স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের জন্য আবাসন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
এ জন্য ৪ হাজার ১১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেয়া হয় মঙ্গলবার।
বৈঠকে এটিসহ ৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ছয়টি প্রকল্প পাস হয়। এর মধ্যে তিনটি নতুন। অবশিষ্ট তিনটি সংশোধিত।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। পরে শেরেবাংলা নগরে এনইসিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে সভার বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন পরিকল্পনা সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী।
তিনি বলেন, একনেক সভায় অনুমোদিত ছয়টি প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্প।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে উপহার হিসেবে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা-বীরাঙ্গনা-শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিধবা স্ত্রী ও সন্তানদের আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে একতলা পাকা ঘর তৈরি করে দেয়া হবে। তাদের পরিবারের ভিটায় দুই বেড, দুই টয়লেট, ডাইনিং ও কিচেনসহ ৬৩৫ বর্গফুটের এই ‘বীর নিবাস’ তৈরি করে দেয়া হবে। প্রতিটি ঘর তৈরিতে ব্যয় ধরা হয় ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।
৬৪ জেলার ডিসি কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে ২ লাখ মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। এর মধ্যে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার।
পরিকল্পনা সচিব জয়নুল বারী সাংবাদিকদের বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের আবাসিক সংকট দূর হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি।
পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, প্রতি জেলা-উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করতে ২০১৮ সালের মার্চে একনেকে প্রথম প্রকল্পটি পাস হয়েছিল। এতে ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩২টি ভবনে মোট ৮ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের কথা ছিল।
একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা আপত্তি তুলে বলেছেন, নিজেদের ভিটা ও পরিবার ছেড়ে ওইসব ফ্ল্যাটে উঠতে চান না তারা। এ কারণে তখন মূল প্রকল্পটি প্রত্যাহার করা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের চাহিদা অনুযায়ী, বাস্তবতার ভিত্তিতে নতুন করে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা মঙ্গলবার একনেকে পাস হয়।
একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ, স্থানীয় সরকার বিভাগের পিরোজপুর জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা, বিদ্যুৎ বিভাগের কনস্ট্রাকশন অব নিউ সাবস্টেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের রাজশাহী কল্পনা সিনেমা হল থেকে তালাইমারী মোড় পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা
পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নেয়া আবাসন প্রকল্পে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, যাদের ভিটেমাটি নেই, তাদের জেলা প্রশাসক বা ইউএনওর মাধ্যমে জমির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক ও ইউএনওরা যেন প্রয়োজনে প্রকল্পের টাকা দ্রুত ছাড় করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যাতে অর্থের কোনো সমস্যা না হয় সে জন্য অর্থবছরের শুরু থেকে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন:দেশের বতর্মান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল রোববার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করবেন।
আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বৈঠকে আলোচনা হবে। বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা। আলাদাভাবে তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন।
তিনি ফোনে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তার পরিবারকে সাহস রাখার পরামর্শ দেন।
এদিকে, নুরুল হকের চিকিৎসায় উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
কুষ্টিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত দুটি পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল বিড়ি, শুল্ক ফাঁকি দেওয়া বিদেশি সিগারেট এবং ভারতীয় কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার ১০০ টাকা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়।
বিজিবির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানটি চালানো হয় গত ২৮ আগস্ট ভেড়ামারা উপজেলার বারমাইল বাজার এলাকায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ৩৪২০ প্যাকেট অবৈধ নকল বিড়ি এবং বৈধ মূসক চালানপত্র (৬.৩) না থাকায় ২০০০ প্যাকেট বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব পণ্যের মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১০০ টাকা।
পরদিন ২৯ আগস্ট দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আশ্রায়ন বিওপি এলাকার ভাগজোত ঘাটে বিজিবির আরেকটি বিশেষ অভিযানে ভারত থেকে আনা ৫০ কেজি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২ লাখ টাকা।
জব্দকৃত বিদেশি সিগারেট যাচাই করে মালিকপক্ষ থেকে মূসক বাবদ ১৮ হাজার টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক বাবদ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা—মোট ৯৮ হাজার ৪০০ টাকা রাজস্ব আদায় করে সিগারেটগুলো ফেরত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নকল বিড়ি কাস্টমসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং কারেন্ট জাল ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়নের সিজার স্টোরে সংরক্ষিত রয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান, পিএসসি বলেন, "সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা এবং কাকরাইলে সংঘটিত সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এ সময় তিনি নুরের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং এ ঘটনার আইনি তদন্তের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৩টায় তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান আরো বলেন, ‘বিএনপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা এবং কাকরাইলে সংঘটিত সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। আমরা গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক অত্যন্ত নাজুক সময়ের মধ্যে আছি। যার প্রথম পদক্ষেপ হলো জাতীয় নির্বাচন। সম্মিলিতভাবে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আজকের ঘটনার মতো অস্থিতিশীল ঘটনাগুলো যেন আর না ঘটে এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।’
তিনি বলেন, গণতন্ত্রপন্থী অংশীজনরা, যার মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররাও রয়েছে, তাদের অবশ্যই সংযম ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে। গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনাকে অবশ্যই প্রাধান্য দিতে হবে।
তিনি দেশকে অবশ্যই বর্তমান অস্থির পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, তাহলে আমাদের এই মব ভায়োলেন্সের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সতর্কতা বজায় রাখা, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল দেশ গড়ে তোলা উচিত। কেবল গণতান্ত্রিক পথে জনগণকে ক্ষমতায়িত করা এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার, সাম্য ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সফল হতে পারি।’
নুরের ওপর সংঘটিত ঘটনার আইনি তদন্তের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
কিশোরগঞ্জের আলোচিত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে, যেগুলোর গণনা চলছে।
জেলা শহরের ঐতিহাসিক মসজিদটিতে ১৩ টি দানবাক্স
আছে, যেগুলো সাধারণত তিন মাস পরপর খোলা হয়। এবার খোলা হয়েছে ৪ মাস ১৮ দিন পর। ধারণা করা হচ্ছে অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে এবার।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো: এরশাদুল আহমেদের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে সকাল সোয়া ৭ দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল সকালে মসজিদটির ১১ টি দানবাক্স খুলে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা । এছাড়াও পাওয়া যায় বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা। তখন ৪ মাস ১২ দিনে এই পরিমাণ টাকা জমা পড়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলোতে। তখনকার সময়ে এই পরিমাণ অর্থ ছিল সর্বোচ্চ রেকর্ড। টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াও প্রচুর পরিমাণ হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলও দান করেন অনেকে।
পাগলা মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, টাকা গণনায় অংশ নেয় পাগলা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসার ১২০ জন ও আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ২২০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফ, রূপালী ব্যাংকের ১০০ জন কর্মকর্তা, এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য গণনায় অংশ নিয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলে এবার ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন চলছে গণনার কাজ। তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদকেন্দ্রিক একটি ইসলামি কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হবে। ভবনটি হবে ১০ তলাবিশিষ্ট এবং এখানে বহুমুখী কাজ করা হবে। এখানে অনাথ–এতিমদের জন্য লেখাপড়ার ব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা, মাদ্রাসাশিক্ষা, একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার, ক্যাফেটেরিয়া ও আইটি সেকশনও থাকবে।
এই মসজিদের বর্তমান আয়তন ৫ দশমিক ৫ একর। ১০ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ভবনের জন্য আরও কিছু জায়গা কেনা হবে। এই মুহূর্তে পাগলা মসজিদের অ্যাকাউন্টে মানুষের দানের ৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা জমা আছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে মসজিদ কমপ্লেক্সের জন্য নকশা জমা দিয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠান। রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষা করে একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মসজিদ কমিটি দ্রুত কার্যাদেশ দেবে এবং কাজ শুরু হয়ে যাবে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে বস্তায় ভরা এবং গণনা শেষে ব্যাংক পর্যন্ত সব টাকা নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তার কাজে তিনিসহ তাঁর পুলিশ সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন।
দানবাক্স খোলার পর গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। তাদের মধ্যে অনেকে আসেন দূরদুরান্ত থেকে। তবে বেশি লোকজন আসেন প্রতি শুক্রবারে।
মসজিদটিতে নিয়মিত হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের পাশাপাশি নানা ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ।
মন্তব্য