পুঁজিবাজারে ৬৬ কোম্পানির সর্বনিম্ন মূল্য বা ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলেও দেড় মাস পর হিসেব করলে দেখা যাবে, প্রায় অর্ধেক পরিমাণ শেয়ারের দাম ফ্লোর থেকে বেড়েছে। যেগুলোর দাম কমেছে, সেগুলোর অনেকগুলোর দামও ফ্লোরের আশপাশেই আছে।
তবে যে ৬৬ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হতো না বললেই চলে, তার সবগুলোই এখন প্রতিদিন বেশ ভালো পরিমাণ হাতবদল হচ্ছে।
এসব কোম্পানির লেনদেনে গতি আসায় বাজারেও লেনদেনে প্রভাব পড়েছে। আর এই বিষয়টি পর্যালোচনা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি সব শেয়ারেই ফ্লোর প্রাইস পর্যায়ক্রমে তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত ঘোষণা এখনও আসেনি।
গত বছর করোনা সংক্রমণের পর শেয়ার দরে ধস ঠেকাতে সব শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেয়া হয়। তবে এবার করোনা পরিস্থিতিতে গত ৬ এপ্রিল হঠাৎ করেই বিএসইসির বিজ্ঞপ্তি আসে। জানানো হয় ৭ এপ্রিল থেকে ৬৬ কোম্পানির শেয়ারের কোনো সর্বনিম্ন মূল্য থাকবে না।
এই সিদ্ধান্ত আসার পর শেয়ারগুলোর পতন ঘটতে থাকে ঢালাওভাবে। আর শেয়ারধারীদের পুঁজিরক্ষায় পরদিনই বিএসইসি দেয় নতুন সিদ্ধান্ত। এসব শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ১০ শতাংশ থাকলেও দর হারানোর সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ বেঁধে দেয়া হয়।
নিউজবাংলা সম্প্রতি হিসাব করে দেখেছে ৬৬ কোম্পানির মধ্যে দুইটির লেনদেন হয়নি। এর একটির লেনদেন স্থগিত, আর একটির লেনদেনের সাম্প্রতিক ইতিহাস নেই।
বাকি শেয়ারগুলোর মধ্যে বুধবার পর্যন্ত দর বেড়েছে ৩০টির। কমেছে ৩৪টির।
কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ফ্লোর প্রত্যাহারের পর পর লেনদেনে গতি এসেছে। কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে দেখা গেছে, কয়েক দিন সময় লেগেছে, কোনো কোনো কোম্পানির লেনদেনে গতি আসতে আসতে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে গেছে। তবে এখন প্রায় সব শেয়ারেরই বেশ ভালো পরিমাণে লেনদেন হচ্ছে।
জানতে চাইলে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টের সাবেক প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘৬৬টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়া হয়েছে সেগুলো এখন লেনদেন হচ্ছে। দামের উত্থানপতনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করছে। এটা ভালো দিক।’
তিনি বলেন, ‘বিএসইসি যদি সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দিয়ে তাহলে যেন বর্তমানে সর্বনিম্ন ২ শতাংশ কমার সুবিধাটি অব্যাহত রাখে।’
গত বছর করোনা সংক্রমণ শুরু হলে সব শেয়ারের সর্বনিম্ন দাম বেঁধে দেয় বিএসইসি
লেনদেন বাড়ার চিত্র
ফ্লোর প্রত্যাহারের আগে মেট্রো স্পিনিং মিলসের শেয়ার ১ এপ্রিল ১ হাজার ৩০, ৫ এপ্রিল ১৪ হাজার ৮২১টি হাতবদল হয়। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন ছিল ২৪ হাজার ৭১১টি। তবে পরে লেনদেন বাড়তে বাড়তে ১৮ মে পৌঁছেছে ৭১ লাখ ১৪ হাজার ৪৯১টি।
এই কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৮ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ২০ পয়সা। শতকরা হিসেবে দাম বেড়েছে ৫৪ শতাংশ।
ফ্লোর প্রত্যাহারের আগে কাট্টলী টেক্সটাইলের লেনদেন হতো না বললেই চলে। তবে এখন দাম বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে কয়েক গুণ।
ফ্লোর প্রত্যাহারের দুই দিন আগে ৫ মে লেনদেন হয় ৭০১টি। ৭ এপ্রিল লেনদেন বেড়ে হয় ২ লাখ ৬৯ হাজার ১৬২। এরপর বাড়তে বাড়তে ১২ মে হাতবদল হয় ১ কোটি ২৫ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫১টি। ১৬ মে হাতবদল হয় আরও ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৪ হাজার ৩৫৪টি।
কাট্টলীর ফ্লোর প্রাইস ছিল ৯ টাকা ৩০ পয়সা। প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৭০ পয়সা।
ফ্লোর ওঠার আগের দিন প্রাইম টেক্সটাইলের শেয়ার হাতবদল হয়েছে ৯ হাজার ৩৪২টি। ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯২টি। আর ৯ মে হাতবদল হয় ৭ লাখ ৯৮ হাজার ১৩৪টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৫ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১০ পয়সা।
বিমা খাতে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে চাঙা ভাবের মধ্যেও স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের লেনদেনের গতি ছিল কম। ফ্লোর ওঠার আগে এমনও দিন গেছে কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি, কোনো দিন হয়েছে ১০৬টি।
তবে ফ্লোর ওঠার পর ২৮ এপ্রিল ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৯৭টি, ১২ মে ২৩ লাখ ৫২৬টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪০ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ৬০ পয়সা।
ফ্লোর ওঠার আগে রূপালী ব্যাংকের ১ এপ্রিল শূন্য, ৪ এপ্রিল ১৮৫, ৫ এপ্রিল ২২০ শেয়ার লেনদেন হয়।
তবে ৭ এপ্রিল ফ্লোর ওঠার দিন ১৫ হাজার ৫৫০টি শেয়ার হাতবদল হয়। ১২ মে হয় সর্বোচ্চ লেনদেন। সেদিন হাতবদল হয় ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৮টি শেয়ার।
এই ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৪০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ১০ পয়সা।
ফ্লোর ওঠার আগে ৫ এপ্রিল এস্কয়ার নিট কম্পোটিজ লেনদেন ছিল ৩৪ হাজার ৬৬০টি শেয়ার। তবে ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৮৬টি শেয়ার। এরপর বাড়তে বাড়তে ১৬ মে হাতবদল হয় ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৯টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১ টাকা ৯০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৯০ পয়সা।
ফ্লোর প্রত্যাহারের আগে ৪ ও ৫ এপ্রিল ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স শূন্য, ৬ এপ্রিল হাতবদল হয় ১ হাজার ৩০০ শেয়ার। ফ্লোর তুলে নেয়ার পর ৭ এপ্রিল কেনাবেচা হয় ৩ হাজার ৪৫০টি। তবে ৫ মে সর্বোচ্চ লেনদেন হয় ৭ লাখ ১১ হাজার ৮১৭টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪০ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৬ টাকা ৮০ পয়সা।
৪ এপ্রিল আইপিডিসি ফিন্যান্সের শেয়ার লেনদেন হয় ২২ হাজার ৩৮৬টি। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় ৮৪ হাজার ২৩টি শেয়ার। ১৯ মে বেড়ে হয় ছয় লাখ ৭ হাজার ৭৯৩টি।
কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৬০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৫০ পয়সা।
৪ এপ্রিল ফিনিক্স ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন ছিল ৩৪ হাজার ৬২৮টি। ফ্লোর ওঠার দিন হাতবদল হয় ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩টি। আর ৫ মে হয় সর্বোচ্চ লেনদেন। সেদিন হাতবদল হয় ৩৪ লাখ ৪৩ হাজার ১২টি।
ফান্ডটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা।
ফিনিক্স ফিন্যান্সের শেয়ার ১ থেকে ৪ এপ্রিল একটিও লেনদেন হয়নি। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় ২০০টি। এরপর গতি পেয়ে একপর্যায়ে ৩ মে হাতবদল হয় ২ লাখ ৯ হাজার ৯৩৩টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৮০ পয়সা।
২৮ মার্চ এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ডের ৪ হাজার ৪৩৮টি ইউনিট হাতবদল হয়। ৪ এপ্রিল হয় ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৯৩টি। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন লেনদেন হয় ১০ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৪টি।
সর্বোচ্চ লেনদেন হয় ৪ মে ২৫ লাখ ১৭ হাজার ৯০৫টি।
ফান্ডটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৩০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের লেনদেন ছিল একেবারেই তলানিতে। ৭ এপ্রিল ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় তিনটি শেয়ার। পরে বেড়ে ১৬ মে লেনেদেন হয় ৩৫ লাখ ৪১ হাজার ২২২টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭০ পয়সা।
৪ এপ্রিল বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের ৪৯২টি, ৬ এপ্রিল হাতবদল হয় এক হাজার ৬০৫। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন লেনদেন হয় ১১ হাজার ৫৪২টি। ১২ মে হয় সর্বোচ্চ ছয় লাখ ৪৮ হাজার ৩৪৯টি হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৬ টাকা ২০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪০ পয়সা।
ফ্লোর তোলার আগের দিন আর এন স্পিনিংয়ের লেনদেন ছিল ৭৩ হাজার ৮০১টি। পরদিন হাতবদল হয় ৯৭ হাজার ৪৫১টি। লেনদেন পরে কমে গেলেও আবার বাড়তে বাড়তে ২০ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫১টিতে উঠে ৬ মে।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৭০ পয়সা।
ফ্লোর প্রত্যাহারের আগের দিন আইএফআইএল ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ইউনিট হাতবদল হয় নয় হাজার পাঁচটি। পরদিনই হয় এক লাখ তিন হাজার ৩৮১টি। আর ১২ মে সর্বোচ্চ লেনদেন। হাতবদল হয় এক লাখ ৯১ হাজার ১৪০টি।
ফান্ডটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ২০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৫০ পয়সা।
১ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বেঙ্গল উন্ডশন থার্মোপ্লাস্টিসের কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় ছয় হাজার ৫০৮টি। ১২ মে দুই লাখ এক হাজার ৪৭৪টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৭ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৬০ পয়সা।
সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালেসের শেয়ার ফ্লোর প্রত্যাহারের দুই দিন আগে ৫ এপ্রিল শূন্য ও ৬ এপ্রিল ১৭১টি হাতবদল হয়। ৭ এপ্রিল হয় ১২ হাজার ২৩৯টি। আর সর্বোচ্চ লেনদেন হয় ১৬ মে ২০ লাখ ৪৫ হাজার ৪১১টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১২ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৪০ পয়সায়।
২১ মার্চ থেকে শুরু হরে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন ছিল একেবারেই কম। ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় ৬ লাখ ৪১ হাজার ৭৩২টি। সর্বোচ্চ লেনদেন হয় ১২ মে ১৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৯২টি।
ফান্ডটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৯০ পয়সা। বুধবার তা দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সা।
দেশবন্ধু পলিমারের শেয়ার ৪ এপ্রিল ১১৫টি, ৫ এপ্রিল ১৩ হাজার ১০টি শেয়ার হাতবদল হয়। ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় দুই লাখ চার হাজার ৯৮১টি। ১৬ মে হাতবদল হয় ১৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৩টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০ টাকা ৪০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ১০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে এমনকি ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত ইভেন্স টেক্সটাইলের লেনদেন ছিল খুবই কম। ৭ এপ্রিলও কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। তবে লেনদেন বাড়তে বাড়তে ১৬ মে উঠে ৩৩ লাখ ২১ হাজার ৬৭০টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৮ টাকা ২০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৬০ পয়সা।
১ এপ্রিল ৮৫, ৪ এপ্রিল ১১টি ও ৫ এপ্রিল একটি শেয়ার লেনদেন হয় হামিদ ফেব্রিক্সের। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন তা বেড়ে দাঁড়ায় এক হাজার ৪৭০টি। পরে বাড়তে বাড়তে আট লাখ ৭৯ হাজার ২১৭টি শেয়ার লেনদেন হয় ১৬ মে।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৫ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩০ পয়সা।
প্যাসিফিক ডেনিমের শেয়ার ১১ মার্চ থেকে লেনদেন হতোই না বললে চলে। ১ এপ্রিল এক হাজার ৫০৩, ৪ এপ্রিল এক হাজার ৩৬৭, ৫ এপ্রিল শূন্য, ৬ এপ্রিল চার হাজার ৪৬৯টি শেয়ার হাতবদল হয়। ৭ এপ্রিল হয় এক হাজার ৬৭৬টি।
এরপর বাড়তে বাড়তে ১২ মে ৫১ লাখ এক হাজার ৮৩৭টি আর ১৬ মে ৫২ লাখ দুই হাজার ১৬টি শেয়ার লেনদেন হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৮ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৯০ পয়সা।
সাফকো স্পিনিং এর শেয়ার ১ এপ্রিল লেনদেন হয় এক হাজার ২৪৫টি, ৫ এপ্রিল ১০১, ৬ এপ্রিল ছয় হাজার ৮৪৫টি। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন লেনদেন ছিল ৫০০টি। তবে লেনদেন বেড়ে ১৬ মে হয় আট লাখ তিন হাজার ১১১টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১ টাকা ২০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লোর প্রত্যাহারের পরেও ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত জাহিন স্পিনিং মিলসের লেনদেন ছিল একেবারেই কম। কোনো কোনোদিন কোনো শেয়ারই কেনাবেচা হয়নি।
৭ এপ্রিল ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় দুইশটি শেয়ার। তবে বাড়তে বাড়তে ১৬ মে হাতবদল হয় ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৯১টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৩০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ১০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লোর প্রত্যাহারের পরেও ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত রিং সাইন টেক্সটাইলের লেনদেন হয়নি বললেই চলে। ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় কেবল ৫০টি। তবে ২৯ এপ্রিল থেকে বাড়তে থাকে লেনদেন। ১৯ মে হাতবদল হয় এক কোটি ৪৪ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬২টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৪০ পয়সা। বুথবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ১০ পয়সা।
২৪ মার্চ থেকে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলসের লেনদেনের খরা ছিল। ৫ এপ্রিল শূন্য, ৬ এপ্রিল দুই হাজার ১০৪টি আর ৭ এপ্রিল ৫টি শেয়ার হাতবদল হয়। ১৬ মে লেনদেন বেড়ে হয় ১৪ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮১।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন ছিল না বললেই চলে। ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় কেবল ৫টি শেয়ার। তবে ১৩ এপ্রিল থেকে গতি পায় লেনদেনে। ৯ মে হাতবদল হয় ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ৯৯টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা।
৪ এপ্রিল শূন্য, ৫ এপ্রিল ৬৬৩, ৬ এপ্রিল ৫ এমনকি ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি কুইন সাউথ টেক্সটাইলের। তবে পরে বাড়তে বাড়তে ১৬ মে হাতবদল হয় আট লাখ ৬ হাজার ২৯৫টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লোর প্রত্যাহারের পর ৭ এপ্রিল পর্যন্ত শাসা ডেনিমের শেয়ার লেনদেন হয়নি বললেই চলে। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় মাত্র ২০টি শেয়ার। তবে এরপর ১৬ মে ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৬৮টি শেয়ার লেনদেন হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১ টাকা ৬০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮০ পয়সা।
ফ্লোর প্রত্যাহারের আগের দিন ৬ মে অলেম্পিক একসেসরিসের লেনদেন হয় পাঁচ হাজার ১৩২টি শেয়ার। পরদিন ফ্লোর উঠে যাওয়ার দিন হাতবদল হয় ১৪ হাজার ৪৭৯টি শেয়ার।
সর্বোচ্চ হাতবদল হয় ১৮ মে এক লাখ ৭২ হাজার ৭২২টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৬ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৮০ পয়সা।
৪ এপ্রিল নাভানা সিএনজির দুই হাজার ১১১, পরদিন আট হাজার ৮৯৭, ৬ এপ্রিল ২২ হাজার ৮৩০টি শেয়ার হাতবদল হয়। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন দরপতন হলে শেয়ারের লেনদেন কমে আসে। হাতবদল হয় ছয় হাজার ৭৮৭টি। তবে ১৭ মে হাতবদল হয় দুই লাখ ৭৫ হাজার ২৩৩টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৩ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা।
ফ্লোর প্রাইস থেকে কমেছে যেগুলো
২২ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এমএল ড্রাইংয়ের লেনদেন হয়নি বললেই চলে। ফ্লোর তুলে দেয়ার দিন একটি শেয়ারও হাতবদল হয়নি। তবে ২৯ এপ্রিল থেকে গতি পায় লেনদেনে। ১২ মে সর্বোচ্চ ৫১ লাখ ৭০ হাজার ৬৪১টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৫০ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন ছিল তলানিতে। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল কোনো শেয়ারই হাতবদল হয়নি। তবে ২৯ এপ্রিল থেকে লেনদেনে গতি আসে। আর ১৭ মে সর্বোচ্চ ৪৯ লাখ ৯৯ হাজার ৬০১টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২১ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সোনারগাঁও টেক্সটাইলের লেনদেন হয়নি বললেই চলে। ফ্লোর তুলে নেয়ার দিন ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় ৪৪৫টি। ২৮ এপ্রিল হয় ১০টি। তবে এরপর লেনদেনে আসে গতি। ২ মে লেনদেন হয় আট রাখ ৫৬ হাজার ৭১৮টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৬০ পয়সা।
৫ এপ্রিল আরএসআরএম স্টিল মিলসের ৩০টি, পরদিন ১২টি আর ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল ৩৫০টি শেয়ার হাতবদল হয়। লেনেদেন বাড়তে বাড়তে ২৯ এপ্রিল ৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৩৬টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৯০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল ফ্লোর উঠার দিন পর্যন্ত ওয়াইমেক্স ইলেকট্রোডের লেনদেন ছিল তলানিতে। ফ্লোর উঠার দিন হাতবদল হয় ২০১টি শেয়ার। তবে ২২ এপ্রিল থেকে গতি পায় লেনদেনে। ২৯ এপ্রিল সর্বোচ্চ তিন লাখ ৯৬ হাজার ৭৬২টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৩০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কোনো কোনো দিন কেপিসিএলের এমনকি একটি শেয়ারও হাতবদল হয়েছে। ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় ২১ হাজার ৩৬৫টি শেয়ার। পরে বাড়তে বাড়তে ২৯ এপ্রিল হাতবদল হয় ৩৯ লাখ ১৪ হাজার ২৭৫টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৫ টাকা ৩০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৩০ পয়সা।
২২ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হাতবদল হওয়া শেয়ারের পরিমাণ ছিল খুবই কম। ফ্লোর প্রাইস ওঠিয়ে দেয়ার দিনও কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। ১৫ এপ্রিল থেকে হাতবদল হতে শুরু করে কোম্পানিটির শেয়ার। সর্বোচ্চ হাতবদল হয় ১৯ মে ১৩ লাখ ২ হাজার ৫৩টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ২৪ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩০ পয়সা।
আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্লোর উঠানোর আগে লেনদেনে কোনো গতি ছিল না। যেদিন ফ্লোর প্রাইস ওঠিয়ে দেয়া হয় সেদিনও কোম্পানিটির মাত্র ৩৯৫টি শেয়ার লেনেদেন হয়। তবে সর্বোচ্চ হাতবদল হয়েছে ১৬ মে, ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৬টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৬ টাকা ২০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ১০ পয়সায়।
৪ এপ্রিল ফার ক্যামিকেলের এক হাজার, ৫ এপ্রিল শূন্য, ৬ এপ্রিল পাঁচশটি শেয়ার লেনদেন হয়। ফ্লোর উঠার পর ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় তিন হাজার ৫৫০টি। এরপর বাড়তে বাড়তে ১৬ মে হাতবদল হয় ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ৮৩৮টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৯ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ২০ পয়সা।
৪ এপ্রিল গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রোর ৭০০, ৫ এপ্রিল শূন্য, ৬ এপ্রিল এক হাজার চারশ শেয়ার হাতবদল হয়। ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ২৫৪টি। এরপর ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত লেনদেনে দেখা দেয় খরা। পরে ২০ এপ্রিল হাতবদল হয় ৩৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮৬টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৬ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৮০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালের লেনদেনে ছিল খরা। ফ্লোর উঠার দিন হাতবদল হয় ৬৪৭টি শেয়ার। তবে এরপর বাড়তে বাড়তে ১২ মে পৌঁছে ২৭ লাখ ৩০ হাজার ৪৮৫টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৯ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের লেনদেন ছিল তলানিতে। ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। তবে ২৯ এপ্রিল থেকে লেনদেনে আসে গতি। আর ২ মে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৬টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৭ টাকা ৬০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩০ পয়সা।
১ ও ৪ এপ্রিল নাহী অ্যালুমিনিয়ামের শূন্য, ৫ এপ্রিল ৫০, ৬ এপ্রিল ১০৩টি শেয়ার হাতবদল হয়। ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় এক হাজারটি শেয়ার। আর এরপর বাড়তে বাড়তে ১৬ মে উঠে ১২ লাখ ৩৬ হাজার ২৯২টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৭ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সায়হাম কটনের লেনদেন ছিল তলানিতে। এরপর বাড়তে বাড়তে ২ মে হাতবদল হয় ৩৬ লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৩টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৬ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন ছিল তলানিতে। ৭ এপ্রিল ফ্লোর উঠার দিন হাতবদল হয় ৫০০টি শেয়ার। ১৬ মে হাতবদল হয় ৫ লাখ ৬১ হাজার ৮৯২টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৫ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩০ পয়সা।
১ এপ্রিল প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ১৩১টি, ৩ এপ্রিল এক হাজার একটি, ৫ এপ্রিল ১৪ হাজার ৬৬০টি, ৬ এপ্রিল ২১৬টি শেয়ার হাতবদল হয়।
ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় পাঁচ হাজার ৯৭০টি। ১৮ মে হয় সর্বোচ্চ লেনদেন। হাতবদল হয় ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৬১৩টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৮ টাকা ৯০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সায়হাম টেক্সটাইলের লেনদেন একেবারে তলানিতে। ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি। তবে ২৯ এপ্রিল থেকে গতি পায় লেনদেনে। ২ মে সর্বোচ্চ ২৯ লাখ ৯৮ হাজার ৮৭৩টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ১০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে একদিন ৮ মার্চ ১৯ হাজারের কিছু বেশি শেয়ার লেনদেন ছাড়া ৭ এপ্রিল পর্যন্ত উত্তরা ফিন্যান্সে আগ্রহ ছিল না বললেই চলে। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন লেনদেন হয় ১৮৭টি শেয়ার।
লেনদেন বাড়তে থাকে ১৩ এপ্রিল থেকে। ২০ এপ্রিল সর্বোচ্চ এক লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৯টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৩ টাকা ৬০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের লেনদেন ছিল না বললেই চলে। ফ্লোর উঠার দিন হাতবদল হয় এক হাজার ৩২৫টি। ১২ এপ্রিলের পর বাড়তে বাড়তে ১২ মে লেনদেন পৌঁছে ৩৪ লাখ ৫ হাজার ৩৫০টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪০ পয়সা।
১ এপ্রিল উসমানিয়া গ্লাস শিটের ২০০, ৪ এপ্রিল একটি শেয়ার হাতবদল হয়। ফ্লোর উঠার দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় এক হাজার ১৩০টি। পরদিনই হয় গত এক দেড় মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন। সেদিন হাতবদল হয় ৩০ হাজার ৮৪৫টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৫০ পয়সা।
৪ এপ্রিল সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের ২০৫টি, ৬ এপ্রিল ৭৫২টি এবং ফ্লোর প্রত্যাহারের দিক ৭ এপ্রিল হাতবদল হয় ৪৮০টি শেয়ার। এরপর বাড়তে বাড়তে ১৭ মে লেনদেন পৌঁছে তিন লাখ ৩৮ হাজার ৬৪৫টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৮ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৮০ পয়সা।
২৪ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ইউনিক হোটেলের লেনদেন ছিল তলানিতে। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় ৫১টি শেয়ার। তবে পরে গতি পায়। ৬ মে সর্বোচ্চ এক লাখ ৮৭ হাজার ৬৭২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ২০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ ছাড়া ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সিলভা ফার্মার লেনদেন ছিল তলানিতে। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় এক হাজার ১৪টি শেয়ার। তবে ১৬ মে হাতবদল হয় সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ২৯৮টি শেয়ার।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৮ টাকা ৩০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩০ পয়সা।
১ এপ্রিল দুলামিয়া কটনের ১৫০, ৪ এপ্রিল শূন্য, ৫ এপ্রিল ৪৮, ৬ এপ্রিল ১১৫ শেয়ার হাতবদল হয়। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি। তবে পরে ১৮ মে লেনদেন বেড়ে হয় ২৬ হাজার ১৬০টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ৪৮ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৯০ পয়সা।
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নূরানী ডাইংয়ের বলার মতো কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। ৭ এপ্রিল ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন লেনদেন হয় কেবল এক হাজার শেয়ার। পরে বাড়তে বাড়তে ১৬ মে লেনদেন হয় ২১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৭৪টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৭ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৪০ পয়সা।
১ এপ্রিল ইয়াকিন পলিমারের ৯৫৬, ৪ এপ্রিল এক হাজার ৭৫০, পরদিন চার হাজার ৪৫০, ৬ এপ্রিল তিন হাজার ২৮২টি শেয়ার হাতবদল হয়। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন ৭ এপ্রিল লেনদেন হয় সাত হাজার ৬৫টি শেয়ার। আর সর্বোচ্চ হাতবদল হয় ২ মে নয় লাখ ৯৫ হাজার ২১৯টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১১ টাকা ১০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫০ পয়সা।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দর দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা।
৪ এপ্রিল শূন্য, ছয় এপ্রিল তিনটি শেয়ার হাতবদল হয় এএফসি এগ্রো বায়োটেকের। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় ৫০০ টি। ১৬ এপ্রিল লেনদেন বেড়ে হয় নয় লাখ ৭৯ হাজার ৫৩৯টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৭ টাকা। বুধবার তা দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪০ পয়সায়।
আরগন ডেনিমের শেয়ার ৪ ও ৫ এপ্রিল লেনদেন হয়নি একটিও। ফ্লোর প্রত্যাহারের আগের দিন ৬ এপ্রিল ১০৩টি হাতবদল হলেও প্রত্যাহারের দিনও কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। পরে জট খোলার পর নিয়মিত হাতবদল হতে থাক শেয়ার। ১৬ মে সর্বোচ্চ ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭০২টি শেয়ার হাতবদল হয়।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৯ টাকা ২০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১০ পয়সা।
১ ও ৪ এপ্রিল বিচ হ্যাচারির শূন্য, ৫ এপ্রিল ৮০, ৬ এপ্রিল ৭৪৩টি শেয়ার হাতবদল হয়। ৭ এপ্রিল লেনদেন বেড়ে হয় ১৩ হাজার ২৩৫টি। সর্বোচ্চ লেনদেন হয় ৪ মে দুই লাখ ৫২ হাজার ৪৯০টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৩ টাকা ৬০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ২০ পয়সা।
কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার ৫ এপ্রিল ৩০২, ৬ এপ্রিল লেনদেন হয়েছে একটি। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হয় চার হাজার। ১৬ মে লেনদেন হয় ১০ লাখ ৫১ হাজার তিনটি।
লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস ছিল ২০ টাকা ৭০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৭০ পয়সা।
২৪ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ডেসকোর লেনদেন হয়নি বললেই চলে। ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন হাতবদল হয় ৪৩০টি। তবে ১৫ এপ্রিল হাতবদল হয় দুই লাখ তিন হাজার ৪০০টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার তা দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৩০ পয়সা।
৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল গ্লোবাল হ্যাভি ক্যামিকেলের কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি। ৪ এপ্রিল হয় দুটি, ৫ এপ্রিল ৪৮১ আর ৬ এপ্রিল আবার কোনো শেয়ার হাতবদল হয়নি।
ফ্লোর প্রত্যাহারের দিন লেনদেন হয় ৫ হাজার ৯৭৬টি। এরপর বাড়তে বাড়তে ১২ মে হয় ৮২ হাজার ৬৮২টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩১ টাকা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৬০ পয়সা।
ফ্লোর প্রত্যাহারের আগে বেশ কয়েকদিন কোনো লেনদেন না হওয়া এডভান্ট ফার্মার শেয়ার হাতবদল হয়নি ফ্লোর প্রত্যাহারের দিনও। ১৮ এপ্রিল তিন হাজার ৪২৭টি শেয়ার হাতবদলের পর বাড়তে থাকে লেনদেন। ১৬ মে হাতবদল হয় ৫১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৫০টি।
কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা।
ছবি: সংগৃহীত
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে দুদক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
আকতারুল ইসলাম বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যর্পণ পত্র পাঠানো হয়েছে। এটি আজই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই আবেদনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠানো হবে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা এড়াতে এবং প্রক্রিয়াটি সহজ করতে প্রত্যর্পণ আবেদনপত্রটি ইংরেজি ও আরবি—এই দুটি ভাষায় অনুবাদ করে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় গতি আনতে দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)-এর দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দুদক কার্যালয়ে আসে। প্রতিনিধিদলটি সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অনুসন্ধান ও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে দুদকে গঠিত সংশ্লিষ্ট বিশেষ টিমের সঙ্গে বৈঠক করে এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ও তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।
বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার আছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের সহযোগিতাসহ কূটনৈতিক ও আইনি চ্যানেলগুলো ব্যবহার করছে সরকার।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করায় হাইকোর্টে যেকোনো দিন মামলাটির শুনানি শুরু হতে পারে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
গত ১৯ মে পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মাত্র ১৯ দিন পর রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, এই অর্থ ভিকটিম রামিসার উত্তরাধিকারীরা পাবেন। যদি আসামিরা জরিমানা দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা ভিকটিমের পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখমের ভয়াবহ প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রধান আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন। অপরাধ সংঘটনে তাদের ভূমিকা এবং তা প্রতিরোধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়টি আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য বিচারিক আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় ও মামলার নথিপত্র গত ৯ জুন হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। সেখানে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুই আসামি জেল আপিল করেন।
গত ১৪ জুন বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। পরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।
এরই মধ্যে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের জেল আপিলের শুনানি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক প্রস্তুত করেছে হাইকোর্ট।
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিরোধী দলসহ গণমানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখা এবং দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করাই বর্তমান বিএনপি সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) বাংলাদেশের আবাসিক প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান স্পিকার। জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বিকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে সরকার ও বিরোধী দল আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে ঐকমত্যে পৌঁছাবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্পিকার। আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টরকে তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকটসহ জাতীয় ইস্যুগুলোতে বিরোধী দল আন্তরিকভাবে সংকট উত্তরণে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সঙ্গে সকল বিষয়ে আলোচনা করে সার্বিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন স্পিকার।
বিগত আওয়ামী শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের প্রসঙ্গ তুলে এ অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে মার্কিন সহযোগিতা কামনা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। শেখ হাসিনার দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলের নিপীড়নের উদাহারণ দিতে গিয়ে স্পিকার বললেন, আয়নাঘর, গুম-খুন ও বিরোধী মতের দমন-পীড়ন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।
সাক্ষাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আইআরআইয়ের সহযোগিতার প্রস্তাব দেন জন ফ্লুহার্টি।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ধীরে ধীরে সংসদের কার্যপ্রণালীসমূহ আয়ত্তে আনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্পিকার বললেন, ইতোমধ্যে ইউএনডিপি সংসদ সদস্যদের জন্য অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করে বিশেষজ্ঞগণের মাধ্যমে সংসদ সদস্যগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দিয়েছে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা স্পিকারকে জানান জন ফ্লুহার্টি।
বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া ও ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের কনসালট্যান্ট অমিতাভ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি সরানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্দেশিকা মেনেই তোলা হচ্ছিল মাটি।
সামাজিক মাধ্যমে মাটি তোলার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় বিতর্ক। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে মাটি কাটলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেতুর পিলার।
পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় মাটি ও বালু অপসারণ করা হচ্ছিল ওই এলাকায়- জানাল পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্য, এটি জলাশয় পুনরুদ্ধারের জন্য প্রকল্পের অনুমোদিত পরিকল্পনার অংশ। ‘এতে সেতুর কাঠামোগত কোনো ঝুঁকি নেই’- দাবি কর্মকর্তাদের।
প্রকল্পের উপপরিচালক আমিনুল করিম জানান, ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর ৭৬ থেকে ৯০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা আগে জলাশয় ছিল। ভায়াডাক্ট নির্মাণের জন্য সেখানে মাটি ও বালু ফেলে ভরাট করেছিল চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। এখন আগের জলাশয় পুনরুদ্ধারে কাজ চলছিল পরিবেশবান্ধব নির্দেশিকার আওতায়।
তার ভাষ্য, ‘এ বিষয়ে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ওই স্থানে জলাশয় রাখার পরিকল্পনা ছিল প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী। কাঠামোগত নিরাপত্তা বিবেচনায় পাইল ও পাইল ক্যাপের ভিত্তির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ভায়াডাক্ট। ফলে মাটি অপসারণে সেতুর কোনো ক্ষতি হবে না।’
এ নিয়ে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বললেন, ‘যারা মাটি কাটছিল, তারা দাবি করেছে- এ কাজের ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে প্রকল্পের নির্মাণকারী চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। এটি প্রকল্পেরই অংশ। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় আপাতত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কাজ বন্ধ রাখার।’
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন জানান, সংশ্লিষ্টরা কিছু অনুমতিপত্র দেখালেও তা সন্তোষজনক মনে হয়নি। পরে রেলওয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আগের অনুমতিও প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা যায়। এখন ওই স্থান থেকে আর মাটি তোলার সুযোগ নেই।
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবির জানান, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর মাটি অপসারণের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত ছিল রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের। তবে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর এখন অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমার দপ্তর থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।’
ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না। এ বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিলের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা জানালেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।
সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, পবিত্র আশুরার সব কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।
তিনি আরও বলেছেন, হোসাইনী দালান ইমামবাড়া পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। যে কোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পুরো এলাকা ডগ স্কোয়াড ও ম্যানুয়ালি সুইপিং করা হবে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই আন্দোলনে ঢাকার নীলক্ষেতের ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দেন। অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না থাকায় তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই।
আবুল বারকাতের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হত্যা মামলায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) আবুল বারকাতের জামিন চেয়ে আবেদন করা হয় আদালতে। যে কোনো শর্তে চাওয়া হয় জামিন। বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আবুল বারকাতকে জামিন দেন।
এর আগে গত ৭ জুন জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার মামলায় জামিন পান তিনি। সেদিনই তাকে আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন তালুকদার।
পরে গত ১৪ জুন তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করেন আদালত।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে নিউমার্কেট থানার নীলক্ষেত এলাকায় গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন তার শ্যালক আব্দুর রব।
গত বছরের ১০ জুলাই রাতে ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ৭ জুন এই মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আবুল বারকাত। নিজ পাসপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার শর্তে তাকে দেওয়া হয় জামিন।
ছবি: সংগৃহীত
প্রথম শ্রেণির মাদারীপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ ইরেজী অর্থবছরে ১১০ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৬০ টাকার চ্যালেঞ্জিং খসড়া বাজেট প্রণয়ন করে নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে পৌর প্রশাসক (উপসচিব) জেসমিন আক্তার বানুর সভাপতিত্বে ও উপস্থানায় উক্ত খসড়া বাজেট প্রণয়ন এবং এর বাস্তবায়নের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে নাগরিক মতবিনিময় সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় জেসমিন আক্তার বানু বলেন, ‘উন্নত পৌর নাগরিক সেবা প্রদানই তাদের মূল লক্ষ্য। বাজেটে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন, গুরুত্বপূর্ণ টেকসই অবকাঠামো এবং সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাষ্ট ফান্ড প্রকল্প (সিসিটিএফপি), আয়-ব্যয় খাতের হিসাব, মূলধন হিসাব, ২০২৪-২৫, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রকৃত ও সংশোধিত বাজেটের পর্যালোচনা, বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার হতে প্রাপ্ত অর্থের বিবরণী, বিভিন্ন দাতা সংস্থা হতে প্রাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের আয়-ব্যয়, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প, স্যানিটেশন-ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প, রাস্তাঘাট ও খেলাধুলার মাঠের উন্নয়ন, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিশুপার্ক, ঈদগাহ, কবরস্থান, ওয়াকওয়ে, অডিটোরিয়াম, কমিউনিটি সেন্টারের উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ সঞ্চালন, বৃক্ষরোপণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া, হাম-রুবেলা প্রতিরোধ, মশক নিধন, সুপেয় পানি সরবরাহ, সৌরবিদ্যুৎ বাতির উন্নয়ন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত সড়ক ব্যবস্থা, পুকুর-জলাশয় সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বাজেটের আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, লক্ষ্যমাত্রা ও ট্যাক্স আদায়সংক্রান্ত উপস্থাপনা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নিবাহী কর্মকর্তা মো. আসমত হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমদ ফিরোজ ইলিয়াসসহ অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ কাজী হুমায়ুন কবীর, সাবেক সিভিল সার্জন ও নিরাময় হাসপাতাল (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার মো. সরোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটু, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি)-এর জেলা শাখার সভাপতি খান মো. শহীদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি এনায়েত নান্নু, দৈনিক বাংলার সাংবাদিক শরীফ ফায়েজুল কবীর প্রমুখ।
প্রস্তাবিত খসড়া বাজেট উপস্থাপনের পর এর ওপর মতবিনিয়কালে বক্তারা বলেন, ‘বাজেটের আকার বড় হলেও এর বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে সঠিক কর্মপরিকল্পনা, নতুন-নতুন খাত তৈরি, ট্যাক্স হোল্ডার বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।’
তারা আরও বলেন, ‘পৌর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নেন অথচ ট্যাক্স প্রদান করেন না এমন নতুন-নতুন খাত চিহ্নিত করে পৌর ট্যাক্সের আওতায় আনা উচিত।’
মন্তব্য