এক হলো বিএসআরএমের দুই কোম্পানি

এক হলো বিএসআরএমের দুই কোম্পানি

চট্টগ্রামে বিএসআরএম এর কারখানা। ফাইল ছবি

‘সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সাল থেকে উৎপাদনে আছে। হাইকোর্টের আদেশের পর সোমবার বিএসইসি অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে বিএসআরএমের সার্বিক আয় বাড়বে। শেয়ারপ্রতি আয় বাড়বে।’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড বা বিএসআরএমের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বিএসআরএম স্টিল মিলস্ লিমিটেড।

এর ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিএসআরএমের আয় আগের তুলনায় বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস।

সোমবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৭৭৬তম সভায় এই একীভূতের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

কমিশন সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস্ লিমিটেডের সঙ্গে নন লিস্টেট পাবলিক কোম্পানি বিএসআরএম স্টিল মিলস্ লিমিটেডের একত্রীকরণ প্রক্রিয়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

একীভূত হওয়ায় বিএসআরএমের পরিশোধিত মূলধন ২৩৬ কোটি ৬ লাখ ৮২ হাজার ৩৬০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ ৪৬ হাজার ২৬০ টাকা।

বিএসআরএম বিদ্যমান শেয়ারধারীদের ১০ টাকা মূল্যমানের ৩৯ কোটি ৪৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪০০ শেয়ারের বিপরীতে একই মূল্যমানের আরও ৬ কোটি ২৫ লাখ ১৬ হাজার ৩৯০টি শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদনও দেয়া হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে বিএসআরএম কোম্পানি সচিব শেখর রঞ্জন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশের পর সোমবার বিএসইসি অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে বিএসআরএমের সার্বিক আয় বাড়বে। শেয়ারপ্রতি আয় বাড়বে।’

তিনি জানান, সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সাল থেকে উৎপাদনে আছে।

জুন ক্লোজিংয়ের কোম্পানিটির ইতিমধ্যে তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে। যেখানে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৫২ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে আয় ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। ফলে কোম্পানিটির অর্থবছরের ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৯৪ পয়সা।

২০২০ অর্থবছরে কো্ম্পানিটি ১৫ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি দেড় টাকা নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০১৯ সালে দিয়েছে ২৫ শতাংশ নগদ, ২০১৮ সালে দিয়েছে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১৭ সালে দিয়েছে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ।

কমিশন সভায় ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কে তাদের পরিচালিত দুটি ফান্ডের ট্রাস্টি বা মালিকানা থেকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আইসিবির বদলে বিএসইসি নিবন্ধিত অন্য কোনো স্বাধীন ট্রাস্টির নিকট হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
পানির দাবি: বিএসআরএম কারখানা বন্ধের হুমকি এমপির

শেয়ার করুন

মন্তব্য