× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
রিজার্ভের অর্থ ব্যয় হবে উন্নয়ন কাজে অর্থমন্ত্রী
google_news print-icon

রিজার্ভ থেকে ঋণের সিদ্ধান্ত বাজেটের আগেই: অর্থমন্ত্রী

রিজার্ভ-থেকে-ঋণের-সিদ্ধান্ত-বাজেটের-আগেই-অর্থমন্ত্রী
‘আমরা আগেই ঠিক করেছিলাম ৩০ ডিসেম্বরে রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাব। কিন্তু তার আগেই অর্জিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির প্রাক্কালে এটি জাতির জন্য বড় উপহার।’

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার করতে চায় সরকার। আগামী বাজেটের আগেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্প্রতিবার সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থমন্ত্রী জানান, রিজার্ভের মূল ভিত্তি হচ্ছে রেমিট্যান্স। এটি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে আসে। চাহিদার চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এলে ব্যাংকগুলো তা বিক্রি করে। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংক তা কিনে নেয়। মূলত এ কারণে রিজার্ভ বাড়ে।

চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে নভেম্বর- এ পাঁচ মাসে ১১ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ অব্যাহত রাখতে পারলে আগামীতে রিজার্ভ আরও বাড়বে বলে মনে করেন মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই ঠিক করেছিলাম ৩০ ডিসেম্বরে রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাব। কিন্তু তার আগেই অর্জিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির প্রাক্কালে এটি জাতির জন্য বড় উপহার।’

রিজার্ভ থেকে ঋণের সিদ্ধান্ত বাজেটের আগেই: অর্থমন্ত্রী

প্রতি মাসে গড়ে চার বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় মিটিয়েও এই রিজার্ভ ফুরাতে অন্তত দশ মাস লাগবে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকলে, ঝুঁকিমুক্ত মনে করা হয়।

সে হিসেবে বাংলাদেশ এখন বেশ স্বস্তিতে রয়েছে। তাই বাড়তি রিজার্ভ বিনিয়োগে আনতে সরকারি মহলে আলোচনা চলছে।

গত জুলাই মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নিবার্হী কমিটির (একনেক) সভায় রিজার্ভ অব্যাহতভাবে বাড়ার প্রেক্ষিতে এর কিছু অংশ উন্নয়ন কাজে ব্যবহারের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

মূলত তখন থেকে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। কীভাবে রিজার্ভ ব্যবহার করা যায়, এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে অর্থমন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক।

অর্থমন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে রিজার্ভের টাকা ব্যবহার করতে হলে পৃথক নীতিমালা লাগবে। এ জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদন লাগবে।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমদানি ব্যয় কমেছে। অন্যদিকে, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখন প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে বিদেশি ঋণ এবং অনুদানও। এসব কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন রেকর্ড উচ্চতায়।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ও আইএমএফের সাবেক কর্মকর্তা ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, অনেক সময় অর্থনীতি দুর্বল হলেও রিজার্ভ বাড়ে, লেনদেনের ভারসাম্য শক্তিশালী হয়। তাই রিজার্ভের টাকা উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ তার।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড়াল
রিজার্ভ বাড়ল আরও ১০০ কোটি ডলার
রিজার্ভে রেকর্ড, ছাড়াল চার হাজার কোটি ডলার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
I will work with one hand but I will not beg

‘এক হাতেই কাজ করে যাব, তবুও ভিক্ষা করব না’

‘এক হাতেই কাজ করে যাব, তবুও ভিক্ষা করব না’ দুর্ঘটনার পর একটি হাত হারিয়ে এক হাতেই ধান কাটেন কুড়িগ্রামের শাহ আলী। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ বলেন, ‘আরও খোঁজখবর নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তাসহ তাকে কীভাবে স্বাবলম্বী করা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

জীবনযুদ্ধে হার না মানা এক যোদ্ধা শাহ আলী। তিনি এক জন দিনমজুর। দুর্ঘটনায় হারিয়েছেন একটি হাত। পুরো পরিবার এখন নির্ভরশীল তার এক হাতের ওপর।

ঘরে চার মেয়ে ও স্ত্রী আকলিমা বেগমকে নিয়ে আলীর সংসার। তার আয়ে কোনোরকম চলছে পরিবারটি।

এলাকায় কাজ না থাকলে ছুটতেন ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। কৃষিকাজ করে যে টাকা উপার্জন করতেন, তা দিয়ে ভালোই চলছিল পরিবারটি।

দুই বছর আগে বগুড়ায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় শাহ আলী হারিয়ে ফেলেন তার বাম হাতটি। একই বছর একমাত্র সম্বল বসতভিটা তলিয়ে যায় নদীতে, তবে এমন বাস্তবতায় তিনি থেমে থাকেননি। এক হাত নিয়েই ধরেন সংসারের হাল।

যদিও আগের চেয়ে তার উপার্জন কমেছে, তবুও পরিবারকে বাঁচাতে দিন রাত পরিশ্রম করে চলছেন শাহ আলী।

আলীর বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙা ইউনিয়নের গতিয়াশাম গ্রামে। বর্তমানে চরখিতাব গ্রামে অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন।

শাহ আলী বলেন, ‘আমার জায়গা জমি বলতে ১৬ শতক ভিটেমাটি ছাড়া কিছু ছিল না। অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চলতো। এলাকায় কাজ না থাকলে জেলার বাইরে ধান কাটতে যেতাম।

‘২০২১ সালে বগুড়ায় ধান কাটতে যাই সিএনজিতে করে। পথে ট্রাক আর সিএনজির ধাক্কায় আমার বাম হাতটি রাস্তায় পড়ে যায়। আমি তখন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে স্থানীয়রা আমাকে বগুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। এক মাস চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে আসি।’

তিনি বলেন, ‘ক্ষত না শুকাতেই শুরু হয় নদী ভাঙন। এক রাতেই তিস্তা নদী আমার ভিটেমাটি কেড়ে নেয়। এরপর চলে যাই দ্বীপ চরে।

‘বছরে পাঁচহাজার টাকা ভাড়ায় ১০ শতক জমিতে এখন পরিবার নিয়ে বসবাস করছি।’

কৃষিকাজের বিষয়ে আলী বলেন, ‘আমি এই এক হাত দিয়ে ধান কাটা ও মাড়াই, মাটি কাটা, ইট ভাঙাসহ বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তবে আমার এক হাত নেই বলে আগের মতো কেউ আর কাজে নিতে চায় না। তাই এ চরের মধ্যেই কাজ করে খেয়ে না খেয়ে দিন চলছে।

‘শরীরে যতক্ষণ দম আছে এক হাতেই কাজ করে যাব, তবুও ভিক্ষার মতো নিচু কাজ করব না।’

শাহ আলীর স্ত্রী আকলিমা বেগম বলেন, ‘আগে মোটামুটি ভালো ছিলাম। স্বামীর হাত হারানোর পর প্রায় তিন বছর ধরে আমরা কষ্টে আছি। সরকার তিন মাস পর দুই হাজার দুই শ টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা দেয়। আর এলাকায় কৃষিকাজ করে চলছে সংসার।

‘কষ্ট হলেও ওই মানুষটার এক হাতের ওপর ভরসা করা ছাড়া উপায় নাই। সংসারের খরচ বাড়ছে। আল্লাহ জানেন ভবিষ্যতে আমাদের ভাগ্যে কী আছে?’

প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শাহ আলী ও তার পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এক হাতের ওপর চলছে পুরো সংসার। মেয়ের লেখাপড়া খরচ ও পরিবারের খরচ যোগান দিতে না পারায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।’

এ বিষয়ে ঘড়িয়াল ডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস বলেন, ‘দুর্ঘটনায় এক হাত হারিয়ে শাহ আলী পরিবার নিয়ে কষ্টে আছেন। সরকারি-বেসরকারি ভাবে পরিবার চলার মতো সাহায্য পেলে হয়তো তাদের কষ্ট কিছুটা কমবে।’

জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ বলেন, ‘আরও খোঁজখবর নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তাসহ তাকে কীভাবে স্বাবলম্বী করা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
২৫ বছর আগে ঢাকায় হারানো মাইদুল খুঁজে পেলেন পরিবার
শিক্ষা অফিসারের রোষানলে পদ গেল প্রধান শিক্ষকের
নদীগর্ভে চিলমারীতে বিলীন স্কুলের পাঠদান রৌমারীতে
মানসিক ভারসাম্যহীনের চুল-দাড়ি কাটিয়ে নতুন জামা পরিয়ে দিলেন স্থানীয়রা
সায়েদাবাদে ম্যানহোলে নেমে অসুস্থ হয়ে দুই দিনমজুরের মৃত্যু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Coxs Bazar Constituency 3 Potential candidates are campaigning in the field

কক্সবাজার-৩ আসন: প্রচারে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা

কক্সবাজার-৩ আসন: প্রচারে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা কক্সবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী (বামে ওপরে), রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল (বামে নিচে), কক্সবাজার জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী (ডানে) ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক। কোলাজ: নিউজবাংলা
এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, ‘আমি মানুষের সেবা করেছি। বন্যা কবলিত মানুষের পাশে ছিলাম। এ ছাড়া কোভিড পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম। এ সমস্ত কারণে মনোনয়ন বাছাই কমিটির কাছে আমার নাম এগিয়ে থাকবে।’

কক্সবাজার সদর, রামু ও নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের কক্সবাজার-৩ আসন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকে ইতোমধ্যে মাঠে প্রচারে নেমে পড়েছেন। দলের মনোনয়ন পেতে দলের একাধিক নেতা মাঠে রয়েছেন।

কক্সবাজার-৩ আসন থেকে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে টানা দুইবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন সাইমুম সরওয়ার কমল। আগামী নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন নিতে চান তিনি, তবে এ আসনে তার বড় ভাই সোহেল সরওয়ার কাজল ও ছোট বোন নাজনীন সরওয়ার কাবেরী হাল ছাড়ছেন না। নৌকা প্রতীকের মনোয়ন পাওয়ার জন্য তারাও পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

কক্সবাজারের এ আসনে পারিবারিক রাজনীতির প্রভাব রয়েছে। দলীয় কোন্দলও রয়েছে।

আওয়ামী লীগ থেকে সাইমুম সরওয়ার কমল ছাড়াও মনোনয়ন পেতে মাঠে তৎপর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সাবেক চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফোরকান আহমদ, কক্সবাজার জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক এমপি মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী।

১৯৯১ সাল থেকে (১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ছাড়া) এ আসনে তিনবার আওয়ামী লীগ ও তিনবার বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হন মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। ১৯৯৬ সালে মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপির খালেকুজ্জামান। ২০০১ সালে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে খালেকুজ্জামান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর তার ভাই প্রকৌশলী শহীদুজ্জামান এমপি নির্বাচিত হন মোস্তাক চৌধুরীকে হারিয়ে।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার কমলকে হারিয়ে বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ও ২০১৮ সালে বিএনপির কাজলকে হারিয়ে পরপর দুইবার এমপি নির্বাচিত হন সাইমুম সরওয়ার কমল। আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে তিনি হ্যাটট্রিক করতে চান।

এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেলের কাজ সম্পন্ন, বেতার, টেলিভিশন, মেডিক্যাল কলেজ, বাঁকখালী নদীর ওপরে বড় বড় চারটি সেতু নির্মাণসহ সব কিছু মিলিয়ে আমাদের গ্রামগুলো এখন শহরে পরিণত হয়েছে এবং শহর আধুনিক হয়েছে।

‘এইসব কিছু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ও আমার প্রচেষ্টায় হয়েছে। আমি মানুষের সেবা করেছি, বন্যা কবলিত মানুষের পাশে ছিলাম। এ ছাড়া কোভিড পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম। এ সমস্ত কারণে মনোনয়ন বাছাই কমিটির কাছে আমার নাম এগিয়ে থাকবে।’

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো মানুষের সেবা করা, নিজেদের কথা আমরা কোনোদিনই ভাবি নাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন তাহলে আমাকে মনোনয়ন দেবেন। মনোনয়ন পেলেও মানুষের পাশে থাকব, না পেলেও থাকব, তবে মনে করি, সদর-রামু আসনের জন্য আমার স্বামী সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী যোগ্য।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরপর দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছি। দুঃসময়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বুকে আগলে রেখেছি। তাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় আমি নেত্রীর কাছে দলীয় মনোনয়ন চাইব।

‘তা ছাড়াও মেয়র থাকাকালীন ৫ বছরে রেকর্ড উন্নয়ন করেছি আমি। সেই কারণে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব বলে শতভাগ আশাবাদী।’

কক্সবাজার জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ২০ বছর ধরে আমি কক্সবাজার জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমার স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির কারণে আমার নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আমি আশাবাদী।

‘এ ছাড়াও আমি যেহেতু কৃষক লীগ করি সে হিসেবে প্রান্তিক কৃষকের সঙ্গে আমার ভালো যোগাযোগ রয়েছে। যদি আমি মনোনয়ন বা নির্বাচিত হই তাহলে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করব।’

আরও পড়ুন:
দুই ভোটে জয়: আড়াই বছর পর ফল পাল্টাল আদালত
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কে এলো কে গেলো দেখার বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইউরোপের নির্বাচনে কি আমাদের পর্যবেক্ষক যায়, প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর
জাবি সিনেট শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
‘ঢাকায় অডিটরকে ঘুষ দিতে’ চট্টগ্রাম বোর্ডের কর্মচারীর নামে চেক ইস্যু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Demonstration demanding the resignation of the Provost in Jabi Hall

জাবিতে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ

জাবিতে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ জাবির শহীদ সালাম-বরকত হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে রোববার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন হলের ছাত্ররা। ছবি: নিউজবাংলা
এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সুকল্যান কুমার কুন্ডু বলেন, ‘আমি হলের সমস্যাগুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি, কিন্তু সেখান থেকে বাজেট দেয়া হয়নি। তাই হলের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছি না।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ সালাম-বরকত হলের প্রভোস্টের পদত্যাগসহ দুই দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন হলের আবাসিক ছাত্ররা।

হলের প্রধান ফটকের সামনে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। ওই সময় হল অফিসে তালা মেরে দেন বিক্ষুদ্ধ ছাত্ররা।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো আগামী দুই দিনের ভেতর হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সুকল্যান কুমার কুন্ডুর পদত্যাগ করা ও হলের সব সমস্যা সমাধান করা।

বিক্ষোভ সমাবেশে আইন ও বিচার বিভাগের ছাত্র সাজ্জাদ সৌভিক বলেন, ‘আমাদের হলের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো না। হলের সামনে পানি জমে থাকে। সিয়াম চত্বরে পানির কারণে বসা যায় না। খেলার মাঠের অবস্থা ভালো না। বিদ্যুতের সমস্যা তো আছেই। আমরা এ প্রভোস্টের পদত্যাগ চাই।’

দর্শন বিভাগের ছাত্র রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘যে প্রভোস্টের কাছে ছাত্ররা সমস্যার কথা নিয়ে গেলে তার সময় নষ্ট হয় বলে মনে করেন, সে প্রভোস্টকে আমাদের হলে দরকার নেই। আমাদের দাবি হলো দুই দিনের ভেতর প্রভোস্টকে পদত্যাগ করতে হবে ও হলের সব সমস্যা সমাধান করতে হবে।’

ওই সময় বিক্ষোভ সমাবেশে হলের প্রায় দুই শ ছাত্র উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সুকল্যান কুমার কুন্ডু বলেন, ‘আমি হলের সমস্যাগুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি, কিন্তু সেখান থেকে বাজেট দেয়া হয়নি। তাই হলের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছি না।’

আরও পড়ুন:
জাবি হলের ‘টর্চার সেলে’ ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর, প্রশাসন নীরব
জাবি সিনেট শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
সিনিয়রদের উৎপাতের ভিডিও করায় জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
জাবি বিসিএস অফিসার্স ফোরামের বৃত্তি প্রদান
জাবিতে ভর্তি হয়েও পড়া হলো না রুবায়েতের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The body of the child Azaan was killed and buried in the sink

হত্যা করে ডোবায় পুঁতে রাখা হয়েছিল শিশু আযানের মরদেহ

হত্যা করে ডোবায় পুঁতে রাখা হয়েছিল শিশু আযানের মরদেহ শিশু আযানের মরদেহ উদ্ধারের খবরে স্থানীয়দের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনার জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।   

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে বাড়ি থেকে চুরি হওয়ার পাঁচ দিন পর দুই মাসের শিশু আযানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রতিবেশীর বাড়ির পেছন থেকে সোমবার সকাল ৬টার দিকে ডোবার মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শিশু আযান মুন্সীগঞ্জ মিরকাদিম পৌরসভার গোপালনগর এলাকায় মো. শরীফ মিয়ার ছেলে।

আযানের মামা মো. মোক্তার জানান, সোমবার সকাল ৬টার দিকে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় শিশুটির কিছু অংশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে সেখান থেকে শিশুটির মরদেহ টেনে তোলেন তারা এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর মরদেহটি হেফাজতে নেয়।

এদিকে শিশু আযানের মামা ও স্বজনরা অভিযোগ করেন, পাশের বাড়ির ফারুক এবং তার পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। সকাল থেকে ঘরে তালা দিয়ে পলাতক রয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনার জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে দুই মাসের শিশু আযানকে ঘরে রেখে টয়লেটে যান তার মা শ্রাবণী বেগম। সে সুযোগে কে বা কারা ঘর থেকে চুরি করে আযানকে। পরে অনেক খোঁজখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে শিশু আযানের মামা মোক্তার হোসেন মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুন:
বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার, ঢামেকে মৃত ঘোষণা যুবককে
বাবার কোপে প্রাণ গেল মেয়ের
গুলশানে বাসের ধাক্কায় নিহত নারীর পরিচয় মিলেছে
বসতঘর থেকে ২ মাসের শিশু চুরি
মাছ ধরা নিয়ে ঝগড়া, মরদেহ মিলল কচুরিপানার ভেতরে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
After three hours in Gazipur the fire in the warehouse of the factory was extinguished

গাজীপুরে তিন ঘণ্টা পর নিভল কারখানার গুদামের আগুন

গাজীপুরে তিন ঘণ্টা পর নিভল কারখানার গুদামের আগুন গাজীপুরের গাছায় কারখানার আগুন নেভাতে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট। ছবি: ফায়ার সার্ভিস
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, আগুন গুদাম থেকে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের টিনশেড বাসাবাড়িতে। গাজীপুর ও টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের ছয়টি ইউনিট এ আগুন নেভাতে কাজ করে।

গাজীপুরের গাছার কলম্বিয়া রোডে ইউনি ম্যাক্স টেক্সটাইল নামের কারখানার টিনশেড গুদামে ধরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস।

বাহিনীটি রোববার রাত ৩টা ২৯ মিনিটে আগুন ধরার খবর পায়। রাত পৌনে ৪টার দিকে প্রথম ইউনিট যায় আগুন নেভাতে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, আগুন গুদাম থেকে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের টিনশেড বাসাবাড়িতে। গাজীপুর ও টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের ছয়টি ইউনিট এ আগুন নেভাতে কাজ করে।

মিডিয়া সেল জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে ভোররাত চারটা ৫৫ মিনিটে, যা সম্পূর্ণ নিভিয়ে ফেলা হয় ভোর ছয়টা ৪০ মিনিটে।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুনে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুনের কারণ, ক্ষতি ও উদ্ধারের পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
স্পেনে নাইট ক্লাবে আগুনে নিহত ১১
আন্দরকিল্লায় বইয়ের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
নাটোরে কুপির আগুনে প্রাণ গেল মা-মেয়ের
লালবাগ অগ্নিকাণ্ড: বার্ন ইউনিটে এক পরিবারের পাঁচজন
প্রায় ২ ঘণ্টা পর লালবাগে ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Housewives stay in madrasa premises demanding recognition of wife

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গৃহবধূর অবস্থান

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গৃহবধূর অবস্থান স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে রোববার ওই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করা নারী। ছবি: নিউজবাংলা
একাধিক বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করে প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ওর যা মন চায় করুক। আমি কাউকে ভয় পাই না।’

মাদারীপুরের কালকিনিতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিতে স্বামীর কর্মস্থল মাদ্রায় অবস্থান নিয়েছেন এক গৃহবধু।

রোববার দুপুরে উপজেলার ডিক্রিরচর ফাজিল মাদ্রাসায় অবস্থান নেন ওই গৃহবধু। মাদ্রাসা অধ্যক্ষের ছত্রছায়ায় ওই প্রভাষক এ ধরনের অপকর্ম চালিয়ে আসছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে।

স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন ওই গৃহবধু। বিচারের দাবিতে এখন বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

ভূক্তভোগী দাবি করা ওই নারীর অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ডিক্রিরচর ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে অনার্স পড়াকালিন ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সুবাদে প্রায় সাত বছর আগে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের এক পরিচিত লোকের মাধ্যমে কাবিননামা তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে ওই শিক্ষক তার (ভুক্তভোগী) খোঁজখবর নেয়া বন্ধ করে দেন। পরে তার (শিক্ষক) সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেয়ে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন ওই গৃহবধু। অভিযোগ পেয়ে প্রভাষকের বেতন বন্ধ করে তাকে পুনরায় ভুক্তভোগী নারীকে কাবিন করে বিয়ে করার জন্য নির্দেশনা দেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা। কিন্তু তাতেও কর্ণপাত করেননি ওই প্রভাষক। এখন বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগী।

তবে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ছত্রছায়ায় থেকে ওই প্রভাষক অপকর্ম চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভূক্তভোগী দাবি করা ওই নারী বলেন, ‘সরলতার সুযোগ নিয়ে মোস্তাফিজ আমার সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। আমি তার স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি চাই। এর আগেও বেশ কয়েকটি বিয়ে করেছে মোস্তাফিজ।’

একাধিক বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করে প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ওর যা মন চায় করুক। আমি কাউকে ভয় পাই না।’

এ বিষয়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. ফজুলর রহমান বলেন, ‘আমরা ওই শিক্ষককের বেতন বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তবে বিষয়টি উভয় পক্ষের লোকজন নিয়ে বসে সমাধানের জন্য সভাপতি নির্দেশনা প্রদান করেছেন।’

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এনামুল বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কয়েকবার বসেছিলাম। কিন্তু এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছতে পারিনি।’

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তাহমিনা বেগম বলেন, ‘এতবড় অপরাধ করে শিক্ষক কী করে পার পাওয়ার চিন্তা করেন? এটা সত্যিই দুঃখজনক ঘটনা।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পিংকি সাহা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ওই মাদ্রাসার সভাপতির সঙ্গে আমি কথা বলব।’

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসা শিক্ষকের ইস্ত্রির ছ্যাঁকা, শিক্ষার্থীকে ঢাকায় প্রেরণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Armed bandits arrested by fishermen

ডাকাতি করতে গিয়ে জেলেদের কাছে আটক

ডাকাতি করতে গিয়ে জেলেদের কাছে আটক মুন্সীগঞ্জে রোববার স্থানীয়রা জেলেরা আটক করে অস্ত্রধারী ডাকাত দলের ছয় সদস্যকে। ছবি: নিউজবাংলা
গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাশেদুল হক বলেন, ‘ডাকাত দল মালভর্তি একটি বাল্কহেডে নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় জেলেরা তাদের আটক করে। খবর পাওয়ার পর আমরা সেখানে ছুটে যাই। বাল্কহেড বর্তমানে আমাদের হেফাজতে রয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে দেড় কোটি টাকার মালামালসহ একটি বাল্কহেড ডাকাতি করে পালানোর সময় ছয় ডাকাতকে আটক করেছে স্থানীয় জেলেরা। আটকদের কাছ থেকে তিনটি রামদা এবং লুট করা নগদ তিন হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

মেঘনা নদীর গজারিয়া অংশের বঘুরচর এলাকায় রোববার ওই ডাকাতদের আটক করা হয়। এসময় আরও তিন ডাকাত কৌশলে পালিয়ে গেছে।

আটক ছয়জন হলেন- আব্দুল কাদির, সুজন, সাদ্দাম হোসেন ওরফে সবুজ, নান্নু মিয়া, শাহীন হাওলাদার ও রুবেল মোল্লা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জেলে আলী মিয়া জানান, ভোরে মাছ ধরার সময় তাদের জালের ওপর দিয়ে একটি বাল্কহেড দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন জেলে তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তারা না থেমে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। জাল ছেড়ার ক্ষতিপূরণ আদায় করার জন্য কয়েকজন জেলে তাদের ট্রলার নিয়ে বাল্কহেডটিকে পেছন থেকে ধাওয়া করে। জেলেদের ধাওয়া খেয়ে দিক পরিবর্তন করে চালক বাল্কহেডটি হোসেন্দী বড় ব্রিজ এলাকার দিকে নিয়ে যেতে থাকে। সেখানে পানির গভীরতা কম থাকায় বাল্কহেডটি মাটিতে আটকে গেলে কয়েকজন জেলে বাল্কহেডের উপরে উঠে দেখতে পান ভেতরের কেবিন চেম্বারে তিনজন লোককে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।

এ সময় তারা আশপাশের লোকজনকে খবর দিলে তারা ছয় ডাকাতকে আটক করে তিন বাল্কহেড শ্রমিককে উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে নৌ পুলিশ সদস্যরা এসে ৬ ডাকাত ও বাল্কহেড তাদের হেফাজতে নেয়।

বাল্কহেড মালিক হযরত আলী ফকির বলেন, ‘মালগুলো বরগুনার জেলার কয়েকজন ব্যবসায়ীর। তার দায়িত্ব মালগুলো নির্ধারিত স্থান থেকে সংগ্রহ করে তার বাল্কহেডের মাধ্যমে বরগুনাতে মালিকদের কাছে পৌঁছে দেয়া। নারায়ণগঞ্জ থেকে দেড় কোটি টাকার (তেল, আটা ও চিনি) মালামাল বাল্কহেডে লোড করা হয়েছিল আরও প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মালামাল নেয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে টাকা না দেয়ায় তারা মাল নিতে পারছিলেন না। সেজন্য গত দুইদিন যাবত মেঘনা নদীর গজারিয়া অংশের তেতৈতলা পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় বাল্কহেড নোঙ্গর করে তারা টাকার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।’

তিনি জানান, রোববার সকালে তারা খবর পান বাল্কহেডের স্টাফদের জিম্মি করে ডাকাত চক্র সেটি ছিনতাই করে নেয়ার পথে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। মালামাল অক্ষত রয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি গজারিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাশেদুল হক বলেন, ‘ডাকাত দল মালভর্তি একটি বাল্কহেডে নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় জেলেরা তাদের আটক করে। খবর পাওয়ার পর আমরা সেখানে ছুটে যাই। বাল্কহেড বর্তমানে আমাদের হেফাজতে রয়েছে।’

বিষয়টি সম্পর্কে নৌ পুলিশের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি, তবে গজারিয়া নৌ পুলিশ থেকে একটি ডাকাতির তথ্য পেয়েছি। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে শুনেছি সেখানে দেড় কোটি টাকার মতো মালামাল ছিল তবে তারা কোন চালানের কপি দেখাতে পারেননি।’

আরও পড়ুন:
মাদারীপুরে ডাকাতির অভিযোগে দুজনের চোখ তুলে নিল গ্রামবাসী

মন্তব্য

p
উপরে