সাভারের ‘রানি’ এখন বিশ্ব মিডিয়ায়

সাভারের ‘রানি’ এখন বিশ্ব মিডিয়ায়

দেশের গন্ডি পেরিয়ে ‘রানিকে’ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বিশ্ব মিডিয়ায়ও। ছবি: নিউজবাংলা

গরুটি নিয়ে বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যমেই একই শিরোনাম দেখা গেছে- ‘থাউজ্যান্ডস ফ্লক টু সি ডুয়ার্ফ কাউ ইন বাংলাদেশ’। অর্থাৎ বাংলাদেশে বামন গরু দেখতে ভিড় জমাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

গিনেস বুকে নাম ওঠার আগেই বিশ্ব মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে ঢাকার সাভারের একটি খামারে বেড়ে ওঠা ২০ ইঞ্চি উচ্চতার গরু ‘রানি’। দুই বছর বয়সী গরুটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে এএফপি, বিবিসি, অস্ট্রেলিয়ার এবিসি, ফ্রান্সের ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের গালফ নিউজসহ অনেক সংবাদমাধ্যম।

গরুটি নিয়ে বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যমেই একই শিরোনাম দেখা গেছে- ‘থাউজ্যান্ডস ফ্লক টু সি ডুয়ার্ফ কাউ ইন বাংলাদেশ’। অর্থাৎ বাংলাদেশে বামন গরু দেখতে ভিড় জমাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

বার্তা সংস্থা এএফপি গরুটিকে নিয়ে ৩৪৪ শব্দের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি ৪ মিনিট ৪১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছেড়েছে। এএফপির বরাতে গরুটি নিয়ে সংবাদ ছেপেছে ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরসহ আরও অনেক সংবাদমাধ্যম।

রানিকে নিয়ে বিবিসি শিরোনাম দিয়েছে ‘ডুয়ার্ফ কাউ রানি ফাইন্ডস ফেম ইন বাংলাদেশ’। অর্থাৎ বাংলাদেশে বামন গরু রানি বিখ্যাত হয়ে উঠছে।

রানিকে নিয়ে ফলাও করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভিসহ ভারতের অনেক সংবাদমাধ্যম। সংবাদ প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের জিও টিভিও।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গালফ নিউজ রানিকে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপিয়েই থামেনি। একটি ফটো স্টোরিও প্রকাশ করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার এবিসি ডটনেট লিখেছে, বাংলাদেশে ক্ষুদ্রকায় একটি গরু দেখতে করোনার মধ্যেও ভিড় জমাচ্ছে অনেক মানুষ।

সাভারের ‘রানি’ এখন বিশ্ব মিডিয়ায়

সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়নের শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামে খামারে বেড়ে উঠেছে রানি। ধারণা করা হচ্ছে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকায় গরু। রানির নাম গিনেস রেকর্ড বুকে তুলতে এরই মধ্যে আবেদন করেছে খামার কর্তৃপক্ষ।

গিনেস বুকে খর্বাকৃতির গরু হিসেবে বর্তমানে যে গরুটি আছে সেটির উচ্চতা ২৪.৭ ইঞ্চি। ২০১৪ সালের ২১ জুন খর্বাকৃতির গরু হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ভারতের কেরালা রাজ্যে মানিকিয়াম জাতের গরুটির ওজন ৪০ কেজি।

শিকড় অ্যাগ্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভুট্টি জাতের গরু রানির উচ্চতা ২০ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য ২৬ ইঞ্চি এবং ওজন ২৬ কেজি। ১১ মাস আগে নওগাঁর প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে রানিকে আনা হয় এই খামারে। এরপর থেকেই লালন-পালন করছেন তারা।

খামারটির ব্যবস্থাপক তানভির হাসান বলেন, ‘আমরা গিনেস বুকে রানিকে ছোট গরু হিসেবে রেকর্ডের জন্য মেইল পাঠিয়েছি। রানির ছবি, ফুটেজসহ সব তথ্য পাঠানো হয়েছে।

‘অনেক দিন ধরে আমরা রানিকে অবজার্ভ করছিলাম বাড়ে কি না। রানির বয়স এখন দুই বছর। দুই দাঁত হয়ে গেছে। এরপরই ভেটেরিনারি ডাক্তার কনফার্ম করেছেন, এটা পরিপূর্ণ। দুই দাঁত হয়ে গেলে বাড়ার আর সুযোগ থাকে না। এটা আর বাড়বে না।’

তানভির জানান, গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে গত ২ জুলাই আনুষ্ঠানিক মেইল পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে ফিরতি মেইল দেয়া হয়েছে। তারা গিনেস বুকের ফরম পূরণ করে দিয়েছেন। তিন মাসের মধ্যেই গিনেস থেকে দল আসবে বলে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য