ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরের কাছে পৌঁছেছে বুনো হাতির দলটি। ছবি: এএফপি

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন হাতির দলটি লক্ষ্য করে এগিয়ে চলেছে, সেই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টাই টেলিভিশনটিতে তাদের কর্মকাণ্ড লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একদল বুনো হাতি ৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের পর ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরের পাশে একটি বনে বিশ্রাম নেয়ার ছবি আলোড়ন তুলেছে।

হাতিগুলো এই পথ আসতে অন্তত ১০ লাখ ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন হাতির দলটি লক্ষ্য করে এগিয়ে চলেছে, সেই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টাই টেলিভিশনটিতে তাদের কর্মকাণ্ড লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে।

ইউনান প্রদেশে ১৫ সদস্যের হাতির দলটি চলার পথে বাড়িঘর, ফসল ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে জানায় চীন।

সোমবারের প্রকাশ করা চীনের টেলিভিশন সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে, হাতির পালটি ক্লান্ত হয়ে প্রদেশের রাজধানী শহর কুনমিং থেকে কিছু দূরের একটি বনে শুয়ে পড়েছে।

একটি ছবিতে দেখা যায়, একটি বাচ্চা তিনটি বড় হাতির মাঝখানে দুই পা উপরের দিকে তুলে ঘুমাচ্ছে। অন্যরাও শুয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছে।

আরেকটি ছবিতে সাতটি হাতিকে একসঙ্গে পড়ে ঘুমাতে দেখা যাচ্ছে। এই ছবি নেট দুনিয়ায় অসংখ্যবার শেয়ার হয়েছে।

যখন থেকে বুনো হাতির দলটি রওনা হয়, তখন থেকেই আলোচনা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যাত্রার ছবি হাজার হাজার শেয়ার হতে থাকে। নেট দুনিয়ায় অনেকটা আলোচনার জন্ম দেয় চীন সরকারের নেয়া পদক্ষেপেরও।

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম
৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের পর শান্তির ঘুমে বুনো হাতির দল। ছবি: এএফপি

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, হাতির দলটিকে তাদের যাত্রাপথে দেখভালের জন্য কর্তৃপক্ষ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য চার শতাধিক মানুষকে ভ্রাম্যমাণ হিসেবে তাদের আশপাশে থাকার জন্য নিয়োগ দিয়েছে চীন সরকার।

হাতির গতিবিধি সার্বক্ষণিক নজরে রাখতে ও টেলিভিশনে সম্প্রচার করতে ২৪ ঘণ্টা ড্রোন ব্যবহার হচ্ছে।

জনবহুল কুনমিং শহর থেকে হাতির পালটিকে দূরে রাখতে রাস্তার পাশে কনভয় ট্রাকগুলো সারিবদ্ধ করে অনেকটা ব্যারিকেড তৈরি করে রেখেছেন নিরাপত্তায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

ক্লান্ত হাতিদের শান্তির ঘুম
বুনো হাতির দলটির ওপর নজর রাখতে চীন সরকার চার শতাধিক লোক নিয়োগ দিয়েছে। ছবি: এএফপি

স্থানীয় সরকার গ্রামবাসীকে সতর্ক করে বলেছে, তারা যেন বাড়ির আশপাশে ভুট্টাগাছ বা অন্য কোনো ফসল না ফেলে, যেগুলো হাতিদের আকৃষ্ট করে।

কর্তৃপক্ষ হাতিদের এগোনোর সম্ভাব্য পথ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে। সেই সঙ্গে হাতিদের এরই মধ্যে অন্তত ২০০ টন খাবার সরবরাহও করেছে।

বিশেষজ্ঞরা এখনও কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না, কেন জন্মস্থান বা মূল আবাসস্থল থেকে হাতির দলটি সরে অন্য কোথাও যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঘরের সিংহ হারালেন আফ্রিদি

ঘরের সিংহ হারালেন আফ্রিদি

শহীদ আফ্রিদির বাড়ির সিংহ সরিয়ে ফেলেছে ডিএইচএ কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত

আফ্রিদির বাসায় ২০১৮ সাল থেকে একটি সিংহ খাচায় রাখা ছিল। সিংহের পাশাপাশি হরিণসহ আরও কিছু প্রাণী ছিল। সেগুলো ডিএইচএ কর্তৃপক্ষ সরিয়ে ফেলেছে।

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক ক্যাপ্টেন শহীদ আফ্রিদির বাসা থেকে সিংহসহ বেশ কয়েকটি বন্যপ্রাণী সরিয়ে নিয়েছে ডিফেন্স হাউজিং অথোরিটি (ডিএইচএ)।

করাচিতে ডিএইচএস থেকে এক বাসিন্দা শহীদ আফ্রিদির বাড়িতে বন্যপ্রাণী রাখা আছে বলে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন।

জিও নিউজের খবরে বলা হয়, অভিযোগ পেয়ে বুধবার ডিএইচএ কর্তৃপক্ষ আফ্রিদির বাসায় অভিযান চালায়। এরপর তার বাড়িতে থাকা বন্যপ্রাণীগুলো নিয়ে যায়।

ডিএইচএ কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এর আগেও বাড়ি থেকে বন্যপ্রাণী সরিয়ে ফেলার জন্য আফ্রিদিকে বলেছিল। বলার পরও আফ্রিদি প্রাণীগুলো সরিয়ে নেননি।

ঘরের সিংহ হারালেন আফ্রিদি
আফ্রিদির বাড়িতে ছিল হরিণও

আফ্রিদির বাসায় ২০১৮ সাল থেকে একটি সিংহ খাচায় রাখা ছিল। সিংহের পাশাপাশি হরিণসহ আরও কিছু প্রাণী ছিল।

বাসায় বন্যপ্রাণী রাখার অভিযোগের পর দেশটির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

তদন্ত করে পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ।

দেশটির আইনে বন্যপ্রাণী বাড়িতে বন্দি রাখা অপরাধ।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

কুকুরের দুধপানে বড় হচ্ছে বিড়াল ছানা

কুকুরের দুধপানে বড় হচ্ছে বিড়াল ছানা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে কুকুড়ের দুধ পান করে বড় হচ্ছে বিড়াল ছানা।

আশিষ চন্দ বর্মনের বাড়িতে বসবাস ওই কুকুর আর বিড়ালের। সম্প্রতি সেখানেই একটি মা বিড়াল দুইটি ছানা প্রসব করার পর মারা যায়। ওই মা বিড়ালের মৃত্যু আর দুধপানের অভাবে দুটি ছানার একটি মারা যায়। তবে এরই মধ্যে বেঁচে থাকা ওই বিড়াল ছানাটিকে দুধ খাওয়ানো শুরু করে একটি মা কুকুর। এভাবেই মা কুকুরটির স্নেহ আর দুধ পানে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে ওই বিড়াল ছানাটি।

কুকুরের দুধ পান করে বড় হচ্ছে একটি বিড়াল ছানা। বিরল এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে।

অবাক করা এ দৃশ্যটি দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন ওই বাড়িতে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ এই তথ্য খুব একটি বিস্মিত হয়নি। তারা বলছে, প্রাণীকূলের মধ্যে এই ধরনের ভালোবাসা বিরল নয়।

উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আশিষ চন্দ বর্মনের বাড়িতে বসবাস ওই কুকুর আর বিড়ালের। সম্প্রতি সেখানেই একটি মা বিড়াল দুইটি ছানা প্রসব করার পর মারা যায়।

ওই মা বিড়ালের মৃত্যু আর দুধপানের অভাবে দুটি ছানার একটি মারা যায়। তবে এরই মধ্যে বেঁচে থাকা ওই বিড়াল ছানাটিকে দুধ খাওয়ানো শুরু করে একটি মা কুকুর। এভাবেই মা কুকুরটির স্নেহ আর দুধ পানে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে ওই বিড়াল ছানাটি।

ওষুধ বিক্রেতা আশিষ চন্দ বর্মন বলেন, ‘আমরা কুকুর বা বিড়াল পুষি না। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমার বাড়িতে একটি কুকুর ও বিড়াল বসবাস করে আসছে। হঠাৎ একদিন ওই বিড়ালটি দুটি বাচ্চা জন্মদিয়ে মারা যায়।

‘এরপর থেকে দেখছি মা হারা ওই বিড়াল ছানাটি কুকুরের দুধপান করছে। তবে প্রায়ই দেখছি কুকুরটি দুধে মুখ দিয়ে রাখছে বিড়াল ছানাটি। রীতিমত খেলা করে ওই কুকুর আর বিড়ালের ছানাটি।’

কাকরাজান ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং ওই গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি প্রথমে আমার বিশ্বাস হয়নি। এ কারণে আমি নিজে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি সত্যিই বিড়াল ছানাটি কুকুরের দুধ খাচ্ছে। এটি সত্যিই আশ্চর্য হওয়ার মতো একটি বিষয়।’

সখীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল জলিল জানান, ‘এটি খুবই স্বাভাবিক বিষয়। একটি প্রাণির সাথে অপর একটি প্রাণির ভালোবাসায় এটি হতেই পারে। যেহেতু তারা একই বাড়িতে থাকে এবং একই মালিকের খাবার খায়।’

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

টিকা ছাড়াই শুধু সুঁই পুশ: টাঙ্গাইলের স্বাস্থ্যকর্মী শাস্তির মুখে 

টিকা ছাড়াই শুধু সুঁই পুশ: টাঙ্গাইলের স্বাস্থ্যকর্মী শাস্তির মুখে 

দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ নম্বর বুথে রোববার অন্তত ২০ জনের দেহে করোনার টিকা না দিয়েই কেবল সিরিঞ্জের সুঁই পুশ করার অভিযোগ ওঠে। সেখানে টিকাদানের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন।

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে করোনাভাইরাসের টিকা না দিয়ে কেবল সুঁই পুশ করার ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীর ভাষ্য, বেশি মানুষের চাপে তাড়াহুড়োর মাঝে ‘অনিচ্ছাকৃত’ ঘটনাটি ঘটেছে।

দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ নম্বর বুথে রোববার অন্তত ২০ জনের দেহে করোনার টিকা না দিয়েই কেবল সিরিঞ্জের সুঁই পুশ করার অভিযোগ ওঠে। সেখানে টিকাদানের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন।

স্থানীয় এক যুবক দাবি করেন, টিকাগ্রহীতাদের শরীরে শুধু সুঁই পুশ করে সিরিঞ্জ ফেলে দিতে দেখেছেন তিনি। ঘটনাটি আবাসিক চিকিৎসক শামিমকে জানানো হলে তিনি পরিত্যক্ত সিরিঞ্জগুলো সংবাদকর্মীদের সামনে বাছাই করে ২০টিতে টিকার সম্পূর্ণ ডোজের উপস্থিতি দেখতে পান।

ডা. শামিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ব্যাপারে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আলামতও সংগ্রহ করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে সাজেদা আফরিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তদন্ত কমিটির প্রধান জেলার সহকারী সিভিল সার্জন শামিম হুসাইন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জেলা সিভিল সার্জনের কাছে জমা দেয়া হয়েছে।’

টিকা ছাড়াই শুধু সুঁই পুশ: টাঙ্গাইলের স্বাস্থ্যকর্মী শাস্তির মুখে

বিষয়টি জানতে জেলা সিভিল সার্জন আবু ফজল মোহম্মদ শাহাবুদ্দিন খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সেটি ঢাকায় স্বাস্থ্য বিভাগে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন। তিনি বলেন, ‘অনেক লোকের চাপ ছিল। অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাটি ঘটে গেছে।’

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’

বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’

স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করছেন বিল গেটস। ছবি: গেটসনোটস

পৃথিবীর অর্ধেক জনগোষ্ঠীর (প্রায় ৩৬০ কোটি) টয়লেট নেই বা তারা অনিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবহার করে। অনিরাপদ স্যানিটেশনের অর্থ দূষিত পানি ও মাটি। এতে অসুস্থতা, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করতে ১০ বছর আগে টয়লেট নতুন করে উদ্ভাবনের চ্যালেঞ্জ বিশ্বকে দিয়েছিল বিল গেটস ফাউন্ডেশন।

পৃথিবীর অর্ধেক জনগোষ্ঠীর (প্রায় ৩৬০ কোটি) টয়লেট নেই বা অনিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবহার করে।

অনিরাপদ স্যানিটেশনের অর্থ দূষিত পানি ও মাটি। এতে অসুস্থতা, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ডায়রিয়াসহ অন্যান্য স্যানিটেশন সংশ্লিষ্ট রোগে ভুগে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়।

তবে এই স্যানিটেশন সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন বিল গেটস। তার ব্লগ সাইট গেটসনোটস-এ এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

২০১১ সালে বিল গেটস ফাউন্ডেশনের ‘রিইনভেন্ট দ্য টয়লেট চ্যালেঞ্জ’ প্রকল্প গবেষকদের কাছ থেকে জানতে চায়, পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা বা প্রবাহমান পানির ওপর নির্ভর না করে নিরাপদ স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা যায় কি না।

বিল গেটস ফাউন্ডেশনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা বেশ কিছু চমকপ্রদ চিন্তা হাজির করেন।

অল্প পানি ও বিদ্যুতের সাহায্যে বা এসবের সাহায্য ছাড়াই মানব বর্জ্য নিরাপদে প্রক্রিয়াজাত করার টয়লেট নকশা করেন তারা।

ওই বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা এমন এক ধরনের টয়লেট তৈরি করেন যেখানে সার, পরিষ্কার পানি ও বিদ্যুৎসহ মূল্যবান আরও সম্পদে পরিণত হয় মল।

অন্য গবেষকরা টয়লেট, সেপটিক ট্যাংক ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা থেকে মল প্রক্রিয়াজাত করার নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।

এর মাধ্যমে পুরো সম্প্রদায়ের বর্জ্য খাবার পানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়।

ওমনি-প্রসেসরস নামে পরিচিত এসব যন্ত্র মলমূত্র ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টও ব্যবহার করা যেতে পারে।

উদ্ভাবনের পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যাপক ড. শ্যানন ইর নেতৃাত্বধীন দল ওইসব চিন্তা থেকে কম খরচে কীভাবে টয়লেট উদ্ভাবন করা যায়, তা বের করবে।

এর নাম দেয়া হয়েছে জেনারেশন টু রিইনভেন্টেড টয়লেট।

বাজারে এসব উদ্ভাবন সামনে আনতে এখনও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি গবেষকরা। তবে চ্যালেঞ্জ উতরানো গেলে এসব উদ্ভাবন কোটি কোটি মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনবে।

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আশাবাদী। আগামী ১০ বছর বা তারও পরে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

জবসের চাকরির আবেদনপত্র বিক্রি ২ কোটি ৯০ লাখ টাকায়

জবসের চাকরির আবেদনপত্র বিক্রি ২ কোটি ৯০ লাখ টাকায়

নিজের উদ্যোগ অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠার আগে চাকরিও খুঁজেছেন। তার প্রথম চাকরির আবেদনপত্রটি লিখেছেন নিজ হাতে। সেই আবেদপত্রটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ ৬৭ হাজার টাকায়।

অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস পরিচিত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা হিসেবে। তার জীবনে থেকে অনুপ্রেরণা পান অসংখ্য তরুণ।

নিজের উদ্যোগ অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠার আগে চাকরিও খুঁজেছেন। তার প্রথম চাকরির আবেদনপত্রটি লিখেছেন নিজ হাতে। সেই আবেদপত্রটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ ৬৭ হাজার টাকায়।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ১৯৭৩ সালে স্টিভ জবস নিজ হাতেই লেখেন আবেদনপত্রটি। সে সময় জবসের বয়স ছিল ১৮ বছর।

দাবি করা হয়, তরুণ জবসের এটাই ছিল তার জীবনের একমাত্র চাকরির আবেদনপত্র।

অবশ্যই জবসের জন্য চাকরি ছাড়াও অনেক বড় কিছু তখন অপেক্ষা করছিল। হাতে লেখা সেই আবেদনপত্রে জবসের ড্রাইভিং লাইসেন্স সংযুক্ত করার বিষয়টি লেখা ছিল। তবে কোনো ফোন বা পরিবহনের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

জবসের জিনিসপত্র ও চিঠি নিলামে বিক্রি এটাই প্রথম নয়। ২০১৭ সালে নিউইয়র্কের বোনামাসে তার চিঠির প্রথম নিলাম হয়। সেই নিলামে দাম উঠেছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার।

স্টিভ জবস প্রযুক্তি উদ্ভাবক হিসেবে সমধিক পরিচিত। তিনি ও স্টিভ ওজনিয়াক মিলে ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন।

এরপর একে একে প্রতিষ্ঠানটি বড় হয়েছে। ২০০৭ সালে নিয়ে আসেন আইফোন। এর মধ্যে দিয়ে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন জবস।

জবস ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর মারা যান।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

একসঙ্গে তিন ডোজ টিকা নেয়া ওমর ফারুক পর্যবেক্ষণে

একসঙ্গে তিন ডোজ টিকা নেয়া ওমর ফারুক পর্যবেক্ষণে

একদিনে তিন ডোজ টিকা পাওয়া ওমর ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

‘এক দিনে তিন ডোজ টিকা নিলেও তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার কথা নয়। তবে টিকার যে উপাদান সেটি মানবদেহে মিশতে সময় লাগে তিন দিন। তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া লক্ষ করার জন্য কমপক্ষে সাত দিন তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন।’

সৌদি আরবে যাওয়ার আগে করোনা প্রতিরোধী টিকা নিতে সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আসেন নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ওমর ফারুক। তবে না বুঝেই তিনটি বুথ থেকে তিন ডোজ টিকা নেন তিনি।

একজন ব্যক্তি তিন ডোজ টিকা কীভাবে নিলেন, সেই ব্যাখ্যা নেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে তারা বলছেন, তিন ডোজ টিকা নেয়া ওমর ফারুক বর্তমানে পর্যবেক্ষণে আছেন। বাড়তি টিকা নেয়ায় কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এখনও দেখা দেয়নি।

টিকা নেয়ার পর ওমর ফারুক একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে বলেন, ‘আমি যখন প্রথমে টিকাকেন্দ্র ঢুকলাম, তখন একজন ইশারা দিয়ে ডান সাইটে যেতে বললেন। ওখানে গিয়ে এক ডোজ টিকা নিলাম। টিকা দিয়ে উনি সামনের দিকে যেতে বললেন।

‘সামনের ব্যক্তি দ্বিতীয়বার টিকা দিয়ে বললেন, আপনি সামনে যান। আরও সামনে দিকে এগিয়ে গিয়ে একটি চেয়ারে বসলাম। উনি কিছু জিজ্ঞেস না করে আরও এক ডোজ টিকা আমাকে দিয়েছেন। পরে বাইরে এসে লোকেদের জিজ্ঞেস করলাম আপনারা কয়বার টিকা দিয়েছেন, তারা বললেন, একবার।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য একজন ব্যক্তিকে দুই ডোজ টিকা দিতে হবে। প্রথম ডোজ নেয়ার চার সপ্তাহ বা আট সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হয়। সাধারণত টিকা দেয়ার পর টিকা কার্ডে সেটি উল্লেখ করতে হয়।

নিয়ম অনুযায়ী টিকা নেয়ার পর প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এমনকি টিকা নেয়া ব্যক্তির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখার জন্য একজন চিকিৎসকের নম্বর দেয়া হয় টিকা কার্ডে। কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে মোবাইল ফোনে জানানোর পরামর্শ রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

ওমর ফারুকের তিনবার টিকা নেয়ার বিষয়টির পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনার টিকাদান কার্যক্রমের সমন্বয়ক খোরশীদ আলম।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একজন সুস্থ মানুষ কোনো দিন এক দিনে তিন ডোজ টিকা নিতে পারেন না।’

তবে ওমর ফারুককে কেন তিন ডোজ টিকা দেয়া হলো, জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

বিষয়টি কীভাবে ঘটল জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এমন ঘটনা কীভাবে হলো, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছি। এমনকি সেই ওমর ফারুককেও ডাকা হয়েছে। তিনি এলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে টিকাকেন্দ্র কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার খোঁজখবর রাখছে। তিনি স্বাভাবিক ও সুস্থ রয়েছেন।’

এক দিনে তিন ডোজ টিকা নিলে কী ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, সে বিষয়ে জানতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির সাবেক প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাজুল ইসলাম বারির সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু করোনাভাইরাসের টিকা এমআরএল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, সে ক্ষেত্রে এক দিনে তিন ডোজ টিকা নিলেও তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার কথা নয়। তবে টিকার উপাদান মানবদেহে মিশতে সময় লাগে তিন দিন। তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া লক্ষ করার জন্য কমপক্ষে সাত দিন তাকে (ওমর ফারুক) পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। এর মধ্যে যদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না দেখা যায়, তাহলে কিছুই হবে না।’

তিনি বলেন, একবারে তিন ডোজ টিকা নিলেও ওমর ফারুককে আবার নির্ধারিত সময় পর আরেকটি ডোজ টিকা নিতে হবে। ফলে সব মিলিয়ে চার ডোজ টিকা পাচ্ছেন ওমর।

ওমর ফারুকের অবস্থান জানতে নিউজবাংলা যোগাযোগ করেছে নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহম্মেদের সঙ্গে। তবে তিনি ওমরের বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

ডা. ইমতিয়াজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে ১০০ শয্যা জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে প্রবাসীদের টিকা দেয়া হয়। যারা এখানে রেজিস্ট্রেশন করেন তারা টিকা নিয়ে থাকেন। যিনি বিএসএমএমইউ থেকে টিকা নিয়েছেন তিনি সেখানে নিবন্ধন করেছেন। এ কারণে আমাদের কাছে ওই ব্যক্তির কোনো তথ্য নেই।’

সিভিল সার্জন বলেন, ‘যিনি তিনবার টিকা দিয়েছেন তার কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে দুটি ডোজ নষ্ট হলো, যা অন্যরা দিতে পারতেন। আমরা এ ধরনের ঘটনা চাই না। যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন

নানরুটির ঘড়ি

নানরুটির ঘড়ি

রুটি নিয়ে এটাই তার প্রথম কাজ নয়। এর আগে রুটি দিয়ে বাল্ব বানানোর রেকর্ড আছে তার।

জাপানি শিল্পী ইওকিকো মোরিটা সম্প্রতি ব্যতিক্রমী এক ঘড়ি বানিয়েছেন।

মজার ব্যপার হচ্ছে, ঘড়ির ফ্রেমটা তিনি বানিয়েছেন আসল নানরুটি দিয়ে।

ক্ষুধা লাগলে ঘড়ির ফ্রেম থেকে রুটির টুকরো ছিঁড়ে গিলা কলিজা দিয়ে আরাম করে খেতে পারবেন।

রুটি নিয়ে এটাই তার প্রথম কাজ নয়। এর আগে রুটি দিয়ে বাল্ব বানানোর রেকর্ড আছে তার।

নানরুটির ঘড়ি বানানো সম্পর্কে শিল্পী মোরিটা বলেন, ‘‘বিখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী সালভাদোর দালির ‘দ্য পারসিসটেন্স অব মেমোরি' ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এমন ঘড়ি বানিয়েছি।''

নানরুটির ঘড়ি
সালভাদোর দালির বিখ্যাত ছবি ‘দ্য পারসিসটেন্স অব মেমোরি'।

তাহলে নানরুটিই কেন? অন্য কিছুও তো হতে পারত?

এই প্রশ্নের জবাবে মোরিটা বলেন, ‘‘জাপানি ভাষায় ‘এখন কয়টা বাজে?’ জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বলতে হয় ‘ইমা নানজি দেসু কা?’। এই বাক্যটিতে নান শব্দ আছে। তাই আমি এখানে নানরুটি ব্যবহার করেছি।''

ঘড়ির নানরুটিতে কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করা হয় বলে এতে কোনো ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয় না। ফলে এটা দীর্ঘ সময় ভালো থাকে।

নানরুটির ঘড়িগুলো বিক্রিও করছেন মোরিটা। ৮১ ডলার বা প্রায় ৭ হাজার টাকা দাম চাইছেন তিনি। তবে টাকা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে ঘড়ি পাবার কোনো সুযোগ নেই। ঘড়ি পেতে সময় লাগবে দুই সপ্তাহের মতো।

নানরুটির ঘড়ি

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে নিহত ১
সুস্থ হয়ে বনে ফিরে গেল বন্য হাতি
‘হাতির আক্রমণে’ রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু
ঢাকার বুকে হাতির মতো এ কী!
টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শেয়ার করুন