× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
দেশের প্রথম শিল্প পার্ক হবে বগুড়ায়
google_news print-icon

‘দেশের প্রথম শিল্পপার্ক হবে বগুড়ায়’

দেশের-প্রথম-শিল্পপার্ক-হবে-বগুড়ায়
বিসিক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ২০ বছরের মধ্যে সারা দেশে ৪০ হাজার একর জমিতে ১০০ শিল্পপার্ক হবে। এসব পার্কে শিল্পকারখানা স্থাপনে সমান সুযোগ পাবেন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা।

দুই দশকের মধ্যে দেশে বড় বড় শিল্পপার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত আছে জানিয়ে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান বলেছেন, বগুড়ায় হবে প্রথম শিল্পপার্ক।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ায় ‘বিসিক শিল্প ও পণ্যমেলা ২০২১’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ২০ বছরের মধ্যে সারা দেশে ৪০ হাজার একর জমিতে ১০০ শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে। এসব পার্কে শিল্পকারখানা স্থাপনে সমান সুযোগ পাবেন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা।

‘বড় শিল্পপার্ক না থাকার কারণে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হচ্ছেন না। এ অবস্থায় বিসিক নতুন শিল্পপার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উজ্জ্বল কুমার ঘোষ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

বক্তব্য রাখেন বিসিক রাজশাহীর আঞ্চলিক পরিচালক জাফর বায়েজীদ, বগুড়া পৌরসভার মেয়র একেএম মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলী হায়দার চৌধুরী, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি টি জামান নিকেতা, বগুড়া চেম্বারের সহসভাপতি মাহফুজুল ইসলাম রাজ, রাজশাহী সিল্ক অ্যান্ড বেনারসি জামদানি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির রহিদুল ইসলাম।

শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে মাসব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

বগুড়া ছাড়াও নওগাঁ, গাইবান্ধা, রংপুর, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ৮০টি স্টল মেলায় অংশ নিয়েছে।

মেলায় শাড়ি-কাপড়, থ্রিপিস, মাটির তৈজসপত্রসহ হরেক পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন:
ওয়ানস্টপ সেবায় যুক্ত হলো বিসিক
কুটির শিল্পের উন্নয়নে হবে টেকসই শিল্পায়ন: শিল্পমন্ত্রী
বিসিক ভবনে এসএমই পণ্য মেলা শুরু
হালকা প্রকৌশল শিল্পে সহজ শর্তে ঋণ দেবে বিসিক
মুজিববর্ষে বিসিকের মধু, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
College girls body Father and son arrested

কলেজ ছাত্রীর মরদেহ: গ্রেপ্তার বাবা-ছেলে

কলেজ ছাত্রীর মরদেহ: গ্রেপ্তার বাবা-ছেলে নওগাঁয় কলেজ ছাত্রী নিহতের মামলায় গ্রেপ্তার প্রেমিক ও তার বাবা। ছবি: নিউজবাংলা
নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ‘এ ঘটনায় দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

নওগাঁয় এক কলেজ ছাত্রী নিহতের মামলায় প্রেমিক ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গ্রেপ্তার দুজনকে শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি জানান, নওগাঁর সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের তুলশীগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধের পাশ থেকে গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ২২ বছর বয়সী তাবাসসুম আক্তার রিংকু নামের এক কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত তাবাসুম আক্তার রিংকু জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালি ইউনিয়নের পুন্ডুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় রায়কালী টেকনিক্যাল বিএম কলেজের এইচএসসি ভোকেশনাল ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন।
এ ঘটনার পর দিন দুপুরে নিহতের মা শাহিনা বেগম বাদি হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার চারদিন পর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার মাটিয়াকুরি গ্রামের আলাউদ্দীনের ছেলে নাঈম হোসেন ও তার বাবা আলাউদ্দীন আলীকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানান ওসি। এ সম্পর্কে তিনি জানান, নিহত রিংকু ও নাঈমের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের প্রেমে পরিবারে বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে গত ২৭ নভেম্বর সকালে তারা কোর্ট ম্যারেজ করার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি অটোরিকশা করে রাজশাহী কোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

দুজনের মধ্যে নওগাঁ কোর্টে অথবা রাজশাহীতে কোর্টে বিয়ে করা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক আর ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সদর উপজেলার চকগৌড়ি মেইন রাস্তায় অটোরিকশা থেকে রিংকু পড়ে যায়। এতে মাথা ও হাত পায়ে গুরুতর যখম হলে তাকে বাঁচানোর জন্য নাঈম দ্রুত মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তার অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

নাঈম ভয় পেয়ে তার বাবা আলাউদ্দীনের সঙ্গে আলোচনা করলে তার বাবা রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয় তাকে। এরপর নাঈম দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে রিংকুকে রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নাঈম ও তার বাবা ভয় পেয়ে রিংকুর মরদেহ রাতের আঁধারে তিলকপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের তুলশীগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ‘এ ঘটনায় দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে ফোনে ঝগড়া: স্ত্রীর মরদেহ
সম্পত্তির জন্য ৩১ ঘণ্টা বাবার মরদেহ আটকে রাখলেন পাঁচ মেয়ে
প্রভাষক থেকে প্রতারক, তারপর গ্রেপ্তার
শাহজালালে দেড় কেজি স্বর্ণসহ দম্পতি আটক
সাভারে যাত্রীবেশে ছিনতাইচক্রের প্রধানসহ গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
UNOs car fell into ditch in Tentulia engineer killed UNO injured 3

তেঁতুলিয়ায় গাড়ি খাদে পড়ে প্রকৌশলী নিহত, ইউএনওসহ আহত ৩

তেঁতুলিয়ায় গাড়ি খাদে পড়ে প্রকৌশলী নিহত, ইউএনওসহ আহত ৩ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শনিবার ইউএনওর গাড়ি খাদে পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
ওসি প্রদীপ কুমার রায় জানান, শনিবার গভীর রাতে নিজেই সরকারি গাড়ি নিয়ে তিন বন্ধুকে সঙ্গে করে পঞ্চগড়ে যাচ্ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি। ওই সময় অমরখানা সেতু সংলগ্ন চেকরমারী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে খাদে পড়ে যায়।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ইউএনওর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে এলজিইডির এক প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন ইউএনওসহ তিনজন কর্মকর্তা।

জেলার সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের চেকরমারী এলাকার অমরখানা চাওয়াই সেতু সংলগ্ন পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা জাতীয় মহাসড়কে শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো আবু সাঈদ তেঁতুলিয়া উপজেলা এলজিইডির সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী ও বর্তমানে ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায়।

আহত তিনজন হলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আল আমিন ও আইসিটি সহকারী প্রোগ্রামার নবিউল করিম সরকার।

সদর থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শনিবার গভীর রাতে নিজেই সরকারি গাড়ি নিয়ে তিন বন্ধুকে সঙ্গে করে পঞ্চগড়ে যাচ্ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি। ওই সময় অমরখানা সেতু সংলগ্ন চেকরমারী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে খাদে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে প্রকৌশলী আবু সাঈদ নিহত হন।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা আহতদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আল আমিনের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি প্রদীপ কুমার রায়।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ায় ভবন ধসে বাংলাদেশি ৩ শ্রমিক নিহত
কুমিল্লায় অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় যুবক নিহত
বরিশালে ট্রাকচাপায় মেডিক্যালের শিক্ষার্থী নিহত
আরসা ও আরএসও-এর সংঘর্ষে এক রোহিঙ্গা নিহত
সাভারে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sold for one baghair lakh

এক বাঘাইড় লাখে বিক্রি

এক বাঘাইড় লাখে বিক্রি এক বাঘাইড় এক লাখ দুই হাজার টাকায় বিক্রি। ছবি: নিউজবাংলা
জেলে মহুবর রহমান বলেন, ‘নিয়মিত নদ-নদীতে মাছ ধরে সংসার চলে। শনিবার মাছ ধরতে গিয়ে জালের মধ্যে একটি বিশালাকৃতির বাঘাইড় মাছ আটকে যায়। ওই সময় অনেক কষ্টে কয়েকজনসহ মাছটি ধরে ফেলি। বিকেলে হাতিয়া বাজারে মন্টুর কাছে এক হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে মাছটা বিক্রি করছি।’

কু‌ড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে ধরা পড়েছে ৮৫ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ, এটি এক লাখ দুই হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন সাহেবের আলগার ব্রহ্মপুত্র নদে শনিবার দুপুরে ওই ইউনিয়নের কা‌জিয়ার চরের জেলে মহুবর রহমানের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

পরে শনিবার বিকেলে জেলে মহুবর এ বাঘাইড় মাছ‌টি বিক্রির জন‌্য উপজেলার হা‌তিয়া ইউনিয়নের বাজারে নিয়ে এলে মাছ ব‌্যবসায়ী মন্টু মাছটি কিনে নেন।

জেলে মহুবর রহমান বলেন, ‘নিয়মিত নদ-নদীতে মাছ ধরে সংসার চলে। শনিবার মাছ ধরতে গিয়ে জালের মধ্যে একটি বিশালাকৃতির বাঘাইড় মাছ আটকে যায়। ওই সময় অনেক কষ্টে কয়েকজনসহ মাছটি ধরে ফেলি। বিকেলে হাতিয়া বাজারে মন্টুর কাছে এক হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে মাছটা বিক্রি করছি।’

মাছ ব‌্যবসায়ী মন্টু বলেন, ‘মাছ‌টি এক লাখ দুই হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে নিই। পরে ঢাকার এক ব‌্যবসায়ীর কাছে এক হাজার ৩০০ টাকা কে‌জি দরে মাছটি বি‌ক্রি করি।’

কু‌ড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুক্তাদির খান বলেন, ‘বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদে ছোট-বড় বি‌ভিন্ন আকারের বাঘাইড় মাছ ধরা পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
এক বাঘাইড় ২১ হাজারে বিক্রি
যমুনায় ধরা পড়েছে ৬৩ কেজির ‘মহাবিপন্ন’ বাঘাইড়
যমুনায় ৫৫ কে‌জির বাগাড়, বিক্রি ৭৫ হাজারে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Truck fire in Naogaon

নওগাঁয় ট্রাকে আগুন

নওগাঁয় ট্রাকে আগুন নওগাঁর মহাদেবপুরে দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে যাওয়া ট্রাক। ছবি: নিউজবাংলা
মহাদেবপুর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘আগুনে ট্রাকের সামনের অংশ পুড়ে গেছে। আমাদের ধারণা, অবরোধ সমর্থকরা  এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনায় জড়িতদের আটক করা হবে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।’ 

নওগাঁর মহাদেবপুরে একটি ট্রাকে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলার নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাট চকগৌরি এলাকায় ট্রাকটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে ইঞ্জিনসহ ট্রাকটির সামনের অংশ পুড়ে গেছে।

মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দলপ্রধান আশরাফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ট্রাকটি হাট চকগৌরি এলাকার একটি সেতুর পশ্চিম পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। ট্রাকে কোনো মালামাল ছিল না। দুর্বৃত্তরা রাত সাড়ে ১০টার দিকে ট্রাকটির সামনের অংশে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগুনে ট্রাকের ইঞ্জিনসহ সামনের দিকে বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে মহাদেবপুর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘আগুনে ট্রাকের সামনের অংশ পুড়ে গেছে। আমাদের ধারণা, অবরোধ সমর্থকরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনায় জড়িতদের আটক করা হবে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে দুটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ
যাত্রাবাড়ীতে রাইদার বাসে আগুন
রাজশাহীতে অটোরিকশায় ককটেল নিক্ষেপ
রাজধানীতে তুরাগ পরিবহনের বাসে আগুন
সোনারগাঁয়ে চলন্ত ট্রাকে আগুন, হেলপার দগ্ধ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cocktail explosions in Farmgate and Narayanganj of the capital

রাজধানীর ফার্মগেট ও নারায়ণগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর ফার্মগেট ও নারায়ণগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ কোলাজ: নিউজবাংলা
ফার্মগেটে ককটেল বিস্ফোরণে যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী বলে জানা গেছে।

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় দুটি এবং নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ফার্মগেটের ফার্মভিউ সুপারমার্কেটের সামনের ব্যস্ত সড়কে যানজটের মধ্যে পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধানে ককটেল দুটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

বিস্ফোরণে যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী বলে জানা গেছে। তবে তারা নিজেদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

আহত একজনের মাথা থেকে রক্তপাত হতে দেখা যায়। অন্যজন পেটে আঘাত পেয়েছেন। বিস্ফোরণের পর ব্যস্ত রাস্তাটি মুহূর্তেই ফাঁকা হয়ে যায়। রাস্তা ও ফুটপাতে থাকা লোকজন আশপাশের বিভিন্ন ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।

তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সরোয়ার আলম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের কথা শুনেছি। পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছে।’

অন্যদিকে শনিবার সন্ধ্যার পর নারায়ণঞ্জ শহরের খানপুর থেকে একটি মিছিল বের করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। নবাব সলিমুল্লাহ সড়কের ডন চেম্বার এলাকায় এসে তারা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পরে চাষাঢ়ার দিকে এগিয়ে মিশনপাড়া মোড়ে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সড়কে অগ্নিসংযোগ করে তারা পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ডিবি পুলিশের একটি টিম। এরপর সদর থানা পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি শাহাদাৎ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবরোধ কর্মসূচির নামে ককটেল বিস্ফোরণ ও সড়কে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই তারা পালিয়ে যায়। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।’

রোববার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। নবম দফায় দেয়া দলটির অবরোধ কর্মসূচির আগের দিন সন্ধ্যায় এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির মহাসমাবেশ পুলিশি বাধায় পণ্ড করে দিলে তারা এ সরকারের পদত্যাগের একদফাসহ মহাসমাবেশে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ২৯ অক্টোবর সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয়। সমমনা জোটগুলোও এই কর্মসূচি যুগপৎভাবে পালন করেছে। এরপর থেকে পর্যায়ের ক্রমে তারা প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার এবং শুক্র ও শনিবার ছুটির দুইদিন বিরতি দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি করে যাচ্ছে। এই পর্যন্ত তারা আট দফায় অবরোধের কর্মসূচি পালন করেছে। কাল থেকে নবম দফায় দলটির অবরোধ কর্মসূচি চলবে।

আরও পড়ুন:
বিএনপির জেলা পর্যায়ের তিন নেতা বহিষ্কার
বিএনপির বিভক্তি আমরা করতে যাইনি: কাদের
স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দল থেকে বহিষ্কার বিএনপির শহীদ সারোয়ার
অন্য দলের এমপি হতে চাওয়া শেরপুরের দুই নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি
‘নৌকায় উঠে’ বিএনপি থেকে বহিষ্কার শাহজাহান ওমর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Munshiganj 3 Constituency boat candidate to give written explanation in court

লিখিত ব্যাখ্যা দিতে আদালতে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী

লিখিত ব্যাখ্যা দিতে আদালতে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী লিখিত ব্যাখ্যা দিতে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস আদালতে। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার বেলা ১১টার দিকে আসনটির নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক ফাহমিদা খাতুনের আদালতে তিনি উপস্থিত হন। পরে তিনি সেখানে লিখিত ব্যাখ্যা দেন।  

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যানের নির্দেশের প্রেক্ষিতে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে আসনটির নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক ফাহমিদা খাতুনের আদালতে তিনি উপস্থিত হন। পরে তিনি সেখানে লিখিত ব্যাখ্যা দেন।

এর আগে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকেলে আসনটির নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক ফাহমিদা খাতুন লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর এ নির্দেশ দেন।

কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন নম্বর ১৭৩ মুন্সীগঞ্জ-৩ এর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী। তিনি গত ২৭ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জ শহরে গোলচত্বর এলাকায় সভা-সমাবেশ করেন। মোটরসাইকেল ব্যবহার করে শোভাযাত্রা করেন। ওই সময় শত শত নেতা-কর্মীরা সুপার মার্কেট এলাকায় জড়ো হয়। এতে মুন্সীগঞ্জ শহরের থানা সড়ক, হাসপাতাল সড়ক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। ওই এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। ওই বিষয়ে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান

মোহাম্মদ নাজমুল হাসান নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কার্যালয়ে মৃণাল কান্তি দাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও এ বিষয়ে গত ২৮ নভেম্বর সংবাদপত্র ও অনলাইন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান আরও বলেন, প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে এবং পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যসমূহ বিশ্লেষণে পরিলক্ষিত হয়েছে, মৃণাল কান্তি দাস উপরোক্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সংসদীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৬ (ঘ) ও ৮(ক) এর বিধান এবং তৎসহ বিধি ১২ এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কেন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হবে না সেটি আগামী ২ ডিসেম্বর শনিবার বেলা ১১টার মধ্যে কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, ২য় আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

আরও পড়ুন:
সাকিবের দুঃখপ্রকাশ
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনে নৌকার প্রার্থীকে শোকজ
ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশের নির্বাচনে বিরোধী দল অংশ নেয় না: কাদের
প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও এমপি মোস্তাফিজ
সিরাজগঞ্জে সাবেক পৌর মেয়রকে কুপিয়ে জখম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
I became a candidate to vote for myself

‘নিজের ভোট নিজেকে দিতেই প্রার্থী হয়েছি’

‘নিজের ভোট নিজেকে দিতেই প্রার্থী হয়েছি’ মানিকগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেয়া আব্দুল আলী বেপারী। ছবি: নিউজবাংলা
আব্দুল আলী বেপারী বলেন, ‘আসলে মনের মতো প্রার্থী না থাকায় আমি প্রার্থী হয়েছি। আমার ভোট আমাকে দিতে পারলেই আমার আত্মতৃপ্তি। মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, যাচাই ঠিকঠাক থাকলে আমি স্বতন্ত্র নির্বাচন করবই। কোটি কোটি টাকা দিলেও আমি সরে দাঁড়াবো না। কারণ নির্বাচন আমার কাছে ক্যান্সারের মতো হয়ে গেছে।’

টানা তিনবার নির্বাচন করে একবারও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারেননি মানিকগঞ্জের ঘিওরের ৬০ বছরের মো. আব্দুল আলী বেপারী। অথচ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এমপি নির্বাচনে লড়বেন তিনি।

হলফনামা থেকে জানা যায়, মানিকগঞ্জ-১ আসনের এ এমপি প্রার্থী ঘিওর উপজেলার বেড়াডাংগা এলাকার কিয়ামুদ্দিনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কৃষক। কৃষিকাজের মাধ্যমে তার বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তার কাছে নগদ ২ লাখ টাকা ও এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

আব্দুল আলী বেপারীর স্ত্রী গৃহিনী। সংসারজীবনে তাদের ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে আর ছেলেরাও চাকরি করছেন। আব্দুল বেপারীর শিক্ষাগত সার্টিফিকেট না থাকলেও তিনি স্বশিক্ষিত।

আব্দুল আলী বেপারী জানান, ইউপি নির্বাচনে মনের মতো প্রার্থী না পেয়ে তিনি ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ সালে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মনের মতো প্রার্থী পাননি তিনি। ফলে মানিকগঞ্জ-১ আসনে নিজেই দাঁড়িয়ে গেছেন এমপি প্রার্থী হিসেবে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘জনগণ আমাকে ভোট দিলে পাস করব, না দিলে কিছু করার নাই; আমার ভোট তো আমি দিতে পারব! আসলে মনের মতো প্রার্থী না থাকায় আমি প্রার্থী হয়েছি। আমার ভোট আমাকে দিতে পারলেই আমার আত্মতৃপ্তি। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই। মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, যাচাই ঠিকঠাক থাকলে আমি স্বতন্ত্র নির্বাচন করবই। কোটি কোটি টাকা দিলেও আমি সরে দাঁড়াবো না। কারণ নির্বাচন আমার কাছে ক্যান্সারের মতো হয়ে গেছে।’

নির্বাচনে আসার পিছনের কারণ তুলে ধরে আব্দুল আলী বেপারী বলেন, ‘আমাদের এলাকায় রাস্তা না থাকায় তৎকালীন বিএনপির চীফ হুইপ খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের কাছে যাই। রাস্তার জন্য অনেক অনুরোধ করেছিলাম, কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। তখন খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে তিনি আমাকে বলেন- পারলে আমার মতো হয়ে দেখিয়ে রাস্তা করে নিও। সেই রাগ আর ক্ষোভে চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছি, এখন এমপি প্রার্থী হয়েছি।’

স্বতন্ত্র এ প্রার্থীর বড় ছেলে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় সময়ই মা ও আমরা পাঁচ ভাই-বোন বাবাকে না করেছিলাম। কিন্তু তিনি কথা শুনেন নাই। এমপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সময়ও বুঝিয়েছি, তাতেও লাভ হয়নি। পরে মনোনয়নপত্রে আমি প্রস্তাবকারী ও আমাদের এলাকার লিটন ইসলাম সমর্থনকারী ছিলাম। মনোয়নপত্র জমা দেয়ার সময় পরিবারের কেউ সঙ্গে ছিল না। বাবার সঙ্গে শুধুমাত্র আমার ছোট ভাগিনা ছিল। বাবা কষ্ট করে আমাদের মানুষ করেছে। তাই বাবার কথার অবাধ্য হয় নাই।’

মন্তব্য

p
উপরে