× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
আইপিও আবেদনের তারিখ নির্ধারণ এনআরবিসি ব্যাংকের
google_news print-icon

আইপিও আবেদনের তারিখ নির্ধারণ এনআরবিসি ব্যাংকের

আইপিও-আবেদনের-তারিখ-নির্ধারণ-এনআরবিসি-ব্যাংকের
১২০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক এনআরবিসি ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন নেয়া শুরু করবে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন নেয়ার তারিখ নির্ধারণ করেছে।

১২০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে চতুর্থ প্রজন্মের এ ব্যাংক ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন নেয়া শুরু করবে।

ব্যাংকটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৪৯তম কমিশন সভায় ব্যাংকটির আইপিও অনুমোদন করা হয়।

১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১২ কোটি শেয়ার ছাড়বে বিএসইসি। উত্তোলন করা অর্থ দিয়ে বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়, লোন পরিশোধ, ডিজিটাল হেলথকেয়ার প্ল্যাটফর্ম উন্নয়ন এবং আইপিও খাতে ব্যয় হবে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) এক টাকা ৫৫ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) রয়েছে ১৩ টাকা ৮৬ পয়সা।

সবশেষ ২০০৮ সালে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতের কোম্পানি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিল।

চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক এনআরবিসি ২০২০ সালে ৩২৩ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করে। ২০১৯ সালে ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা ছিল ২৬৫ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ৫৮ কোটি টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার ইনভেস্টমেন্ট ও এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
LPG 12 kg cylinder price increased by Tk 8

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৮ টাকা

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৮ টাকা রাজধানীর একটি দোকানের সামনে ভ্যানে রাখা এলপিজি সিলিন্ডার। ফাইল ছবি
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, মার্চ মাসে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ঠিক করা হয়েছে এক হাজার ৪৮২ টাকা, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল এক হাজার ৪৭৪ টাকা। সেই হিসাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে আট টাকা।

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারও বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

১২ কেজির সিলিন্ডারে এবার আট টাকা বাড়ানো হয়েছে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, মার্চ মাসে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ঠিক করা হয়েছে এক হাজার ৪৮২ টাকা, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল এক হাজার ৪৭৪ টাকা। সেই হিসাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে আট টাকা।

এলপিজির সমন্বয়কৃত এ মূল্য কার্যকর হবে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মার্চের জন্য বোতলজাত সাড়ে পাঁচ কেজি এলপিজির দাম ৬৭৯ টাকা। এ ছাড়া বোতলজাত সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি এক হাজার ৫৪৪ টাকা, ১৫ কেজি এলপিজি এক হাজার ৮৫৩ টাকা, ২০ কেজি এলপিজি দুই হাজার ৪৭০ এবং ৩০ কেজি এলপিজির দাম ঠিক করা হয়েছে তিন হাজার ৭০৬ টাকা।

আরও পড়ুন:
এলপিজির দাম আরও বাড়ল
১২ কেজির সিলিন্ডারে ২৯ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম
এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৩ টাকা
এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ১৮ টাকা  
এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭৯ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
MARCEL DIGITAL CAMPAIGN STARTS SEASON 20

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে মার্সেলের ১৯টি ডিজিটাল ক্যাম্পেইন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু করেছে শীর্ষস্থানীয় দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল।

রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও মার্সেল পণ্যের ক্রেতাদের জন্য রয়েছে বিশেষ চমক। সিজন-২০-এর আওতায় দেশের যেকোনো শোরুম থেকে মার্সেল ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনার বা এসি, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন। এ ছাড়া রয়েছে লাখ টাকার নিশ্চিত উপহার।

১ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।

এই অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে মার্সেল।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে ক্যাম্পেইনের আওতায় নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Even if the duty is reduced by 10 percent the price of dates is out of reach

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে শুল্ক কমানোর পর চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খেজুরের চালান খালাস হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
খেজুরের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে করা হয়েছে ৪৩ শতাংশ। তারপরও দাম না কমে উল্টো বাড়ছে। ওদিকে শুল্ক কমানোর পর পবিত্র রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দরে খেজুরের চালান খালাসের পরিমাণ বেড়েছে। গত কয়েক দিনে ৬০৫ কনটেইনার খেজুর খালাস হয়েছে। প্রতিদিন খালাস অব্যাহত রয়েছে।

খেজুর আমদানিতে শুল্ক ছিল ৫৩ শতাংশ। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ১০ শতাংশ কমিয়ে করা হয়েছে ৪৩ শতাংশ। তারপরও দাম না কমে উল্টো বাড়ছে খেজুরের দাম।

ওদিকে বন্দরে খেজুরের চালান খালাসের পরিমাণ বেড়েছে। গত কয়েক দিনে ৬০৫ কনটেইনার খেজুর খালাস হয়েছে। প্রতিদিন খালাস অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে আগামী ১২ মার্চ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজান মাসজুড়ে সিয়াম সাধনা করেন। আর ইফতার পর্বে অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে খেজুর। এ কারণে রমজান মাসে চাহিদা বেশি থাকা পণ্যগুলোর একটি খেজুর।

পণ্যটির দাম নিয়ন্ত্রণে চলতি মাসে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে আনে সরকার। এর পাশাপাশি বাজারে তদারকি ও বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা কোনো কাজে আসছে না। গত বছরের তুলনায় বর্তমানে দেশের বাজারে খেজুরের দাম ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৮ ফেব্রুয়ারি একটি আদেশে খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে করার ঘোষণা দেয়। এর আগে খেজুর আমদানিতে সর্বমোট ৫৩ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হতো।

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে
সরকার আমদানি শুল্ক কমালেও খেজুরের দাম না কমে আরও বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে খেজুরের শুল্কায়ন মূল্য প্রতি টন এক হাজার থেকে দু’হাজার ৭৫০ ডলার। এর সঙ্গে কাস্টমস ডিউটি ১৫ শতাংশ, রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ ও ভ্যাট ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি অগ্রিম আয়কর ও অগ্রিম কর ৫ শতাংশ হারে দিতে হচ্ছে। এসব মিলে সর্বমোট শুল্ক দিতে হচ্ছে ৪৩ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর রমজানের আগে মানভেদে প্রতি কেজি খেজুরে শুল্ক দিতে হতো ৫ দশমিক ৪৫ থেকে ২১ দশমিক ৮৪ টাকা। এবার শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫৪ থেকে ২০৮ টাকা। মূলত শুল্কের প্রভাব পড়েছে খেজুরের দামে। গত বছরের তুলনায় প্রতি কেজি খেজুরে জাতভেদে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ৬শ’ টাকা পর্যন্ত।

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া খেজুরের মধ্যে রয়েছে দাবাস, জাহিদি, বরই ও গলা খেজুর। চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি গলা বা বাংলা খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, জাহিদি খেজুর ২৪০ থেকে ২৬০ ও দাবাস খেজুর ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। এছাড়া বরই খেজুর মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ থেকে ৫৪০ টাকা কেজি।

অভিজাত শ্রেণীর পছন্দের খেজুরের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের মেডজুল, মাবরুম, আজওয়া ও মরিয়ম। এক মাসের ব্যবধানে এসব খেজুরের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। জাম্বো মেডজুল মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, সাধারণ মেডজুল ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০, মাবরুম খেজুর ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৫০০, আজওয়া খেজুর ৯০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে ভালো জাতের মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া কালমি মরিয়ম ৮০০ থেকে ৯০০, সুফরি মরিয়ম ৭৫০ থেকে ৮০০, আম্বার ও সাফাভি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ ও সুক্কারি খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। এখানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালে রোজার আগে জাহেদি ব্র্যান্ডের খেজুরের দাম ছিল কার্টনপ্রতি (১০ কেজি) ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। আর এক সপ্তাহ আগেও একই ব্র্যান্ডের খেজুরের দাম ছিল কার্টনপ্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা।

পাইকারি ও ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি ৫ কেজির এক কার্টন মেডজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার টাকায়। গত বছর তা ছিল ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা। আর ফেব্রুয়ারির শুরুতে সাধারণ খোলা খেজুর কেজিপ্রতি পাইকারি দাম ছিল ১২৮ থেকে ১৩০ টাকা। বর্তমানে দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি।

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

পাইকারি বাজার সূত্রে জানা গেছে, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় জাহিদি জাতের খেজুর। এক বছর আগে প্রতি কেজি জাহেদি খেজুর খুচরা পর্যায়ে ১৫০ টাকায় পাওয়া যেত। শুল্ক কমানোর পরও বর্তমানে এই খেজুর খুচরা বাজারে বিক্রি করতে হবে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য আমদানি করা খোলা (বস্তায় বিক্রি হওয়া ভেজা) খেজুর রোজা আসার আগেই কেজিপ্রতি পাইকারি দাম ১৫৫ টাকায় উঠে গেছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে এই মানের খেজুর বিক্রি করতে হবে কমপক্ষে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিনে সবচেয়ে বেশি খেজুর বন্দর থেকে খালাস নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগে বন্দর থেকে দিনে খেজুর ভর্তি ছয় কনটেইনার খালাস হলেও রমজান সামনে রেখে খালাসের পরিমাণ ৭০ কনটেইনারে গিয়ে ঠেকেছে। কিন্তু দাম কমছে না।

ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘সরকার শুল্ক কমানোর পর ব্যবসায়ীরা খেজুর খালাসে তোড়জোড় শুরু করেছেন। কিন্তু শুল্ক কমানোর পরও ভোক্তারা কম দামে খেজুর কিনতে পারছেন না। শুল্ক কমানো এবং পর্যাপ্ত আমদানি সত্ত্বেও খেজুরের দাম কেন কমছে না তা তদারকি করতে হবে। তদারকি না করলে রোজায় খেজুর কিনতে পারবে না সাধারণ শ্রেণীর ভোক্তারা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৬৩ টন খেজুর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস করেছেন আমদানিকারকরা। ১৪৫ দিনের মধ্যে গত ১৫ দিনেই বেশি খেজুরের চালান খালাস হয়েছে। ২৮ ধরনের খেজুর দেশের ৮২টি প্রতিষ্ঠান সৌদিয়া আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্দান, মিসর, আলজেরিয়া, নামিবিয়া, তিউনিশিয়া ও আফগানিস্তান থেকে আমদানি করেছে।

জানা গেছে, চার মাস আগে খেজুর আমদানি করলেও শুল্ক কমার আশায় ব্যবসায়ীরা পণ্যটি চট্টগ্রাম বন্দরে গুদামজাত করে রেখেছিলেন। ফলে বেসরকারি ১৯টি ডিপোতে এক হাজার কনটেইনার (প্রতি কনটেইনারে ২২-২৪ হাজার কেজি খেজুর থাকে) খেজুর পড়ে ছিল। এখন খেজুরভর্তি ৬০৫টি কনটেইনার খালাস চলছে। এখনও খেজুরভর্তি ৩৯৫টি কনটেইনার খালাসের উদ্যোগ নেয়নি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার কাজী ইরাজ ইশতিয়াক বলেন, ‘প্রচুর পরিমাণ খেজুর খালাস হচ্ছে। প্রতিদিনই খালাস করছেন আমদানিকারকরা।’

‘খেজুরের শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। খেজুরের চারটি ক্যাটাগরি রয়েছে। একেকটি ক্যাটাগরির একেক রকম শুল্ক হার হয়। মিথ্যা ঘোষণায় আমদানির প্রবণতাও রয়েছে। আমরাও সতর্ক আছি, যেন সরকার রাজস্ব বঞ্চিত না হয়।’

উচ্চ শুল্ক হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা এনবিআর নির্ধারিত। এ ব্যাপারে আমাদের বলার বা করার কিছু নেই। আমরা নির্ধারিত শুল্ক নিয়ে খালাসের ব্যবস্থা করি।’

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সুলতান আরেফিন বলেন, ‘শুল্ক কমানোর পর থেকে আমদানিকারকরা খেজুর খালাস নিতে শুরু করেছেন। বর্তমানে খেজুর খালাসের পরিমাণও বেড়েছে। আগে প্রতিদিন গড়ে খেজুরভর্তি ছয় কনটেইনার খালাস হতো। এখন ৭০ কনটেইনার খেজুর প্রতিদিন খালাস হচ্ছে।’

খাতুনগঞ্জের ডেটস অ্যান্ড ড্রাই ফ্রুটস আমদানিকারক মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ট্যাক্স ১০ শতাংশ কমালেও অন্যান্য শুল্ক ঠিক রেখেছে এনবিআর। ফলে উচ্চ মাত্রায় ট্যাক্স দিয়েই আনতে হচ্ছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সামান্য এই শুল্ক কমানোর প্রভাব খেজুরের দামে পড়বে না।’

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি কেজি খেজুর ১১০ টাকায় কিনলে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা শুল্ক দিতে হয়। ১২০ টাকায় কিনলে ২০৮ টাকা শুল্ক দিতে হয়।

‘গত বছর ৯০ টাকায় ডলার কিনতে পারতাম। এ বছর ডলারপ্রতি ১২০ থেকে ১২২ টাকা দিতে হচ্ছে। কাস্টমস থেকে অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু ইচ্ছেমতো করা হচ্ছে। এলসি যে মূল্যে খুলছি সে অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণ করা হলে খেজুরের দাম অর্ধেকে নেমে আসে। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না।’

বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘পণ্য বন্দরে আসার পর শুল্ক পরিশোধ করে খালাস করতে হয়। এসব কাস্টমসের বিষয়।’

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ ছগীর আহমেদ বলেন, ‘ডলারের দাম বাড়ায় পণ্যের আমদানি খরচ বেড়ে যায়। এরপরও ব্যবসায়ীরা খেজুরের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছেন।’

আরও পড়ুন:
চাল তেল চিনি খেজুরের আমদানি শুল্ক কমল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dream is offering discounts on various products during Ramadan

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ‘স্বপ্ন’

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ‘স্বপ্ন’ স্বপ্নর লোগো। ফাইল ছবি
সুপারশপটির কর্তৃপক্ষ জানায়, ১ থেকে ২ মার্চ বেশ কিছু পণ্য খোলা বাজারের চেয়ে কম দামে স্বপ্নের আউটলেটে গ্রাহকরা কিনতে পারবেন।

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে দেশের অন্যতম সুপারশপ ‘স্বপ্ন’।

সুপারশপটির কর্তৃপক্ষ জানায়, ১ থেকে ২ মার্চ বেশ কিছু পণ্য খোলা বাজারের চেয়ে কম দামে স্বপ্নের আউটলেটে গ্রাহকরা কিনতে পারবেন।

ছাড় দেয়ার পর স্বপ্নের পণ্যের দাম

ছোলা (প্রতি কেজি) ৯৯ টাকা (ভ্যাট নেই), নতুন আলু (প্রতি কেজি) ২৬ টাকা (ভ্যাট নেই), গরুর মাংস (প্রতি কেজি) ৭৪০ টাকা (ভ্যাট নেই), ফার্মের ডিম (প্রতিটি) ১০ টাকা ৯৫ পয়সা (ভ্যাট নেই), ইলিশ (৪০০-৪৯৯ গ্রাম) প্রতিটি ৩৭৫ টাকা (ভ্যাট নেই) ও রুই মাছ (১ থেকে ১ দশমিক ৪৯৯ কেজি) ২৯৫ টাকা (ভ্যাট নেই)।

পুষ্টি সয়াবিন তেল (৫ লিটার) ৭৭৫ টাকা (ভ্যাট নেই), মিনিকেট প্রিমিয়াম চাল ৬৮ টাকা (ভ্যাট নেই), নাজিরশাইল প্রিমিয়াম চাল ৭৩ টাকা (ভ্যাট নেই), এসিআই অ্যারোমা/পুষ্টি চিনিগুঁড়া চাল (প্রতি কেজি) ১৫০ টাকা, ফ্রেশ লবণ (প্রতি কেজি) ৩৫ টাকা ৭০ পয়সা, ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার ১ হাজার গ্রাম ৭৪০ টাকা ২৫ পয়সা, এসিআই পিউর চিক বেসন (৫০০ গ্রাম) ১০৫ টাকা।

এ ছাড়া রুহ আফজা ৭৫০ মিলি ৫৪০.৭৫ টাকা, নিউট্রোলাইফ জুস ১ লিটার ২৪৬ টাকা ৭৫ পয়সা, ইস্পাহানি মির্জাপুর বেস্টলিফ চা ৪০০ গ্রাম ১৭৮ টাকা ৫০ পয়সা, মসুর ডাল (ছোট দানা-১ কেজি) ১২৩ টাকা (ভ্যাট নেই), এসিআই পিউর হলুদ/মরিচ পাউডার-২০০ গ্রাম ৮৪ টাকা, তীর হালিম মিক্সড-২০০ গ্রাম ৪৯ টাকা ৯৮, কোকাকোলা/স্প্রাইট ২ দশমিক ২৫ লিটার ১৪১ টাকা ৭৫ পয়সা ও সানসিল্ক শ্যাম্পু (৩৪০ +-১০ মিলি) ৩৩৬ টাকা।

এর বাইরে মুড়ি, চিড়া, মসলা, বেবি ডায়াপারসহ বিভিন্ন পণ্যে থাকবে ছাড়। এসিআই/পুষ্টির আটা-ময়দার ২ কেজি প্যাকে থাকছে ১৭ টাকা ছাড়।

একটি পরিবারের ঘরের মাসের বাজারে স্বপ্ন সবগুলো প্রয়োজনীয় পণ্যে সর্বোচ্চ ডিসকাউন্ট দিচ্ছে। এ ছাড়া খোলা চাল, ডাল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, মাছ ও মাংসে কোনো ভ্যাট নেই।

আরও পড়ুন:
‘স্বপ্ন’ এখন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়
স্বপ্নতে ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর অবিশ্বাস্য ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে নানান পণ্য
বিনা টিকিটে বিমানে চড়া জুনায়েদের আরেকটি স্বপ্ন পূরণ
ছাড়ে ডিম, মাছসহ নানা পণ্য বিক্রি করছে ‘স্বপ্ন’
‘স্বপ্ন’ সুপারশপে ছাড়ে মিলছে আলু, ডিম, মাছ-মাংসসহ দৈনন্দিন পণ্য

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
A chance to become a nonstop millionaire by buying Walton products

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর লোগো উন্মোচন করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার। ছবি: ওয়ালটন
এবারের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ উদ্বোধন করেন পরীমনি। লোগো উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার।

‘সেরা পণ্যে সেরা অফার’ স্লোগানো সারা দেশে শুরু হয়েছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। প্রতিবারের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও ক্রেতাদের জন্য থাকছে বিশেষ চমক।

সিজন-২০ এ ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান ক্রেতাদের জন্য ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ শীর্ষক সুবিধা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এর আগেও ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন ৩০ জন ক্রেতা। ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে আবারও এই সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিজন-২০ চলাকালে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক, শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন এবং নির্দিষ্ট মডেলের ফ্যান কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। ১ মার্চ থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরুর পর পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত মিলিয়নিয়ার হওয়ার এই সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী সিজন-২০-এর উদ্বোধন করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি। পাশাপাশি সিজন-২০ এর লোগো উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার।

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ
ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: ওয়ালটন

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. তানভীর রহমান, আরিফুল আম্বিয়া, দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), ফিরোজ আলম, আমিন খান, শাহজালাল হোসেন লিমন, তোফায়েল আহমেদ, সোহেল রানা ও মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে সদ্য নিযুক্ত জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি বলেন, ‘ওয়ালটন পণ্য এখন আমাদের সবার ঘরে ঘরে। আমার ঘরেও আছে ওয়ালটন ফ্রিজ সহ নানান পণ্য। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ওয়ালটন পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে ৪০টিরও বেশি দেশে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ওয়ালটন পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘ওয়ালটন শুধু বলার জন্যই বলে না; ওয়ালটন করেও দেখায়। ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় ইতোমধ্যে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৩০ জন ক্রেতা। ওয়ালটন এদের জীবন পুরো পাল্টে দিয়েছে। ওয়ালটনের এই উদ্যোগ সত্যিই খুবই প্রশংসনীয়। এই কার্যক্রমের সঙ্গে এবার আমাকে যুক্ত করায় ওয়ালটনকে ধন্যবাদ।’

অনুষ্ঠানে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তুলে ধরে ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান বলেন, “সারা দেশে ইতোমধ্যে ক্যাম্পেইনের ১৯টি সিজন বেশ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি সিজনেই গ্রাহকদের কাছ থেকে পেয়েছি অভূতপূর্ব সাড়া। এরই প্রেক্ষিতে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে শুরু করা হয়েছে সিজন-২০। এর আওতায় ক্রেতাদের জন্য ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনও শতভাগ সফল হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।”

সিজন-২০ চলাকালে ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে পণ্য কেনার পর পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ। এছাড়াও পাবেন কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা বা শোরুম ক্রেতাদেরকে উপহার বুঝিয়ে দিবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
How much is the price of electricity increasing in which sector?

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে ফের বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে সাড়ে আট শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে গ্রাহককে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৭০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে।

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতে ভর্তুকিতে ডলারের তারতম্যটাই মূল বিষয়। গ্যাসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে এবার বিদ্যুতের ভর্তুকি গিয়ে দাঁড়াবে ৪৩ হাজার কোটি টাকায়। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাম সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে মূল্য সমন্বয়ে যাব।’

নিচের দিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওপরের দিকে ৭০ পয়সা বাড়বে। অর্থাৎ নিচের দিকে ৫ শতাংশ ও ওপরের দিকে দাম বাড়বে সাড়ে ৮ শতাংশের মতো। ফলে মাসশেষে হয়ত ১০০ টাকায় ৫ থেকে ৮ টাকা বাড়তি দিতে হতে পারে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, ডলারের দামের তারতম্যের কারণে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে, যা আগে ৭ থেকে ৮ টাকা ছিল। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৭ টাকায় বিক্রি করছে সরকার।

তবে দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের কারণে জনজীবনে এর প্রভাব কেমন পড়বে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের কথায় মনে হচ্ছে, অত বেশি পরিবর্তন ঘটবে না। খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’

নতুন মূল্য কার্যকরের সময় জানাতে তিনি বলেন, ‘ডায়নামিক প্রাইসে (পরিবর্তিত মূল্যে) তেলের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ মার্চ থেকে সেটি কার্যকর করা শুরু হবে। আর বিদ্যুতের দাম যেটা বেড়েছে, সেটা ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছি বিদ্যুতে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে দামে গ্যাস নিত, সেখানে আমরা ৭০ পয়সার মতো সমন্বয় করেছি। আর তেলের দামও ডায়নামিক প্রাইসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘কয়লা, তেল ও গ্যাসসহ জ্বালানি আমরা যে দামে কিনতাম, সেখানে একটা ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত বছরে মারাত্মকভাবে এ পরিবর্তন এসেছে, যে কারণে ডলারের সঙ্গে জ্বালানির দাম সমন্বয় করার চিন্তাভাবনা করছিলাম। জ্বালানির ব্যাপারেও একটা ডায়নামিক প্রাইসের দিকে যাচ্ছি, যেটা পয়লা মার্চ থেকে শুরু হবে। কাল-পরশুর মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

ডায়নামিক প্রাইসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে যদি জ্বালানির দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের দেশেও সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়বে। আবার বিশ্বে যদি কমে, আমাদের দেশেও কমবে।

‘এটা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ প্রতিদিন এটা করে। যেমন কলকাতার কথা যদি বলি, সেখানে এক লিটার ডিজেলের দাম ১৩৩ টাকা। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা।’

এভাবে গ্যাসের দামও সরকারকে ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস আমদানি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা যদি তা সারের সঙ্গে যদি মিক্স করি, তাহলে ২৪ টাকার ওপরে পড়ে যায়। সারকে এ গ্যাস দিচ্ছি ১৬ টাকা রেটে, বিদ্যুতকে দিচ্ছি ১৪ টাকা রেটে। যে কারণে গ্যাসের দাম ১৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The electricity price hike is effective from February not March

মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘সব ধরনের গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। আর শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়বে।’

বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ছে। আর বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাস থেকেই গ্রাহকদের বাড়তি বিল দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে আজই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী এর আগে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, মার্চ থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যুতের এই দাম বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই অল্প। কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের কম আর বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বেশি দাম দিতে হবে।

‘সব ধরনের গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। আর শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়বে।’

তিনি জানান, ১ মার্চ থেকে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানির নতুন মূল্য চালু করা হবে। এর অধীনেই আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পেট্রোলিয়ামের দাম বাড়ানো বা কমানো হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি মাসে গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারত প্রতিদিনই এটি করছে।’

ডলারের দর বৃদ্ধির কারণে সরকারের যে ক্ষতি হয়েছে তা কমিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘এ বছর কম দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করায় সরকারের ৪৩ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে।

‘বিদ্যুৎ খাতে এখন যে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে তা থেকে বেরিয়ে আসার সরকারি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

বিপিডিবির ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৭ হাজার ২৪ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ১১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করতে খরচ হয়েছে ৬ টাকা ৭০ পয়সা। এতে ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে প্রায় ৪ টাকা ৬৩ পয়সা।

এই ভারসাম্যহীনতার কারণে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৭ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কারণ বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে অতি উচ্চ মূল্যে বিদ্যুৎ কিনেছে সরকার।

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ৮২ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনে ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে সরকার। একই সময়ে নিজস্ব কেন্দ্রে ১৩ হাজার ৩০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিপিডিবির নিজস্ব কেন্দ্রগুলো থেকে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৭ টাকা ৬৩ পয়সা। সেখানে স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বা আইপিপির (বেসরকারি খাত) বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ পড়েছে ১৪ টাকা ৬২ পয়সা। এ ছাড়া রেন্টাল প্ল্যান্টে প্রতি ইউনিটে খরচ হয়েছে ১২ টাকা ৫৩ পয়সা, পাবলিক প্লান্টে ৬ টাকা ৮৫ পয়সা এবং ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের খরচ ৮ টাকা ৭৭ পয়সা।

প্রসঙ্গত, সরকার বেসরকারি খাত ও ভারত থেকে ডলারে বিদ্যুৎ কিনে থাকে।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী
দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

মন্তব্য

p
উপরে