ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি বাণিজ্য

ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি বাণিজ্য

গত ১১ মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ইউরোপ-আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। ফলে আগামীতে আরও বাড়বে রপ্তানি।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।

সদ্য শেষ হওয়া মে মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি থেকে বাংলাদেশ ৩১০ কোটি ৮১ লাখ ডলার আয় করেছে। এই অঙ্ক গত বছরের মে মাসের চেয়ে ১১২ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ এই মে মাসে গত বছরের একই মাসের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি রপ্তানি আয় দেশে এসেছে।

আর এর মধ্য দিয়ে ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২০-২১ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে।

অথচ নয় মাস পর্যন্ত অর্থাৎ জুলাই-মার্চ হিসাবে শূন্য দশমিক ১২ শতাংশ নেতিবাচক (ঋণাত্মক) প্রবৃদ্ধি ছিল।

তবে রপ্তানিতে এই বড় উল্লম্ফনের একটি কারণ আছে। আর সেটি হলো, করোনার প্রথম ঢেউয়ে গত বছরের এপ্রিলে পণ্য রপ্তানি বড় ধরনের হোঁচট খায়। রপ্তানি নেমে যায় ৫২ কোটি ডলারে। পরের মে মাসে সেই বিপর্যয় এপ্রিলের মতো অতোটা ব্যাপক ছিল না। মে মাসে ১৪৬ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

এরপর থেকে মহামারির মধ্যেও রপ্তানি আয় ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। গত কয়েক মাস ধরে বেশ ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এমনকি মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেও সেটি অব্যাহত আছে।

আগামী দিনগুলোতেও এই আয়ের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা কথা শুনিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও পোশাক শিল্পমালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

করোনার কারণে গত বছরের এপ্রিলে সাধারণ ছুটির কারণে অধিকাংশ শিল্পকারখানা তিন সপ্তাহের মতো বন্ধ ছিল। সে কারণে রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে যায়। সংক্রমণ রোধে ওই সময় লকডাইনসহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করলেও তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানার উৎপাদন চালানোর সুযোগ দেয় সরকার। তাই এপ্রিল ও মে মাস ছাড়া রপ্তানি খুব একটা কমেনি।

যেহেতু ওই দুই মাসে রপ্তানি বেশ কমেছিল, তাই এবার এই দুই মাসে (এপ্রিল ও মে) আকাশছোঁয়া প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এপ্রিলে রপ্তানি বেড়েছিল ৫০২ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

তবে ২০১৯ সালের এপ্রিলে ৩০৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। তার তুলনায় গত মাসে রপ্তানি বেড়েছে ১ দশমিক ৬২ শতাংশ।

পণ্য রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ তথ্য বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশ করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। তাতে দেখা যায়, রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাক, পাট ও পাটপণ্য, চামড়া ও চামড়াপণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্লাস্টিক পণ্য, রাসায়নিক পণ্য ও প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফেরার কারণেই সার্বিকভাবে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

সার্বিকভাবে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) ৩ হাজার ৫১৮ কোটি ডলারের (৩৫.১৮ বিলিয়ন) পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি।

তবু লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না

লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে আরও ৫৮২ কোটি ডলার প্রয়োজন। বাকি এক মাস জুনে এই পরিমাণ রপ্তানি কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কারণ, গত ১১ মাস গড়ে ৩২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি (৩৩.৬৭ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ শতাংশ কম। আর লক্ষ্যের চেয়ে আয় কম ছিল ২৬ শতাংশ।

তার আগের বছর (২০১৮-১৯) রপ্তানি হয়েছিল ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলারের পণ্য।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে চলতি অর্থবছরে ৪৮ বিলিয়ন (৪ হাজার ৮০০ কোটি) ডলারের পণ্য ও সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছে সরকার, যা গত অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি।

পোশাক ও পাট খাতে সুসময়

তৈরি পোশাকের রপ্তানি আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। অর্থবছরের ১১ মাসে দুই হাজার ৮৫৬ কোটি ১৮ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১১ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

আলোচ্য সময়ে নিট পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে বেশ – ২০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ওভেন পোশাকে বেড়েছে ২ শতাংশের মতো। নিট লক্ষ্যের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি আয় করলেও ওভেন পিছিয়ে আছে ১৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।

এই ১১ মাসে (২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩১ মে) ১০৯ কোটি ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৩ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।

এ ছাড়া ১০৩ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল রপ্তানি হয়েছে; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

বেশ কয়েক বছর পর গত এপ্রিল মাসে চামড়া রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে বাংলাদেশ। মে মাসেও সেটা অব্যাহত থাকে। এই ১১ মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে ৮৪ কোটি ৬১ ডলার আয় হয়েছে; প্রবৃদ্ধির অঙ্ক ১৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

এ সময়ে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৯ শতাংশ। প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ শতাংশ।

রপ্তানি আয় ঘুরে দাঁড়ানোর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘২০১৯-২০ অর্থবছরে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পের বিদ্যমান প্রণোদনার সঙ্গে ১ শতাংশ হারে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেয়া শুরু হয়েছিল।

‘এর ফলে এই খাতে করোনাভাইরাসজনিত মহামারির প্রভাব সফলভাবে মোকাবিলা করা গেছে। চলতি অর্থবছরেও এই ধারা অব্যাহত রাখার ফলে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্প ঘুরে দাঁড়ায়। বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও আশানুরূপ রপ্তানি অর্জন করে। এ কারণে আগামী অর্থবছরেও এই অতিরিক্ত রপ্তানি প্রণোদনা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।’

সবমিলিয়ে আগামী দিনগুলোতে রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

পোশাক শিল্পমালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের পোশাকের বড় বাজার ইউরোপ-আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। মানুষজন আগের মতো কেনাকাটা শুরু করেছে। প্রত্যাশা করছি, আমরাও আগের অবস্থায় ফিরে যাব। রপ্তানি বাড়বে।’

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজে যোগ দিতে বাধা নেই

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজে যোগ দিতে বাধা নেই

এই নিয়োগে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছিলেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ১ হাজার ৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের খারিজ আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এর ফলে নিয়োগ পাওয়াদের কাজে যোগ দিতে কোনো বাধা নেই।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আবেদনটি সোমবার খারিজ করে দেয়।

এর আগে শনিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আবেদনের শুনানির জন্য আজকের তারিখ ঠিক করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ।

রিট থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি ১ হাজার ৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের পরীক্ষা শেষে ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করা হয়।

তবে এতে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

পরে ফল না পেয়ে চাকরিপ্রার্থী ৩৪ জন রিট আবেদন করে। এরপর একে একে ২০ রিট হয়। এ সংক্রান্ত ২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা। চেম্বার বিচারপতি সেই আবেদনের শুনানির জন্য আপিলের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। আপিল বিভাগ শুনানি নিয়ে আবেদনটি ডিসমিস (খারিজ) করে দেয়।

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

২২ বছর পর কৃষক দলের কমিটি

২২ বছর পর কৃষক দলের কমিটি

কৃষক দলের নতুন সভাপতি হাসান জাফির তুহিন (বাঁয়ে) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল। ছবি: সংগৃহীত

সংগঠনটির আংশিক কমিটিতে হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি ও শহীদুল ইসলাম বাবুলকে করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক। আর সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।

২২ বছর পর গঠিত হলো জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি।

সংগঠনটির নেতা হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি এবং শহীদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করে আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কমিটির অনুমোদন দেন বলে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

আংশিক কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহ-সভাপতি হিসেবে গৌতম চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক পদে টি এস আইয়ুব, মোশারফ হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন শফিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

দেড় লাখের বেশি ইয়াবাসহ আটক ১

দেড় লাখের বেশি ইয়াবাসহ আটক ১

উখিয়ায় ইয়াবা কেনা-বেচার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করে বিজিবি। ছবি : নিউজবাংলা

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, বিজিবির রেজুআমতলী বিওপির সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পেয়ে উখিয়ার ঠান্ডার মিয়ার বাগান পূর্ব দরগারবিলে অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াবা কেনা-বেচা করার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

কক্সবাজারে ১ লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উখিয়ায় রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক করা ব্যক্তির নাম সাদ্দাম হোসেন।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ সোমবার গণমাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের রেজুআমতলী বিওপির সদস্যরা জানতে পারে চোরাকারবারিরা রোববার মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবার চালান নিয়ে আসবে। এমন তথ্য পেয়ে বিজিবির টহলদল উখিয়ার ঠান্ডার মিয়ার বাগান পূর্ব দরগারবিলে অবস্থান নেয়।

সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াবা কেনা-বেচা করার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ ও ১৭৫ জনকে আটক করেছে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন।

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২ জন নিহত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট চলাকালীন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। দুটি এলাকায় আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষে নিহত হন আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন ইসলামাবাদী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট নেয়া বন্ধ আছে।

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

নির্বাচন পূর্ব সহিংসতা, সংঘর্ষসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট চলছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে সোমবার বেলা ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তার এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ আনেন।

মাসুদ রানা লালন বলেন, ‘সকাল থেকেই আমার কর্মী-সমর্থকদের চাপ দিচ্ছিল নৌকার সমর্থকরা। পরে আমার এজেন্টদের বুথ থেকে জোর করে বের করে দেয়া হয়। ভেবেছিলাম নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, ভাবাই সারা হল আমাদের।’

ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েকটি জায়গায় হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার মোট ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হচ্ছে। তবে ভোট হচ্ছে ৬৫টি ইউনিয়নে। কারণ কচুয়া উপজেলার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা।

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেছি।'

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অভিযান চালিয়ে ‘জুয়ার আসর’ থেকে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে।

যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১ নম্বর কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টু, ঘোড়াঘাটের শামীম মিয়া, রাইনুর ইসলাম রানু সরকার, বকুল সরকার, হুমায়ুন কবীর ও শহিদুল ইসলাম।

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেছি।'

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

ময়মনসিংহে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় জাতীয় পার্টির এক নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হোসেন আলী জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি।

রোববার রাত ১২টার দিকে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে আটক করে। পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় হোসেন আলী ও তার তৃতীয়

স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় হোসেন আলীর বাড়ি। তার বাড়ির পাশে ভাড়া থাকত কিশোরীর পরিবার। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে হোসেন প্রায়ই কিশোরীর বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এ সময় কিশোরীর সঙ্গে তার কথাবার্তা হতো। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগম কিশোরীকে তাদের ঘরে ডেকে নেন। পরে পরিকল্পিতভাবে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করান। পরে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, গ্রেপ্তার হোসেন আলীকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
ভর্তুকি ছাড়া বাড়ে না রপ্তানি
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইউরোপে পান রপ্তানি
বেনাপোল দিয়ে কমেছে আমদানি-রপ্তানি
রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও উল্লম্ফন
বিধানসভা নির্বাচন: বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

শেয়ার করুন