ব্যাংকে হিসাব খোলার ফি বেঁধে দিল সরকার

ব্যাংকে হিসাব খোলার ফি বেঁধে দিল সরকার

এখন থেকে গ্রাহকরা ৫০০ টাকা দিয়ে সঞ্চয়ী হিসাব এবং চলতি হিসাব খোলার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা জমা করে নিজ নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবেন। তবে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাব খোলার ক্ষেত্রে ন্যূনতম জমার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

ব্যাংক হিসাব খুলতে গেলে গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো টাকা জমা রাখে। কোনো কোনো ব্যাংক গ্রাহককে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জমা রাখতে বাধ্য করে। এবার এ সীমা উঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এখন থেকে গ্রাহকরা ৫০০ টাকা দিয়ে সঞ্চয়ী হিসাব এবং চলতি হিসাব খোলার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা জমা করে নিজ নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবেন। তবে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাব খোলার ক্ষেত্রে ন্যূনতম জমার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

পাশাপাশি ব্যাংকের আমানত-ঋণে রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর পাঠিয়েছে।

হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি

সঞ্চয়ী হিসাবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে কোনো অ্যাকাউন্টস মেইনটেন্যান্স ফি নেই।

যদি কোনো সঞ্চয়ী হিসাবে গড় আমানত ১০ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে ওই হিসাবধারীর কাছ থেকে ব্যাংক ষান্মাসিক ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ফি নিতে পারে।

যদি গড় আমানত স্থিতি ২৫ হাজার টাকার বেশি, কিন্তু দুই লাখ টাকার কম হয়, তাহলে অ্যাকাউন্ট মেইনটেন্যান্স ফি ছিল ছয় মাসে ২০০ টাকা।

দুই লাখ টাকার বেশি কিন্তু ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত হিসাবের ক্ষেত্রে এই ফি ছিল ছয় মাসে ২৫০ টাকা।

১০ লাখ টাকার বেশি গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফি ছিল ছয় মাসে ৩০০ টাকা।

কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিলে এক নির্দেশে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত গড় আমানতবিশিষ্ট সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে বছরে একবার ২৫০ টাকা অ্যাকাউন্ট মেইনটেন্যান্স ফি দিতে হবে বলে সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর।

কিন্তু নতুন নির্দেশনায় ১০ লাখ টাকার বেশি গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফি ছিল ছয় মাসে ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি হিসাবে প্রতি ষান্মাসিকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ও স্পেশাল নোটিম ডিপোজিট হিসাবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে।

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাবে কোনো প্রকার হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি আদায় করা যাবে না।

অন্য শাখায় হিসাব স্থানান্তর

একই ব্যাংকের অন্য শাখায় হিসাব স্থানান্তরের ক্ষেত্রে একই জেলায় সর্বোচ্চ ৫০ টাকা এবং অন্য জেলায় সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ফি আদায় করা যাবে।

বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়ী হিসাবের ক্ষেত্রে অক্টিভেশন অফ ডরমেন্ট হিসাব বাবদ কোনো ফি আদায় করা যাবে না।

মেয়াদপূর্ব নগদায়ন ফি

বিভিন্ন মাসিক সঞ্চয়ী হিসাব (ডিপোজিট পেনশন স্কীম) বা এফডিআর বা অন্য কোন মেয়াদী আমানত মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়নের ক্ষেত্রে নগদায়ন ফি বা অনুরূপ ফি আরোপ করা যাবে না।

হিসাব বন্ধকরণ ফি

হিসাব বন্ধকরণ চার্জ হিসেবে সঞ্চয়ী হিসাবে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা, চলতি হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এবং এসএনডি হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা আদায় করা যাবে।

তবে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাবগুলো হিসাব বন্ধকরণ বাবদ কোনো ফি আদায় করা যাবে না।

চেক বই ইস্যু

বিভিন্ন ধরনের হিসাবের বিপরীতে চেক বই ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচের ভিত্তিতে চার্জ নির্ধারণ করতে হবে। চেক বই হারানোর ক্ষেত্রে নতুন চেক বই ইস্যু বাবদ প্রকৃত খরচ ছাড়া অতিরিক্ত চার্জ/প্রসেসিং ফি আদায় করা যাবে না।

অন্যান্য ফি

বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবে আরোপিত ন্যূনতম ব্যালেন্স ফি, ইনসিডেন্টাল চার্জ, লেজার ফি, সার্ভিস চার্জ, কাউন্টার ট্রানজেকশন ফি বা অনুরূপ ফি আদায় করা যাবে না।

‘বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হিসাব’ বলতে কৃষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, দুস্থ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন শ্রমিক, পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুকিশোর, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সুবিধাভোগী, তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, পাদুকা ও চামড়াজাত পণ্য প্রস্তুতকারী ক্ষুদ্র কারখানার কারিগর এবং স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারীদের ব্যাংক হিসাবসহ সব ধরনের ১০, ৫০ ও ১০০ টাকায় খোলা হিসাবগুলোতে বলা হয়েছে।

ঋণ প্রদান

ঋণ প্রসেসিং ফি হিসেবে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে মোট মঞ্জুরীকৃত ঋণের সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ আদায় করা যাবে, তবে এর পরিমাণ ১৫ হাজার টাকার বেশি হবে না।

৫০ লাখ টাকার অধিক পরিমাণ ঋণের ক্ষেত্রে এ হার হবে সর্বোচ্চ দশমিক ৩০ শতাংশ, তবে এর পরিমাণ ২০ হাজার টাকার বেশি হবে না।

ঋণ আবেদন ফি নামে কোনো ফি আদায় করা যাবে না।

কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এবং কৃষি খাতে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ/পুনগর্ঠনের ক্ষেত্রে ঋণ প্রসেসিং/পুনঃতফসিলিকরণ/পুনর্গঠন ফি নামে কোন ফি/চার্জ/কমিশন আদায় করা যাবে না। তবে সিএমএসএমই ও কৃষি খাত ছাড়া অন্যান্য খাতে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ/পুনগর্ঠনের ক্ষেত্রে পুনঃতফসিলিকরণ/পুনগর্ঠন ফি বাবদ সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ শতাংশ আদায় করা যাবে, তবে এর পরিমাণ ১০ হাজার টাকার বেশি হবে না।

ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ডকুমেন্টেশন ফি, সিআইবি চার্জ, স্ট্যাম্প চাজর্ এবং আইনী ও জামানত মূল্যায়ন ফি প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

রপ্তানি ঋণসহ যে কোনো ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে সুদ/মুনাফা হারের অতিরিক্ত কোনো সার্ভিস চার্জ, ঋণ ব্যবস্থাপনা ফি, মনিটরিং/সুপারভিশন চার্জ, ঝুঁকি প্রিমিয়াম বা অনুরূপ অন্য যে কোন নামে অতিরিক্ত কোন চার্জ/ ফি/কমিশন আরোপ/আদায় করা যাবে না।

গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত ঋণ নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে পরিশোধের ক্ষেত্রে বকেয়া ঋণের সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ বা অনুরূপ ফি আদায় করা যাবে। তবে কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে প্রদত্ত ঋণ এবং চলতি ঋণ বা ডিমান্ড লোনের ক্ষেত্রে মেয়াদপূর্তির পূর্বে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ফি আদায় করা যাবে না।

স্থানীয় ও বৈদেশিক বাণিজ্য/রেমিট্যান্স

শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খোলার কমিশন প্রতি ত্রৈমাসিকে সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ শতাংশ, ডেফার্ড/ইউজান্স এলসি খোলার কমিশন প্রতি ত্রৈমাসিকে দশমিক ৫০ শতাংশ এবং সাইট ও ব্যাক টু ব্যাকসহ অন্যান্য এলসি খোলার কমিশন প্রতি ত্রৈমাসিকে দশমিক ৪০ শতাংশ নির্ধারণ করা যাবে।

এলসি ট্রান্সমিশন, অ্যামেন্ডমেন্ট, কনফারমেশন, ক্যানসেলেশন, ফরেন করেসপন্ডেন্ট চার্জের ক্ষেত্রে মেইলিং, কুরিয়ার, টেলেক্স, সুইফট ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে চার্জ নির্ধারণ করা যাবে।

এলসি এডভাইসিং, অ্যামেন্ডমেন্ট ও ট্রান্সফার চার্জ বাবদ ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা যাবে।

এলসি অ্যাকসেপটেন্স চার্জ প্রতি ত্রৈমাসিকে সর্বোচ্চ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং এলসি কনফারমেশন চার্জ প্রতি ত্রৈমাসিকে দশমিক ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা যাবে।

ফরেন করেসপন্ডেন্ট চার্জ (স্থানীয় অংশ), ডাটা ম্যাক্স, হ্যান্ডেলিং চার্জ, কপি ডকুমেন্ট এনডোর্সমেন্ট চার্জ, এলসি বাতিল কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ অব্যবহৃত এলসি চার্জ আদায় করা যাবে না।

রপ্তানি বিল নেগোসিয়েশন কমিশন ও রপ্তানি বিল কালেকশন কমিশন সর্বোচ্চ দশমিক ১৫ শতাংশ নির্ধারিত হবে। তবে রপ্তানি বিল নেগোসিয়েশন ও কালেকশনের ক্ষেত্রে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যমে এক্সচেঞ্জ গেইন হয় সেক্ষেত্রে কমিশন বাবদ ৫০০ টাকার বেশি আদায় করা যাবে না।

ব্যাক টু ব্যাক এলসি সার্টিফিকেট ইস্যু, সিএন্ডএফ সার্টিফিকেট ইস্যু, রপ্তানি মূল্য আদায়ের সার্টিফিকেট ইস্যুর চার্জ ৫০০ টাকার অধিক আদায় করা যাবে না।

ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদানের ক্ষেত্রে কমিশন বাবদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ন্যূনতম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা যাবে।

এলসি খোলা/ অ্যাকসেপটেন্স/ কনফারমেশন/ব্যাংক গ্যারান্টি এক ত্রৈমাসিক বা এর চেয়ে কম সময়ের জন্য হলে সেক্ষেত্রে ব্যাংক নিজস্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ এক ত্রৈমাসিকের সমপরিমাণ চার্জ/কমিশন আদায় করতে পারবে। তবে, মেয়াদ যদি এক ত্রৈমাসিকের চেয়ে বেশি সময়ের জন্য হয় সেক্ষেত্রে যে তারিখে মেয়াদ পূর্ণ হবে শুধুমাত্র ওই নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত সময়কালের জন্য চার্জ/কমিশন আদায় করা যাবে।

বৈদেশিক মুদ্রায় ডিমান্ড ড্রাফট (উউ), টেলিগ্রাফিক, মেইল ট্রান্সফার প্রভৃতি ইন্সট্রুমেন্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে অনধিক এক লাখ টাকা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা, একলাখ এক হতে অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০০ টাকা, ৫ লাখ ১ টাকা হতে অনধিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এবং ১০ লাখ টাকার অধিক সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে।

ইন্সট্রুমেন্টসমূহ বাতিলের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ২০০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে।

হিসাব সংক্রান্ত ও অন্যান্য

স্থিতি নিশ্চিতকরণ সনদ ফি ষান্মাসিক ও বাৎসরিক ভিত্তিতে অর্থাৎ বছরে ২ বার ব্যাংকের আমানত ও ঋণ হিসাবধারী প্রত্যেক গ্রাহককে হিসাবের স্থিতি নিশ্চিতকরণ সনদ (হিসাব বিবরণীসহ) প্রদানের জন্য কোন চার্জ/ফি আদায় করা যাবে না। তবে গ্রাহককে বছরে ২ বারের বেশি এ সনদ গ্রহণ করতে হলে সে ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ১০০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে।

স্বচ্ছলতা সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ২০০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে।

চেক ফেরতের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০ টাকা চার্জ আদায় করা যাবে।

বিও হিসাব খোলার ক্ষেত্রে বিও সনদ প্রদানের চার্জ সর্বোচ্চ ১০০ টাকা আদায় করা যাবে।

গ্রাহক কর্তৃক হিসাব/চেকে প্রদত্ত অর্থ প্রদান নির্দেশনা স্থগিতকরণ চার্জ প্রতিবার অনুরোধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা এবং অর্থ প্রদান নির্দেশনা স্থগিতকরণ বাতিলের ক্ষেত্রে প্রতিবার অনুরোধে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা আদায় করা যাবে।

পে-অর্ডার ইস্যুর ক্ষেত্রে অনধিক ১ হাজার টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০ টাকা, ১,০০১ হতে অনধিক ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০ টাকা এবং ১ লাখ টাকার অধিক পরিমাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে। পে-অর্ডার বাতিলের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে।

ডিমান্ড ড্রাফট, টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার, মেইল ট্রান্সফার ইন্সন্ট্রুমেন্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে অনধিক ১ হাজার টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০ টাকা, ১,০০১ হতে অনধিক ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০ টাকা, ১,০০,০০১ হতে অনধিক ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১০০ টাকা, ৫,০০,০০১ হতে অনধিক ১০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং ১০,০০,০০০ টাকার অধিক পরিমাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা চাজর্/ফি আদায় করা যাবে। ইন্সন্ট্রুমেন্টসমূহ বাতিলের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০ টাকা চার্জ/ফি আদায় করা যাবে।

সিডিউল অব চাজের্স এর সর্বশেষ হালনাগাদকৃত পূর্ণ তালিকা স্ব স্ব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, সকল শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দর্শনীয় স্থানে/নোটিশ বোর্ডে এবং ব্যাংকের ওয়েবসাইটের হোম পেজ এ দিতে হবে।

ঘোষিত/প্রকাশিত তালিকা বহির্ভূত কোনো চার্জ/ফি/কমিশন আরোপ করা যাবে না।

প্রতিবছর ৩০ জুন ও ৩১ ডিসেম্বর তারিখের মধ্যে (ষান্মাসিক ভিত্তিতে) পরবর্তী ছয় মাসের (জুলাই-ডিসেম্বর ও জানুয়ারি-জুন) ঘোষিত চার্জ/ফি/কমিশনের তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করতে হবে।

চার্জ/ফি/কমিশনের কোনো পরিবর্তন হলে আবশ্যিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগকে জানাতে হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সবুজ উন্নয়ন: এগুতে হবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়ে

সবুজ উন্নয়ন: এগুতে হবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়ে

রোববার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) ও বিশ্বব্যাংক আয়োজিত ‘বিল্ড ব্যাক গ্রিনার’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

সবুজ উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ অনেকগুলো পরিকল্পনা করেছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে এই উন্নয়নের পথে এগিয়ে আসতে হবে। এসব পরিকল্পনা-উদ্যোগকে বাস্তবসম্মত করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পূরণ করা কঠিন হয়ে যাবে। তৈরি পোশাক খাতকে যেভাবে সবুজ উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা দেয়া হয়, চামড়াশিল্প খাতে সেভাবে দেয়া হয় না। ফলে বাস্তবায়ন সম্ভব, এমন পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগুতে হবে।

রোববার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) ও বিশ্বব্যাংক আয়োজিত ‘বিল্ড ব্যাক গ্রিনার’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের জেষ্ঠ পরিবেশ অর্থনীতিবিদ ইউন জো ওআইই। সঞ্চালনা করেন পিআরআই চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার ও নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

মূল প্রবন্ধে ইউন জো ওআইই বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ সবুজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের মতো দক্ষিণ কোরিয়াও সবুজ উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে। সেখানে সরকারের সবুজ উন্নয়ন নীতির বাস্তবায়নে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ জন্য বাংলাদেশেও সরকারের পাশাপাশি সবুজ উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘সবুজ উন্নয়ন পরিকল্পনায় অর্থায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে। সেচ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে। অন্যান্য খাতকেও সবুজ পথে এগোতে হবে। আমরা তৈরি পোশাক খাতকে যেভাবে সবুজ উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা দিই, চামড়াশিল্প খাতে সেভাবে দিই না। এজন্য কীভাবে অর্থায়ন সম্ভব সে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ তামিম বলেন, জ্বালানি খাতকে কম কার্বন নিঃসরণের পথে এগোনোর কথা বলা হচ্ছে। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য যে বাড়তি ব্যয় করতে হবে, তা জোগান দেয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য আমাদের আছে কি না, সেটি বিবেচনা করতে হবে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্স স্টাডিজের (বিসিএএস) নির্বাহী পরিচালক আতিক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ওই চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কীভাবে এগোবে, তার একটি আর্থিক ও বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা দরকার।’

বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের অনেক পরিকল্পনা করেছে উল্লেখ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, ‘ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সবুজ উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতিসংঘের কাছে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিয়েছে।

‘কিন্তু এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো আর্থিক সামর্থ্য ও সক্ষমতা আমাদের আছে কি না সে বিষয়টি মনে রাখতে হবে। সবুজ উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব, এমন পরিকল্পনা আমাদের করতে হবে।’

অ্যাপেক্স ফুটওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মনজুর বলেন, ‘দেশে অনেক সবুজ কারখানা গড়ে উঠছে। এলইডি বাল্বকে সবুজ প্রযুক্তি বলছি। কিন্তু এসব কারখানা থেকে উৎপাদিত পণ্য কোথায় ফেলা হচ্ছে, সেগুলো পরিবেশের ক্ষতি করছে কি না, তা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।

‘যে কোনো পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে তার ব্যবহার এবং ফেলে দেয়ার পর তা যাতে পরিবেশের ক্ষতি না করে, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা জরুরি।’

শেয়ার করুন

ভল্টের টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

ভল্টের টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্টে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকার হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে ভিড় জমায় মানুষ। ফাইল ছবি

রোববার মামলার এজাহার আদালতে আসে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার এ নির্দেশ দেন। গত শনিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিফাতুল হক এবং ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে পৌনে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আগামি ২০ সেপ্টেম্বর ঠিক করেছে আদালত।

গত শনিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিফাতুল হক এবং ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

রোববার মামলার এজাহার আদালতে আসে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার এ নির্দেশ দেন।

এদিকে মামলায় অভিযোগ করা হয়, ব্যাংকটির বংশাল শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক গত ১৭ জুন বাদী হয়ে রিফাতুল হক ও এমরান আহম্মেদকে আসামি করে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর অভিযোগ করেন।

রিফাত বংশাল শাখায় ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে কর্মরত রয়েছেন।

গত ১৭ জুন আইসিসি ডিভিশনের ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড ইন্সপেকশন ইউনিট বার্ষিক নিরীক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বংশাল শাখা পরিদর্শনে যায়।

তদন্তে এ শাখার ভল্টে মোট ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকার অসামঞ্জস্যতা বা ঘাটতি পায়।

তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা স্বীকার করেন রিফাতুল হক।

২০২০ সালের আগস্ট থেকে ২০২১ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অল্প অল্প করে টাকা সরানোর কথা স্বীকার করেন তিনি।

গত ১৮ জুন ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভোল্ট থেকে তিন কোটি ৭৭ লাখ টাকা গায়েব হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনায় ইমরান ও রিফাতকে আটক করা হয়। মামলাটি দুদকের শিডিউলভূক্ত হওয়ায় আসামিদেরকে ১৮ জুন ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

শেয়ার করুন

আমদানি পণ্য আমরা রপ্তানি করছি: বিএসইসি চেয়ারম্যান

আমদানি পণ্য আমরা রপ্তানি করছি: বিএসইসি চেয়ারম্যান

শনিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে ওয়ালটনের তৈরি নতুন মডেলের একটি স্মার্ট টেলিভিশন উন্মোচন করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। এ সময় তিনি ওয়ালটনের তৈরি নতুন মডেলের একটি স্মার্ট টেলিভিশন উন্মোচন করেন।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেছেন, ‘উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দ্বিতীয় ধাপে যেখানে আমাদের হাই টেক ও হেভি ইন্ডাস্ট্রিতে যেতে হবে, সেখানে ওয়ালটন অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আমরা যেসব পণ্য আমদানি করতাম, এখন তা রপ্তানি করছি। বাংলাদেশে যে সব কিছুই সম্ভব, সেটা ওয়ালটনের মাধ্যমে আমরা সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারব।’

শনিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

সে সময় তিনি ওয়ালটনের তৈরি নতুন মডেলের একটি স্মার্ট টেলিভিশন উন্মোচন করেন। বিএসইসি চেয়ারম্যান ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে হাই-এফিশিয়েন্ট ইনভার্টার কম্প্রেসরের প্রোটোটাইপ পরিদর্শন করেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ওয়ালটন কারখানা একটি গ্রিন টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান। এখানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন কমপোনেন্ট তৈরি হচ্ছে। কাঁচামাল থেকে একটি সম্পূর্ণ পণ্য কীভাবে ওয়ালটন তৈরি করছে, সেটা নিজ চোখে দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। ওয়ালটনকে দেখে বুঝতে পারলাম, বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। ওয়ালটন সবদিক থেকেই স্বয়ংসম্পূর্ণ।’

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, ‘ওয়ালটন টেকসই, ক্রমবর্ধমান ও জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ওয়ালটনের মতো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে নেক্সট ফেইজে নিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের আইপিওতে আসা দরকার। এতে দেশের শিল্পায়ন বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান বাড়বে। সর্বোপরি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন নার্সিং করে যাবে।’

এর আগে অতিথিরা কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছলে তাদের স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ।

শেয়ার করুন

নির্বাচনি এলাকায় সোমবার ব্যাংক বন্ধ

নির্বাচনি এলাকায় সোমবার ব্যাংক বন্ধ

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়, নির্বাচনি এলাকাধীন যেসব স্থাপনা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার বা নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে সে সকল স্থাপনায় তফসিলি ব্যাংকের সকল শাখা বন্ধ থাকবে।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন, ঝালকাঠি পৌরসভা ও দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনসহ সারা দেশে ২০৪ ইউনিয়নের নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি এলাকায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা সোমবার বন্ধ থাকবে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে ।

সার্কুলারে বলা হয়, নির্বাচনি এলাকাধীন যেসব স্থাপনা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার বা নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে সে সকল স্থাপনায় তফসিলি ব্যাংকের সকল শাখা বন্ধ থাকবে।

সার্কুলারে নির্বাচনি এলাকায় ব্যাংকের শাখায় কর্মরত ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ঢাকা চেম্বারে বসছে ‘ভিয়েতনাম ডেস্ক’

ঢাকা চেম্বারে বসছে ‘ভিয়েতনাম ডেস্ক’

দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলাদেশস্থ ভিয়েতনাম দূতাবাসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভিয়েতনাম প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশে সরকার নানাবিধ সুবিধা প্রদান করছে, যেগুলো গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভিয়েতনামের বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব।

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উন্নয়নে ভিয়েতনাম দূতাবাস ঢাকা চেম্বার কার্যলায়ে ‘ভিয়েতনাম ডেস্ক’ স্থাপন করবে।

বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) ম্যাচ-মেকিং, ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মেলন, বাণিজ্য মেলা আয়োজন, পণ্য ও সেবা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধিসহ বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে যৌথ গবেষণা পরিচালনায়ও একযোগে কাজ করবে দেশটি।

ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশস্থ ভিয়েতনাম দূতাবাস কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান এবং ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রিজওয়ান বলেন, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর এবং নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে এই বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।

ভিয়েতনাম প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশে সরকার নানাবিধ সুবিধা প্রদান করছে, যেগুলো গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভিয়েতনামের বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব।

‘কৃষি, খাদ্য-প্রক্রিয়াজাতকরণ, জাহাজ নির্মাণ, ইলেকট্রনিক্স, চামড়া, পাট, হালকা প্রকৌশল এবং হ্যান্ডিক্রাফ্ট প্রভৃতি শিল্পে ভিয়েতনামের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য দূতাবাসের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

জবাবে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন স্বাক্ষরিত সহযোগিতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। তবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বেশ কিছু সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে, যেখানে দুদেশের উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করতে পারে। এতে উভয় দেশই লাভবান হবে।

ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে মবিন এবং সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার

হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা

সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী বাহিনী তৈরির মাধ্যমে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য বহুমুখীকরণের ফলে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত হবে।

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বা হালকা প্রকৌশল পণ্য উৎপাদনের খাতকে রপ্তানিমুখী করা সম্ভব হলে দেশে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রোববার ‘লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময় খাত। সরকার এ খাতটিকে রপ্তানিমুখী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির উদ্যোগে রোববার ভার্চুয়াল পরামর্শক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে খসড়া নীতিমালা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

কর্মশালায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী বাহিনী তৈরির মাধ্যমে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য বহুমুখীকরণের ফলে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত হবে। তবে এর জন্য সরকারি উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সম্ভাবনা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পকে ‘বর্ষপণ্য-২০২০’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। দেশের অভ্যন্তরে এ খাতের বড় বাজার গড়ে উঠেছে। বিদেশেও হালকা প্রকৌশল পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে খাতটির উদ্বৃত্ত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব। সেদিন বেশি দূরে নয়।

পরামর্শক কর্মশালায় বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান ছাড়াও শিল্প মালিক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. আব্দুল রহিমের সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবদুর রাজ্জাক।

শেয়ার করুন

বিমার ৬০ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তাদের ধারণ করতে হবে: আইডিআরএ

বিমার ৬০ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তাদের ধারণ করতে হবে: আইডিআরএ

বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন

আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন, ‘তাদের পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনতে হবে। এজন্য হঠাৎ করে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও জটিলতা আছে। তবে যেহেতু এটি আইনগত বিষয়, তাই জটিলতা থাকলেও আইগনত বিষয়টিকেই আমরা গুরুত্ব দেবো।’

আইনগতভাবেই বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন।

বিমা সম্পর্কিত সাংবাদিকদের সংগঠন ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরাম (আইআরএফ) এর সঙ্গে রোববার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিমা আইন ২০১০-এর ২১(৩) ধারার তফসিল-১-এ বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত জীবন বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ আসবে উদ্যোক্তাদের কাছ থাকে। বাকি ৪০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।

সাধারণ বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন হবে ৪০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ উদ্যোক্তারা দেবেন। বাকি ৪০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশ না থাকায় এমন চিঠিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ে পুঁজিবাজারে। পুঁজিবাজার থেকে বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তারা শেয়ার কিনবেন এমন ধারণায় হু হু করে দাম বাড়তে থাকে বিমার শেয়ারের।

এ বিষয়ে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, এখানে দুটি বিষয় আছে। একটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত, অপরটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছাড়া। যেসব বিমা কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সেগুলোর ক্ষেত্রেও কিছু সমস্যা আছে। তা হচ্ছে আইনগত নির্দেশনা আর অপারেশন কার্যক্রম।

‘তাদের পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনতে হবে। এজন্য হঠাৎ করে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও জটিলতা আছে। তবে যেহেতু এটি আইনগত বিষয়, তাই জটিলতা থাকলেও আইগনত বিষয়টিকেই আমরা গুরুত্ব দেবো।

‘তবে যেসব বিমা কোম্পানি এখনও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি তারা যখন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাবে তখন তাদের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ পরিপালন না থাকলে আমাদের পক্ষ থেকে অনুমোদন দেবো না।’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫০ বিমা কোম্পানির মধ্যে মাত্র ছয়টির উদ্যোক্তাদের শেয়ার রয়েছে ৬০ শতাংশ বা তার বেশি। ৬০ শতাংশের নিচে রয়েছে ৪৪টি কোম্পানির উদ্যোক্তাদের শেয়ার।

মত বিনিময় সভায় মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘নন লাইফের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু জটিলতা আছে। আমরা সেখানে নিরীক্ষক নিয়োগ করছি। এ সেক্টরেও যাতে শৃঙ্খলা ফিরে সেটিও গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। যার সুফল আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যেই পাওয়া যাবে।’

জনবল সংকট একটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের এখানে ইতোমধ্যে নিচের দিকে ১৭ জন জনবলেল অনুমোদন পাওয়া গেছে। আর ৪০ জনকে দেয়া হবে। তখন কাজের অনেকটা গতি আসবে।’

জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর অনিয়মের বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন অভিযোগ আসে। আমরা সবগুলোরই তদন্ত করি। সানলাইফের ক্ষেত্রে দাবি পরিশোধ না করার বিষয়ে নজরে আসলে, আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করি।’ তিনি জানান, ইতোমধ্যে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স তাদের সম্পদ বিক্রি করে প্রায় ২৫ কোটি টাকা দাবি পরিশোধ করেছে। বাকি দাবিগুলোও পরিশোধ করবে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, লাইফ বিমা কোম্পানির মাঠ পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করায় কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। গত বৃহস্পতিবার জারিকৃত এ সংক্রান্ত সার্কুলারটি আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

বিমা খাতের একচ্যুয়ারি সমস্যা দীর্ঘ দিনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ মে বিমা দিবসে একচ্যুয়ারি বিষয়ক প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে বলেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে গুরুত্ব দিয়ে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে একচ্যুয়ারি প্রশিক্ষণে আগ্রহীদের পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য আমরা একটি স্কলারশিপ প্রোগামেরও আয়োজন করেছি, যা পাঁচজনকে দেয়া হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনজনকে পাওয়া গেছে। প্রতি জনের ৫ কোটি টাকা স্কলারশিপ ঘোষণা করার পরও আগ্রহী পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে এ খাতের উন্নয়নে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হবে।’

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন আইআরএফ সভাপতি গোলাম মওলা। সঞ্চালনা করেন সাখাওয়াত হোসেন সুমন।

শেয়ার করুন