× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
নতুন শিল্পনীতি শিগগিরই
google_news print-icon

নতুন শিল্পনীতি শিগগিরই

রাষ্ট্রপতির পুরস্কার পেল ১৯ প্রতিষ্ঠান
নতুন-শিল্পনীতি-শিগগিরই
অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী ১৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মনোনীত প্রতিনিধিদের হাতে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৮ তুলে দেন। শিল্প সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার ও এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

নতুন শিল্পনীতি তৈরি করছে সরকার। এ তথ্য জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতি, এসডিজি ২০৩০ ও রূপকল্প ২০৪১ বিবেচনা করে এবার ‘জাতীয় শিল্পনীতি -২০২১’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে নিয়ে নতুন শিল্পনীতি প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। শিগগিরিই তা চূড়ান্ত করা হবে।

সোমবার রাজধানীর দ্য প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার -২০১৮’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। শিল্প মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বর্তমানে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ কার্যকর রয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী ১৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মনোনীত প্রতিনিধিদের হাতে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৮ তুলে দেন। শিল্প সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার ও এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

এবার বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ কোম্পানী লিমিটেড, ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস্ লি., এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লি. ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তাফরিদ কটন মিলস্ লি., শেলটেক টেকনোলজি লিমিটেড, অকো-টেক্স লি. ও মেসার্স এনভয় ফ্যাশন লি. পুরস্কার পেয়েছে।

ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে কনসেপ্ট নীটিং লিমিটেড, এপিএস ডিজাইন ওয়ার্কস্ লি. ও সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লি.।

মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে ট্রিম টেক্স বাংলাদেশ, মাসকো ওভারসিস্ লিমিটেড ও ক্রিমসন রোসেলা সী ফুড লি. পুরস্কার লাভ করে।

কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস্ বিডি, ইন্টেলিডেন্ট কার্ড লি. ও রূপকথা যুব ও মহিলা উন্নয়ন সংস্থা।

হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড ও মেটাটিউড এশিয়া লি. ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার -২০১৮’ লাভ করে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, হালকা প্রকৌশল শিল্পখাতের উন্নয়নে ইতোমধ্যে একটি পরিকল্পিত ও সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি একটি বিশ্বমানের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেটাবেজ এবং শিল্প বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনেও সরকারের পদক্ষেপ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা বন্ধে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান রাখেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে, তাই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত করার জন্য পুরষ্কারজয়ীদের পরামর্শ দেন। তিনি ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন ও উৎপাদন এবং ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে নতুন প্রযুক্তির সন্নিবেশ করার জন্যও উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ব্যাংকগুলোর গতানুগতিক মাইন্ডসেটের পরিবর্তন করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে শিল্প সচিব কে এম আলী আজম বলেন, বঙ্গবন্ধুই সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালে শিল্প বিনিয়োগ নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে শিল্পখাতকে নীতি সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নেন। রূপকল্প ২০৪১ অনুসারে শিল্পসমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সর্বাধিক। এ দায়িত্ব পালনে শিল্প মন্ত্রণালয় আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানি লিমিটেডের হেড অফ লিগ্যাল অ্যান্ড এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মুবিনা আসাফ এবং ট্রিম টেক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা বেগম সাহিদা পারভীন তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

মুবিনা আসাফ বলেন, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে; যা বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

বেগম সাহিদা পারভীন বলেন, সবাইকে নিয়ে কাজ করলে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবেই।

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পাচ্ছে ১৯ প্রতিষ্ঠান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
No penalty on credit card and loan installments
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

ক্রেডিট কার্ড ও ঋণের কিস্তি পরিশোধে জরিমানা নয়

ক্রেডিট কার্ড ও ঋণের কিস্তি পরিশোধে জরিমানা নয় ফাইল ছবি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, কারফিউ ও সাধারণ ছুটির সময়ে যাদের ঋণের বকেয়া, ক্রেডিট কার্ডের বিল ও সঞ্চয়ী আমানতের কিস্তি দেয়ার সময় ছিলো তারা ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তা পরিশোধ করতে পারবেন। ১৮ থেকে ২৫ জুলাই সময়ে বকেয়া হওয়া কিস্তির জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের বাড়তি সুদ, জরিমানা, বিলম্ব মাশুল চার্জ করতে পারবে না। কোনো সঞ্চয় স্কিমও বাতিল করা যাবে না।

অস্বাভাবিক এক পরিস্থিতি কাটিয়ে তিনদিন পর খুলেছে দেশের সব ব্যাংক। তবে এখনও পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি কারফিউ। পরিস্থিতি বিবেচনায় তা প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শুক্রবার থেকে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা। ইন্টারনেট না থাকায় বুথ থেকে টাকা তোলা, জমা দেয়া কিছুই করতে পারছেন না গ্রাহকরা। ফলে বুধবার ব্যাংকিং লেনদেন শুরু হলে উপচেপড়া ভীড় দেখা যায় ব্যাংকের শাখাগুলোতে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক গ্রাহকই তাদের ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঋণের কিস্তি কিংবা ডিপিএসের টাকা সময়মতো জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক চাইলে গ্রাহকদের নির্দিষ্ট হারে জরিমানা করতে পারবে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, অস্বাভাবিক এই পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রাহকরা সময়মতো বিল পরিশোধ করতে না পারলেও তাদেরকে জরিমানা করা যাবে না। সুযোগ দেয়া হয়েছে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এসব বকেয়া পরিশোধ করার।

বুধবার বাড়তি কোনো সুদ ছাড়াই গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধে ব্যবস্থা নিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেয়া হয়েছে এমন নির্দেশনা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, কারফিউ ও সাধারণ ছুটির সময়ে যাদের ঋণের বকেয়া, ক্রেডিট কার্ডের বিল ও সঞ্চয়ী আমানতের কিস্তি দেয়ার সময় ছিলো তারা জুলাই মাসের শেষদিনের মধ্যে তা পরিশোধ করতে পারবেন। ১৮ থেকে ২৫ জুলাই সময়ে বকেয়া হওয়া কিস্তির জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের বাড়তি সুদ, জরিমানা, বিলম্ব মাশুল চার্জ করতে পারবে না। তাছাড়া এই সময়ে কিস্তির টাকা দিতে না পারলে কোনো সঞ্চয় স্কিম বাতিলও করা যাবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহকদের স্বার্থ আর বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গেল কয়েকদিন গ্রাহকরা চাইলেও ব্যাংক কিংবা বুথের মাধ্যমে কোনো অর্থ জমা করতে পারেননি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য তাদের হাতে সময়মতো অর্থ আসতে পারেনি। এসব পরিস্থিতিতে যেসব গ্রাহক পড়েছেন তাদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনা স্বস্তিদায়ক হবে বলেও আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিকদের বর্জনের মধ্যে অনলাইনে মুদ্রানীতি প্রকাশ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণমুক্ত হওয়ার পথ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
রপ্তানি তথ্যে অসঙ্গতির জন্য দায়ী এনবিআর ও ইপিবি
এক বছরে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The effect of curfew and unrest is a big fall in the stock market

কারফিউ ও অস্থিরতার প্রভাব পুঁজিবাজারে, বড় দরপতন

কারফিউ ও অস্থিরতার প্রভাব পুঁজিবাজারে, বড় দরপতন ফাইল ছবি।
বুধবার সকাল থেকেই কমতে দেখা যায় প্রায় সব শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর। দিনশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ৯৬ পয়েন্ট। আর লেনদেন হয়েছে ১৫৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

কোটা আন্দোলন ঘিরে সারাদেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি আর কারফিউয়ের নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেল পুঁজিবাজারে। অর্থনীতির এই খাতটিকে বলা হয় সবচেয়ে স্পর্শকাতর জায়গা। সেই স্পর্শকাতর জায়গায় তিনদিন পর লেনদেন শুরু হলেও স্বস্তি ছিলো না বিনিয়োগকারীদের মনে।

বুধবার সকাল থেকেই কমতে দেখা যায় প্রায় সব শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর। দিনশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ৯৬ পয়েন্ট। আর লেনদেন হয়েছে ১৫৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

লেনদেন ও সূচকের পতন নিয়ে মতিঝিলের একটি ব্রোকারেজ হাউজের কর্মকর্তা তামজিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একদিকে বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি কম অন্যদিকে ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে লেনদেন তলানিতে নেমেছে। বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি ভালো হলে সূচকের পতন হলেও হয়ত লেনদেন ভালো হতো। আবার লেনদেন বাড়লে সূচকের এত বেশি পতন হতো বলে মনে হয় না।’

দেশজুড়ে ভাংচুর, দফায় দফায় সংঘর্ষ, জ্বালাও-পোড়াও থামাতে গত শুক্রবার মধ্যরাত থেকে কারফিউ জারি করে সরকার। বন্ধ করে দেয়া হয় মোবাইল ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড কানেকশন। রবি থেকে মঙ্গলবার অর্থাৎ গেল তিনদিন বন্ধ রাখা হয় দেশের সব অফিস-আদালত, ব্যাংক ও শেয়ারবাজার।

ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তা নিয়ে একপ্রকার আতংক ছিলো পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও। অনেকের হাতে থাকা টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় শেয়ার বিক্রির প্রয়োজনও পড়ে। যার প্রভাবে বুধবার সূচকের বড় পতন হয়েছে বলে মত দিয়েছেন অনেক বিনিয়োগকারী।

পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী হানিফ মিয়া বলেন, ‘আজকে লেনদেন শুরু হবে আমি জানতাম না। দুদিন ধরে ভাবতেছি লেনদেন শুরু হলে হাতে থাকা কিছু শেয়ার বিক্রি করব। অন্যান্য দিকের আয় কমে গেছে। তাই নিত্যদিনের খরচ যোগাতে শেয়ার বিক্রির কথা ভাবছিলাম। তবে দুপুরের দিকে ফোন দিয়ে জানলাম আমার হাতে থাকা শেয়ারের কোনো ক্রেতা নাই।’

আরেক বিনিয়োগকারী হারুন শেখ বলেন, ‘বুঝলাম না কেন এভাবে আজকে শেয়ারের দাম কমল? আমার হিসাবে আজকে দাম বাড়ার কথা। কারণ আন্দোলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। এখন কেন শেয়ারের দাম এভাবে কমবে আমার কাছে বোধগম্য হচ্ছে না। পুঁজিবাজার আসলে এখন হয়ে পড়েছে একটা অনাস্থার জায়গা। কারণ থাকলেও দাম কমে, কারণ না থাকলেও কমে।’

এদিকে বুধবার নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা পড়ে শুরু হয় পুঁজিবাজারের লেনদেন। তবে লেনদেনের সময়ে স্বস্তি ছিল না ইন্টারনেট নিয়ে। ধীরগতির ব্রডব্যান্ডের কারণে ক্রয়-বিক্রয় আদেশ বসাতে গিয়েও বেগ পেতে হয় ব্রোকার হাউজের কর্মকর্তাদের। পাশাপাশি কাজ করেনি মোবাইল অ্যাপ দিয়ে লেনদেন ব্যবস্থা।

আবার রাজধানীজুড়ে তীব্র যানজটের কারণে সময়মতো অনেক বিনিয়োগকারী হাউজে উপস্থিত হয়ে নিজের মতো করে লেনদেন করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন অনেকে।

সব মিলে দিনটি মোটেই অনুকুলে ছিলো না বিনিয়োগকারীদের। ফলে সকাল থেকে বেশিরভাগ শেয়ারে ক্রেতাশূন্য পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির বেঁধে দেয়া তিন শতাংশ সার্কিট ব্রেকারের কারণে বেশিরভাগ শেয়ারের বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা দেখা যায়নি।

এদিন ঢাকার বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর কমেছে ৩৫৫টি কোম্পানির। বিপরীতে দর বেড়েছে ২০টি কোম্পানির আর অপরিবর্তিত দেখা গেছে ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে।

আরও পড়ুন:
’মন্দের ভালো’ সপ্তাহ পার করল পুঁজিবাজার
সরকারি চাকুরেদের বিনিয়োগের খবরে বড় উত্থান পুঁজিবাজারে
ডিএসইতে লেনদেন কমে ৪০০ কোটি টাকার ঘরে
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ২৮ হাজার কোটি টাকা
পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক ও লেনদেনে গতি, নেতৃত্বে বিমা খাত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The image that was seen in the shutdown is the Bankpara of Motijheel

শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার

শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কমপ্লিট শাটডাউনের মধ্যে বৃহস্পতিবার মতিঝিলের শাপলা চত্বরের পাশ দিয়ে ভ্যানে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। ছবি: আহমেদ সুলতান/নিউজবাংলা
মতিঝিলে সোনালী ব্যাংকের লোকাল অফিসের ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় গ্রাহক উপস্থিতি অনেক কম, যার কারণে লেনদেনের পরিমাণও কম, তবে শাখার নিরাপত্তার জন্য আমাদের নিয়োগকৃত নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পার্শ্ববর্তী থানাকেও অবহিত করে রেখেছি।’

কোটা সংস্কার আন্দেলনকারীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যে বৃহস্পতিবার ঢাকার অন্যান্য অংশের মতো বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত মতিঝিলেও দেখা গেছে থমথমে পরিস্থিতি।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেও অনেকটা গ্রাহকশূন্য ছিল ব্যাংকগুলো।

ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাংকপাড়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানান ব্যাংকাররা।

তারা জানান, স্বাভাবিক দিনের তুলনায় ব্যাংক লেনদেন নেই বললেই চলে। লেনদেনে ভাটা পড়েছে অবশ্য ঢাকার প্রায় সব ব্যাংকের শাখাতেই। আন্দোলন আর বুলেটের শব্দে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারাও।

রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, ফকিরাপুল ও গুলিস্তান এলাকার কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে একই চিত্র পাওয়া যায়। খুব প্রয়োজনে দুই-একজন গ্রাহক ব্যাংকে আসেন। তারাও শঙ্কার মধ্যে লেনদেন করে দ্রুত ব্যাংক ত্যাগ করেছেন।

মতিঝিলে সোনালী ব্যাংকের লোকাল অফিসের ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় গ্রাহক উপস্থিতি অনেক কম, যার কারণে লেনদেনের পরিমাণও কম, তবে শাখার নিরাপত্তার জন্য আমাদের নিয়োগকৃত নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী রয়েছে।

‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পার্শ্ববর্তী থানাকেও অবহিত করে রেখেছি।’

সোনালী ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘সকালে ঝুঁকি নিয়ে অফিসে এসেছি। পরিস্থিতি এত খারাপ হবে জানলে আজকের জন্য ছুটি নিতাম।’

সকাল থেকে মতিঝিলে গণপরিবহন ছিল না বললেই চলে। পুরো এলাকায় চলাচলের প্রধান বাহন ছিল রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা। মাঝে মাঝে চলাচল করছিল প্রাইভেট কার।

যারা গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন, তাদের মধ্যেও ছিল ব্যাপক আতঙ্ক।

নিজাম নামের একজন প্রাইভেটকারচালক জানান, তার বস একটি প্রাইভেট ব্যাংকে টাকা তুলতে এসেছেন।

গাড়ি নিয়ে বের হয়ে কোনো সমস্যায় পড়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আরামবাগ থেকে এসেছি। তাই এখনও কোনো ঝামেলায় পড়িনি, তবে মালিক বলেছে, কোন গ্যাঞ্জাম দেখলে সাথে সাথে গাড়ি কোথাও পার্কিং করে নিজেকে সেভ রাখতে।’

এদিকে ভয় আর শঙ্কা নিয়ে জীবনের তাগিদে কাজে নেমেছেন রিকশাচালকরা, যাদের একজন জানান, তাদের পেটের দায়ে আয় না করলে চলবে না বলেই রিকশা নিয়ে বের হয়েছেন।

মতিঝিল এলাকায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও গণপরিবহনের খোঁজ পাচ্ছিলেন না সাধারণ মানুষ। যারা উত্তরা, মিরপুর এলাকার দিকে যাবে, তারা শুধু মেট্রোরেলে করে অনায়াসে যেতে পারছিলেন।

অন্য সব গন্তব্যের যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ফকিরাপুলের বাসস্ট্যান্ডেও কোনো বাস ছেড়ে যেতে দেখা যায়নি।

ফকিরাপুলের জনতা ব্যাংকের লেনদেনের চিত্রেও ফুটে উঠেছে ছাত্র আন্দোলনের প্রভাব। নিয়মিত যেখানে ১৫ থেকে ২০ জন গ্রাহক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন সেখানে কাউন্টারে মাত্র দুই একজন গ্রাহক চোখে পড়েছে। তবে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন লেনদেন স্বাভাবিক।

দিলকুশা এলাকার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া শাখা ইসলামী ব্যাংকের লোকাল অফিস। সেখানেও ফুটে উঠেছে কমপ্লিট শাটডাউনের ছাপ।

গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করার কারণে পুরো এলাকা প্রায় ফাঁকা ছিল। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের লোকাল অফিসে লেনদেন করতে আসতে কাউকে দেখা যায়নি।

ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ একেবারেই কম। স্বাভাবিক দিনে যেখানে লম্বা লাইন হয়ে থাকে, সেখানে প্রতিটি কাউন্টারে একজন-দুইজনের বেশি উপস্থিতি নেই।

‘কারণ বাইরে লক্ষ করলেই দেখতে পাবেন সাধারণ জনগণের চেয়ে পুলিশের সংখ্যা বেশি। সারাক্ষণ বাজছে পুলিশের সাইরেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘থেমে থেমেই গোলাবারুদের শব্দ। এসব কারণে শাখায় লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শাবি শিক্ষার্থীদের
গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আন্দোলনকারীদের
ইন্টারনেট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা বললেন পলক
কোটা আন্দোলন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র: মিলার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The workers demanded a 50 percent reduction in the business of Sonali Life

সোনালী লাইফের ব্যবসা ৫০ শতাংশ কমার দাবি কর্মীদের

সোনালী লাইফের ব্যবসা ৫০ শতাংশ কমার দাবি কর্মীদের সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের লোগো। ফাইল ছবি
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রতিষ্ঠার ১০ বছরে এই প্রথম গ্রাহকের বিমা দাবির সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তা পূরণ করতে পারেনি সোনালী লাইফ। বিমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ দেয়া প্রশাসকের কারণে উল্টো পথে হাঁটছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রশাসক ও কর্মীদের কলহে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ৫০ শতাংশ ব্যবসা কমেছে বলে বুধবার দাবি করেছেন কর্মীরা।

রাজধানীর মালিবাগে সকালে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রতিষ্ঠার ১০ বছরে এই প্রথম গ্রাহকের বিমা দাবির সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তা পূরণ করতে পারেনি সোনালী লাইফ। বিমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ দেয়া প্রশাসকের কারণে উল্টো পথে হাঁটছে প্রতিষ্ঠানটি।

কর্মীদের অভিযোগ, মালিকানা বদলের পাঁয়তারায় সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধ্বংসের চেষ্টা চলছে।

দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিল বিমা উন্নয়ন কতৃপক্ষ, তবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রশাসকের বিরুদ্ধেই উঠে আসে নানা অনিয়মের অভিযোগ। প্রতিবাদে লাগাতার কর্মবিরতিতে যান কর্মীরা।

প্রশাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যৌক্তিক কারণ ছাড়াই শীর্ষ নির্বাহীদের বরখাস্ত করেন তিনি, যা পরে উচ্চ আদালত রহিত করে। এ ছাড়াও প্রশাসকের বিরুদ্ধে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে নিজস্ব লোকজন নিয়োগের অভিযোগও আছে।

কর্মীদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর্মপরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ করা হয় প্রশাসকের বিরুদ্ধে।

তাদের দাবি, বিমা খাতে অভিজ্ঞতাহীন প্রশাসক সাবেক এ সেনা কর্মকর্তাকে সরিয়ে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হোক। সেই সঙ্গে আট লাখ গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্মোহ অডিট করা হোক।

ওই সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দেন বিমা প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।।

যদিও এর আগে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন প্রশাসক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত এসএম ফেরদৌস।

আরও পড়ুন:
টাকা দেয়ার নামে ঘোরাচ্ছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, অভিযোগ গ্রাহকের
‘কারণ ছাড়া’ দরবৃদ্ধি প্রগতি লাইফের
আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিইও হলেন আনোয়ার শফিক
এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান হামজা, ভাইস চেয়ারম্যান হালিমা
সন্ধানীর লভ্যাংশহীন ফান্ডের সাবস্ক্রিপশন শেষ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Startup Bangladesh cancels investment proposal in Ten Minute School in Ayman

আয়মানের টেন মিনিট স্কুলে বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল স্টার্টআপ বাংলাদেশের

আয়মানের টেন মিনিট স্কুলে বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল স্টার্টআপ বাংলাদেশের টেন মিনিট স্কুলের লোগো ও তার প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। কোলাজ: নিউজবাংলা
ফেসবুকে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘টেন মিনিট স্কুল- এর জন্য ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাতিল করা হলো।’

শিক্ষক, উদ্যোক্তা ও লেখক আয়মান সাদিক প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম টেন মিনিট স্কুলে পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব বাতিল করেছে বাংলাদেশ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে তোলা একমাত্র ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড।

কোটা সংস্কার আন্দোলন সমর্থন করে আয়মান সাদিকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একাধিক পোস্টের পর তার সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বানের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সিদ্ধান্তের কথা জানায় ফান্ডটি।

ফেসবুকে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘টেন মিনিট স্কুল- এর জন্য ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাতিল করা হলো।’

আজ বেলা ১১টা ১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্টার্টআপ বাংলাদেশের পোস্টটি শেয়ার করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এর আগে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে শনিবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট দেন আয়মান সাদিক। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একই দিন সন্ধ্যায় পোস্ট করেন তিনি।

তা ছাড়া তার প্রতিষ্ঠান টেন মিনিট স্কুল কালো ছবি দিয়ে সোমবার রাতে ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজের প্রোফাইল ছবি আপডেট করে।

আরও পড়ুন:
বিয়ের পিঁড়িতে আয়মান আর মুনজেরিন
দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Imrans party PTI is being banned in Pakistan

পাকিস্তানে ইমরানের দল পিটিআই নিষিদ্ধ হচ্ছে

পাকিস্তানে ইমরানের দল পিটিআই নিষিদ্ধ হচ্ছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান। ফাইল ছবি
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সংবাদ বলেছেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পিটিআই’র অস্তিত্ব রাখা যাবে না। আমরা পিটিআইর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছি।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) নিষিদ্ধ করতে চলেছে দেশটির সরকার। তাদের দাবি, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

সোমবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পিটিআই’র অস্তিত্ব রাখা যাবে না।’

তারার বলেন, ‘বিদেশি তহবিল মামলা, ৯ মে দাঙ্গা এবং সাইফার মামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে পাস করা প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিশ্বাস করি, পিটিআই-কে নিষিদ্ধ করার মতো যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে।

‘আমরা পিটিআইর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ করার অধিকার দিয়েছে।’

বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী। ইমরান খানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি আপনার রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করতে গিয়েছিলেন।’

এদিকে এই ঘটনাকে পিটিআই’র বিরুদ্ধে নতুন দমন-পীড়নের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন। তারা লিখেছে, এই পদক্ষেপ কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলকে জাতীয় পরিষদে একক বৃহত্তম দল হতে বাধা দেয়ার প্রচেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।

কী আছে ১৭ অনুচ্ছেদে

পাকিস্তানের সংবিধানের ১৭ (২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, সরকারি চাকরিতে না থাকা পাকিস্তানের প্রত্যেক নাগরিকের একটি রাজনৈতিক দল গঠন করার বা সদস্য হওয়ার অধিকার থাকবে। তবে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে সেই দলের ওপর যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে।

আরও বলা হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দল পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার জন্য ক্ষতিকর পদ্ধতিতে গঠিত হয়েছে বা এ ধরনের কাজ করছে, কেন্দ্রীয় সরকার এমন ঘোষণা দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

আরও পড়ুন:
শেষ মামলায় ইমরান দম্পতি খালাস, কারামুক্তিতে বাধা নেই
বাংলাদেশের উন্নতি দেখে আমাদের লজ্জা হয়: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানে মাজারে যাাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৩

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton won the gold medal in the National Export Trophy

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেল ওয়ালটন

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেল ওয়ালটন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি’র স্বর্ণপদক গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী। ছবি: ওয়ালটন
পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী বলেন, ‘একসময়ের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্বের। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।’

২০২১-২০২২ অর্থবছরে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।

আগের অর্থবছরেও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি অর্জন করেছিল বহুজাতিক এ ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান।

দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৩২টি পণ্য খাতের মোট ৭৭টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে স্বর্ণ পদক অর্জন করে ওয়ালটন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী বলেন, ‘একসময়ের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্বের। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।’

তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন শিল্পের টেকসই বিকাশে বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করছে ওয়ালটন। বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার ৪০টিরও বেশি দেশে ওয়ালটন রপ্তানি করছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য।

আরও পড়ুন:
বিশ্বমানের হাইটেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের ভবিষ্যত তৈরি করেছে ওয়ালটন: জার্মান রাষ্ট্রদূত
ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত হলো ‘এআই ডক্টর’ ফিচার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘রিলায়েন্স এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন
ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে
ওয়ালটন-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল শুরু মঙ্গলবার

মন্তব্য

p
উপরে