× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
এক দশকে মাথাপিছু ঋণ বেড়ে ছয় গুণ
google_news print-icon

এক দশকে মাথাপিছু ঋণ বেড়ে ছয় গুণ

এক-দশকে-মাথাপিছু-ঋণ-বেড়ে-ছয়-গুণ
বর্তমানে মাথাপিছু ঋণ ২২ হাজার ৬৭৮ টাকা। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় মোট বিদেশি ঋণ ছিল ৭১২ কোটি ডলার। সবশেষ হিসাবে এটি চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার। মোট দেশজ উৎপাদনের ১৫ দশমিক চার শতাংশ এখন বিদেশি ঋণ। এটি ২০ শতাংশের কম থাকায় বাংলাদেশ এখনও ‘সেফটি জোনে’ বলে মনে করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

অর্থাৎ সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের মাথা পিছু ঋণ দাঁড়ায় ২৬৬ দশমিক ৮ ডলার। টাকার অংকে যা ২২ হাজার ৬৭৮ টাকা।

সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে বৈদেশিক সহায়তা সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। পরে গণমাধ্যমে বিষয়টি জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এই প্রতিবেদন অনুযায়ী আওয়ামী লীগের টানা তৃতীয় মেয়াদে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ছয় গুণেরও বেশি। আর এক বছরে বেড়েছে ছয় হাজার টাকার মতো।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার বছরে বিদেশি ঋণ ছিল ৭১২ কোটি ডলার।

গত বছর মাথাপিছু এই ঋণ ছিল ১৭ হাজার ১৩৬ টাকা।

অবশ্য ঋণ আকারে বাড়লেও মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির তুলনায় বাড়েনি খুব একটা।

২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট বিদেশি ঋণ ছিল জিডিপির ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। বর্তমানে তা ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়ার কারণে এটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সচিব। বলেন, ‘তার মানে আমাদের ডোমেস্টিক ইনভেস্টমেন্ট অনেক বেড়ে গেছে।’

সচিব জানান, ৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৪ কোটি ডলার। বর্তমানের তুলনায় ৬০ ভাগের এক ভাগ ঋণ হলেও তখনকার জিডিপির তুলনায় ঋণ ছিল ৩০ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এক দশকে মাথাপিছু ঋণ বেড়ে ছয় গুণ
ইআরডির সঙ্গে বৈঠকের পর বৈদেশিক ঋণ নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফ করছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

ঋণ বাড়লেও বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বিবেচনায় তা কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না বলেও মনে করেন সচিব।

তিনি বলেন, ‘ঝুঁকি সীমা হলো যখন আমাদের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ যখন জিডিপির ৪০ শতাংশ বা তার ওপরে চলে যায় তখন। কিন্তু ২০২০-এ আমাদের জিডিপির তুলনায় বৈদেশিক ঋণ হলো ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আর বৈদিশিক ঋণ পরিশোধ করছি জিডিপির ৫ দশমিক ৫ ভাগ।’

সচিব বলেন, “২০ শতাংশ পর্যন্ত ‘সেফটি রেঞ্জ’ থাকে। আমরা অনেক নিচে আছি। সুতরাং আমাদের ঝুঁকি নাই।”

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বাংলাদেশ কখনও বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি। তিনি বলেন, ‘এটা একটা বড় সাকসেস।’

যে পরিমাণ বিদেশি ঋণ, সেটাতে কোনো সমস্যা দেখছেন না বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরই) এর নির্বাহী পরিচালক ও ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনুসরও।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘মাথাপিছু জাতীয় আয়ও বাড়ছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মাথাপিছু বিদেশি ঋণ বাড়লে অসুবিধার কিছু নেই। তবে এখন যেহেতু সরকারের রাজস্ব আয় তুলনামূলক কম, সেহেতু ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সরকাকে কিছুটা অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।’

আগে অনুদান আসত বেশি, এখন কম

সচিব জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পর ১৯৭১-৭২ অর্থবছরে বিদেশি অনুদান এসেছে বেশি, ঋণ এসেছে কম। তখন বিদেশি অর্থায়নের ৮৫ শতাংশ এসেছে অনুদান হিসেবে। ঋণ ছিল ৮ শতাংশ। তবে বাকি ৭ শতাংশ কোন হিসেবে এসেছে, তার ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

সেই অবস্থাও এখন ঘুরে গেছে। এখন অনুদান আসে ঋণের অনেক কম।

আওয়ামী লীগ সরকার তৃতীয় দফা ক্ষমতা গ্রহণের বছরে ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিদেশি অর্থায়নের ৩০ শতাংশ এসেছে অনুদান হিসেবে। আর ঋণ হিসেবে এসেছিল ৭০ শতাংশ।

১০ বছরে অনুদানের পরিমাণ আরও কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে অনুদানের পরিমাণ গিয়ে ঠেকে মাত্র ৫ শতাংশে। আর ঋণের পরিমাণ ৯৫ শতাংশ।

২০১৯-২০ অর্থ বছরে অনুদান আরও কমে দাঁড়ায় তিন শতাংশে। আর ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭ শতাংশে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এর অর্থ হলো আমরা ত্রাণের ওপর অত নির্ভরশীল নই। নিজস্ব দক্ষতার ওপর নির্ভর করছি।’

কার কাছ থেকে কত ঋণ

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, যত বৈদেশিক ঋণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিশ্বব্যাংকের। আন্তর্জাতিক এই দাতা সংস্থা থেকেই মোট ঋণের ৩৭ শতাংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে আছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। মোট বিদেশি ঋণের ২৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ নেয়া হয়েছে এই সংস্থা থেকে।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাপানি উন্নয়ন ও সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অবদান ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ।

সম্প্রতি বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপকভাবে অর্থায়ন করা চীনের অবস্থান জাইকার তিন ভাগের এক ভাগের কিছু বেশি। মোট বিদেশি ঋণের ৬ দশমিক ৮১ শতাংশ নেয়া হয়েছে এই দেশটি থেকে।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থায়নের কারণে রাশিয়ার অবস্থান পঞ্চমে উঠে এসেছে। এক লাখ কোটি টাকার বেশি প্রকল্পে অর্থায়ন করা দেশটি থেকে বাংলাদেশ মোট বিদেশি ঋণের ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ নেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে থাকা দেশটির কাছ থেকে।

মোট বিদেশি ঋণের ১ দশমিক ৩ শতাংশ নেয়া হয়েছে প্রতিবেশি ভারত থেকে। অন্যান্য সব দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
27th AGM of Mutual Trust Bank held

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ২৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ২৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব করা হয়, যা সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের সম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।

অনুষ্ঠানে এমটিবি’র পরিচালক, মোঃ আব্দুল মালেক-এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি’র পরিচালকবৃন্দ, খাজা নারগীছ হোসেন, ড্যানিয়েল ডি ল্যাঞ্জ (নরফান্ড কর্তৃক মনোনীত), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ, ড. মোহাম্মদ তারেক, চেয়ারম্যান, বোর্ড অডিট কমিটি, শিব নারায়ন কৈরী এবং জেরিন মাহমুদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ডিএমডি ও কোম্পানী সেক্রেটারী, রেইস উদ্দীন আহমেদ, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণ।

সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে এই স্টক ডিভিডেন্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton Cables Annual Dealer Conference 2026 held at Srimangal

শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

‘রাইজ টুগেদার’ স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।

সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত। সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরস্কৃত করা হয়। ছিলো র‌্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Guidance meeting on monitoring pending cases in Agrani Bank

অগ্রণী ব্যাংকে বিচারাধীন মামলাসমূহ মনিটরিং বিষয়ক দিকনির্দেশনা সভা

অগ্রণী ব্যাংকে বিচারাধীন মামলাসমূহ মনিটরিং বিষয়ক দিকনির্দেশনা সভা ছবি: সংগৃহীত

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র বিচারাধীন মামলাসমূহের নিয়মিত মনিটরিং এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল’ ডিভিশনের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

একই সঙ্গে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইন অনুবিভাগ) আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি।

সভাপতিত্ব করেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন। সভায় মহাব্যবস্থাপক (ল’) মোহাম্মদ ফজলুল করিম এবং চিফ ল’ অফিসার মশিউর রহমান চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান, অঞ্চল প্রধান, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সারাদেশের শাখা প্রধান ও ব্যবস্থাপক এবং মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
BAT Bangladesh was recognized as the top employer for the seventh time

সপ্তমবারের মত ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

সপ্তমবারের মত ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ ছবি: সংগৃহীত

মানবসম্পদ কৌশল নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' থেকে টানা সপ্তমবার ‘টপ এমপ্লয়ার’স্বীকৃতি পেল ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশে উৎকর্ষ মূল্যায়নের জন্য পরিচিত 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল কৌশল, কর্মপরিবেশ, মেধাবী কর্মী নিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের কল্যাণসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করে থাকে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএটি দাবি করছে, মূল্যায়নে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তারা সকল বিভাগেই ‘শীর্ষ স্কোরপ্রাপ্তদের অন্যতম’ ছিল।

বিএটি বাংলাদেশের হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ বলেন, “টপ এমপ্লয়ার সনদ আমাদের নীতি ও কার্যপ্রণালীগুলোকে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের বিপরীতে মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে।

“একই সঙ্গে এটি আমাদের আরও এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে আমরা আমাদের কর্মীদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে কীভাবে সহায়তা করছি, তা ধারাবাহিকভাবে পর্যালোচনা, পরিমার্জন ও আরও শক্তিশালী করতে পারি।”

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Regencys special package for grand weddings

জমকালো বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির বিশেষ প্যাকেজ

জমকালো বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির বিশেষ প্যাকেজ ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের মৌসুম কিংবা বছরের যেকোনো সময়ে স্বপ্নের আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আকর্ষণীয় ওয়েডিং প্যাকেজ ও এক্সক্লুসিভ অফার দিচ্ছে পাঁচতারকা হোটেল ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। বিয়ের পাশাপাশি গায়ে হলুদ, মেহেদি সন্ধ্যা, বৌভাত, জন্মদিন কিংবা কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু, সুস্বাদু ক্যাটারিং এবং পেশাদার সেবা নিয়ে প্রস্তুত হোটেলটি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সিলভার, গোল্ড ও প্রিমিয়াম— এই তিন ধরনের ওয়েডিং প্যাকেজের পাশাপাশি কমপ্লিমেন্টারি ভেন্যু, ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, আকর্ষণীয় সাজসজ্জা এবং কমপ্লিমেন্টারি রুমসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা রিজেন্সির ১৪ তলায় অবস্থিত ৫,৭২১ বর্গফুটের ‘সেলিব্রেশন হল’-এ একসঙ্গে প্রায় ৫০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল জনপ্রিয় রুফটপ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ‘গ্রিল অন দ্য স্কাইলাইন’ এবং আরও ৬টি সুসজ্জিত ব্যাংকোয়েট হল রয়েছে, যা ছোট-বড় সব ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে ছোট হলরুমগুলোতে ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাগম সম্ভব, যা ছোট পরিসরে বিয়ের আয়োজন, জন্মদিন উদ্‌যাপন, সংবাদ সম্মেলন কিংবা কর্পোরেট মিটিংয়ের জন্য বেশ মানানসই। হোটেলের অভিজ্ঞ কর্মীরা বসার সুব্যবস্থা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং পর্যন্ত প্রতিটি সেবা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে নিশ্চিত করে থাকেন।

বিয়ের অতিথিদের জন্য রুম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের জন্য রয়েছে বিশেষ হানিমুন স্টে প্যাকেজ। বুফে ব্রেকফাস্টসহ হানিমুন প্যাকেজের মূল্য ১৪,৯৯৯ টাকা এবং বুফে ব্রেকফাস্ট ও বুফে ডিনারসহ হানিমুন প্রিমিয়াম স্টে প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯,৯৯৯ টাকা। যারা নিখুঁত ভেন্যুর সন্ধান করছেন, তারা বুকিং বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০১৭১৩৩৩২৫১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অথবা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে পারেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Business review meeting of Sonali Bank in Tangail

টাঙ্গাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা

টাঙ্গাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ছবি: সংগৃহীত

সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের আয়োজনে ব্যাংকের আওতাধীন বিভিন্ন শাখা ও টাঙ্গাইল করপোরেট শাখার প্রধানদের নিয়ে এক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়।

সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এস. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার’স (জিএম) অফিস, ঢাকা নর্থের জিএম ইনচার্জ মোহাম্মদ ইসমাইল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন জিএম অফিস ঢাকা নর্থের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফেরদৌস সেরনিয়াবাত এবং টাঙ্গাইল করপোরেট শাখা প্রধান মোহাম্মদ মতিউর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রিন্সিপাল অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও এর নিয়ন্ত্রণাধীন ১৬টি শাখার প্রধান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Board meeting of Islami Bank was held

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে