× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

অর্থ-বাণিজ্য
মাথাপিছু আয় ভারতের বেশি হলে গরিবের ভাতা কম কেন
hear-news
player
print-icon

মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে বেশি হলে গরিবের ভাতা কম কেন

মাথাপিছু-আয়-ভারতের-চেয়ে-বেশি-হলে-গরিবের-ভাতা-কম-কেন
আগামী অর্থবছরে এক কোটি মানুষের চেয়ে বেশি মানুষকে ভাতা দেয়ার পরিকল্পনা করছেন অর্থমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা
ভারতে ৬০ থেকে ৭৯ বছর বয়স্কদের ভাতা ৬০০ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় ৭২০ টাকার মতো। সে দেশে ৮০ বছরের ওপরে বয়স্করা ১২০০ রুপি ভাতা পান। কিন্তু বাংলাদেশে এটি মাসে ৫০০ টাকা।

বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে বেশি হলে দরিদ্র মানুষের ভাতা কেন সে দেশের চেয়ে কম- এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে।

করোনাকালে দেয়া বাজেটে সরকার এক কোটির বেশি মানুষকে ভাতার আওতায় আনার যে পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে, তা পর্যাপ্ত নয় বলছে তারা।

প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে বাজেট পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, মাসে ৫০০ টাকা বরাদ্দ বাড়ানো উচিত। কারণ, মাথাপিছু আয়ে পিছিয়ে থাকা ভারত তার দেশের গরিবদের এর চেয়ে বেশি হারে ভাতা দেয়।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ৬ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন। ওই বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়া জানাতে রোববার 'জাতীয় বাজেট ২০২১-২২: পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কী আছে’ শীর্ষক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামালের সভাপতিত্বে ব্রিফিংয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, সিপিডির বিশেষ ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম অংশ নেন।

উপকারভোগী, ভাতা- দুটোই বাড়ানোর পরামর্শ

এতে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘করোনা বিবেচনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে ভালো বাজেট হয়নি। বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বারবার দাবি তোলা হলেও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত, নতুন দরিদ্র, ভোক্তা ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর এমনকি এলাকাসহ উপকূলীয় এলাকা ও চর এলাকার মানুষরা এ বাজেট জায়গা পায়নি।

তিনি বলেন, 'সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মধ্যে পেনশন, ছাত্রবৃত্তি, নিয়মিত খাদ্যসহায়তা হিসাব করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখানে বাজারে প্রায় ১৮ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তবে পেনশন বাদ দিলে তা দাঁড়ায় ১৪ শতাংশের মতো। সেই হিসাবে করোনাকালীন সময়ের বিবেচনায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়নি। যতটুকু বেড়েছে তা পেনশন খাতে, অন্য খাতে তেমন বাড়েনি।’

মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে বেশি হলে গরিবের ভাতা কম কেন
এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ-এর ভার্চুয়াল বাজেট মূল্যায়নে বক্তারা

তথ্য-উপাত্ত না থাকার কারণে করোনার কারণে নতুন করে দারিদ্র্যসীমায় নেমে যাওয়া মানুষদের পরিসংখ্যান বাজেটে আসেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ থাকা দরকার ছিল।’

বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে বেশি হলেও দরিদ্রদের ভাতা সে দেশের চেয়ে কম কেন, সে প্রশ্ন রাখেন দেবপ্রিয়।

তিনি জানান, ভারতে ৬০ থেকে ৭৯ বছর বয়স্কদের ভাতা ৬০০ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় ৭২০ টাকার মতো। সে দেশে ৮০ বছরের ওপরে বয়স্করা ১২০০ রুপি ভাতা পান। কিন্তু বাংলাদেশে এটি মাসে ৫০০ টাকা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চেয়ে তাদের মাথাপিছু আয় অনেক কম। তাহলে আমাদের মাথাপিছু আয় বেশি হলেও আমরা কেন ভারতের দরিদ্রদের চেয়ে কম ভাতা পাব? এই মাথাপিছু আয় বা বাড়ার সুফলটা কাদের ভাগে যাচ্ছে, প্রশ্ন উঠতেই পারে।’

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ২২৭ ডলার। আর ভারতের আয় ১ হাজার ৯৪৭ ডলার।

তথ্য পরিসংখ্যান নিয়ে সংশয়

দেবপ্রিয় বলেন, যদি জাতীয় আয় বেশি করে দেখানো হয়, যা সঠিক হয়নি। তাহলে ভবিষ্যতে যখন দেশ এলডিসি থেকে বের হবে, তখন অনেক সমস্যায় পড়তে হবে।

তবে সত্যিকারে জাতীয় আয় বেশি হলে তা ভালো খবর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আগের বছর ৫৩ লাখ মানুষ বিদেশে গেলেও এবার গেছে মাত্র দুই লাখ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাহলে কীভাবে গত বছরের চেয়ে এ অর্থবছর ভালো হতে পারে?’

অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছরের চেয়ে এবার জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। ৫ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

দেবপ্রিয় বলেন, ‘দেশের সামষ্টিক বিনিয়োগ বাড়বে, এমনকি ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ, সরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়বে, তা কীভাবে সম্ভব?’

বিশ্ববিদ্যালয়ে করারোপের সমালোচনা

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ শতাংশ কর আরোপের যে ঘোষণা অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন, সেটি উচিত হয়নি বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান নিজেরা কর দেয় না। অন্যদের কাছ থেকেই আদায় করে। এই কর শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তাবে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে?’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, ‘করোনায় যারা পিছিয়ে পড়েছে, সেই শিক্ষার্থীদের জন্য কী দিল সরকার? চার কোটি শিক্ষার্থী, তাদের পরিবার, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষসহ দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেসব শিক্ষক এখন কঠিন আর্থিক সংকটে রয়েছেন, তারা যদি শিক্ষা পেশা ছেড়ে চলে যান, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও পাঠদান করবে কারা?’

তিনি বলেন, ‘বাজেট ব্যবসাবান্ধব হতে পারে, তাতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু এটা শিক্ষাবান্ধব নয়। শিক্ষাক্ষেত্রের এই প্রজন্মের যে বিপর্যয় ঘটেছ, তার জন্য কিছুই নেই। আশা করি, সরকার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারবে।’

সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘করোনা মাথায় রেখে নগদ সহায়তাভোগীর সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। এমনকি তা আরও বেশিবার দেয়া এবং সহায়তা পরিমাণ বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল।’

নতুন করে যারা দারিদ্র্যসীমায় ঢুকেছেন, তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করারও তাগিদ দেন তিনি।

স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞ মুশতাক রাজা চৌধুরী বলেন, করোনার ব্যাপারে সরকারের আগ্রহ থাকলেও পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যেই সবার জন্য টিকার ব্যবস্থা করা আবশ্যক হলেও বাজেটে অর্থমন্ত্রীর যে পরিকল্পনা নিয়েছেন, সেই হিসাব করলে আরো পাঁচ বছর লাগবে।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের বড় অংশ অপচয় হয়। শ্রীলঙ্কা আমাদের চেয়ে চার গুণ বিনিয়োগ করে। আমরা জানি না কেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের টাকা খরচ করতে পারে না।’

প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পদের ওপর সারচার্জ বাড়ানোকে সমর্থন করেছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। তারা বলছে, কোনো দেশে ব্যক্তির ওপর কর বসিয়ে বৈষম্য কমানো যায় না, কিন্তু ধনীদের সম্পদের ওপর কর বসিয়ে বৈষম্য কমানো যায়।’

আরও পড়ুন:
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ
মাসে মাথাপিছু আয় এখন সাড়ে ১৫ হাজার টাকা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Dr Zafarullah in the gathering

সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ

সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ছবি: বিটিভি থেকে নেয়া
হুইল চেয়ারে করে তিনি সুধী সমাবেশে আসেন। শনিবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সমাবেশস্থলে ডা. জাফরুল্লাহকে দেখা যায়। এ সময় তার পড়নে ছিল সাদা-কালো রঙের শার্ট ও খাকি লুঙ্গি।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে যোগ দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী। হুইল চেয়ারে করে তিনি সুধী সমাবেশে আসেন।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সমাবেশস্থলে ডা. জাফরুল্লাহকে দেখা যায়। এ সময় তার পড়নে ছিল সাদা-কালো রঙের শার্ট ও খাকি লুঙ্গি।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল ১০টায় মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার পর মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টার দিকে তিনি মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় যোগ দেন সুধী সমাবেশে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাড়ে তিন হাজার নাগরিককে আমন্ত্রণ জানানো হয় এই সমাবেশে। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে শুরু হয় অতিথিদের আগমন।

ফুরিয়ে এলো ক্ষণগণনার পালা। আর অল্প সময়ের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উচ্ছ্বাসে মুখর গোটা মাওয়া প্রান্ত। অপেক্ষার অবসান হলো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আগমনের মধ্য দিয়ে।

দুর্নীতিচেষ্টার মিথ্যে অভিযোগ এনে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে বিশ্বব্যাংকের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর নিজস্ব অর্থায়নের এই সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তার নেতৃত্বেই নির্মিত হয়েছে সেতুটি। আজ তার হাত ধরেই খুলে যাবে সেতুটি।

এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল সরাসরি যুক্ত হচ্ছে রাজধানীর সঙ্গে।

সুধী সমাবেশ শেষে বেলা ১১টার দিকে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করবেন সরকারপ্রধান। পদ্মা সেতু নির্মাণ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেয়ার কথাও রয়েছে তার।

বেলা ১১টা ১২ মিনিটে টোল দিয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ১১টা ২৩ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতু পাড়ি দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। ওই সময় কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি থেকে নেমে সেতুতে পায়চারি করতে পারেন তিনি।

বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিয়ে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পৌঁছেই পদ্মার সেতুর আরেকটি উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-২ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর কাঁঠালবাড়ীর ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী ফেরিঘাটে আওয়ামী লীগের জনসভায় দলপ্রধান হিসেবে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত
পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
A case of clash between two groups of A League

আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাবের অনুসারী ফরিদ বলেন, ‘এই মামলা বর্তমান এমপি নূর মোহাম্মদের ইশারায় হয়েছে। এমপি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে নিজেরা হামলার শিকার হলাম আবার মামলাও খেলাম।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দলটির দুই গ্রপের সংঘর্ষের ঘটনায় ৫৬ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলার ষাইটকাহন গ্রামের সাইফুল ইসলাম জাফরুল শুক্রবার বিকেলে ৩১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলার প্রধান আসামি পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিনের দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্যকে খুশি করতে মামলার আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন ও বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছে। যেকোনো অনুষ্ঠানেই তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনও আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মামলার বরাতে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার জাহান নিউজবাংলাকে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলেরঘাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর ফরিদ উদ্দিনের নির্দেশে সাইফুল ইসলাম জাফরুলের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।

সাইফুলের বাড়িতে একটি এনজিওর অফিস আছে। ওই এনজিওর দুই কর্মীকেও মারধর করা হয়। পাশের বাড়িতেও হামলা চালিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে হামলাকারীরা।

এরপর বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, এনজিওকর্মীদের মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন সাইফুল।

ওসি বলেন, ‘মামলার পরপরই কালু, শামীম ও জীবন নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাবের অনুসারী ফরিদ বলেন, ‘এই মামলা এমপি নূর মোহাম্মদের ইশারায় হয়েছে। মামলার বাদী এজাহারে লিখেছেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার হুকুমে তার বাড়িতে হামলা করা হয়। অথচ আমি বাদীকেও চিনি না, তার বাড়িও চিনি না।

‘এখানে এমপি নূর মোহাম্মদ তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে নিজেরা হামলার শিকার হলাম আবার মামলাও খেলাম। আমাদের অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরই মধ্যে অসহায় দিনমজুর লোকদের আসামি করা হয়েছে।’

ফরিদের দাবি, ‘যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। এমপিকে খুশি করতে গিয়ে পুলিশ তাড়াহুড়া করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই গ্রেপ্তার করেছে।’

আরও পড়ুন:
বালু ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২
ফেরি দুর্ঘটনা: খোকনের মরদেহ বাবার হাতে
ঘুমাচ্ছিলেন ফেরির মাস্টার
পদ্মায় দুই ফেরির সংঘর্ষ তদন্তে কমিটি
দুই ফেরির সংঘর্ষ, গাড়িচাপায় যুবক নিহত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Today is the day of release of Abbas Uddin

আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’

আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন। ছবি; নিউজবাংলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘আমার কাছে এই বিজয় ঈদের আনন্দের চেয়ে কম নয়। সারা জীবন ঘাটে এসে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দিন আজ। এমন দিনে আসনে না পারলে মনে দুঃখ থেকে যেত। এখন মনে হয় পরিপূর্ণতা পেয়েছে।’

খুলনা থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন। বয়স ৭০ ছুঁই ছুঁই।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি সারা রাত ঘুমাতে পারে নাই। কখন আসব, আর মুক্তির গান শুনব।’

আর কিছু মুহূর্ত। এরপরই বর্ণিল আয়োজনে উন্মোচিত হবে দেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর।

এই দিনটি বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছে মুক্তির দিন। আর এমন দিনে না আসলে আক্ষেপ থেকে যেত আজীবন। তাই এখানে আসতে পেরে উচ্ছ্বসিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। যে উচ্ছ্বাস তার কাছে ঈদের আনন্দের চেয়েও কম নয়।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই বিজয় ঈদের আনন্দের চেয়ে কম নয়। সারা জীবন ঘাটে এসে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দিন আজ। এমন দিনে আসনে না পারলে মনে দুঃখ থেকে যেত। এখন মনে হয় পরিপূর্ণতা পেয়েছে। আর কয় দিনই বাঁচব। যে কয় দিন আসি, সেই কয় দিন শান্তিতে পার হতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু ঘোষণার দিন থেকেই ইচ্ছে ছিল প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে আসব। শুক্রবারই আসার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু পরিবারের লোকজন আসতে দেয় নাই। পরে রাত ৩টার দিকে গাড়িতে করে রওনা দেই। সকাল ৭টায় শিবচর উপজেলার পাচ্চর নামিয়ে দেয়। পরে প্রায় ৫ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সভামঞ্চের কাছে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন শান্তি পাচ্ছি। প্রশাসনের ভাইরা খুব সহযোগিতা করছে, না হলে মঞ্চের কাছে আসতে পারতাম না।’

আরও পড়ুন:
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী
স্বপ্নসেতুর দুয়ার খোলার অপেক্ষা
আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে জনসভায় যাত্রা
পুকুরে পদ্মার আদলে সেতু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Colorful procession on the occasion of inauguration of Padma Bridge

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব। কারণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করতে পেরেছি। বিশ্বকে আমরা আমাদের সক্ষমতার কথা জানিয়ে দিলাম। আমরা পিছিয়ে নেই, আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খাঁন, সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম আলী খাঁন চৌধুরী, র‌্যাব-৪ এর লেফটেন্যান্ট কোম্পানি কোমান্ডার মো. আরিফ হোসেন, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহিউদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব। কারণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করতে পেরেছি। বিশ্বকে আমরা আমাদের সক্ষমতার কথা জানিয়ে দিলাম। আমরা পিছিয়ে নেই, আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত
পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mawa end of Padma bridge in safety blanket

নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত

নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর আসার সময় যতটা এগিয়ে আসছে ততই পদ্মা সেতু ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তার স্তর বাড়ানো হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সেতু ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তার স্তর বাড়ানো হয়েছে। এরইমধ্যে সেতুর মাওয়া প্রান্তের সমাবেশস্থল থেকে ১ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত আশপাশের এলাকায় সাধারণদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আর কিছু মুহূর্ত। এরপরই বর্ণিল আয়োজনে ফলক উন্মোচিত হবে দেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আয়োজনে যোগ দিতে রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে রওনা হন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায়। ১০টায় যোগ দেন সেতুর মাওয়া প্রান্তের সুধী সমাবেশে। এরপরই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, সেতুর শুভ উদ্বোধন।

সকাল থেকেই সমাবেশে যোগ দিতে সুধীরা এসেছেন রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ অতিথিরা সমাবেশস্থলে হাজির হয়েছেন। এখন সেখানে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আগে থেকেই সেতু ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তার স্তর বাড়ানো হয়েছে। এরইমধ্যে সেতুর মাওয়া প্রান্তের সমাবেশস্থল থেকে ১ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত আশপাশের এলাকায় সাধারণদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বন্ধ রয়েছে সকল দোকান পাট। আশপাশের অলিগলিতে উৎসুক সাধারণদের কিছু জটলা থাকলেও সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কাউকেই সড়কে দাঁড়াতে দেয়া হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থল ত্যাগ করার আগে সকল বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করার অনুরোধ জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এমনকি অনেক গণমাধ্যমকর্মীরাও নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়েছেন।

মাওয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা গৌতম শীল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বাজারে চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। এমন সময় পুলিশ এসে বলল বাসায় চলে যান, এখানে বসা যাবে না। এই কথা শুনে বুঝেছি প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই ব্যবস্থা। এখন আমি বাসায় চলে যাচ্ছি।’

বাজার এলাকার পাশের একটি বাড়ির ফটক থেকে রাস্তার দিকে উৎসুক দৃষ্টি রাখা মনোয়ারা বলেন, বাসার কেউ বাইরে যাচ্ছে না, যারা বাইরে গিয়েছিল তারা এসে জানাল এখন সবার বাসায় থাকতে হবে। আমি একটু উঁকি দিয়ে দেখি আরকি কেমন অবস্থা। এইখান থেকেতো প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যাবে না তাও দেখি আরকি।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Rain showers on the banks of the Padma

পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট

পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট পদ্মার পাড়ে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সেতু উদ্বোধনের দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রথম দফা বৃষ্টি নামে। মিনিট না পেরোতেই তা থেমে যায়। আবারও রোদ হেসে ওঠে।

গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি এসে লাগছে পদ্মা সেতুতে। সেতু এলাকায় সকাল থেকে চলছে রোদ বৃষ্টির লুকোচুরি। এ নিয়ে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুই দফা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ছুঁয়ে গেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে।

শনিবার সেতু উদ্বোধনের দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রথম দফা বৃষ্টি নামে। মিনিট না পেরোতেই তা থেমে যায়। আবারও রোদ হেসে ওঠে।

তবে পদ্মা সেতুর ঠিক ওপরে আকাশের রং এখন শরতের মতো। নীল আকাশে তুলার মতো উড়ছে সাদা মেঘ। মেঘের ওড়াউড়িতে কখনও পড়ছে ছায়া, কখনও কড়া রোদ্দুর।

নদীর পাড়ে বইছে শরীর জুড়ানো বাতাস। সকাল ঠিক ৯টা ২৯ মিনিটে আবারও নামে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। মিনিট দুয়েক স্থায়ী ছিল বৃষ্টি।

মাওয়াপ্রান্ত ছাড়াও বৃষ্টি হয়েছে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী আওয়ামী লীগের জনসভাস্থলেও। বৃষ্টির পানিতে ভিজেছে সভায় যোগ দিতে আসা অসংখ্য মানুষ।

পূর্বাভাস দিয়ে অবশ্য আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সময় সেতু এলাকায় বৃষ্টির শঙ্কা নেই, তবে উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বিকেলে বৃষ্টির পানি ছুঁয়ে যেতে পারে প্রমত্তা পদ্মার বুকে গড়ে ওঠা এই সেতুকে।

ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘পদ্মা সেতু এলাকায় শনিবার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই কম। এই এলাকায় দিনে রৌদ্রোজ্জ্বল থাকার সম্ভাবনা বেশি। তবে বেলা ৩টার দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকতে পারে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Munshiganj SP deprived of Padma bridge inauguration ceremony

পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি

পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
এসপি মোমেন বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে জানতে পারি আমার করোনা পজিটিভ। তাই হোম আইসোলেশনে আছি। তবে যেহেতু জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্বে আছি, তাই ঘরে থেকেও কাজ করছি।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতে পারছেন না মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার বিকেল ৬টায় আব্দুল মোমেনের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে।

সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যারা অংশ নেবেন তাদের সবার করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনুষ্ঠানের ৪৮ ঘণ্টা আগে নমুনা পাঠান এসপি।

এসপি মোমেন বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে জানতে পারি আমার করোনা পজিটিভ। তাই হোম আইসোলেশনে আছি। তবে যেহেতু জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্বে আছি, তাই ঘরে থেকেও কাজ করছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। এই অনুষ্ঠানে থাকতে পারলে পরিপূর্ণ পরিতৃপ্তি পেতাম।’

আরও পড়ুন:
পুকুরে পদ্মার আদলে সেতু
পদ্মা সেতুর খরচ উঠতে কতদিন লাগবে?
পদ্মার পারে খুলনার ৫০ হাজার মানুষ
১২ হাজার মানুষ নিয়ে পদ্মা সেতু অভিমুখে এমপি শাওন
মাহেন্দ্রক্ষণের প্রতীক্ষা

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে