× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য শিল্প ইভেন্ট উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন মানসিক স্বাস্থ্য অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ ইউরোপ ব্লকচেইন ভাষান্তর অন্যান্য ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
এবার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
google_news print-icon

অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন

অসচ্ছল-বীর-মুক্তিযোদ্ধাদের-জন্য-আবাসন
এ প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে একতলা পাকা ঘর তৈরি করে দেয়া হবে। তাদের পরিবারের ভিটায় দুই বেড, দুই টয়লেট, ডাইনিং ও কিচেনসহ ৬৩৫ বর্গফুটের এই ‘বীর নিবাস’ তৈরি করে দেয়া হবে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের জন্য আবাসন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

এ জন্য ৪ হাজার ১১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেয়া হয় মঙ্গলবার।

বৈঠকে এটিসহ ৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ছয়টি প্রকল্প পাস হয়। এর মধ্যে তিনটি নতুন। অবশিষ্ট তিনটি সংশোধিত।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। পরে শেরেবাংলা নগরে এনইসিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে সভার বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন পরিকল্পনা সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী।

তিনি বলেন, একনেক সভায় অনুমোদিত ছয়টি প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্প।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে উপহার হিসেবে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা-বীরাঙ্গনা-শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিধবা স্ত্রী ও সন্তানদের আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় গণভবন থেকে অনলাইনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে একতলা পাকা ঘর তৈরি করে দেয়া হবে। তাদের পরিবারের ভিটায় দুই বেড, দুই টয়লেট, ডাইনিং ও কিচেনসহ ৬৩৫ বর্গফুটের এই ‘বীর নিবাস’ তৈরি করে দেয়া হবে। প্রতিটি ঘর তৈরিতে ব্যয় ধরা হয় ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

৬৪ জেলার ডিসি কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে ২ লাখ মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। এর মধ্যে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার।

পরিকল্পনা সচিব জয়নুল বারী সাংবাদিকদের বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের আবাসিক সংকট দূর হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি।

পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, প্রতি জেলা-উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করতে ২০১৮ সালের মার্চে একনেকে প্রথম প্রকল্পটি পাস হয়েছিল। এতে ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩২টি ভবনে মোট ৮ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের কথা ছিল।

একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা আপত্তি তুলে বলেছেন, নিজেদের ভিটা ও পরিবার ছেড়ে ওইসব ফ্ল্যাটে উঠতে চান না তারা। এ কারণে তখন মূল প্রকল্পটি প্রত্যাহার করা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের চাহিদা অনুযায়ী, বাস্তবতার ভিত্তিতে নতুন করে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা মঙ্গলবার একনেকে পাস হয়।

একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ, স্থানীয় সরকার বিভাগের পিরোজপুর জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা, বিদ্যুৎ বিভাগের কনস্ট্রাকশন অব নিউ সাবস্টেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের রাজশাহী কল্পনা সিনেমা হল থেকে তালাইমারী মোড় পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নেয়া আবাসন প্রকল্পে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, যাদের ভিটেমাটি নেই, তাদের জেলা প্রশাসক বা ইউএনওর মাধ্যমে জমির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক ও ইউএনওরা যেন প্রয়োজনে প্রকল্পের টাকা দ্রুত ছাড় করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যাতে অর্থের কোনো সমস্যা না হয় সে জন্য অর্থবছরের শুরু থেকে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প
শেখ হাসিনা সাংস্কৃতিক পল্লী নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধন অনুমোদন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladeshs representative in the international fellowship

আন্তর্জাতিক ফেলোশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কুমিল্লার সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী

আন্তর্জাতিক ফেলোশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কুমিল্লার সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী

দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ নারী নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লার উদীয়মান নারী নেত্রী সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।
সুইডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স (IDEA) এই ফেলোশিপের আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women)-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের তরুণ নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।
ফেলোশিপটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব বিকাশ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
এ প্রসঙ্গে সুমাইয়া বলেন, “আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্য গৌরব ও সম্মানের। দেশের তরুণ নারীদের অবস্থান ও সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব ইনশাআল্লাহ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সমৃদ্ধ করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।”
সুমাইয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষক এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য-প্রযুক্তি সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তরুণ রাজনৈতিক ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সুমাইয়া ইতোমধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষতাকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরছে। সুমাইয়া বিনতে হোসাইনীর মতো নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নারীরা আগামী দিনের পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
At Kishoreganj Pagla Mosques donbux is Tk 125 million this time

কিশোরগঞ্জে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

কিশোরগঞ্জে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ৩২ বস্তা টাকা। ৪ মাস ১৮ দিনে এই টাকা জমা পড়েছে মসজিদের ১৩ টি দানবাক্সে।

দিনভর গুনে দেখা গেছে, সেখানে জমা পড়েছে ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা। এ ছাড়াও পাওয়া গেছে বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো: এরশাদুল আহমেদের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে সকাল সোয়া ৭টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এরপর সকাল ৯ টার দিকে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে মেজেতে ঢেলে শুরু হয় গণনা। প্রায় পাঁচ শতাধিক গণনাকারীর অংশগ্রহণে গণনা চলে সন্ধ্যা ৮ পর্যন্ত।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহবায়ক মোঃ এরশাদুল আহমেদ রাত সোয়া ৮ টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল সকালে মসজিদটির ১১ টি দানবাক্স খুলে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। এছাড়াও পাওয়া যায় বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা। তখন ৪ মাস ১২ দিনে এই পরিমাণ টাকা জমা পড়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলোতে।

তখনকার সময়ে এই পরিমাণ অর্থ ছিল সর্বোচ্চ রেকর্ড। টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াও প্রচুর পরিমাণ হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলও দান করেন অনেকে।

পাগলা মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, টাকা গণনায় অংশ নেয় পাগলা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসার ১২০ জন ও আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ২২০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফ, রূপালী ব্যাংকের ১০০ জন কর্মকর্তা, এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য গণনায় অংশ নিয়েছেন।

এই গণনায় অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আনাছ বলেন, আমরা সব সময় অধীর আগ্রহে থাকি কখন দানবাক্স খোলা হবে। পাগলা মসজিদের দানবাক্সের টাকা গণনায় অংশ নিতে পেরে আনন্দিত তিনি।

এছাড়াও দানবাক্সের টাকা গণনা দেখতে অনেকেই এসেছেন দূরদূরান্ত থেকে। তাদের মধ্যে একজন জাকারিয়া হোসাইন। তিনি এসেছেন হোসেনপুর উপজেলার সিদলা এলাকা থেকে। জাকারিয়া বলেন, পাগলা মসজিদের দানবাক্সের টাকা গণনা সবসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেন। তবে এবার সরাসরি দেখতে মসজিদে ছুটে এসেছেন তিনি।

এই মসজিদে দান বা মানত করলে মনের মনে আশা পূরণ এমন বিশ্বাস থেকে দান করেন অনেকে। এমন বিশ্বাস থেকে পাগলা মসজিদে দান করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছিলেন নিলুফা রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পাগলা মসজিদে আসার ইচ্ছে ছিল তার। এবার সুযোগ পেয়ে মসজিদে এসে দান করেছেন তিনি।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে বস্তায় ভরা এবং গণনা শেষে ব্যাংক পর্যন্ত সব টাকা নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। দানবাক্স খোলা থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেও থাকেন মসজিদ প্রাঙ্গণে।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, পাগলা মসজিদে দানের টাকা থেকে বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করা হয়ে থাকে। দানের টাকায় পাগলা মসজিদকেন্দ্রিক একটি ইসলামি কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হবে। ভবনটি হবে ১০ তলাবিশিষ্ট এবং এখানে বহুমুখী কাজ করা হবে। এখানে অনাথ–এতিমদের জন্য লেখাপড়ার ব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা, মাদ্রাসাশিক্ষা, একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার, ক্যাফেটেরিয়া ও আইটি সেকশনও থাকবে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে মসজিদ কমপ্লেক্সের জন্য নকশা জমা দিয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠান। রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষা করে একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মসজিদ কমিটি দ্রুত কার্যাদেশ দেবে এবং কাজ শুরু হয়ে যাবে।

এই মসজিদের বর্তমান আয়তন ৫ দশমিক ৫ একর। ১০ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ভবনের জন্য আরও কিছু জায়গা কেনা হবে। এই মুহূর্তে পাগলা মসজিদের অ্যাকাউন্টে মানুষের দানের ৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা জমা আছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Chief Prosecutor expects to settle many cases against Hasina before February

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিরুদ্ধে বহু মামলা নিষ্পত্তির প্রত্যাশা চিফ প্রসিকিউটরের

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিরুদ্ধে বহু মামলা নিষ্পত্তির প্রত্যাশা চিফ প্রসিকিউটরের

ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত বছরের আগস্টে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাগুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৫’ শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বাসস-এর সঙ্গে আলাপকালে আজ শনিবার এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘চব্বিশের জুলাই-আগস্ট’ আন্দোলনে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে, তার সঙ্গে অনেক পুলিশ সদস্য জড়িত। পুলিশকে দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে আমাদের। অনেক আলামতও নষ্ট করে ফেলা হয়েছিল। তবে, আমরা ইতোমধ্যেই বিচার প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়ে নিতে পেরেছি।’

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে মিলিয়ে এমনভাবে বিচার হচ্ছে, যা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি অচিরেই হবে।’

দেশবাসী ফেব্রুয়ারির আগেই শেখ হাসিনার বিচার দেখতে পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

মন্তব্য

নিজের জুস নিজেই পান করে অচেতন অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা ফুল মিয়া

নিজের জুস নিজেই পান করে অচেতন অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা ফুল মিয়া

ট্রেনের যাত্রী মা-মেয়েকে জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে খুলে নেন কানের দুল ও নাকের ফুল। এসময় পাশের যাত্রীরা ঘটনাটি আঁচ করতে পেরে হাতেনাতে অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা ফুল মিয়াকে (৫৫) আটক করেন। এসময় যাত্রীরা তাঁর কাছে থাকা জুস যাচাই করতে তাঁকে পান করালে তিনি অজ্ঞান হয়ে লুটিয়ে পড়েন। শনিবার (৩০ আগষ্ট) ভোরের দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ-উন নবী।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন। অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূলহোতা ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাহপুরের আব্দুস ছামাদের ছেলে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী কৌশিলা ও বীথি। তাঁরা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূল হোতা ফুল মিয়া। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি। এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁদের কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেন ফুল মিয়া।”
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ-উন নবী জানান, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির মূল হোতাকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুপুরে কৌশিলা রায়ের ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি বলেন, “অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ভুক্তভোগী ও আসামির জ্ঞান এখনো ফেরেনি।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Protests and rallies in Feni protest against the attack on Nurul Haque Noor

নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফেনীতে এক বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে গণঅধিকার পরিষদ ফেনী জেলার আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
গণঅধিকার পরিষদ ফেনীর সদস্য সচিব রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদ ফেনী জেলা শাখার আহ্বায়ক রোটারিয়ান হাবিবউল্লাহ বাহার, যুবঅধিকার পরিষদ ফেনী জেলা সভাপতি প্রকৌঃ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন রুবেল, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি গাজী ইউসুফ বাপ্পি, খেলাফত মজলিস ফেনীর সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিমুল্লাহ আহম্মাদী প্রমুখ।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে বক্তারা বলেন, এই হামলা পূর্ব পরিকল্পিত। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। জাতীয় পার্টিকে (জাপা) নিষিদ্ধ ঘোষণা করাসহ ৩ দফা দাবি জানান তারা।
গণঅধিকার পরিষদের ৩ দফা দাবি হলো- (১) হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারকে আজকের (শনিবার) মধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। (২) যেহেতু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না, তাই তাকে পদত্যাগ করতে হবে। (৩) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) নিষিদ্ধ করতে হবে।
এসময় ফেনী জেলা গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব সাইফ ফরাজীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Meeting of the Chief Advisor with that party Press Secretary

৩ দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক কাল : প্রেস সচিব

৩ দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক কাল : প্রেস সচিব

দেশের বতর্মান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল রোববার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করবেন।

আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বৈঠকে আলোচনা হবে। বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা। আলাদাভাবে তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Nurul Haques assurance to ensure all types of medical assistance

নুরুল হকের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

নুরুল হকের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন।

তিনি ফোনে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তার পরিবারকে সাহস রাখার পরামর্শ দেন।

এদিকে, নুরুল হকের চিকিৎসায় উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

মন্তব্য

p
উপরে