× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
পুঁজিবাজার ২১ হাজার কোটি টাকা মুনাফা তোলেনি কেউ
google_news print-icon

২১ হাজার কোটি টাকার মুনাফা তোলেনি কেউ

২১-হাজার-কোটি-টাকার-মুনাফা-তোলেনি-কেউ
অবণ্টিত লভ্যাংশ নিয়ে কাজ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। তথ্য নেয়া হয়েছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে। দেখা গেছে, ডিএসইর ২০৮টি ও সিএসইর ১২৭টি কোম্পানিসহ মোট ৩৩৫ কোম্পানির প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা লভ্যাংশ অবণ্টিত অবস্থায় আছে।

কোম্পানির শেয়ার পোর্টফোলিওতে থাকলে বছর শেষে পাওয়া যাবে নগদ বা শেয়ার লভ্যাংশ। কিন্তু বিও হিসাব নবায়ন না করা, ব্যাংকের হিসাব অকার্যকরসহ নানা কারণে অবণ্টিত থেকে যায় কোম্পানির লভ্যাংশ, যা ‘সাসপেন্ডেড’ হিসেবে জমা থাকে কোম্পানির কাছে।

সম্প্রতি এমন অবণ্টিত লভ্যাংশ নিয়ে কাজ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। তথ্য নেয়া হয়েছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে। দেখা গেছে, ডিএসইর ২০৮টি ও সিএসইর ১২৭টি কোম্পানিসহ মোট ৩৩৫ কোম্পানির প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা লভ্যাংশ অবণ্টিত অবস্থায় আছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, কোম্পানির অবণ্টিত লভ্যাংশ নিয়ে কাজ চলছে। এসব লভ্যাংশ কোথায় কীভাবে ব্যবহৃত হতে পারে সেটার কিছু বিধি বিধান লাগবে। বিধি বিধানগুলো তৈরি হওয়ার পর বলা যাবে, বিনিয়োগ সুরক্ষা তহবিলে যাবে নাকি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে।

টাকার অংকে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশের পরিমাণ ১১ হাজার কোটি টাকা ও নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ ৬৩৪ কোটি টাকা। একইভাবে সিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে অবণ্টিত বোনাস লভ্যাংশের পরিমাণ আট হাজার ৮৮১ কোটি টাকা ও নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ ৩২১ কোটি টাকা।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আট হাজার ৮০৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার অদাবিকৃত লভ্যাংশ রয়েছে তামাক খাতের বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটিবিসি) কাছে। এরমধ্যে ৮ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা বোনাস লভ্যাংশ এবং ছয় কোটি ৪৫ লাখ টাকা নগদ লভ্যাংশ।

কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণার পর নির্দিষ্ট সময় পর তা বিনিয়োগকারীদের প্রদত্ত ব্যাংক হিসাব (নগদ লভ্যাংশ) এবং (বেনিফিশিয়ারি ওর্নাস) বিও হিসাবে স্টক (শেয়ার লভ্যাংশ) পাঠানো হয়।

২১ হাজার কোটি টাকার মুনাফা তোলেনি কেউ

নিয়মিত লেনদেন না করা বা দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানের কারণে ব্যাংক হিসাব বন্ধ বা অকার্যকর হয়ে যায়। এতে নগদ লভ্যাংশ ব্যাংক হিসাবে জমা হয় না। একই কারণে বিও হিসাব নবায়ন না করলে শেয়ার (স্টক) লভ্যাংশ জমা না হয়ে তা কোম্পানির কাছে ফেরত চলে যায়। কোম্পানি এগুলো সাসেপেন্ডেড হিসাবে জমা দেখিয়ে আর্থিক বিবরণী তৈরি করে।

বিনিয়োগকারীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে অনেক সময় তার মনোনীত উত্তরাধিকারী সেই টাকা আর দাবি করেন না তথ্য বা কাগজপত্রের অভাবে।

এরূপ ক্ষেত্রে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার এক বছরের মধ্যে অবণ্টিত লভ্যাংশ আলাদা ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করতে হবে। স্টক (শেয়ার) লভ্যাংশের ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে বিও হিসেবে পাঠাতে হবে। ৩০ দিন পর অবণ্টিত লভ্যাংশ আলাদা ‘সাসপেন্ডেড‘ বিও হিসেবে রাখার এমন নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

ভারতে অবণ্টিত ও দাবিহীন লভ্যাংশ সাত বছর পর্যন্ত সাসপেন্ডেড থাকতে পারে। এরপর সেটা চলে যায় বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিলে। কিন্তু বাংলাদেশের এখানে ওই ধরনের কোনো তহবিল বা নীতিমালা নেই।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Work to be done to prevent child marriage by creating a database Divisional Commissioner

বাল্যবিবাহ রোধে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার

বাল্যবিবাহ রোধে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার ছবি: সংগৃহীত

বাল্যবিবাহ রোধে বিভাগীয় কমিটির ত্রৈমাসিক সভা বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি-বেসরকারি উভয় দপ্তরকে সমন্বিতভাবে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে এবং এসডিজিকে আমলে নিয়ে যতটা সম্ভব কাজের আওতা বৃদ্ধি করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি জেলায় বিবাহ রেজিস্ট্রি এবং নোটারি পাবলিকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সভা করে তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহের এবং ডিজিটাল আসক্তির কুফল সম্পর্কে কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।’

সভায় জানানো হয়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে টোল ফি হটলাইন ১০৯, ৯৯৯ ও ১০৯৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, মহিলাবিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, ইউনিসেফ খুলনার চিফ মো. কাওসার হোসাইন প্রমুখ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Anti broker operation in Mirpur BRTA 4 people jailed and fined 2

মিরপুর বিআরটিএতে দালালবিরোধী অভিযান: ৪ জনের কারাদণ্ড, জরিমানা ২

মিরপুর বিআরটিএতে দালালবিরোধী অভিযান: ৪ জনের কারাদণ্ড, জরিমানা ২

গ্রাহক হয়রানি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রোধে মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চার দালালকে কারাদণ্ড এবং দুজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়ে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান।

অভিযানে আটক ব্যক্তিরা আদালতের কাছে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুজনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তবে অভিযান চলাকালে প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য দ্রুত পালিয়ে যায়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. আশরাফুল ইসলাম বাবু (২২), মো. আকতার সরদার, মো. তুহিন (৩৪) এবং মো. রিপন (২৮)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা বিআরটিএ কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন। অনেক ক্ষেত্রে কাগজপত্র ও টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘বিআরটিএ অফিসে আগত সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে দালালচক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও জানান, আটক ছয়জনের মধ্যে দুজনকে এক মাস এবং দুজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Social security is threatened by the coral reef of drugs in Narail

নড়াইলে মাদকের করাল গ্রাসে বিপন্ন সামাজিক নিরাপত্তা

নড়াইলে মাদকের করাল গ্রাসে বিপন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ছবি: সংগৃহীত

এক সময়ের মেধাবী ছাত্র ও জেলা দলের ফুটবল খেলোয়াড় ভোম দাস (২৮)। এখন প্রায় সারাক্ষণই নেশার ঘোরে আচ্ছন্ন থাকেন। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ান, আর পরিচিত কাউকে দেখলেই হাত পেতে দশটি টাকা চান। টাকা দিয়ে কি হবে-জানতে চাইলে নিরুত্তর থাকেন ভোম দাস। মাদক সেবন নিয়ে তার পরিবার পরিজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। নেশাগ্রস্ত ও পাগলপ্রায় এই ছেলের বাবা-মা নেই। বাড়ি নড়াইল পৌরসভার আলাদাতপুর গ্রামে। ভাইকে নিয়ে বড় দাদা আশীষ দাস ওরফে ঠাকুরের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই।

নড়াইলে শুধু ভোম দাসই নন, নেশায় বুদ হয়ে আছেন জেলা শহর ও উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ের উঠতি বয়সি কিশোর, তরুণ, মধ্য বয়সিরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকা সত্ত্বেও মাদকে সয়লাব নড়াইল জেলা। হাত বাড়ালেই তৃণমূলের সর্বত্রই পাওয়া যাচ্ছে মাদক। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী আটকসহ জব্দ করা হচ্ছে মাদক। বেশি ধরা পড়ছে বিদেশি মদ, গাজা, ইয়াবাসহ অন্যান্য দ্রব্য।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ নাজুক হয়ে পড়ে। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মতৎপরতাও বেশ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। এই সুযোগে সমাজে মাদক ব্যবসা জেকে বসে। আর্থিকভাবে লাভবান হতে নারীরাও মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে পড়েন। এখন আর আগের মতো রাতে পুলিশি টহল এবং মাদকপাচারের রুটগুলোতে চৌকি বসানো হচ্ছে না। যে কারণে সর্বত্র মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার বিক্ষুব্ধ মানুষ পাড়া-মহল্লায় মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে সভা-সমাবেশসহ এলাকায় বিক্ষোভ করছেন। এ ছাড়া জনসমাগম স্থানে মাদকবিরোধী ব্যানার টানিয়ে দিচ্ছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের গণধোলাই শেষে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুরসহ আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে।

নড়াইল সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক বলেন, ‘মাদক একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা যা ব্যক্তি, পরিবার এবং রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। মাদকাসক্তি রোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, বরং সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরে রাখতে ঢাকা-বেনাপোল ভায়া নড়াইল মহাসড়কের নড়াইল অংশের গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থানে বেশ কিছু যুবকদের মাসোহার দিয়ে পাহারায় বসিয়েছে। তাদের হাতে দেওয়া হয়েছে দামি মুঠোফোন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সোর্সরাই এখন মাদক সাম্রাজ্যের সম্রাট।’

জানা গেছে, নড়াইলের ১৮টি স্পটে মাদক কেনাবেচ হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এমন কিছু নামধারী ছাত্র ও যুবনেতা অর্থের জোগান দিয়ে নিজেরাই এ ব্যবসা করছেন। এ ছাড়া জনপ্রতিনিধি এমনকি মহিলা চা বিক্রেতারাও এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে এদের ছত্রছায়ায় থেকে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, ‘যশোর থেকে মাদকের চালান নড়াইল হয়ে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ রাজধানী ঢাকায় চলে যায়।’

খোজ নিয়ে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নড়াইল অফিসে মাদকসেবী কিংবা মাদক ব্যবসায়ীদের নামের তালিকা সংরক্ষণ নেই। কতগুলো স্পটে মাদক বিক্রি হচ্ছে এমন তালিকাও নেই অফিসে। জনবল এবং পরিবহন সংকটে ভুগছে অফিসটি।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নড়াইল অফিসের উপপরিচালক গোলক মজুমদার বলেন, ‘নড়াইল অফিসে জনবল এবং পরিবহন সংকট থাকায় অভিযান পরিচালনা করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারপরও বসে নেই অফিসের সদস্যরা। পরিবহন সমস্যা দূর হলে কর্মতৎপরতা বেড়ে যাবে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘দিনে দিনে মাদকসেবী এবং ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি ইউনিটের জনবল দিয়ে পুরো জেলার মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।’ তিনি উপজেলা পর্যায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস চালু করার দাবি করেন। তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে দুর্বৃত্তদের হাতে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা জন্য ঝুঁকি ভাতা চালুরও দাবি করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘চলতি বছরে (জানুয়ারি থেকে জুন) পাঁচ মাসে ৮৮টি মাদক মামলা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে প্রায় শতাধিক। জব্দ করা হয়েছে গাঁজা-’৪৫ কেজি ৫০৯ গ্রাম, গাঁজার গাছ ২টি, ইয়াবা-৫ হাজার ৯৩৮ পিস। এ ছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।’

নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. রকিবুল হাসান বলেন, ‘গত ১ মে থেকে ২০ জুন পর্যন্ত পুলিশের কাছে মাদকসংক্রান্ত প্রায় ২৫টি মামলা রয়েছে। আটক করা হয়েছে ৫১ জন ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে। তাদের কাছ থেকে ৩৯ কেজি ৫৫৫ গ্রাম গাঁজা, এক হাজার ৫২৯ পিস ইয়াবা, কফ সিরাফ ৩৯ বোতল এবং উইনসায়েক্স ৩৫ বোতল জব্দ করা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘নড়াইলে ৮ লাখ জনঅধ্যুষিত জনবলের বিপরীতে পুলিশ সদস্য রয়েছে মাত্র ৮৯৯ জন। ৪টি থানা, ১টি ফাঁড়ি, ৫টি পুলিশ ক্যাম্প, ২টি তদন্ত কেন্দ্রে মোট ৪১৮ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত আছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
DMPs special operation arrested 79 in the capital

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৭৯

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৭৯

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিটের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত বুধবার দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজ রয়েছে। এ ছাড়া সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাতি-সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ৩১ জন এবং মাদক কারবারে জড়িত ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
A tree plantation program was held at Farida Vidyayatan under the initiative of AS

এইস―এর উদ্যোগে ফরিদা বিদ্যায়তনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

এইস―এর উদ্যোগে ফরিদা বিদ্যায়তনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠসংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

অ্যালায়েন্স ফর কেয়ার অ্যান্ড ইক্যুইটি (এইস)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির সমন্বয় করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, ফরিদা বিদ্যায়তনের গভর্নিং কমিটির সভাপতি নাজমা আক্তার, প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ মজুমদার, ফেস দ্য পিপল-এর উপদেষ্টা মো. শাহ আলম, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান খালেদ সাইফুল্লাহ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোশাররফ হোসাইন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক শামীম আহমেদ, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরুণ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল হাসান, দৈনিক আমার দেশের কুমিল্লা প্রতিনিধি এম. হাসান, কুমিল্লা ডিবেট ফেডারেশনের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ এবং এইস-এর রিসার্চ কোঅর্ডিনেটর হাসান মাহমুদ তারেক।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অর্জুন, নিম, কৃষ্ণচূড়া, জলপাই, বরই, আম, পেয়ারাসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সবুজায়ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
DSCC tough on dengue control Special operation launched across the capital to destroy larvae

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কঠোর ডিএসসিসি: লার্ভা ধ্বংসে রাজধানীজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কঠোর ডিএসসিসি: লার্ভা ধ্বংসে রাজধানীজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু

‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধবিষয়ক জাতীয় কমিটির’ সিদ্ধান্তে নবগঠিত টাস্কফোর্সের উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকায় এ বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলম।

অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে ২টি নির্মাণাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৭০ ধারা অনুযায়ী ভবনের প্রত্যক মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ডেঙ্গুর লার্ভা থাকায় লাল কালি চিহ্নিত বিশেষ সতর্কতামূলক লিফলেট ভবনের প্রবেশপথে সেঁটে দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ ও ময়লা জমে থাকায় বাসিন্দাদের ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্তক করা হয়। এ ছাড়া যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়; জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মূল উদ্দেশ্য। আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।’

তিনি আরও জানান, জাতীয় কমিটির অধীনে এই টাস্কফোর্সের অভিযান রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখার বিনীত অনুরোধ জানান।

যাত্রাবাড়ির দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শনকালে তিনি খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The woman was detained in the court when she came to give proxy for the accused

আসামির হয়ে প্রক্সি দিতে এসে আদালতে নারী আটক

আসামির হয়ে প্রক্সি দিতে এসে আদালতে নারী আটক

২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় মূল আসামির পরিবর্তে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে এসে আটক হয়েছেন আরেক নারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৪ এর বিচারক তানিয়া সুলতানা লিপির আদালতে এ ঘটনা ঘটে। মূল আসামি নাসরিন শিকদারের পরিবর্তে মনোয়ারা বেগম নামে ওই নারী আদালতে প্রক্সি দিতে আসেন।

শুনানিকালে আসামিকে দেখে বিচারকের সন্দেহ হলে তাকে এজলাসে আটকের আদেশ দেন। এ সময় প্রক্সি দিতে আসা আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তড়িঘড়ি করে এজলাস ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার ইব্রাহীম খলিল অপু জানান, এজাহারনামীয় মূল আসামি নাসরিন শিকদারের পরিবর্তে মনোয়ারা বেগম আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। পরে বিচারকের কাছে প্রক্সির বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাকে আদালতের হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান সুমন বলেন, ‘প্রক্সি দিতে আসা ওই নারীকে আদালতের হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত মূল আসামি, প্রক্সি আসামি ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আদালত থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক মনোয়ারা বেগম বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও অফিসে পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন। এই মামলায় প্রক্সি দেওয়ার জন্য মূল আসামির আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন তাকে আদালতে নিয়ে আসেন। বিষয়টি বিচারকের নজরে এলে ওই আইনজীবী কৌশলে সরে যান।’

এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে আসামি নাসরিন শিকদারের আইনজীবী বলেন, ‘বিষয়টি আমার নলেজে নেই। দেখতে হবে। পরে কল দিয়ে জানাচ্ছি।’

এজলাসে আটকের পর মনোয়ারা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। কান্নার ফাঁকে তিনি বলেন, ‘আমি কিছু জানি না। ঢাকার জজ কোর্টের আগরবাতি গলির এক আইনজীবী আমাকে নিয়ে এসেছে। আমার কোনো অপরাধ নেই। অপরাধ তো ওই আইনজীবীর। আমাকে ছেড়ে দেন, তাকে গ্রেপ্তার করেন। আমি বিভিন্ন আইনজীবীর চেম্বারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করি। এত কিছু বুঝি না। যে স্যার ডাকছে, আমি এখানে এসেছি। আমি বুঝতে পারিনি, এটা অপরাধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর দোহাই, আমাকে মাফ করে দেন। আমাকে ছেড়ে দেন। আমি অন্যের বাসায় কাজ করে খাই। আমি কিছু জানি না। আমার দুটা ছোট ছোট বাচ্চা আছে।’

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ বাদী নিবেদিতা আহমেদ তুলি আসামি নাসরিন শিকদারের বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার একটি চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেন।

বাদীর সঙ্গে আসামির পারিবারিক সুসম্পর্ক থাকায় বিভিন্ন সময় ফ্ল্যাট কেনার জন্য আসামিকে মোট ২৯ লাখ টাকা দেন বাদী। এর বিপরীতে গত বছরের ২৭ জানুয়ারি আসামি বাদীকে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি চেক দেন।

পরে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সোনালী ব্যাংকে জমা দিলে ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ উল্লেখ করে তা ডিজঅনার হয়। এ ঘটনায় তিনি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট আইনের ১৩৮ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।

মন্তব্য

p
উপরে