বেঁধে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি

প্রথম ধাপে ফ্লোর প্রত্যাহার করা যেসব কোম্পানির দাম বেড়েছে

কাট্টালী টেক্সটাইলের দর ছিল ৯ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭০ পয়সা।

প্রাইম টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৫ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৬০ পয়সা।

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৬ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৬০ পয়সায়।

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪০ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭৮ টাকা ১০ পয়সা।

রূপালী ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৭.১ টাকা।

এসস্কয়ার নিট কম্পোজিটের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৭০ পয়সা।

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪০ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ৫০ পয়সা।

আইপিডিসি ফিন্যান্সের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৬০ পয়সা।

ফিনিক্স ফিনান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮০ পয়সা।

ফিনিক্স ফিনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার এর দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩০ পয়সা।

এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২০ পয়সা।

বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৬ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯০ পয়সা।

আর এন স্পিনিং মিলসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৯০ পয়সা।

এডভান্ট ফার্মা লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৩০ পয়সা।

ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪
ফ্লোর প্রাইস সংযোজনের ১৫ মাস পর গত ১৭ জুন ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের আদেশ দেয় বিএসইসি

এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৭ টাকা। বৃহস্পতিবার কোম্পানি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৯ টাকা ৩০ পয়সায়।

আরগন ডেনিমের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৯ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২১ টাকা ৭০ পয়সা।

বেঙ্গল উন্ডশন থার্মোপ্লাস্টিস ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৭ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা পয়সা।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২০ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা।

ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৮০ পয়সা।

হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৫ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা।

প্যাসিফিক ডেনিম লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৮ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭০ পয়সা।

সাফকো স্পিনিং ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৯০ পয়সা।

জাহিন স্পিনিং মিলসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা।

রিং সাইন টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৬০ পয়সা।

রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়।

সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা।

কুইন সাউথ টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২০ পয়সা।

শাসা ডেনিমের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩০ পয়সা।

সায়হাম কটনের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৬ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯০ পয়সা।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৮ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ১০ পয়সা।

ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৮০ পয়সা।

নূরানী ডাইংয়ের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৮০ পয়সা।

উসমানিয়া গ্লাস শিটের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৮০ পয়সা।

নাভানা সিএনজি লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৩ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ১০ পয়সা।

অলেম্পিক একসেসরিসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৪০ পয়সা।

সিলভা ফার্মার ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৮ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪০ পয়সা।

বিচ হ্যাচারির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৩ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮০ পয়সা।

আইএফআইএল ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৭০ পয়সা।

ডেসকোর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৮০ পয়সা।

দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০ টাকা ৪০ পয়সা। সোমবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৫০ পয়সা।

ইভিন্স টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৮ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সা।

ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪
প্রথম ধাপে গত ৭ এপ্রিল ৬৬ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করে নেয়া হয়

গ্লোবাল হ্যাভি ক্যামিকেল লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩১ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬০ পয়সা।

সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৮ টাকা ১০ পয়সা। সোমবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ১০ পয়সা।

ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৯ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫০ পয়সা।

মেট্রো স্পিনিং এর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৮ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৮০ পয়সা।

ওয়াইমেক্স ইলেকট্রোডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩০ পয়সা।

প্রথম ধাপে ফ্লোর প্রত্যাহার করা যেসব কোম্পানির দাম কমেছে

সবচেয়ে বেশি কমেছে এমএল ড্রাইং লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৫০ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম ছিল ২৯ টাকা ৪০ পয়সা।

সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১০ পয়সা।

সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২০ পয়সা।

আরএসআরএম স্টিল মিলসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮০ পয়সা।

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যাল ফ্লোর প্রাইস ছিল ১২ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯০ পয়সায়।

কেপিসিএলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৫ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৬০ পয়সা।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ২৪ টাকা ১০ পয়সা। এই ব্যাংকটি ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব করেছে। এরই মধ্যে রেকর্ড ডেটও পেরিয়ে গেছে। ফলে সমন্বয়ের পর সে দাম দাঁড়ায় ২১ টাকা ৯০ পয়সা। তবে বৃহস্পতিবার দাম ছিল ২০ টাকা ৮০ পয়সা।

ফার ক্যামিকেলের প্রাইস ছিল ৯ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সা।

গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রোর ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৬ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২০ পয়সা।

খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৭ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৬০ পয়সা।

নাহী অ্যালুমিনিয়ামের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৭ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৯০ পয়সা।

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৫ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা।

সায়হাম টেক্সটাইলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। সোমবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা।

উত্তরা ফিন্যান্সের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৩ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৪০ পয়সা|

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৬০ পয়সা।

ইউনিক হোটেলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ২০ পয়সা।

দুলামিয়া কটনের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৮ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৪০ পয়সা।

ইয়াকিন পলিমারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা।

এই ধাপে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া পিপলস লিজিং এর লেনদেন স্থগিত আছে। আর বিডি সার্ভিসের লেনদেন কখনও হয় না বললেই চলে

দ্বিতীয় ধাপে ফ্লোর প্রত্যাহারে পর দাম বেড়েছে যেগুলোর

জেমিনি সি ফুডসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪৪ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৪৫ টাকা ৩০ পয়সা।

ডেফোডিল কম্পিউটারের দর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৫৩ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ২০ পয়সা।

ন্যাশনাল পলিমারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৫৬ টাকা ৬০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা ৯০ পয়সা।

অ্যাপেক্স ট্যানারির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ৮০ পয়সা।

দ্বিতীয় ধাপে ফ্লোর প্রত্যাহার করা যেগুলোর দাম কমল

বঙ্গজের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১৬ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১১ টাকা ৯০ পয়সা।

এটলাসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০৯ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ৭০ পয়সা।

ফ্লোর প্রত্যাহার: দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩৪
দ্বিতীয় ধাপে গত ৩ জুন প্রত্যাহার করা হয় ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১৯ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১৭ টাকা।

রেনউইক যগেশ্বরের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৯০০ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৮০৬ টাকা।

মুন্নু অ্যাগ্রোর দর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭৯৪ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬৪৯ টাকা ৯০ পয়সা।

নর্দার্ন জুটের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩২৪ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭৩ টাকা ৪০ পয়সা।

ইস্টার্ন কেবলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪০ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩০ টাকা ৩০ পয়সা।

বাটা শুর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬৯৩ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬৪৫ টাকা ২০ পয়সা।

ওয়াটা ক্যামিকেলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩০৬ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৮০ টাকা ৩০ পয়সা।

অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৩০ টাকা ৭০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা।

সিভিও পেট্রো কেমিক্যালের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১৫ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা।

সোনালী পেপারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৭৩ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২২৩ টাকা ৫০ পয়সা।

কে অ্যান্ড কে-এর ফ্লোর প্রাইস ছিল ২০৭ টাকা ৪০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৮০ টাকা ৪০ পয়সা।

স্টাইলক্রাফটের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪৬ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৩০ পয়সা।

বিডিঅটোকারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪৭ টাকা ৩০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১২৫ টাকা ২০ পয়সা।

সমতা লেদারের দর ফ্লোর প্রাইস ছল ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকা ৭০ পয়সা।

আজিজ পাইপের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা।

ন্যাশনাল টিউবের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০৩ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা।

ওরিয়ন ইনফিউশনের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭২ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা।

এসকে ট্রিমসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬২ টাকা ২০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ২০ পয়সা।

লিগ্যাসি ফুটওয়ারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬২ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা।

সি পার্লের দর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭৯ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা ১০ পয়সা।

হাক্কানি পাল্পের দর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭৪ টাকা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা ৮০ পয়সা।

কোহিনুর ক্যামিকেলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৭২ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪০৩ টাকা ৬০ পয়সা।

মুন্নু সিরামিকের দর ফ্লোর প্রাইস ছিল ১২৬ টাকা ৮০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা।

স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩০৭ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫২ টাকা।

আরও পড়ুন:
ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল পুঁজিবাজারে
ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার

শেয়ার করুন

মন্তব্য