ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

আইসোলেশনে সময় কাটছিল না অ্যানার। এ সময় রুমের মধ্যে কলা দেখে তার মাথায় আইডিয়া আসে। তিনি কলার খোসায় ছবি আঁকা শুরু করেন।

আমাদের অনেকের কাছে কলা শুধুই একটা খাবার। তবে ব্রিটিশ তরুণী অ্যানা চোজনিকা কলাকে দেখেন শিল্প সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে।

২০২০ সালের কথা। অ্যানা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন। ভাইরাসের বিস্তার ছড়ানো ঠেকাতে নিজের বেডরুমে আইসোলেশনে চলে যান।

আইসোলেশনে সময় কাটছিল না অ্যানার। এ সময় রুমের মধ্যে কলা দেখে তার মাথায় আইডিয়া আসে। তিনি কলার খোসায় ছবি আঁকা শুরু করেন।

ছবি আঁকার জন্য রং-তুলির বদলে তিনি বেছে নেন অদ্ভুত একটি মাধ্যম। অ্যানা জানতেন, পিন দিয়ে কলার খোসায় গুঁতো দিলে দ্রুতই সে জায়গাটা কালো হয়ে যায়।

কলার খোসার এই বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়ে তিনি একের পর এক ছবি আঁকতে শুরু করেন।

চলুন দেখে নিই তার কিছু ছবি।

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

ব্যতিক্রমী শিল্পী অ্যানা চোজনিকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চার মাস আগে দাফন, মরদেহ অবিকৃত থাকার দাবি

চার মাস আগে দাফন, মরদেহ অবিকৃত থাকার দাবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানাটমি বিভাগের অধ্যাপক হুমায়রা নওসাবা নিউজবাংলাকে বলেন, চার মাস আগে দাফন করা মরদেহে কোনো বিকৃতি ঘটেনি-এমনটি সম্ভব নয়। এই সময়ের মধ্যে মাংসে পচন এবং মরদেহে কোনো না কোনো পরিবর্তন ঘটবেই। তবে তাপমাত্রা অনেক সময়ে মরদেহের পচনে প্রভাব ফেলে।

নদীভাঙনে কবর ধসে যাওয়ায় বেরিয়ে আসে মরদেহের একাংশ। সেটি পরে আবারও দাফন করেন স্বজন ও স্থানীয় লোকজন। তাদের ভাষ্য, চার মাস আগে ওই নারীকে কবর দেয়া হলেও মরদেহে পচন ধরেনি। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে লাশ দেখতে উৎসুক মানুষ ভিড় করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে উত্তর ধলডাঙা গ্রামে।

৫০ বছর বয়সী ওই নারীর নাম রেনুকা বেগম। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আমবাজ আলীর স্ত্রী।

শিলখুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন ইউসুফ নিউজবাংলাকে বলেন, রেনুকা শারীরিক অসুস্থতার কারণে সাড়ে চার মাস আগে মারা যান। পরে বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

চলতি মাসে কালজানি নদীর ভাঙনে কবরের একপাশ ধসে গেলে মরদেহের একাংশ বেরিয়ে আসে। এ সময় এলাকার মানুষ অক্ষত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মরদেহটি দেখার জন্য ওই এলাকায় মানুষের ঢল নামে। পরে পরিবারের সদস্য এবং এলাকার লোকজন মরদেহটি ফের দাফন করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এ রকম অলৌকিক ঘটনার কথা লোকমুখে শুনেছি। এই প্রথম নিজে এমন ঘটনার সাক্ষী হলাম। পরিবারের সদস্যদের কাছে শুনেছি, তিনি পরহেজগার ও দানশীল নারী ছিলেন।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এস এম সায়েম বলেন, ‘এমনটা হওয়া বিজ্ঞানসম্মত নয়। কোনো সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা ছাড়া সাধারণত দাফনের ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই প্রাকৃতিক নিয়মেই মরদেহ পচে যাওয়ার কথা।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানাটমি বিভাগের অধ্যাপক হুমায়রা নওসাবা নিউজবাংলাকে বলেন, চার মাস আগে দাফন করা মরদেহে কোনো বিকৃতি ঘটেনি- এমনটি সম্ভব নয়। এই সময়ের মধ্যে মাংসে পচন এবং মরদেহে কোনো না কোনো পরিবর্তন ঘটবেই। তবে তাপমাত্রা অনেক সময়ে মরদেহের পচনে প্রভাব ফেলে।

তথ্য আদান-প্রদানের উন্মুক্ত অনলাইন ফোরাম কোরা ডটকমে কিছু কিছু মৃতদেহ দীর্ঘদিন অবিকৃত থাকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ। এর মধ্যে নৃবিজ্ঞানী ফ্লয়েড অ্যারানয়েসি বলেন, মাটির অম্লত্ব, শীতলতা, অক্সিজেনের ঘাটতিসহ পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে মরদেহ পচিয়ে দেয়ার ব্যাকটেরিয়ার অভাব ঘটতে পারে। এ কারণে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন পরেও অবিকৃত থাকে মৃতদেহ। এর পেছনে অলৌকিক কারণ নেই।

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার ২ তরুণ এখন চাঁদের ‘নাগরিক’

সাতক্ষীরার ২ তরুণ এখন চাঁদের ‘নাগরিক’

৫৫ ডলারে চাঁদে এক একর জমি ‘কিনেছেন’ সাতক্ষীরার দুই বন্ধু। ছবি: নিউজবাংলা

‘লুনার অ্যাম্বেসি’ নামের একটি ওয়েবসাইট থেকে চাঁদে জমি কিনেছেন শাহিন ও শাকিল। খরচ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ টাকা। জমির দলিলের পাশাপাশি চাঁদে নাগরিকত্বও পেয়েছেন এই দুই তরুণ।

সাতক্ষীরার দুই বন্ধু শাহিন আলম ও শেখ শাকিল হোসেন। হঠাৎ পেয়ে বসে চাঁদে জমি কেনার শখ। ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করে পেয়েও যান চাঁদের জমি ‘পাইয়ে দেয়া’ একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের ঠিকানা।

দেরি না করে দুই বন্ধু অনলাইনে চুকিয়ে দেন দাম। আর ঠিক এক সপ্তাহ পর হাতে আসে চাঁদের জমির কাঙ্ক্ষিত দলিল। সেই সঙ্গে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকট প্রতিবেশীর ‘নাগরিকত্বও’ পেয়েছেন তারা।

শাহিন ও শাকিল বেশ গর্ব নিয়েই সেই দলিল দেখিয়েছেন নিউজবাংলাকে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র শাহিনের বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার পাতাখালি গ্রামে। তার বন্ধু শাকিল থাকেন সাতক্ষীরা সদরের জোড়দিয়া গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম বর্ষের ছাত্র তিনি।

শাহিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগে ফেসবুকে দেখি মঙ্গলগ্রহে মানুষ নাকি জমি কিনছে। কৌতূহল থেকে বিষয়টি নিয়ে আমরা ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করতে থাকি। সে সময়েই জানতে পারি চাঁদেও কেনা যায়।

‘লুনার অ্যাম্বেসি নামের একটি ওয়েবসাইট আছে, যেখানে চাঁদ-মঙ্গলগ্রহের জমি বিক্রি হয়। দেখলাম চাঁদে জমির দাম একদম কম, একর প্রতি ২৪ দশমিক ৯৯ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৪৯৯ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ২ হাজার ১২৫ টাকা থেকে ৪২ হাজার ৪৩৭ টাকা। কোন ধরনের জমি কিনব, তার ওপর ওঠানামা করে দাম।’

এরপর শাহিন ও শাকিল ৫৫ ডলারে (সাম্প্রতিক বিনিময় মূল্য হিসেবে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ টাকা) চাঁদে এক একর জমির অর্ডার দেন।

সাতক্ষীরার ২ তরুণ এখন চাঁদের ‘নাগরিক’
চাঁদের জমির এই দলিল পান শাকিল ও শাহিন

কীভাবে নিশ্চিত হলেন ওয়েবসাইটটি ভুয়া নয়, এমন প্রশ্নে শাহিনের জবাব, ‘আমরা ওই ওয়েবসাইট নিয়েও ঘাটাঘাটি করেছি। দেখেছি অনেক সেলিব্রিটি সেখান থেকে চাঁদে-মঙ্গল গ্রহে জমি কিনেছেন। তাই সাহস করে অর্ডার দিয়েছি। এক সপ্তাহ আগে অর্ডার দিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা পরিচিত একজনের কার্ডের মাধ্যমে পে করেছি।

‘আজ (বুধবার) আমাদের কাছে মেইল আসে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে। তারা চাঁদে আমাদের কেনা জমির দলিল পাঠিয়েছে। চাঁদের গায়ে জমি চিহ্নিত করে ছবিও দিয়েছে।’

এই জমি ভোগদখল যে করা যাবে না, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই শাহিনের। বলেন, ‘আসলে এটা তো সম্ভব না জানেনই। সত্যি বলতে গেলে ওই দলিলটাই মূল।

‘যিনি ওই ওয়েবসাইট চালান, তিনিও তো চাঁদের মালিক না। মনে করেন উনি নিজে নিজে চাঁদের ইজারা নিয়ে জমি বিক্রি করছেন। মানুষ টাকা দিয়ে আসলে চাঁদের জমির ওই দলিলটাই কেনে। চাঁদে গিয়ে ওই জমি বুঝে নেয়ার তো সুযোগ নাই। ওই ওয়েবসাইটেও কোথাও বলা নাই যে, তারা আমাদের নিয়ে গিয়ে জমি বুঝিয়ে দেবে।’

সাতক্ষীরার ২ তরুণ এখন চাঁদের ‘নাগরিক’
চাঁদের ‘নাগরিকত্বের’ এই সার্টিফিকেট পান শাহিন ও শাকিল

চাঁদের দলিল পেয়ে ‘বিখ্যাতদের’ সারির একজন ভাবতে ভালোই লাগছে শাহিনের। তিনি বলেন, ‘অনেক বিখ্যাত লোকজনের নাম ইন্টারনেটে আছে যে, তারা চাঁদ-মঙ্গল গ্রহের জমির মালিক। এর মধ্যে সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, জিমি কার্টার ও রোনাল্ড রিগ্যান আছেন। তাদের সঙ্গে এখন আমাদের (শাহিন ও শাকিল) নামও জুড়বে। নামেমাত্র হলেও আমরাও এখন চাঁদের জমির মালিক। বাংলাদেশে সম্ভবত আমরাই প্রথম চাঁদে জমি কিনলাম।’

যা আছে শাহিন ও শাকিলের দলিলে

চাঁদের জমির দলিলের প্রথম পাতাতেই দেয়া আছে একটি সার্টিফিকেট, যাতে লেখা- চাঁদের সি অফ ক্লাউড নামের অংশে একখণ্ড জমির মালিক হিসেবে আন্তর্জাতিক লুনার ল্যান্ড রেজিস্ট্রির নথিভুক্ত হয়েছেন শাহিন আলম ও শাকিল হোসেন।

এর পরের দুই পাতায় জমি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং চাঁদের মানচিত্রে সেই কথিত জমির ছবি দেয়া আছে।

আরেকটি পাতায়, শাহিন ও শাকিলকে চাঁদের নাগরিকত্বের ‘স্বীকৃতিও’ দেয়া হয়েছে। কল্পিত সেই রাষ্ট্রের নাম ‘লুনার রিপাবলিক’।

সাতক্ষীরার ২ তরুণ এখন চাঁদের ‘নাগরিক’
চিহ্নিত অংশটি শাহিন ও শাকিলের কথিত জমি

চাঁদের জমি বিক্রি করছে কারা

লুনার অ্যাম্বেসি নামের ওয়েবসাইটে গিয়ে জানা যায়, ড্যানিশ এম হোপ নামের এক আমেরিকান নাগরিক ১৯৮০ সালে জাতিসংঘ এবং আমেরিকান ও রাশিয়ান সরকারের কাছে চাঁদের মালিক হওয়ার ঘোষণাপত্র দেন। এরপর ১৯৯৬ সাল থেকে ওয়েবসাইট খুলে বসে চাঁদে জমি বিক্রি শুরু করেন তিনি।

সাতক্ষীরার ২ তরুণ এখন চাঁদের ‘নাগরিক’
চাঁদের কথিত মালিক ড্যানিশ এম হোপ

ভাইস ডটকমে ড্যানিশ এম হোপের একটি সাক্ষাৎকার পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি শুধু চাঁদই নয়, মঙ্গল, শুক্র, বুধেরও ‘মালিক’।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ১৯৮০ সালে তার বিয়েবিচ্ছেদ হয়। তখন আর্থিক অবস্থাও ভালো ছিল না। এক রাতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে মনে হলো এর মালিক হবেন, সেই জমি বিক্রি করে খুলবেন উপার্জনের পথ।

এরপর অনেক পড়াশোনা করে ড্যানিশ জানতে পারেন, পৃথিবী ছাড়া সৌরজগতের আর কোথাও ব্যক্তি মালিকানা নেই। এরপরই চাঁদ ও আটটি গ্রহের মালিকনা দাবি করে তিনি চিঠি পাঠান জাতিসংঘে।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, মালিকানা নিতে কোনো আইনি বাধা থাকলে যেন তাকে জানানো হয়। তবে সেই চিঠির কোনো জবাব দেয়নি জাতিসংঘ। আর যায় কোথায়, সেই থেকে চাঁদ এবং আটটি গ্রহের মালিক বনে গেছেন ড্যানিশ এম হোপ।

শেয়ার করুন

টয়লেটে যাবে গরু

টয়লেটে যাবে গরু

গরুর জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই টয়লেটের নাম মো-লো।

নিছক কোনো খেয়ালের বশে নয়। ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমণ কমাতেই গরুকে টয়লেট ব্যবহারে অভ্যস্ত করা হচ্ছে। কারণ গরুর মূত্রে রয়েছে অ্যামোনিয়া। যা মাটির সঙ্গে মিশে নাইট্রাস অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। আর এই নাইট্রাস অক্সাইডই হলো- গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রধান উপকরণ!

জার্মানিতে নিম্নচাপ পেলেই সোজা টয়লেটে গিয়ে হাজির হচ্ছে বেশকিছু গরু। মুখ দিয়ে ঠেলে নিজেরাই টয়লেটের দরজা খুলছে। তারপর ভদ্রতার সঙ্গে প্রাকৃতিক কর্মটি সারছে।

গরুদের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত এই টয়লেটের নাম দেওয়া হয়েছে ’মো-লো’। টয়লেট ব্যবহারের এই শিক্ষাটি তারা পেয়েছে এক দল গবেষকের কাছ থেকে।

নিছক কোনো খেয়ালের বশে নয়। ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমণ কমাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন গবেষকরা।

গবেষণায় দেখা গেছে, সারা বিশ্বে মনুষ্যসৃষ্ট কারণে যত গ্রিনহাউস নির্গত হয় তার ১০ ভাগই হয় পশু খামার থেকে। এ ক্ষেত্রে গরুর একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ গরুর মূত্রে রয়েছে অ্যামোনিয়া। যা মাটির সঙ্গে মিশে নাইট্রাস অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। আর এই নাইট্রাস অক্সাইডই হলো- গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রধান উপকরণ।

গরুকে মানুষের মত টয়লেট ব্যবহার করানো তো আর সহজ ব্যপার নয়। তাই তাদের প্রশিক্ষণ দিতে কিছু বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছেন গবেষকরা।

এ ক্ষেত্রে প্রথমেই তারা ১৬টি গরুকে বেছে নিয়েছেন। এসব গরুর মধ্যে যারা মো-লো’তে গিয়ে মূত্র ত্যাগ করছে তাদের পুরস্কৃত করা হয়। আর যারা মো-লোর বাইরে এই কর্মটি সারছে তিরস্কার হিসেবে তাদের দিকে টানা তিন সেকেন্ড প্রচণ্ড গতিতে পানি ছোড়া হচ্ছে।

কয়েকদিনের মধ্যে আশাতীত ফলও পেয়েছেন তারা। দেখা গেছে, ১৬টি গরুর মধ্যে ১১টিই টয়লেট ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।

মো-লো’তে ত্যাগ করা গরুর মূত্র পরে সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করছেন গবেষকরা। দেখা গেছে এই প্রক্রিয়ায় ওই খামারে ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত অ্যামোনিয়া নিঃসরণ কমিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

মানুষের সমাজে মারা গেলেন বাস্তবের টারজান

মানুষের সমাজে মারা গেলেন বাস্তবের টারজান

হো ভ্যান ল্যাং

ভিয়েতনামের গহীণ অরণ্য থেকে মানুষের সমাজে ফিরে আসার পর আট বছরের বেশি বাঁচলেন না ৫২ বছর বয়সী হো ভ্যান ল্যাং। অথচ এর আগের ৪০ বছর জঙ্গলেই দিব্যি কাটিয়ে দিলেন বাস্তব জীবনের এই টারজান। লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি মারা গেছেন তিনি।

১৯৭২ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাদের ছোড়া বোমার আঘাতে মারা যান হো ভ্যান ল্যাংয়ের মা। এরপরই মাত্র চার বছর বয়সে মানুষের সমাজ থেকে পালিয়ে বাবার সঙ্গে গহীণ অরণ্যে চলে যান ল্যাং। সঙ্গে তার ভাইও ছিল।

জঙ্গলের গভীরে বসবাস করার সময় পুরো পৃথিবী থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তারা। যুদ্ধের ঘোর তাদের কখনোই কাটেনি। জঙ্গলে বসবাসের সময় তারা ভাবতেন, যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি।

শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালে তাদেরকে মানুষের সমাজে ফিরিয়ে আনা হয়। জঙ্গলে তাদের প্রিয় খাবার ছিল বানর, সাপ আর গিরগিটি। এ ছাড়া হাতের কাছে তারা যা পেতেন, তাই খেতেন। খাদ্য হিসেবে ল্যাংয়ের কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিল ইঁদুরের মাথা।

মজার ব্যাপার হলো- নারীরা কেমন হয় সে সম্পর্কেও কোনো ধারণা ছিল না ল্যাংয়ের। কারণ এ সম্পর্কে তার বাবা কখনোই তাকে কিছু বলেননি।

জঙ্গলে টারজানের মতো জীবন কাটালেও মানুষের সমাজে মোটেও খাপ-খাওয়াতে পারেননি ল্যাং। ফল হয় মারাত্মক। তেল মশলা দিয়ে রান্না করা খাবার খেয়ে অবশেষে লিভার ক্যান্সার হয়ে যায় ল্যাংয়ের। ক্যান্সারে ভুগেই গত ৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয় তার।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়- অ্যালভারো সিরেজো নামে এক অভিযাত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল ল্যাংয়ের। দুজন মিলে এক সপ্তাহের জন্য জঙ্গলেও বসবাস করে এসেছিলেন।

সিজেরো বলেন, ‘তার মৃত্যুতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। তবে আমি মনে করি, এই মৃত্যু তার মুক্তি। কারণ গত কয়েক মাস ধরেই সে খুব কষ্ট সহ্য করছিল।’

সিজেরো জানান, মানুষের সমাজে ল্যাংয়ের বসবাসকে তিনি পছন্দ করতেন না। কারণ তিনি জানতেন, জঙ্গলের সঙ্গে সমাজের যে বিরাট ব্যাবধান তা ল্যাংয়ের শরীর সহ্য করতে পারবেনা।

সিজেরোর কথাই সত্য হল। বন্ধু সম্পর্কে তার মন্তব্য হলো- ‘ল্যাং ছিল যেন ছোট্ট এক শিশু। কিন্তু তার দক্ষতা ছিল সুপারম্যানের মতো।’

শেয়ার করুন

হারানো বিড়াল খুঁজে দিলেই পুরস্কার

হারানো বিড়াল খুঁজে দিলেই পুরস্কার

হলুদভাইকে খুঁজে দিলে ২ হাজার টাকার পুরস্কার দেবে রায় পরিবার। ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও বেড়ালটিকে পাওয়া যায়নি। ‘হলুদভাই’কে হারিয়ে পরিবারের সবার ভীষণ মন খারাপ। বিশেষ করে ছোটরা খুব ভেঙে পড়েছে।

হারিয়ে যাওয়া প্রিয় বিড়ালকে খুঁজে দিতে পারলে নগদ ২ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে পোস্টার ছাপিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রায় পরিবার। বিড়ালটির গায়ে ডোরাকাটা দাগ, নাম ‘হলুদভাই’।

ব্যবসায়ী তাপস রায়ের বাড়ি হাওড়া জেলার উত্তর বাকসাড়া এলাকায়। তার স্ত্রী শুক্লা রায় ও কন্যা নবনীতা।

তিন বছর আগে ঝড় বৃষ্টির এক রাতে তাপসের বাড়ির দরজায় একটি বিড়াল কাঁদছিল। দরজা খুলে তার স্ত্রী ও কন্যা দেখেন, বৃষ্টিতে ভিজে একসার বিড়ালটি ঠকঠক করে কাঁপছে। এরপর পরম যত্নে বিড়ালটিকে ঘরে নিয়ে গরম দুধ খাইয়ে ধাতস্ত করেন পরিবারের সদস্যরা।

সেই থেকে বিড়ালটি রায় পরিবারের একজন সদস্য। নাম রাখা হয় ‘ঘন্টি’। কিছুদিন পর বিড়ালটি চারটি বাচ্চার জন্ম দেয়। এদেরই একজন ‘হলুদভাই’। যাকে গত ১৫ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

হারানো বিড়াল খুঁজে দিলেই পুরস্কার
প্রিয় বিড়ালের পোস্টারের সামনে নবনীতা

শুক্লাদেবী জানান, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও লাভ হয়নি। ‘হলুদভাই’কে হারিয়ে পরিবারের সবার ভীষণ মন খারাপ। বিশেষ করে ছোটরা খুব ভেঙে পড়েছে।

তাই বাড়ির এই ছোট্ট সদস্যকে খুঁজে পেতে নগদ ২ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়।

কাঁদো কাঁদো নবনীতা বলেন, ‘শরীরে সাদার ওপর হলুদ ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। তাই ওর নাম দিয়েছি হলুদভাই। ও সবার খুব প্রিয়। প্রতিদিন ভোর বেলা ঘুম ভাঙাতো।’

বিড়ালের প্রতি এই ভালোবাসার ব্যাকুলতা নজর কেড়েছে হাওড়াবাসীর।

শেয়ার করুন

৫৫ বছরের কনের ২৫ বছরের বর

৫৫ বছরের কনের ২৫ বছরের বর

সালিশ বৈঠকে ২৫ বছরের যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় ৫৫ বছরের নারীকে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় লোকজন জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ৫৫ বছরের ওই নারী বাড়িতে একা থাকতেন। সে বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার রাতে ২৫ বছরের যুবকের সঙ্গে তাকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখেন প্রতিবেশীরা। বিষয়টি তখন দুই পরিবারেই জানাজানি হয়।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সালিশ বৈঠক ডেকে ২৫ বছরের এক যুবকের সঙ্গে ৫৫ বছরের এক নারীর বিয়ে দিয়েছেন গ্রামের মাতবররা।

উপজেলার ১১ নম্বর বড়হিত ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় এ নিয়ে মুখরোচক আলোচনা চলছে।

বিয়ে পড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছেন এলাকার কাজী মোহাম্মদ নুরুল্লাহ। তিনি বলেন, কনে শিরিন আক্তার ও বর ফারুক হোসেন দূর সম্পর্কের দাদি-নাতি বলে বিয়ে পড়াতে গিয়ে জেনেছেন।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫৫ বছরের শিরিনের স্বামী মারা যান ৫ বছর আগে। তিনি নিজ বাড়িতে একাই থাকেন। সে বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার রাতে ফারুকের সঙ্গে তাকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখেন প্রতিবেশীরা। বিষয়টি তখন দুই পরিবারেই জানাজানি হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামের মাতবর ও ইউপি সদস্যরা সালিশ বৈঠক ডাকেন শুক্রবার। সেখানে তাদের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিয়ের কথা শুনে ফারুক পালিয়েও যান।

তখন সালিশকারীরা শিরিনকে ফারুকের বাড়িতে তুলে দিয়ে আসেন। স্বজনদের মাধ্যমে রোববার ফিরিয়ে আনা হয় ফারুককে। ওইদিনই আবার সালিশ ডেকে সোমবারই বিয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গ্রামের মাতবর বা সালিশকারী কারও নাম জানাতে রাজি হননি এলাকার কেউ।

ওই যুবকের বাবা আব্দুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই নারী তো আমার ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি ছিল না। আমার ছেলেও চলে যায়। তারপরও সালিশে থাকা লোকজন জোর করে বয়স্ক নারীর সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে দিল।’

তিনিও সালিশকারীদের নাম জানাতে চাননি।

এ বিষয়টি জানতে মঙ্গলবার সকালে ওই যুবকের বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার স্ত্রীকে পাওয়া যায়নি। তারা কোথায় গেছেন তাও স্বজনরা জানাতে চাননি। কবে ফিরবেন তাও তারা জানাননি।

বড়হিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ জালাল জানান, তিনি অসুস্থ। তিনি কিছু জানেন না।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদির মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ঘটনাটি সত্য। তবে বিয়ে নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

শেয়ার করুন

বিয়ের আসরে বুকডন দিয়ে ভাইরাল বর-কনে

বিয়ের আসরে বুকডন দিয়ে ভাইরাল বর-কনে

বিয়ের আসরে বুকডন দিয়ে ভাইরাল ভারতের এক দম্পতি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

বিয়ের আসরে বর-কনের বুকডন দেয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে না করতেই হয়ে যায় ভাইরাল। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে গুরগাঁওয়ে।

সামনে অসংখ্য অতিথি। তাদের সামনে মঞ্চে বসে বর-কনে। কনের পরনে লেহেঙ্গা, অসংখ্য গয়না। বরের সাজও চিরাচরিত, পাগড়ি, শেরওয়ানি। হঠাৎ দুজন সেই মঞ্চেই শুরু করলেন বুকডন দেয়া।

এমন পরিস্থিতিতে অবাক উপস্থিত অতিথিরা। ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে না করতেই হয়ে যায় ভাইরাল।

বিয়ের আসরে বর-কনের এমন বুকডনের ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে গুরগাঁওয়ে।

গুরগাঁওয়ের এক মেকআপ আর্টিস্ট পারুল গার্গে প্রথম সেই ভিডিও পোস্ট করেন।

ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়, বুকডন দেয়া কনে অক্ষিতা অরোরা মহাজন ও তার স্বামী আদিত্য মহাজন। অক্ষিতা কাজ করেন ফিটনেস কোচ হিসেবে।

শরীরচর্চাকে জনপ্রিয় করতে অনেক আগে থেকেই অক্ষিতা কাজ করেন বলে জানা গেছে। অন্যদের শরীরচর্চায় সচেতন করতে নানা সময়ে ভিন্ন কিছু করেন তিনি।

ভাইরাল ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন অক্ষিতা অরোরা। ভিডিও শেয়ারের পর পোস্টে পড়েছে অসংখ্য মন্তব্য। নেটিজেনরা সেখানে বিষয়টিকে অনন্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অনেকেই ভিডিওটি শেয়ার করে ওই দম্পতিকে ভালোবাসাও জানাচ্ছেন।

শেয়ার করুন