আরও প্রণোদনা চান খামারিরা

আরও প্রণোদনা চান খামারিরা

জেলার ৬ হাজার ৫৫০টি খামারের মধ্যে সাড়ে ৩ হাজার পারিবারিক গরুর খামার, ৪০৩টি বাণিজ্যিক খামার, ৭৪২টি ব্রয়লার, ৩৯টি লেয়ার ও ১ হাজার ৮৬৬টি হাঁসের খামার রয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৪৫ জন খামারমালিককে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।

নেত্রকোণায় করোনা পরিস্থিতিতে বেকায়দায় পড়া ক্ষুদ্র, প্রান্তিক এবং মাঝারি পোলট্রি ও গরুর খামারিদের সরকারের পক্ষ থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা প্রণোদনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

জেলার প্রায় সাড়ে তিন হাজার খামারমালিকের মধ্যে এই প্রণোদনা দেয়ার কথা জানিয়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলেছে, জেলায় আরও দুই হাজার খামারমালিককে প্রণোদনা দেয়ার বিষয়টি তাদের বিবেচনায় রয়েছে।

তবে খামারমালিকরা বলছেন, করোনাকালীন বাজারে তাদের খামারের উৎপাদিত পণ্যের দাম কম পাচ্ছেন। অন্যদিকে খামারের প্রাণীদের খাদ্যের দাম দ্বিগুণ হারে বেড়ে গেছে। খামার বাঁচাতে আরও প্রণোদনার আবেদন তাদের।

খামারিদের অভিযোগ, জেলায় একটি খামারের অবস্থাও ভালো নেই। কোনোমতে টিকে আছে সেগুলো। খামারের খাদ্যসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণ, সহজ শর্তে ঋণ, ভর্তুকি দিয়ে খামারগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে জানা গেছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির প্রভাবে জেলার হাঁস, মুরগি ও গরুর খামারগুলো বেহাল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি খামারমালিকরা বেশি বেকায়দায় পড়েন।
আরও প্রণোদনা চান খামারিরা

এদের মধ্যে জেলায় সংকর জাতের উন্নত গাভি এবং ব্রয়লার, লেয়ার, সোনালি মুরগি ও হাঁস পালনকারী পারিবারিক ও বাণিজ্যিক উভয় পর্যায়ের খামারমালিকরা আছেন। এ অবস্থায় সরকার খামারমালিকদের পাশে দাঁড়ায় ও তাদের আর্থিক প্রণোদনা দেয়া শুরু করে।

জেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৪৫ জন খামারমালিককে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। প্রণোদনা দেয়া খামারমালিকদের মধ্যে ২ হাজার ৪৯৫ জন গাভির, ৫৬৮ জন মুরগির ও ২৮২ জন হাঁসের খামারের মালিক। এসব খামারমালিককে সর্বনিম্ন সাড়ে ৪ হাজার ও সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা করে দেয়া হয়।

জেলার ৬ হাজার ৫৫০টি খামারের মধ্যে সাড়ে ৩ হাজার পারিবারিক গরুর খামার, ৪০৩টি বাণিজ্যিক খামার, ৭৪২টি ব্রয়লার, ৩৯টি লেয়ার ও ১ হাজার ৮৬৬টি হাঁসের খামার রয়েছে।

সদর উপজেলার মেদনি ইউনিয়নের বড়োওয়ারি গ্রামের গরুর খামার মালিক বাপন সাহা। বাছুর মিলিয়ে তার খামারে এখন ৩০টি গরু। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৬০ লিটার দুধ হয় খামারটিতে। তিনি সরকার থেকে ২০ হাজার টাকা প্রণোদনা পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘করোনা শুরুর পর থেইক্যা এই লাগাত ৪ লাখ টেহার বেশি লোকসান দিছি। লকডাউনে মিষ্টির দোহান বন্ধ। হেরা দুধ কিনা ছাইড়া দিছে। এক লিটার দুধে নিচের পক্ষে ১০ টেহা কইম্যা ৪০ থেইক্যা ৪৫ টেহায় বেচতাছি। আরেক দিক দিয়া গরুর খাওন গমের ভুসি, ভুট্টা, খৈল কিনন লাগতাছে প্রায় ডাবল দামে। অহন আমরার টিহন দায়।’

তিনি খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, ভর্তুকিসহ সহজ শর্তে ঋণসুবিধা দিতে সরকারের কাছে দাবি জানান।

সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের দড়িজাগি গ্রামের ব্রয়লার মুরগির খামারি ফারজানা আক্তার পলি। তিনিও পেয়েছেন প্রণোদনার টাকা।

তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে লকডাউনডা যহন শুরু অইচিলো, তহনই ১ লাখ ৩৪ হাজার টেহা লস দিছি। ৫৪ টেহা কইরা মুরগির বাইচ্চা কিইন্যা পাইল্যা পরে বেচছি ৯৪ টেহা কইর‌্যা। মুরগির খাওন, খামারের খরচ মোট এই টেহাডা হাত থেইক্যা গেচে। এইবায় অইলে খামার টিকায়াম কেমনে?’

করোনার থাবায় ক্ষতিগ্রস্ত লেয়ার মুরগির খামারিরাও। বাজারে মুরগির ডিমের দাম কমে গেছে।

সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের পাঁচকাহনীয়া গ্রামের লেয়ার মুরগির খামারি বলেন, ‘করোনা শুরুর পর থেইক্যা ডিমের দাম কইম্যা গেছে। বাজারে মুরগির খাওনের দাম বাইড়া গেচে। দুইডার মধ্যে ফারাকডা বেশি অওয়ায় লোকসান গুনতাছি। ভুট্টা আগে ১৭-১৮ টেহা কেজি আছিল, অহন ২১ টেহা কেজি কিনন লাগে। সোয়াবিন ৩৩-৩৪ টেহা দরে বেচত। অহন ৪৭-৪৮ টেহা কেজির কম কিনন যায় না। বাজারে ডিম ৬৫০ টেহা শ বেচন লাগে। খরচই অয় বেশি। আমার তিন লাখ টেহার বেশি লস অইছে। এইবায় যাইতে থাকলে খামারডারে টিয়াইতাম পারতাম না।’

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোরঞ্জন ধর বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রধান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের সদস্যসচিব ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটি করা হয়। ওই কমিটির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকা করে ঢাকায় অধিদপ্তরের লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডিভেলপমেন্ট প্রকল্পে (এলডিডিপি) পাঠানো হয়। উপজেলা, জেলা পর্যায় ও প্রকল্প কর্মকর্তারা মিলে মোট তিন ধাপে তালিকা ধরে নিশ্চিত করার পর খামারিদের প্রণোদনা দেয়া হয়।’

প্রণোদনার টাকা বিতরণে স্বচ্ছতা নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ঢাকা কার্যালয় থেকে সরাসরি খামারিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিকাশ, নগদ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রণোদনার এই টাকা পাঠানো হয়েছে। এতে অনিয়মের কোনো সুযোগ ছিল না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর থেকে দীর্ঘ সময় লকডাউন ছিল, এখনও আছে। এর প্রভাব পড়েছে খামারগুলোতেও। খামারমালিকদের সহযোগিতা দেয়ার চেষ্টা করেছে সরকার। আরও ২ হাজার ৫৫ জন খামারমালিকের তালিকা ঢাকায় পাঠিয়েছি। আশা করছি, দ্রুতই এসব খামারিও সরকারের প্রণোদনার টাকা পেয়ে যাবেন।’

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ব্যাংকে রাখলে টাকা কমে?

ব্যাংকে রাখলে টাকা কমে?

ব্যাংক খাতে আমানতের সুদ হার নিয়ে বাড়ছে হতাশা। ফাইল ছবি

বর্তমানে ব্যাংকের সুদ হার এত কমে গেছে যে, টাকা রেখে যে সুদ আসছে, তা দিয়ে মূল্যস্ফীতির ঘাটতিই মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে আমানতের সুদ হার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ওপর বিভিন্ন মাশুল কাটার পর গড় সুদ হার দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।

অল্প দিন হলো বিয়ে করেছেন আরিফ ও সুস্মিতা। দুজনই চাকরিজীবী। আগামীর নিরাপত্তায় সংসারের শুরু থেকে সঞ্চয় করতে আগ্রহী এই দম্পতি, কিন্তু সঞ্চয়ের জন্য উপযুক্ত মাধ্যম কোনটি? ব্যাংক এবং সঞ্চয়পত্রের স্কিম যাচাই-বাছাই নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব।

তারা বলেন, প্রতি মাসে নির্ধারিত হারে অর্থ জমা করতে চান তারা। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকে নিরাপত্তা আছে, কিন্তু মুনাফার হার খুবই কম। আর জমানো কিছু টাকা আছে, সেটা রাখার ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রে তুলনামূলকভাবে মুনাফার হার বেশি, তবে টিআইএনসহ নানা ক্ষেত্রে ঝক্কি-ঝামেলার শেষ নেই।

আরিফ এবং সুস্মিতার মতোই সিদ্ধান্তহীনতায় বেসরকারি চাকরিজীবী আনিসুর রহমান। নতুন চাকরি তার। এ জন্য মাসে যে বেতন পান, তা থেকে সঞ্চয় করতে চান কিছু টাকা। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকই তার কাছে ভরসার জায়গা। কিন্তু মুনাফার হার খুবই কম। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগ করে পাঁচ বছর পর যে মুনাফা পাওয়া যাবে, তা আকাঙ্ক্ষার চেয়ে খুবই কম। অথচ কয়েক বছর আগেও মুনাফার হার ছিল বেশি, যা বিপদ-আপদে নিশ্চিত করত জীবনের নিরাপত্তা।

ব্যাংক খাতে আমানতের সুদ হার নিয়ে বাড়ছে হতাশা।

বর্তমানে ব্যাংকের সুদ হার এত কমে গেছে যে, টাকা রেখে যে সুদ আসছে, তা দিয়ে মূল্যস্ফীতির ঘাটতিই মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে আমানতের সুদ হার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ওপর বিভিন্ন মাশুল কাটার পর চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংক খাতে আমানতের গড় সুদ হার দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। অবশ্য ব্যাংকভেদে এর চেয়ে সামান্য বেশি সুদ পাওয়া যায়। অথচ পাঁচ বছর আগেও সুদহার ছিল ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।

দেশে গত জুন শেষে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

এর অর্থ হলো, ব্যাংকে টাকা রাখলে তা কমে যায়।

ধরুন, ব্যাংকে কেউ ১০০ টাকা জমা রেখেছেন। সুদের হার ছয় ভাগ হলে বছর শেষে তিনি ১০৬ টাকা পাবেন। কিন্তু মূল্যস্ফীতির হারও যদি ছয় ভাগ হয়, তাহলে ১০০ টাকায় এখন যে পণ্য বা সেবা পাওয়া যায়, বছর শেষে তার জন্য ১০৬ টাকা খরচ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ব্যাংকে টাকা জমা রেখে সেই টাকা থেকে প্রকৃতপক্ষে কোনো আয় হবে না আমানতকারীদের।

আর সুদের হার ছয়ের নিচে নামা মানেই মূল্যস্ফীতি ও টাকার ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় বছর শেষে মূল টাকা কমে যাচ্ছে।

ব্যাংক সংশ্নিষ্টরা জানান, কয়েক বছর আগেও ব্যাংকে মেয়াদি আমানত রেখে ৯ থেকে ১২ শতাংশ সুদ পাওয়া যেত। তবে ব্যাংকগুলোর কাছে প্রচুর অলস অর্থের কারণে হাতেগোনা দু-একটি ব্যাংক ছাড়া ৫ থেকে ৬ শতাংশের বেশি সুদ মিলছে না।

ব্যাংকভেদে বর্তমানে ৫ লাখ টাকায় বছরে ব্যাংক সুদ দেয় ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা। এর মধ্যে কর শনাক্তকরণ (টিআইএন) নম্বর থাকলে কেটে নেয়া হয় ৩ হাজার টাকা। টিআইএন না থাকলে কাটা হয় সাড়ে ৪ হাজার টাকা। আর বছরে হিসাব পরিচালনার জন্য কাটা হয় ২৫০ টাকা। চেক বইয়ের জন্য আরও ৩০০ টাকা। এর ওপর কাটা রয়েছে ১৫ শতাংশ কর, যা ৮২ টাকা ৫০ পয়সা। আর প্রতি বছর সরকার আবগারি শুল্ক কেটে নেয় ৫০০ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুদহার নির্দিষ্ট করে দেয়ার কারণে ক্ষুদ্র আমানতকারিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। দরিদ্র, মধ্যবিত্তদের মূল সম্পদ হচ্ছে টাকা। সামান্য টাকা তারা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যাংকে রাখেন। কিন্তু সুদ এত কম যে, তাদের টাকা কমে যাচ্ছে। ফলে সঞ্চয়ের অভ্যাস কমে যাবে।’

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আরফান আলী বলেন, ‘বর্তমানে আমানতে যে সুদ দেয়া হচ্ছে, তা মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। এর চেয়ে বেশি সুদ দেয়ার সুযোগও নেই। যারা আমানতের সুদের ওপর নির্ভরশীল, তাদের চলা আসলেই কঠিন হয়ে পড়েছে।’

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ঋণের সুদহার নির্দিষ্ট করে দেয়ায় ব্যাংকগুলো আমানতে বেশি সুদ দিতে পারছে না। এ জন্য যারা সুদের ওপর নির্ভরশীল, তাদের সমস্যা হচ্ছে। অনেকেই অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করছেন। কিন্তু ব্যাংকে টাকা রাখা যত সহজ, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ তত সহজ নয়। ফলে মানুষ ঘুরেফিরে ব্যাংকেই ফিরে আসছেন।’

ব্যাংকে রাখলে টাকা কমে?

কোন ব্যাংকে কত সুদ

জুন শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের গড় সুদহার ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ বেসিক ব্যাংকে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

বিশেষায়িত কৃষি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের গড় সুদ হার ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এর মধ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক আমানতে ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ সুদ দিচ্ছে।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। এসব ব্যাংকের মধ্যে আমানতকারিদের বেশি সুদ দিচ্ছে পদ্মা ব্যাংক ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক ৭ দশমিক ১০ শতাংশ ও ন্যাশনাল ব্যাংক ৭ শতাংশ।

এছাড়া ইউনিয়ন ব্যাংক ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ , সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক ৫ দশমিক ৮৪, মেঘনা ৫ দশমিক ৫৯, এনআরবি ৫ দশমিক ৩৩, মধুমতি ব্যাংক ৫ দশমিক ২৪ ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৫ দশমিক ০৯ শতাংশ আমানতে সুদ দিচ্ছে।

বিদেশি মালিকানার নয়টি ব্যাংকের আমানতে গড় সুদহার মাত্র দশমিক ৯৩ শতাংশ।

ব্যাংকে রাখলে টাকা কমে?

সুফল নেই সঞ্চয়ে

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে দেশে ব্যাংক খাতে আমানতের বিপরীতে গড় সুদ হার ৪ দশমিক ১৩ ভাগ। অন্যদিকে একই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হারও দাঁড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ ভাগের বেশি। সুদহার যতটুকু, তার সবটাই আবার হাতে আসে না। কেটে রাখা হয় ব্যাংকের চার্জ ও সরকারের শুল্ক। এর মানে টাকার মূল্যমানের অবচয় বিবেচনায় আমানতকারি যে পরিমাণ টাকা রাখছেন, বছর শেষে পাচ্ছেন তার চেয়ে কম।

এ কারণে ব্যাংকে টাকা রেখে সঞ্চয়কারীরা এখন আর প্রকৃত অর্থে লাভবান হতে পারছেন না। বরং তাদের জমা করা টাকার মূল্যমান বা আয় কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

ব্যাংকের সুদ হারের সাথে বড় ধরনের তফাতে গত কয়েক বছরে সাধারণ মানুষের টাকা জমা রাখার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছিল সঞ্চয়পত্র। ব্যাংকের বাইরে এখন সঞ্চয়পত্রে টাকা রাখতে বেশি আগ্রহী আমানতকারীরা। তবে এখানে বিনিয়োগে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিশেষ করে কেউ সঞ্চয়পত্র কেনার পর এক বছরের মধ্যে ভাঙালে কোনো সুদ পান না। তবে সুদহার বেশি হওয়ার কারণে গত কয়েকটি অর্থবছরে এর বিক্রি সরকারের বাজেটে ধরা লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যেতে থাকে। ফলে বাড়তে থাকে সরকারের সুদব্যয়।

এমন অবস্থায় সঞ্চয়পত্র বিক্রির রাশ টানতে গত বছরের জুলাই থেকে সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে টিআইএন ও ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক করে দেয় সরকার। অনলাইনে আবেদনের পাশাপাশি উৎসে করের হার পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়।

ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্রের বাইরে বিনিয়োগের একটি বড় জায়গা সরকারের বিল ও বন্ড। তবে এখানে টাকা রেখে গত জুনে শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ সুদ মিলেছে। এখানে বিনিয়োগ সুবিধার বিষয়ে সাধারণ মানুষের বেশিরভাগই জানেন না।

আর ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এখনও ৮ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত সুদ পাওয়া গেলেও কিছু প্রতিষ্ঠানের অবস্থা রুগ্ন হওয়ায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়ের প্রবণতা কম।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও পুঁজি হারানোর ভয়ে সেখানে যান না অনেকে।

সুদ যত কমই হোক, এই মুহূর্তে ব্যাংকে টাকা রাখা ছাড়া মানুষের সামনে আর কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করেন সালেহউদ্দিন আহমেদ৷ তিনি বলেন, ‘মানুষ তো ঘরে টাকা ফেলে রাখবেন না। বিকল্প সঞ্চয়ের মাধ্যমও তেমন নেই। একটি অংশ বেশি লাভের আশায় এমএলএম কোম্পানি, কো-অপারেটিভসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে পুরো টাকা খোয়ানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। ফলে ঘুরেফিরে ব্যাংকই সাধারণ মানুষের ভরসা। ব্যাংকে টাকা রেখে তাৎক্ষণিক তোলার সুযোগ, জমানো টাকা অনলাইন ও কার্ডে ব্যবহার, ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তাসহ বিভিন্ন কারণে ব্যাংকেই টাকা রাখতে বেশি আগ্রহী মানুষ’।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

‘অর্থ আত্মসাত’: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

‘অর্থ আত্মসাত’: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এজাহারে বলা হয়েছে, ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা ও তিন ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তারা ব্যাংকের প্রকৃত বেনিফিশিয়ারির অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠাননি। ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি লেনদেনের মাধ্যমে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়। 

১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামে ব্যাংক এশিয়ার দুই কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. ফজলুল বারী বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মামলাটি করেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর উপ পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন ব্যাংক এশিয়া চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভিপি ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র অফিসার এহতেশাম উদ্দিন জাহান আনসারী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পিঅ্যান্ড আর ট্রেডার্সের মালিক জাহান আনসারী, রিটজ মেরিন এন্টারপ্রাইজের মালিক এমদাদুল হাসান ও সেভেন সিজ বিডির মালিক তারেজকুজ্জামান।

এজাহারে বলা হয়েছে, ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা ও তিন ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তারা ব্যাংকের প্রকৃত বেনিফিশিয়ারির অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠাননি। ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি লেনদেনের মাধ্যমে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্থানান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করায় তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪(২) এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

শাহজালাল সার কারখানায় ৩৮ কোটি টাকা ‘আত্মসাৎ’

শাহজালাল সার কারখানায় ৩৮ কোটি টাকা ‘আত্মসাৎ’

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে শাহজালাল সার কারখানা। ছবি: সংগৃহীত

মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরিসহ প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারখানা প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ১০ জনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত সিলেট জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা করেন কমিশনের উপপরিচালক নূর ই আলম।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

তিনি জানান, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের হিসাব বিভাগীয় প্রধান (বরখাস্ত) খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল এবং প্রকল্পের সাবেক রসায়নবিদ (বরখাস্ত) নেছার উদ্দিন আহমদ।

অন্য আসামিরা হলেন খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালের স্ত্রী মেসার্স টিআই ইন্টারন্যাশনালের মালিক হালিমা আক্তার, মেসার্স রাফী এন্টারপ্রাইজের মালিক নূরুল হোসেন, ফালগুনী ট্রেডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএসএম ইসমাইল খান, মেসার্স আয়মান এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হক, মেসার্স এন আহমদ অ্যান্ড সন্সের মালিক নাজির আহমদ, মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের মালিক হেলাল উদ্দিন, মেসার্স ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের মালিক জামশেদুর রহমান খন্দকার এবং মেসার্স সাকিব ট্রেডার্সের মালিক আহসান উল্লাহ চৌধুরী।

মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরিসহ প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা আরিফ।

মামলার বিষয়ে শাহজালাল সার কারখানার কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পরই দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া প্রাকৃতিক গ্যাস সার কারখানা (এনজিএলএফ) দীর্ঘ দিন লোকসান গোনায় ওই কারখানার পাশেই প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজালাল সার কারখানা নির্মাণ করা হয়।

২০১৭ সালে প্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে কারখানাটি। তবে নানা কারণেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

করোনা মোকাবিলায় ব্র্যাকের সঙ্গে ৯ ব্যাংক

করোনা মোকাবিলায় ব্র্যাকের সঙ্গে ৯ ব্যাংক

‘করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুর্গ’ প্রকল্পের অধীনে ১৮ লাখ মানুষকে মাস্ক এবং করোনাভাইরাস প্রতিরোধসামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্র্যাকের উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ৯টি ব্যাংক হলো ব্র্যাক, ইস্টার্ন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, স্ট্যান্ডার্ড, ঢাকা, ব্যাংক এশিয়া, মার্কেন্টাইল, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও ডাচ বাংলা ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর এই অনুদান করোনার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ২০ জেলা, বিশেষত রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে ব্যয় করা হবে। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, ‘অনুদানের অর্থ ব্র্যাকের করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নেয়া দুটি উদ্যোগ- ‘করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুর্গ’ এবং ‘ডাকছে আবার দেশ’ এর কাজে ব্যয় হবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো, সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় জনগোষ্ঠীকে জরুরি সহায়তা দিতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের ৯টি ব্যাংক।

বেসরকারি ৯টি ব্যাংক এ বাবদ ১৫ কোটি ৯১ লাখ ৯৩ হাজার ৭২৮ টাকা অনুদান দিয়েছে। অনুদানের এ টাকা ব্যয় হবে ঝুঁকিপূর্ণ ২০ জেলায়।

৯টি ব্যাংক হলো ব্র্যাক, ইস্টার্ন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, স্ট্যান্ডার্ড, ঢাকা, ব্যাংক এশিয়া, মার্কেন্টাইল, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও ডাচ বাংলা ব্যাংক।

ব্যাংকগুলোর এই অনুদান করোনার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ২০ জেলা, বিশেষত রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে ব্যয় করা হবে। ৯টি ব্যাংকের মধ্যে ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংকের সাথে চুক্তি সই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, ‘অনুদানের অর্থ ব্র্যাকের করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নেয়া দুটি উদ্যোগ- ‘করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুর্গ’ এবং ‘ডাকছে আবার দেশ’ এর কাজে লাগানো হবে।

উদ্যোগ দুটির মূল কার্যক্রম হলো- মাস্ক বিতরণ এবং মেডিক্যাল সহায়তার মাধ্যমে কমিউনিটিতে রিসিলিয়েন্স গঠন এবং লকডাউনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা পরিবারগুলোতে জরুরি আর্থিক সহায়তা দেয়া’।

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি এই মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের উদ্দেশে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ ‘করপোরেট সোশাল রেসপন্সিবিলিটি’ (সিএসআর) কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় ব্যাংকগুলো ব্র্যাকের ‘ডাকছে আবার দেশ’ এবং ‘করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুর্গ’ দুইটি কার্যক্রমে অর্থায়ন করেছে।

এ ৯টি ব্যাংকের প্রতিশ্রুত টাকা থেকে ‘ডাকছে আবার দেশ’ উদ্যোগের অধীনে ব্যয় হবে ১৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা। যা দিয়ে ৭২ হাজার ১৬০টি পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা দেয়া হবে।

বাকি অর্থ দিয়ে ‘করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুর্গ’ প্রকল্পের অধীনে ১৮ লাখ মানুষকে মাস্ক এবং অন্যান্য করোনাভাইরাস প্রতিরোধসামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি এই রোগের উপসর্গযুক্ত ১০ হাজার মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হবে।

করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫টি জেলায় কমিউনিটিকে সংযুক্তিকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করার পাশাপাশি নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় যথাযথ সতর্কতা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রচারণা এবং ভ্যাকসিন রেজিস্ট্রেশনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ভুল তথ্য ও গুজব নিরসনেরও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে ।

‘ডাকছে আবার দেশ’ উদ্যোগটির মাধ্যমে প্রথম দফায় করোনার উচ্চঝুঁকিতে থাকা ১৯টি জেলায় ৫০ হাজার পরিবারে জরুরি খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিক সহায়তার এই তহবিল গঠিত হয়েছে ব্র্যাকের কর্মীদের একদিনের বেতন এবং এর সঙ্গে ব্র্যাকের সমপরিমাণ অর্থের অনুদান মিলিয়ে।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

করোনা মোকাবিলায় সারা দেশে ৩০ অক্সিজেন প্ল্যান্ট  

করোনা মোকাবিলায় সারা দেশে ৩০ অক্সিজেন প্ল্যান্ট  

দেশে এখন দিনে ২০০ টন অক্সিজেনের চাহিদা রয়েছে। ছবি: সাইফুল ইসলাম

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, ‘স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ৩০টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করার জন্য। বৈঠকে এ সংক্রান্ত  প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এডিবি প্রকল্পে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সারাদেশে ৩০টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসাবে সরকার। বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এদিন বৈঠক শেষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আহ ম মুস্তফা কামাল ।

তবে এতে কত টাকা ব্যয় হবে, কবে কাজ শুরু হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অর্থমন্ত্রী। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সঙ্গে কথা বলে পরের বৈঠকে এর ব্যাখ্যা দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

করোনা মহামারির মধ্যে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। রাজধানী ঢাকার সব হাসপাতালেই অক্সিজেন সংকট চলছে। জেলা পর্যায়েও একই পরিস্থিতি।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে এখন দিনে ২০০ টন অক্সিজেনের চাহিদা রয়েছে। জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এই চাহিদা ৩০০ টনে পৌঁছাবে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, ‘স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ৩০টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করার জন্য। বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।‘

তিনি জানান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এ প্রকল্পে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

রেমিট্যান্সে বাড়তি প্রণোদনার প্রস্তাব নাকচ অর্থমন্ত্রীর

বৈধ পথ বা ব্যাকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে এর ওপর বর্তমানে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবৃদ্ধির পেছনে এটি অন্যতম কারণ বলে বিবেচনা করা হয়।

এ খাতে অতিরিক্ত আরও ১ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হতে পারে এমন গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

ইতোমধ্যে যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে সেটি যথেষ্ঠ বলেও দাবি করেন আ হ ম মুস্তফা কামাল।

চলতি অর্থ বছরের প্রথম মাসে রেমিট্যান্স কিছুটা কমে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘শাটডাউনের কারণে এর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গণটিকা দান কর্মসূচি আবার শুরু হচ্ছে। এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং জনগণের মধ্যে আস্থা বাড়বে। এর ফলে আগামীতে রেমিট্যান্সের তেজি ভাব অব্যাহত থাকবে।’

মন্ত্রিসভা বৈঠকে ১ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দশটি দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি অর্থনেতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটিতে, বাকি নয়টি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

সিএসআরের টাকা বিতরণের সময় বাড়ল

সিএসআরের টাকা বিতরণের সময় বাড়ল

সিএসআরের টাকা বিতরণের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে বলছে, ‘১৪ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংকগুলো জেলা প্রশাসক বা এনজিও বা এমএফআই এবং নিজস্ব ব্যবস্থাপনা কিংবা সেনা কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে বিশেষ সিএসআর কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়।’

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য ব্যাংকগুলো সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির (সিএসআর) টাকা বিতরণের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ খাতে নির্দিষ্ট থাকা অর্থ বিতরণের সময় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে বলছে, ‘১৪ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংকগুলো জেলা প্রশাসক বা এনজিও বা এমএফআই এবং নিজস্ব ব্যবস্থাপনা কিংবা সেনা কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে বিশেষ সিএসআর কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়।’

বিশেষ এ কার্যক্রমের আওতায় তৃণমূল পর্যায়ে হত-দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে এ বিশেষ কাজকে বেগবান করার পরামর্শ দিয়েছে সেই সার্কুলারে।

সার্কুলারে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলপ্রসূ বাস্তবায়ন তদারকি নিশ্চিতের লক্ষ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ লক্ষ্যে জুনের বিতরণের প্রথম প্রতিবেদন ১০ আগস্টের মধ্যে দিতে হবে।

অন্য পাক্ষিক প্রতিবেদন (প্রতি মাসের ১৫ ও ৩০ তারিখ ভিত্তিক) প্রতি পক্ষকাল শেষ হওয়ার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের মহাব্যবস্থাপকের কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন

টিকা নিশ্চিতের শর্তে ভারতে ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব

টিকা নিশ্চিতের শর্তে ভারতে ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব

ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালাতে প্রস্তাব দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। ফাইল ছবি

বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভারত এরই মধ্যে আমাদের সাথে ফ্লাইট চলাচলে আগ্রহ দেখিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এয়ার বাবল চুক্তির মাধ্যমে ফ্লাইট শুরু করা যায় কি না তা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিতের শর্ত রেখে ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব দিয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে বুধবার পাঠানো হয়েছে।

বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভারত এরই মধ্যে আমাদের সাথে ফ্লাইট চলাচলে আগ্রহ দেখিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এয়ার বাবল চুক্তির মাধ্যমে ফ্লাইট শুরু করা যায় কি না তা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।’

দেশে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত ১৪ এপ্রিল বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। ১৬ দিন বন্ধ থাকার পর ১ মে ১২টি ছাড়া সব দেশের সঙ্গেই আকাশপথ খুলে দেয়া হয়। এই ১২টি দেশের মধ্যে ছিল ভারত।

পরে বিভিন্ন সময় নিষেধাজ্ঞায় থাকা দেশের তালিকায় সংযোজন-বিয়োজন হলেও ভারতের সঙ্গে আকাশ পথ বন্ধই রয়েছে।

সবশেষ ৫ জুলাই থেকে ভারতসহ ৮টি দেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে বেবিচক।

এর আগেও গত বছর দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে বেশ কয়েকমাস বন্ধ ছিল ভারতের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ। পরে গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

সম্প্রতি ভারতে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল শুরু বিষয়ে আগ্রহ দেখায় ভারত। এ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি প্রস্তাবও দেয়া হয় দেশটির তরফ থেকে।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন আগস্ট থেকে ফ্লাইট শুরু হতে পারে বলে গত ২৭ জুলাই গণমাধ্যমকে ধারণা দিয়েছিলেন।

তখন তিনি বলেন, ‘আমরা সীমিত আকারে ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব দিয়েছি। আগস্টের কোনো একটা সুবিধাজনক সময়ে এটা শুরু করার ব্যাপারে আশা রাখি।

‘আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশের কোভিড সংক্রান্ত পরিসংখ্যান বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকি। যেহেতু ভারতের আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমেছে, সে অনুযায়ী আমরা মনে করছি, বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করতে পারি আমরা।’

ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর বিষয়টি কতদুর এগুলো জানতে চাইলে বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান বলেন, ‘ফ্লাইট শুরুর বিষয়ে আমরা আমাদের কিছু শর্তের কথা তাদের জানিয়েছি। এর মধ্যে সব যাত্রীর যেন টিকা থাকে সে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

‘কোন কোন ক্যাটাগরির যাত্রীদের নিয়ে ফ্লাইট চলাচল করা যাবে সে বিষয়েও তাদের দেয়া চিঠিতে দেয়া হয়েছে। তবে শুরুতে অবশ্যই সীমিত আকারে ফ্লাইট শুরু হবে।’

তিন দেশি এয়ারলাইনস বিমান, নভো এয়ার ও ইউএস বাংলা এয়ার ছাড়াও ভারতের বেশ কয়েকটি বিমান সংস্থা স্বাভাবিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট চালিয়ে থাকে। ভারতের এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া, ইনডিগো, স্পাইসজেট, ভিস্তারা ও গোএয়ার।

আরও পড়ুন:
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২ লাখ খামারি পাবেন প্রণোদনা
সরকারের টাকায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন আর না
প্রণোদনার সিংহভাগই পাচ্ছেন পোশাকমালিকরা
এসএমইতে দ্বিতীয় প্রণোদনার আবেদন শুরু সোমবার
আবার টাকা চায় পোশাকশিল্প মালিকরা

শেয়ার করুন