নিউজবাংলাকে বিএসইসি চেয়ারম্যান ৩

পুঁজিবাজারে থাকছে না ওটিসি মার্কেট

পুঁজিবাজারে থাকছে না ওটিসি মার্কেট

ওটিসি বলে কিছু রাখা যাবে না। এটা হলে কোম্পানির গভর্নেন্স থাকে না। ইচ্ছামতো চালায়, বিক্রি করে দেয়। জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পুঁজিবাজারে লোকসানি ও বন্ধ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) থাকছে না কোনো কোম্পানি।

বর্তমানে এই মার্কেটে তালিকাভুক্ত ৬৪টি কোম্পানির মধ্যে ৫০টিরও বেশি স্থানান্তর করা হবে ডিএসইর মূল মার্কেট, এসএমই বোর্ড ও অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড- এটিবিতে। আর ১৩টি কোম্পানি তালিকাচ্যুতির আবেদন করেছে। এর মধ্যে চারটির তালিকাচ্যুতির কাজ এগিয়ে চলছে।

নিউজবাংলাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সংস্থাটির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, ‘ওটিসি বলে কিছু রাখা যাবে না। এটা হলে কোম্পানির গভর্নেন্স থাকে না। ইচ্ছামতো চালায়, বিক্রি করে দেয়। জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

উৎপাদনে না থাকা, নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) না করা, কাগজের শেয়ার রাখা, নিয়ম অনুযায়ী বিএসইসিতে আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়া, লভ্যাংশ প্রদান ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন না করা প্রায় ৬৫টি বেশি কোম্পানিকে মূল মার্কেট থেকে সরিয়ে ওটিসি মার্কেটে নিয়ে যাওয়া হয়।

এমন কোম্পানিগুলোকে নিয়ে ২০০৯ সালে এই ওটিসি মার্কেট গঠন করা হয়।

ওটিসিতে সবশেষ স্থানান্তর করা হয়েছে ইউনাইটেড এয়ার। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানির কার্যক্রম না থাকার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ওটিসিতে পাঠানোর পর ইলেকট্রনিক শেয়ারে রূপান্তর, কোম্পানিকে মুনাফায় ফিরিয়ে লভ্যাংশ বিতরণ করে মূল মার্কেটে ফিরেছে ইউসিবিএল ব্যাংক, ওয়াটা ক্যামিকেল, সোনালি পেপার, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ।

বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওটিসি মার্কেটে যে কোম্পানিগুলো আছে, সবগুলোকেই আমরা নজরদারি করছি। কোন কোম্পানি কী করছে সেগুলো দেখা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে যে কোম্পানিগুলো আছে, সেগুলোর একেকটির একক ধরনের সমস্যা। কোনোটির ব্যবস্থাপনায় জটিলতা, কিছু কোম্পানি পরিস্থিতির শিকার। কিছু কোম্পানি আছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে। সে কোম্পানিগুলোকে আমরা চিহ্নিত করছি। তাদের পুঁজিবাজার থেকে এক্সিট বা তালিকাচ্যুত করারও পরিকল্পনা আছে।’

পুঁজিবাজারে থাকছে না ওটিসি মার্কেট
বিএসইসি চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

যে চার কোম্পানির ফেরা সময়ের অপেক্ষা

বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি লিমিটেড, পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড এবং মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেডের ওটিসি থেকে মূল মার্কেটে ফেরা কেবল ঘোষণার অপেক্ষা।

গত অর্থবছরে মুনাফায় ফিরেছে মুন্নু ফেব্রিক্স। ২০১৯-২০ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয়-ইপিএস বেড়েছে ৬ পয়সা। এ সময়ে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা। আগের অর্থবছরের ইপিএস ছিল ৫ পয়সা।

মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।

২০১৮ সালে ‘বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড’ ও ‘পেপার প্রসেস অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড’ বিনিয়োগকারীদের ২০০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির অনুমোদন না পাওয়ায় তা বণ্টন করা যায়নি।

তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এই কোম্পানিটিও নিয়মিত উৎপাদনে ফিরেছে।

এসএমই ও এটিবি বোর্ড কী

বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, ওটিসি মার্কেটের কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫টি যাচ্ছে এসএমই বোর্ড বা স্বল্প মূলধনী কোম্পানি জন্য তৈরি করা বোর্ডে। ৩০টি কোম্পানি যাচ্ছে এটিবিতে।

এসএমই বোর্ড ও এটিবিতে যেসব কোম্পানি থাকবে, সেগুলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে টাকা তুলতে পারবে না। সেগুলো টাকা তুলতে পারবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের থেকে।

যদি কোম্পানিগুলো ভালো করতে পারে, পরে সেগুলো আইপিওর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবে।

তালিকাচ্যুতির আবেদন ১৩টির

বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, ১৩টি কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত হতে আবেদন করেছে।

তিনি বলেন, ‘চারটির অলরেডি কাজ শুরু হয়ে গেছে। কোর্টের একটা অর্ডার পেন্ডিং আছে। দুটিকে আমরা একটু ডেকে দেখছি কী হয়।’

এসব কোম্পানি কোনগুলো সেগুলো অবশ্য জানাননি বিএসইসি চেয়ারম্যান।

এসব কোম্পানি জনগণের কাছ থেকে টাকা তুলে এর বিনিময়ে কিছু দেয়নি। এখন তাদের মালিকদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা হবে? এমন প্রশ্নে বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা টাকা উঠিয়ে চলে গেছে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করব।’

বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কোনো কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করা হলেও সেটি একসঙ্গে হবে না। পুঁজিবাজারের অবস্থা বিবেচনায় সময় সময় তা বাস্তবায়ন করা হবে।’

কোম্পানিকে তালিকাচ্যুতের সুযোগ

এর আগে গত বছরের ২১ ডিসেম্বর ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটের ২১ কোম্পানির কাছে ১১ তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠায় বিএসইসি। যেখানে কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ও কোম্পানির সচিবকে বিএসইসিতে তলব করা হবে।

জানতে চাওয়া ১১টি বিষয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কোম্পানির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, বর্তমান আর্থিক অবস্থার প্রতিবেদন, সব সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা, উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বর্তমান শেয়ার ধারণের অবস্থা।

এরপর ৩০ ডিসেম্বর বিএসইসির ওটিসি মার্কেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে সাত শর্তে পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়।

এ জন্য কোম্পানির দুই বছরের বেশি সময় বাণিজ্যিক উৎপাদন না থাকলে, পরিশোধিত মূলধন থেকে পুঞ্জীভূত লোকসান বেশি হলে ও তিন বছর ধরে লোকসান থাকলে তালিকাচ্যুত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে কোম্পানি।

একই সঙ্গে নগদ লভ্যাংশ দিতে টানা তিন বছর ব্যর্থ হলে, টানা দুই বছর বার্ষিক সাধারণ সভা করতে না পারলে, ডেবট সিকিউরিটিজের বিপরীতে টানা তিন কিস্তি সুদ বা কুপন বা মুনাফা দিতে না পারলে, ডেবট সিকিউরিটিজের দুই কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলেও এই নির্দেশনায় অন্তর্ভুক্ত হবে কোম্পানিগুলো।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে। স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শীতকালীন ছুটিতেও চালু থাকবে। এছাড়া স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রমও চালু থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জমান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদী স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও প্রশাসনিক দপ্তর খোলা থাকবে।

করোনার কারণে বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা সেমিস্টার পরীক্ষাগুলো গত ৭ অক্টোবর শুরু হয়। ইতোমধ্যে এক সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছে, আটকে থাকা আরেক সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, শিক্ষককে অব্যাহতি

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, শিক্ষককে অব্যাহতি

সাতকানিয়ার ইউএনও বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন সকালে কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ায় পর্যবেক্ষক নূর উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বাজালিয়া কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজে এ ঘটনা ঘটে। অব্যাহতি পাওয়া নূর উদ্দিন ওই কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন সকালে কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রে মোবাইল ফোন না নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

দিল্লি দূষণমুক্ত করতে ২৪ ঘণ্টা সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট

দিল্লি দূষণমুক্ত করতে ২৪ ঘণ্টা সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট

সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা বৃহস্পতিবার বলেছেন, 'আমরা অনুভব করি যে কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না এবং দূষণ ক্রমাগত বাড়ছে... শুধু সময় নষ্ট হচ্ছে।'

ভারতের রাজধানী দিল্লিকে বায়ু দূষণমুক্ত করতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

সরকার পক্ষের নানা পদক্ষেপ নেয়ার দাবি সত্ত্বেও দিল্লির বায়ু দূষণ বেড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নেয়া ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘আমরা অনুভব করি যে কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না এবং দূষণ ক্রমাগত বাড়ছে... শুধু সময় নষ্ট হচ্ছে।’

সুপ্রিম কোর্ট এ নিয়ে টানা চতুর্থ সপ্তাহ কেন্দ্রীয় রাজধানী দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চলে বায়ু দূষণ নিয়ে যুক্তি শুনল। কঠোর পদক্ষেপের সতর্কতা শুনিয়ে আদালত কেন্দ্র এবং দিল্লি সরকারকে শিল্প ও যানবাহন দূষণের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে।

দীপাবলির পর গত মাসে দিল্লির বায়ুর মান ভয়ানকভাবে খারাপ হয়ে পড়ে। গত মাসে দিল্লির বায়ু দূষণ খারাপ থেকে অতি খারাপের পর্যায়ে নেমে আসে। কৃষি জমিতে খড় পোড়ানোর আগুনকেও দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার পক্ষ থেকে। তবে এই দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য আদালতে কেন্দ্র ও রাজ্য একে অপরকে দোষারোপ করেছে।

স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারকে তিরস্কার করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘তিন/চার বছরের বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্করা বাড়িতে থেকে কাজ করছে।’ প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘আমরা আপনার সরকার পরিচালনার জন্য কাউকে নিয়োগ করবো।’

দিল্লি সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, ‘স্কুলগুলোতে শিক্ষার ক্ষতি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। আমরা অনলাইনের বিকল্পসহ শর্ত দিয়ে আবার স্কুল খুলেছি।‘

এমন জবাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি বলছেন যে স্কুলে যাওয়া-না যাওয়া ঐচ্ছিক রেখেছেন। কিন্তু বাড়িতে কে বসতে চায়? আমাদেরও সন্তান এবং নাতি-নাতনি আছে। মহামারী থেকে তারা যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তা আমরা জানি। আপনি যদি ব্যবস্থা না নেন তাহলে আমরা আগামীকাল কঠোর ব্যবস্থা নেব। আমরা আপনাকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি।’

বায়ু দূষণ সঙ্কটের কারণে বন্ধ থাকা দিল্লির স্কুলগুলো প্রায় দশ দিন পর সোমবার খুলে দেয়া হয়েছে। ‘শিল্প সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং দিল্লিতে যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, ‘কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট ইন ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন এন্ড অ্যাডজাইনিং এরিয়াস-এর বায়ু দূষণের ওপর কঠোর পদক্ষেপ বা আইন প্রয়োগ করার ক্ষমতা নেই এবং সত্যিকারের বিচারের কোনো ক্ষমতা নেই।’

কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে উদ্দেশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘যখন এই ইস্যুতে শুনানি শুরু হয় তখন একটি নির্দিষ্ট এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছিল। তার পর থেকে আপনি অনেক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন বা দাবি করছেন। তাহলে দূষণ কেন বাড়ছে? এটি একটি সাধারণ প্রশ্ন, যা একজন সাধারণ মানুষ জিজ্ঞাসা করবে। আইনজীবীদের অনেক যুক্তি। এবং সরকারের অনেক দাবি। কিন্তু দূষণ কেন বাড়ছে?’

বিচারপতি চন্দ্রচূড় আরো বলেন, “কিছুই অনুসরণ করা হয়নি। আমরা যখন আদালতে আসি তখন রাস্তার মাঝখানে ‘পরিবেশ বাঁচাও’ ব্যানার নিয়ে বসে আছেন অনেক মানুষ। তাই আমরা বলি... শুধু জনপ্রিয়তার স্লোগান হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান

বেতবাড়িয়া ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন বাবুল আকতার। ছবি: সংগৃহীত

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রশিদুল আলম জানান, খোকসার বেতবাড়িয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আজম খান বুধবার বিকেলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে একক প্রার্থী হন বাবুল আকতার।

কুষ্টিয়ার খোকসার বেতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বাবুল আকতার।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রশিদুল আলম বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন কৃষক লীগ নেতা নুরুল আজম খান বুধবার বিকালে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে একক প্রার্থী হন বাবুল আকতার। নুরুল আজম ইউনিয়ন কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

বাবুল এর আগেও দুবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছিলেন।

চতুর্থ ধাপে ৬ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলায় বিভিন্ন ইউপিতে ভোট।

এ ছাড়া খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়া ও জানিপুর ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চারজন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. সায়েদুজ্জামান, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আকাম উদ্দিন, সংরক্ষিত নারী সদস্য জহুরা খাতুন এবং জানিপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নজরুল ইসলাম মণ্ডল।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

বেসরকারি ঋণ প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি

বেসরকারি ঋণ প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি

ফাইল ছবি

অর্থনীতির গবেষক ও ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশ। আমদানি-রপ্তানি বাড়ছে সমান তালে। সব কিছু করোনার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করেছে। সে কারণে অর্থনীতির অন্য সূচকগুলোর মতো বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে।

মহামারি করোনায় ধাক্কায় তলানিতে নামার পর গতি ফিরছে দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহে।

গত কয়েক মাস অল্প অল্প করে বাড়লেও অক্টোবর মাসে বেশ খানিকটা বেড়ে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশে উঠে এসেছে এই ঋণ প্রবৃদ্ধি। তবে এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক নিচে রয়ে গেছে এই সূচক।

অর্থনীতির গবেষক ও ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশ। আমদানি-রপ্তানি বাড়ছে সমান তালে। সব কিছু করোনার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করেছে। সে কারণে অর্থনীতির অন্য সূচকগুলোর মতো বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার দেশে অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহের যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, অক্টোবর মাসে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি সেপ্টেম্বরের চেয়ে প্রায় ১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর অর্থ হলো, গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে এই অক্টোবরে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি ঋণ পেয়েছেন।

সেপ্টেম্বরে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুলাই মাসে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের যে মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছিল, তাতে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয় ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, অক্টোবর শেষে উদ্যোক্তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যের চেয়ে এখনও ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ পয়েন্ট কম ঋণ নিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে দেশে বিনিয়োগে মন্দা চলছে। এর অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের চিত্রও ছিল হতাশাজনক। গত বছরের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে তা আরও কমতে থাকে।

প্রতি মাসেই কমতে কমতে মে মাসে তা ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে নেমে আসে, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন।

অতীত ঘেঁটে দেখা যায়, বাংলাদেশের বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিতে ব্যাংকের ঋণ বাড়তেই থাকে। ২০০৯-১০ অর্থবছর শেষে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ২৪ শতাংশের বেশি। বছরওয়ারি হিসেবে এরপর তা সব সময়ই ১০ শতাংশের বেশি ছিল। এমনকি ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তা দুই অঙ্কের নিচে (ডাবল ডিজিট), ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে আসে। এর পর গত দুই বছর ধরে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের নিচে (সিঙ্গেল ডিজিট) অবস্থান করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, মহামারির ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি কমে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে আসে। এরপর সরকারের প্রণোদনা ঋণে ভর করে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৯ দশমিক ২০ শতাংশ হয়। আগস্টে তা আরও বেড়ে ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশে এবং সেপ্টেম্বরে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে ওঠে।

কিন্তু অক্টোবরে এই প্রবৃদ্ধি কমে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে আসে। নভেম্বরে তা আরও কমে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ হয়। ডিসেম্বরে সামান্য বেড়ে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ হয়।

২০২১ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৫১ ও ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এপ্রিলে নেমে আসে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। মে মাসে তা আরও কমে নেমে যায় ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে।

তবে করোনার প্রকোপ কমতে থাকায় গত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ঋণ প্রবৃদ্ধি খানিকটা বেড়ে ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশে উঠে কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়। তারপর থেকে ঋণপ্রবাহ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। জুলাই ও আগস্টে এই সূচক ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৩৮ ও ৮ দশমিক ৪২ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের চতুর্থ মাস অক্টোবর শেষে বেসরকারি খাতে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ১৯ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। গত বছরের অক্টোবর শেষে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ১৪ হাজার ৩২২ কোটি টাকা।

এ হিসাবেই অক্টোবর মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক জায়েদ বখত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মহামারির সময় সরকারের প্রণোদনার ঋণ ছাড়া ব্যাংকগুলো অন্য কোনো ঋণ বিতরণ করেনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। আমদানি-রপ্তানি বাড়ছে, অর্থনীতিতে গতি ফিরে এসেছে। উদ্যোক্তারা নতুন পরিকল্পনা সাজিয়ে বিনিয়োগ করছেন। সে কারণেই বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে।’

আগামী দিনগুলোতে বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

‘তবে, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন কিভাবে বিস্তার লাভ করে তার উপর নির্ভর করছে সব কিছু।’

বেসরকারি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক সভাপতি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। ব্যাংকিং খাতেও চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ঋণের চাহিদা বাড়ছে। সে কারণেই বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকছে জাপান

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকছে জাপান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশি ইয়োশিমাসা বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং সম্মানজনকভাবে ফেরত পাঠাতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে জাপান কাজ করবে। বাংলাদেশের পদক্ষেপে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর লক্ষ্যে বিদ্যমান পরিস্থিতি উন্নতির জন্য জাপান মিয়ানমারকে উৎসাহিত করবে।’

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া জোর করে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক বা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে জাপান কাজ করবে বলে জানিয়েছেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশি ইয়োশিমাসা।

তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং সম্মানজনকভাবে ফেরত পাঠাতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে জাপান কাজ করবে। বাংলাদেশের পদক্ষেপে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর লক্ষ্যে বিদ্যমান পরিস্থিতি উন্নতির জন্য জাপান মিয়ানমারকে উৎসাহিত করবে।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে হায়াশি ইয়োশিমাসার নিযুক্তিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি পাঠান। এর জবাবে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

চিঠিতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাপান এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক আস্থা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক কল্যাণের দৃঢ় নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি ২০২২ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তিনি একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশার কথাও জানান।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন

নারী নির্যাতন মামলার আসামি জজের নিয়োগ স্থগিত

নারী নির্যাতন মামলার আসামি জজের নিয়োগ স্থগিত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী ১৩তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০১৯ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশ করা প্রার্থী মো. শাহ্ পরানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলায় তার সহকারী জজ (শিক্ষানবিশ), নেত্রকোণা হিসেবে যোগদানের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

নারী নির্যাতন মামলার আসামি মো. শাহ্ পরানের বিচারক হিসেবে নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী ১৩তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০১৯ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশ করা প্রার্থী মো. শাহ্ পরানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলায় তার সহকারী জজ (শিক্ষানবিশ), নেত্রকোণা হিসেবে যোগদানের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে উঠছে ৩২ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস

শেয়ার করুন