× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
লকডাউন লম্বা হলে এভিয়েশনে মহাসংকট
hear-news
player
print-icon

লকডাউন লম্বা হলে এভিয়েশনে মহাসংকট

লকডাউন-লম্বা-হলে-এভিয়েশনে-মহাসংকট
আগের দীর্ঘ লকডাউনের ক্ষতি পুষিয়ে উঠে কেবল ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল দেশের এভিয়েশন খাত। এবার আবার লকডাউন। এ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘এখন যদি আবার লম্বা সময়ের জন্য সব বন্ধ করা হয়, তাহলে এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে। মহাবিপদ হবে।’

দেশে করোনার ব্যাপক সংক্রমণের মধ্যে গত বছর সবচেয়ে বেশি যে কয়েকটি খাত প্রতিবন্ধকতায় পড়েছিল, তার মধ্যে প্রথম সারিতে ছিল এভিয়েশন খাত। মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ছিল আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সব ফ্লাইট। জুলাই থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট শুরু হলেও যাত্রী ছিল নিতান্ত কম।

করোনার মধ্যে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র চার মাসে ১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা আয় বঞ্চিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আয়বঞ্চিত হয় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার। অর্থাৎ সক্ষমতা থাকার পরও করোনার কারণে ৮ মাসে ৩ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা আয় করতে পারেনি বিমান।

পরে এয়ারলাইন্সগুলোর দাবির মুখে তাদের সব ধরনের অ্যারোনটিক্যাল চার্জ মওকুফ করে সরকার। কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি।

অবশ্য অক্টোবরের পর অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী সংখ্যা স্বাভাবিক হয়ে আসে। বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ দেশি বাজারের ৮০ ভাগেরও বেশি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল।

এ বছরও মার্চে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ শুরু হলে ৫ এপ্রিল থেকে বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে সংকটে পড়েছে দেশি এয়ারলাইন্সগুলো। এর মধ্যে ১৪ এপ্রিল থেকে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বন্ধের ঘোষণা দিলো বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

এমনিতেই বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অভ্যন্তরীণ রুটগুলোর ওপর নির্ভর করে টিকে ছিল দেশি এয়ারলাইন্সগুলো। চলমান লকডাউনের কারণে এখন গভীর অনিশ্চয়তায় তারা।

বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর সংগঠন এভিয়েশন অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন বলছে, চলমান এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সামনে কঠিন সংকটে পড়তে যাচ্ছে এ খাত।

সংগঠনের উপদেষ্টা এ টি এম নজরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডমেস্টিকে সরকার এখন যে সিদ্ধান্তটা নিয়েছে, এটা আমি মনে করি সব দিক বিবেচনায় ঠিকই আছে। কিন্তু এতেও যদি কাজ না হয়, এ অবস্থা যদি কন্টিনিউ হয়, তাহলে চরম বিপর্যয় হতে পারে।

লকডাউন লম্বা হলে এভিয়েশনে মহাসংকট


‘এমনিতেই এয়ারলাইন্সগুলো যখন গত মার্চে বন্ধ হলো, জুন পর্যন্ত বন্ধ ছিল। এ সময় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কিন্তু কাটিয়ে ওঠা যায়নি। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল। বিশেষ করে গত বছরের শেষে তারা কোভিড পূর্ববর্তী সময়ের চেয়েও ভালো একটি অবস্থানে ছিল।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু ৩ মাসের গ্যাপটা কাভার করতে পারেনি। এখন যদি আবার লম্বা সময়ের জন্য সব বন্ধ করা হয়, তাহলে এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে। মহাবিপদ হবে।

‘যদি পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হয়, তাহলে সামাজিক দূরত্ব কিংবা স্বাস্থ্য বিধি মেনে ফ্লাইট খুলে দেয়া যায় কিনা তা সরকার ভেবে দেখতে পারে।’

অবশ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বলছে, মানুষের জীবনকেই এখন সবকিছুর চেয়ে এগিয়ে রাখছে সরকার।

সংস্থার চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন তো আসলে ব্যবসা আমরা দেখছি না। আমরা দেখছি মানবতা। জীবন আগে। আমাদের দেশকে বাঁচাতে হবে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থাপনাগুলো নিয়েছে, এগুলো মানুষের জন্যই।

‘এখন ইন্ডাস্ট্রি এগুলো পরে আসবে। যে হারে করোনা বেড়েছে, মানুষকে হাসপাতালে সিট দেয়া যাচ্ছে না। এখন এটাকে দমন করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। তারপরে ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান – এগুলো সব পরে হিসাব হবে।’

দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে গত ৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের সব দেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় বেবিচক। এটি ছাড়াও বিশ্বের আরও ১২টি দেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

ইউরোপের দেশগুলো ছাড়া বাংলাদেশে ফ্লাইট বন্ধ আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, ব্রাজিল, চিলি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পেরু, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক ও উরুগুয়ের।

অবশ্য এ দেশগুলোর মধ্যে শুধু কাতার ও তুরস্কের সঙ্গেই সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে দেশি এয়ারলাইন্সগুলোর। বাকি দেশগুলো সাধারণত তুরস্কসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ট্রানজিট নিয়ে বাংলাদেশে যাত্রী পরিবহন করে। এ কারণে আন্তর্জাতিক রুটে খুব একটা সংকটে পড়তে হয়নি দেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে।

বেবিচকের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল থেকে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকবে এক সপ্তাহের জন্য। অবশ্য কার্গো ও বিশেষ ফ্লাইট চলবে স্বাভাবিকভাবেই। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘায়িত হলে সংকট আরো বাড়বে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Awami League is coming to show its strength on the streets

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও ছয় দফা দিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ। ফাইল ছবি
জোট সরকারের আমলে সারা দেশে একযোগে বোমা হামলার স্মরণে বুধবার বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই কর্মসূচি দৃশ্যত রাজপথে সংগঠনকে সক্রিয় করার পদক্ষেপ। লোডশেডিং, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে বিএনপি ও সমমনারা যখন একের পর এক বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে, সে সময় নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাজপথে নামার তাগিদ দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ নানা ইস্যুতে সরকারবিরোধীদের রাজপথে একের পর এক কর্মসূচির মধ্যে এবার মাঠে নামছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

আগস্টে শোকের কর্মসূচি ছাড়া রাজনৈতিক কর্মসূচি সচরাচর পালন না করলেও একই দিনে দেশের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়নে জমায়েত করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। ‍উপলক্ষ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারা দেশে একযোগে বোমা হামলার প্রতিবাদ।

বুধবার সারা দেশে এই বিক্ষোভে নেতা-কর্মীদেরকে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ফাইল ছবি

কেন্দ্রীয়ভাবে বিকেল ৪টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল বের করবে দলটি। মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা-প্রেসক্লাব ও জিরোপয়েন্ট হয়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হবে সেটি।

এতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।

আওয়ামী লীগের এই কর্মসূচি দৃশ্যত রাজপথে সংগঠনকে সক্রিয় করার পদক্ষেপ।

লোডশেডিং, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে বিএনপি ও সমমনারা যখন একের পর এক বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে, সে সময় নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাজপথে নামার তাগিদ দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

গত ১১ আগস্ট এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এই কর্মসূচি নিয়ে বলেন, ‘এভাবে চলতে পারে না। আমরা রাজপথ থেকে ক্ষমতায় এসেছি। তারা যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আমরা রাজপথ ভুলে গেছি। আমরাও আছি, অচিরেই রাজপথে দেখতে পাবেন।’

বিকেল ৩টা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দিতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিক্ষোভ কর্মসূচিতে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও অংশ নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।’

দলের একজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, এই বিক্ষোভ কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যত মাঠে শক্তি প্রদর্শনের জন্য নামছেন তারা। তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা গরম বক্তব্য দিচ্ছেন, হুমকি-ধমকিও দিচ্ছেন। একাধিক কর্মসূচি নিয়ে রাজপথেও নেমেছে। পাশপাশি অন্যান্য বিরোধী দলগুলোও রাজপথে সরকারবিরোধী কর্মসূচি পালন করছে। আওয়ামী লীগ এসবের জবাব দিতে চায়।’

কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ নিউজ বাংলাকে বলেন, ‘প্রতি বছর আওয়ামী লীগ এ কর্মসূচি পালন করে থাকে। তবে এবার এ কর্মসূচি যথাযথভাবে পালন করার জন্য সাংগঠনিক ইউনিটগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও

কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর রাজধানীতে ছাত্রলীগের মশাল মিছিল। ফাইল ছবি

‘দল থেকে দেশব্যাপী জেলা, মহানগর, উপজেলা পর্যায়ে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শোকের মাসে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করে না। কিন্তু অনেকের হুমকি-ধমকি অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। তাই আমরা আগস্ট শেষে রাজপথে নামব। আর আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচি গুরুত্ব দিয়ে পালনের জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শোক মিছিলে মহিলা আওয়ামী লীগের মারামারি 
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান
আ.লীগ, বিএনপির বিকল্প হওয়ার চেষ্টা করছি: মান্না
বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করলে জিভ কেটে নেব: নাছিম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Girder accident Burial of Rubel in Meherpur

গার্ডার দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে দাফন রুবেলের

গার্ডার দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে দাফন রুবেলের মেহেরপুরে রুবেলের মরদেহ পেয়ে স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের রাজনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় রুবেল হোসেনের দাফন নিজ বাড়ি মেহেরপুরে হয়েছে।

সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের রাজনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ভোরে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে তার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট ছিটকে প্রাইভেট কারে পড়ে দুই শিশুসহ পাঁচ আরোহী নিহত হন। দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

তারা হলেন ২৬ বছর বয়সী হৃদয় ও ২১ বছর বয়সী রিয়ামনি, যাদের বিয়ে হয়েছে গত শনিবার। সোমবার ছিল বউভাত।

হৃদয়ের বাড়ি রাজধানীর কাওলায়। বউভাত শেষে কনের বাড়ি আশুলিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা। ছেলের বাবা রুবেল গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

রুবেল ছাড়াও যারা মারা গেছেন তারা হলেন কনের মা ফাহিমা বেগম, তার বোন ঝরনা বেগম, ৬ বছর বয়সী জান্নাত ও দুই বছর বয়সী জাকারিয়া।

নিহত এ চারজনের দাফন মঙ্গলবার রাতে জামালপুরে সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের
বাসে বাড়তি ভাড়া, জরিমানা করেই দায় সারল বিআরটিএ
গার্ডার চাপায় নিহত ৫: মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২২ সেপ্টেম্বর
কোনো স্ত্রীর কাছেই নয়, গ্রামের বাড়িতে রুবেলের মরদেহ
মৃত্যুর পর জানা গেল রুবেলের ৭ স্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Girder accident 4 people buried

গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের

গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজনের দাফন হয়েছে জামালপুরে। ছবি: নিউজবাংলা
সরেজমিনে দেখা যায়, লাল নীল বাতির সঙ্গে সাইরেন বাজিয়ে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি এগিয়ে এলে ভিড় জমায় শত শত উৎসুক জনতা। আর অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় স্বজনদের চিৎকার। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ। হঠাৎ এমন মৃত্যুতে হতবাক নিহতদের স্বজনসহ এলাকাবাসীও।

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় চারজনের দাফন হয়েছে নিজ বাড়ি জামালপুরে।

মেলান্দহ উপজেলার আগ পয়লা গ্রামে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঝরনা বেগম এবং তার দুই শিশুসন্তান জাকারিয়া ও জান্নাতের দাফন সম্পন্ন হয়।

ইসলামপুর উপজেলার লাউদত্ত গ্রামে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে কনের মা ফাহিমা বেগমকে নিজ বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হয়।

গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের

সরেজমিনে দেখা যায়, লাল নীল বাতির সঙ্গে সাইরেন বাজিয়ে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি এগিয়ে এলে ভিড় জমায় শত শত উৎসুক জনতা। আর অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় স্বজনদের চিৎকার। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ। হঠাৎ এমন মৃত্যুতে হতবাক নিহতদের স্বজনসহ এলাকাবাসীও।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট ছিটকে প্রাইভেট কারে পড়ে দুই শিশুসহ পাঁচ আরোহী নিহত হন। দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তারা হলেন ২৬ বছর বয়সী হৃদয় ও ২১ বছর বয়সী রিয়ামনি, যাদের বিয়ে হয়েছে গত শনিবার। সোমবার ছিল বউভাত।

হৃদয়ের বাড়ি রাজধানীর কাওলায়। বউভাত শেষে কনের বাড়ি আশুলিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা। ছেলের বাবা রুবেল গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

রুবেল ছাড়াও যারা মারা গেছেন তারা হলেন কনের মা ফাহিমা বেগম, তার বোন ঝরনা বেগম, ৬ বছর বয়সী জান্নাত ও দুই বছর বয়সী জাকারিয়া।

আরও পড়ুন:
গাফিলতি যারই থাকুক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সড়ক সচিব
পাঁচ প্রাণ ঝরার পর নিরাপত্তায় জোর বিআরটি এমডির
বিআরটি প্রকল্প পরিচালককেও তদন্তের আওতায় চান প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের
গার্ডার দুর্ঘটনা: স্ত্রী-সন্তান হারানোর শোক কীভাবে সইবেন জাহিদ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
As a result the students of Khubi returned with the assurance of meeting the demands

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে খুবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বঁটি চালান। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বঁটি, চাকু এমনকি রাইস কুকারও নিষিদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রশাসনের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে মধ্যরাতে হলে ফিরে গেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

হল থেকে রাইস কুকার ও রান্নার অন্যান্য সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশনা বাতিলসহ ১১ দফা দাবিতে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করেন অপরাজিতা হলের ছাত্রীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে অবস্থান নেন তারা। সেখানে তাদের সঙ্গে যোগ দেন অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরাও।

রাত দেড়টার দিকে শিক্ষর্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে লিখিত দেন অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রহিমা নুসরাত রিম্মি। পরে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যান।

শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বঁটি চালান। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বঁটি, চাকু এমনকি রাইস কুকারও নিষিদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

অপরাজিতা হলের ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘আমাদের ডাইনিংয়ের খাবারের মান খুবই খারাপ। তার মধ্যে রাইস কুকার নিষিদ্ধ করা হলো। রান্নার সব সরঞ্জামও হলে রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।’

লীমা নামের আরেক ছাত্রী বলেন, ‘আন্দোলনে আসতে আমাদের বাধা দেয়া হয়েছিল। আমরা হলের দুটি তালা ভেঙে নেমেছিলাম।’

আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মো. শরীফ হাসান লিমন এসেছিলেন। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে ফিরে যান।

পরে রাত দেড়টায় প্রভোস্ট শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে লিখিত দেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-

১. রাইস কুকার ও হলের রান্নার সরঞ্জামাদি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।

২. সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্টের প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলার কারণে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারিবারিক শিক্ষা তুলে কথা বলায় ক্ষমা চাইতে হবে।

৩. হলে প্রয়োজনে অভিভাবক ও মহিলা আত্মীয়দের থাকার অনুমতি প্রদান করতে হবে।

৪. পানির পোকা ও খাবারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

৫. প্রভোস্ট তার নিজ ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টদের ডেকে নিয়ে ব্যক্তিগত এবং অ্যাকাডেমিক বিষয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে ও ক্ষমা চাইতে হবে।

৬. হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

৭. যেকোনো পরিস্থিতিতে সিট বাতিলের হুমকি দেয়া বন্ধ করতে হবে।

৮. যেকোনো পরিস্থিতিতে হলের ছাত্রীদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

৯. হলের মিল খাওয়া বাধ্যতামূলক করা যাবে না।

১০. আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেয়া যাবে না।

১১. এ দাবিগুলো না মানলে প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Today is the 17th anniversary of the nationwide series of bombings

দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৭ বছর আজ

দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৭ বছর আজ সাতক্ষীরার পাঁচ স্থানে সিরিজ বোমা হামলা মামলার ১৬ বছর পর ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১৯ আসামির মধ্যে ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ফাইল ছবি
পুলিশ জানায়, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় সারা দেশে ১৫৯টি মামলার মধ্যে ৯৪টির বিচার সম্পন্ন হয়েছে। এসব মামলায় ৩৩৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এখন ৫৫টি মামলা বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে আসামির সংখ্যা হচ্ছে ৩৮৬ জন।

দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১৭তম বছর আজ। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামা'আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের জঙ্গি সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা হামলা চালায়।

মুন্সীগঞ্জ ছাড়া সব জেলায় প্রায় পাঁচ শ পয়েন্টে বোমা হামলায় দুজন নিহত ও অন্তত ১০৪ জন আহত হন।

পুলিশ সদর দপ্তর ও র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই সারা দেশে ১৫৯টি মামলা করা হয়।

এর মধ্যে ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি।

সংবাদ সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।

এসব মামলার মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয় ১৪২টি মামলায়। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়নি।

এসব মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন ১৩০ জন। গ্রেপ্তার করা হয় ৯৬১ জনকে। ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় সারা দেশে ১৫৯টি মামলার মধ্যে ৯৪টির বিচার সম্পন্ন হয়েছে। এসব মামলায় ৩৩৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এখন ৫৫টি মামলা বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে আসামির সংখ্যা হচ্ছে ৩৮৬ জন।

এই সিরিজ বোমা হামলার রায় দেয়া মামলাগুলোর ৩৪৯ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ২৭ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় দেয়া হয়। এর মধ্যে ৮ জনের ফাঁসি ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।

এসব মামলায় খালাস পেয়েছে ৩৫৮ জন, আর জামিনে রয়েছে ১৩৩ জন আসামি। এ ছাড়া ঢাকায় বিচারাধীন ৫টি মামলা সাক্ষ্যগ্রহণের শেষপর্যায়ে রয়েছে।

ঝালকাঠি জেলার দুই বিচারককে হত্যার জন্য ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ ছয় জঙ্গি নেতা শায়খ আবদুর রহমান, তার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই, সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানি, চিন্তাবিদ আব্দুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ ও সালাউদ্দিনকে ফাঁসি দেয়া হয়।

বিএনপি জামায়াতের শাসন আমলে (২০০১ থেকে ২০০৬) সরকারি এমপি-মন্ত্রীদের সরাসরি মদদে সারা দেশে শক্ত অবস্থান তৈরি করে জঙ্গিরা।

২০০৫ সালের পরবর্তী সময়ে কয়েকটি ধারাবাহিক বোমা হামলায় বিচারক ও আইনজীবীসহ ৩০ জন নিহত হন। আহত হন ৪ শতাধিক।

ওই বছরের ৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরের আদালতে জঙ্গিরা বোমা হামলা চালায়। এতে তিনজন নিহত এবং বিচারকসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।

এর কয়েক দিন পর সিলেটে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিপ্লব গোস্বামীর ওপর বোমা হামলার ঘটনায় তিনি এবং তার গাড়িচালক আহত হন।

১৪ নভেম্বর ঝালকাঠিতে বিচারক বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায় আত্মঘাতী জঙ্গিরা। এতে নিহত হন ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের বিচারক জগন্নাথ পাড়ে এবং সোহেল আহম্মদ। এই হামলায় আহত হন অনেক মানুষ।

সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে ২৯ নভেম্বর গাজীপুর বার সমিতির লাইব্রেরি এবং চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে। গাজীপুর বার লাইব্রেরিতে আইনজীবীর পোশাকে প্রবেশ করে আত্মঘাতী এক জঙ্গি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এই হামলায় আইনজীবীসহ ১০ জন নিহত হন। আত্মঘাতী হামলাকারী জঙ্গিও নিহত হয় ।

একই দিন চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে জেএমবির আত্মঘাতী জঙ্গিরা বিস্ফোরণ ঘটায়। সেখানে রাজিব বড়ুয়া নামের এক পুলিশ কনস্টেবল এবং একজন পথচারী নিহত হন। পুলিশসহ প্রায় অর্ধশত আহত হন ।

১ ডিসেম্বর গাজীপুর ডিসি অফিসের গেটে আবারও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেখানে নিহত হন গাজীপুরের কৃষি কর্মকর্তা আবুল কাশেম। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৪০ জন আহত হন।

৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনা শহরের বড় পুকুরপার উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অফিসের সামনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় আত্মঘাতী জঙ্গিরা। সেখানে স্থানীয় উদীচীর দুই নেতাসহ ৮ জন নিহত হন। শতাধিক আহত হন ।

আরও পড়ুন:
নব্য জেএমবির তিন সদস্য কারাগারে
‘মোর পোলারে যারা জঙ্গি বানাইছে হ্যাগোও বিচার চাই’
নব্য জেএমবি ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
নব্য জেএমবির ‘প্রধান বোমা কারিগর’ গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জের সেই চার জেএমবি সদস্য কারাগারে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Vandalism in the car of Youth Dal leaders and activists injured 5

যুবদল নেতাকর্মীদের গাড়িতে ভাঙচুর, আহত ৫

যুবদল নেতাকর্মীদের গাড়িতে ভাঙচুর, আহত ৫
জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘গুচ্ছগ্রাম বাজার এলাকায় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা গাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে। এতে আমিসহ ৫ জন আহত হয়েছি।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে জেলা যুবদল নেতাকর্মীদের বহনকারী গাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে তাদের ৫ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের লোকজন এ হামলা চালিয়েছে।

উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম বাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সম্মেলনে যোগ দিতে আমি ও কয়েকজন কর্মী মাইক্রোবাসে রওনা দেই। গুচ্ছগ্রাম বাজার এলাকায় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা গাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে। এতে আমিসহ ৫ জন আহত হয়েছি।’

তিনি আরও জানান, স্থানীয়রা তাদের পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

অভিযোগ নাকচ করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেদ জামান বিলাশ বলেন, ‘পাটগ্রামে আমাদের কোনো লোক এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। তাদের দাবি ভিত্তিহীন।’

পাটগ্রাম থানার ওসি ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে জানান, ঘটনা জানার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি এখন শান্ত। কেউ এখনও কোনো অভিযোগ দেয়নি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগ কর্মীদের লাঠিপেটা: আরও ৫ পুলিশ প্রত্যাহার
বরগুনায় কর্মীদের সংঘর্ষ তদন্তে ছাত্রলীগের কমিটি
এমপি শম্ভুর সঙ্গে তর্কাতর্কি: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহররম প্রত্যাহার
ছাত্রলীগ কর্মীদের বেধড়ক পিটুনির তদন্তে পুলিশের কমিটি
ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: এমপির ধমক, শাসালেন এএসপি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Caning of Chhatra League workers 5 more policemen withdrawn

ছাত্রলীগ কর্মীদের লাঠিপেটা: আরও ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

ছাত্রলীগ কর্মীদের লাঠিপেটা: আরও ৫ পুলিশ প্রত্যাহার
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বরগুনা সদর থানা, পুলিশ লাইন্স ও ডিবি পুলিশের ৫ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শোক দিবসে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে কর্মীদের পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনায় জেলা পুলিশের আরও ৫ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিউজবাংলাকে।

তিনি জানান, বরগুনা সদর থানার এএসআই মো. সাগর, পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল মো. রবিউল ও ডিবি পুলিশের কনস্টেবল কেএম সানিকে প্রত্যাহার করে ভোলা জেলা পুলিশে সংযুক্ত করা হয়েছে। আর ডিবি পুলিশের এএসআই মো. ইসমাইল এবং ডিবি পুলিশের কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করে পিরোজপুর জেলা পুলিশে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদি হাচান। একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া দেননি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম তারেক রহমানের (প্রশাসন ও অর্থ)।

এর আগে দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলীকে প্রত্যাহার করে প্রথমে বরিশাল রেঞ্চে এবং পরে চট্টগ্রাম রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়।

বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের সামনে সোমবার দুপুরে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পর সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের বেধড়ক পেটায় পুলিশ।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা জানান, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শিল্পকলায় প্রবেশের সময় হামলাকারীরা ছাদ থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ কারণে পুলিশের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে।

এ সময় সেখানে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিত ছিলেন।

বলেন, ‘পুলিশ বলেছিল, গাড়ি ভাঙচুরকারীকে তারা চিনতে পেরেছে। আমি বলেছি, যে ভাঙচুর করেছে, তাকে দেখিয়ে দিন। আমি তাকে আপনাদের হাতে সোপর্দ করব। আসলে তাদের (পুলিশের) উদ্দেশ্যই ছিল ছাত্রলীগের ছেলেদের মারবে। আমি তাদের মার ফেরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেখানে এত পুলিশ আসছে যে কমান্ড শোনার মতো কেউ ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তা মহররম ছিলেন সেখানে। তিনি অনেক ভুল করেছেন।

‘যেখানে আমি উপস্থিত, সেখানে তিনি এমন কাজ করতে পারেন না। আমি তাকে মারপিট করতে নিষেধ করেছিলাম। তারা (পুলিশরা) আমার কথা শোনেননি।’

মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি কে এম এহসান উল্লাহ জানান, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত পুলিশের ভূমিকার বিষয়টি তদন্তে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ তিন কর্মকর্তাকে নিয়ে সোমবার রাতে কমিটি গঠন করা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে