× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
শর্ত আরোপের পরও বাড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি
google_news print-icon

শর্ত আরোপের পরও বাড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি

শর্ত-আরোপের-পরও-বাড়ছে-সঞ্চয়পত্র-বিক্রি
সঞ্চয়পত্র বিক্রির লাগাম টানতে গত অর্থবছর থেকে ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে ব্যাংক লেনদেন ও টিআইএন বাধ্যতামূলক করে সরকার। এ ছাড়া নির্ধারণ করে দেয়া হয় বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা। বাড়ানো হয় উৎসে কর।

ব্যাংকে আমানত রেখে সুবিধা হচ্ছে না। ফলে সঞ্চয়পত্রে নানা শর্ত আরোপের মধ্যেও বিক্রি বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে এ খাত থেকে সরকারের ঋণ।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ৪৬ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৫ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে মোট সঞ্চয়পত্র বিক্রি ছিল ২৮ হাজার ৮৬২ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে সরকার পুরোনো সঞ্চয়পত্রের মূল ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ করেছে ২৭ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা।

ফলে জুলাই-নভেম্বর সময়ে এ খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়ায় ১৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা। অথচ চলতি অর্থবছরের পুরো সময় জুড়ে সঞ্চয়পত্র থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল সরকারের।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সঞ্চয়পত্র থেকে নিট ৫ হাজার ৮৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ঋণ ছিল সরকারের। অর্থবছরের পুরো সময়ে নিট ঋণ হয়েছিল ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গেল নভেম্বরেই ৯ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়। আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের মূল ও মুনাফা পরিশোধের পর সরকারের নিট ঋণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৪০২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে দশ গুণেরও বেশি। ২০১৯ সালের নভেম্বরে এ খাত থেকে ৩২০ কোটি ৬২ লাখ টাকা নিট ঋণ হয়েছিল সরকারের।

শর্ত আরোপের পরও বাড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি

বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণ ছাড়াও সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ করে থাকে সরকার। তবে সামাজিক সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে সঞ্চয়পত্রে তুলনামূলক বেশি মুনাফা দেয় সরকার। প্রতি মাসের বিক্রি থেকে আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধের পর নিট ঋণ হিসাব হয়। এই অর্থ সরকার রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজে লাগায়।

সঞ্চয়পত্র বিক্রির লাগাম টানতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে এ খাতের বিনিয়োগে একের পর এক কড়াকড়ি আরোপ করতে থাকে সরকার। ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে ব্যাংক লেনদেন ও কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়।

এ ছাড়া পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে ১০ শতাংশ উৎসে কর, মোট বিনিয়োগের সময়সীমা একক নামে ৫০ লাখ টাকা এবং যৌথ নামে এক কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ সীমা কমিয়ে একক নামে ১০ লাখ এবং যৌথ নামে ২০ লাখ টাকা করা হয়।

তবে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে উৎসে কর বা অন্যান্য বিনিয়োগসীমা প্রযোজ্য হবে না।

সম্প্রতি বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগের জন্য তিন ধরনের বন্ডের মোট বিনিয়োগসীমা কমিয়ে এক কোটি টাকা করে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমানতের সুদহার ৬ শতাংশ বেধে দেয়ায় অনেকেই সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন। কেননা এত অল্প সুদে আমানত রেখে তাদের পোষায় না।’

তথ্য ঘেঁটে আরও দেখা যায়, জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে পরিবার সঞ্চয়পত্র, ১৭ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিক্তিক সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

এ ছাড়া পেনশনার সঞ্চয়পত্র ও পাঁচ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।

সঞ্চয় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে ১০ শতাশের বেশি মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে। এইটাই এ খাতের বিক্রি বাড়ার প্রধান কারণ।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল সরকারের। বিক্রি কমায় বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই লক্ষ্য কমিয়ে ১১ হাজার ৯২৪ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

তবে জুন মাসে বিক্রি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ অর্থবছর শেষে ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ৫২ হাজার ৪১৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ঋণ এসেছিল সরকারের, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন:
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ একক নামে ৫০ লাখ, যৌথ ১ কোটি টাকা
সরকারের ঋণ ব্যাংকে কমছে, সঞ্চয়পত্রে বাড়ছে
অটিস্টিক শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবে
তিন মাসে সঞ্চয়পত্রে সরকারের ঋণ আড়াই গুণ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
7 tons of Indian cumin came through Akhaura

আখাউড়া দিয়ে এলো ৭ টন ভারতীয় জিরা

আখাউড়া দিয়ে এলো ৭ টন ভারতীয় জিরা ফাইল ছবি
আমদানিকারক সূত্র জানায়, প্রতি টন জিরার দাম পড়েছে ২ হাজার ৫০০ ডলার। যা স্থানীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকার মতো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সাত টন জিরা এসেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একটি ট্রাকে করে জিরাগুলো বন্দরে পৌঁছায়। খবর বাসসের

হাইড্রোল্যান্ড সলিশন নামে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান এ জিরা আমদানি করেছে। তবে শুক্রবার বন্দর ছুটি, তাই শনিবার জিরা খালাস করা হবে বলে আশা প্রকাশ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স শফিকুল ইসলাম আমদানি করা জিরার কাস্টমস ক্লিয়ারিংয়ের কাজ করবে।

আমদানিকারক সূত্র জানায়, প্রতি টন জিরার দাম পড়েছে ২ হাজার ৫০০ ডলার। যা স্থানীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকার মতো।

আখাউড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. ছাগিরুল ইসলাম বলেন, হাইড্রোল্যান্ড সলিশন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৭ টন জিরা আমদানির জন্য এলসি খুলেছে। সন্ধ্যায় জিরা নিয়ে একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেছে। প্রথমবারের মত এই স্থলবন্দর দিয়ে দেশে জিরা আমদানি হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Career and Networking Day held at IUB

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ছবি: আইইউবি
উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বুধবার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তথা আইইউবিতে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে-২০২৪।

আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর, ফার্মাসিউটিকাল, প্রযুক্তি, খাদ্য ও কোমল পানীয়, এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, বিজ্ঞাপন, স্টার্টআপ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের প্রায় সব খাতের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ছিল আইইউবির ক্যারিয়ার ডেতে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিলো রবি, স্কয়ার, হা-মীম গ্রুপ, এবিসি গ্রুপ, পূর্বানী গ্রুপ, এসিআই, বসুন্ধরা, ডোরীন গ্রুপ, ডানকান, রেনাটা, ম্যারিকো, নিটল-নিয়ল গ্রুপ, ব্র্যাক ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন, আইডিএলসি, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, জিজিকন টেকনোলজিস, প্রথম আলো, ডিবিসি নিউজ, ম্যাগনিটো ডিজিটাল, ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা দিনভর শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেন।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মন থেকে ভালোবেসে কাজ করা যায় এমন ক্যারিয়ার বেছে নিতে হবে। বেতন বা সুযোগ-সুবিধার কথা ভেবে প্রলুব্ধ হলে চলবে না। যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছো, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ কেমন সেটা আগে দেখতে হবে এবং বুঝতে হবে তুমি সেই পরিবেশে ভালো করতে পারবে কি না।’

উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আসা যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাদার ব্যক্তিরা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আরও বেশি বেশি প্রতিষ্ঠান আমাদের এখানে আসছেন।

‘এ জন্য আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এতে প্রমাণ হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইউবির ওপর আস্থা বাড়ছে।’

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল একাত্তর টেলিভিশন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও দেশ রূপান্তর।

আরও পড়ুন:
আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক
আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন দিদার এ হোসেইন
আইইউবি-তে মৌলিক পাইথন প্রোগ্রামিং কোর্স করলেন ১০ শিক্ষক
অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এআইইউবিতে সেমিনার
আইইউবিতে পালা নাটক ‘দেওয়ানা মদিনা’ মঞ্চস্থ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cashless transactions at Pasurhat in Sindh

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ
ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় বসেছে কোরবানির পশুর হাট। গরু কেনাবেচার টাকা লেনদেন হচ্ছে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় ক্যাশলেস এই হাটের উদ্যোক্তা ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তার প্রচেষ্টায় করোনা মহামারির সময় থেকে সিংড়া নিয়মিতভাবে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ক্যাশলেস কোরবানির পশুর হাট।

এই হাটের একমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা নগদের মাধ্যমে দেশের সর্বনিম্ন খরচে ক্যাশআউট সুবিধা উপভোগ করছেন। বিশেষ করে প্রতিবছরের পশুর হাটে পকেটমার, মলমটপার্টিসহ নানা ধরনের দৌরাত্ব থেকে রেহাই পাচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

কোরবানির পশুর হাটের এমন উদ্যোগের বিষয়ে নগদের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রথম নাম নগদ। আমরা প্রতিবছর কোরবানির সময় সারা দেশের বিভিন্ন হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের লেনদেন করার নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে সেবা দিয়ে থাকি। এ ছাড়া অন্যান্য সেবা তো থাকেই।’

কোরবানির পশুর হাটে আগত যাদের নগদ অ্যাকাউন্ট নেই, ডিজিটাল পেমেন্ট বুথে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধাও দিচ্ছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ।

সিংড়া উপজেলার মতো দেশের প্রতিটি উপজেলাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। যার ফলে ক্যাশলেস লেনদেনসহ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তিসহ ২৭টি মন্ত্রণালয়ের ভাতা দেশের জনগণের কাছে নগদ সফলভাবে নিরাপদে পৌঁছে দিচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bikash student account advertising with over half a hundred influencers

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের বিজ্ঞাপন

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি দেশের ১৪ থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

অভিনেতা আফরান নিশোর সঙ্গে ক্যাম্পেইনের বিজ্ঞাপনটি নতুন রূপে উপস্থাপন করেছেন ৫০ জনেরও বেশি ইনফ্লুয়েন্সার। এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল জগতে প্রথমবারের মতো ৫০টিরও বেশি ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে কোনও ক্যাম্পেইন লঞ্চ করল।

বুধবার (১২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রাবা খান, আমিন হান্নান চৌধুরী, কিটো ভাই, হামজা শায়ান খান, মাইসুন’স ওয়ার্ল্ডের মতো কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের ইউনিফর্ম পড়া স্টুডেন্ট লুকে দেখা যাবে। এই ক্যাম্পেইনে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভিডিওগুলোর মাধ্যমে তরুণরা বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যা যা প্রয়োজন সে সম্পর্কে জানতে পারবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর বিভন্নি স্পেশাল অফার পাওয়া যাবে সে সম্পর্কেও জানাচ্ছে এই ক্যাম্পেইন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিজিটাল জন্ম সনদ এবং মা-বাবার সচল বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে।

আরও পড়ুন:
বিকাশের ব্র্যান্ড এনডোর্সার হলেন মীম
বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো আকর্ষণীয় ৫ ফিচার
বিকাশে ভিক্ষা: যা বললেন সেই ব্যবসায়ী
৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ
বিকাশে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The market for sacrificial animals has been going on in Dhaka since Thursday

ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে গত কিছুদিন ধরেই ঢাকায় আসছে কোরবানির পশু। ছবি: নিউজবাংলা
পশুর হাটগুলোতে চলছে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছেন খামারিরা।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশের জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুরহাট। বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় স্থায়ী দুটিসহ ২২টি পশুরহাটে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশু বেচা-বিক্রি শুরু হবে।

পশুর হাটগুলোতে চলছে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে এখন থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছেন খামারিরা। খবর বাসসের

দুই সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ ৯টি হাট এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটসহ ১১টি হাট বসেছে। তবে এ বছর আদালতের নির্দেশনার কারণে আফতাবনগরে হাট বসবে না।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা পিয়াল হাসান জানিয়েছেন, রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবে স্থায়ী ১টি ও অস্থায়ী ৮টি হাট। এবার ১৩ জুন বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত ৫দিন হাট বসবে। কোরবানির পশু কেনা-বেচা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দে যাতে করা যায় সে জন্য উত্তরের হাটগুলোতে সকল ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।

বাজারে ক্রেতারা কোন নগদ অর্থ না নিয়ে এসেও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পশু ক্রয় করতে পারবে জানিয়ে পিয়াল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইনস্ট্যান্ট ব্যাংক একাউন্ট খুলে যে কেউ টাকার লেনদেন করতে পারবে। এজন্য হাট এলাকায় অসংখ্য ব্যাংক বুথ থাকবে।

এ ছাড়া হাটে আসা মুসলিম ক্রেতাদের অযু ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের শৃংখলা বজায় রাখতে এবার হাট ইজারাদারদের সতর্ক করা হয়েছে। কোন বিক্রেতা যদি রাস্তায় হাট বসায় তবে ইজাদারের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে বলেও জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা।

ঢাকা উত্তরে অস্থায়ী ৮টি হাটের মধ্যে রয়েছে-উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরের পাশের খালি জায়গা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাশের খালি জায়গা, মস্তুল চেকপোস্ট এলাকা, মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ভাটারার সুতিভোলা খালের কাছের খোলা জায়গা, মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট সড়কের পাশের খালি জায়গা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে রানাভোলা স্লুইচগেট পর্যন্ত খালি জায়গা ও দক্ষিণখানের জামুন এলাকার খালি জায়গা।

এদিকে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের বলেন, সারুলিয়ায় স্থায়ী হাটসহ ডিএসসিসি এলাকার ১১টি স্থানে পশুর হাট বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বসবে।

তিনি জানান, প্রত্যেকটি হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য একটি করে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটিতে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এছাড়া ডিএসসিসি’র নির্ধারিত গাইডলাইনের বাইরে কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সাথে-সাথে তারা ব্যবস্থা নেবেন। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের পাশাপাশি প্রত্যেকটি হাটে একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে নগদ অর্থের লেনদেন ছাড়া ইনস্ট্যান্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতারা অর্থের লেনদেন করতে পারবেন। এজন্য পর্যাপ্ত ব্যাংক বুথের ব্যবস্থা থাকবে।

ঢাকা দক্ষিণে অস্থায়ী ১০টি হাটের মধ্যে রয়েছে-খিলগাঁও রেলগেট মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা,হাজারীবাগের ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজ সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, পোস্তগোলা শ্মশান ঘাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন খালি জায়গা, কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, লালবাগে রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা।

এদিকে কোরবানির পশুর বর্জ্য ও অস্থায়ী পশুর হাটের বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরিয়ে নিতে দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং হাটের ইজারাদারদের সঙ্গে মঙ্গলবার সভা করেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। উত্তর সিটি কর্পোরেশন এ ব্যাপারে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Before Eid the price of gold increased by Tk 1073

ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১০৭৩ টাকা

ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১০৭৩ টাকা ফাইল ছবি।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার থেকে এই দর কার্যকর হবে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা তিন দফা দাম কমার পর বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। জানানো হয়েছে, বর্ধিত এই দাম বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ৯ জুন এবং ২৪ ও ২৫ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। তিন দফায় ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে তিন হাজার ৬৬২ টাকা কমানো হয়।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৪ টাকা বাড়িয়ে ৯৫ হাজার ৬৯১ এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭৩৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট দুই হাজার ছয় টাকা, ১৮ ক্যারেট এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Snehasish Mahmood and Cos discussion meeting on the proposed budget

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোংয়ের আলোচনা সভা

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোংয়ের আলোচনা সভা প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোংয়ের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং
স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং কর্তৃক আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্ম স্নেহশীষ মাহমুদ এন্ড কোং অর্থ বিল ২০২৪-এর প্রস্তাবিত উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনসমূহ উপস্থাপন করে রোববার (৯ জুন) শেরাটন হোটেল বনানীতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

প্রস্তাবিত অর্থ বিলের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং ব্যবসা ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা এ সভার মূল উদ্দেশ্য।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং কর্তৃক আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্মের পার্টনার জেরীন মাহমুদ হোসেইন এফসিএ, তার সূচনা বক্তব্যে আগত সব অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করেন।

অনুষ্ঠানে স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং থেকে সাম্প্রতিক সময়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি (সিএ) পাশ করা তিনজন শিক্ষার্থী বাধন দাস এসিএ, মো. আমিরুল ইসলাম এসিএ এবং আহমেদ জাবিরকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

আহমেদ জাবির বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বয়সে সিএর সব পরীক্ষা পাশের কৃতিত্ব অর্জন করেন।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্মের পার্টনার জনাব স্নেহাশীষ বড়ুয়া এফসিএ, প্রস্তাবিত বাজেটের সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন দিকসমূহ অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন। এ ছাড়াও তিনি অর্থ বিলের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ব্যবসাবাণিজ্য ও ব্যক্তিগত করদাতার ওপর প্রভাব বিশ্লেষণপূর্বক উপস্থাপন করেন।

তিনি শিল্পভিত্তিক কার্যকরী কর হারের বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়াও অর্থ বিল ২০২৪-এ ব্যবসা ও অন্য করদাতাদের ওপর করের বিষয়সমূহের সতর্কতার ক্ষেত্রসমূহ আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জনাব জাবেদ আখতার, প্রেসিডেন্ট, এফআইসিসিআই বাংলাদেশ; ড. ইখতিয়ারউদ্দীন মো. মামুন এফসিএমএ, মহা পরিচালক, বিসিএস কর একাডেমি এবং ড. মো. আব্দুর রউফ, মহা পরিচালক, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর।

জাবেদ আখতার তার বক্তৃতায় বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো ও কর্পোরেট কর হারের সঙ্গে কার্যকরী কর হারের দূরত্ব কমানোর বিষয়ে আলোকপাত করেন।

ড. ইখতিয়ারউদ্দীন মো. মামুন এফসিএমএ করদাতা ও কর সংগ্রহে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মো. আব্দুর রউফ রাজস্ব আহরণে পরোক্ষ করের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

উক্ত আলোচনায় মোবাইল অপারেটরদের ওপর কর হারের পরিবর্তন, দান বা উপহারের ক্ষেত্রে করের নতুন পরিবর্তন এবং উৎসে কর কর্তনসহ অন্য পরিবর্তন সম্পর্কিত বিষয়সমূহ জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করবে তা ছিল মূল আলোচনার বিষয়।

স্নেহাশীষ মাহমুদ এন্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যানসি ফার্মের পার্টনার সুকান্ত ভট্টাচার্য, এফসিএ তার সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি মহলের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ক এই আলোচনা অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য।

পরিশেষে বিভিন্ন অংশীজনদের কাছ থেকে অর্থ বিল ২০২৪-এর উপর প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে পরিবর্তন বা সংশোধনের একটি সুপারিশমালা এনবিআর, মন্ত্রণালয় ও অন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি জ্ঞাপন করা হয়।

আরও পড়ুন:
মোদির তৃতীয় মেয়াদে কারা থাকছেন মন্ত্রিসভায়
রাষ্ট্রপতি মুর্মুর কাছে পদত্যাগপত্র জমা প্রধানমন্ত্রী মোদির
সরকার গঠন নিয়ে নাইডু, নীতিশের সঙ্গে কথা বলবে কংগ্রেস
ঘৃণার রাজনীতি মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে বিজেপির অবনতি: ওয়াইসি
লোকসভা নির্বাচন: কোন দল কতটি আসন পেল

মন্তব্য

p
উপরে