× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
মেটলাইফের নতুন জিএম আলা উদ্দিন আহমদ
google_news print-icon

মেটলাইফের নতুন জিএম আলা উদ্দিন

মেটলাইফের-নতুন-জিএম-আলা-উদ্দিন-
মেটলাইফের নতুন জিএম আলা উদ্দিন আহমদ
আলা ‍উদ্দিন আহমদ একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট। সবশেষ তিনি মেটলাইফ হংকংয়ের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।

আন্তর্জাতিক জীবনবিমা প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ বাংলাদেশের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মুহাম্মদ আলা উদ্দিন আহমদ।

কোম্পানির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পয়লা জানুয়ারি থেকে তিনি এই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন।

আলা ‍উদ্দিন আহমদ একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট। এর আগে তিনি মেটলাইফের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার, মেটলাইফ নেপালের মহাব্যবস্থাপক, মালয়েশিয়ায় কোম্পানিটির জয়েন্ট ভেঞ্চার ‘অ্যাম-মেটলাইফ’-এর হেড অফ স্ট্র্যাটেজি, বিজনেস প্ল্যানিং অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সবশেষ তিনি মেটলাইফ হংকংয়ের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।

মেটলাইফের বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, নেপাল ও ভিয়েতনামের আঞ্চলিক প্রধান এলেনা বুটারোভা বলেন, ‘কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা আছে আহমদের। বিমা খাতে তাঁর দূরদৃষ্টি মেটলাইফকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাবে।’

এর আগে মেটলাইফের জিএম পদে ছিলেন সৈয়দ হাম্মাদুল করীম। ৩৩ বছর এই কোম্পানিতে দায়িত্ব পালনের পর গত ডিসেম্বরে অবসরে যান তিনি।

আরও পড়ুন:
গ্রিন ডেল্টা নিয়ে এল ‘ইন্সুমামা’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Egypt is interested in importing raw leather from Bangladesh

বাংলাদেশ থেকে কাঁচা চামড়া আমদানিতে আগ্রহী মিসর

বাংলাদেশ থেকে কাঁচা চামড়া আমদানিতে আগ্রহী মিসর সচিবালয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহিম এলদিন আহমেদ ফাহমি। ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বের ২৬টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। বিনিয়োগ হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আসিয়ান দেশগুলোর বাজার সুবিধা এদেশ থেকে ব্যবহার করা যাবে।

বাংলাদেশ থেকে কাঁচা চামড়া আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মিসর। একই সঙ্গে এদেশের পাটশিল্পের অতীত অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে নিজেদের পাটশিল্প উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে চায় দেশটি। এ ছাড়াও আফ্রিকাতে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রসারে মিশর হতে পারে ‘গেটওয়ে’।

রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহিম এলদিন আহমেদ ফাহমি। খবর ইউএনবির

এ সময় বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা উল্লেখ করে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বের ২৬টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। বিনিয়োগ হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আসিয়ান দেশগুলোর বাজার সুবিধা এদেশ থেকে ব্যবহার করা যাবে।

বিনিয়োগে আগ্রহী মিশরের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এদেশে আসলে বিনিয়োগের সুযোগ আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন আহসানুল ইসলাম টিটু।

এর আগে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়াধীন দপ্তরগুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এলডিসি উত্তরণে মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। সেবা সহজ করতে ডিজিটাইজেশন বাড়াতে হবে। দপ্তরগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও সহজ করতে কাজ করতে হবে।

এ সময় আরও ছিলেন- বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান আহমেদ মুনিরুস সালেহীন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব নাভিদ শফিউল্লাহ, যুগ্ম সচিব নাহিদা আফরোজ, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়াধীন দপ্তরগুলোর প্রধানরা এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Women workers in readymade garments sector 55 57

তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ৫৫.৫৭%

তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ৫৫.৫৭% ফাইল ছবি
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিজিএমইএ-এর তথ্য অনুযায়ী (বায়োমেট্রিক ডাটাবেইজ অনুসারে) বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানায় ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৯৭ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন যার ৫২.২৮ শতাংশ নারী শ্রমিক অর্থাৎ এ খাতে নারী শ্রমিক রয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৯ জন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে তৈরি পোশাক খাতে মোট ৫০ লাখ ১৭ হাজার ৬৫২ জন শ্রমিক রয়েছেন, যার ৫৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ নারী। অর্থাৎ এ খাতে ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬১৬ জন নারী শ্রমিক (ইপিজেড ব্যতীত) রয়েছেন।

রোববার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। খবর বাসসের

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিজিএমইএ-এর তথ্য অনুযায়ী (বায়োমেট্রিক ডাটাবেইজ অনুসারে) বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানায় ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৯৭ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন যার ৫২.২৮ শতাংশ নারী শ্রমিক অর্থাৎ এ খাতে নারী শ্রমিক রয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৯ জন।

‘বিকেএমইএ-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিট সেক্টরে বর্তমানে মোট ১৭ লাখ ২৫৫ জন শ্রমিক রয়েছেন যার ৬২ শতাংশ নারী অর্থাৎ এ খাতে ১০ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৭ জন নারী শ্রমিক রয়েছেন। দেশে তৈরি পোশাক খাতে মোট ৫০ লাখ ১৭ হাজার ৬৫২ জন শ্রমিক রয়েছেন, যার ৫৫.৫৭ শতাংশ নারী অর্থাৎ ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬১৬ জন নারী শ্রমিক (ইপিজেড ব্যতীত) কর্মরত রয়েছেন।’

অর্থ-বাণিজ্য
Day long training workshop organized by IBCF

আইবিসিএফ আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আইবিসিএফ আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা
আইবিসিএফ-এর ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম নুরুল ফজল বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন ইউনিয়ন ব্যাংক এর ভাইস-চেয়্যারম্যান লেফট্যানেন্ট জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মোল্লা ফজলে আকবর।

ইসলামিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ সংগঠন ইসলামিক ব্যাংকস কনসালটেটিভ ফোরাম (আইবিসিএফ) এর রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত “ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ ও অধিগ্রহণ” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিএবি কার্যালয়ে দিনব্যাপী এই আয়োজন করা হয়।

আইবিসিএফ-এর ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম নুরুল ফজল বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন ইউনিয়ন ব্যাংক এর ভাইস-চেয়্যারম্যান লেফট্যানেন্ট জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মোল্লা ফজলে আকবর।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ও যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান সরকার, মিউচুযাল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসি এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. ফরিদউদ্দিন আহমেদ।

কর্মশালায় ১১টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ২৮ জন মধ্যম পর্যায়ের নির্বাহী অংশগ্রহন করেন।


সহকারি সচিব, আইবিসিএফ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Motiur the officer in question was removed from NBR

এনবিআর থেকে সরানো হলো আলোচিত কর্মকর্তা মতিউরকে

এনবিআর থেকে সরানো হলো আলোচিত কর্মকর্তা মতিউরকে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল, ঢাকার প্রেসিডেন্ট ও এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। ছবি: ট্রাইব্যুনাল
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল, ঢাকার প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে আলোচিত কর্মকর্তা ড. মো. মতিউর রহমানকে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের শুল্ক-১ শাখার উপসচিব মকিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে রোববার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল, ঢাকার প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

এদিকে সোনালী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আফজাল করিম জানান, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও বাদ পড়তে যাচ্ছেন মতিউর রহমান। এরই মধ্যে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে বিষয়টি তাকে জানিয়েছে।

ঈদের ছুটির পর এখনও কর্মস্থলে যোগ দেননি মতিউর রহমান। সকালে ভ্যাট ও কাস্টমস আপিলাত ট্রাইবুনালে তাকে পাওয়া যায়নি।

কর্মচারীরা জানান, ঈদের ছুটির পর কর্মস্থলে যোগ দেননি মতিউর রহমান।

ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাতের ১২ লাখ টাকায় ছাগল কেনার জেরে দেশজুড়ে আলোচিত হয় এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের নাম।

এ কর্মকর্তার বিপুল সম্পদ ও ছেলের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে দৈনিক সমকাল ২১ জুন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ছাগলকাণ্ডে আলোচিত তরুণ মুশফিকুর রহমান ইফাত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মতিউর রহমানেরই ছেলে। যদিও গত বুধবার এই পরিচয় পুরোপুরি অস্বীকার করেন তিনি। আড়াল করেন ছেলের প্রকৃত পরিচয়।

‘মতিউরের দাবি ছিল, ইফাত তার ছেলে নন, এই নামে কাউকে চেনেনও না, তবে সমকালের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, মতিউরের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর ছেলে ইফাত। বাবার অঢেল সম্পদে বিলাসী জীবনযাপন করেন এই তরুণ।’

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘১৯ বছরের ইফাত মোবাইল ফোনে যে সিম কার্ড ব্যবহার করছেন, সেটি তার বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তোলা। ইফাতের স্বজনও বলছেন, মতিউর রহমান তার বাবা। মতিউর রহমান সম্পর্কে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর মামাতো বোন জামাই।’

নিজাম হাজারীকে উদ্ধৃত করে সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইফাত এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে, এটাই সত্য। কেন নিজের সন্তানকে অস্বীকার করছেন, সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। আমার মামাতো বোন শাম্মী আখতার শিবলীর সঙ্গে মতিউরের বৈবাহিক বিচ্ছেদও হয়নি।’

আরও পড়ুন:
রিটার্ন জমা সাড়ে ২৮ লাখ, কর আদায় ৪ হাজার কোটি টাকা
‘১৪১ কোটির’ রাজস্ব ভবনে ব্যয় ৪১২ কোটি টাকা
বোরবারও রিটার্ন জমা দেয়া যাবে
সেরা করদাতা সম্মাননা পেল ১৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব রাজস্বেও

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The deposits of Bangladeshis are decreasing at an unusual rate in Swiss banks

সুইস ব্যাংকগুলোতে অস্বাভাবিক হারে বাংলাদেশিদের আমানত কমছে

সুইস ব্যাংকগুলোতে অস্বাভাবিক হারে বাংলাদেশিদের আমানত কমছে
এসএনবির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ২৩৪ কোটি টাকা (প্রতি ফ্রাঁ ১৩২ টাকা হিসেবে)। অথচ, ওই বছরের শুরুতে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৫২ লাখ ফ্রাঁ।

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে অস্বাভাবিক হারে কমছে বাংলাদেশি গ্রাহকদের আমানত। গত এক বছরের ব্যবধানে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশিদের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) সর্বশেষ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

শুধু ২০২২ সালেই সুইস ব্যাংকগুলো থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা তুলে নেন বাংলাদেশিরা। ২০২৩ সালেও এই প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

এসএনবির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ২৩৪ কোটি টাকা (প্রতি ফ্রাঁ ১৩২ টাকা হিসেবে)। অথচ, ওই বছরের শুরুতে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৫২ লাখ ফ্রাঁ।

এ হিসেবে ২০২৩ সালে দেশটির ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৬৫ শতাংশ অর্থ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তবে, এর এক বছর আগে এই আমানত হ্রাসের হার ছিল আরও বেশি। ২০২১ সালে সেখানে বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১১ লাখ ফ্রাঁ। ২০২২ সালের শেষে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র সাড়ে ৫ কোটি ফ্রাঁতে। এরপর ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ তা পৌনে ২ কোটি ফ্রাঁতে পৌঁছেছে।

অর্থাৎ, গত দুই বছরে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে ১১ হাজার কোটি টাকার মতো।

উল্লেখ্য, গোপন অর্থ গচ্ছিত রাখার জন্য বিশ্বজুড়ে খাতি রয়েছে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোর। দেশটির ব্যাংকিং নীতির কল্যাণে কঠোরভাবে গ্রাহকদের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে পারে ব্যাংকগুলো। যে কারণে প্রচলিত বিশ্বাস, অবৈধ আয় আর কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকার একটি বড় অংশ ঢোকে ইউরোপের এই দেশটির ব্যাংকিং খাতে।

তবে, এক দশক ধরে নির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও মোটা দাগে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা শুরু করেছে এসএনবি। আর তাতেই উঠে আসছে এমন সব চমকপ্রদ তথ্য।

প্রায় এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশিদের আমানত বৃদ্ধি পেলেও হঠাৎ করে কেন এই বিপরীতমুখী ধারা শুরু হয়েছে, তা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় বাংলাদেশিসহ অনেক দেশের ধনীরাই এখন অবৈধ টাকা জমা রাখতে লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, বৃটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড ও বারমুডার মতো দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছেন।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেছেন, দেশ থেকে এখনও প্রতি বছর অর্থ পাচার বাড়ছে। তবে পাচারের এই অর্থ আগে সুইস ব্যাংকে গোপনে রাখার সুযোগ পেলেও এখন আর সেই সুযোগ পাচ্ছে না পাচারকারীরা। তাই গোপনীয়তা রক্ষা হয়, এমন কোনো জায়গায়, যেমন: কানাডা, দুবাই বা অন্য কোনো দেশে সেসব অর্থ সরিয়ে নিতে পারেন তারা।

অবশ্য সেখানে শুধু বাংলাদেশিদের অর্থই কমছে না; ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের নাগরিকদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে কমছে। ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের সুইস ব্যাংকে রাখা আমানতের হার ২০২৩ সালে প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Reserves increased by 318 million dollars in one week

এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার

এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রতীকী চিত্র। গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ জুন দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ১৯.২১ বিলিয়ন ডলার। ১৯ জুন রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১৮ মিলিয়ন বা ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার বেড়ে ১৯.৫৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে প্রায় ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীরা বাড়তি রেমিট্যান্স পাঠানোয় মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে। খবর ইউএনবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ জুন দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ১৯.২১ বিলিয়ন ডলার। ১৯ জুন রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে।

আগামী সপ্তাহগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়তে থাকবে। কারণ জুন শেষ হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ।

জুনের শেষ সপ্তাহে আইএমএফ ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার দিতে পারে এবং বিশ্বব্যাংক বাজেট সহায়তা হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দিতে যাচ্ছে। এতে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেট-সেটিং মেকানিজমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেয়া এবং তুলনামূলক নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করার এক মাস পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতিতে সবশেষ উন্নতি দেখা গেছে।

আরও পড়ুন:
মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৫ কোটি ডলার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
A lot can still be revised in the budget Finance Minister

বাজেটে এখনও অনেক কিছু সংশোধন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

বাজেটে এখনও অনেক কিছু সংশোধন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ফার্মগেটে বিএআরসি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। ছবি: সংগৃহীত
আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসছে। আমরা সব মতামত বিবেচনায় নিচ্ছি। যেগুলো বাস্তবসম্মত ও সমাধানযোগ্য সেগুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। কারণ বাজেট এখনও পাস হয়নি।’

জাতীয় সংসদে প্রস্তাব পাসের আগে সরকার বাজেট নিয়ে সব ধরনের বাস্তবসম্মত সমালোচনা ও পরামর্শ বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসছে। আমরা সব মতামত বিবেচনায় নিচ্ছি। বাজেটে যেগুলো বাস্তবসম্মত ও সমাধানযোগ্য সেগুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। কারণ বাজেট এখনও পাস হয়নি। এটা নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে আলোচনা করা যেতে পারে।’

আলোচনায় বিশ্বব্যাংক প্রসঙ্গে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ’’বিশ্বব্যাংক বলেছে বাংলাদেশ ভালো আছে। তারা যা বলছে আমাদের তা শুনতে হবে। কারণ তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা প্রয়োজন। আপনি কি টাকা দেন? আপনি টাকা দেন, তাহলে আপনার কথাও শুনব।’

বর্তমান সরকার জনগণের সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ভালাবাসে।’

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বলেন যে সরকারের পতন হবে। কই সরকার তো পড়ে না। দেশ দেউলিয়াও তো হলো না। বিশ্বব্যাংক কিছু বোঝে না, আপনি সবকিছু বোঝেন?’

বাজেট নিয়ে অযথা সমালোচনা না করার অনুরোধ জানান মাহমুদ আলী। বলেন, ’বাজেট দিলাম, এটা ভালোভাবে দেখেন। না বুঝে মন্তব্য করবেন না।’

অনুষ্ঠানে সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও অর্থনীতিবিদ ড. শামসুল আলম বলেন, ‘টাকা পাচার থেকেই মূলত ডলার সংকট তৈরি হয়েছে। প্রতিবছর ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হচ্ছে। এ কারণে ডলার সংকটও বাড়ছে। এটা রোধ করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

‘তবে পাইপলাইনে যেসব ঋণ রয়েছে তা পাওয়া গেলে ডলার সংকট কিছুটা কমে আসবে।’

ব্যাংক খাত নিয়েও কথা বলেন শামসুল আলম। তিনি বলেন, ‘২২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ হওয়ায় ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর রাশ টানতে হবে। ব্যাংক কমিশন করলে ভালো, না হলে অন্তত শক্তিশালী একটা কমিটি করা উচিত বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে।’

তিনি কর ন্যায়পাল নিয়োগের পাশাপাশি এনবিআর ও আইআরডির কাজ আলাদা করার তাগিদ দেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। এছাড়া মূল্যস্ফীতি কমাতে আমদানি নীতি সহজ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভঙ্গুরতা চলছে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
৩৮ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
প্রস্তাবিত বাজেট কর-ঋণনির্ভর ও লুটেরা-বান্ধব: বিএনপি
মূল্যস্ফীতি কমিয়ে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই
ব্যবসায়ীদের মূল প্রস্তাবগুলোর প্রতিফলন বাজেটে নেই: বিজিএমইএ

মন্তব্য

p
উপরে