20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ মন্ত্রণালয়ের

পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ মন্ত্রণালয়ের

পেঁয়াজের আমদানি ও সরবরাহ বেড়েছে দাবি করে নিত্যপণ্যটি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘দেশে শিগগিরই পেঁয়াজের দাম কমে আসবে। ইতিমধ্যে পণ্যটির আমদানি ও সরবরাহ বেড়েছে। আমদানি পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে আসলে বাড়তি দাম পর্যায়ক্রমে কমে আসবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ইতিমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। দেশীয় পেঁয়াজেরও পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। উৎপাদনকারী কৃষকরা সেই পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি বাড়িয়েছেন।’

বাড়তি দাম থেকে স্বল্প আয়ের ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ক্রেতাদের সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ সরবরাহের উদ্দেশ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) দেশব্যাপী ট্রাক সেলের পাশাপাশি ই-কমার্সের মাধ্যমেও পেঁয়াজ বিক্রি করছে।

‘এতে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে প্রতি কেজি ৩০ টাকা মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রয়ের পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

চাহিদা অনুযায়ী বাজারে পেঁয়াজের মজুত, সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসীর পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে।

বলা হয়েছে, ‘এ বছর আগে থেকেই সরকার আমদানির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার পেঁয়াজ আমদানির উপর শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। ১৩ দেশ থেকে প্রায় সাত লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

‘আমদানিকারকদের চাহিদা মোতাবেক সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্যই হচ্ছে অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ানো।’

বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের এসব নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

শেয়ার করুন