× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

শুরুতেই হোঁচট খেল রাজস্ব আদায়

শুরুতেই-হোঁচট-খেল-রাজস্ব-আদায়-
রাজধানী সেগুনবাগিচার রাজস্ব ভবন-ফাইল ছবি
প্রথম দু মাসে ঘাটতি ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি, বাজেট বাস্তবায়নে চাপে সরকার, ব্যয় সংকোচন করে সমন্বয়ের চেষ্টা

বাজেট বাস্তবায়নে অর্থায়নের সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বা রাজস্ব আদায়। করোনা মহামারির কারণে এতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, কেউ বলতে পারছে না।

রাজস্ব আদায়ে বিশাল ঘাটতির কারণে বাজেট বাস্তায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। এতে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেয়া বাড়বে। তখন বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরন ব্যাহত হওয়ার আশংঙ্কা থাকে। এতে করে বাধাগ্রস্ত হতে পারে বেসরকারি খাত। বাড়বে মূল্যস্ফীতি, যা প্রকারান্তরে মানুষের জীবন-যাপনে দুর্ভোগ বয়ে আনবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দু মাস জুলাই-আগস্টে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৪০ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা। তবে এ সময়ে আদায় হয়েছে ৩০ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। অর্থাৎ ঘাটতি ১০ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা। এ সময়ে আদায় বেড়েছে (প্রবৃদ্ধি) ১ শতাংশের কম, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ম। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল পাঁচ শতাংশ।

করোনাকালে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেগবান করতে চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) বিশাল ব্যয়ের বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ বাজেটের আকার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থনীতি সহসাই স্বাভাবিক হবে এমন প্রত্যাশা রেখে অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এবার এনবিআররে মাধ্যমে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু অর্থবছরের শুরুতেই রাজস্ব আয়ের যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তাতে এবারও বড় ধরনের ঘাটতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুরুতেই হোঁচট খেল রাজস্ব আদায়

তবে বাজেটে অর্থায়নের আরেকটি উৎস সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেড়ে গেছে অস্বাভাবিকভাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে নিট বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় এর পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা ধরেছিল, তার ৩৭ শতাংশের বেশি দুই মাসে নেয়া হয়ে গেছে। সঞ্চয়পত্র থেকে চলতি বাজেটে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা প্রাক্কলন করা হয়। এছাড়া বিদেশী উৎস থেকে ঋণ আসায় শ্লথ গতি দেখা যাচেছ।

রাজস্ব আদায়ে ধস, সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ গ্রহণ বেড়ে যাওয়া ও বিদেশি ঋণ প্রাপ্তিতে ধীরগতি – এসব কারণে সরকারি আয়ে ভাটা পড়েছে। অথচ, বেড়েই চলছে ব্যয়। ফলে বাজেট ঘাটতি মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।

অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশি – এ দুটি উৎস থেকে বাজেট বাস্তবায়নে অর্থের জোগান দেয় সরকার। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থা ও সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে ঋণ নেয়া হয়। অপরদিকে, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন উন্নয়সহযোগী, দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে কম সুদে সহজ শর্তে ঋণ সংগ্রহ করা হয়। করোনাকালে অর্থের জোগান নিশ্চিত করা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে এবারের বাজেট বাস্তবায়নে ব্যাপক চাপে আছে সরকার। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, ব্যয় সংকোচন ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনাকালে অর্থের জোগানে সংকট হবে - এ বিষয়টি বিবেচনা করে এবারের বাজেট দিয়েছে সরকার। সে জন্য অর্থবছরের শুরুতেই ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে সরকারি গাড়ি কেনা সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ করা হয়েছে এবং উন্নয়ন বাজেট বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থায়ন স্থগিত করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সাশ্রয় করা অর্থ করোনা প্রতিরোধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করা হবে।

যোগাযোগ করা হলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও আইএমএফ-এর সাবেক কর্মকর্তা ড. আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, অর্থায়নের সমস্যা বহু পুরনো। কিন্তু করোনাকালে এই সংকট প্রকট হয়েছে। কারণ রাজস্ব আদায়ে খুবই খারাপ অবস্থা। বিদেশি ঋণ প্রবাহ সন্তোষজনক নয়। এ অবস্থায় বাজেট বাস্তবায়নে এবার বড় ধরনের চাপে পড়বে সরকার। এ চাপ সামলাতে বাজেটে বড় ধরনের ব্যয় সংকচন, ও বিদেশী সহায়তা বাড়ানো ও রাজস্ব আদায় আরও জোরদারের পরামর্শ দেন তিনি।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ নিউজবাংলাকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজস্ব আদায় কম হবে। বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত নেই। কিন্তু রাজস্ব আদায় বাড়াতে যে ধরনের সংস্কার কার্যক্রম নেয়া দরকার, তা গ্রহণ করেনি সরকার। তিনি আরও বলেন, টার্গেট একটা করতে হবে। তার জন্য অঙ্ক করে হিসাব মিলিয়ে দেয়া সহজ। কিন্তু রাজস্ব আয় কীভাবে বাড়াতে হবে, কোথায় সংস্কার করলে আয় বাড়বে - এ সব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে রাজস্ব ঘাটতি ক্রমশ বাড়ছে।

AK/SB

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The price of oil has increased again in the world market

বিশ্ববাজারে আবারো বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে আবারো বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে আক্রমণ শুরু করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের কার্যদিবসে তেলের দাম কমে গত সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছালেও বুধবার (১০ জুন) বাজার আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের সূচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার তথ্য বাজারে এই উর্ধ্বমুখী প্রভাব ফেলেছে। খবর রয়টার্সের।

বুধবার লেনদেন শুরুর পর লন্ডন বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৩ সেন্ট বা ০.৯ শতাংশ বেড়ে ৯২.২৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৬৮ সেন্ট বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮৮.৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।

বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতির নতুন তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত টানা অষ্টম সপ্তাহের মতো হ্রাস পেয়েছে। গত ৫ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটিতে তেলের মজুত ৯১.২ লাখ ব্যারেল এবং পেট্রোলের মজুত ১১.৯ লাখ ব্যারেল কমেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া ও ইউরোপে জ্বালানি পণ্যের রফতানি বাড়ালেও অভ্যন্তরীণ মজুত কমে আসায় সেই সক্ষমতা এখন হুমকির মুখে। রফতানি ব্যাহত হওয়ার এই আশঙ্কা বিশ্ববাজারে তেলের দামকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold rose to 6591 rupees

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ৬৫৯১ টাকা

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ৬৫৯১ টাকা ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের (তেজাবী স্বর্ণ) মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এর আগে এ মানের স্বর্ণ ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে এটি স্বর্ণের মূল্যে তৃতীয় দফা পতন। গত ২ জুন ও ৬ জুন দুই দফায় দাম কমানোর পর আজ আবারও মূল্য হ্রাস পাওয়ায় তিন দফায় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম মোট ১৫ হাজার ৩৩৯ টাকা কমেছে।

স্বর্ণের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রূপার দামও কমিয়েছে বাজুস। সবচেয়ে ভালো মানের রূপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে স্থানীয় বাজারের সমন্বয় এবং তেজাবী স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ার কারণেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন দাম বুধবার সকাল থেকেই সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank wants to borrow 10 thousand crore from Bangladesh Bank

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক ফাইল ছবি

চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ও চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটি থেকে গ্রাহকেরা গত এক সপ্তাহে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি তুলে নিয়েছেন। এর ফলে টাকার সংকটে পড়েছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের চাহিদা সামাল দিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে ব্যাংকটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে। তবে এখনো টাকা দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানায়, গত ৩১ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির আমানত কমেছে ৪ হাজার ২০৪ কোটি টাকা। এরপর গত দুই দিনে আমানতের পরিমাণ আরও কমেছে।

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংক তাকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। একই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়।

এরপর থেকে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে ব্যাংকটির দিলকুশার প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে একদল গ্রাহক। গ্রাহকদের ‘যৌক্তিক’ আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কয়েক দিনের টানা আন্দোলনে ব্যাংকটির গ্রাাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাতে আতঙ্কিত অনেক গ্রাহক টাকা তুলে নেন। গতকাল নবম দিনের মতো এই আন্দোলন চলে। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীরা বলেন, আর্থিক অনিয়ম ও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকা ব্যক্তিকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় তারা তাদের আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In the first 8 days of the month expatriates sent 12 thousand crore taka

মাসের প্রথম ৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ১২ হাজার কোটি টাকা

মাসের প্রথম ৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ১২ হাজার কোটি টাকা

চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম ৮ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৯৭ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১২ হাজার ১৮ কোটি ৩২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরিফ হোসেনের দেওয়া তথ্য মতে, গতকাল সোমবার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৩২৪ কোটি ৯৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। গত বছরের জুন মাসের প্রথম ৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৯০ কোটি ৭২ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে সাত দশমিক ৯২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ৮ জুন পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে তিন হাজার ৩৭৩ কোটি ৫৮ লাখ ৯০ হাজার ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৮৪১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of bidi is not increasing

বাড়ছে না বিড়ির দাম

বাড়ছে না বিড়ির দাম

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফলে নতুন অর্থবছরে বিড়ির দামে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

রাশেদা বেগম হীরা জানতে চেয়েছিলেন, তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি, বিশেষ করে বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও এক শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রেখে অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হবে কিনা।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ির ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার আগের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Xiaomis new tablet Redmi Pad Two in the domestic market

দেশের বাজারে শাওমির নতুন ট্যাবলেট রেডমি প্যাড টু

দেশের বাজারে শাওমির নতুন ট্যাবলেট রেডমি প্যাড টু

চিনা প্রযুক্তি জায়ান্ট শাওমি বাংলাদেশের বাজারে তাদের নতুন ট্যাবলেট 'রেডমি প্যাড টু' আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ডিভাইসটি মূলত শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী, কন্টেন্ট স্ট্রিমার এবং গেমারদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর লক্ষে তৈরি করা হয়েছে। হালকা ও সহজে বহনযোগ্য এই প্যাডটি উন্নত কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের একটি প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। গত ৮ জুন থেকে সারা দেশে শাওমির অনুমোদিত স্টোরগুলোতে এটি বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

ডিভাইসটির অন্যতম আকর্ষণ হলো এর ৯.৭ ইঞ্চির টু-কে (2K) ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ডিসপ্লে। এতে ১২০ হার্জ পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভিডিও স্ট্রিমিং ও স্ক্রলিংকে অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে। দিনের আলোতেও স্ক্রিনের দৃশ্যমানতা স্পষ্ট রাখতে এতে রয়েছে ৬০০ নিটস পর্যন্ত ব্রাইটনেস। এছাড়া দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের ফলে চোখের ওপর চাপ কমানোর জন্য এতে টিইউভি রেইনল্যান্ড-সার্টিফায়েড আই কমফোর্ট প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি আরামদায়ক ও নিরাপদ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

শক্তিশালী পারফরম্যান্সের জন্য রেডমি প্যাড টুতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন সিক্সএস ফোরজি সেকেন্ড জেনারেশন প্রসেসর। নতুন এই প্যাডটি শাওমির নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ‘হাইপারওএস ৩’-এ পরিচালিত হয়, যা মাল্টিটাস্কিংকে অনেক সহজ ও দ্রুত করে তোলে। বড় ডিসপ্লে ও শক্তিশালী ফিচারের পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ ব্যাকআপ নিশ্চিত করতে এতে ৭ হাজার ৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। শাওমির ইন্টারকানেক্টিভিটি ফিচারের মাধ্যমে অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের সাথে এটি সহজেই যুক্ত করে নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা পাওয়া সম্ভব।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, অনবদ্য ডিসপ্লে ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফের কারণে পড়াশোনা, কাজ কিংবা বিনোদনের ক্ষেত্রে রেডমি প্যাড টু একটি আদর্শ ডিভাইসে পরিণত হবে। ট্যাবলেটটি বর্তমানে গ্রাফাইট গ্রে এবং সিলভার—এই দুটি আকর্ষণীয় রঙে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকদের ভিন্ন ভিন্ন কানেক্টিভিটির চাহিদা মেটাতে এটি ওয়াইফাই এবং ওয়াইফাই + সেলুলার (ফোরজি)—এই দুটি আলাদা সংস্করণে আনা হয়েছে। উভয় মডেলেই ৪ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ সুবিধা রয়েছে।

দেশের বাজারে রেডমি প্যাড টু-এর ফোরজি সংস্করণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে, শুধুমাত্র ওয়াইফাই সংস্করণের দাম রাখা হয়েছে ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা। সাশ্রয়ী মূল্যের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ও শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের সমন্বয় ট্যাবলেটটিকে বাজারে বেশ প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রাখবে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা। মানসম্মত হার্ডওয়্যার ও নতুন সফটওয়্যারের মেলবন্ধনে রেডমি প্যাড টু গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে শাওমি কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sony Smarts Golden Goal offer on the occasion of the Football World Cup

ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’

ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শীর্ষক একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সনির আনুষ্ঠানিক পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিস্ (বিডি) লিমিটেড। সোমবার রাজধানীর স্মার্ট টেকনোলজিসের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত চলমান এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের পছন্দের গৃহস্থালি ও প্রযুক্তি পণ্য ক্রয়ে বিশেষ আর্থিক সুবিধা এবং আকর্ষণীয় উপহার লাভের সুযোগ পাবেন। মূলত বিশ্বকাপের আমেজ সাধারণ মানুষের কেনাকাটায় ছড়িয়ে দিতেই এই বিশাল আয়োজন করা হয়েছে।

এই বিশেষ অফারের আওতায় গ্রাহকরা সনি, স্মার্ট, হায়ার, শার্প এবং শাওমির মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের টেলিভিশন, সাউন্ড সিস্টেম, হেডফোন, এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটর কেনার ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ‘বিশেষ মূল্য সুবিধা’ পাবেন। বিশেষ করে ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয় করলে গ্রাহকদের একটি করে স্ক্র্যাচ কার্ড দেওয়া হবে। ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে প্রদান করা এই কার্ডটি ঘষলেই মিলবে ফিফা বিশ্বকাপের প্রিয় দলের জার্সি, ফুটবল, সনি হেডফোন, পাওয়ার ব্যাংক ও এয়ার কুলারের মতো নিশ্চিত সব পুরস্কার।

টেলিভিশন ক্রেতাদের জন্য সনি ব্রাভিয়া মডেলে রাখা হয়েছে আরও বড় চমক। ৫০ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় সাইজের সনি ব্রাভিয়া টিভি কিনলে ক্রেতারা স্টকের ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিকভাবে একটি আকর্ষণীয় জার্সি উপহার পাবেন। এছাড়া ৬৫ ইঞ্চি বা তার বেশি বড় সাইজের প্রিমিয়াম মডেলের টিভি কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করলে রয়েছে প্রতি সপ্তাহে একটি বিশেষ লাকি ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগ। এই ড্রয়ের বিজয়ীদের জন্য উপহার হিসেবে থাকবে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের অফিশিয়াল জার্সি, কাস্টম ক্যাপ এবং বক্সসহ বিশেষ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রেনিং বল। সনি-স্মার্ট ইতোমধ্যেই তাদের আউটলেটগুলোতে এই ডিজিটাল নিবন্ধনের জন্য কিউআর-কোড হাব স্থাপন করেছে।

ক্যাম্পেইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন সনি ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেডের বাংলাদেশ শাখার প্রধান যশুয়া কুয়েক। অনুষ্ঠানে তিনিসহ স্মার্ট টেকনোলজিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জানান, গ্রাহকদের জন্য উচ্চমানের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের পাশাপাশি বিশ্বকাপের আনন্দকে আরও রঙিন করতে এই ক্যাম্পেইনটি ডিজাইন করা হয়েছে। সনি বাংলাদেশের এই বিশেষ উদ্যোগটি ফুটবল প্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সনি হোম এন্টারটেইনমেন্টের প্রধান মাশচাভালিত কেমনুজ মিং এবং স্মার্ট টেকনোলজিসের বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

ফুটবল প্রেমীদের জন্য সনি-স্মার্টের এই সময়োপযোগী আয়োজন কেনাকাটায় নতুন এক উদ্দীপনা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের সাথে ফুটবল বিশ্বকাপের স্মারক উপহার গ্রাহকদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে। দেশজুড়ে বিস্তৃত সনি-স্মার্টের শোরুমগুলোতে বর্তমানে এই অফারটি পুরোদমে কার্যকর রয়েছে এবং গ্রাহকরা আগ্রহের সাথে অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে স্মার্ট টেকনোলজিস দেশীয় বাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থান আরও সংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

মন্তব্য

p
উপরে