× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
সেরা করদাতার সংখ্যা দ্বিগুণ চান অর্থমন্ত্রী
google_news print-icon

সেরা করদাতার সংখ্যা দ্বিগুণ চান অর্থমন্ত্রী

সেরা-করদাতার-সংখ্যা-দ্বিগুণ-চান-অর্থমন্ত্রী
জাতীয় পর্যায়ে ১৪১ জনসহ ৫২৫ জনকে সেরা করদাতা ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে এনবিআর। এদের ট্যাক্স কার্ড ও সনদ প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা দেয়া হয়।

সেরা করদাতার সংখ্যা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার এনবিআর আয়োজিত সেরা করদাতাদের সম্মাননা ও ট্যাক্স কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মন্ত্রী বলেন, আদায় বাড়াতে রাজস্ববান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য যা কিছু করা দরকার, তাই করা হবে। এ বিষয়ে কারও সঙ্গে আপস করা হবে না।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

এর আগে জাতীয় পর্যায়ে ১৪১ জনসহ ৫২৫ জনকে সেরা করদাতা ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে এনবিআর। এদের ট্যাক্স কার্ড ও সনদ প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা দেয়া হয়।

করোনাভাইরাসের কারণে এবার সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠান করে রাজস্ব বোর্ড। জাতীয় পর্যায়ে ১৪১ জন থেকে বৃহস্পতিবার ১০ জন সেরা করদাতাকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজন ব্যক্তি। বাকি পাঁচটি কোম্পানি।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ কর দিতে চান। কিন্তু আমরা আদায় করতে পারছি না ঠিকমতো। ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে। যেকোনো উপায়ে ফাঁকি বন্ধ করতে হবে। তা না হলে কাঙ্ক্ষিত আদায় বাড়বে না।’

অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণের প্রধানতম খাত মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেশিন ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) চালু করেছে এনবিআর।

অর্থমন্ত্রী জানান, সামান্য কিছু মেশিন বসানো হয়েছে। আরও বসাতে হবে।

ওই সময় দ্রুত মেশিন বসানোর কাজ শেষ করতে এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

বর্তমানে বাংলাদেশে অর্থনীতির আকারের তুলনায় কর আদায় খুবই কম। কর-জিডিপির অনুপাত মাত্র ১০ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। জিডিপির তুলনায় আমাদের কর আহরণ হওয়া উচিত কমপক্ষে ১৭ শতাংশ।’

কম রাজস্ব আহরণের জন্য অটোমেশনকে দায়ী করে মুস্তফা কামাল বলেন, এর অগ্রগতি তেমন হয়নি। আদায় বাড়াতে অটোমেশনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এটা করতে গেলে বাধা আসবে। কিন্তু তা উপেক্ষা করে দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

রাজস্ব আহরণ বেড়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে আদায় হয়েছিল ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সোয়া দুই লাখ কোটি টাকায়।

এ অর্জনের জন্য দেশের জনগণকে কৃতিত্ব দেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী মনে করেন, রাজস্ব আহরণ বাড়লেও খাত বাড়েনি তেমন। গুটিকয়েক খাতের ওপর আদায় নির্ভরশীল এখনও। রাজস্বের নতুন

নতুন খাত চিহ্নিত করে আদায় বাড়াতে এনবিআরকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, যদি করহার (রেট) বেশি থাকে, তাহলে আদায় কম হবে। তাই করহার কমাতে হবে। পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে করহার কত, তা বিশ্লেষণ করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরও পড়ুন:
দারিদ্র্য হার দ্বিগুণের তথ্য নাকচ করলেন অর্থমন্ত্রী
অর্থনীতি সঠিক পথেই: অর্থমন্ত্রী
নতুন বছরে অর্থনীতি ভালো থাকবে, আশা অর্থমন্ত্রীর
অর্থনীতি ভালো অবস্থানে, এটা আল্লাহর রহমত : অর্থমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Career and Networking Day held at IUB

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ছবি: আইইউবি
উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বুধবার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তথা আইইউবিতে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে-২০২৪।

আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর, ফার্মাসিউটিকাল, প্রযুক্তি, খাদ্য ও কোমল পানীয়, এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, বিজ্ঞাপন, স্টার্টআপ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের প্রায় সব খাতের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ছিল আইইউবির ক্যারিয়ার ডেতে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিলো রবি, স্কয়ার, হা-মীম গ্রুপ, এবিসি গ্রুপ, পূর্বানী গ্রুপ, এসিআই, বসুন্ধরা, ডোরীন গ্রুপ, ডানকান, রেনাটা, ম্যারিকো, নিটল-নিয়ল গ্রুপ, ব্র্যাক ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন, আইডিএলসি, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, জিজিকন টেকনোলজিস, প্রথম আলো, ডিবিসি নিউজ, ম্যাগনিটো ডিজিটাল, ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা দিনভর শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেন।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মন থেকে ভালোবেসে কাজ করা যায় এমন ক্যারিয়ার বেছে নিতে হবে। বেতন বা সুযোগ-সুবিধার কথা ভেবে প্রলুব্ধ হলে চলবে না। যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছো, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ কেমন সেটা আগে দেখতে হবে এবং বুঝতে হবে তুমি সেই পরিবেশে ভালো করতে পারবে কি না।’

উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আসা যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাদার ব্যক্তিরা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আরও বেশি বেশি প্রতিষ্ঠান আমাদের এখানে আসছেন।

‘এ জন্য আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এতে প্রমাণ হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইউবির ওপর আস্থা বাড়ছে।’

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল একাত্তর টেলিভিশন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও দেশ রূপান্তর।

আরও পড়ুন:
আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক
আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন দিদার এ হোসেইন
আইইউবি-তে মৌলিক পাইথন প্রোগ্রামিং কোর্স করলেন ১০ শিক্ষক
অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এআইইউবিতে সেমিনার
আইইউবিতে পালা নাটক ‘দেওয়ানা মদিনা’ মঞ্চস্থ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cashless transactions at Pasurhat in Sindh

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ
ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় বসেছে কোরবানির পশুর হাট। গরু কেনাবেচার টাকা লেনদেন হচ্ছে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় ক্যাশলেস এই হাটের উদ্যোক্তা ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তার প্রচেষ্টায় করোনা মহামারির সময় থেকে সিংড়া নিয়মিতভাবে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ক্যাশলেস কোরবানির পশুর হাট।

এই হাটের একমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা নগদের মাধ্যমে দেশের সর্বনিম্ন খরচে ক্যাশআউট সুবিধা উপভোগ করছেন। বিশেষ করে প্রতিবছরের পশুর হাটে পকেটমার, মলমটপার্টিসহ নানা ধরনের দৌরাত্ব থেকে রেহাই পাচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

কোরবানির পশুর হাটের এমন উদ্যোগের বিষয়ে নগদের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রথম নাম নগদ। আমরা প্রতিবছর কোরবানির সময় সারা দেশের বিভিন্ন হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের লেনদেন করার নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে সেবা দিয়ে থাকি। এ ছাড়া অন্যান্য সেবা তো থাকেই।’

কোরবানির পশুর হাটে আগত যাদের নগদ অ্যাকাউন্ট নেই, ডিজিটাল পেমেন্ট বুথে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধাও দিচ্ছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ।

সিংড়া উপজেলার মতো দেশের প্রতিটি উপজেলাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। যার ফলে ক্যাশলেস লেনদেনসহ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তিসহ ২৭টি মন্ত্রণালয়ের ভাতা দেশের জনগণের কাছে নগদ সফলভাবে নিরাপদে পৌঁছে দিচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bikash student account advertising with over half a hundred influencers

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের বিজ্ঞাপন

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি দেশের ১৪ থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

অভিনেতা আফরান নিশোর সঙ্গে ক্যাম্পেইনের বিজ্ঞাপনটি নতুন রূপে উপস্থাপন করেছেন ৫০ জনেরও বেশি ইনফ্লুয়েন্সার। এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল জগতে প্রথমবারের মতো ৫০টিরও বেশি ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে কোনও ক্যাম্পেইন লঞ্চ করল।

বুধবার (১২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রাবা খান, আমিন হান্নান চৌধুরী, কিটো ভাই, হামজা শায়ান খান, মাইসুন’স ওয়ার্ল্ডের মতো কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের ইউনিফর্ম পড়া স্টুডেন্ট লুকে দেখা যাবে। এই ক্যাম্পেইনে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভিডিওগুলোর মাধ্যমে তরুণরা বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যা যা প্রয়োজন সে সম্পর্কে জানতে পারবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর বিভন্নি স্পেশাল অফার পাওয়া যাবে সে সম্পর্কেও জানাচ্ছে এই ক্যাম্পেইন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিজিটাল জন্ম সনদ এবং মা-বাবার সচল বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে।

আরও পড়ুন:
বিকাশের ব্র্যান্ড এনডোর্সার হলেন মীম
বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো আকর্ষণীয় ৫ ফিচার
বিকাশে ভিক্ষা: যা বললেন সেই ব্যবসায়ী
৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ
বিকাশে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The market for sacrificial animals has been going on in Dhaka since Thursday

ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে গত কিছুদিন ধরেই ঢাকায় আসছে কোরবানির পশু। ছবি: নিউজবাংলা
পশুর হাটগুলোতে চলছে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছেন খামারিরা।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশের জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুরহাট। বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় স্থায়ী দুটিসহ ২২টি পশুরহাটে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশু বেচা-বিক্রি শুরু হবে।

পশুর হাটগুলোতে চলছে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছেন খামারিরা। খবর বাসসের

দুই সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ ৯টি হাট এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটসহ ১১টি হাট বসেছে। তবে এ বছর আদালতের নির্দেশনার কারণে আফতাবনগরে হাট বসবে না।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা পিয়াল হাসান জানিয়েছেন, রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবে স্থায়ী ১টি ও অস্থায়ী ৮টি হাট। এবার ১৩ জুন বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত ৫দিন হাট বসবে। কোরবানির পশু কেনা-বেচা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দে যাতে করা যায় সে জন্য উত্তরের হাটগুলোতে সকল ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।

বাজারে ক্রেতারা কোন নগদ অর্থ না নিয়ে এসেও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পশু ক্রয় করতে পারবে জানিয়ে পিয়াল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইনস্ট্যান্ট ব্যাংক একাউন্ট খুলে যে কেউ টাকার লেনদেন করতে পারবে। এজন্য হাট এলাকায় অসংখ্য ব্যাংক বুথ থাকবে।

এ ছাড়া হাটে আসা মুসলিম ক্রেতাদের অযু ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের শৃংখলা বজায় রাখতে এবার হাট ইজারাদারদের সতর্ক করা হয়েছে। কোন বিক্রেতা যদি রাস্তায় হাট বসায় তবে ইজাদারের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে বলেও জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা।

ঢাকা উত্তরে অস্থায়ী ৮টি হাটের মধ্যে রয়েছে-উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরের পাশের খালি জায়গা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাশের খালি জায়গা, মস্তুল চেকপোস্ট এলাকা, মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ভাটারার সুতিভোলা খালের কাছের খোলা জায়গা, মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট সড়কের পাশের খালি জায়গা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে রানাভোলা স্লুইচগেট পর্যন্ত খালি জায়গা ও দক্ষিণখানের জামুন এলাকার খালি জায়গা।

এদিকে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের বলেন, সারুলিয়ায় স্থায়ী হাটসহ ডিএসসিসি এলাকার ১১টি স্থানে পশুর হাট বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বসবে।

তিনি জানান, প্রত্যেকটি হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য একটি করে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটিতে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এছাড়া ডিএসসিসি’র নির্ধারিত গাইডলাইনের বাইরে কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সাথে-সাথে তারা ব্যবস্থা নেবেন। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের পাশাপাশি প্রত্যেকটি হাটে একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে নগদ অর্থের লেনদেন ছাড়া ইনস্ট্যান্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতারা অর্থের লেনদেন করতে পারবেন। এজন্য পর্যাপ্ত ব্যাংক বুথের ব্যবস্থা থাকবে।

ঢাকা দক্ষিণে অস্থায়ী ১০টি হাটের মধ্যে রয়েছে-খিলগাঁও রেলগেট মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা,হাজারীবাগের ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজ সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, পোস্তগোলা শ্মশান ঘাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন খালি জায়গা, কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, লালবাগে রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা।

এদিকে কোরবানির পশুর বর্জ্য ও অস্থায়ী পশুর হাটের বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরিয়ে নিতে দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং হাটের ইজারাদারদের সঙ্গে মঙ্গলবার সভা করেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। উত্তর সিটি কর্পোরেশন এ ব্যাপারে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Before Eid the price of gold increased by Tk 1073

ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১০৭৩ টাকা

ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১০৭৩ টাকা ফাইল ছবি।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার থেকে এই দর কার্যকর হবে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা তিন দফা দাম কমার পর বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। জানানো হয়েছে, বর্ধিত এই দাম বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ৯ জুন এবং ২৪ ও ২৫ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। তিন দফায় ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে তিন হাজার ৬৬২ টাকা কমানো হয়।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৪ টাকা বাড়িয়ে ৯৫ হাজার ৬৯১ এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭৩৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট দুই হাজার ছয় টাকা, ১৮ ক্যারেট এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Snehasish Mahmood and Cos discussion meeting on the proposed budget

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোংয়ের আলোচনা সভা

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোংয়ের আলোচনা সভা প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোংয়ের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং
স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং কর্তৃক আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্ম স্নেহশীষ মাহমুদ এন্ড কোং অর্থ বিল ২০২৪-এর প্রস্তাবিত উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনসমূহ উপস্থাপন করে রোববার (৯ জুন) শেরাটন হোটেল বনানীতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

প্রস্তাবিত অর্থ বিলের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং ব্যবসা ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা এ সভার মূল উদ্দেশ্য।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং কর্তৃক আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্মের পার্টনার জেরীন মাহমুদ হোসেইন এফসিএ, তার সূচনা বক্তব্যে আগত সব অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করেন।

অনুষ্ঠানে স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং থেকে সাম্প্রতিক সময়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি (সিএ) পাশ করা তিনজন শিক্ষার্থী বাধন দাস এসিএ, মো. আমিরুল ইসলাম এসিএ এবং আহমেদ জাবিরকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

আহমেদ জাবির বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বয়সে সিএর সব পরীক্ষা পাশের কৃতিত্ব অর্জন করেন।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্মের পার্টনার জনাব স্নেহাশীষ বড়ুয়া এফসিএ, প্রস্তাবিত বাজেটের সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন দিকসমূহ অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন। এ ছাড়াও তিনি অর্থ বিলের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ব্যবসাবাণিজ্য ও ব্যক্তিগত করদাতার ওপর প্রভাব বিশ্লেষণপূর্বক উপস্থাপন করেন।

তিনি শিল্পভিত্তিক কার্যকরী কর হারের বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়াও অর্থ বিল ২০২৪-এ ব্যবসা ও অন্য করদাতাদের ওপর করের বিষয়সমূহের সতর্কতার ক্ষেত্রসমূহ আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জনাব জাবেদ আখতার, প্রেসিডেন্ট, এফআইসিসিআই বাংলাদেশ; ড. ইখতিয়ারউদ্দীন মো. মামুন এফসিএমএ, মহা পরিচালক, বিসিএস কর একাডেমি এবং ড. মো. আব্দুর রউফ, মহা পরিচালক, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর।

জাবেদ আখতার তার বক্তৃতায় বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো ও কর্পোরেট কর হারের সঙ্গে কার্যকরী কর হারের দূরত্ব কমানোর বিষয়ে আলোকপাত করেন।

ড. ইখতিয়ারউদ্দীন মো. মামুন এফসিএমএ করদাতা ও কর সংগ্রহে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মো. আব্দুর রউফ রাজস্ব আহরণে পরোক্ষ করের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

উক্ত আলোচনায় মোবাইল অপারেটরদের ওপর কর হারের পরিবর্তন, দান বা উপহারের ক্ষেত্রে করের নতুন পরিবর্তন এবং উৎসে কর কর্তনসহ অন্য পরিবর্তন সম্পর্কিত বিষয়সমূহ জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করবে তা ছিল মূল আলোচনার বিষয়।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্মের পার্টনার সুকান্ত ভট্টাচার্য, এফসিএ তার সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি মহলের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ক এই আলোচনা অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য।

পরিশেষে বিভিন্ন অংশীজনদের কাছ থেকে অর্থ বিল ২০২৪-এর উপর প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে পরিবর্তন বা সংশোধনের একটি সুপারিশমালা এনবিআর, মন্ত্রণালয় ও অন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি জ্ঞাপন করা হয়।

আরও পড়ুন:
মোদির তৃতীয় মেয়াদে কারা থাকছেন মন্ত্রিসভায়
রাষ্ট্রপতি মুর্মুর কাছে পদত্যাগপত্র জমা প্রধানমন্ত্রী মোদির
সরকার গঠন নিয়ে নাইডু, নীতিশের সঙ্গে কথা বলবে কংগ্রেস
ঘৃণার রাজনীতি মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে বিজেপির অবনতি: ওয়াইসি
লোকসভা নির্বাচন: কোন দল কতটি আসন পেল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Fragility in overall economy Wahiduddin Mahmood

সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভঙ্গুরতা চলছে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভঙ্গুরতা চলছে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সোমবার ‘অর্থনীতির চালচিত্র ও প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৪-২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদ। ছবি: সংগৃহীত
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, “মুদ্রাস্ফীতি, রাজস্ব সংগ্রহে স্বল্পতা, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে স্থবিরতা, পুঁজিবাজার ও ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা, সর্বব্যাপী দুর্নীতি, সরকারি ব্যয়ে অনিয়ম, অপচয় ও জবাবদিহিহীন বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধের চাপের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত বাজেটকে বলা যায় ‘স্যাক্রিফিশিয়াল ল্যাম্ব’; যার হাত-পা বাঁধা, নড়াচড়ার খুব একটা সুযোগ নেই।”

‘অতি-নিম্ন রাজস্ব সংগ্রহের হার দেশের অর্থনীতির বড় দুর্বলতা হওয়া সত্ত্বেও ক্রমাগতভাবে তা অবহেলা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ক্রমাগত ঋণ নেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটেও ঘাটতি মেটাতে ঋণ নেয়ার প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা ঋণের সুদ পরিশোধের অর্ধেক। এতে করে বাজেট ঋণের ফাঁদে পড়তে পারে।’

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সোমবার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

‘অর্থনীতির চালচিত্র ও প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৪-২৫’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদক পরিষদ।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “সামগ্রিক অর্থনীতিতেই টানাপোড়েন বা ভঙ্গুরতা চলছে। অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি, রাজস্ব সংগ্রহে স্বল্পতা, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে স্থবিরতা, পুঁজিবাজার ও ব্যাংকিং খাতে বিশৃংখলা, সর্বব্যাপী দুর্নীতি, সরকারি ব্যয়ে অনিয়ম, অপচয় ও জবাবদিহিহীন বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধের চাপের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত বাজেটকে বলা যায় ‘স্যাক্রিফিশিয়াল ল্যাম্ব’ যার হাত-পা বাঁধা, নড়াচড়ার খুব একটা সুযোগ নেই।

“এমন পরিস্থিতিতে ন্যূনতম বাজেট দিতে গেলে সেখানে জোড়াতালি, অসঙ্গতি, অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা থাকবেই। কারণ অর্থনীতি যে অবস্থায় দাঁড়িয়েছে তাতে শুধু বাজেট কেন, যেকোনো পরিকল্পনা নিতে গেলেই তা সুখকর হবে না।”

এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশের বাজেটের যে আকার হওয়া উচিত, রাজস্ব সংগ্রহের নিম্ন হারের কারণে তা করার সুযোগ নেই। ফলে ব্যয় সংকোচন করতে হবে। মুদ্রাস্ফীতি ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য যদি বিবেচনা করা হয়, তাহলে ঘাটতি অবশ্যই বড় হবে। যার ফলে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা যাচ্ছে না। এর ওপর আছে ভর্তুকি ও বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি চার্জের বিরাট বোঝা।

‘আবার বাজেট ঘাটতির বড় অংশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মেটাতে হবে। তাতে নতুন টাকা ছাপানোর আশঙ্কা রয়েছে, যেটা বিপজ্জনক। আবার বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৯ শতাংশ। অন্যদিকে ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে খেলাপি ঋণ। এতে নতুন ঋণ দেয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজেটে বেসরকারি খাতের যে বিনিয়োগ প্রাক্কলন করা হয়েছে তা অবাস্তব।’

তিনি বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে ন্যূনতম বাজেট দিতে গিলে– সেখানে জোড়াতালি, অসঙ্গতি, অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা থাকবেই। কারণ অর্থনীতি যে অবস্থায় দাঁড়িয়েছে, তাতে শুধু বাজেট কেন, যেকোনো পরিকল্পনা নিতে গেলেই তা সুখকর হবে না।’

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির সংকটে বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক কারণ রয়েছে। তবে শুধু সেটাই কারণ হলে উত্তরণ সম্ভব হতো। আগে থেকেই দেশের অভ্যন্তরে মৌলিক সমস্যা রয়েছে।

‘সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় বেশকিছুকাল ধরে মৌলিক কিছু দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। ফলে বাজেটের আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব না। এখন দরকার সার্বিক উত্তরণের পরিকল্পনা নেয়ার। প্রশ্ন হলো- সরকারের উচ্চতম পর্যায়ে সে ধরনের অঙ্গীকার আছে কী না।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘দেশের ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণহীন অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। সরকারি ব্যয়ে সাশ্রয়ের পরিবর্তে অপচয় হচ্ছে বেশি। অর্থনীতি আস্থার পরিবেশ হারাচ্ছে। অর্থনীতিতে অবৈধ অর্থ যাতে তৈরি না হয় সেজন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু, সেটিও ঠিকমতো কাজ করছে না। এতে অবাধে কালো টাকার সঞ্চরণ হচ্ছে। পুঁজি পাচার হচ্ছে।

‘ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা ও উঠানো হচ্ছে। খবর প্রকাশিত হলো যে সাবেক আইজিপি ব্যাংকে প্রচুর টাকা জমা ও উত্তোলন করেছেন। কিন্তু ব্যাংকগুলোর ১০ লাখ টাকার বেশি জমা-উত্তোলন রিপোর্ট করার কথা। তাহলে এই টাকার পদচিহ্ন কোথায়?’

তিনি বলেন, বাজেটে বাড়তি ব্যয় কমানোর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাড়তি ব্যয় ছিল কেন? মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিদেশ থেকে শুধু ঋণ না নিয়ে ইক্যুইটি নেয়া যেত। কিন্তু সে চেষ্টা দেখা যায়নি।

‘তবে মেগা প্রকল্প নিয়ে ঢালাও মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কিছু প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়ন হয়েছে। আবার কিছু প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি, ব্যয়ও বেড়েছে। কোন দেশের ঠিকাদারদের প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশি সময় ও অর্থ লাগছে তা নিয়ে অনুসন্ধান করা যেতে পারে।’

উচ্চ মূল্যষ্ফীতির এই সময়ে করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা বিবেচনাপ্রসূত হয়নি বলে উল্লেখ করেন এই অর্থনীতিবিদ। রাজস্ব সংগ্রহে এনবিআরের কৌশলকে ‘বাঘের হরিণ শিকার নীতির’ সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘ছোট ও ক্ষমতাহীনদের চাপে রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারে সম্পূরক শুল্ক আরও বাড়ানো হয়েছে। এই ইন্টারনেট কিন্তু সাধারণ মানুষও ব্যবহার করে। এ উদ্যোগে রাজস্ব আয় বাড়বে নাকি ইন্টারনেট ব্যবহার কমে যাবে তা গবেষণার বিষয়।

‘একইভাবে আয়করের উচ্চ স্তর ৩০ শতাংশ করা হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে সারচার্জ। যে দেশে ধনীদের সিংহভাগ কর দেয় না, সেখানে কিছু করদাতার ওপর উচ্চ কর চাপিয়ে দিলে কর ফাঁকির প্রবণতা বাড়ার আশঙ্কা থাকে।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, ‘দুর্নীতি-অনিয়মের সবচেয়ে বড় উৎস হলো ক্ষমতার রাজনীতিকরণ। এর মূল ভিত্তি হলো বিভিন্ন অনুগত স্বার্থগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যায় সুযোগ-সুবিধা বিতরণ। এর ফলে সম্পদের বৈষম্য বা অসম-বণ্টন বাড়ে, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, বিনিয়োগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সৎ উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হন।

‘বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ এবং টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে ক্ষমতার রাজনীতিতেও অন্তত কিছু সংবেদনশীল খাতকে এসব প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা যায় কিনা তা বিবেচনা করে দেখতে হবে।’

আরও পড়ুন:
৩৮ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
প্রস্তাবিত বাজেট কর-ঋণনির্ভর ও লুটেরা-বান্ধব: বিএনপি
মূল্যস্ফীতি কমিয়ে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই
ব্যবসায়ীদের মূল প্রস্তাবগুলোর প্রতিফলন বাজেটে নেই: বিজিএমইএ
রাঘব-বোয়ালদের লুটপাটের সুযোগ দিতে এই বাজেট: ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে